Showing posts with label সুস্বাস্থ্য. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:12 AM

বিভিন্ন কারণে পেট ব্যথা হতে পারে। পেট ব্যথা একবার শুরু হলে তা আর সহজে থামতে চায় না। যন্ত্রণাদায়ক এই পেট ব্যথার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হুটহাট ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকেই। এইভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া একদমই উচিত নয়। যেকোন ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হয়তো আপনার একটি ভুল ওষুধ সেবন হতে পারে বড় কোন রোগের কারণ। পেট ব্যথা ঘরোয়া কিছু উপায়ে ভাল করা সম্ভব। 

১। অরুচি, হজম সংক্রান্ত পেট ব্যথা
আধা চা চামচ সাধারণ লবণ এবং বিট লবণের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চিমটি আদা গুঁড়ো, গোল মরিচ গুঁড়ো, হিং ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন।
২। গ্যাসের কারণে পেট ব্যথা
অ্যান্টিপাসমোডিক এবং অ্যান্টিফ্লাটিউলেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ হিং। এটি গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হিং মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। এরসাথে আপনি এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি পেট ব্যথা কমিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এক কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ হিং মিশিয়ে নিন। এই পানির মধ্যে একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে পেটের উপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এটিও পেটের ব্যথা কমিয়ে দিবে।
৩। ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি জনিত ব্যথা
এক কাপ ডালিমের রস দিনে দুইবার পান করুন। এটি পেট ব্যথা দূর করে এবং ডায়ারিয়া বন্ধ করে দেয়। এছাড়া এক গ্লাস বাটার মিল্কের সাথে জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৪। গ্যাসে জ্বালাপোড়া এবং গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা
এক গ্লাস পানিতে ২০ টি কালো কিসমিস সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি পেট জ্বালাপোড়া কমিয়ে গ্যাস কমাতে সাহায্য করে থাকে।
৫। মাসিকজনিত পেটব্যথা
একটি আদা কুচি করে এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। জ্বাল হয়ে আসলে এতে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন মাসিকের সময়। এছাড়া রান্নায় এবং সালাদে আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। আদা মাসিকজনিত পেট ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে।

অদ্ভুতুড়ে 12:09 AM

 

আমরা খাবার কেন খাই? নিশ্চয় বলবেন- ক্ষুধা লাগে বলেই তো! আর কি কারণ থাকতে পারে এর? কিংবা খুব বেশি হলে মনের প্রশান্তি। এছাড়াও খাওয়ার উদ্দেশ্য আর কীইবা হতে পারে? যদি আর সবার মতন আপনার ভাবনাটাও হয় এরকম তাহলে আপনাকে আজ পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি এমন কিছু খাবারের সাথে যেগুলো খেলে কেবল পেটের ক্ষুধাই দূর হয়না, সেইসাথে দূর হয় শারিরীক নানারকম ব্যথাও! চলুন তাহলে জেনে আসি শরীরের কোন ব্যথার জন্যে কোন খাবারটি আবশ্যক।

১. হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা
হাড়ের সংযোগস্থল বা গিঁটে ব্যথা হচ্ছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক্ষুণি খেয়ে নিন কয়েক টুকরো আনারস। কারণ? কারণ আনারসে রয়েছে ব্রোমেলাইন। যেটি খুব সহজেই শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আপনার শারিরীক প্রদাহ ও ব্যথা দূর করতে সাহায্য করবে।
২. পেট ব্যথা
একবার ভেবে দেখুন তো সাধারণত পেটে ব্যথা কি কি কারণে হয়? গ্যাস্টিক, খাবার হজম না হওয়া, পেটের গোলমাল কিংবা ঠান্ডা- এইসব কারণেই তো? এ সবকিছুর ক্ষেত্রেই আপনাকে এক নিমিষে যেটা আরাম দেবে সেটি হচ্ছে আদা। আর সাথে যদি খানিকটা মিন্ট যোগ হয়ে সেটা আদা-মিন্টের চায়ে পরিণত হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই! বিশেষ করে পেটের ব্যথা নিরাময়ে মিন্টও যেখানে বেশ কার্যকর। তাই এরপর পেটের যেকোন সমস্যায় চটজলদি পান করে ফেলুন এক কাপ আদা-মিন্টের চা।

রেসিপি:
প্রথমে একটি আদা স্লাইস করে কাটুন। এরপর দু কাপ গরম পানিতে আদা আর ২ টি মিন্ট পাতা মিশিয়ে দিন। শেষে তাতে যোগ করুন খানিকটা মধু আর লেবু।
৩. পায়ের ব্যথা
পা থেকে শুরু করে শরীরের যেকোন মাংসপেশীতে ব্যথা হলে একবার সাদা শিমের সালাদ খেয়ে দেখুন। না, খুব অসাধারণ কিছু নেই এতে। তবে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন। সাথে ব্যথা পুরোপুরি দূর করে দেওয়ার জাদুকরী ক্ষমতাও!
রেসিপি:
প্রথমেই একটা টমেটো, একটি সেদ্ধ ডিম এবং আট ভাগের এক ভাগ লাল পেঁয়াজ মেশান। এরপর তাতে যোগ করুন ২ কাপ বেবি স্পিনাচ। এরপর জিনিসটা তৈরি হয়ে গেলে যোগ করুন আধা কাপ ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ফেলা সাদা শিম। ব্যস! এরপর নিজের স্বাদমতন বাকি জিনিসগুলো যোগ করে পরিবেশন করুন সালাদটি।

অদ্ভুতুড়ে 11:57 PM

 

ফুলকপির  কতো ধরণের রান্নাই তো করেছেন, কিন্তু ফুলকপির ফ্রায়েড রাইস কি রান্না  করেছেন কখনো? চলুন, আজ জেনে নিই বীথি জগলুলের রেসিপিতে ফুলকপির ফ্রাইড রাইসের রেসিপি।  আপনি চাইলে  শুধু পোলাওয়ের মতো করেও এটা রান্না করতে পারেন। চলুন, দেরী না করে রেসিপি দেখে  নেয়া যাক।


যা প্রয়োজন
গ্রেট করা ফুলকপি- ২ কাপ
 মটর+গাজর- ১ কাপ
 ফেটানো ডিম- ২টি
 পিঁয়াজ কিউব- ১/৪ কাপ
 থেঁতো করা রসুন- ৩/৪ কোয়া
 সয়াসস- ২-৩ টে চামচ
 ধনেপাতা কুচি- ইচ্ছামতো
 কাঁচামরিচ কুচি- ২-৩টি
 অলিভ অয়েল- ২ টে চামচ
 গোলমরিচ গুঁড়া-- স্বাদমতো
 লেমন+জ্সজে- ১ চা চামচ করে
 লবণ- স্বাদমতো

যেভাবে করবেন
  • -গাজর ও মটর ফুটন্ত গরম পানিতে ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। 
  • -প্যানে সামান্য  তেল গরম করে সামান্য লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে ডিম ফেটিয়ে অমলেট করে নিন।  অমলেট ঝুরি ঝুরি করে রাখুন। 
  • -একই প্যানে ২ টে চামচ তেল গরম করে রসুন দিন।  রসুনের সুগন্ধ বের হলে পিঁয়াজ, গাজর ও মটর দিয়ে ৪-৫ মিনিট ভেজে নিন। 
  • -এবার  ফুলকপির "রাইস" মিশিয়ে নিন। কয়েক মিনিট ফুলকপির রাইস ভেজে ডিম, সয়াসস,  গোলমরিচ গুঁড়া ও কাঁচামরিচ মিশিয়ে নিন। 
  • -সব শেষে লেবুর রস ও জেস্ট এবং  ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন। 
  • -গরম গরম পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের "ফুলকপির ফ্রাইড রাইস"।

অদ্ভুতুড়ে 12:32 AM

বেগুন সবজিটি অনেকের প্রিয়। বিশেষ করে বেগুন ভর্তা, বেগুন ভাজি হলে তো কোন কথাই নাই। কিন্তু কোলেস্টেরলের ভয়ে  প্রিয় সবজিটি অনেকেই খেতে পারেন না। এবার থেকে প্রিয় সবজিটি খেতে পারবেন তাও কোলেস্টেরলের ভয় ছাড়া! "হায়দ্রাবাদি বেগুন"- ভিন্ন স্বাদের এই রান্নাটি নির্ভয়ে খেতে পারবেন হৃদরোগ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীরা।


উপকরণ:
  • ৬টি ছোট আকৃতির বেগুন
  • ২ চা চামচ তেল
  • ১/৪ চা চামচ সরিষা
  • ১/৪ চা চামচ মেথি
  • ১/৪ চা চামচ কালিজিরা
  • ৮ থেকে ১০ টি কারি পাতা
  • ২টি কাঁচা মরিচ
  • লবণ স্বাদমত
  • পেস্ট তৈরির জন্য
  • ২ টেবিল চামচ তিল
  • ২ টেবিল চামচ ফুলকপি মিহি কুচি
  • ২ টেবিল চামচ ভাঁজা বুটের ডাল
  • ১/৪ কাপ পেঁয়াজ কুচি
  • ১ চা চামচ আদা কুচি
  • ১ চা চামচ রসুন কুচি
  • ২ চা চামচ ধনিয়া জিরা গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
  • ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ তেঁতুলের পানি
  • সাজানোর জন্য ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
প্রণালী:
১। প্রথমে নন-স্টিক প্যানে তিল, ফুলকপি কুচি, বুটের ডাল, পেঁয়াজ কুচি, আদা কুচি এবং রসুন কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ১ থেকে ২ মিনিট ভাজুন। বাদামী রং হয়ে আসলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন।
২। এরপর এতে ধনিয়া জিরা গুঁড়ো, লাল মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, তেঁতুলের পানি এবং ১/২ কাপ পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
৩। ছোট বেগুনগুলোর মুখের অংশ চারকোনা করে কেটে নিন।
৪। প্রেসার কুকারে তেল গরম করতে দিন। এতে সরিষা, জিরা, কালোজিরা দিয়ে দিন।
৫। এরপর এতে কারি পাতা, কাঁচা মরিচ দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ ভাঁজুন।
৬।  এবার এতে বেগুনগুলো দিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট ভাঁজুন।
৭। তারপর পেস্ট, ১ কাপ পানি এবং লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ১ থেকে ২ মিনিট রান্না করুন।
৮। প্রেসার কুকারে ২টি শিষ দেওয়া হলে চুলা নিভিয়ে দিন।
৯। এবার ধনেপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার হায়দ্রাবাদি বেগুন।
ইউটিউব চ্যানেল: Tarla Dalal
পুরো রেসিপিটি দেখে নিন ভিডিওতে.....

অদ্ভুতুড়ে 11:19 PM

আমরা সকলেই সুন্দর হতে চাই, সুস্থ থাকতে চাই। কিন্তু নিত্য নিয়ম, সময়ের স্বল্পতা, আমাদের আলস্য, অনীহা সব মিলিয়ে নিজের পরিচর্যা করাটা সব সময় হয়ে উঠে না। কিন্তু নিজেকে ফিট রাখাটা একান্ত জরুরি। বাড়তি ওজন শুধু আপনার দৈহিক সৌন্দর্যকেই নষ্ট করে না বরং বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাকেও বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে নিজের মতো করে নিজেকে উপস্থাপন করাটাও একটি শৈল্পিক বিষয়। তাই নিজেকে সুন্দর রাখতে সব সময়ই দরকার নিজের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজনে লিখেছেন নাওমি তানজিন!


বাড়তি ওজন আমাদের একটি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য নিজের সৌন্দর্য এবং মানসিক অবস্থা অনেকখানিই নষ্ট হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ওজন শুধু বেশি খাওয়ার কারণেই হয় না, এটি একটি রোগও বটে। বেশি খাওয়ার কারণে শরীরে যে পরিমাণ এনার্জি জমা হয় তা ঠিকমতো ব্যবহার না করলেই মানুষ মোটা হয়। তবে বাতাস খেয়েও কেউ কেউ মোটা হয় বলে প্রচলিত বিশ্বাস আছে। যাই হোক চিরস্থায়ী ওজন কমাতে দরকার সময় এবং চেষ্টা। অবশ্য এ ব্যাপারে আপনার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে এবং জীবনভর মেনে চলার একটি জীবন পদ্ধতি তৈরি করতে হবে। প্রথমে আপনি নিশ্চিত হোন আপনি চিরস্থায়ী পরিবর্তন চাচ্ছেন এবং আপনি তা করছেন সঠিক অর্থেই। কেউ আপনার ওজন কমিয়ে দেবে না। বরং চারপাশের কাছের মানুষের চাপ আপনার ব্যাপারটাকে আরও খারাপ করে দিতে পারে। তবে আপনাকে খাদ্য ও শরীরচর্চার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে এ সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে। 


অতিরিক্ত ওজন

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা তখনই বলা হবে যখন শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাবে। মানুষের শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় সঞ্চিত চর্বি মোট ওজনের শতকরা প্রায় ১৪ ভাগ থাকে। সব ক্ষেত্রে দেহের ওজন বেশি হলেই স্থূলতা বলা যায় না। যেমন একজন খেলোয়াড়ের দেহের ওজন বেশি থাকতে পারে তার শরীরে সুশৃঙ্খলভাবে বর্ধিত মাংসপেশির জন্য, যা হয়তো ওজন নির্ধারণের ফর্মুলায় ফেললে ওজনাধিক্যের মধ্যে হতে পারে। যাকে কখনোই স্থূলতা বলা যাবে না। সে জন্য দেহের জমাট বাঁধা চর্বি পরিমাপের মাধ্যমে ওজনাধিক্য বা স্থূলতা নির্ণয় করা শ্রেয়।

যেভাবে হয়

অতিরিক্ত ওজন হওয়ার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে শরীরের প্রয়োজন থেকে বেশি খাবার খাওয়া অর্থাত্ বেশি ক্যালোরির খাবার খাওয়া। শরীরের প্রয়োজন মেটানোর পর বাড়তি খাবারগুলো চর্বি হয়ে দেহকোষে জমা হয়। কিছু চর্বি শরীরে জমা থাকা দরকার প্রয়োজনে শক্তি সরবরাহ করার জন্য। কিন্তু চর্বি বেশি জমা হলেই ওজনাধিক্য তৈরি হবে।

মানসিক উত্সাহ নিন

ওজন কমাতে আপনার নিজের ব্যাপারে নিজেকেই দায়িত্ব নিতে হবে। কিন্তু তাই বলে নিতান্তই একা নন। আপনি মানসিক জোর পেতে পারেন আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে, বন্ধুদের কাছ থেকে। এমন মানুষ নির্বাচন করুন যে কিনা আপনাকে মূল্য দেবে এবং আপনার কথা শুনবে। আপনার শরীর চর্চার সময় আপনাকে সঙ্গ দেবে।

পুষ্টিকর খাবার খান

নতুন করে খাদ্যাভাস শুরু করুন, যাতে কিনা আপনার খাদ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে ক্যালোরি কমাতে আপনার খাদ্যের রুটিন, তৃপ্তি ও খাদ্য তৈরির সহজ পদ্ধতির কোনোটিই যেন বাদ না যায়। সবচেয়ে ভালো পথ হলো, আপনি বেশি বেশি করে উদ্ভিদ খাদ্য, যেমন ফল, সবজি এবং আঁশজাতীয় খাদ্য খান। সব সময় সচেষ্টা থাকুন যেন আপনার খাদ্য বৈচিত্র্যময় হয় এবং রুচি ও পুষ্টি অপরিবর্তিত থাকে।

কর্মতত্পর হোন, কাজের মধ্যে থাকুন

শুধু খাদ্য নিয়ন্ত্রণই আপনার ওজন কমাতে পারে না। যদি আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে ৫০০ ক্যালোরি কমাতে পারেন তাহলে আপনার ওজন কমে প্রতি সপ্তাহে আধা কেজি। আবার ৩৫০০ ক্যালোরি কমালেই মাত্র ১/২ কেজি ফ্যাট কমবে। কিন্তু আপনি প্রতিদিন ৪০ থেকে ৬০ মিনিট স্বতস্ফূর্ত হাঁটুন সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন আপনার ক্যালোরি দেখবেন কমছে ২ গুণ।

ওজন কমাতে শরীর চর্চার উদ্দেশ্য হলো ক্যালোরি পুড়ানো, কতটুকু ক্যালোরি খরচ হলো তা নির্ভর করে আপনার শরীরচর্চার পরিমাণ ও কত সময় ধরে করলেন তার ওপর। সবচেয়ে ভালো সহজ উপায় হলো—প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা। আর ছোটখাটো সহজ উপায় হলো আপনার শারীরিক তত্পরতা আপনি বাড়াতে পারেন—লিফটে না উঠে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, গাড়িটা বাদ রেখে আশপাশের বাজারঘাট, অফিস হেঁটেই যান।

প্রতি সপ্তাহের আপনার ডায়েট চার্টটি যেমন হতে পারে

সম্পূর্ণরূপে অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় বর্জন করুন। অবশ্যই দৈনিক ৩-৭ লিটার পানি পান করতে হবে। লেবু পানি, সোডা পানি, কফি, চা ইত্যাদি পানীয় পান করতে পারবেন তবে ক্রিম, ক্রিমজাতীয় খাবার ও চিনি বর্জন করতে হবে।

আপনার ১ মাসের ডায়েট রুটিন এ রকম হতে পারে।

১ম দিন

কলা ব্যতীত যত ইচ্ছা ফল খান, অন্য কোনো খাবার গ্রহন করবেন না, শুধু ফল খাবেন।

২য় দিন

পছন্দ অনুযায়ী শাক-সবজি কাঁচা বা রান্না করে খেতে পারেন। রান্না অবশ্যই মসলা ব্যতীত হতে হবে। পছন্দের শাক-সবজি সিদ্ধ করে পানি ফেলে অল্প তেলে ভেজে নিন লবণসহ।

৩য় দিন

এই দিনে কলা ব্যতীত ফল-মূল, শাক-সবজি ইচ্ছা মতো খাবেন।

৪র্থ দিন

এই দিনে আপনি ৮টি মাঝারি আকারের কলা ও তিন গ্লাস (২০০মিলি) দুধ খাবেন। অন্য কিছু খাওয়া যাবে না।

৫ম দিন

অল্প পরিমাণ চর্বিহীন মাংস ও ৬টি টমেটো খান।

৬ষ্ঠ দিন

এই দিন ইচ্ছামতো চর্বিহীন মাংস ও শাক-সবজি খাবেন।

৭ম দিন

এই দিন বাদামি চাল, ফলের রস এবং সকল প্রকার শাক-সবজি ইচ্ছামতো গ্রহণ করুন।


কিছু সহজ এক্সারসাইজ

অনেকেই মনে করে এক্সারসাইজ করা মানে শরীর থেকে বাড়তি ওজন কমানো, এক্সারসাইজ শুধু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য নয়। বরং নিজেকে সারাদিন ফিট, চনমনে রাখতে আর শরীরের কলকব্জাগুলোকে পরিপূর্ণভাবে সজাগ রাখতেই এক্সারসাইজ করতে হয়। অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কিংবা ওজন কমাতে এক্সারসাইজ অপরিহার্য। আপনার শরীর যে ধরনের এক্সারসাইজ বহন করতে পারে বা তার সহ্য ক্ষমতা যে ধরনের এক্সারসাইজকে ধারণ করতে পারে সে রকম এক্সারসাইজই বেছে নিন, তবে এ সবকিছু করার জন্য আপনাকে মানতে হবে সহজ কিছু নিয়ম।

নিয়ম ১

ওয়ার্মআপ করার জন্য বাড়ির ছাদে বা সামনের রাস্তা থেকে ২০ মিনিট হেঁটে আসুন। যদি বাড়িতে ট্রেডমিল থাকে তাহলে ১০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌড়াতে পারেন। একেবারেই জায়গা নেই এমন হলে আপনি আপনার রুমেই স্বাচ্ছন্দ্যে দৌড়াতে পারেন।

নিয়ম ২

এরপর পালা শুরু হবে স্ট্রেচিং এক্সারসাইজের, অর্থাত্ এক্সারসাইজের মাধ্যমে পিঠ, ঘাড়, হাত এবং পা ভালোভাবে স্ট্রেচ করা দরকার।

নিয়ম ৩

এবার করুন কার্ডিওয়ার্ক আউট। একটু জোরে হেঁটে আসুন, আস্তে আস্তে গতি বাড়ান এরপর ১৫ মিনিট জগিং করতে পারেন। পুরো ৩৫ মিনিট কার্ডিওয়ার্ক করলে আপনার শরীরের জন্য যথার্থ উপকার পাবেন।

নিয়ম ৪

নিজেকে কোল্ডডাউন করতে ৫ মিনিট একদম আস্তে আস্তে হাঁটুন এখন ৫ মিনিট স্ট্রেচ করতে পারেন। কিছু সহজ এক্সারসাইজ বাড়িতে ট্রাই করতে পারেন।

নিয়ম ৫

সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত সোজা করে ঘরের সিলিংয়ের দিকে স্ট্রেচ করুন। এবার পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে যতটা সম্ভব জোরে লাফান। মাটিতে নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে আবার লাফান কোনো ব্রেক দিবেন না। টানা এক মিনিট লাফাতে থাকুন। এক মিনিট ব্রেক দিয়ে আবার শুরু করুন। দশ-বারোবার এইভাবে লাফাতে পারেন।

নিয়ম ৬

মাটির উপর শুয়ে পড়ুন তারপর দুটি হাতের সাহায্যে মাটি থেকে উঠার চেষ্টা করুন। হাতে কোনো ভাঁজ যাতে না পড়ে। শুরুতে মোটামুটি ৫-১০টি পুশআপ দিতে চেষ্টা করুন। অনেক সময় এক হাতের উপর ভর দিয়েও পুশআপ করা যায়।



কিছু ঘরোয়া উপায়

বাড়তি ওজন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ওজন কমান প্রাকৃতিক নিয়মে। এ নিয়ম স্বাস্থ্যসম্মত ও ঝুঁকিবিহীন। কয়েকটি কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমান আর ঝুঁকিমুক্ত থাকুন বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে।

++ তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।

++ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

++ দুধযুক্ত খাবার, যেমন :পনির, মাখন—এগুলো পরিহার করতে হবে। কারণ, এগুলো উচ্চ চর্বিযুক্ত। সঙ্গে মাংস ও আমিষজাতীয় খাবারও নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।

++ উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—চাল, আলু অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, আর গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

++ মসলাজাতীয় খাবার, যেমন :আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।

++ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওজন কমানোর আরেকটি ভালো উপায় হলো মধু খাওয়া। মধু দেহের অতিরিক্ত জমানো চর্বিকে রক্ত চলাচলে পাঠিয়ে শক্তি উত্পাদন করে, যা ব্যবহূত হয় দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে। মধু খাওয়া প্রথমে শুরু করতে পারেন অল্প পরিমাণে, যেমন—এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন।

++ যারা পথ্য নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মেনে চলেন বা দিনের পর দিন উপবাস করেন ওজন কমানোর জন্য, তাদের জন্য মধু ও লেবুর রস খুবই উপকারী।

এটি কোনো ধরনের শক্তি ও ক্ষুধা নষ্ট করে না। এ ধরনের চিকিত্সায় এক চামচ টাটকা মধুর সঙ্গে আধা চামচ কাঁচা লেবুর রস আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার খেতে হবে।

++ বাঁধাকপিকে ওজন কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হিসেবে ধরা হয়। বাঁধাকপি মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবারকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধা দেয়। এ জন্য বাঁধাকপি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে ওজন কমাতে। এটিকে কাঁচা অথবা রান্না করেও খাওয়া যায়।

অদ্ভুতুড়ে 11:03 PM

তৃষ্ণা মেটাতে আমরা কী করে থাকি? পানি পান করি, তাই তো? এই পানিটি যদি আরেকটু স্বাস্থ্যকর ও মজাদার করে পান করা যায়,তবে কেমন হয়? শরীরকে হাইড্রেটেড করে পানি শূনতা দূর করা পানির প্রধান কাজ। এই পানির সাথে যদি অল্প কিছু শসা কুচি মিশিয়ে পান করতে পারেন। এটি পানির চাহিদা পূরণ করার সাথে সাথে অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করে দিবে। শসা পানি পানের স্বাস্থ্য উপকারিতা আসুন জেনে নেয়া যাক।

১। পানি শূন্যতা দূর করতে
শসা-পানি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে ও শরীরে সঠিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে, শরীরের টক্সিন পদার্থ দূর করে থাকে পানি। সারাদিনের কাজের শক্তি দিয়ে থাকে শসা-পানি।
২। পেশি মজবুত করতে    
শসাতে স্যলিক নামক উপাদান রয়েছে এই মিনারেলটি টিস্যুকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। ব্যায়াম করার পর এক বোতল শসা পানি পান করুন। এটি পেশি মজবুত করতে সাহায্য করবে।
৩। ওজন কমাতে
আপনি কি ওজন কমাতে চাচ্ছেন? বাইরের কোক,সোডা জাতীয় পানীয় পান করার পরিবর্তে শসা পানি পান করুন। আপনি চাইলে এটি সারাদিন সাধারণ পানির মত পান করতে পারেন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি ক্ষুধা কমিয়ে দিবে।
৪। ত্বকের জন্য
শসাতে থাকা সিলিকা ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে পরিস্কার ও নমনীয় রাখতে সাহায্য করে। শসা মিশ্রিত ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন, এটি ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা দূর করে থাকে।
৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
শসাতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। ভিটামিন সি বিভিন্ন রোগ সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে থাকে।
৬। কোলেস্টোরেল দূর করতে
শসার স্টেরল উপাদান শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে দিয়ে থাকে। এটি হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে থাকে। এটি রক্তনালী ব্লক করা প্রতিরোধ করে রক্ত চলাচল সচল রাখে।
৭। ক্যান্সার প্রতিরোধে
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ শসা অনেকগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্টগুলো শরীরের ফ্রি র‍্যাডিক্যাল দূর করে ক্যান্সারের কোষ ধবংশ করে দেয়।
যেভাবে তৈরি করবেন:
একটি বড় পানির জারে শসা কুচি দিয়ে এক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিন। আপনি চাইলে এতে লেবুর রস, পুদিনা পাতা অথবা পছন্দের কোন ফল মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি সারাদিন পান করুন।

অদ্ভুতুড়ে 10:40 PM

ডিটক্সিফিকেশন শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও টক্সিন বাহির করে দিতে সাহায্য করে। আপনাকে হালকা, তরতাজা ও সুস্থ রাখে। গরমের সময়ে এটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। শরীরকে তাৎক্ষণিকভাবে বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে যে খাবারগুলো তা হল : 

১। শশা
শরীর থেকে টক্সিন বাহির করে দিতে পারে শশা। শশাতে প্রচুর পানি থাকে বলে ইউরিনারি সিস্টেমের কাজকে উৎসাহিত করে। আধা কাপ শশার টুকরাতে ৮ ক্যালোরি থাকে।
২। লেবু
সাইট্রাস ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই শক্তিশালী যৌগটি এই ফলের খোসায় থাকে যা যকৃতের এনজাইমকে উৎসাহিত করে। লেবু ইউরিক এসিড ও অন্যান্য বিষাক্ত উপাদানকে দ্রবীভূত করে এবং শরীর থেকে বাহিরে নিক্ষেপ করে। তাই দ্রুত শরীরকে ডিটক্স করতে ১ গ্লাস লেবু পানি খান।
৩। পুদিনা
সুগন্ধের জন্য পুদিনা বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয়। খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং শরীরকে শীতল করে পুদিনা।
৪। চুনের পানি
আপনি হয়তো শুনেছেন যে, সকালে চুনের পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এটি একটি শক্তিশালী ডিটক্স পানীয়? এটি পরিপাক তন্ত্রকে উদ্দীপ্ত করে ও আন্ত্রিক পদার্থের সঞ্চালনকে উন্নত করে। এর মাধ্যমে ডিটক্সিফিকেশনেও সাহায্য করে।
৫। কাঠ বাদাম
আপনি কি জানেন সারা সপ্তাহ অনেক বেশি পরিমাণে খাওয়ার ফলে আপনার লিভারের চারপাশে চর্বি জমে যা লিভার ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে? কিন্তু একমুঠো আমন্ড ঠিক এর বিপরীত কাজটাই করে। দ্যা জার্নাল অফ দ্যা ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি ও ভিটামিন ই গ্রহণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখা আছে – যারা ১৬ গ্রাম অথবা ১৫ টি আমন্ড খান তাদের লিভার ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ৪০% কমে যারা এর চেয়ে কম খান তাদের চেয়ে।
       
৬। গ্রিনটি
পলিফেনল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে গ্রিনটিতে যা ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিষ্ক্রিয় করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে।
৭। তরমুজ  
সামার ডিটক্সের জন্য সবচেয়ে ভালো বন্ধু হচ্ছে তরমুজ। এটি অত্যন্ত ক্ষারীয় এবং এতে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রোলিন থাকে যা শরীর থেকে অ্যামোনিয়া ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ বাহির করে দিতে সাহায্য করে। এছাড়াও তরমুজ পটাসিয়ামের ভালো উৎস।  যা শরীরের পানি ও সোডিয়ামের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং ক্লিঞ্জিং এর জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রঙিন শাকসবজি, হলুদ ও ধনিয়াপাতাও তাৎক্ষণিক ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।

অদ্ভুতুড়ে 10:27 PM

 

কে বলেছে স্বাদ আর স্বাস্থ্য পাশাপাশি যায় না? প্যানকেক খেতে ভালোবাসেন, কিন্তু স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে খাওয়া হয়ে ওঠে না- পরিস্থিতি যদি এমনই হয়ে থাকে, তাহলে দেখে নিন সায়মা সুলতানার এই রেসিপিটি। প্যানকেকের দারুণ একটা "স্বাস্থ্যকর" রেসিপি জানাচ্ছেন তিনি।

উপকরণ
হোলমিল আটা ১ কাপ
বেকিং পাউডার হাফ চা চামচ
চিনি ২ টেবিল চামচ (চাইলে মধুও দিতে পারেন, চিনি ছাড়াও করতে পারেন)
ডিম ১ টি
দুধ ১ কাপ
বাটার বা অলিভ অয়েল ২ টেবল চামচ ( গলিয়ে নেয়া )
অল্প অলিভ অয়েল / বাটার ( ভাজার জন্য )
প্রনালি
  • -উপরের সব উপকরণ একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
  • -এবার নন স্টিক প্যান গরম করে নিয়ে অল্প তেল / বাটার লাগিয়ে এক চামচ পরিমাণ (ডাল এর চামচের এক চামচ দেয়া যায়) দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রাখুন।
  • -যখন বাবল ওঠা শুরু হবে তখন উল্টে দেবেন। এভাবে ১ মিনিট পর নামিয়ে নিন।
  • -মধু , পাকা কলা কিংবা আপনার পছন্দ মত সস দিয়ে পরিবেশন করুন !

অদ্ভুতুড়ে 10:19 PM

ওজন কমানোর জন্য ডায়েট করছেন অথবা করছেন ব্যায়াম? ডায়েটের সাথে কিছু পানীয় আছে, যা পান করলে ওজন দ্রুত হ্রাস করা সম্ভব। ওজন কমানোর পানীয়গুলো সবজি, ফল  দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। যার কারণে ক্যালরির পরিমাণ কম, অন্যান্য পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে। এই পানীয়গুলো শুধু ওজন হ্রাস করতে নয়, ক্যান্সার, স্ট্রোক, কিডনি পাথর, হৃদরোগ দূর করে ডায়াবেটিসসহ নানা রোগ নিরাময় করে থাকে। দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন এই পানীয়গুলো।


১। আদা চা
হজমের সমস্যা দূর করে পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করে থাকে আদা চা। দিনের শুরুটা করুন আদা চা দিয়ে। ১/৪ থেকে ১/২ চা চামচ আদা কুচি চায়ের পানিতে দিয়ে দিন। এবার এটি ৩ থেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর এতে পছন্দের টি ব্যাগ দিয়ে তৈরি করে ফেলুন পছন্দের চা। চিনির পরিবর্তে মধু যোগ করতে পারেন চায়ের সাথে।
২। লাউয়ের জুস
প্রচুর পরিমাণ ফাইবার এবং পানি সমৃদ্ধ সবজি হল লাউ। ১০০ গ্রাম লাউয়ে ক্যালরির পরিমাণ মাত্র ১২! প্রতিদিন সকালের নাস্তায় এক গ্লাস লাউয়ের জুস রাখুন। এটি ওজন হ্রাস করার সাথে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
৩। টকদইয়ের স্মুদি
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে টকদই ৬১% সম্পূর্ণ ফ্যাট এবং ৮১% বেলি ফ্যাট কাটতে সাহায্য করে। এছাড়া টকদইয়ে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা শরীরের ফ্যাট দূর করতে সাহায্য করে। টকদইয়ের সাথে আম, আপেল অথবা পছন্দের যেকোন ফল দিয়ে স্মুদি তৈরি করে নিতে পারেন।
৪। গাজরের জুস
সহজে হজমযোগ্য লো ক্যালরির সবজি হল গাজর। পুষ্টিবিদরা ওজন হ্রাস করতে গাজরের জুস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। একটি গাজরে ৪১ থেকে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত ক্যালরি থাকে। Centre for Disease Control and Prevention এর গবেষকরা মনে করেন প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।
৫। গোল্ডেন ডিটক্স জুস
দুই কাপ গরম পানি এবং দুই কাপ ঠান্ডা পানির সাথে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আধা চা চামচ আদা গুঁড়ো, এক চা চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস এবং সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করে ফেলুন আয়ুবের্দিক গোল্ডেন ডিটক্স। এই একটি পানীয় আপনার ওজন হ্রাস করার সাথে সাথে অনেকগুলো রোগ প্রতিরোধ করে দিবে।

অদ্ভুতুড়ে 9:44 PM

শরীরে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে আমাদের ওজন বৃদ্ধি পায়। শরীরে চর্বি জমা শুরু করলে তা আমাদের স্বাস্থ্যে বিভিন্ন ধরণের জটিল রোগ সৃষ্টি করে।

বিশেষ করে আমাদের হৃৎপিণ্ড, কিডনি, লিভার ও জয়েন্টে এই চর্বি মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে। ব্যায়াম করলে ওজন কমে এই কথাটি যেমন সত্য, তেমনি কিছু ডায়েট পরিকল্পনা আমাদের মেনে চলতে হয়। এক্ষেত্রে বিপাক প্রক্রিয়ার একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আমাদের শরীরে।

এখানে, স্বাস্থ্যকর একটি শরবতের রেসিপি দেয়া হল যা আপনি মাত্র ৫ মিনিটে তৈরি করতে পারবেন এবং এটি মাত্র ৫ দিনে আপনার ৫ কেজি ওজন কমিয়ে দিবে।
 

উপকরণঃ
১) ৬০ গ্রাম ধনেপাতা
২) ১টি লেবু
৩) ৪ কাপ পানি

তৈরিকরণ পদ্ধতিঃ
একটি গ্লাসে পানি, লেবুর রস এবং ধনেপাতা কুচি কুচি করে মিশিয়ে নিন। ভালভাবে মেশানোর পরে পান করুন।

ভাল ফলাফলের জন্যঃ
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটানা ৫ দিন এই শরবৎ পান করুন। এতে আপনার ওজন কমে যাবে। ধনেপাতা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়ার উন্নতি করে এবং ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে লেবু রক্ত পরিষ্কার করে। আমাদের রক্তে যে সকল বিষাক্ত পদার্থ ও বর্জ্য থাকে তা নিস্কাশনে লেবু অনেক সাহায্য করে। এতে পটাশিয়াম রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপ কোমাতে সাহায্য করে। এই পানি মাথা ঘুরানো ও বমি বমি ভাব দূর করে। এটি আমাদের ত্বকের বয়সের ছাপ কমাতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন।

অদ্ভুতুড়ে 7:05 AM

ঝলমলে সিল্কি চুল সব নারীর পছন্দ। কিছু মানুষ জন্মগত ভাবে এমন চুলের অধিকারী হয়ে থাকেন। আবার কিছু মানুষের চুল রুক্ষ, শুষ্ক প্রাণহীন হয়। অনেক সময় চুলের নানা ট্রিটমেন্ট, প্রোডাক্ট ব্যবহার করার ফলে চুল রুক্ষ প্রাণহীন হয়ে পড়ে। রুক্ষ, প্রাণহীন চুলকে ঝলমলে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে ঘরের তৈরি শ্যাম্পু। কেমিক্যালমুক্ত এই শ্যাম্পু গুলো আপনি তৈরি করে নিতে পারেন ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই। 


১। শসা এবং লেবুর শ্যাম্পু
প্রথমে শসা খোসা ছড়িয়ে নিন। তারপর একটি শসা এবং একটি লেবু কুচি করে কেটে নিন। ব্লেন্ডারে শসা, লেবু দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এটি একটি বোতলে ভরে ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল শসা-লেবুর শ্যম্পু। চুল ভিজিয়ে নিয়ে তারপর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। আঙ্গুল দিয়ে তালুতে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। শসাতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং নানা পুষ্টিগুণ চুলে ভিতর থেকে পুষ্টি যুগিয়ে থাকে। এমনকি চুলের পিএইচ ব্যালেন্স ধরে রাখতে সাহায্য করে শসা। লেবু মাথা তালুর তেল, ময়লা পরিষ্কার করে থাকে।

২। নারকেল দুধ শ্যাম্পু
এক কাপ নারকেল দুধ, ছয় টেবিল চামচ বাদাম তেল, এক কাপ নারকেল তেল সোপ এবং ২০ ফোঁটা এ্যাসেন্সিয়াল তেল। একটি বোতলে নারকেল দুধ, বাদাম তেল এবং নারকেল তেল সোপ মিশিয়ে নিন। এবার এটি কয়েক মিনিট ঝাঁকিয়ে নিন। আপনি চাইলে এতে এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। এই শ্যাম্পুটি চুল পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন। এই শ্যাম্পুটি ফ্রিজ ছাড়া এক মাস সংরক্ষণ করতে পারবেন।

৩। নারকেল তেল এবং এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল
১/২ বিশুদ্ধ বেবি শ্যাম্পু, ১/৮ কাপ ডিসটিলেটেড ওয়াটার, ১/৪ কাপ গোলাপ জল, ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং ৫ ফোঁটা লেমন এ্যাসেন্সিয়াল ওয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি চুলে ব্যবহার করুন। কেমিক্যাল মুক্ত এই শ্যম্পুটি চুল পরিষ্কার করে চুলকে করে তুলে সিল্কি ঝলমলে স্বাস্থ্যোজ্বল।

অদ্ভুতুড়ে 12:25 AM

মানবদেহের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল লিভার। এই একটি অঙ্গ অনেকগুলো শারীরিক কাজ করে থাকে যেমন মেটাবলিজম, হজমশক্তি বৃদ্ধি, বিষাক্ত পর্দাথ দূর করা ইত্যাদি। বিভিন্ন কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সমস্যা শুরুর দিকে এর চিকিৎসা করা না হলে লিভার ফেইলিয়ারের মত ঘটনা ঘটতে পারে। লিভার ফেইলিয়ার আস্তে আস্তে শুরু হয়ে থাকে। আপনার কিছু কাজ দ্বারা এটি আরও মারাত্নক আকার ধারণ করে থাকে। লিভার সুস্থ রাখতে এই কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকুন।

১। অতিরিক্ত মদ্যপান
অ্যালকোহল লিভার ইনফ্লামেশন, ফ্যাটি লিভার, এমনকি লিভার সিরোসিসের প্রধান কারণ। লিভার খাবারের ভেঙে শক্তিতে রূপান্তর করে থাকে। লিভার যখন অ্যালকোহল ভাঙ্গার চেষ্টা করে তখন এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে সকল নিয়মিত মদ্যপান করে থাকে সাধারণত তারা বেশি লিভারের সমস্যায় ভুগে থাকেন।
২। স্থূলতা
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা লিভার সমস্যার দিকে নিয়ে যায়। লিভারে চারপাশে চর্বি জমে লিভার ফেইলিয়ারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে দেয়। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেক রোগী লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
৪। ডায়াবেটিস
এক গবেষণায় প্রকাশ করা হয় ডায়াবেটিস রোগীদের ৫০% লিভার ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। যা লিভার ড্যামেজের অন্যতম কারণ হয়ে থাকে।
৫। অতিরিক্ত ওষুধ সেবন
অতিরিক্ত ওষুধ সেবন মারাত্নক ক্ষতি করে থাকে লিভারের। বর্তমান সময়ে অনেকে ডাক্তার পেইনকিলার খেতে নিষেধ করে থাকে। পেইন কিলার, অবসাদ কমানোর ওষুধ, মুড ঠিক করার ওষুধ ইত্যাদি লিভারের ক্ষতি করে থাকে।
৬। লবণ বেশি খাওয়া
অতিরিক্ত লবণ এবং লবণ জাতীয় খাবার রক্তচাপ বৃদ্ধি করে থাকে। এটি লিভারে পানি বৃদ্ধি করে লিভারে ক্ষতি করে থাকে। বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা আজই ত্যাগ করুন।
৭। ধূমপান
ধূমপান সরাসরি লিভারের ক্ষতি করে না থাকলেও পরোক্ষভাবে এটি লিভারের ক্ষতি করে থাকে। সিগারেটের ক্ষতিকর উপাদান লিভারের পৌঁছানোর পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বৃদ্ধি করে যা লিভারের কোষে প্রভাব ফেলে থাকে।
৮। সাপ্লিমেনিটরি
গবেষণায় দেখা গেছে পুষ্টি অথবা ডায়েটেরি সাপ্লিমেনটরি লিভারে কিছু এনজাইম তৈরি  করে থাকে। অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণের কারণে অনেক সময় লিভার ড্যামেজ হতে পারে।

অদ্ভুতুড়ে 11:24 PM

 

ফেসিয়াল আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে নাকি উপকার করছে তা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। কেউ বলেন ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে, আবার কেউ বলেন তারা কোন পরিবর্তনই দেখতে পাননা। আবার অনেকেই বলেন ফেসিয়াল করার পর তাদের ত্বকের সমস্যা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক নারীই রিল্যাক্স করার জন্য ফেসিয়াল করে থাকেন। যদিও ফেসিয়াল হওয়া উচিৎ ত্বকের যত্নের জন্য, শুধুমাত্র রিল্যাক্স করার জন্য নয়। আসলে ত্বকের যত্নের জন্য যে কাজগুলো করা প্রয়োজন সেগুলো যদি আপনি না করেন তাহলে ফেসিয়াল ত্বকের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এমন কিছু টিপস জেনে নিই চলুন যা করলে ফেসিয়ালের ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়।


১। ওয়াক্সিং এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার ২৪ ঘন্টা পূর্বে ওয়াক্সিং করবেন না। ওয়াক্সিং করলে ত্বকের এক্সফলিয়েট হয়, এতে ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পরে এবং র‍্যাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর পরপরই ফেসিয়াল করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয় বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।

২। স্ক্রাব করবেন না
ফেসিয়ালের পূর্বে মুখে স্পঞ্জ বা স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে ত্বক জ্বলতে পারে।

৩। সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার পূর্বে সূর্যরশ্মি থেকে দূরে থাকুন। সূর্যের আলোর কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা ঠিক করতে পারে ফেসিয়াল। কিন্তু সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসার পরে ত্বকের কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন। সূর্যের আলোয় ত্বক পুড়ে যায় ফলে ব্রণ দূর করার উপাদানের সাথে এর প্রতিক্রিয়া হয়।

৪। ঔষধ দূরে রাখুন
যারা বোটক্স জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করছেন তারা ফেসিয়াল করার ৪৮ ঘন্টা আগে এর ব্যবহার বন্ধ রাখুন। সম্প্রতি ইনজেকশন দেয়া হয়েছে এমন ত্বকে ম্যাসেজ করলে সেই স্থানের রাসায়নিক চেহারার অন্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে।

৫। হাত দূরে রাখুন
মুখে ব্রণ বা কোন দাগ থাকলে তা খুঁটবেন না। এর ফলে ত্বক উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং ফেসিয়াল করলে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৬। এক্সটেনশন বাদ দিন
আপনি যদি চোখে আলগা পাপড়ি লাগান তাহলে তা লোশন বা ষ্টীমের সংস্পর্শে না আনাই ভালো। ফেসিয়াল করার অন্তত ৪৮ ঘন্টা আগে এগুলো ব্যবহার বন্ধ রাখুন।      

৭। এক্সফলিয়েশন বাদ দিন
ফেসিয়ালের পূর্বে এক্সফলিয়েশন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এক্সফলিয়েটে রেটিনল ও গ্লাইকোলিক এসিড থাকে যা ত্বকের বাইরের স্তরকে সংবেদনশীল করে তোলে।
ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য উপকারি হতে পারে যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলেন।

অদ্ভুতুড়ে 11:20 PM

প্রচলিত আছে সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার সৈনিকের মত এবং রাতের খাবার ফকিরের মত খাওয়া উচিত। সারাদিনের খাবারের তুলনায় সকালের নাস্তাটা ভারী খাওয়া উচিত। সকালে আমাদের ক্যালোরির চাহিদা থাকে সবচাইতে বেশি। তাই দিনের শুরুর খাবারটি পেট ভরে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। রাতের খাবারের মেন্যুতে এমন কিছু খাবার রাখা উচিত যা সহজে হজমে হয়ে ভাল ঘুম হতে সাহায্য করবে। সাধারণত রাতের খাবার এবং ঘুমানোর সময়ের মধ্যে দুই ঘন্টা গ্যাপ থাকা উচিত। কিছু খাবার আছে যা সহজ হজম হয়ে থাকে। এমন কিছু খাবার কথা আসুন জেনে নেয়া যাক।

১। বিট
হজমের সমস্যা দূর করতে বিট বেশ কার্যকর। প্রচুর আঁশযুক্ত, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ এই খাবারটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে পেট ফাঁপা দূর করে থাকে। রাতের সালাদ, সবজিতে বিট সবজিটি রাখুন।
২। টক দই
টক দইয়ে অ্যাসিডোফিলিউস নামক ভাল ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। রাতের খাবারে টকদই রাখুন। এটি পেট ফাঁপা দূর করে, হজমে সাহায্য করার সাথে সাথে ওজন কমিয়ে দিবে।
৩। হালকা গরম পানীয় পান করা
রাতের খাবারের সাথে কুসুম গরম পানি অথবা দুধ পান করুন। এটি হজমের সমস্যা দূর করে। বরফ ঠান্ডা পানি খাবার হজমে বাঁধা সৃষ্টি করে থাকে। এক গ্লাস গরম দুধ রাতে ঘুমাতেও সাহায্য করে থাকে।
৪। টমেটো
সহজলভ্য এই খাবারটি প্রায় সব কিচেনেই থাকে। এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং লিকোফেইন নামক ভাল ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।
৫। গাজর
ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গাজর চোখের জন্য ভাল এটি সবার জানা। এই গাজর হজমের জন্য বেশ উপকারী তা কি আপনি জানেন? ফাইবার এবং অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে।
৬। শসা
এরিপেইন নামক প্রোটিন সমৃদ্ধ শসা খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে। ফাইবার, ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ শসা রাতের সালাদে অথবা তরকারিতে রাখুন।
এছাড়া স্যামন, আভাকাডো, আদা, ব্রাউন রাইস, ইত্যাদি খাবার রাতের মেন্যুতে রাখুন। খুব বেশি রাত করে না খেয়ে, রাত ৯ টার মধ্যে খাবার খেয়ে নিন।

অদ্ভুতুড়ে 10:20 PM

 
Interesting foreign food chicken meat Chicken Invol tini

নিত্য নতুন খাবারের প্রতি ভোজন রসিক মাত্রই আগ্রহী। আর সেটা যদি হয় চিকেনের তৈরি কোন খাবার, তাহলে তো কথাই নেই। রন্ধন শিল্পী আফরোজা নাজনীন সুমি আজ নিয়ে এসেছেন ভিনদেশি খাবার Chicken Invol tini তৈরির রেসিপি। চলুন, জেনে নিই।



উপকরণ:
মুরগীর বুকের মাংস : ৪ পিস
সিদ্ধ গাজর : ২টা
সিদ্ধ বরবটি : ৫ টুকরা
রান্না করা কিমা : আধা কাপ
মোজারেলা চিজ : আধা কাপ
ড্রাই মিক্স হার্বস : ১ টে; চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া : ১ চা চামচ
ব্রেড ক্রাম : ১ কাপ
ডিম : ১ টা
তেল : পরিমানমত
লবণ : স্বাদমত


প্রনালী: 
  • -প্রথমেই মুরগীর বুকের মাংস গুলো ভারী কোন বস্তু দিয়ে পিটিয়ে পাতলা করে নিন। 
  • -এবার মাংসের মধ্যে লবণ ও গোল মরিচ হার্বস ছিটিয়ে ম্যারিনেট করে নিন। 
  • -এখন মুরগির মাংসের মধ্যে রান্না করা কিমা, চিজ ও বরবটি ভরে রোল করে টুথপিক দিয়ে আটকিয়ে নিন। 
  • -আটকানো রোলটি ফেটানো ডিমে ঢুবিয়ে নিন। ডিম ঢুবানোর পরেই ব্রেড ক্রামে গড়িয়ে গরম তেলে ভেজে নিন। 
  • -এবার ভাজা হয়ে গেলে রোলটি টুকরা টুকরা করে কেটে পরিবেশন করুন টমেটো সস দিয়ে মজাদার চিকেন ইনভল তিনি।

অদ্ভুতুড়ে 6:30 AM

দই একটি জনপ্রিয় দুগ্ধজাত খাবার যা গাজন প্রক্রিয়ায় উৎপাদন করা হয়। দুধের মধ্যে জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া দিয়ে তৈরি করা হয় দই। প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ দই খেয়ে আসছে। এটি হতে পারে খাবারে অংশ বা স্ন্যাক অথবা ডেসার্ট। দইয়ে উপকারি ব্যাকটেরিয়া থাকে তাই এটি প্রোবায়টিক হিসেবে কাজ করে। দুধের স্বাস্থ্য উপকারিতাকেও ছাড়িয়ে যায় দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা। দই সাধারণত সাদা ও ঘন তরল তবে কিছু কমার্শিয়াল ব্র্যান্ডের দইয়ে কৃত্রিম রঙ দেয়া হয়। 

  

দইয়ে উদ্ভিজ প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। দইয়ে প্রোবায়োটিক থাকে। প্রোবায়োটিক হচ্ছে “বন্ধু ব্যাকটেরিয়া” যা আমাদের পরিপাকতন্ত্রে থাকে। এই প্রোবায়টিকের কিছু প্রজাতি ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং পরিপাকনালীকে স্বাস্থ্যবান রাখে।
দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সত্যি অতুলনীয়। তাই স্বাস্থ্যবান মানুষ নিয়মিত দই খাওয়ার চেষ্টা করে। চলুন জেনে নেয়া যাক দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে।

১। এসিডিটি দূর করতে পারে
দই এর ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে এসিড জমতে বাঁধা দেয়। ফলে বাড়তি এসিড দূর হয়। এতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রোবায়োটিক থাকে বলে এক বাটি দই খেলে মিনিটের মধ্যে এসিডিটির সমস্যা দূর হয়।

২। ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে
যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে দই এর পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য ১ টেবিল চামচ দই, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চা চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং অর্ধেক চামচ চিনি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের উপর এই পেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। দই এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ভালো হতে সাহায্য করে।

৩। সান বার্ন থেকে মুক্তি দিতে পারে
সান বার্ন থেকে মুক্তি পেতে দই এর প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ১ টেবিল চামচ টমেটোর পেস্টের সাথে ১ টেবিল চামচ দই ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে রোদে পোড়া ত্বকের উপরে লাগান। দইয়ের ল্যাক্টিক এসিড ও শিতলীকারক উপাদান, লেবুর ব্লিচিং উপাদান এবং টমেটোর পুষ্টি উপাদান রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

৪। খুশকি দূর করতে পারে
দইয়ে ছত্রাক নাশক উপাদান আছে তাই এটি খুশকি দূর করতে পারে। এর জন্য দই ভালো করে নেড়ে ঘন করে নিন এবং মাথার তালুতে লাগান। ১ ঘন্টা এভাবে রেখে দিয়ে তারপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারে নিস্তেজ চুল সতেজ হবে এবং চুল পড়া কমাবে।

৫। ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়
ইমিউন কম্প্রোমাইজড রোগীদের ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়। কম বয়সী ও বয়স্ক উভয়েরই অ্যালার্জির উপসর্গগুলো কমে দই খেলে। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় যে প্রোটিন বৃদ্ধি পায় তার মাত্রাকে কমতে সাহায্য করে দই।

প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক দই অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় উপাদানের চেয়ে ভালো যদি এটি চিনি মুক্ত থাকে। নিয়মিত দই খেলে রক্তচাপ কম থাকে, অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়, ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে।      

অদ্ভুতুড়ে 6:25 AM

হিট স্ট্রোকের অপর নামই সান স্ট্রোক। এটি এমন একটি মারাত্মক অবস্থা যখন শরীর আর ঘামের মাধ্যমে ঠান্ডা হতে পারেনা।ফলে শরীর অতিমাত্রায় গরম হয়ে যায়। যারা গরম ও আদ্র জলবায়ুতে বসবাস করে তাদের হিট স্ট্রোক হতে দেখা যায় বেশি। রোদের মধ্যে পরিশ্রমের কাজ করলে ও ডিহাইড্রেশনে ভুগলে হিট স্ট্রোক হয়। 



হিট স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে হঠাৎ করেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। আরো যে লক্ষণগুলো দেখা যায় তা হল- ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা, ঘাম কমে যাওয়া, পেশীর সংকোচন, পালস রেট দ্রুত হওয়া, বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া, ত্বকে লালভাব দেখা যাওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, বিভ্রান্তি এমনকি চেতনা হারানো। কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়। সেই পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।


১। সূর্যের প্রখর তাপ এড়িয়ে চলুন
দিনের যে সময়টাতে সূর্যের তাপ অনেক বেশি থাকে (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত) সেই সময়ে বাহির না হওয়া ভালো। যদি সম্ভব হয় তাহলে বাহিরের  কাজগুলো দিনের ঠান্ডা সময়ে করুন যেমন- খুব ভোরে বা সূর্যাস্তের পর। যদি এই সময়ের মধ্যেই বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, মাথায় ক্যাপ বা স্কার্ফ পড়ুন এবং ছায়ার মধ্যে থাকুন এবং অবশ্যই পানির বোতল রাখুন সাথে।

২। নতুন আবহাওয়া সহ্য করতে অভ্যস্ত হোন
গ্রীষ্মের গরমে কাজ করতে পারার জন্য শরীরকে তৈরি করুন। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে। গরমে অনেকক্ষণ থাকার পর এসি রুমে প্রবেশের পূর্বে কিছুক্ষণ ছায়াতে থাকুন। এতে করে আপনার শরীর তাপমাত্রার পরিবর্তন সহ্য করতে পারবে। একইভাবে এসি রুম থেকে বাহির হয়ে কিছুক্ষণ ছায়ায় থাকার পর রোদে যান।

৩। সতর্কতার সাথে ব্যায়াম করুন
সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম জরুরী। তবে গরমের সময় শ্রমসাধ্য ব্যায়ামগুলো দিনের বেলায় করলে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই শ্রমসাধ্য ব্যায়ামগুলো দিনের ঠান্ডা সময়ে করুন, আউটডোর স্পোর্টসগুলো পিক আওয়ারে খেলবেন না, ব্যায়ামের পূর্বে ও পরে পর্যাপ্ত তরল পান করুন।

৪। পেঁয়াজ খান
কাঁচা পেঁয়াজ সান স্ট্রোক এড়াতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে কিন্তু পেঁয়াজ শরীরকে শীতল করতে পারে এটা কি জানেন? বিশেষ করে লাল পেঁয়াজ যাতে কোয়ারসেটিন নামক রাসায়নিক উপাদান আছে, er অ্যান্টিহিস্টামিন প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস করা হয়। হিস্টামিন যন্ত্রণাদায়ক হিট র‍্যাশের কারণ। তাই নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে গরমের এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও গরমের সময়ে বিভিন্ন ধরণের ইনফেকশন থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে পেঁয়াজ। তাই গরমে নিয়মিত পেঁয়াজ খান।

গরমের সময়ে যে কারোরই হিট স্ট্রোক হতে পারে। তবে বয়স্কদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যদি ঠিকমত চিকিৎসা করা না হয় তাহলে এটি প্রাণনাশক হতে পারে এবং মস্তিষ্ক ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। তাই হিট স্ট্রোক হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।

অদ্ভুতুড়ে 6:16 AM

 

ত্বকের যত্নে আমরা অনেক কিছুই করে থাকি। নানা ফেসপ্যাক, ক্রিম কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু মুখের ত্বকের সাথে সাথে আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশও রোদে পুড়ে যাচ্ছে। বরং মুখের চেয়ে এই অংশগুলো বেশি পুড়ে থাকে। এমন একটি অঙ্গ হল আমাদের পা। যা আমরা সবাই অবহেলা করে থাকি। এই গরমে ত্বকের পাশাপাশি হাত পায়েরও প্রয়োজন পড়ে বাড়তি যত্নের। ঘরোয়া কিছু উপায়ে করে ফেলুন হাত এবং পায়ের যত্ন।



১। লেবু এবং লবণ
দুই টেবিল চামচ লবণের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক এক্সফলিয়েট করে থাকে। লবণ প্রাকৃতিক স্কার্ব হিসেবে কাজ করে রোদে পোড়া ভাব দূর করে থাকে।

২। চন্দনের গুঁড়ো এবং টমেটো
এক টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ো, এক চা চামচ টমেটোর রস, এক চা চামচ শসার রস, এবং এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক ব্যবহারে পায়ের কালো দাগ দূর করে দিবে।

৩। আলু
একটি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এই রস পায়ে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আলু নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। আলুর রসে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে যা রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে।

৪। দুধ এবং কমলার খোসা গুঁড়ো
কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিন। এর সাথে দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। কিছুটা পাতলা পেস্ট তৈরি করুন। এইবার পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধের ল্যাটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের পিগমেনশন রোদে পোড়াভাব দূর করে দিয়ে থাকে।

৫। বেসন এবং হলুদের পেস্ট
সমপরিমাণ হলুদ এবং বেসন তার সাথে টকদই এবং লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

অদ্ভুতুড়ে 1:53 AM

"অনেকদিন ধরে বিজ্ঞানীরা খোঁজ করছেন নতুন এন্টিবায়োটিকের। কিন্তু ওষুধ বিজ্ঞানীরা নতুন কোন এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করতে পারছিলেন না যুগের পর যুগ পার হয়ে যাওয়ার পরেও!"  বিবিসির সংবাদ।


 
এবার সে কাজটিই করে দেখালেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের এই আবিষ্কার ছাপানো হয়েছে ইন দ্যা জার্নাল অব দ্যা ন্যাচারে।

এমন একটি এন্টিবায়োটিক বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন প্রায় ৩০ বছর পর যার নাম টিক্সোব্যাক্টিন। এটিকে বিজ্ঞানীর বলছে "গেম চেঞ্জার এন্টিবায়োটিক"। টিক্সোব্যাক্টিন মানবদেহে ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস করতে ভালো সাড়া দেয়। এই আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিকটি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে ইঁদুর ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের উপর। এখন মানুষের উপর প্রয়োগ করে এর ফল দেখা বাকী রয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 12:29 AM

সৌন্দর্য সচেতন মানুষের কাছে চেহারায় বয়সের ছাপ এক অস্বস্তিকর সমস্যা। আমাদের কর্মব্যস্ত জীবনে অবিরাম ছুটে চলা, নানাবিধ দুঃচিন্তা আর মানসিক চাপ, কড়া রোদ ইত্যাদির প্রভাবে চোখের তলায় ভাঁজ, ত্বক ঝুলে যাওয়া ও বলিরেখা দেখা দেয়। আমাদের ত্বক হয়ে যায় নির্জীব। এসবের ফলে বয়সের তুলনায় আরো বেশি বয়স্ক দেখায়। যাকে আমরা বয়সের ছাপ বা এজিং বলি।


ত্বক আমাদের শরীরের স্পর্শকাতর অংশ। তাই, ত্বকের প্রতি আমাদের সচেতন থাকা উচিত। ত্বকের যেকোনো সমস্যা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. ঝুমু খান জানান, দৈনন্দিন জীবনের কিছু বদঅভ্যাস ও অসচেতনতার কারণেই বয়সের আগেই বুড়িয়ে যেতে পারে আমাদের চেহারা। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রোদের ক্ষতিকর প্রভাবকে অবহেলা করা। ত্বকের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে রোদ। সারাদিন বাইরে রোদের মধ্যে থাকলে, ইউভি রশ্মি থেকে ত্বকের সেল ড্যামেজ হয়। বয়সের ছাপ বা এজিংয়ের অন্যতম কারণ এই সেল ড্যামেজ। এর ফলে ত্বকের বিভিন্ন স্তর, বিশেষ করে সাপোর্টিভ লেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধূমপান বয়সের ছাপের আরেকটি কারণ। যাদের ধূমপানের অভ্যাস আছে তাদের ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে যায়। আমাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রতি বেশ দুর্বলতা। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এতে ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে।

 লেজার চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ঝুমু খান আরও বলেন, চিন্তা ছাড়া মানুষ হয় না, নূন্যতম চিন্তা সবারই থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকের ক্ষতি করে। এর প্রভাবেও চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে অনেকের। টিনজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খেলেও চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে। কারণ, এসব খাবার সংরক্ষণের বিভিন্ন রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এসব ছাড়াও রয়েছে অতিরিক্ত চুইংগাম খাওয়া, মেকআপ করার পর সেটা ঠিকমতো না তোলা, গালে ভর দিয়ে ঘুমানো, ত্বক টানা, অতিরিক্ত মদ্যপান ইত্যাদি।

ঝুমু খানের মতে,  জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে একটু সচেতনাই পারে এধরণের সমস্যা থেকে আমাদেরকে দূরে রাখতে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খাদ্যাভ্যাস। তবে এটা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার আগেই শুরু করা উচিত। ত্বককে ভেতর থেকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করার জন্য  প্রয়োজন ভালো ডায়েট এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। কিছু মিনারেল এবং ভিটামিন ভেতর থেকে সুন্দর ত্বক এনে দিতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ব্রকলি, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি, লেবু, কমলা, আনার, খেজুর, কাজুবাদাম, দুধ, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পালং শাক, মাশরুম ইত্যাদি। এসব খাদ্যে রয়েছে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচটি উপাদান- ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, বিটা ক্যারটিন ও আয়রন। এসব খাবার খাওয়ার পাশাপাশি রোদ এড়িয়ে চলতে হবে, ব্যবহার করতে হবে ছাতা। বাইরে থেকে ফিরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে এবং ঘুমানোর সময় গালে ভর দিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ধুমপান ও মদ্যপান।

সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য আমরা কত না ক্রিম ও ফেসপ্যাক ব্যবহার করি। বাজারের ক্রিম বা লোশন সাময়িকভাবে ত্বক উজ্জ্বল করে ঠিকই তবে, এগুলো থেকে দীর্ঘমেয়াদী ফল লাভ করা সম্ভব নয়। ফলে, বাজারের বিভিন্ন ধরণের ওষুধ ও প্রসাধনী ব্যবহার করেও যাদের ত্বকে ইতিমধ্যে এজিং বা বয়সের ছাপ পড়ে গেছে স্থায়ীভাবে বয়সের ছাপ দূর করতে ব্যর্থ হয়ে তারা প্রায়ই হতাশ হন।

ঝুমু খান বলেন, বয়সের ছাপ নিয়ে হতাশার কিছুই নেই। কারণ, বর্তমানে এ থেকে মুক্তিলাভ আর অসম্ভব ব্যাপার নয়। দেশেই এখন পাওয়া যাচ্ছে বয়সের ছাপ দূর করার অত্যাধুনিক সব চিকিৎসা।

লেজার মেডিকেল সেন্টারসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো ত্বকের লেজার চিকিৎসায় বেশ উন্নতি লাভ করেছে। বিস্তারিত
Powered by Blogger.