পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রাচীন পুরাকীর্তি কিংবা বিভিন্ন সভ্যতা নানা সময়ে এসে এমন সব সৃষ্টি কর্ম রেখে গেছে যা আজও বিস্ময়কর। এমনকি এখনও এমন সৃষ্টিকর্ম আছে যেগুলোর রহস্য উন্মোচিত হয়নি। ঠিক এমনই একটি শিল্পকর্মের কথা বলতে গেলে নিশ্চিতভাবেই আসবে লাইসারগাস পেয়ালার কথা।
এই পেয়ালা সম্পর্কে সব তথ্য এখনো পাওয়া না গেলেও গবেষণা চলছে। একইসঙ্গে যেটুকু জানা তার ফলে অভিভূত না হয়ে উপায় থাকে না। আর রোমানদের তৈরি প্রাচীন সৃষ্টিকর্মের মধ্যে সন্দেহাতীতভাবেই এটি একটি অন্যতম বিস্ময়কর সৃষ্টি। এটা সত্য যে, আজ যখন প্রযুক্তির জয়জয়কার, আর প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্যকে আমরা সাথে নিয়ে এগোচ্ছি তখন শুধুমাত্র এই পেয়ালাগুলো সম্পর্কে যতটুকু জানা যাচ্ছে সেটুকুতেও কারোই বুঝতে অসুবিধা হবে না, রোমানদের প্রযুক্তি কতেটা উন্নত ছিল সেই সময়েই!
মাত্র কয়েক দশকের আগে বিজ্ঞানও কিছুই জানাতে পারেনি এই পেয়ালা সম্পর্কে। কেননা পেয়ালাগুলো এতই বিস্ময়কর যে, যখন এই পেয়ালাটিকে রেখে আপনি সামনে থেকে আলো ফেলবেন তখন আপনার মনে হবে পেয়ালাটি অবশ্যই সবুজ রঙের! কিন্তু যখন একইভাবে আপনি যখন পেয়ালাটির পেছনে আলো ফেলবেন, তখন পেয়ালাটি লাল রঙ ধারণ করবে! একবার ভাবুন কী রহস্য ছিলো তাদের সৃষ্টির নেপথ্যে!
উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে বিটিশ গবেষকরা এই পেয়ালার রহস্য উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছিলেন। তারা শনাক্ত করতে পেরেছিলেন যে, এই পেয়ালাগুলোতে সুক্ষ ও আর খুবই পাতলা অসংখ্য স্বর্ণ ও রূপার টুকরা দ্বারা আচ্ছাদিত।
জাদুকরি এই পেয়ালার সন্ধান পাওয়া যায় মূলত ১৮৪৫ সালে। যখন একজন ফরাসি লেখক বলেন তিনি এই পেয়ালা দেখেছেন।
এই পেয়ালা সম্পর্কে সব তথ্য এখনো পাওয়া না গেলেও গবেষণা চলছে। একইসঙ্গে যেটুকু জানা তার ফলে অভিভূত না হয়ে উপায় থাকে না। আর রোমানদের তৈরি প্রাচীন সৃষ্টিকর্মের মধ্যে সন্দেহাতীতভাবেই এটি একটি অন্যতম বিস্ময়কর সৃষ্টি। এটা সত্য যে, আজ যখন প্রযুক্তির জয়জয়কার, আর প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্যকে আমরা সাথে নিয়ে এগোচ্ছি তখন শুধুমাত্র এই পেয়ালাগুলো সম্পর্কে যতটুকু জানা যাচ্ছে সেটুকুতেও কারোই বুঝতে অসুবিধা হবে না, রোমানদের প্রযুক্তি কতেটা উন্নত ছিল সেই সময়েই!
মাত্র কয়েক দশকের আগে বিজ্ঞানও কিছুই জানাতে পারেনি এই পেয়ালা সম্পর্কে। কেননা পেয়ালাগুলো এতই বিস্ময়কর যে, যখন এই পেয়ালাটিকে রেখে আপনি সামনে থেকে আলো ফেলবেন তখন আপনার মনে হবে পেয়ালাটি অবশ্যই সবুজ রঙের! কিন্তু যখন একইভাবে আপনি যখন পেয়ালাটির পেছনে আলো ফেলবেন, তখন পেয়ালাটি লাল রঙ ধারণ করবে! একবার ভাবুন কী রহস্য ছিলো তাদের সৃষ্টির নেপথ্যে!
উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে বিটিশ গবেষকরা এই পেয়ালার রহস্য উন্মোচন করতে চেষ্টা করেছিলেন। তারা শনাক্ত করতে পেরেছিলেন যে, এই পেয়ালাগুলোতে সুক্ষ ও আর খুবই পাতলা অসংখ্য স্বর্ণ ও রূপার টুকরা দ্বারা আচ্ছাদিত।
জাদুকরি এই পেয়ালার সন্ধান পাওয়া যায় মূলত ১৮৪৫ সালে। যখন একজন ফরাসি লেখক বলেন তিনি এই পেয়ালা দেখেছেন।
Post a Comment