Showing posts with label বিজ্ঞান-প্রযুক্তি. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 1:39 AM

দেশে জাতীয়ভাবে ই-কমার্স দিবস পালনের দাবি জানিয়ে ৭ এপ্রিল ই-কমার্স দিবস পালন করবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। তাদের এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে ইউনাউটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)।


ই-কমার্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

'নিরাপদে হোক অনলাইন কেনাকাটা' এ স্লোগানে ধানমন্ডির ইউআইইউ অডিটোরিয়ামে দিবসটি উদযাপনে আয়োজন করা হয়েছে নানা ধরনের কর্মসূচি। এদিন ই-ক্যাবের নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে তিনশো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

 যেখানে দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নীতি নিয়ে আলোচনা এবং অনলাইনে পণ্য কিনতে ভোগান্তি কমানো, পণ্যের দাম কমানোসহ বেশকিছু বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হবে। এছাড়া ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে থাকছে নানান ছাড় সহ অফার।

প্রত্যাশানুযায়ী দেশের মানুষের এখনো ই-কমার্সে আস্থা আসেনি, দিকটি বিবেচনা করে অনলাইন কেনাকাটায় উদ্বুদ্ধ করতে সেশন রাখা হচ্ছে দিবসটিকে ঘিরে।

ই-ক্যাব মনে করে, অন্যান্য দেশের চেয়ে এখনও ই-কমার্স ব্যবসায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এই খাতকে এগিয়ে নিতে হলে একটি নির্দিষ্ট দিনকে দিবস হিসেবে পালন করা দরকার। তাহলে তরুণ উদ্যোক্তাদেরও এ ব্যবসায় প্রবণতা বাড়বে।

শুধু ৭ এপ্রিল নয় পুরো এপ্রিল মাসকেই ই-কমার্স মাস হিসেবে ঘোষণা করেছে ই-ক্যাব।

উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল এবারই প্রথম নয়, গত বছর থেকেই তারিখটিকে ই-কমার্স দিবস হিসেবে পালন করছে ই-ক্যাব।

অদ্ভুতুড়ে 1:38 AM

গত বছরের শেষ দিকে মিশরে বন্ধ করে দেয়া হয় ফেসবুকের ফ্রি বেসিক ইন্টারনেট সার্ভিস। কিন্তু কি কারণে মিশর সরকার সেবাটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনে তা সুস্পষ্ট ছিলনা। কেননা ফেসবুক এবং দেশটির সরকার উভয়ই মুখ বন্ধ রেখেছিল।


এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত দুজন ব্যক্তি অবশ্য কারণটি বেশীদিন গোপন রাখতে দিলনা। কয়েক দিন আগে সংবদামাধ্যমের কাছে তারা ঘটনার অনেকটাই খোলাসা করেছে। তারা বলছে য়ে, ফেসবুক এবং মিশর সরকারের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনাকালে দুজনই সরাসরি যুক্ত ছিল।

এ মুহূর্তের প্রতিবেদনগুলোতে তাদের বিবৃতি তুলে ধরে বলা হচ্ছে, সোশ্যাল জায়ান্ট ফ্রি বেসিক ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহারকারীদের উপর মিশর সরকারকে নজরদারির ক্ষমতা দিতে রাজি না হওয়ায় দেশটিতে সেবাটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

দেশটির স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে করে গত অক্টোবরে ফ্রি বেসিকস সার্ভিস চালু করে ফেসবুক। যেটি কমদামের কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরিতে সমর্থন করে। এছাড়া বিনাখরচে কিছু সংখ্যক ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করা যায়।

এরপর সরকার ৩০ ডিসেম্বর সাময়িকভাবে সেবাটি বন্ধ করে দেয় এবং মোবাইল ক্যারিয়ার ইথিসালাত‘কে দুইমাসের জন্য ফ্রি বেসিক সার্ভিস চালানোর অনুমতি প্রদান করে।

যদিও সুত্র সুস্পষ্টকরে বলেনি, মিশর সরকারের কি ধরনের প্রবেশাধিকারের চাওয়া ছিল বা ফেসবুককে কি নীতিমালার কথা বলেছিল।

এ বিষয়ে ফেসবুক মুখপাত্রও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি এবং ইথিসালাতও অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি।
সেইসাথে মিশরের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহামাদ হানিফও বিষয়টি এড়িয়ে গেছে। তবে নজরদারির চাওয়া নিয়ে যে অভিযোগ রয়েছে তার অন্যান্য কারণ তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ সেবাটি গ্রাহকদের বিনামূল্যে ব্যবহারের অফার দেয়া হয়েছিল। তবে জাতীয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী পর্যবেক্ষণে দেখেছে সেবাটি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকারক এবং অন্যান্য প্রতিদ্বন্দীদের জন্যও।

ফেসবুকের এ সেবাটি বিশ্বের ৩৭টি দেশে রয়েছে, যেখানে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সেবা ব্যতীত বিপুল সংখ্যক মানুষ আছে।

বলা হচ্ছে, এটা ফেসবুকের গ্লোবাল স্ট্রেটিজি। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে ফ্রি বেসিকস ভার্সনে বিজ্ঞাপন নিয়ে কাজ করেনা। কিন্তু তাদের লক্ষ্য বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীকে তাদের আওতায় আনা।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, সেবাটি বন্ধের আগে ৩ মিলিয়নের অধিক মিশরীয় এটা ব্যবহার করেছে। যার মধ্যে ১ মিলিয়ন ব্যবহারকারী কখনও ইন্টারনেট ব্যবহার করেনি। বেসকিস ইন্টারনেট সার্ভিস বন্ধ হলেও ফেসবুকের মূল সাইট এবং অ্যাপ এখনও মিশরে প্রাপ্য। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৯০ মিলিয়ন।

ইন্টারনেটের গোপনীয়তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সার্বজনীন এই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান কম-পরিচিত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে এখানে আলাদাভাবে উপস্থাপন করছে। অন্যদিকে নিজেদের নেটওয়ার্কে সরকারের প্রবেশাধিকার প্রত্যাখান করেছে। যার ফলে সেবাটি বন্ধে তারা বাধ্য।

আরো বলা হয়, বিশ্বের সর্বত্র ইন্টারনেটের সাথে যারা সক্রিয় সেখানে ফ্রি বেসিকস শুরু হয়। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ভারত। কিন্তু এটা নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট এবং অনলাইন ব্যবসায় ফ্রি প্রবেশে সমর্থন দেয় যা নেট নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনীয় এবং অন্যদের জন্য অসুবিধাজনক।

এর আগে ভারতের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী নতুন নিয়ম জারি করায় কার্যকরভাবে বন্ধ হয় ফ্রি বেসিকস।

অদ্ভুতুড়ে 1:36 AM

দেশের স্থানীয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড গোল্ডবার্গের প্রধান কার্যালয়ে সার্ভিস সেন্টার (ইয়োর কেয়ার) উদ্বোধন করা হয়েছে।


বুধবার (০৬ এপ্রিল) রাজধানীর কাওরান বাজারে গোল্ডবার্গের নিজস্ব ভবন খানসন্স সেন্টারের সপ্তম তলায় গ্রাহক সেবাকেন্দ্র উদ্বোধন করেন খানসন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান একেএম আজিজুর রহমান খান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গোল্ডবার্গের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবরার রহমান খান, প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ, সার্ভিস বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান, চীনা প্রতিনিধি রোসে দাদা প্রমুখ।

সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন ছাড়াও অনুষ্ঠানে গোল্ডবার্গের নতুন লোগো উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি একেএম আজিজুর রহমান খান বলেন, গোল্ডবার্গ এ মুহূর্তে সারা দেশে ১৪টি ইয়োর কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা দিচ্ছে। এসব সার্ভিস সেন্টারে গ্রাহকরা তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারছেন। চার্জার এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত কোন সমস্যা হলে সাথে সাথে রিপ্লেসমেন্ট এবং সফটওয়ার, স্পিকার, মাইক, এলসিডি টাচ সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মাদারবোর্ডে সমস্যা হলে ঢাকার ভেতরে তিন দিন এবং ঢাকার বাইরে হলে পাঁচ দিনের মধ্যে সমাধান পাওয়া যাবে।  হ্যান্ডসেট কেনার ১৪ দিনের মধ্যে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তবে হ্যান্ডসেট রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা রয়েছে।
এমনকি ওয়ারেন্টি শেষের পরেও শুধুমাত্র পার্সের দাম রেখে বিনামূল্যে সার্ভিস দিচ্ছে গোল্ডবার্গ।

প্রতিষ্ঠানটি এছাড়া জানিয়েছে যে, দেশের ৫০টি কালেকশন পয়েন্ট থেকেও একই ধরণের সেবা এবং ছুটির দিন ছাড়া কল সেন্টার থেকেও সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেবা গ্রহন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

খুব শীঘ্রই ব্র্যান্ডটির নতুন কিছু স্মার্টফোন আসছে বলেও জানানো হয়।

অদ্ভুতুড়ে 6:12 AM

ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপে তাদের বাড়ি। কাদের? দুই কমোডো ড্রাগন আর অবুজ ছাগলটির। প্রগৈতিহাসিক ডায়নোসর যাদের পূর্বপুরুষ তাদের তো পেটপুরে শিকারভোজন মিনিট কয়েকের ব্যাপার মাত্র।  



 
প্রাণিজগতের নৈতিকতা মনুষ্য সমাজের মতো নয়। সেখানে ক্ষুধার্ত শিকার করে পেট ভরাবে এটিই ঠিক। সম্প্রতি দুই কমোডো ড্রাগনের শিকারদৃশ্যের ছবি তুলেছেন রাশিয়ার ফটোগ্রাফার জুলিয়া সান্ডুকোভা। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।


দুই ড্রাগন সহজ আহারের উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলো হয়তো। ছাগলটিকে পেয়ে কম সময়েই উদরপূর্তি করা গেলো।


জুলিয়া জানান, দ্বীপের কমোডো ড্রাগনরা বন্য। কিন্তু অনেকেই এসব ড্রাগনকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এর ফলে এরা মানুষের বসতির কাছাকাছি চলে আসে প্রায়ই। এখানে প্রচুর কমোডো ড্রাগনের বসবাস।


ছাগলটিকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আচরণ বদলে গেলো। তাদের প্রথমে বেশ অলস দেখাচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা শিকারকে বাগে পেয়েছে তখন অলসতা কোথায় যে পালালো! অলসতা রূপান্তরিত হলো বন্যতায়, যোগ করেন জুলিয়া।


দুই শিকারি যখন এতোটাই শক্তিশালী তখন বেচারা সভ্য শান্ত ছাগলটিই আর কী করবে।


শেষমেষ তাকে ভাগাভাগি করে পেটপুরে খেয়ে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালুচরে হাঁটতে নামলো দুই দানব কমোডো ড্রাগন।

অদ্ভুতুড়ে 1:14 AM

১০ তারিখেই চৈত্র বুঝিয়ে দিচ্ছে তার কত ঝাঁঝ। বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ তো এখনো অনেক দূরে। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এতেই অস্থির হলে চলবে না। কারণ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিলে তাপমাত্রা হতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ মাত্রা হবে এপ্রিলে


 
গত ৬ মার্চ প্রকাশিত এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসছে এপ্রিল মাসে দেশের ওপর দিয়ে তিনটি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে প্রচণ্ড গরম পড়তে পারে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এ ছাড়া একটি মৃদু তাপপ্রবাহের জন্য তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। অন্যদিকে আরও একটি মাঝারি তাপপ্রবাহের কারণে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই অনুযায়ী এপ্রিল মাস জুড়ে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠা-নামা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এপ্রিলে গরম যেমন দাপট দেখাবে, তেমনি ঝড়-বৃষ্টি আর নিম্নচাপও থাকবে। বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের যেসব স্থানে গরম পড়বে সেখানে ঝড়-বজ্র বৃষ্টি ও কালবৈশাখী হতে পারে। এ কারণে এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

গরম আর ঝড়-বৃষ্টির দাপট কিন্তু এপ্রিল মাসে থমকে যাবে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গরম পড়লে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে পারে। আবার এক থেকে দুটি নিম্নচাপ ধেয়ে আসতে পারে বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলের দিকে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

পূর্বাভাস আরও বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে স্বাভাবিকের চাইতে দেশে ৩৭ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে মার্চ মাসে বৃষ্টি কমে এসেছে। চলতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়, যা স্বাভাবিকের চাইতে ১১ মিলিমিটার বেশি। কিন্তু আবহাওয়া অধিদপ্তরে সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ২৩ মার্চ পর্যন্ত স্বাভাবিকের চাইতে ৫০ ভাগ কম বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, মার্চ মাসে বৃষ্টি কম হওয়ায় গরম বাড়ছে। বাংলাদেশে এপ্রিল ও মে মাস উষ্ণতম মাস। তবে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে গরম কমে আসবে।

এদিকে গতকাল বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফরিদপুরে ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা রাজধানী ঢাকায় ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দেশের সাতটি বিভাগের মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে ২৯ মিলিমিটার। এ ছাড়া সন্দ্বীপ ও সীতাকুণ্ডে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 12:51 AM

অ্যাপস ডেভেলপারস থেকে শুরু করে মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ নির্মাতারা ভবিষ্যতের স্মার্টফোনকে একটি ডিজিটাল খাপবিহীন ছুরিতে পরিণত করছে। যে ছুরি মোটামোটি সবকিছুই করতে পারে। 


স্মার্টফোন যখন মাইক্রোস্কোপ! ভিডিও সহ


মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে (এমডব্লিউসি) নতুন একটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বৈজ্ঞানিক গবেষণা শেষে এমন একটি ডিভাইস প্রদর্শন করেছে যা স্মার্টফোনকে মাইক্রোস্কোপ বানিয়ে দিতে পারে। নতুন এই ডিভাইসের নাম নুরোগো মাইক্রো।

নুরোগো মাইক্রো আপনি সহজেই আপনার আইফোন বা স্যামসাং স্মার্টফোনের সাথে সংযুক্ত করে নিতে পারবেন। এই ডিভাইস দিয়ে আপনি ৪০০ গুণ পর্যন্ত জুম করতে পারবেন। আর সহজেই রাখতে পারবেন নিজের পকেটে। শুধু ছবি তোলা বা দেখা নয়, এই ডিভাইস দিয়ে আপনি ভিডিও চিত্রও ধারণ করতে পারবেন।

এই ডিভাইসটির ওজন মাত্র .১৪ আউন্স এবং এটি .৫ সেন্টিমিটার পাতলা। এই ডিভাইসকে পরিচালনা করতে কোন ব্যাটারি প্রয়োজন হয় না। প্লাগ অ্যান্ড প্লে। এলইডি ক্যামেরা ফ্ল্যাশকে ব্যবহার করে এই  মাইক্রোস্কোপকে কাজে লাগানো যায়। যে বস্তুর ওপর মাইক্রোস্কোপ লাগানো স্মার্টফোনের ক্যামেরা ধরা হবে সেই বস্তুর ছবি মোবাইলের ডিসপ্লেতে দেখা যাবে। এবং এক্ষেত্রে মোবাইলের জুম ও ব্যবহার করা যাবে।

নুরোগো মাইক্রোর মূল্য ৩৯ ডলার। ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া বাংলাদেশী টাকায় ৩ হাজার ১২০ টাকা। 


অদ্ভুতুড়ে 12:16 AM

রহস্য ফাঁস হলো বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল এর। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশেষ অঞ্চল। অঞ্চলটিকে বিশেষ বলার কারণ, এই অঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী অনেক জাহাজ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। শুধু জাহাজ নয়, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া অনেক উড়োজাহাজও হারিয়ে গেছে চিরতরে। এমনকী খুঁজে পাওয়া যায় না সেগুলোর ধ্বংসাবশেষও।

অবশেষে রহস্য ফাঁস হলো বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল এর


রহস্য ফাঁস হলো বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল এরকিন্তু কি কারণে এমনটি হয় তা সাধারণ মানুষতো দূরে থাক, যুগ যুগ ধরে বিশ্বের বাঘা বাঘা বিজ্ঞানিরাও গবেষণা করে সেই রহস্যের সমাধান করতে পারেননি। এজন্যই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল অঞ্চলটি শয়তানের ত্রিভূজ নামেও পরিচিত।

সম্প্রতি এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর রহস্যের জট খুলেছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল সমুদ্রের  তলদেশে কয়েকটি বিশাল আগ্নেয়গিরি রয়েছে। সেগুলোর জ্বালামুখ অনবরত নির্গত হচ্ছে বিষাক্ত মিথেন গ্যাস। এছাড়াও নির্গত হচ্ছে প্রচণ্ড উত্তপ্ত অন্যান্য গ্যাসও।  আর এ কারণেই ওই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল অঞ্চলে সামুদ্রিক প্রাণীদের পক্ষেও বেঁচে থাকা সম্ভব হয় না। সেই মিথেন গ্যাসই সমুদ্রের তলদেশ থেকে উঠে এসে পানির ওপর বুদবুদ তৈরি করে। গ্যাসের প্রভাবে চারপাশ ঢেকে যায় বলে জাহাজের নাবিকের পক্ষে কিছুই দেখা সম্ভব হয় না। এমনকী এই গ্যাসের কারণে কম্পিউটারের নেভিগেশন ব্যবস্থাও বিকল হয়ে হয়ে পড়ে। ফলে পথ হারিয়ে ফেলেন জাহাজের নাবিক।  একই প্রভাব পড়ে বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল এর ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানেও।

নরওয়ের আর্কটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি নরওয়ের উপকূলে ব্যারেন্টস সাগরের তলদেশে এসব সুবিশাল আগ্নেয়গিরির সন্ধান পেয়েছেন।  তারা জানান, এসব আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস সমুদ্রের পানির অন্তত ১৫০ ফুট ওপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। শুধুই সমুদ্রের তলদেশে থাকা আগ্নেয়গিরি থেকে  প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উঠে আসছে, তা নয়। সমুদ্রের তলদেশে শক্ত বরফ হিসেবে প্রচুর পরিমাণ মিথেন। আগ্নেয়গিরির লাভাস্রোতের উত্তাপে তা গ্যাসে পরিণত হয়ে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। আর এই নির্গত মিথেন গ্যাসের কারণেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এ যুগ যুগ ধরে ঘটছে যাবতীয় দুর্ঘটনা।
অবশেষে রহস্য ফাঁস হলো বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল এর


অঞ্চলটিকে বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল বা শয়তানের ত্রিভূজ বলার কারণ : অতীতে আন্টালিক মহাসাগরের যে সকল অঞ্চলে রহস্যজনকভাবে জাহাজ বা বিমান নিখোঁজ হয়েছে সেগুলো হল পুয়ের্তো রিকো, মিয়ামি আর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। এই তিনটি অঞ্চলগুলোকে অদৃশ্য রেখা দিয়ে সংযুক্ত করলে, তা দেখতে ত্রিভুজ বা ট্র্যায়াঙ্গেলের মতো মনে হয়।

অদ্ভুতুড়ে 11:22 PM

সিনেমার মতো। তবে সব চরিত্র কাল্পনিক নয়! সালটা ১৯৮৫। কলম্বিয়ার আর্মারোতে বেড়ে উঠছিল দুই বোন। এক জনের বয়স তিন। অন্য জনের নয়। কিন্তু সব কিছু ওলোট-পালট হয়ে গেল ১৩ নভেম্বর। কী হয়েছিল সে দিন? ৬৯ বছর ঘুমিয়ে থাকার পরে জেগে উঠেছিল কলম্বিয়ার আগ্নেয়গিরি নেভাদো দেল রুইজ স্টার্টোভলক্যানো। গলগল করে বেরিয়ে আসা লাভার উত্তাপে গলে গিয়েছিল হিমবাহ। 


হারানো দুই বোনের ফের খুঁজে পাওয়া ফেসবুক এর মাধ্যমে

আর তার সঙ্গেই পাহাড়ের গা বেয়ে মাটিধস। ওই আগ্নেয়গিরির পাদদেশে ছিল ছোট্ট শহর আর্মারো। ওই মাটিধসের তোড়েই ভেসে গিয়েছিল ছোট্ট আর্মারো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জনবসতি ছিল প্রায় ২৯ হাজার লোকের। আর মারা গিয়েছিলেন ২২ হাজারেরও বেশি। সেই বিপর্যয়েই ছাড়াছাড়ি জ্যাকলিন আর লরেনার।

দশ নয়, কুড়ি নয়, মাঝে কেটেছে তিন দশক। দুই বোন জ্যাকলিন আর লরেনা স্যানচে়জ ছিল কলম্বিয়ার দুই প্রান্তে। কারও সঙ্গে কারও যোগাযোগ ছিল না। থাকবেই বা কী করে! তত দিনে বদলে গিয়েছিল দু’জনেরই ঠিকানা। এমনকী মা-বাবাও। দু’জনকেই দত্তক নিয়েছিল দু’টি আলাদা পরিবার।

সময় যেমন থেমে থাকে না, থেমে থাকেনি তাদের জীবনও। তবে দু’জনের খোঁজে দু’জনেই হন্যে হয়ে ঘুরত। কে জানত, আবার দেখাও হয়ে যাবে ত্রিশ বছর পরে!

আশা ছিল হয়তো দেখা হবে। আর তাই হলো। পরিবারের খোঁজে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন লরেনা। আর সেই পোস্ট দেখেই এগিয়ে এলেন জ্যাকলিন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে ওই ভিডিও খুঁজে পান জ্যাকলিন। ‘‘এই ক’দিনে আমি অনেক বার ভিডিওটা দেখেছি। আর প্রত্যেক বার চেঁচিয়ে উঠেছি, ওই তো আমার বোন!’’-সংবাদসংস্থাকে বলছিলেন জ্যাকলিন। তবে আশার সঙ্গে ছিল ভয়। জ্যাকলিনের কথায়, ‘‘খুব উত্তেজিত ছিলাম, ভয়ও পাচ্ছিলাম। হঠাত্ খুঁজে পেলেও যদি আমাকে সে না মেনে নেয়। কিছুই বলা যায় না।’’

আর্মারো দুর্ঘটনায় স্বজনহারানো পরিবারদের জন্যই একটি উদ্যোগ নিয়েছিল ‘আর্মান্ডো আর্মারো ফাউন্ডেশন’। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যেই এগিয়েছিল সেই উদ্যোগ। লরেনা আর জ্যাকলিন পরস্পরকে খুঁজে পাওয়ার পরে তাদের ডিএনএ পরীক্ষারও দায়িত্ব নেয় ওই সংস্থা। ২১ ফেব্রুয়ারি তাদের সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যায়।

ত্রিশ বছরে জ্যাকলিন ও লরেনার জীবন পাল্টে গিয়েছে অনেকটাই। জ্যাকলিনের দুই ছেলে-মেয়ে। লরেনা এক মেয়ের মা। জ্যাকলিনের ঠিকানা এখন বোগোটা। লরেন থাকেন কলম্বিয়ার আর এক শহরে। তবে তাদের বাবা-মায়ের খোঁজ মেলেনি।

বোনকে ফিরে পেয়ে গলা বুজে আসে ৩৯ বছরের জ্যাকলিনের। ‘‘এই মুহূর্তটিকে ভাষায় ব্যক্ত করা খুব কঠিন। খুব আনন্দ হচ্ছে, আবার ভয়ও। কে জানে ও আমাকে ভালোবাসবে কি না!’’ একই সুর বোন লরেনার গলাতেও- ‘‘৩০ বছর পরে বোনের খোঁজ পেলাম। এই মুহূর্তটা খুব সুন্দর আবার দুঃখেরও বটে!’’

৩০ বছর বয়স বেড়েছে দু’বোনের। বড় হয়েছেন দু’টি আলাদা পরিবারে, আলাদা ভাবে। পরস্পরকে কি  মানিয়ে নিতে পারবেন? ফিরে যেতে পারবেন তিন দশক আগের সেই ছোটবেলায়? সংশয় থাকছেই। তবে খুঁজে পাওয়ার এই মুহূর্তটা আনন্দের। মুখে স্মিত হাসি। শক্ত করে ধরা হাত। চেনা এই ছোঁয়াকেই ৩০ বছর ধরে খুঁজছিলেন দুই সহোদরা।   – সংবাদমাধ্যম

অদ্ভুতুড়ে 1:17 AM
শূন্য ছাড়া নয়টি অংককে ধারাবাহিক বসাই। এই যেমন : ১২৩৪৫৬৭৮৯। এবার এদের মধ্যে কেবল যোগ (+) আর বিয়োগ (-) চিহ্ন এমনভাবে বসাই যেন ফলাফল হয় ১০০।
যেমন ধরি, ১ + ২ + ৩ - ৪ + ৫ + ৬ + ৭৮ + ৯ = ১০০। এরকম ঠিক কত উপায়ে আপনি ১০০ পেতে পারেন?
সুযোগ পেলেই ইন্টারনেট ঘাঁটা আমার বদাভ্যাস। তবে এমন অভ্যাসের সুবাদেই অংক নিয়ে মজার এই হিসেবটা শিখেছি। তারপর থেকেই ভাবছিলাম, কিশোর বন্ধুদের কাছে এ নিয়ে গল্প করব, অবশ্যই লেখার মধ্য দিয়ে। বিস্ময়কর, রোমাঞ্চকর কিছু জানলেই লিখতে ইচ্ছে করে- আমার যত অর্থহীন অভ্যাস, এটা তার একটা।
একদিন পড়ন্ত বিকেলে দৈনিক সমকাল থেকে বাসায় ফেরার সময় বিজয় স্মরণী উড়ালসেতু দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। আর ভাবছিলাম, নয়টা অংক দিয়ে যোগ-বিয়োগের মাধ্যমে ১০০ বানানোর খেলাটা। বিজয় স্মরণী পুলিশ বাক্সের ওখানে এসে শরীরটা জুড়ানোর জন্য বসে পড়লাম রাস্তার ধারে। তখনই মনে হলো, আচ্ছা সুমনকে তো খেলাটার কথা জানাতে হয়। ও পারে নাকি, জানা যাক।
ইনজামামুল হক সুমন আমার ছোট ভাই। বিজ্ঞানের ছাত্র। আমাদের বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার মোবাইলটা ও ব্যবহার করে। পুলিশ বাক্সের পাশে বসে বাবার নাম্বারে একটা খুদে বার্তা পাঠালাম, ইংরেজিতে। কিছুক্ষণ পরেই সুমনের ফোন, ‘দাদা, এসএমএসটা পেলাম। কিন্তু...’
বুঝলাম, ব্যাপারটা ও বোঝেনি। আমি উপরের উদাহরণটা ওকে লিখে পাঠালাম। এরপর সুমন আবার ফোন দিল, ‘এবার বুঝেছি। আমি দেখছি পারি নাকি।’
পারলে যে ওকে পুরস্কার দিতে চেয়েছি, সেটা সুমন এড়িয়ে গেল, ও বড়ই লাজুক। কিন্তু মাকে ঠিকই বলে রাখল, কমপক্ষে আরো ১০টা সম্ভাব্য সমাধান নাকি হতে পারে এই ধাঁধাটার। দেখি কয়টা পুরস্কার পাই! আসলে পুরস্কার কে না চাই বলুন?
মিনিট কয়েকের মধ্যেই সুমনের এসএমএস,
‘১ + ২ + ৩৪ - ৫ + ৬৭ - ৮ + ৯ = ১০০’।
হিসেব করে দেখ, একদম ঠিক।
আমি রিপ্লাই দিলাম, ‘কারেক্ট! দেখি আরো পারো নাকি।’
এই ফাঁকে একই ভাবে আফিফার সঙ্গেও খেলাটা আমি এসএমএস-এ খেলতে শুরু করেছি। আফিফা খাতুন আমাদের বিজ্ঞান সংগঠন আকিমুদ্দিন গ্রন্থাগারের একজন বিজ্ঞানকর্মী। বিজ্ঞানের ছাত্রী। সেও ক্ষণিকের মধ্যেই এসএমএস করল,
‘১ + ২৩ - ৪ + ৫৬ + ৭ + ৮ + ৯ = ১০০’।
সত্যি তো! ভুলচুক হয়নি এটুকু। আপনি মিলিয়ে নিতে পারেন।
কিছুক্ষণ বাদেই আমার ইনবক্সে সুমনের আরেকটি এসএমএস,
‘১ + ২৩ - ৪ + ৫ + ৬ + ৭৮ - ৯ = ১০০’।
উত্তর দিলাম, ‘দারুণ। আরো চেষ্টা করো।’
অল্পক্ষণ পরেই আফিফার এসএমএস,
‘১২ + ৩ - ৪ + ৫ + ৬৭ + ৮ + ৯ = ১০০’।
‘পাক্কা! পরেরটা কী হবে?’ উৎসাহ দিলাম আফিফাকে।
আমাকে আরেকটা বাড়তি কাজ করতে হচ্ছিল: সুমন যেটা উত্তর পাঠায়, সেটা আমি সঙ্গে সঙ্গে আফিফাকে জানিয়ে দিচ্ছি। আবার আফিফা যে সমাধানটা করে তার খবর সুমনকে জানাচ্ছি। আমি ঠিক জানি না, চাঁপাই নবাবগঞ্জে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরত্বে দুই ঘরে বসে ওরা দুজন কি পাল্লাপাল্লি দিচ্ছিল কিনা! হতেও পারে, সবাই নাকি প্রথম হতে চাই। খেলার এই মুহূর্তে ২-২ গোলে জমে উঠেছে। আমি তখন শেওড়াপাড়া পৌঁছে গেছি, পায়ে হেঁটেই। টানটান ম্যাচে বাসে চাপার সময় পেলাম কই!
বাসায় ঢুকার আগে শিশু সাহিত্যিক ইমন চৌধুরী ও কার্টুনিস্ট কাওছার মাহমুদের সঙ্গে প্রতিদিনই নিয়ম করে রিফাতের দোকানে চা খাই। সময় কাটানোর জন্য এই একটা বদ খাদ্যাভ্যাস আছে আমার। সেদিনও ব্যতিক্রম হয়নি। চায়ে চুমুক দিতেই আরেকবার ইনবক্সে ঢুকতে হলো। গোলে সুমনের তৃতীয় শট : ‘১২৩ - ৪ - ৫ - ৬ - ৭ + ৮ - ৯ = ১০০’।
না, অফসাইড তো হয়নি। শতভাগ নিখুঁত গোল!
শোধ করতে সময় নিল না আফিফা। বাসায় ঢুকার আগেই আমার ইনবক্সে ঢুকল তার আরেকটা এসএমএস, ‘১২ - ৩ - ৪ + ৫ - ৬ + ৭ + ৮৯ = ১০০’।
ওইরাতে আর কোনো এসএমএস পাইনি। পরের দিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখি, চারটা এসএমএস। দুটো সুমনের, দুটো আফিফার। কাকতালীয় এবং রহস্যজনক, কিন্তু সত্যি- দুজনের দুটো এসএমএস প্রায় একই!
একটা সমাধান ছিল:
‘১২৩ + ৪৫ - ৬৭ + ৮ - ৯ = ১০০’।
আরেকটা ছিল এরকম:
‘১২৩ - ৪৫ - ৬৭ + ৮৯ = ১০০’।
দুজনকেই ফোন করে অভিনন্দন জানালাম। সুমনের সঙ্গে কথা বলার সময় শুনতে পেলাম মায়ের কণ্ঠ: ‘রাতেই একটা উত্তর মিলিয়েছিল ও। ঘুমিয়ে গেছিস মনে করে এসএমএস দেয়নি।’
সব মিলিয়ে সুমন পাঁচ পাঁচটা উপহারের দাবিদার। কয়েকদিন পর বাড়ি যাওয়ার সময় ওর পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছি।
ও হ্যাঁ, আমাদের খেলাটা কিন্তু এখনও শেষ হয়নি। ১০০ মেলানোর কমপক্ষে আরো দুটো পথ আছে। একটা হলো:
১২ + ৩ + ৪ + ৫ - ৬ - ৭ + ৮৯ = ১০০।

আরেকটা হচ্ছে-
১২৩ + ৪ - ৫ + ৬৭ - ৮৯ = ১০০।
আপনিও নিশ্চয়ই চেষ্টা করেছেন। যদি এই এগারটি উত্তরের সঙ্গে আপনার উত্তর মিলে যায়, তাহলে তো অভিনন্দন।
ভালো কথা, এই এগারটির সঙ্গে উত্তর না মিললে এবং উত্তরটা যদি অবশ্যই সঠিক হয়, তাহলে অন্তত আরেকটি উত্তর রয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 1:15 AM
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং শিক্ষা বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘আওয়ার অব কোড’। শনিবার ছিল এ আয়োজনের ষষ্ঠ দিন। দেশের তরুণদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতেই এই আয়োজন।

রাজধানীর ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার থেকে কোডারসট্রাস্টের আয়োজনে শুরু হয়েছে এই অনুষ্ঠান। চলবে রোববার পর্যন্ত।  
প্রোগ্রামিং শেখার এ অনুষ্ঠানটি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ মোট ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে। এছাড়া বিডি জবস ও জাগো ফাউন্ডেশনেও চলছে অনুষ্ঠান।

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ২৫০জন, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটিতে ১৬০ জন, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী কোডিং শেখার এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে।
কোডারসট্রাস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন-কায়ো ফেবিগ বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি আকৃষ্ট করতে আমাদের এ আয়োজন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। আমি মনে করি শুধু প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য নয়, যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে প্রোগ্রামিং দক্ষতা দরকারি। তাই শিক্ষার্থীদের শুরু থেকেই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং চর্চা করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপি প্রোগ্রামিং শেখার এ আয়োজন আগামী রোববার পর্যন্ত চলবে। সহযোগী হিসেবে রয়েছে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ।
‘আওয়ার অব কোড’ সবার জন্য উন্মুক্ত। এতে অংশ নিতে (www.coderstrust.com/hourofcode) ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এখানে আওয়ার কোড অনুষ্ঠানের স্থান ও অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানা যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 1:13 AM
আইফোন যাত্রা করে মাত্র ২ মেগাপিক্সলের ক্যামেরা দিয়ে। বর্তমান সিক্সএস ও সিক্সএস প্লাস ডিভাইসে তা দাঁড়িয়েছে ১২ মেগাপিক্সলে। আর এ ক্যামেরার জন্য রয়েছে দারুণ দারুণ সব অ্যাপ। অ্যাপ মার্কেটে যাদের প্রভাব কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকল্পনীয়।
তালিকা বানাতে গেলে এ ধরনের অ্যাপের নাম আসবে শ’খানেক। সেখান থেকে জেনে নিন ৭ প্রভাবশালী অ্যাপের কথা—
৭. গুগল ফটোস : আইফোনের জন্য অনেক ধরনের ফটো অ্যাপস আছে। নানা বিবেচনায় গুগল ফটোস অনন্য। এটি দিচ্ছে ফটো ও ভিডিওর জন্য আনলিমিটেড স্টোরেজ সুবিধা। ফটোর আকার নিয়ে খুঁতখুঁতে হলেও আয়তন কমিয়ে দেয় না। যা অন্যান্য ক্লাউড সার্ভিস বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পাবেন না। এর বড় জাদু হলো সার্চ টেকনোলজি। ইভেন্ট, ইভেন্টের বিষয় ও চেহারা অনুযায়ী ছবি সাজাতে পারবেন। এ ছাড়া এর ফটো স্ক্রলিং ও সিলেকশন টুলস আইফোনের নিজস্ব ফটো অ্যাপসকে লজ্জা দেবে।
৬. পিক স্টিচ : ফটো কোলাজের জন্য দারুণ এক অ্যাপস পিক স্টিচ। এতে রয়েছে কয়েক ডজন লে আউট অপশন, কাস্টম বর্ডার, ফিল্টার ও অন্যান্য ইফেক্ট সুবিধা। অবশ্য আজকাল ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য কিছু অ্যাপসে এ ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়। তারপর নিজের জায়গায় অনন্য পিক স্টিচ।
৫. ভিএসসিও : ভিএসসিও ক্যাম অ্যাপটি আসে ২০১২ সালে। এতে আছে প্রিসেটস ও এডিটিং কন্ট্রোল অপশন। যার কারণে আইফোনে তোলা ছবিকে মনে হবে ফিল্মে শুট করা। নবিসদের তোলা ছবিতেও দেয় পেশাদারের গভীরতা। এটি আইফোনে ব্যবহৃত সর্বোচ্চ অ্যাপগুলোর একটি। ইনস্টাগ্রামে ৭ কোটির বেশি ভিএসসিও ট্যাগ রয়েছে।
৪. হাইপারল্যাপস : ভিডিওকে স্পিডি করার দারুণ এক অ্যাপ হাইপারল্যাপস। এটা অ্যালগারিদম ভিত্তিক অ্যাপ। ফলে আইফোনের ডেটা বিচার করতে পারে সহজে। ছবির অ্যাঙ্গেল ধরে ভিডিও সাজায়। শ্যাকি ফ্রেমগুলো মুছে দেয়। সিনেমাটিক ভিডিওগুলোকে মনে হবে অনেক দামি গিয়ারে ধারণ করা হয়েছে।
৩. ক্যামেরা+ : আইফোনে থাকা অ্যাপলের ডিফল্ট অ্যাপগুলো বেশ কাজের। তবে অনেক ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি অ্যাপ দেবে দারুণ অভিজ্ঞতা। তার একটি হলো ‘ক্যামেরা+’। ২০১০ সালে অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়। কারণ এর মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী আইফোনের ভলিউম বাটনকে ফিজিক্যাল ক্যামেরা শাটারে রূপান্তর করেন। পরে অ্যাপল নিজেই আইওএস ফাইভে একে ডিফল্ট ক্যামেরা অ্যাপ হিসেবে যোগ করে।
২. হিপস্টামেটিক : অনেকে মনে করেন হিপস্টামেটিক ক্যামেরা ফিল্টার ছাড়া ইনস্টাগ্রাম হয় না। এর মাধ্যমে স্কয়ার আকারে ছবি তোলা যায়। তাতে অনেকগুলো সফটওয়ার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ইফেক্ট ব্যবহার করা যায়। যাতে থাকে লেন্স, ফিল্ম বা ফ্ল্যাশের ছাপ।
১. ইনস্টাগ্রাম : এর মতো প্রভাবশালী অ্যাপ আইফোনে এখনো পাওয়া যায়নি। খুব সাধারণ এ অ্যাপ দেয় ফটো ফিল্টারের দারুণ সুবিধা। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারে এর জুড়ি নেই।

অদ্ভুতুড়ে 1:11 AM
গোপনীয় অনেক বিষয় আছে যেগুলো প্রকৃত নাম প্রকাশ না করে ব্যক্তিদের কাছে শেয়ার করতে চান ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। কিন্তু এতদিন ফেসবুক নীতিতে আসল নাম ছাড়ায় ওই সমস্যার কথা শেয়ার করা যেত না।
এ ব্যাপারে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ওঠা প্রতিবাদের কারণে তাদের ‘রিয়েল নেম পলিসি’ সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। পাশাপাশি ভুয়া নামে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজে দেবে এ নীতি।
মঙ্গলবার ফেসবুকের নিজস্ব সাইটে বলা হয়েছে, আমরা একটি নতুন টুল ব্যবহার করতে যাচ্ছি- যেখানে একজন ব্যক্তি নিজেদের আসল নাম গোপন রেখে ‘বিশেষ অবস্থা’ শেয়ার করতে পারবেন।
যারা গৃহস্থালীতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিংবা যৌন হয়রানির মুখে রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে নিয়ে এ টুল যুক্ত করা হচ্ছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, যদিও আসল নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালেও তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, আসলের পরিবর্তে বন্ধু ও পরিবারের চেনে এমন নাম ব্যবহার আবশ্যক করেছি আমরা। লোকজন এমন নাম ব্যবহার করবেন যেটা তারা চেনেন। নামটি অবশ্যই বেশি শব্দের হতে হবে। কারণ ফেসবুক বিষয়টি বেশ জবাবদিহিতার বিষয় হিসেবে নিয়েছে। আমরা এ নীতির প্রতি বেশ দৃঢ়। এটা পরিবর্তন হবে না।
ফেসবুক জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে শুনানির পর আমরা অনুমতি দিয়েছি যে নীতিটি সবার জন্য বিশেষত যারা নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার এমন সম্প্রদায়ের লোকদের উপকারে আসবে।
কোম্পানি আরো জানিয়েছে, নতুন এ টুলটি ভুয়া নামে ফেসবুক ব্যবহারকারীকে রিপোর্ট করবে এবং কোনো নামের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে তাদেরকে তথ্য সরবরাহ করবে।
ফেসবুক জানিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার ভুয়া নামের রিপোর্ট আসে।
কোম্পানিটি বলছে, আগে ভুয়া নামের বিষয়ে রিপোর্ট করা বেশ সহজ ছিল। কিন্তু এখন এ জন্য তাদের কয়েকটি ধাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। রিপোর্টে অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

অদ্ভুতুড়ে 1:09 AM
এক বছরে মানুষের ভালো-খারাপ বিভিন্ন রকম স্মৃতি থাকে। ফেসবুকে এগুলো শেয়ারও করছে ব্যবহারকারীরা। এবার ব্যবহারকারীদের সেই খারাপ স্মৃতিগুলো মুছে দিতে এগিয়ে এসেছে ফেসবুক।
আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও ফেসবুক নিয়ে এসেছে ইয়ার রিভিউ। গত এক বছরে ব্যবহারকারীরা যা যা শেয়ার করেছেন, তারই একটা ‘ডাউন দ্য মেমরি লেন জার্নি’।
তবে এবার এই স্মৃতির ডায়েরিতে খানিক পরিবর্তন এনেছে ফেসবুক। কোনো মুহূর্ত আপনি শেয়ার করবেন, কোনটা করবেন না, এতদিন এর সবকিছুই ঠিক করে দিত ফেসবুক নিজে। এবার সেই বাছাইয়ের দায়িত্ব আপনার হাতে।
সম্প্রতি ফেসবুকে যুক্ত করা নতুন টুলের মাধ্যমে আপনি আপনার সারা বছরের শেয়ারগুলো একসঙ্গে পেতে পারেন। এরমধ্য থেকে কোনগুলো আপনার পছন্দ তা বাছাই করার সুযোগ আপনি পাবেন। আপনার ফেসবুক একাউন্টে থাকা ছবি বা স্ট্যাটাস  দেখে, জেনে, পড়ে আপনি কোনটা আপনার বার্ষিক স্মৃতিতে (মেমোরিতে) রাখতে চান তা করতে পারবেন।
কোনো ছাঁকনির ব্যবস্থা না থাকায় গত বছর ফেসবুকের এই অ্যাপ নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছিল। ইউজার না চাইতেও এমন কিছু মুহূর্ত বছর শেষের স্মৃতি অ্যালবামে জমা পড়ত, যেগুলো অনেকেই ভুলতে চান। ইউজারদের অভিযোগ ছিল, রিভিউ করার নামে খুঁচিয়ে ঘা বাড়াচ্ছে ফেসবুক।
এই বছর তাই আর বিতর্কের পথ মাড়ায়নি এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। কোন স্মৃতি রাখবেন, কোনটা নয় তার দায়িত্ব এখন থেকে আপনারই। ইচ্ছামত এডিট করে নিলেই হলো। ব্যস, খারাপ মুহূর্ত হাওয়া!

অদ্ভুতুড়ে 9:47 PM
রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন দীর্ঘক্ষণ সচল রাখার জন্য চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকিটেল তৈরি করলে শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন।ফোনটির মডেল কে৬০০০। ফোনটিতে আছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের ব্যাটারি। এর আগে অকিটেল ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারির একটি ফোন বাজারে ছাড়ে।

গিজমো চায়না জানিয়েছে
, অকিটেলের নতুন এই ফোনটির ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হলে টানা ৪০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে। অন্যদিকে এটি দিয়ে একটানা ৪৬ ঘণ্টা গান শোনা যাবে। এই ফোনটিতে ফাস্ট চার্জি প্রযুক্তি রয়েছে।

ফোনটি মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিলে ২ ঘণ্টা কথা বলা যাবে। এটিতে রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি আছে। ফলে এটি দিয়ে অন্যফোনেও চার্জ দেয়া যাবে।ফোনটির কনফিগারেশন ও দরদাম সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন দীর্ঘক্ষণ সচল রাখার জন্য চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকিটেল তৈরি করলে শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন।ফোনটির মডেল কে৬০০০। ফোনটিতে আছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের ব্যাটারি। এর আগে অকিটেল ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারির একটি ফোন বাজারে ছাড়ে।
গিজমো চায়না জানিয়েছে, অকিটেলের নতুন এই ফোনটির ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হলে টানা ৪০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে। অন্যদিকে এটি দিয়ে একটানা ৪৬ ঘণ্টা গান শোনা যাবে। এই ফোনটিতে ফাস্ট চার্জি প্রযুক্তি রয়েছে।
<a href='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/ck.php?n=ae55f451&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/avw.php?zoneid=2&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=ae55f451' border='0' alt=''/></a>
ফোনটি মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিলে ২ ঘণ্টা কথা বলা যাবে। এটিতে রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি আছে। ফলে এটি দিয়ে অন্যফোনেও চার্জ দেয়া যাবে।ফোনটির কনফিগারেশন ও দরদাম সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/296937#sthash.Zy7yeEhj.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:43 PM
কম্পিউটারে ইউএসবি স্টিক সংযোগ থেকে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সংক্রমণ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা ডেটা মুছে যাওয়ার ঘটনা দেখলেই যেখানে ব্যবহারকারীরা আঁতকে উঠেন, সেখানে যদি কম্পিউটার আক্ষরিক অর্থেই নষ্ট হয়ে যায় তো কথাই নেই! এমনই এক ইউএসবি স্টিক বানিয়েছেন ‘ডার্ক পার্পল’ ছদ্মনাম ব্যবহারকারী এক রুশ সাইবার নিরাপত্তা গবেষক।

‘ইউএসবি কিলার’ নামের ওই ডিভাইসটি দেখতে একটি সাধারণ ইউএসবি স্টিকের মতোই। কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্ট দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ পাঠায়। আর এতেই নষ্ট হয়ে যায় কম্পিউটার।

‘ইউএসবি কিলার’ ইউএসবি পোর্ট আছে এমন যে কোনো ডিভাইস নষ্ট করে দিতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন ‘ডার্ক পার্পল’। এর কারিগরী বিবরণ এখনও অস্পষ্ট রাখা হলেও প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল জানিয়েছে,  ইউএসবি পোর্ট দিয়ে ‘মাইনাস ২২০ ভোল্ট’ চার্জ পাঠায়।

চলতি বছর মার্চে এই ডিভাইসটির সম্পর্কে প্রথম জানিয়েছিলেন ‘ডার্ক পার্পল’।

বাজারে এই ডিভাইসটির উপস্থিতি থাকলে যে কোনো অপরিচিত ব্যক্তির ইউএসবি স্টিক ব্যবহার করার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে ম্যাশএবল ডটকম।

অদ্ভুতুড়ে 9:40 PM
কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।

তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।

এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!

আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।

কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।
তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।
এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!
আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/301314#sthash.Z4dc2vVk.dpuf
কোনো বন্ধুর ফেসবুক প্রোফাইলে ঢুকে তার বন্ধুদের খোঁজ পেতে গিয়ে অনেকেই দেখেন শুধু দেখা যাচ্ছে ‘মিউচুয়াল ফ্রেন্ডস’-দের তালিকা। কেননা আপনার বন্ধুটি তার পুরো বন্ধুর তালিকা সকলের কাছ থেকে আড়াল করে রেখেছেন।
তবে আপনি চাইলে ফেসবুকে বন্ধুদের লুকানো ফ্রেন্ড লিস্ট সহজেই দেখে নিতে পারবেন। এজন্য কেবলমাত্র আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ‘Facebook Friends Mapper’ নামক একটি বিনা মূল্যের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে হবে। এই এক্সটেনশনটি আপনাকে জানিয়ে দেবে বন্ধুদের গোপন করা বন্ধুদের তালিকা।
এজন্য প্রথমেই চলে যান ক্রোমের ওয়েব স্টোরে (https://chrome.google.com/webstore)। ইনস্টল করুন Facebook Friends Mapper এক্সটেনশনটি। যে বন্ধুর গোপন ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টটি আপনি দেখতে চান, তার প্রোফাইলটি খুলুন। এখন আপনি ফ্রেন্ডস ট্যাবে দেখতে পাবেন ‘Reveal Friends’ অপশনটি। এবার ক্লিক করুন তাতে আর দেখে নিন ফ্রেন্ড লিস্ট!
আপনি যার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে চাইছেন তিনি আপনার বন্ধুর তালিকায় না থাকলেও কিছু যাবে আসবে না। তার কোনো একজন বন্ধু আপনার বন্ধু হলেই হবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/301314#sthash.Z4dc2vVk.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:38 PM
মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!

True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।

Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।

Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন!

অদ্ভুতুড়ে 9:35 PM


দুবাইয়ের আকাশে জলজ্যান্ত দু’জন মানুষ পাখির মত জাদুর ডানায় আকাশে উড়ছে। শুধু উড়েই ক্ষান্ত হয়নি এরা। উড়ন্ত বিমানের সঙ্গে টেক্কাও দিয়েছে।

কখনো বিমানের সমান তালে কখনো বিমানকে পাশ কাটিয়ে সাঁই সাঁই করে উড়ে গেছে। কোনো কাল্পনিক ঘটনা নয়, সত্যিকার অর্থেই এমনটা ঘটেছে।

এই উড়ুক্কু মানব হলেন ওয়াইভস রসি এবং ভিন্চ। ওয়াইভস পেশায় বৈমানিক। অন্যদিকে তার বন্ধু রসি প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে ভূমিতে লাফ দিতে সিদ্ধহস্ত। এই দুইবন্ধু আকাশে ওড়ার অত্যাধুনিক জেটপ্যাক দিয়ে দুবাইয়ের আকাশে পাল্লা দিলেন এমিরেটসের এ৩৮০ জাম্বো জেট বিমানকে।

তাদের আকাশে ওড়ার এই অভূতপূর্ব দৃশ্য হেলিকপ্টারের সাহায্যে ধারণ করা হয় ১৫০০ ফিট ওপর থেকে। এই ভিডিওটি বাণিজ্যিকভাবে ইউটিউবে ছাড়া হয় গত বুধবারে।

আকাশে করা এই স্ট্যানটি জেটম্যান দুবাই ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের যৌথ পরিকল্পনায় সম্পন্ন হয়। দু’দিনে ৩৮ লাখ মানুষ এই ভিডিও দেখেছে ইউটিউবে।









অদ্ভুতুড়ে 9:28 PM
জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে যুক্ত সাড়ে ৫ হাজার টুইটার অ্যাকউন্টে সাইবার হামলা চালানোর দাবি করেছে হ্যাকার সংগঠন অ্যানোনিমাস। হামলার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে অ্যানোনিমাস।

প্যারিসে আইএসের হামলার পরই অ্যানোনিমাস সন্ত্রাসী সংগঠনটির বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। #OpParis ক্যাম্পেইন শুরুর একদিন পরই সাইবার হামলা চালানো হয়। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আইএসের সব সামাজিক যোগাযোগ সাইট বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হয়। এক টুইট বার্তায় হ্যাকার দলটি লেখে, ‘We report that more than 5500 Twitter account of #ISIS are now #down! #OpParis #Anonymous #ExpectUs’।

তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকাউন্টগুলো কিভাবে বন্ধ হয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি। অ্যানোনিমাস সূত্রে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টগুলো একটি অনলাইন ফোরামের সাইটে পোস্ট করা হয়। অ্যানোনিমাস হামলার কথা স্বীকার করলেও টুইটার কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে মুখে কিছুই জানায়নি।

অদ্ভুতুড়ে 9:25 PM
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান তাদের জীবদ্দশায় ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ার দান করার অঙ্গিকার করেছেন।

বুধবার ফেসবুকে মার্ক জুকারবার্গের ভেরিফায়েড ফ্যানপেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেয়া হয়েছে। পোস্টে মার্ক জুকারবার্গ তার সন্তানের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। বেশ বিস্তারিত এ চিঠিতেই এমন অঙ্গিকার করে বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আরো ভালো একটি পৃথিবী তৈ
রির জন্য তারা এই দান করছেন।

ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলার। এই দম্পতি বলেছেন, দানের ওই অর্থ দিয়ে তারা ‘চ্যান-জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি নতুন দাতব্য সংস্থা গঠন করতে যাচ্ছেন। এ সংস্থার লক্ষ্য হবে, মানুষের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেয়া এবং আগামী প্রজন্মের সব শিশুর জন্য সমতা নিশ্চিতে কাজ করা। ওই দাতব্য সংস্থাটি ব্যক্তিগত শিক্ষা, রোগব্যাধির চিকিৎসা, মানুষকে সংযুক্ত করা এবং শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন জুকারবার্গ।

চিঠিটিতে কমেন্ট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিল গেটসের মিলিন্ডা গেটস, মার্কিন তারকা কেটি কৌরিক, সঙ্গীত তারকা শাকিরাসহ বিশ্বের নামীদামী তারকারাও।

Powered by Blogger.