Showing posts with label বিচিত্র জগৎ. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 1:50 AM

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে প্রামণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।


শনিবার (২৬ মার্চ) দিনব্যাপী নিউইয়র্কের মিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপনের সূচনা করা হয়।

মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।


 
পরে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রবাসী বাঙালি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানান মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

অদ্ভুতুড়ে 10:50 PM

গাড়ির ব্রেক ফেল হওয়ার ঘটনা সচরাচর হয় না। আচমকা এ ধরনের ঘটে থাকে। কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই গাড়ির ব্রেক ফেল হয় বলে এর ঝুঁকি অনেক বেশি। ব্রেক ফেল করে কখনো কখনো প্রাণহানির ঘটনার খবর শোনা যায়। সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো, গাড়ির ব্রেক ফেল করলে তৎক্ষণাৎ কী করবেন তা অনেকেই ভেবে পান না। তাই গাড়ির ব্রেক হলে তাৎক্ষণিক করণীয় কী তা নিয়েই নিচে কয়েকটি পরামর্শ দেয়া হলো :


১. প্রথমেই উদ্বিগ্ন হবেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। যত বেশি সম্ভব হর্ন দিন।
২. এরপর অ্যাকসিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিন। গাড়িতে ক্রুজ কন্ট্রোল থাকলে তা বন্ধ করুন।
৩. ব্রেকে চাপ কম মনে হলে বারে বারে পাম্প করতে থাকুন।
৪. গাড়ির গিয়ার একেবারে নামিয়ে আনুন। এতে গাড়ির গতি কমবে। তবে গিয়ার কমান ধীরে ধীরে।
৫. এরপর হ্যান্ড ব্রেক ব্যবহার করুন।
৬. রাস্তা ওড়া এবং ফাঁকা থাকলে এক্ষেত্রে আরো সুবিধা। ওই কম গতিতে গাড়ি এঁকেবেঁকে চালান। এতে গতি আরো কমবে। তবে বেশি গতিতে এ কাজ করতে যাবেন না।
৭. এভাবে গতি অনেকটা কমে এলে বালি বা ঝোপের মতো কোথাও গাড়িটি ভিড়িয়ে দিন। তবে পুকুর, নদী এড়িয়ে চলুন। আর সতর্কতা হিসেবে গাড়িতে চড়লেই সিট বেল্ট বাঁধার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

অদ্ভুতুড়ে 5:05 AM

খোলা আকাশের নীচে স্নানের কথা শুনলেই রূপকথা মনে পড়ে যায়। যেখানে ঝরনার জলে গা ভিজিয়ে নিতেন রূপসী রাজকন্যা থেকে ক্লান্ত পথিক। 


সেই স্নানের রোম্যান্টিকতা সৃষ্টি করতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তৈরি করা হয়েছে খোলা আকাশের নীচে অপূর্ব কিছু স্নানঘর। তেমনই সেরা ১০ স্নানঘরের ছবি দেখুন এই গ্যালারিতে।

হাওয়াই: হাওয়াই দ্বীপের হালে কু মানা রিসর্টের এই স্নানঘর বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অন্যতম সেরা আকর্ষণ।



বতসোয়ানা: স্যাংচুয়ারি বেনেস ক্যাম্পের বোরো নদীর তীরে এই স্টার বাথ। ছবি: সাংচুয়ারি রিট্রিটস।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



তাসমানিয়া: নীল আকাশ আর সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে স্নান করতে চাইলে চলে যান তাসমানিয়ার গ্রেট অয়েস্টার বে তে। ছবি: ভিউ রিট্রিট।



কুইন্সল্যান্ড: কুইন্সল্যান্ড রেন ফরেস্টে পাখিদের কলকাকলির মাঝে স্নান করতে পারেন এখানে। ছবি: স্টেইজ।



নিউ ইয়র্ক: হাডসন নদীর কোলে মেরিটাইম হোটেলের পেন্টহাইউজের ছাদে এই স্নানঘর। ছবি: কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলর।



বারোসা ভ্যালি: কিংসফোর্ড হ্যাম্পস্টেড জঙ্গলের মাঝে ২২৫ একর জায়গা জুড়ে এই স্নানঘর। ছবি: ভিউ রিট্রিটস।



জাপান: গোরা কাদান জাপানের স্টোন ওপেন এয়ার বাথ। ছবি: ট্রাভেলর।



ইংল্যান্ড: হ্যাম্পটন কোর্ট ফ্লাওয়াপর শো-র এক্সটেনশন এই গ্লাস হাউজ বাথরুম। ছবি: লিভিন স্পেসেস।


অদ্ভুতুড়ে 11:27 PM

শূন্য ব্যতীত নয়টি অংক রয়েছে। ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯। বড় থেকে ছোটক্রমে সাজিয়ে ১০০ বানানোর একটা খেলার আয়োজন করতেই এই লেখা। চলুন, খেলা যাক।

প্রথমে অংকগুলোকে উল্টো ধারায় সাজিয়ে লেখা যাক। মানে, অংকগুলোকে সাজাতে হবে এভাবে : ৯৮৭৬৫৪৩২১।
এবার অংকগুলোর মধ্যে কেবল যোগ (+) আর বিয়োগ (-) চিহ্ন এমনভাবে বসাতে হবে যেন ফলাফল ১০০ হয়।
যেমন ধরা যাক, ৯ + ৮ + ৭৬ + ৫ - ৪ + ৩ + ২ + ১ = ১০০।
এরকম ঠিক কত উপায়ে আপনি ১০০ পেতে পারেন?
খেলাটা আমি জমাতে চেয়েছিলাম আমাদের দুই বন্ধুর সঙ্গে। একজন আশিক। আরেকজন নবাব। দুজনেই বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, পড়ছে একাদশ শ্রেণীতে। দুজনেই ২০১৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আমি নিয়ম-কানুনসহ কী করতে হবে তা জানিয়ে আশিক আর নবাবকে মুঠোফোন থেকে এসএমএস করলাম।
উত্তরে নবাবের কাছ থেকে প্রথম এই এসএমএসটা পেলাম : ৯- ৮ + ৭৬ - ৫ + ৪ + ৩ + ২১ = ১০০।
হিসেব ঠিক আছে। উৎসাহ দিলাম, ‘সঠিক। আরো চেষ্টা কর।’
দেরিতে হলেও এসএমএস আসল আশিকের কাছ থেকে। আমি ইনবক্সে ঢুকে পড়লাম : ৯ + ৮ + ৭৬ + ৫ + ৪ - ৩ + ২ - ১ = ১০০।
একদম ঠিক। এসএমএস করলাম, ‘এই তো পেরে গেছো। এবার বাকিগুলো খুঁজো।’
এরপর নবাবের আরেকটা এসএমএস। তাতে এক সঙ্গে পাঁচটা সমাধান। আমি ইনবক্স থেকে তুলে দিচ্ছি এখানে :
৯৮ + ৭ + ৬ - ৫ - ৪ - ৩ + ২ - ১ = ১০০
৯৮ - ৭ + ৬ + ৫ + ৪ - ৩ - ২ - ১ = ১০০
৯৮ + ৭ - ৬ + ৫ - ৪ + ৩ - ২ - ১ = ১০০
৯৮ - ৭ + ৬ - ৫ + ৪ + ৩ + ২ - ১ = ১০০
৯৮ - ৭ - ৬ + ৫ + ৪ + ৩ + ২ + ১ = ১০০।
‘নিখুঁত হিসাব,’ ফিরতি এসএমএসে লিখলাম আমি, ‘চালিয়ে যাও।’
আশিক আর উত্তর দেয়নি । তবে নবাব তার সপ্তম সমাধানটা পাঠাল :  ৯ - ৮ + ৭ + ৬৫ - ৪ + ৩২ - ১ = ১০০।
একটা সমাধান আমি শুরুতেই উদাহরণ হিসেবে তুলে দিয়েছি। তবে এই নয়টি ছাড়াও আরো ছয়টি সমাধান আছে। ভাবছেন, আমি এগুলো মাথা থেকে খুঁজে বের করেছি। মোটেও না।
ইন্টারনেটে ঢুকে একটা সাইটে আমি এই খেলাটা আর সবকটা সমাধান পেয়ে যাই। তাই মাথার বুদ্ধি খরচ না করে, ওখান থেকে বাকি ছয়টা উত্তর বলে দিচ্ছি। হিসাবগুলো ঠিক আছে কি না, একটু মিলিয়ে নিতে পারেন। আমি কিন্তু না মিলিয়েই লিখে দিলাম!
৯৮ + ৭ - ৬ - ৫ + ৪ + ৩ - ২ - ১ = ১০০
৯৮ + ৭ - ৬ + ৫ - ৪ - ৩ + ২ + ১ = ১০০
৯৮ - ৭ + ৬ + ৫ - ৪ + ৩ - ২ + ১ = ১০০
৯৮ - ৭ - ৬ - ৫ - ৪ + ৩ + ২১ = ১০০
৯৮ - ৭৬ + ৫৪ + ৩ + ২১ = ১০০
৯ - ৮ + ৭৬ + ৫৪ - ৩২ + ১ = ১০০।

অদ্ভুতুড়ে 1:11 AM
গোপনীয় অনেক বিষয় আছে যেগুলো প্রকৃত নাম প্রকাশ না করে ব্যক্তিদের কাছে শেয়ার করতে চান ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। কিন্তু এতদিন ফেসবুক নীতিতে আসল নাম ছাড়ায় ওই সমস্যার কথা শেয়ার করা যেত না।
এ ব্যাপারে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ওঠা প্রতিবাদের কারণে তাদের ‘রিয়েল নেম পলিসি’ সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। পাশাপাশি ভুয়া নামে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজে দেবে এ নীতি।
মঙ্গলবার ফেসবুকের নিজস্ব সাইটে বলা হয়েছে, আমরা একটি নতুন টুল ব্যবহার করতে যাচ্ছি- যেখানে একজন ব্যক্তি নিজেদের আসল নাম গোপন রেখে ‘বিশেষ অবস্থা’ শেয়ার করতে পারবেন।
যারা গৃহস্থালীতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিংবা যৌন হয়রানির মুখে রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে নিয়ে এ টুল যুক্ত করা হচ্ছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, যদিও আসল নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালেও তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, আসলের পরিবর্তে বন্ধু ও পরিবারের চেনে এমন নাম ব্যবহার আবশ্যক করেছি আমরা। লোকজন এমন নাম ব্যবহার করবেন যেটা তারা চেনেন। নামটি অবশ্যই বেশি শব্দের হতে হবে। কারণ ফেসবুক বিষয়টি বেশ জবাবদিহিতার বিষয় হিসেবে নিয়েছে। আমরা এ নীতির প্রতি বেশ দৃঢ়। এটা পরিবর্তন হবে না।
ফেসবুক জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে শুনানির পর আমরা অনুমতি দিয়েছি যে নীতিটি সবার জন্য বিশেষত যারা নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার এমন সম্প্রদায়ের লোকদের উপকারে আসবে।
কোম্পানি আরো জানিয়েছে, নতুন এ টুলটি ভুয়া নামে ফেসবুক ব্যবহারকারীকে রিপোর্ট করবে এবং কোনো নামের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে তাদেরকে তথ্য সরবরাহ করবে।
ফেসবুক জানিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার ভুয়া নামের রিপোর্ট আসে।
কোম্পানিটি বলছে, আগে ভুয়া নামের বিষয়ে রিপোর্ট করা বেশ সহজ ছিল। কিন্তু এখন এ জন্য তাদের কয়েকটি ধাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। রিপোর্টে অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

অদ্ভুতুড়ে 1:09 AM
এক বছরে মানুষের ভালো-খারাপ বিভিন্ন রকম স্মৃতি থাকে। ফেসবুকে এগুলো শেয়ারও করছে ব্যবহারকারীরা। এবার ব্যবহারকারীদের সেই খারাপ স্মৃতিগুলো মুছে দিতে এগিয়ে এসেছে ফেসবুক।
আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও ফেসবুক নিয়ে এসেছে ইয়ার রিভিউ। গত এক বছরে ব্যবহারকারীরা যা যা শেয়ার করেছেন, তারই একটা ‘ডাউন দ্য মেমরি লেন জার্নি’।
তবে এবার এই স্মৃতির ডায়েরিতে খানিক পরিবর্তন এনেছে ফেসবুক। কোনো মুহূর্ত আপনি শেয়ার করবেন, কোনটা করবেন না, এতদিন এর সবকিছুই ঠিক করে দিত ফেসবুক নিজে। এবার সেই বাছাইয়ের দায়িত্ব আপনার হাতে।
সম্প্রতি ফেসবুকে যুক্ত করা নতুন টুলের মাধ্যমে আপনি আপনার সারা বছরের শেয়ারগুলো একসঙ্গে পেতে পারেন। এরমধ্য থেকে কোনগুলো আপনার পছন্দ তা বাছাই করার সুযোগ আপনি পাবেন। আপনার ফেসবুক একাউন্টে থাকা ছবি বা স্ট্যাটাস  দেখে, জেনে, পড়ে আপনি কোনটা আপনার বার্ষিক স্মৃতিতে (মেমোরিতে) রাখতে চান তা করতে পারবেন।
কোনো ছাঁকনির ব্যবস্থা না থাকায় গত বছর ফেসবুকের এই অ্যাপ নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছিল। ইউজার না চাইতেও এমন কিছু মুহূর্ত বছর শেষের স্মৃতি অ্যালবামে জমা পড়ত, যেগুলো অনেকেই ভুলতে চান। ইউজারদের অভিযোগ ছিল, রিভিউ করার নামে খুঁচিয়ে ঘা বাড়াচ্ছে ফেসবুক।
এই বছর তাই আর বিতর্কের পথ মাড়ায়নি এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। কোন স্মৃতি রাখবেন, কোনটা নয় তার দায়িত্ব এখন থেকে আপনারই। ইচ্ছামত এডিট করে নিলেই হলো। ব্যস, খারাপ মুহূর্ত হাওয়া!

অদ্ভুতুড়ে 9:47 PM
রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন দীর্ঘক্ষণ সচল রাখার জন্য চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকিটেল তৈরি করলে শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন।ফোনটির মডেল কে৬০০০। ফোনটিতে আছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের ব্যাটারি। এর আগে অকিটেল ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারির একটি ফোন বাজারে ছাড়ে।

গিজমো চায়না জানিয়েছে
, অকিটেলের নতুন এই ফোনটির ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হলে টানা ৪০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে। অন্যদিকে এটি দিয়ে একটানা ৪৬ ঘণ্টা গান শোনা যাবে। এই ফোনটিতে ফাস্ট চার্জি প্রযুক্তি রয়েছে।

ফোনটি মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিলে ২ ঘণ্টা কথা বলা যাবে। এটিতে রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি আছে। ফলে এটি দিয়ে অন্যফোনেও চার্জ দেয়া যাবে।ফোনটির কনফিগারেশন ও দরদাম সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন দীর্ঘক্ষণ সচল রাখার জন্য চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকিটেল তৈরি করলে শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন।ফোনটির মডেল কে৬০০০। ফোনটিতে আছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের ব্যাটারি। এর আগে অকিটেল ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারির একটি ফোন বাজারে ছাড়ে।
গিজমো চায়না জানিয়েছে, অকিটেলের নতুন এই ফোনটির ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হলে টানা ৪০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে। অন্যদিকে এটি দিয়ে একটানা ৪৬ ঘণ্টা গান শোনা যাবে। এই ফোনটিতে ফাস্ট চার্জি প্রযুক্তি রয়েছে।
<a href='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/ck.php?n=ae55f451&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/avw.php?zoneid=2&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=ae55f451' border='0' alt=''/></a>
ফোনটি মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিলে ২ ঘণ্টা কথা বলা যাবে। এটিতে রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি আছে। ফলে এটি দিয়ে অন্যফোনেও চার্জ দেয়া যাবে।ফোনটির কনফিগারেশন ও দরদাম সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/296937#sthash.Zy7yeEhj.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:40 PM
কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।

তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।

এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!

আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।

কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।
তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।
এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!
আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/301314#sthash.Z4dc2vVk.dpuf
কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।
তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।
এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!
আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/301314#sthash.Z4dc2vVk.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:25 PM
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান তাদের জীবদ্দশায় ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ার দান করার অঙ্গিকার করেছেন।

বুধবার ফেসবুকে মার্ক জুকারবার্গের ভেরিফায়েড ফ্যানপেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেয়া হয়েছে। পোস্টে মার্ক জুকারবার্গ তার সন্তানের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। বেশ বিস্তারিত এ চিঠিতেই এমন অঙ্গিকার করে বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আরো ভালো একটি পৃথিবী তৈ
রির জন্য তারা এই দান করছেন।

ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলার। এই দম্পতি বলেছেন, দানের ওই অর্থ দিয়ে তারা ‘চ্যান-জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি নতুন দাতব্য সংস্থা গঠন করতে যাচ্ছেন। এ সংস্থার লক্ষ্য হবে, মানুষের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেয়া এবং আগামী প্রজন্মের সব শিশুর জন্য সমতা নিশ্চিতে কাজ করা। ওই দাতব্য সংস্থাটি ব্যক্তিগত শিক্ষা, রোগব্যাধির চিকিৎসা, মানুষকে সংযুক্ত করা এবং শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন জুকারবার্গ।

চিঠিটিতে কমেন্ট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিল গেটসের মিলিন্ডা গেটস, মার্কিন তারকা কেটি কৌরিক, সঙ্গীত তারকা শাকিরাসহ বিশ্বের নামীদামী তারকারাও।

অদ্ভুতুড়ে 9:07 PM
পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রাচীন পুরাকীর্তি কিংবা বিভিন্ন সভ্যতা নানা সময়ে এসে এমন সব সৃষ্টি কর্ম রেখে গেছে যা আজও বিস্ময়কর। এমনকি এখনও এমন সৃষ্টিকর্ম আছে যেগুলোর রহস্য উন্মোচিত হয়নি। ঠিক এমনই একটি  শিল্পকর্মের কথা বলতে গেলে নিশ্চিতভাবেই আসবে লাইসারগাস পেয়ালার কথা।

এই পেয়ালা সম্পর্কে সব তথ্য এখনো পাওয়া না গেলেও গবেষণা চলছে। একইসঙ্গে যেটুকু জানা তার ফলে অভিভূত না হয়ে উপায় থাকে না। আর রোমানদের তৈরি প্রাচীন সৃষ্টিকর্মের মধ্যে সন্দেহাতীতভাবেই এটি একটি অন্যতম বিস্ময়কর সৃষ্টি। এটা সত্য যে, আজ যখন প্রযুক্তির জয়জয়কার, আর প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্যকে আমরা সাথে নিয়ে এগোচ্ছি তখন শুধুমাত্র এই পেয়ালাগুলো সম্পর্কে যতটুকু জানা যাচ্ছে সেটুকুতেও কারোই বুঝতে অসুবিধা হবে না, রোমানদের প্রযুক্তি কতেটা উন্নত ছিল সেই সময়েই!

মাত্র কয়েক দশকের আগে বিজ্ঞানও কিছুই জানাতে পারেনি এই পেয়ালা সম্পর্কে। কেননা পেয়ালাগুলো এতই বিস্ময়কর যে, যখন এই পেয়ালাটিকে রেখে আপনি সামনে থেকে আলো ফেলবেন তখন আপনার মনে হবে পেয়ালাটি অবশ্যই সবুজ রঙের! কিন্তু যখন একইভাবে আপনি যখন পেয়ালাটির পেছনে আলো ফেলবেন, তখন পেয়ালাটি লাল রঙ ধারণ করবে! একবার ভাবুন কী রহস্য ছিলো তাদের সৃষ্টির নেপথ্যে!

উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে বিটিশ গবেষকরা এই পেয়ালার রহস্য উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছিলেন। তারা শনাক্ত করতে পেরেছিলেন যে, এই পেয়ালাগুলোতে সুক্ষ ও আর খুবই পাতলা অসংখ্য স্বর্ণ ও রূপার টুকরা দ্বারা আচ্ছাদিত।

জাদুকরি এই পেয়ালার সন্ধান পাওয়া যায় মূলত ১৮৪৫ সালে। যখন একজন ফরাসি লেখক বলেন তিনি এই পেয়ালা দেখেছেন।

অদ্ভুতুড়ে 10:49 PM
সারা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের গ্রাম। একেকটি গ্রামের বিশেষত্ব কিংবা বৈশিষ্ট্য একেক রকম। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপাই গ্রামটি সত্যিই বিস্ময়কর! স্বাভাবিক ভূমির চেয়ে এই গ্রামটি অন্তত তিন হাজার ফুট গভীরে অবস্থিত।

‘সুপাই’ ইউনাইটেড স্টেট-এর একমাত্র গ্রাম যেখানে চিঠিপত্রও গ্রহণ করা হয় মিউল বা গাধার মতো পশুর সাহায্যে। আপনি যদি ভূমি থেকে গভীরের এই গ্রাম ‘সুপাই’-এ এখনো না যেয়ে থাকেন, তবে এর পিছনে হয়তো যৌক্তিক কারণও থাকতে পারে। কেননা এটি একমাত্র গ্রাম যা প্রায় মাটি থেকে ৩০০০ ফুট গভীরে অবস্থিত। এই দূরবর্তী গ্রামে যাওয়ার একমাত্র পথ হলো পশুর সাহায্য নিয়ে যাওয়া কিংবা হেলিকপ্টার যোগে। অপনি হয়তো এত দূরবর্তী গ্রামে মিউল এর সাহয্যে যেতে পারবেন না, তাই যদি যেতে চান লাগবে হেলিকপ্টার, অর্থাৎ এখানে যাওয়া

কিন্তু সেই অর্থে খুব ব্যয়বহুলও।

ইউনাইটেড স্টেস সেনসাস এর একটি হিসাবে জানানো হয়েছে, এই গ্রামে বাস করে মাত্র ২০৮ জন মানুষ। সুপাই গ্রামটি এতই দূরবর্তী ও গভীর যে,  ইউনাইটেড স্টেটস-এর এটি আসলে একমাত্র গ্রাম- যেখানে ডাক বা এ সংক্রান্ত যে কোনো কিছু গ্রহণ করতে হলে মিউল অর্থাৎ গাধা বা এজাতীয় পশুই মাধ্যম। তাই এখানে কোনো কিছু পৌঁছাতে হলে আপনাকে অবশ্যই ন্যূনতম এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। এখানের সকলেই তাদের চিঠি পায় ‘ডাক গাড়ি’ অর্থাৎ মিউলের মাধ্যমে যারা বিভিন্ন প্যাকেজ বা চিঠিপত্র পৌঁছিয়ে দেয়।

আরো অবাক ব্যাপার হল, প্রত্যেকটি পার্সেল গ্রহণের ক্ষেত্রেই একটি স্পেশাল পোস্টমার্কও আছে। যা ব্যাকপ্যাকারস নামে বেশি পরিচিতি।

ভ্রমণ পিয়াসী মন ও আর্থিক সঙ্গতি থাকলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন পৃথিবীর অন্যতম গভীরের এই গ্রাম থেকে!

অদ্ভুতুড়ে 10:45 PM
প্রকৃতিতে এমন কত কিছুই যে আছে, যা সম্পর্কে যতবেশি জানা যায়, ততই যেন বিস্ময় আরো বাড়তে থাকে। এ জন্যেই হয়ত প্রকৃতিকে বলা হয় রহস্যময়ীও।

হ্যাঁ, আমরা বলছি পৃথিবীর প্রাচীন বৃক্ষগুলোর কথা। যারা দাঁড়িয়ে আছে কত বছর ধরে! ৪৬০০ বছরের এই গাছগুলোর সামনে কতকিছুই ঘটে গেছে এ পৃথিবীতে। কত ইতিহাসের সাক্ষী যেন এ গাছগুলোই!

ইনো ন্যাশনাল ফরেস্টে এমন অনেক বৃক্ষ আছে, তাদের সামনেই কতকিছু এল, সৃষ্টি হলো, আবার কতকিছুর অবসানও যেন হলো। কত কত ঘটনা, পৃথিবীর বদলে যাওয়া!

এই বিস্ময়কর ও প্রাচীন বনভূমিটি সিরিয়ার নেভাদার সাদা পর্বতমালায় অবস্থিত। এখানকার বৃক্ষগুলোকেই মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বৃক্ষ। এ বনে আছে প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো বৃক্ষ।

এখানে আছে জায়ান্ট সিকোইয়া নামের একরকম গাছ যার বয়স প্রায় ১৫০০ বছর! আপনি কতোটা বিস্মিত হবেন যখন জানবেন, বিস্টলেকন পাইন এমন এক ধরনের গাছ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী মাটির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে!

এমনকি আরো বিস্ময়কর হলো অনুর্বর মাটিতেও এটা নিমিষেই নিজের সক্ষমতা তৈরি করে নিতে পারে! ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গাছটি বেঁচে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই।

এই বনভূমিতে কমবয়সী গাছ থাকলেও অধিকাংশ গাছের বয়সই ৪ হাজারেরও বেশি। আর এসব প্রাচীন বৃক্ষগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে যে গাছটিকে প্রাচীন মনে করা হয় তার নাম ‘মিথুসেলাহ।' মিথুসেলাহর বয়স প্রায় ৪ হাজার ৭৬৮ বছর।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবেও মিথুসেলাহ নামের বৃক্ষটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম বৃক্ষ।

প্রকৃতিতে এমন কত কিছুই যে আছে, যা সম্পর্কে যতবেশি জানা যায়, ততই যেন বিস্ময় আরো বাড়তে থাকে। এ জন্যেই হয়ত প্রকৃতিকে বলা হয় রহস্যময়ীও।
হ্যাঁ, আমরা বলছি পৃথিবীর প্রাচীন বৃক্ষগুলোর কথা। যারা দাঁড়িয়ে আছে কত বছর ধরে! ৪৬০০ বছরের এই গাছগুলোর সামনে কতকিছুই ঘটে গেছে এ পৃথিবীতে। কত ইতিহাসের সাক্ষী যেন এ গাছগুলোই!
ইনো ন্যাশনাল ফরেস্টে এমন অনেক বৃক্ষ আছে, তাদের সামনেই কতকিছু এল, সৃষ্টি হলো, আবার কতকিছুর অবসানও যেন হলো। কত কত ঘটনা, পৃথিবীর বদলে যাওয়া!
এই বিস্ময়কর ও প্রাচীন বনভূমিটি সিরিয়ার নেভাদার সাদা পর্বতমালায় অবস্থিত। এখানকার বৃক্ষগুলোকেই মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বৃক্ষ। এ বনে আছে প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো বৃক্ষ।
এখানে আছে জায়ান্ট সিকোইয়া নামের একরকম গাছ যার বয়স প্রায় ১৫০০ বছর! আপনি কতোটা বিস্মিত হবেন যখন জানবেন, বিস্টলেকন পাইন এমন এক ধরনের গাছ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী মাটির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে!
এমনকি আরো বিস্ময়কর হলো অনুর্বর মাটিতেও এটা নিমিষেই নিজের সক্ষমতা তৈরি করে নিতে পারে! ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গাছটি বেঁচে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই।
এই বনভূমিতে কমবয়সী গাছ থাকলেও অধিকাংশ গাছের বয়সই ৪ হাজারেরও বেশি। আর এসব প্রাচীন বৃক্ষগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে যে গাছটিকে প্রাচীন মনে করা হয় তার নাম ‘মিথুসেলাহ।' মিথুসেলাহর বয়স প্রায় ৪ হাজার ৭৬৮ বছর।
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবেও মিথুসেলাহ নামের বৃক্ষটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম বৃক্ষ।
- See more at: http://www.poriborton.com/post/42346/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9B#sthash.BSrpBPi2.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 10:44 PM
চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক একটি জাদুঘরের তালা ভেঙে প্রবেশ, সংরক্ষিত মানব-মস্তিষ্ক চুরি তারপরে তা ইবে’র মাধ্যমে অনলাইনে বিক্রি করেছেন চোর।

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নজিরবিহীন চুরিকাণ্ডে চোর ডেভিড চার্লসকে সাজা দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে আনীত ছয়টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের নির্দেশে এখন ওই চোরকে একবছর গৃহবন্দি থাকতে হবে।

২৩ বছরের ওই তরুণ ইন্ডিয়ানা মেডিকেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে মানবদেহের সংরক্ষিত মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চুরি করতে বেশ কয়েকবার অনুপ্রবেশ করেছেন বলে জানা গেছে।

জাদুঘর ভবনটি আগে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ১৮৪৮ সালে নির্মিত ভবনটি পরে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।

এর আগে ২০১৩ সালেও একই কারণে গ্রেফতার হয়েছিলেন চার্লস। তাকে গ্রেফতারের পর ৮০ পাত্র মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জব্দ করে পুলিশ।

অদ্ভুতুড়ে 10:43 PM
মানুষের কল্পনার প্রধান একটি অনুষঙ্গ পাখি হতে চাওয়া বললে ভুল হয় না। সবাই হয়তো কখনো কখনো পাখিদের উড়ে যাওয়া দেখে মনে করেছে, ইস! যদি উড়তে পারতাম!

মৌসুমী ভৌমিকও গান গেয়েছেন, ‘পাখি উড়ে উড়ে যায় কোথায়/আমার মন পাখি হয়ে উড়ে যেতে চায়।’- তো সেই পাখির উড়ে যাওয়া নিয়ে যে তথ্য পাওয়া যায় তাও কিন্তু কম বিস্ময়কর নয়! যদি বলা হয় বেশি উড়তে পারা পাখি কতক্ষণই বা উড়তে পারে! পাখিদের মধ্যে কে চ্যাম্পিয়ন! গবেষণার তথ্য বলছে, গায়ক পাখিরাই বেশি উড়তে পারায় চ্যাম্পিয়ন। তাহলে গায়ক পাখিটার উড়তে পারার ক্ষমতাটাও আপনার জেনে রাখা ভাল।

গবেষণায় বলা হচ্ছে, গায়ক পাখিরা একটানা ২ কিংবা ৩ দিন পর্যন্তও উড়তে পারে! একটা নতুন গবেষণায় এমনটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গায়ক পাখিরা বিরতীহীনভাবে উড়ে কমপক্ষে ১৫০০ মাইল বা ২৪০০ কিলোমিটারও অতিক্রম করেছে। আর এই দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে তাদের সময় লেগেছে ২ কিংবা ৩ দিন।

যদিও এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, ওয়ার্বলার বা গায়কপাখিরা দেখতে খুবই মনোমুগ্ধকর। সাদা ও কালো রঙের গায়ক পাখি দেখতে হামিংবার্ড পাখির চেয়ে যদিও কিছুটা বড়, কিন্তু পাখির রাজ্যে এইসব গায়ক পাখিরা দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে কতোটা যে দক্ষ তা কিন্তু গবেষণালব্ধ তথ্যগুলোই প্রমাণ করে।

জার্নাল বায়োলোজি লেটারস জানিয়েছে, এর আগে এই পাখিগুলোর উড়তে পারা ক্ষমতা রেকর্ড করা হয়েছিল, ১৭০০ মাইল বা ২৭৩০ কিলোমিটারেরও বেশি। আর তখন সেই পথ অতিক্রম করতে গায়ক পাখিদের সময় লেগেছিল ৩ দিন।

অদ্ভুতুড়ে 10:41 PM
শুধু প্রয়োজনের সময়ই না, বিপদের সময়ও কাজে আসে স্মার্টফোন। ইদানিং নানা অতর্কিত গোলাগুলির ঘটনায়, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রাণে বেঁচেছে স্মার্টফোনের কল্যানে।     ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। সম্প্রতি ফ্রান্সের প্যারিসে একটি কনসার্ট হলে জঙ্গীদের অতর্কিত বন্দুক হামলায় নিহত হন অনেক মানুষ। হামলার সময় কনসার্ট হলের সিলভারস্টাইন নামক এক ব্যক্তি প্রাণে বেঁচে যান স্মার্টফোনের কল্যানে।     জঙ্গিরা গুলি চালানোর সময় এই ব্যক্তি নিজের ফোনটিকে মাথার সামনে তুলে ধরেন। ফলে গুলির আঘাতে তার ব্যবহৃত স্যামসাং গ্যালাক্সি এস
৬ এজ স্মার্টফোনটির স্ক্রিন ভেঙে গেলেও বেঁচে যায় তার মাথা।     সিলভারস্টাইন বলেন, ‘আমার ফোনটি গুলি না ঠেকালে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত আমার মাথা’।     এর আগেও অতর্কিত গুলির সম্মুখীন হয়ে স্মার্টফোনের কল্যানে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন।     এ বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ফ্রেসনো স্টেট ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ল্যাপটপসহ ব্যাগ ছিনতাই করার সময় এক ছিনতাইকারী ওই শিক্ষার্থীকে সেমি অটোমেটেড পিস্তল গিয়ে গুলি করে। গুলি ওই তরুণের প্যান্টের পকেটে লাগলেও, দূর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায় ওই শিক্ষার্থীটি। কারণ গুলিটি তার জিন্সের প্যান্টের পকেটে থাকা আইফোন ৫ এস ফোনটিতে লাগে, এতে আইফোনটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও প্রাণে বাঁচে সে।     এ বছরের মে মাসে ব্রিটেনেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ১৯ বছরের এক তরুণকে তার প্রতিবেশী গুলি করলে, রক্ষা পায় তরুণটি। গুলি গিয়ে লাগে শার্টের পকেটে থাকা আইফোন ৫সি-তে। এতে আইফোনটি জ্বলে গেলেও, প্রাণে বেঁচে যায় ওই তরুণ।     ২০১২ সালেও যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের আরেক ঘটনায় গুলি ঠেকিয়ে ৪৯ বছর বয়সী মালিকের প্রাণ রক্ষা করেছিল আইফোন ৪এস।

অদ্ভুতুড়ে 10:38 PM
ভাবুন তো ছোট্ট একটা শিশুর কথা, যে কিনা মাত্র তিন বছর বয়সে আপনমনেই ছবি বানানোর নানা কথা-বার্তা বলে চলেছে আর খানিক পরপরই আনমনে বলে উঠছে- অ্যাকশন! কিংবা ভাবুন সেই শিশুটির কথা যে কিনা মুখে বুলি ফোটার পর প্রথম কথাটাই বলেছিল প্যাম! আর পরিণত বয়সে সবাইকে নিজের সাথে পরিচিত করে দিয়েছিল গতজন্মে
অন্য এক স্থানে বাস করা ৩০ বছরের এক মেয়ে প্যাম হিসেবে!

অবিশ্বাস্য লাগছে কথাগুলো? কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও অত্যন্ত এই সত্যি কথাগুলো বর্তমানে পরিচিত প্রায় সবার কাছেই। বিশেষ করে তাদের কাছে যারা দিনের পর দিন কাজ করে চলেছেন রিইনকারনেশন কিংবা পূনর্জন্ম নিয়ে।

মানুষ কী কেবল একবার জন্মায়? নাকি বারবার ফিরে আসে পৃথিবীর কোলে? মানুষের মনে এই প্রশ্ন জমে রয়েছে সেই সুদূর অতীত থেকে। যার শেষ হয়নি এখনো। উত্তরটাও পাওয়া যায়নি ঠিকঠাক করে। তবে উত্তর পাওয়া যাক কিংবা না যাক, এ নিয়ে অনুসন্ধান কখনো থেমে থাকেনি পৃথিবীবাসীর। সবসময়েই তারা পেতে চেয়েছে তাদের প্রশ্নের উত্তর। আর তাদের এই আগ্রহকে বারবার উসকে দিয়েছে পৃথিবীর একোণ-ওকোণ থেকে নিজেদের অতীত জীবনকে মনে করতে পারা কিছু জাতিস্মর। যাদের অনেকেরই দাবী প্রায় সময়েই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে কী সত্যিই পুনর্জন্ম বলে কিছু আছে? আত্মা কী বারবার জন্ম নেয় বহু মানুষের বেশে? যদি তাই হয় তাহলে আমরা সবাইই তো এর আগে আর কেউ একজন ছিলাম। কী ছিলাম আমরা সে জন্মে?  কী করে মনে করা যাবে সেটা? আসুন জেনে নিই এ প্রশ্নগুলোর সম্ভাব্য ও বৈজ্ঞানিক জবাব।

এসবের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকেরা সবসময়েই যেতে চেয়েছেন মৃত্যুর কাছে। মৃত্যুর পর কী হয় মানুষের সঙ্গে? মানুষের শরীরের ভেতরে যদি আত্মা থেকে থাকে তাহলে কী হয় সেই আত্মার? খুব কাছ থেকে এসব নিয়ে পরীক্ষা করে অনেকে বলেছেন একেবারে ভিন্ন কথা।

আটলান্টার ইয়ার্কস ন্যাশনাল প্রাইমেট রিসার্চ প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করা দুই গবেষক ব্রায়ান জি. ডায়াস ও কেরি রেসলারের গবেষণানুসারে, আদতে পুনর্জন্ম বলে কিছু নেই। মানুষের মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা স্মৃতিগুলো বংশগতভাবে অন্য মানুষে প্রবাহিত হতে পারে। আর সেভাবেই একজন মানুষ জন্ম থেকেই অন্য কারো সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মনে করতে পারে। যাকে আমরা মনে করে থাকি গতজন্মের স্মৃতি। কিন্তু আসলেও কী এই গবেষকরা ঠিক? চলুন এর উত্তর জেনে আসি এই ঘটনাটি থেকে।

জার্মান থেরাপিস্ট ট্রুটজ হার্ডোর ‘চিলড্রেন হু হ্যাভ লিভড বিফোর: রিইনকারনেশন টুডে’ বইটিতে গতজন্মের কথা মনে করতে পারা কিছু শিশুকে নিয়ে কাজ করেন। আর সেখানেই তিনি জানান ড্রুজ আদিবাসী দলের একটি ছেলের কথা। শিশুটি জন্ম নিয়েছিল ভয়ংকর এক আঘাতের চিহ্ন নিয়ে।

তবে তিন বছর অব্দি কোনো কথা বলেনি সে। তিন বছর বয়স হওয়ার পর হঠাৎ একদিন সে সবাইকে জানায় যে সে আসলে অনেক দূরের একটি গ্রামের মানুষ। মৃত্যুর পর এখানে জন্মেছে সে আবার। নিজের কথার প্রমাণ হিসেবে গতজন্মে তাকে যে খুন করা হয়েছিল সেই আঘাত আর খুনীকে ধরিয়ে দেয় সে। এমনকি দেখিয়ে দেয় নিজের লাশটাও!

যদি বংশগত জীন হয় এই স্মৃতির পেছনের প্রধান হাতিয়ার তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে যে অনেক দূরের মানুষের কাছ থেকে সেটা কী করে এলো? কারণ সেখানে তো কোনোরকম শারিরীক সম্পর্ক থাকেনা জাতিস্মর মানুষটির তার আগের জন্মের দাবী করা ব্যক্তিটির সঙ্গে।

ঘটনাটি রায়ানের। জিম টাকার পুনর্জন্ম আর গতজন্মের স্মৃতি মনে করতে পারা শিশুদের নিয়ে তখন কাজ করছিলেন। হঠাৎ তার কাছে একটা ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে এক মহিলা কণ্ঠ জিমকে জানায় যে, তার ছেলে রায়ান গত অনেকদিন ধরে আপনমনেই অ্যাকশন, কাট ধরনের চলচিত্রের সঙ্গে জড়িত নানা কথা বলে চলেছে আপন মনে। এমনকি কিছুদিন আগে একজন ৩০ শতকের অভিনেতার নাম বলে তাকে নিজের বন্ধু বলে জানিয়েছে সে। নিজেকেও সেই ৩০ শতকের অভিনেতা জর্জের পাশে দাড়ানো আরেকটি মানুষ বলে চিনতে পেরেছে সে। ঘটনাটি শুনেই দৌড়ে রায়ানের কাছে চলে আসে জিম আর অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে সত্যিই ৩০ শতকের এক অখ্যাত ফিল্মের এক্সট্রা হিসেবে কাজ করতো রায়ান। যার তখনকার নাম ছিল মার্টিন! পরবর্তীতে নিজের মেয়েদের সঙ্গেও দেখা করে রায়ানরূপী মার্টিন।

রায়ান ছাড়াও এমন অনেক শিশুর সঙ্গে দেখা করেছেন জিম যাদের সবার বয়স ২ থেকে ৬ বছরের ভেতরে। আর তারা সবাইই এতটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিজেদের গতজন্মের কথা আর ঘটনাগুলো বলে যেতে পারে গড়গড় করে যে, যে কেউ মানতে বাধ্য হবে যে আসলেই শিশুটি জাতিস্মর। তবে এ ব্যাপারে বলতে গিয়ে জিম টাকার বলেন- কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মতে আমাদের সচেতনতার বাইরেও দৃশ্যমান পৃথিবী গড়ে উঠতে পারে। আর এই ব্যাপারে পদার্থবিজ্ঞানীরাও একমত হবেন বলে মনে করেন তিনি।

নিজের পুরো গবেষণার একটা প্যাটার্ন তৈরি করেন জিম টাকার। তবে অনেকেই অবশ্য জিমের এই পুনর্জন্মের প্যাটার্নে যথেষ্ট পরিমাণ উদাহরনের অভাব বলে মনে করেন। তবে সত্যিটা যাই হোক না কেন, জিম টাকার আর তার এই অনুসন্ধান, পৃথিবীর সবার কাছেই হয়ে তাকবে ভবিষ্যতে এ পথে আরো এগিয়ে যাওয়ার পাথেয়।

অদ্ভুতুড়ে 10:35 PM
পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিনগ্রহের প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, অ্যালিয়েন। তবে ভীনগ্রহে আসলেই কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক রয়েছে।

নানা সময়ে অনেকেই অ্যালিয়েনের দেখা বা ভিনগ্রহের যান পৃথিবীতে দেখতে পাওয়ার কথা জানালেও, এখন পর্যন্ত কেউই সেই দাবীর পক্ষে জোড়ালো প্রমাণ
উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে ভিনগ্রহে আসলেই কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, সে নিয়ে এখন পর্যন্ত সংশয় রয়েছে।

তারপরও বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে হাল ছাড়তে নারাজ। বহু বছর ধরেই মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের খোঁজে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধানের নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহ করতে তৈরি করেছে বিশেষ ধরনের একটি যন্ত্র।

ভিনগ্রহে প্রাণের তথ্য সংগ্রহের জন্য নাসার নতুন
এই যন্ত্রটির নাম দেয়া হয়েছে ‘কেমিক্যাল ল্যাপটপ’। তবে আকার আকৃতিতে এটি ছোটখাট একটি গবেষণাগার।


ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যামাইনো অ্যাসিড, প্রোটিনের মূল একক এই দুই উপাদান প্রাণের অন্যতম উপাদান। ফলে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে এই দুইটি অ্যাসিডের অস্তিত্বই খুঁজে বের করবে নাসার কেমিক্যাল ল্যাপটপ।

নাসার বিজ্ঞানী জেসিকা ক্রেমার জানান, এই ছোট্ট কেমিক্যাল ল্যাপটপই হতে চলেছে মহাকাশে পাঠানো সবচেয়ে সংবেদনশীল যন্ত্র। এটি সহজেই অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ফ্যাটি অ্যাসিড চিহ্নিত করতে পারবে।

প্রাণের সন্ধানে এই ল্যাপটপকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজ্ঞানীদের। তবে এই কেমিক্যাল ল্যাপটপ  কঠিন কোনো পদার্থের ওপর পরীক্ষা চালাতে পারবে না। পরীক্ষার প্রয়োজন প্রয়োজন পড়বে তরল নমুনা। আর মঙ্গলের মতো শুষ্ক গ্রহে তা কতটা পাওয়া সম্ভব হবে, তাই এখন ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।

অদ্ভুতুড়ে 10:31 PM
বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিনিয়ত আসছে কোনো না কোনো নতুন ব্র্যান্ড। কোমল পানীয়র বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড পেপসি-ও এবার এ খাতে নাম লিখিয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পেপসি প্রথমবারের মতো স্মার্টফোনের বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে তাদের পি১ স্মার্টফোনটি নিয়ে।

পেপসি ব্র্যান্ডের পি১ স্মার্টফোনটিতে অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা ডিডো ওএস ব্যবহার করা হয়েছে। ২.৫ডি কার্ভড গ্লাস ডিজাইনের ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের ফুল এইচডি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির অন্যান্য আকর্ষণীয় ফিচারের মধ্যে রয়েছে অক্টা-কোর মিডিয়াটেক এমটি৬৫৯২ প্রসেসর, ২ জিবি র্যা ম, ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি, মেমোরি কার্ড স্লট
, ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৩০০০এমএএইচ ব্যাটারি, ফোরজি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর প্রভৃতি।

আপাতত চীনে জিডিডটকম নামের এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এটি প্রি-অর্ডারে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পেপসিকো ইঙ্ক. কর্তৃপক্ষ। স্মার্টফোনটির মূল্য প্রায় ১৫৬ ইউএস ডলার।

অদ্ভুতুড়ে 10:24 PM
শিক্ষার্থীকে গুগলের ১২৭ কোটি রুপির চাকরির প্রস্তাব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে বিশ্বে বর্তমানে সবচেয়ে লোভনীয় হচ্ছে, সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগলে চাকরি। অনেকেই মনের মধ্যে স্বপ্ন বুনতে থাকেন শিক্ষা জীবন শেষ করে গুগলে চাকরি করার। কর্ম পরিবেশের দিক থেকে গুগল বর্তমান বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।

আর সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান
গুগলে চাকরি সেই অফার সম্প্রতি পেয়েছে ভারতের দিল্লি টেকনোলজিকাল ইউনিভার্সিটির (ডিটিইউ) শেষ বর্ষের ছাত্র চেতন কক্কর। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন ভারতীয় এই তরুণ।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, চেতন কক্করকে বছরে ১২৭ কোটি রুপি (১ লাখ ৯০ হাজার ডলার) বেতনের চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি গুগল। ভারত থেকে বিদেশে প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে এত মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। ডিটিইউ ক্যাম্পাস থেকে এর আগের বছরে সর্বোচ্চ ৯৩ লাখ রুপি বেতনের চাকরির প্লেসমেন্ট হয়েছে।

২০১৬ সালে পড়াশোনা শেষ করেই এই বেতনে ক্যালির্ফোনিয়ায় গুগলের মূল অফিসে জব ক্যারিয়ার শুরু করতে চলেছেন দিল্লির টেকনোলজিকাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র চেতন কক্কর।

গুগল বিশ্বের সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি যারা যোগ্য মানুষকে যথাযথ পারিশ্রমিক দিকে কার্পণ্য করে না। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে বেছে বেছে সব থেকে মেধাবী মানুষগুলোকেই নিয়োগ দেয় গুগল।

অদ্ভুতুড়ে 10:23 PM
পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিনগ্রহের প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, অ্যালিয়েন। তবে ভিনগ্রহে আসলেই কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।




আর এই বিতর্কের কারণটা হচ্ছে, ভিনগ্রহীবাসীর যান বা ইউএফও (আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট)। নানা সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আকাশে এমনকি মহাকাশেও একাধিকবার ইউএফও’র দেখা মিলেছে বলে দাবী করা হয়েছে। তাই এ নিয়ে বিতর্ক লেগেই রয়েছে।

এবার সেই বিতর্ককে আরো উসকে দিয়েছে মহাকাশচারী স্কট কেলির টুইটারে পোস্ট করা মহাকাশের একটি ছবি। স্কট কেলি হচ্ছেন সবচেয়ে বেশিদিন মহাকাশে অবস্থান করা যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশচারী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আন্তজার্তিক মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন।

সম্প্রতি কেলি স্কট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে তোলা দক্ষিণ ভারতের একটি ছবি তার টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন। আর সেই ছবির ডান দিনে ওপরে থাকা আকাশে জ্বলজ্বলকৃত একটি বস্তু দেখে ইউএফও বিশেষজ্ঞরা, জ্বলজ্বলকৃত ওই বস্তুটিকে ভিনগ্রহীদের যান অর্থাৎ ইউএফ বলে দাবী করেছে। মুহূতেই ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে গেছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে ক্যামেরায় তোলা স্টট কেলির পোস্ট করা ওই ছবি।

Powered by Blogger.