এই ব্যাঙগুলোর দেহ শক্ত চামড়া দ্বারা আবৃত। চামড়ার উপরে রয়েছে শক্ত কাঁটার মতো। শুধু তাই নয়। মাথায় রয়েছে বিষের থলি। সাপ যখন এদের আক্রমণ করে তখন এরা নিজের সমস্ত শরীরে বিষ ছড়িয়ে দেয়। এই বিষের প্রভাবে শুধু সাপ নয়, ব্যাঙটিও মারা যায়। চার্লস ডারউইন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে এই ব্যাঙের কারণে পিগমি বা স্টান্টেড ক্রোকোডাইল কুমির প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে। কুমিরগুলো সাধারণ কুমিরের তুলনায় বেশ ছোট। পুরুষ কুমির ১ দশমিক সাত মিটার অর্থাৎ সাড়ে পাঁচ ফুট হয়। মেয়ে কুমির আরও ছোট হয় মাত্র দশমিক সাত মিটার অর্থাৎ দু’ফুট তিন ইঞ্চি। দুর্লভ প্রজাতির এই কুমিরের সংখ্যা অস্ট্রেলিয়ার কিছু কিছু জায়গায় খুব দ্রুত কমছে।
এই ব্যাঙগুলো এখন পূর্ব-দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার দিকে এগুচ্ছে। এই প্রজাতির ব্যাঙের চলার গতি অনেক কম। এরা বছরে ৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে।
ভিডিও:
Post a Comment