Showing posts with label জানা অজানা. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 11:07 PM

আপনি হয়তো আপনার বন্ধুবান্ধব বা কলিগদের কাছ থেকে ওজন কমানোর ডায়েটের পরামর্শের কথা শুনতে শুনতে ক্লান্ত। ডায়েট টিপস অনুসরণ করা ও নিয়মিত জিম করার পর ও আপনার অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারছেন না আপনি! আপনার ভুল হচ্ছে কোথায়? উত্তরটা খুবই  সহজ- আপনার খাদ্যাভ্যাসেই কোন ভুল হচ্ছে। ডায়েটের এমন কিছু ভুল নিয়েই আমাদের আজকের এই ফিচার।


১। সকালের নাশতা বাদ দেয়া
ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সকালের নাশতা বাদ দেন যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সকালের নাশতা বাদ দিলে দুপুরে অনেক বেশি খাওয়া হয়। অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এবং এনার্জির জন্য সকালে স্বাস্থ্যকর নাশতা খাওয়া প্রয়োজন। 

২। ক্রাশ ডায়েট করলে
ক্রাশ ডায়েট দীর্ঘদিন মেনে চলা সম্ভব নয়। মুহূর্তেই ওজন কমার জন্য কোন ম্যাজিক ফর্মুলা নেই। ক্রাশ ডায়েটে সুষম খাদ্যের ভারসাম্য ঠিক থাকেনা। ফলে এনার্জি কমে যাওয়া ও মেজাজ খিটখিটে হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। 

৩। খাবারের পরিবর্তে এনার্জি বার গ্রহণ করা
স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে এনার্জি বার খাওয়া উচিৎ নয়। এ ধরণের বারগুলোতে কৃত্রিম মিষ্টিকারক যুক্ত থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 


৪। ওয়ার্ক আউটের আগে না খাওয়া
এই ভুলটি অনেক মানুষই করে থাকে। তারা মনে করে যে না খেয়ে ওয়ার্ক আউট করলে অনেক বেশি ওজন কমাতে পারবে। এর ফলে ওয়ার্ক আউট করার জন্য পর্যাপ্ত এনার্জি থাকেনা, ফলে সঠিকভাবে ওয়ার্ক আউট করাই সম্ভব হয়না অনেকের। 

৫। অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স খাওয়া
অফিসে কাজের ফাঁকে ডেস্কে বসে অনেকেই চিপস, চকলেট, বিস্কুট ইত্যাদি স্ন্যাক্সগুলো খায়। এছাড়াও কলিগের জন্মদিনের কেক খাওয়া ও কফি খাওয়াও হয়। এগুলো অনবরত খাওয়া অস্বাস্থ্যকর। 

৬। ব্যায়ামের অনেকক্ষণ পরে খাওয়া
এনার্জির জন্য ব্যায়ামের আগে যেমন খাওয়া প্রয়োজন তেমনি ব্যায়ামের পরে খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন ব্যায়ামের ফলে আপনার শরীরে যে ক্ষয় হয় তা পূরণ করা প্রয়োজন। তাই ব্যায়ামের  কিছুক্ষণ পরেই স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়। 

৭। পর্যাপ্ত পানি পান না করা
পর্যাপ্ত পানি না পান করা ডায়েটের একটি সাধারণ ভুল। গবেষণায় জানা গেছে যে, যারা বেশি পানি পান করেন তাদের ক্যালোরি বেশি পুড়ে। 

৮। জাঙ্কফুড খাওয়া
ব্যায়াম করলেই বেশি জাঙ্কফুড খাওয়ায় কোন সমস্যা নেই এমন ভাবা ঠিক নয়। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু ব্যায়াম করাই যথেষ্ট নয়। এজন্য স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য খাওয়া অত্যাবশ্যকীয়। তাই আস্ত শস্যদানা, ফল ও শাকসবজি খেতে হবে। 

৯। শর্করা বাদ দেয়া
ডায়েটের আরেকটি ভুল হচ্ছে শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়া বাদ দেয়া। এনার্জির জন্য শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এজন্য আস্ত শস্যদানার তৈরি খাবার যেমন – গমের রুটি, চাপাতি ইত্যাদি খেতে হবে আপনাকে। 

অদ্ভুতুড়ে 11:23 PM

কথায় আছে নারীর মন স্বয়ং ভগবানও বুঝে উঠতে পারে না৷ নারীর মনে এক আর মুখে আর এক৷ নারীদের নিয়ে জগতে এত নিন্দে প্রচলিত থাকলেও, একজন নারীর তুলনায় একজন পুরুষ বেশি মিথ্যা কথা বলেন বলেই গবেষণায় উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷



একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা বেশি সংখ্যায় মিথ্যা কথা বলে থাকে৷ একজন মহিলা সাধারণত কাউকে কষ্ট দিতে না চাওয়ার কারণে সত্যি কথা চেপে রাখেন৷ সেখানে একজন পুরুষ নিজের পয়সা বাঁচাতে বা কোন বাজি জিততে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকেন৷তবে, সবক্ষেত্রেই তা নয়৷
 
গবেষকেরা জানিয়েছেন, একজন পুরুষ সপ্তাহে অন্তত চার বার মিথ্যা কথা বলার বা সত্যি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন৷ কিন্তু, মহিলারা সেক্ষেত্রে সপ্তাহে মাত্র তিন বার এমনটা করে থাকেন৷ কোন সমস্যা থেকে বেরোবার জন্যেও পুরুষ মিথ্যায় আশ্রয় নেন৷ তারা কোন ঘটনাকে অনেক রং চড়িয়ে বলার চেষ্টা করেন৷
 
প্রায় ২০০০জন ব্রিটিশ যুবকদের একটি সার্ভে করেন গবেষকেরা৷ এতে দেখা গিয়েছে, পুরুষেরা সবচেয়ে বেশি মিথ্যা নিজের মানসিক স্থিতি নিয়ে বলে থাকেন৷ শত সমস্যার মধ্যে থাকলেও, তারা ‘আমি ঠিক আছি’ বলে কথা এড়িয়ে যান৷ পুরুষদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মিথ্যে হল, কোন উপহার পছন্দ না হলেও তারা সেটি পছন্দ করার ভান করেন৷ এছাড়াও, কোন জিনিসের দাম ও নিজের অসুস্থতা নিয়েও মিথ্যার আশ্রয় নেন পুরুষরা৷

অদ্ভুতুড়ে 11:29 PM

কিয়ামতের মাঠে আল্লাহ তা'য়ালা যাদের দিকে ফিরেও তাকাবেননা তারা কে আসুন জেনে নেই।

কিয়ামতের দিন এমন কিছু ইমানদার পুরুষ বা মহিলা থাকবেন যারা মহান আল্লাহ তা'য়ালা সাথে দেখা করার সেই মহা প্রতিক্ষিত মুহূর্ত হতে মাহারাম হবেন।এসব পুরুষ বা মহিলাদের সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও বিভিন্ন সহীহ হাদিসে জানা যায়, নিম্নে ১৩ পয়েন্ট-এর মাধ্যমে তা দেখানো হলোঃ-

কোন কোন ব্যক্তিদের সাথে কিয়ামতের মাঠে আল্লাহ তা'য়ালা ফিরেও তাকাবেন না আসুন জেনে নেই
 
১। যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার ও শপথকে সামান্য বিনিময়ে বিক্রয় করেঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখেরাতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” [আল্ ইমরান/৭৭] এই আয়াতে মিথ্যা কসম করা হারাম এর প্রমাণ রয়েছে, যা মানুষ সামান্য পর্থিব লাভের জন্যে করে থাকে। উলামাগণ এই কসম কে আল্ ইয়ামীন আল্ গামূস বা ডুবানোর কসম আখ্যা দিয়েছেন কারণ; তা এই কসমকারীকে পাপে ডুবায় অতঃপর জাহান্নামে। [আল্লাহই আশ্রয়দাতা]

২। যে মুসাফিরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে বাধা দেয়।
৩। গিঁটের (টাখনুর) নিচে বস্ত্র পরিধানকারী।
৪। মিথ্যা কসম দিয়ে পণ্য বিক্রয়কারী।
৫। কারো উপকার করে তাকে উপকারের খোটা দাতা।

গিঁটের নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরিধানকারী হচ্ছে, সেই ব্যক্তি যে তার লুঙ্গি ও কাপড় এত ঝুলিয়ে পরে যে তার দুই গিঁটের নিচে চলে যায়। যদি সে অহংকার স্বরূপ এমন করে, তাহলে তার জন্য উপরোক্ত শাস্তির ঘোষণা কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না যে, তার লুঙ্গি অহংকার স্বরূপ ঝুলিয়ে পরে”। [বুখারী, নং৫৭৮৩/ মুসলিম] আর যে অহংকার স্বরূপ নয় বরং এমনি ঝুলিয়ে পরে, তাহলে তার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বাণী প্রযোজ্যঃ “লুঙ্গির যতটা গিঁটের নিচে থাকবে, ততটা জাহান্নামে যাবে”। [বুখারী,নং৫৭৮৭ ]

পর্দার উদ্দেশ্যে মহিলাদের এক গজ ঝুলিয়ে পরা বৈধ কিন্তু এর বেশী করবে না।

আর মিথ্যা শপথ করে সামগ্রী বিক্রয়কারী হচ্ছে, এমন ব্যক্তি যে মহান আল্লাহকে তুচ্ছকারী। তাই সে (আল্লাহার কসম দিয়ে) মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে লোকদের নিকট পণ্য বিক্রি করে।

আর খোটাদাতা হচ্ছে, যে দান করার পর খোটা দেয়।

৬। যে পার্থিব লাভের আশায় কোন মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে বায়আত (অঙ্গীকার) করে।

আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিন প্রকারের লোকের সাথে মহান আল্লাহ কিয়ামত দিবসে কথা বলবেন না, না তাদের দিকে তাকাবেন আর না তাদের পবিত্র করবেন; বরং তাদের জন্য রয়েছে শক্ত আযাব। ঐ ব্যক্তি যার নিকট র্নিজন প্রান্তরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও মুসাফিরকে তা ব্যবহার করা থেকে নিষেধ করে। আল্লাহ তাকে বলবেনঃ আজ আমি তোমাকে আমার অতিরিক্ত (রহমত) থেকে বঞ্ছিত করবো, যেমন তুমি তোমার বিনা পরিশ্রমে অর্জিত অতিরিক্ত পানি থেকে বঞ্ছিত কেরেছ এবং সেই ব্যক্তি যে আসরের পর কোন ব্যক্তিকে তার সামগ্রী বিক্রয় করে। আল্লাহর কসম খেয়ে বলে আমি এটা এই এই দামে ক্রয় করেছি। ক্রেতা তার কথা সত্য মনে করে তার কাছ থেকে পণ্য খরিদ করে অথচ সে সত্য নয়। আর সেই ব্যক্তি যে কোন মুসলিম ইমামের (রাষ্ট্রপরিচালকের) হাতে কেবল পার্থিব উদ্দেশ্যেই বাইআত (অঙ্গীকার) করলো; সে যা চায় যদি তাকে তা দেওয়া হয় তো অঙ্গীকার পূরণ করে, আর না দিলে ভঙ্গ করে। [বুখারী, নং ৭২১২/ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৭]

৭। বৃদ্ধ ব্যভিচারী।
৫। মিথ্যুক বাদশাহ।
৯। অহংকারী দরিদ্র।

আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা কেয়ামত দিবসে তিন শ্রেণীর লোকের সাথে কথা বলবেন না, আর না তাদের পবিত্র করবেন, না তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টি দিবেন, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তিঃ বৃদ্ধ যেনাকারী, মিথ্যুক রাজা এবং অহংকারী দরিদ্র”। [মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, নং২৯৬]

১০। যে তার স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করেঃ
ইবনে আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা সেই ব্যক্তির দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না যে, পুরুষের সাথে সঙ্গম করে কিংবা স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করে”। [তিরিমিযী, নং ১১৭৬ আলবানী সহীহ বলেছেন]

১১। পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান।
১২। নারী হয়ে পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি।
১৩। দাইযূস।


আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলঅইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ তিন প্রকার লোকের দিকে আল্লাহ তাআ’লা কিয়ামতের দিনে দৃষ্টিপাত করবেন নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য, পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারীনি মহিলা এবং দাইয়ূস। আর তিন প্রকার লোক জান্নাতে যাবে নাঃ পিতা-মাতার অবাধ্য, মদ পানে আসক্ত এবং অনুদানের পর খোটাদাতা” [মুসনাদ আহমদ, নং ৬১১/নাসাঈ]

পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তানের বিষয়টি স্পষ্ট, কারণ আল্লাহ তাআ’লা পিতা-মাতার অধিকারকে মর্যাদা দিয়েছেন, তিনি নিজ অধিকারকে তাদের অধিকারের সাথে সংযুক্ত করেছেন এবং তাদের উভয়ের সাথে সদ্ব্যবহার করার আদেশ করেছেন; যদিও তারা কাফের হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “ পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি”। [তিরমিযী, নং ১৯৬২, আলবানী সহীহ বলেছেন]

পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি বলতে সেই মহিলাকে বুঝায় যে, পোষাক-পরিধানে, চাল-চলনে, কাজে-কর্মে এবং কথার শুরে পুরূষের অনুকরণ করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বণকারী পুরূষ এবং পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বণকারীনি মহিলাদের প্রতি অভিষাপ করেছেন”। [বুখারী]

আশা করি উপরের পয়েন্টগুলোর প্রতি সবসময় খেয়াল রাখবো এবং আমদের মাঝে যেন ১৩ দিকের একটি দিকও না থাকে তা না হলে ইমানদার হয়ে মৃত্যুবরণ করা সত্ত্বেও আল্লাহর সাথে দেখা করার সেই সৌভাগ্য আমাদের হবেনা।

অদ্ভুতুড়ে 2:04 AM

আসসালামু আলাইকুম। শখের বসেই ইন্টারনেটে নানা রকম এলিয়েন, ইউ এফ ও সম্পর্কিত তথ্য খোঁজা হয়। অনেক সাইট ভিজিট করি। অনেক সাইটই সিরিয়াসলি অনেক প্রমান পেশ করে যা অনেক সময় বিশ্বাস হয় আবার হয় না। নিজে যত ক্ষন দেখিনা ততক্ষন বিশ্বাস করিই বা কেমন করে।



কিন্তু কিছুক্ষন আগে (রাত ৩.৩১) এ এমন এক জন হ্যাকারের সন্ধ্যান পেলাম যিনি নাকি ২০০২ সালে আমেরিকার সকল সরকারি যেমন নাসা, বিমান, স্থল, নৌ ইত্যাদি হ্যাক করেছিল এবং তাকে বর্তমানে সাজা ভোগ করতে হচ্ছে। সে হ্যাক করতে এমন কিছু তথ্য পেয়েছিল যা শুনলে সত্যিই অবাক লাগে। হাসব না কাদব বুঝতে পারছিনা।

সময় ঠিক ২০০১ ম্যাককিনন তার খালার বাসায়্ বসে সোলো নামে সাইভার ওয়ার্ডে প্রবেশ করে। সে তখন আমেরিকার এফ বি আইয়ের সার্ভারে। আস্তে আস্তে নাসা সহ সকল প্রকার সরকারি এবং সামরিক ডকুমেন্ট তার হাতের মুঠোয়। আমেরিকার একটি হ্যাকিং বুক ফ্রিতে নেওয়ার জন্য সে হ্যাক চালিয়েছিল, কিন্তু কেচো খুরতে সাপ বেরোয় অবস্থা। সে US Navy  এর সামরিক নীল নকশা সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল। পরে আরো অনেক ডকুমেন্ট সে পেল যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পেন্টাগনের সিকিউরিটি, নাভাল পারমানবিক অস্ত্রের ডকুমেন্ট সহ, আরো অনেক কিছু। কিন্তু তার থেকেও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সে পেল যা শুনলে আপনাদের মাথা নষ্ট হয়ে যাবে,
এই হ্যাকের পরে সে ইঊ এস নাভালের অফিসিয়াল ওয়েভ সাইটে লাগাল Your security Sucks এবার টনক নড়ল আমেরিকার। সাথে বোনাস হিসেবে নাইন ইলেভেন।
তার বিরুদ্ধে সাত লক্ষ টাকার মামলা হল। সাথে রয়েছে আমেরিকার স্টেট ইনফরমেশন মোচা, অবৈধ প্রবেশ, নৌ বাহিনীর পারমানবিক অস্ত্রের ভান্ডার হতে অস্ত্রের তালিকা মোছা ইত্যাদি। তাকে ওয়াশিংটন হাইজ তলব করল। এদিকে তার মাতৃভূমি ইংল্যান্ড তাকে বাঁচানোর জন্য ঊঠে পরে লাগল। তার জন্য মন্ত্রি সভায় বৈঠক হল। পরিশেষে আমেরিকা এবং ইংল্যান্ড আলোচনা করে জানায় যে তার সাজা ৭০ বছর গুলেতেমালায় কারাদন্ড হবে যদি না সে আত্নসমপর্ন করে এবং আমেরিকায় যায়। তার পক্ষে ইংল্যান্ডে সকল অনলাইন ইউজাররা আন্দোলন করে এবং তার পক্ষ নে। পরিশেষে তাকে ২০১০ সালে আমেরিকায় যেতে হয় এবং ক্ষতিপূরন দিতে হয়।
আপনারা ভাবছেন সে এমন কি করল?????????!!!!!!!
আসলে সে নাসা এবং সামরিক সার্ভারে হামলা চালিয়ে জানতে পারে যে আমেরিকার রোজওয়েলে যেই এলিয়েন বিমান ক্রাশ করেছে তা আসলে ভুয়া নয় এমন কি আমেরিকা এই ধ্বনংসাবশেষ  নিয়ে অন্য গ্রহের প্রানীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের টেকনোলজি ব্যবহার করছে। তার মধ্যে শূন্য শক্তি যার মাধ্যমে অহরহ বিদ্যুৎ তথা শক্তি উৎপাদন করছে, আরো রয়েছে নানা রকম এলিয়েন অস্ত্র সহ হাই টেক। এই সম্পর্কে Wikileaks ও একটি লিক করেছিল। হ্যাকারের নিজ ভাষায়
McKinnon: A NASA photographic expert said that there was a Building 8 atJohnsonSpaceCenter where they regularly airbrushed out images of UFOs from the high-resolution satellite imaging. I logged on to NASA and was able to access this department. They had huge, high-resolution images stored in their picture files. They had filtered and unfiltered, or processed and unprocessed, files.

My dialup 56K connection was very slow trying to download one of these picture files. As this was happening, I had remote control of their desktop, and by adjusting it to 4-bit color and low screen resolution, I was able to briefly see one of these pictures. It was a silvery, cigar-shaped object with geodesic spheres on either side. There were no visible seams or riveting. There was no reference to the size of the object and the picture was taken presumably by a satellite looking down on it. The object didn’t look manmade or anything like what we have created. Because I was using a Java application, I could only get a screenshot of the picture — it did not go into my temporary internet files. At my crowning moment, someone at NASA discovered what I was doing and I was disconnected.
এই হ্যাকেরর কার্জ কালাপের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি ফেসবুকের একজন লন্ডের ফ্রেন্ড কে নক করলাম । তিনি শখের UFOlogist , অবশ্য তিনি পেশায় একজন জ্যাতির্বিদও। তিনি আমাকে তার কিছু ডকুমেন্ট দিলেন । পড়ে তো মনে হল আকাশ থেকে পড়লাম, এ কোন দেশে বসবাস করছি আমরা? সারা পৃথিবী থেকে আমরা তো ১০০ বছর পিছিয়ে, ডকুমেন্টের একটা ঠিক এরকম,
বারাক ওবামার নির্বাচনের ঠিক ৬ মাস আগে হোয়াইট হাউজের সিকিউরিটি দের মধ্যে কোট টাই পরা একজন দেখা গেল। তাকে কেও দেখছেনা। যিনি ভিডিও করছেন তার ক্যামরায় ঝাপসা ভাবে ৩ মিনিট ধরে ধরা পরল। দেখতে সম্পূর্ন সেই মিশরের ফারাওদের মত অর্থাৎ বিরাট মাথা বিশিষ্ট। একদিকে ওবামের ভাশন অন্য দিকে তিনি দাড়িয়ে আছে, তারপর হটাৎ করে নাই হয়ে গেলো। এটা পরবর্তিতে নেটে প্রকাশ পায়,


তারপর আসল আমেরিকার ক্রস ডাইমেনশনাল টেকনোলজি। এই প্রযুক্তির ফলে যেকোনো বস্তু আলোর চাইতেও আরও দ্রুত সঞ্চালন করা যাবে। আজব বিষয় এটা সম্পুর্ণ ক্লাসিফাইড কারন এর মাধ্যমে যদি অস্ত্র তৈরি করা হয় তাহলে তা একসাথে ১০০ টা পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিতে পারবে। তাছাড়া সময় ভ্রমন করা যাবে।
এখনও আমেরিকাকে নানা ভাবে এলিয়েনরা সাহায্য করছে তা পলিটিকালি এবং টেকনোলজি দিয়ে। তার প্রমান সম্বন্বিত বিভিন্ন রিপোর্ট দেখলাম। আমার সব ভূয়া লাগে। কিন্তু এরিয়া ৫১ এর একটি রিপোর্ট দেখে হা হয়ে গেলাম।

স্থানীয় মতে প্রাইই নাকি অই জাইগায় হঠাৎ করে প্ল্যান ল্যান্ড করে এবং কারা যেন আসে। এবং তাদের ট্রাকে করে আনা নেওয়া করা হয়। একবার সেখান থেকে একটা মৃতদেহ পাওয়া যায়। দেহ নেই তবে মাথা পাওয়া গেছে। সম্পূর্ণ এলিয়েন। পরে বিজ্ঞানীরা তা মিউটেট প্রানি বলে চালিয়ে দে কিন্তু কোন প্রানির মিউটেট তা বলতে পারে নি।
সব কিছু দেখে অবিশ্বাস করতে পারলাম না কারন আল্লাহ নিজেই বলেছেন তিনি জ্বিন ও মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু তাই বলে তারা কি ডেভলপড জ্বিন? আমাদের মধ্যে যেমন বিভাগ আছে।
অনেক বিজ্ঞানীই স্বিকার করেছেন অন্য গ্রহে প্রানের অস্ত্বিত্ব থাকা নিয়ে। স্টিফেন হকিং আমাদের বারন করে দিয়েছে এই বিষয়ে গবেশনা না করতে কারন তারা আক্রমনাত্বক হতে পারে।
এছাড়া চীনের হোয়াং পো চিহ্ন কীভাবে মঙল গ্রহে গেল তা নিয়েও নাসার বেশ মাথা ব্যাথা। লোক দেখানো মাথা ব্যাথা না অন্য কিছু তা এক মাত্র তারাই জানবে।
এছাড়াও Wikileaks এর কিছু হ্যাক করা ডকুমেন্ট ও ভিডিও দিলাম…
 একজন নভঃচারীর UFO Encounter
Astronaut Gordon Cooper, who piloted several space missions in the 1960s, once said he saw a “typical saucer shape, double-cylindrical shape, metallic” UFO.
থাইল্যান্ডের কিছু ডাটা শেয়ার করলাম। কিছু দিন আগে এই বোরাক আকৃতির প্রানীটি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যার DNA  টেস্টে মানুষের সহ কিছু প্রানীর সংকর উপাদান উপস্থিত।


এছাড়া অনেক দেশের সরকারই অনেক ক্লাসিফাইড ফাইলে এলিয়েনদের সম্পর্কে বিভিন্ন নতি পত্র জমা রাখে যার বেশির ভাগই চিরকালের জন্য লুকিয়ে ফেলা হয় কিংবা রিটায়ার্ড ব্যক্তিবর্গ তা পরে প্রকাশ করে। আমেরিকার তেমনি প্রেসিডেন্ট (US President 1977-1981) জিমি কার্টার UFO  সম্পর্কে বলেন যে বহু বছর থেকেই এলিয়েনদের আনাগোনা পৃথিবীতে আছে, তার কিছু প্রমান মিশরের দেওয়ালে, ইন্দোনেশিয়ায় জাভা পাহারে, এমনকি ইন্ডিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। তবে জোরালো ভাবে চীন ও আমেরিকা এবং রাশিয়া এই ব্যাপারে জানে।
এছাড়া ইরাকের একটি গুহায় এই প্রানীটিকে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। অনেকে তাকে বদ জ্বিন বা শয়তান বলে। কিন্তু এই প্রানীটিকে মমি করে বেঁধে রাখা হয়। এখানে একটি প্রশ্ন আসতে পারে, মমি করার নিয়ম নাকি শুধু মাত্র মিশরীয়রা করতে পারে, তাহলে কিভাবে এই মরু অঞ্চের মানুষ প্রানীটিকে মমি করল? তাহলে এই মমি করার নিয়ম বা প্রক্রিয়া আসল কোথা থেকে?


ব্যাপারটা ট্রান্সফরমাসের মত মনে হলেও তার বিভিন্ন ডকুমেন্ট ফাইল পড়ে মোটেও মুভি বা কল্পকাহিনী মনে হল না।

অদ্ভুতুড়ে 1:28 AM

অন্যান্ন আকাশযানের মত ড্রোনেরও উড্ডয়ন সময়ের সীমাবদ্ধতা আছে এবং একে নির্দিষ্ট সময় শেষে রিচার্জের জন্য অথবা জ্বালানী সংগ্রেহের জন্য মাটিতে নামতে হয় । কিন্তু এই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে ।


 

বোয়িং সংস্থা এই সপ্তাহে একটি সয়ংক্রিয় ড্রোনের স্বত্তাধিকার গ্রহণ করেছে যেটি আকাশে উড়ন্ত অবস্থাতেই রিচার্জ করা সম্ভব । অর্থাৎ এটি মাটিতে না নেমেই অনির্দিষ্ট কাল আকাশে উড়তে সক্ষম ।

ড্রোনটির একটি রিট্রাকটাবল টেথার ক্যাবল থাকবে যেটিকে মাটিতে থাকা জ্বালানী উৎসের সাথে সংযোগ করা যাবে এবং পরিপুর্ণ চার্জ হয়ে গেলে ক্যবলটি সয়ংক্রিয় ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে । এই প্রযুক্তিটি আরো সাচ্ছন্দময় করতে শক্তি উৎস গুলো সমুদ্রে অথবা চলমান যানবাহনেও স্থাপন করা যাবে।

তবে একটা বিষয় লক্ষ্যনীয় যে ড্রোন গুলোর ব্যটারি অনুযায়ি সে গুলো রিচার্জ হতে কত লম্বা সময় নিবে । তাই এর সাথে সাথে দ্রুত ব্যটারি চার্জের প্রযুক্তিও উদ্ভাবন প্রয়োজন ।

অদ্ভুতুড়ে 1:24 AM

ফেসবুক কর্মকর্তাদের কার কত আয় আসুন একনজরে তা জেনে নেই।



 
পছন্দের দিক দিয়ে শুধুমাত্র যে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক শীর্ষে তা কিন্তু নয়, এক্ষেত্রে পূরো বিশ্বের চাকুরীপ্রার্থীদের কাছেও এটি একটি পছন্দের প্রতিষ্ঠান ফেসবুক। আর ফেসবুকের এই জনপ্রিয়তার মূল কারণ হচ্ছে এর আকর্ষণীয় বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা।

যেসকল পদে কর্মরতরা ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি বেতন পায়, সম্প্রতি বিজনেস ইনসাইডার তাদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে । সেখানে দেখা গেছে যে, ফেসবুকের মধ্যে সর্বোচ্চ আয়ের মধ্যে রয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার পদে কর্মরতদের বাৎসরিক আয় গড়ে ১৬৪,৯৯৯ মার্কিন ডলার।

বেতন ভিত্তিতে ফেসবুকের শীর্ষ পদগুলো হচ্ছে:

১. ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার (EM): ১৬৪,৯৯৯ ডলার
২. সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (SSE): ১৫৯,৫৪৫ ডলার
৩. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (SE grade-5): ১৫৫,০৭১ ডলার
৪. টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার (TPM): ১৪৯,৫৮১ ডলার
৫. প্রোডাক্ট ম্যানেজার (PM): ১৪৬৪৯০ ডলার
৬. ডেটাবেজ ইঞ্জিনিয়ার (DE): ১৪১,৬৩৫ ডলার
৭. রিসার্চ সায়েন্টিস্ট (RS): ১৩৭,০৩২ ডলার
৮. ডেটা সায়েন্টিস্ট (DS): ১৩৫,৭৬৯ ডলার
৯. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (SE grade-5): ১৩৫,৫৬১ ডলার
১০. প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ার (PE): ১৩৩,০৯৭ ডলার
১১. নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার (NE): ১৩২,৩৪১ ডলার
১২. প্রোডাক্ট ডিজাইনার (PD): ১৩২,১৭৪ ডলার
১৩. প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজার (PMM): ১২৬,১৪২ ডলার
১৪. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (SE): ১২৫,৪৯১ ডলার
১৫. ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনার (IID): ১২২,৪৪১ ডলার

এখানে ফেসবুকের মাত্র ১৫টি পদের তালিকা দেয়া হয়েছে অন্যদিকে শুনে অবাগ হতে হয় যে ফেসবুকের chief Executive Officer মার্ক জাকারবার্গের বাৎসরিক বেতন সম্পর্কে জেনে আর তা হলো মাত্র ১ ডলার।

অদ্ভুতুড়ে 12:13 AM

আমাদের মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়। ক্ষুদ্র স্কেলে এটি আশ্চর্য জটিলতায় ভরা। প্রতিটা কদমে, প্রতিটা পলকে, প্রতিটা নড়াচড়ায় ঘটে যাচ্ছে পদার্থবিদ্যার দারুণ কিছু প্রয়োগ। প্রতিটা ভাবনায়, বিন্দু পরিমাণ ভালোবাসায়, বেড়ে ওঠায় খেলা করছে রসায়নের বিশাল কারসাজি। এখানে ক্ষুদ্র স্কেলের দেহের স্থাপত্যের কিছু নিদর্শন দেখে নেই। 


মেদকলা বা চর্বির কোষগুচ্ছ: 
বিশেষ ধরণের রঞ্জকে রঞ্জিত ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের নিচে দৃশ্যমান  ছবি এটি। মেদ কোষের বেশিরভাগ অংশ শুকনো থাকে, সাইটোপ্লাজম থাকে না বললেই চলে। তাই ছবিতে এদের এমন মধুপোকার বাসার কুঠুরির মতো দেখাচ্ছে। ত্বকের নিচের তুলতুলে অংশে থাকা এই মেদকলা আমাদের সহ সকল প্রাণীর দেহের শক্তির সংগ্রহশালা। 

প্রয়োজনের সময় দেহ, চর্বি হতে শক্তি গ্রহণ করে। সেজন্যই খেয়াল করলে দেখা যায় মেদবহুল মোটা মানুষেরা না খেয়ে থাকতে পারে বেশিক্ষণ। কারণ না খাওয়ার ফলে শক্তির যে অভাব হচ্ছে তা চর্বি থেকে ভেঙ্গে নিচ্ছে শরীর। হ্যাংলা-পাতলা মানুষের বেলায় চর্বির যোগান থাকে না বলে তারা না খেয়ে থাকলে অল্পতেই দুর্বল হয়ে পড়ে। 

মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
পেনিসিলিয়াম ছত্রাক:  
দেখতে ফুলের মতো কিংবা চায়ের ট্রেতে প্রিন্ট করা ফুলের ছবি। এরা ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের নিচে দৃশ্যমান পেনিসিলিয়াম ছত্রাকের গুচ্ছ। হালকা পিঙ্ক রঙে দেখানো সুতার মতো অংশগুলোকে বলে ‘কনিডিওফোর’ আর কিছুটা হলদেটে ভাবের গুচ্ছগুলো হচ্ছে ‘কনিডিয়া’। গুচ্ছের শেষের অংশটা হচ্ছে এদের বংশবিস্তারের অঙ্গ। 

জনজীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এন্টিবায়োটিক ‘পেনিসিলিন’ আসে এই পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে। ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এই এন্টিবায়োটিকটি কাকতালীয়ভাবে আবিষ্কার করে ফেলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই পেনিসিলিন গুলি খাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ সাড়াতে সফল হয়েছিল। পেনিসিলিন কিংবা এন্টিবায়োটিকের সফল কার্যকারিতা সে সময় প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল। এর জন্য ফ্লেমিং ১৯৪৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
মস্তিষ্কের কোষ:  
ফ্লোরোসেন্ট বাতির মতো দেখতে এরা হচ্ছে মস্তিষ্কের দুই ধরণের কোষ। এরা মানব মস্তিষ্কের খুব গুরুত্বপূর্ণ কোষ। সবুজ রঙে রঞ্জিত কোষটা হচ্ছে মাইক্রোগ্লিয়াল কোষ আর কমলা রঙের ও একটু বড় আকৃতির কোষটা হচ্ছে অলিগোডেন্ড্রোসাইট। সবুজ রঙের কোষগুলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সাড়া প্রদান করে। এ ধরণের কোষগুলো শরীরের আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোকে শনাক্ত করে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সংকেত প্রেরণ করে।

কমলা রঙের অলিগোডেন্ড্রোসাইটের অসমতল কিছু এলাকা নিউরনকে অধিক পরিমাণ মায়েলিন সরবরাহ করতে পারে। যার ফলে নিউরনগুলো একে অপরের সাথে বেশি পরিমাণ বৈদ্যুতিক সংকেত আদান-প্রদান করতে পারে। যার অর্থ হচ্ছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
যকৃতের কোষ (Liver cell):  
কলিজার যেকোনো স্থানের কর্তিত অংশের আণুবীক্ষণিক চিত্র। অঙ্গাণুগুলো বিশেষ রঙে রঞ্জিত। নীল রঙের বড় বড় স্পটগুলো হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া। মাইটোকন্ড্রিয়াগুলো কোষের ভেতরে থেকে শক্তি উৎপাদন করে এবং সে শক্তি কোষে সরবরাহ করে। সবুজ রঙের তন্তুর মতো দেখতে রেখাগুলো গলগি বস্তু। এরা প্রোটিন প্রস্তুত করে। হলুদ রঙের কিছুটা বিবর্ণ অংশগুলো চর্বির ক্ষুদ্র অংশ। বাদামী রঙের অংশগুলো হচ্ছে শক্তি সংগ্রাহক গ্লাইকোজেন।
মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
ইনসুলিন কেলাস:  
দুটি প্রধান মেরু সম্পন্ন অষ্টতলকীয় বস্তুগুলো হচ্ছে মানুষের হরমোন ইনসুলিন। ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্নাশয়ে। এদের কাজ হচ্ছে রক্তে চিনির (গ্লুকোজ) মাত্রা ঠিক রাখা। দেহে এই ইনসুলিনের সরবরাহ অপর্যাপ্ত হয়ে গেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে হয় ডায়াবেটিস। 

মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস:  
এরা ইনফ্লুয়েঞ্জা A H1N1 virus. এই ইনফ্লুয়েঞ্জা A পরিবারের ভাইরাসগুলো মানুষ, শূকর, পাখি, এবং ঘোড়াকে আক্রান্ত করতে পারে। ২০০৯ সালে মহামারী আঁকারে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়েছিল এই H1N1 ভাইরাসগুলো। প্রত্যেকটির মাঝের অংশের গোলাপি রঙে রঞ্জিত অংশগুলো বংশগত তথ্যভাণ্ডার। এদের DNA থাকে না, তাই এমনভাবে বংশগত তথ্য বহন করতে হয়। এই বংশগত তথ্যগুলো প্রোটিন দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। ঘিরে রাখা হলুদ রঙের অংশগুলো হচ্ছে প্রোটিনের আস্তরণ। H1N1 এর H ও N এসেছে Haemagglutinin ও Neuraminidase থেকে। এরা হচ্ছে একধরণের প্রোটিন। চিত্রে বাইরের দিকে সবুজ রঙে তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
ব্যাকটেরিওফাজ:  
ব্যাকটেরিওফাজ হচ্ছে একধরণের বিশেষ ভাইরাস যেগুলো ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। চিত্রে দৃশ্যমান ভাইরাসটি হচ্ছে T4 ব্যাকটেরিওফাজ। এটি মাত্র তার ভাইরাল DNA একটি E. coli ব্যাকটেরিয়ার ভেতর প্রবেশ করালো। এই ধরণের ভাইরাস তাঁদের তন্তুগুলো দিয়ে ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে নোঙর করে। ফাজ ভাইরাসের মাঝ বরাবর দণ্ড-সদৃশ অংশটা অনেকটা সিরিঞ্জের মতো। ব্যাকটেরিয়ার কোষ মেমব্রেন বা পর্দাকে ছিদ্র করে মাথার মতো দেখতে মূল অংশ থেকে DNA প্রবেশ করিয়ে দেয়। ভেতরে T4 এর ফাজ বৃদ্ধি পায়, তারপর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে বেরিয়ে আসে। সবটা কাজ হয় মাত্র ৩০ মিনিটে। 

মানবদেহ এক চলমান বিস্ময়
জমাট রক্ত:  
আণুবীক্ষণীক এই চিত্রে দেখা যাচ্ছে রক্তের লাল কণিকাগুলো সাদা ও হলুদাভ ফাইব্রিনে আটকা পড়ে গেছে। ফাইব্রিন হচ্ছে একধরণের অদ্রবণীয় প্রোটিন। এরা প্লাটিলেটের সাহায্যে ফাইব্রিনোজেন নামক দ্রবণীয় প্রোটিন হতে উৎপন্ন হয়। প্লাটিলেট হচ্ছে শ্বেত রক্তকণিকার অসম্পূর্ণ অংশ বা প্রকারভেদ। আর ফাইব্রিনোজেন স্বাভাবিকভাবেই রক্তে উপস্থিত থাকে। 

শরীরের কোনো অংশ কেটে ছড়ে গেলে এই রক্ত-জমাট প্রক্রিয়া কাজ করে। রক্ত-জমাট প্রক্রিয়া সাধারণত ত্বকের অংশে হয়। রক্তনালীতেই এই রক্ত-জমাট হতে পারে। খুব বেশি পরিমাণ প্লাটিলেট জমে গেলে অভ্যন্তরে জমাট বাধে। এই জমাট বাধা হার্ট এটাকের জন্য দায়ী।

অদ্ভুতুড়ে 11:56 PM

চীনের 'দ্য ন্যাশনাল কলেজ এন্ট্রান্স এক্সাম' বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বলে পরিচিত। প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে।


আর এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে অনেক শিক্ষার্থীই নকল করে থাকে। তবে এবার নকল ঠেকাতে ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীনের হেনান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ।

নকল করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা বেশ অভিনব উপায় অবলম্বন করে। যেমন, কেউ কেউ এমন চশমা পরিধান করে আসে যাতে থাকে ক্যামেরা। আর এই ক্যামেরা প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে অপেক্ষমাণ কারও কাছে পাঠিয়ে দিতে পারে। আর পরবর্তীতে সেখান থেকে উত্তর পেতে কানে থাকে এয়ারপিস। এছাড়া অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন স্মার্ট কলম যা বাইরের কারও কাছে প্রশ্ন পাঠিয়ে দিতে সক্ষম।

এ ধরণের অভিনব নকল ঠেকাতে বেশ হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আর তাই নকল ঠেকাতে ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত পরীক্ষার হলে অংশগ্রহণকারীদের মাথার উপর দিয়ে অনবরত চক্কর দিবে এই ড্রোন আর এর মূলত সেখানে কোন রেডিও তরঙ্গ থাকলে তা শনাক্ত করবে এবং এই তরঙ্গের উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে জানান দেবে।

অদ্ভুতুড়ে 11:49 PM

ইউনিভার্সাল পিকচার্সের ( মার্কিন সিনেমা প্রযোজক প্রতিষ্ঠান) ব্যানারে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস কে নিয়ে একটি মুভি তৈরির কাজ শুরু করা হয়।



মুভির নাম হচ্ছে 'স্টিভ জবস'। চলতি সপ্তাহেই প্রথম বের হল এই মুভির ট্রেইলার।

ট্রেইলারের প্রায় পুরোটা সময়ি স্টিভ জবসের চরিত্রে অভিনয় করা মাইকেল ফ্যাসবেন্ডারের একটি দৃশ্য দিয়ে বানানো হয়েছে। এক মিনিটের এই ট্রেইলারে মাইকেল ফ্যাসবেন্ডার, সেথ রোজেন, কেট উইন্সলেট এবং জেফ ড্যানিয়েলস যথাক্রমে স্টিভ জবস, স্টিভ ওয়াজনিয়াক, জোয়ানা হফম্যান ও জন স্কালির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মুভিটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন অ্যারন সরকিন আর পরিচালনা করেছেন ড্যানি বয়ল।

চলতি বছর ৯ অক্টোবর, স্টিভ জবসের মৃত্যুবার্ষিকীর পরপরই মুভিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

অদ্ভুতুড়ে 4:07 AM

গ্রীষ্মকালটা সবার জন্য আসলেই একটু কষ্টকর কারণ এই সময়টায় সবারই বেশি যত্ন নেয়া উচিত, বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য। গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশগুলোতে গরমকাল থাকে ৪ মাস। গরমকালের দিনের লম্বা সময়টা দেহের সমস্ত শক্তি বের করে দিয়ে দেহকে ক্লান্ত করে তোলে।


গ্রীষ্মকালে ডায়েবেটিকস রোগীদের যত্ন নিবেন কিভাবে আসুন জেনে নেই।

আর এই গরমকালেই ডায়াবেটিক রোগীদের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা শুরু হয়। এই সময় ডায়াবেটিক রোগীদের মেটাবলিক রেট বেড়ে গিয়ে ক্ষুধা ও তৃষ্ণা বৃদ্ধি পায়। তাই দেহকে আর্দ্র রাখা এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর তাদের উপযোগী খাবার খাওয়া এই সময় খুবই জরুরি আর এটিই ডায়াবেটিক রোগীদের ভালো থাকার উপায়।

বেশি করে ফল খাওয়া-


ডায়াবেটিক রোগীরা ঘামে বেশি যার ফলে শরীর থেকে শক্তি কমে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই এই সময় সুস্থ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে বেশি করে ফল খাওয়া। বেশি করে পীচ, বেরি ও তরমুজ জাতীয় ফল খেতে হবে এবং শরীরে পানির অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।

বেশি তরল পানীয় পান-

স্বাস্থ্যকর তরল পানীয় যতটুকু সম্ভব খেতে হবে। মাঝে মাঝে পানির পরিবর্তে চা খাওয়া যেতে পারে তবে অবশ্যই চিনি ছাড়া। গ্রীন টি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য বেশ ভালো একটি পানীয়।

গ্রীষ্মকালে ডায়েবেটিকস রোগীদের যত্ন নিবেন কিভাবে আসুন জেনে নেই।
গ্রীষ্মকালে ডায়েবেটিকস রোগীদের যত্ন নিবেন কিভাবে আসুন জেনে নেই।

প্রয়োজনে টেম্পারেচার শীতল রাখাঃ-

অনেক সময় নিজ ঘরে মাত্রারিক্ত আদ্রতার ফলে ডায়াবেটিকস রোগিদের মারাত্তক শারীরিক অসুস্থা দেখা দেয় আর মুলত একারণেই যতটা সম্ভব নিজ ঘরকে শীতাতপ (Air Condition) নিয়ন্ত্রিত করা। ফলে নিজ ঘর সবসময় নিয়মিত শীতল থাকবে,

ভিটামিন খেতে হবে-

ভিটামিন সি ও এ রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাই রোগ প্রতিরোধের জন্য সবুজ শাক সবজি খাওয়া শুরু করতে হবে।

নিজেকে পরিস্কার রাখতে হবে-

শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সম্মত খাবারই ভালো থাকার একমাত্র উপায় নয়। কারণ এই সময় ঘাম হওয়া ডায়াবেটিক রোগীদের একটি সাধারণ সমস্যা। তাই নিজেকে ভালো ভাবে পরিস্কার রাখতে হবে। দিনে ২ বার গোসল করতে হবে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এন্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ও পাউডার ব্যবহার করতে হবে।

আরামের কাপড় পরিধান করা-

এই সময় চেষ্টা করতে হবে হাল্কা ধরনের আরামের কাপড় যেমন সুতি বা লিলেন কাপড় পরিধাণ করার কারন এতে দেহ শুষ্ক ও হাল্কা থাকবে। যদি সিনথেটিক কাপড় পড়া হয় তাহলে শরীরের ঘাম শুকাবেনা এবং ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানী ইত্যাদির সৃষ্টি হবে। এটি ডায়াবেটিক রোগীদের এই সময় ভালো থাকার আরো একটি উপায়।

মদ্যপান বর্জন-

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মদ্যপান কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বিশেষ করে গরমকালে। এছাড়াও সুস্থ থাকার জন্য ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় গুলোও বর্জন করতে হবে।

উন্মুক্ত স্থানে ব্যায়াম-

এটি সুস্থ থাকার আরো একটি উপায়। জিম বা অন্য কোন বদ্ধ জায়গায় ব্যায়াম করলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা খোলা পরিবেশে দৌড়াতে বা সাঁতার কাটতে পারেন চাইলে ইয়োগাও করতে পারেন।

নিমন্ত্রণের খাবারে নিয়ন্ত্রণ-

ডায়াবেটিক রোগীরা নিজেদের চেষ্টায় ভালো থাকার সব উপায় মেনে চললেও গরমের সময় অনেক ধরনের উৎসবের দাওয়াত থাকে যা ইচ্ছা করলেই বর্জন করা যায় না। তাই সেখানে ভারী ও ভাজাপোড়া খাবার না খেয়ে সবজি,কম তেলের খাবার এবং গ্রীল জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে।

পায়ের যত্ন-

গরম কালে ডায়াবেটিক রোগীদের গ্লাইসেমিক কন্ট্রোল না থাকলে তারা ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গির দ্বারা পায়ের বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হন। তাই যেকোনো ধরনের ইনফেকশন এড়াতে নিয়মিত এন্টিসেপটিক লোশন দিয়ে পা পরিস্কার করতে হবে। খোলা স্যান্ডেল পরতে হবে, আর যদি বন্ধ জুতা পড়তেই হয় তাহলে সুতি মজা ব্যবহার করতে হবে।

শরীরের কাটা ক্ষত থেকে সাবধান-

শরীরের কোথাও কোন কেটে যাওয়া থেকে সাবধান থাকতে হবে।কোন ভাবেই খালি পায়ে বাইরে যাওয়া যাবে না। যদি কোন ভাবেই কোথাও কেটেই যায় যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

পেট খালি না রাখা-

ডায়াবেটিক রোগীদের কিছুক্ষন পর পর ক্ষুধা লাগে।এই ক্ষুধাকে অবহেলা করলে রক্তের সুগারের মাত্রা খুব দ্রুত কমে যাবে।তাই চেষ্টা করতে হবে বড় খাবারের পাশাপাশি মাঝে মাঝে অল্প কিছু খাওয়া।কিছু চিনি ছাড়া নাস্তা বা ফল খেতে পারেন সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে।
নফ

ডায়াবেটিক রোগীদের নিয়মিত রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। এই মাত্রা খুব কম বা বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

এই পোস্টিও পছন্দ করতে পারেনঃ-

Air conditioning যেমন একদিকে অফিসিয়াল জীবনে স্বস্তির আভাস নিয়ে এসেছে তেমনি একই রকম স্বস্তি এনেসে ঘরোয়া জীবনেও।
Powered by Blogger.