প্রকৃতিতে এমন কত কিছুই যে আছে, যা সম্পর্কে যতবেশি জানা যায়, ততই যেন বিস্ময় আরো বাড়তে থাকে। এ জন্যেই হয়ত প্রকৃতিকে বলা হয় রহস্যময়ীও।
হ্যাঁ, আমরা বলছি পৃথিবীর প্রাচীন বৃক্ষগুলোর কথা। যারা দাঁড়িয়ে আছে কত বছর ধরে! ৪৬০০ বছরের এই গাছগুলোর সামনে কতকিছুই ঘটে গেছে এ পৃথিবীতে। কত ইতিহাসের সাক্ষী যেন এ গাছগুলোই!
ইনো ন্যাশনাল ফরেস্টে এমন অনেক বৃক্ষ আছে, তাদের সামনেই কতকিছু এল, সৃষ্টি হলো, আবার কতকিছুর অবসানও যেন হলো। কত কত ঘটনা, পৃথিবীর বদলে যাওয়া!
এই বিস্ময়কর ও প্রাচীন বনভূমিটি সিরিয়ার নেভাদার সাদা পর্বতমালায় অবস্থিত। এখানকার বৃক্ষগুলোকেই মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বৃক্ষ। এ বনে আছে প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো বৃক্ষ।
এখানে আছে জায়ান্ট সিকোইয়া নামের একরকম গাছ যার বয়স প্রায় ১৫০০ বছর! আপনি কতোটা বিস্মিত হবেন যখন জানবেন, বিস্টলেকন পাইন এমন এক ধরনের গাছ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী মাটির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে!
এমনকি আরো বিস্ময়কর হলো অনুর্বর মাটিতেও এটা নিমিষেই নিজের সক্ষমতা তৈরি করে নিতে পারে! ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গাছটি বেঁচে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই।
এই বনভূমিতে কমবয়সী গাছ থাকলেও অধিকাংশ গাছের বয়সই ৪ হাজারেরও বেশি। আর এসব প্রাচীন বৃক্ষগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে যে গাছটিকে প্রাচীন মনে করা হয় তার নাম ‘মিথুসেলাহ।' মিথুসেলাহর বয়স প্রায় ৪ হাজার ৭৬৮ বছর।
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবেও মিথুসেলাহ নামের বৃক্ষটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম বৃক্ষ।
প্রকৃতিতে এমন কত কিছুই যে আছে, যা সম্পর্কে যতবেশি জানা যায়, ততই যেন বিস্ময় আরো বাড়তে থাকে। এ জন্যেই হয়ত প্রকৃতিকে বলা হয় রহস্যময়ীও।
হ্যাঁ, আমরা বলছি পৃথিবীর প্রাচীন বৃক্ষগুলোর কথা। যারা দাঁড়িয়ে আছে কত বছর ধরে! ৪৬০০ বছরের এই গাছগুলোর সামনে কতকিছুই ঘটে গেছে এ পৃথিবীতে। কত ইতিহাসের সাক্ষী যেন এ গাছগুলোই!
ইনো ন্যাশনাল ফরেস্টে এমন অনেক বৃক্ষ আছে, তাদের সামনেই কতকিছু এল, সৃষ্টি হলো, আবার কতকিছুর অবসানও যেন হলো। কত কত ঘটনা, পৃথিবীর বদলে যাওয়া!
এই বিস্ময়কর ও প্রাচীন বনভূমিটি সিরিয়ার নেভাদার সাদা পর্বতমালায় অবস্থিত। এখানকার বৃক্ষগুলোকেই মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন বৃক্ষ। এ বনে আছে প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো বৃক্ষ।
এখানে আছে জায়ান্ট সিকোইয়া নামের একরকম গাছ যার বয়স প্রায় ১৫০০ বছর! আপনি কতোটা বিস্মিত হবেন যখন জানবেন, বিস্টলেকন পাইন এমন এক ধরনের গাছ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী মাটির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে!
এমনকি আরো বিস্ময়কর হলো অনুর্বর মাটিতেও এটা নিমিষেই নিজের সক্ষমতা তৈরি করে নিতে পারে! ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গাছটি বেঁচে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরেই।
এই বনভূমিতে কমবয়সী গাছ থাকলেও অধিকাংশ গাছের বয়সই ৪ হাজারেরও বেশি। আর এসব প্রাচীন বৃক্ষগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে যে গাছটিকে প্রাচীন মনে করা হয় তার নাম ‘মিথুসেলাহ।' মিথুসেলাহর বয়স প্রায় ৪ হাজার ৭৬৮ বছর।
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবেও মিথুসেলাহ নামের বৃক্ষটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম বৃক্ষ।
- See more at: http://www.poriborton.com/post/42346/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9B#sthash.BSrpBPi2.dpuf