Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 4:24 AM

মতিঝিল অফিস পাড়া কিংবা আরামবাগ, টিকাটুলি এবং আশপাশের এলাকার ভোজন বিলাসী মানুষগুলোর কথা ভেবে নতুন মাত্রা নিয়ে আসছে নতুন রেস্তোরাঁ ‘ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট’। নামেই যেন খাবারের তৃপ্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এই রেস্তোরাঁ। নটরডেম কলেজের বিপরীতে ব্র্যাক ব্যাংকের পাশেই আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে এ রেস্তরাঁটি। এটি হবে মূলত ইন্ডিয়ান এবং বাংলা খাবারের কম্বিনেশন। ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট হতে যাচ্ছে এইচ-কিউ গ্রুপের একটি তত্ত্বাবধানে একটি নতুন ধরনের খাবার দোকান। 

 


তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং নতুন নতুন সব অফার এবং রেসিপির খবর জানতে তাদের ফেসবুক পেইজে ঘুরে আসতে পারেন -fb.com/IndianSpicyRestaurant

অদ্ভুতুড়ে 3:57 AM

বাংলাদেশে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করে তাদের বেশিরভাগ এসইও এর মাধ্যমে আয় করে। কারন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি কম। সাধারণত যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারন ধারনা আছে, ইংরেজীতে মোটামুটি পারদর্শী, ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তারা অতি সহজে এসইও এর কাজে পারদর্শী হতে পারেন। কোন প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নাই বিধায় এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে এসইও

কেন শিখবেন এসইও?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন [এসইও] সময়ের আলোচিত একটি পেশা। যারা ওয়েব উদ্যোক্তা বা ওয়েবমাস্টার হতে চান তাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা অবশ্যই জরুরি। এছাড়া যারা সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তারাও এসইও শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে শত শত ডলার আয় করতে পারেন। বিশেষ করে যাদের কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান আছে এবং ইংরেজিতে লেখালেখি করতে পারেন তারা এই পেশাকে বেছে নিতে পারেন অনায়াশেই। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক.কম বা ফ্রিল্যান্সার.কমসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি মুহূর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিষয়ক শত শত প্রজেক্ট জমা হয়। বাংলাদেশি শত শত ফ্রিল্যান্সার এসব কাজ করে শত থেকে হাজার হাজার ডলার আয় করে থাকেন। অল্প সময়ে কাজ করে প্রচুর টাকা আয়ের অন্যতম উপায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করেন তাহলে এর মাধ্যমে অধিক পরিমানে ভিজিটর পাবেন। যেহেতু ভিজিটর = টাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেহেতু যতো ভিজিটর আসবে আপনার ব্যবাসয়িক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অধিক ভিজিটরের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি, অ্যাফিলিয়েট বা অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সুযোগ থাকে। এছাড়া ঘরে বসে রিলাক্স মোডে কাজ করা ও তার মাধ্যমে আয় করার এটাই সুযোগ। শুধু মার্কেটপ্লেস নয় লোকাল মার্কেট থেকে প্রতিনিয়ত কাজ পাওয়ার বহু সম্ভাবনা রয়েছে এসইও এর ক্ষেত্রে।


ক্যারিয়ার হিসাবে SEO :

√ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (odesk.com, freelancer.com ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।

√ নিজের একটি ব্লগ সাইটখুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।

√ অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।

√ এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।

√ এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম পোস্টিং কিংবা ব্লগ কমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।

√ প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং

দিনে দিনে বেড়েই চলছে আমাদের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট। এখন বাংলাদেশ পৃথিবীর প্রথম সারির ৫ টি দেশের একটি দেশ এই ফ্রিল্যান্সিং এ । যেখানে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর অনেক অনেক কাজ। আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ দক্ষ হন তাহলে আপনি হতে পারেন একজন সফল ফ্রিল্যান্সার। এখন বাংলাদেশের অনেক তরুণের স্বপ্নের ক্যারিয়ার হলো এই ফ্রিল্যান্সিং। যেখান থেকে দক্ষরা হাজার হাজার ডলার আয় করে নিজের জীবন পাল্টে ফেলেছে।  আর সেই মার্কেটে এসইও একটি অনেক বড় অংশ। কেবল আপনি যদি একজন দক্ষ এসইও এক্সপার্ট হতে পারেন তাহলে আপনি ও প্রতিমাসে আয় করতে পারবেন ভালো অংকের টাকা। ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স, ফাইভার, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি।

স্মার্ট জবের জন্য এসইও

আপনি জানেন কি আন্তর্জাতিক বাজারে একজন এসইও স্পেশালিষ্ট এর প্রতিমাসে সেলারি কত? মাসে মাত্র ২ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আর একজন সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটের বা এসইও কনসাল্টেন্ট এর আয় এর দেড়গুণ !! ৫-৬ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে আর বাহিরের দেশে যাবার সুযোগ থাকলে আপনি ও পেতে পারেন এমন একটি ক্যারিয়ার। তবে বাংলাদেশ এ এখন ও এমন অবস্থা আসছে। কারণ বাংলাদেশের লোকাল মার্কেট এখন অনলাইন ভিত্তিক হতে যাচ্ছে। তাই সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে এইধরনের কর্মক্ষেত্র বারছে হু হু করে । তবে আগামী বছরের মধ্যে বাংলাদেশেও এর ব্যাপক চাহিদা হবে একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের।তবে আপনি কিন্তু এখন একজন ভার্চুয়াল ওয়েবমাস্টার বা এসইও কনসালটেন্ট হিসাবে বিদেশী কোম্পানিতে জব করতে পারেন তাও আবার নিজের ঘরে বসেই ! যা থেকে আপনি ও আয় করতে পারেন মাস শেষে একটি বড় অংশ।


এসইও টু ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং, এড মার্কেটিং

শুধুমাত্র ব্লগিং করে বা অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং করে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে  ৫০,০০০-৫,০০,০০০ টাকা আয় করেন এমন অনেকেই আছেন। যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে আয় করে থাকেন। অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং বলেন বা গুগল এডসেন্স বলেন আপনি যদি এসইওতে পারদর্শী হন তাহলে আপনার জন্য থাকবে একটি অপার সম্ভাবনা নিজের ক্যারিয়ারকে একটি উচুস্থানে নিয়ে যাওয়ার। তাই আপনি যদি এই অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং, এড মার্কেটিং বা ব্লগিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) এর কোন বিকল্প নেই।


অনলাইন মার্কেটিং এ এসইও

অনলাইন মার্কেটিং এখন একটি অনেক বড়ক্ষেত্র । কারণ পৃথিবী খুব দ্রুতই অনলাইন ভিত্তিক হয়ে পড়ছে। সবাই এখন ধীরে ধীরে অনলাইনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরছে। কেনা কাটা থেকে শুরু করে অলাইনে লেখাপড়া সবই করা হচ্ছে। তাই অনলাইনের বাজারে কম্পিটিশন ও বেড়ে চলেছে। সবাই উঠেপড়ে লেগেছে তাদের টার্গেটেড ভিজিটর বা কাস্টমারদেরকে নিয়ে আসার জন্য। আর এই কারনে দিন দিন বেড়ে চলেছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের প্রয়োজনীয়তা। নির্দিষ্ট কী ওয়ার্ড এর উপর ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য যে এসইও এর কোন বিকল্প নেই ! তাই অনলাইন মার্কেটিং এর সব বড় এবং প্রধান হাতিয়ার হিসাবে আপনি বেছে নিতে পারেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কে। অনলাইন মার্কেটিং এ অন্যের হয়ে কাজ করে বা নিজের পন্যের জন্য কাজ করে আপনি আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ খুব সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে পারেন।


উদ্যোগতা হিসাবে এসইও

ধরুন আপনি ছোট একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। যেখানে আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের সার্ভিস গুলো দিয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি জানেন না কিভাবে আপনি আপনার টার্গেটকৃত কাস্টমারদের নিয়ে আসবেন আপনার ব্যবসায়। কিন্তু আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানেন তাহলে সেই কাজ আপনি দ্রুতই করতে পারেন। যার ফলে আপনি আপনার ব্যাবসার উন্নতি আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এক সময় আপনার সেই ছোট কোম্পানি ই হয়ে যেতে পারে বড় কোন সার্ভিস প্রোভাইডার। তাই আপনি চাইলেই অনলাইন বা অফলাইন ২ দিকেই এসইও করার মাধ্যমে আপনি একজন সফল উদ্যোগতা হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।


কোথায় শিখবেন এসইও

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক আইটি ইনস্টিটিউট আছে যারা এসইও কোর্সটি করিয়ে থাকেন। কিন্তু ভালো এবং নির্দিস্ট গাইড লাইন বা পথ না পাওয়ার কারণে আমাদের দেশের অনেকেই এসইও কোর্সটি করতে পারছেননা, সেই সাথে আইটি সম্পর্কে ভুল ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই আমাদের রিসার্চ টিম ভালো কিছু আইটি ইনস্টিটিউট গুলোর মধ্য থেকে একটি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন, আর তা হলো "BLACK iz IT Institute"। এই ইনস্টিটিউটটি বিগত ৫বছর ধরে তাদের ইনস্টিটিউটের সকল কার্যক্রম সফলভাবে চালিয়ে আসছেন। ইনস্টিটিউটটির স্টুডেন্টদের তথ্য অনুযায়ী এসইও-এর কোর্সটির জন্য "BLACK iz IT Institute" একটি সেরা প্রতিষ্ঠান। সেই সাথে সুখবরটি হচ্ছে বর্তমানে এসইও কোর্সটি তাদের স্কলারশিপ প্রগ্রামের আওতায় থাকার কারণে 40% ছাড়ে এসইও কোর্সটি রেজিস্ট্রেশন ফি সহ মাত্র ৭০০০/= টাকায় করানো হচ্ছে! 

"BLACK iz IT Institute" -এ এসইও কোর্সটি করতে চাইলে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন, অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে চাইলে এই লিংকে ক্লিক করুণঃ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুণ!

তাছাড়াও তাদের কাছে যেকোন বিষয়ে তথ্য জানতে নিচের ঠিকানা বা মোবাইল নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেনঃ 

• BLACK iz IT institute যোগাযোগের ঠিকানাঃ

১নং বিল্ডিং, লেক সার্কাস (২য় তলা ম্যাবস কোচিং সেন্টার) কলাবাগান, বাস স্টান্ড, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৭।
০১৬৭১৫০২৩৯৬, ০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৯১১৭৭২৩৯৮, ০১৭১৭৬৯৫৬৩১।

অদ্ভুতুড়ে 9:28 PM
জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে যুক্ত সাড়ে ৫ হাজার টুইটার অ্যাকউন্টে সাইবার হামলা চালানোর দাবি করেছে হ্যাকার সংগঠন অ্যানোনিমাস। হামলার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে অ্যানোনিমাস।

প্যারিসে আইএসের হামলার পরই অ্যানোনিমাস সন্ত্রাসী সংগঠনটির বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। #OpParis ক্যাম্পেইন শুরুর একদিন পরই সাইবার হামলা চালানো হয়। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আইএসের সব সামাজিক যোগাযোগ সাইট বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হয়। এক টুইট বার্তায় হ্যাকার দলটি লেখে, ‘We report that more than 5500 Twitter account of #ISIS are now #down! #OpParis #Anonymous #ExpectUs’।

তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকাউন্টগুলো কিভাবে বন্ধ হয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি। অ্যানোনিমাস সূত্রে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টগুলো একটি অনলাইন ফোরামের সাইটে পোস্ট করা হয়। অ্যানোনিমাস হামলার কথা স্বীকার করলেও টুইটার কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে মুখে কিছুই জানায়নি।

অদ্ভুতুড়ে 9:26 PM
সময়ের কন্ঠস্বর- দিন যতই যাচ্ছে ততই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন তরুণরাই বেশি বলা চলে। আর তাদের মধ্যে বেশির ভাগই স্টুডেন্ট। বেকার জীবনে কত টাকাই না ইন্টারনেটের পেছনে শেষ করতে হয়েছে। তবে এবার তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে গ্রামীনফোন। সারাদেশ জুড়ে গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করবে গ্রামীণফোন। এ বছরের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি স্থানে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকর্ষনীয় ইন্টারনেট অফার দেয়া হচ্ছে। গ্রামীণফোন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে প্রথম তিন মাস গ্রামীণফোন গ্রাহকরা বিনাখরচে এ ওয়াইফাই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করা গ্রামীণফোনের অন্যতম প্রয়াস। সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ওয়াইফাই হটস্পট জোনে গেলে তাদের মোবাইলের ওয়াইফাই চালু করলে ‘জিপি ওয়াইফাই’ নামে একটি এসএসআইডি দেখতে পাবেন। ‘জিপি ওয়াইফাই’ এ যুক্ত হবার পর তার গ্রামীণফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এই পর্যায়ে তারা একটি এসএমএস পাবেন যা তাকে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দেবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ আইএসপি আমরা নেটওয়ার্ক এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনকে কারিগরি সহায়তা দেবে।

সময়ের কন্ঠস্বর- দিন যতই যাচ্ছে ততই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন তরুণরাই বেশি বলা চলে। আর তাদের মধ্যে বেশির ভাগই স্টুডেন্ট। বেকার জীবনে কত টাকাই না ইন্টারনেটের পেছনে শেষ করতে হয়েছে। তবে এবার তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে গ্রামীনফোন। সারাদেশ জুড়ে গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করবে গ্রামীণফোন। এ বছরের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি স্থানে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকর্ষনীয় ইন্টারনেট অফার দেয়া হচ্ছে। গ্রামীণফোন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে প্রথম তিন মাস গ্রামীণফোন গ্রাহকরা বিনাখরচে এ ওয়াইফাই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করা গ্রামীণফোনের অন্যতম প্রয়াস। সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
<a href='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/ck.php?n=ae55f451&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/avw.php?zoneid=2&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=ae55f451' border='0' alt=''/></a>
গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ওয়াইফাই হটস্পট জোনে গেলে তাদের মোবাইলের ওয়াইফাই চালু করলে ‘জিপি ওয়াইফাই’ নামে একটি এসএসআইডি দেখতে পাবেন। ‘জিপি ওয়াইফাই’ এ যুক্ত হবার পর তার গ্রামীণফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এই পর্যায়ে তারা একটি এসএমএস পাবেন যা তাকে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দেবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ আইএসপি আমরা নেটওয়ার্ক এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনকে কারিগরি সহায়তা দেবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/313027#sthash.QgfnRAdd.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:25 PM
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এবং তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান তাদের জীবদ্দশায় ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ার দান করার অঙ্গিকার করেছেন।

বুধবার ফেসবুকে মার্ক জুকারবার্গের ভেরিফায়েড ফ্যানপেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেয়া হয়েছে। পোস্টে মার্ক জুকারবার্গ তার সন্তানের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। বেশ বিস্তারিত এ চিঠিতেই এমন অঙ্গিকার করে বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য আরো ভালো একটি পৃথিবী তৈ
রির জন্য তারা এই দান করছেন।

ফেসবুকের ৯৯ শতাংশ শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলার। এই দম্পতি বলেছেন, দানের ওই অর্থ দিয়ে তারা ‘চ্যান-জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি নতুন দাতব্য সংস্থা গঠন করতে যাচ্ছেন। এ সংস্থার লক্ষ্য হবে, মানুষের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেয়া এবং আগামী প্রজন্মের সব শিশুর জন্য সমতা নিশ্চিতে কাজ করা। ওই দাতব্য সংস্থাটি ব্যক্তিগত শিক্ষা, রোগব্যাধির চিকিৎসা, মানুষকে সংযুক্ত করা এবং শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তোলার জন্য কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন জুকারবার্গ।

চিঠিটিতে কমেন্ট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিল গেটসের মিলিন্ডা গেটস, মার্কিন তারকা কেটি কৌরিক, সঙ্গীত তারকা শাকিরাসহ বিশ্বের নামীদামী তারকারাও।

অদ্ভুতুড়ে 10:45 PM
সম্পর্ক ভাঙার ব্যাপারটি খুবই কষ্টের। তাই সম্পর্ক না রাখতেই চাইলে সেই সিদ্ধান্তটি সরাসরি বলা দু’জনের জন্যই কষ্টের। যে সরাসরি বলছে তার জন্যও আবার যাকে বলা হচ্ছে তার জন্যও।

আর তাই সম্পর্ক ভাঙার সিদ্ধান্তটি সরাসরি যারা নিজে বলতে চান না, তাদের জন্য এবার কানাডিয়ান ওয়েবসাইট ‘দ্য ব্রেকআপ শপ’!

এই ওয়েবসাইটটি প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার সিদ্ধান্তটি অন্যকে জানিয়ে দেবে। এক্ষেত্রে ‘দ্য ব্রেকআপ শপ’ ওয়েবসাইটটির ৪ ধরনের সেবা রয়ে
ছে।

যেমন কোনো প্রেমিক তার প্রেমিকার সঙ্গে কিংবা প্রে
মিকা তার প্রেমিকের সঙ্গে আর প্রেমের সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি জানাতে দ্য ব্রেকআপ শপ-এর সেবাগুলো আলোচনার ঝড় তুলেছে।


প্রথম সেবাটি হচ্ছে, ‘দ্য ব্রেকআপ শপ’ মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সম্পর্ক না রাখার সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেবে। আর এজন্য খরচ করতে হবে ১০ ডলার।



দ্বিতীয় সেবাটি হচ্ছে, চিঠির মাধ্যমে মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। আর এজন্য খরচ করতে হবে ২০ ডলার।

তৃতীয় সেবাটি হচ্ছে, ফোন কলের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। আর এজন্য খরচ করতে হবে ২৯ ডলার।

চতুর্থ সেবাটি হচ্ছে, সম্পর্ক ভাঙার পাশাপাশি কেউ উপহার পাঠাতে চাইলে সেজন্য রয়েছে ‘ব্রেকআপ গিফট প্যাক’। এই গিফট প্যাকে থাকবে কল অব ডিউটি বা দ্য নোটবুকের ব্লু-রে কপি, ৩০ ডলারের নেটফ্লিক্স গিফট কার্ড, এক বক্স চিপস, আর সহানুভূতি জানিয়ে লেখা চিঠি।

ওয়েবসাইটটির ঠিকানা: http://breakupshop.com

অদ্ভুতুড়ে 10:38 PM
ভাবুন তো ছোট্ট একটা শিশুর কথা, যে কিনা মাত্র তিন বছর বয়সে আপনমনেই ছবি বানানোর নানা কথা-বার্তা বলে চলেছে আর খানিক পরপরই আনমনে বলে উঠছে- অ্যাকশন! কিংবা ভাবুন সেই শিশুটির কথা যে কিনা মুখে বুলি ফোটার পর প্রথম কথাটাই বলেছিল প্যাম! আর পরিণত বয়সে সবাইকে নিজের সাথে পরিচিত করে দিয়েছিল গতজন্মে
অন্য এক স্থানে বাস করা ৩০ বছরের এক মেয়ে প্যাম হিসেবে!

অবিশ্বাস্য লাগছে কথাগুলো? কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও অত্যন্ত এই সত্যি কথাগুলো বর্তমানে পরিচিত প্রায় সবার কাছেই। বিশেষ করে তাদের কাছে যারা দিনের পর দিন কাজ করে চলেছেন রিইনকারনেশন কিংবা পূনর্জন্ম নিয়ে।

মানুষ কী কেবল একবার জন্মায়? নাকি বারবার ফিরে আসে পৃথিবীর কোলে? মানুষের মনে এই প্রশ্ন জমে রয়েছে সেই সুদূর অতীত থেকে। যার শেষ হয়নি এখনো। উত্তরটাও পাওয়া যায়নি ঠিকঠাক করে। তবে উত্তর পাওয়া যাক কিংবা না যাক, এ নিয়ে অনুসন্ধান কখনো থেমে থাকেনি পৃথিবীবাসীর। সবসময়েই তারা পেতে চেয়েছে তাদের প্রশ্নের উত্তর। আর তাদের এই আগ্রহকে বারবার উসকে দিয়েছে পৃথিবীর একোণ-ওকোণ থেকে নিজেদের অতীত জীবনকে মনে করতে পারা কিছু জাতিস্মর। যাদের অনেকেরই দাবী প্রায় সময়েই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে।

তবে কী সত্যিই পুনর্জন্ম বলে কিছু আছে? আত্মা কী বারবার জন্ম নেয় বহু মানুষের বেশে? যদি তাই হয় তাহলে আমরা সবাইই তো এর আগে আর কেউ একজন ছিলাম। কী ছিলাম আমরা সে জন্মে?  কী করে মনে করা যাবে সেটা? আসুন জেনে নিই এ প্রশ্নগুলোর সম্ভাব্য ও বৈজ্ঞানিক জবাব।

এসবের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকেরা সবসময়েই যেতে চেয়েছেন মৃত্যুর কাছে। মৃত্যুর পর কী হয় মানুষের সঙ্গে? মানুষের শরীরের ভেতরে যদি আত্মা থেকে থাকে তাহলে কী হয় সেই আত্মার? খুব কাছ থেকে এসব নিয়ে পরীক্ষা করে অনেকে বলেছেন একেবারে ভিন্ন কথা।

আটলান্টার ইয়ার্কস ন্যাশনাল প্রাইমেট রিসার্চ প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করা দুই গবেষক ব্রায়ান জি. ডায়াস ও কেরি রেসলারের গবেষণানুসারে, আদতে পুনর্জন্ম বলে কিছু নেই। মানুষের মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা স্মৃতিগুলো বংশগতভাবে অন্য মানুষে প্রবাহিত হতে পারে। আর সেভাবেই একজন মানুষ জন্ম থেকেই অন্য কারো সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মনে করতে পারে। যাকে আমরা মনে করে থাকি গতজন্মের স্মৃতি। কিন্তু আসলেও কী এই গবেষকরা ঠিক? চলুন এর উত্তর জেনে আসি এই ঘটনাটি থেকে।

জার্মান থেরাপিস্ট ট্রুটজ হার্ডোর ‘চিলড্রেন হু হ্যাভ লিভড বিফোর: রিইনকারনেশন টুডে’ বইটিতে গতজন্মের কথা মনে করতে পারা কিছু শিশুকে নিয়ে কাজ করেন। আর সেখানেই তিনি জানান ড্রুজ আদিবাসী দলের একটি ছেলের কথা। শিশুটি জন্ম নিয়েছিল ভয়ংকর এক আঘাতের চিহ্ন নিয়ে।

তবে তিন বছর অব্দি কোনো কথা বলেনি সে। তিন বছর বয়স হওয়ার পর হঠাৎ একদিন সে সবাইকে জানায় যে সে আসলে অনেক দূরের একটি গ্রামের মানুষ। মৃত্যুর পর এখানে জন্মেছে সে আবার। নিজের কথার প্রমাণ হিসেবে গতজন্মে তাকে যে খুন করা হয়েছিল সেই আঘাত আর খুনীকে ধরিয়ে দেয় সে। এমনকি দেখিয়ে দেয় নিজের লাশটাও!

যদি বংশগত জীন হয় এই স্মৃতির পেছনের প্রধান হাতিয়ার তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে যে অনেক দূরের মানুষের কাছ থেকে সেটা কী করে এলো? কারণ সেখানে তো কোনোরকম শারিরীক সম্পর্ক থাকেনা জাতিস্মর মানুষটির তার আগের জন্মের দাবী করা ব্যক্তিটির সঙ্গে।

ঘটনাটি রায়ানের। জিম টাকার পুনর্জন্ম আর গতজন্মের স্মৃতি মনে করতে পারা শিশুদের নিয়ে তখন কাজ করছিলেন। হঠাৎ তার কাছে একটা ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে এক মহিলা কণ্ঠ জিমকে জানায় যে, তার ছেলে রায়ান গত অনেকদিন ধরে আপনমনেই অ্যাকশন, কাট ধরনের চলচিত্রের সঙ্গে জড়িত নানা কথা বলে চলেছে আপন মনে। এমনকি কিছুদিন আগে একজন ৩০ শতকের অভিনেতার নাম বলে তাকে নিজের বন্ধু বলে জানিয়েছে সে। নিজেকেও সেই ৩০ শতকের অভিনেতা জর্জের পাশে দাড়ানো আরেকটি মানুষ বলে চিনতে পেরেছে সে। ঘটনাটি শুনেই দৌড়ে রায়ানের কাছে চলে আসে জিম আর অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে সত্যিই ৩০ শতকের এক অখ্যাত ফিল্মের এক্সট্রা হিসেবে কাজ করতো রায়ান। যার তখনকার নাম ছিল মার্টিন! পরবর্তীতে নিজের মেয়েদের সঙ্গেও দেখা করে রায়ানরূপী মার্টিন।

রায়ান ছাড়াও এমন অনেক শিশুর সঙ্গে দেখা করেছেন জিম যাদের সবার বয়স ২ থেকে ৬ বছরের ভেতরে। আর তারা সবাইই এতটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিজেদের গতজন্মের কথা আর ঘটনাগুলো বলে যেতে পারে গড়গড় করে যে, যে কেউ মানতে বাধ্য হবে যে আসলেই শিশুটি জাতিস্মর। তবে এ ব্যাপারে বলতে গিয়ে জিম টাকার বলেন- কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মতে আমাদের সচেতনতার বাইরেও দৃশ্যমান পৃথিবী গড়ে উঠতে পারে। আর এই ব্যাপারে পদার্থবিজ্ঞানীরাও একমত হবেন বলে মনে করেন তিনি।

নিজের পুরো গবেষণার একটা প্যাটার্ন তৈরি করেন জিম টাকার। তবে অনেকেই অবশ্য জিমের এই পুনর্জন্মের প্যাটার্নে যথেষ্ট পরিমাণ উদাহরনের অভাব বলে মনে করেন। তবে সত্যিটা যাই হোক না কেন, জিম টাকার আর তার এই অনুসন্ধান, পৃথিবীর সবার কাছেই হয়ে তাকবে ভবিষ্যতে এ পথে আরো এগিয়ে যাওয়ার পাথেয়।

অদ্ভুতুড়ে 10:35 PM
পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিনগ্রহের প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, অ্যালিয়েন। তবে ভীনগ্রহে আসলেই কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক রয়েছে।

নানা সময়ে অনেকেই অ্যালিয়েনের দেখা বা ভিনগ্রহের যান পৃথিবীতে দেখতে পাওয়ার কথা জানালেও, এখন পর্যন্ত কেউই সেই দাবীর পক্ষে জোড়ালো প্রমাণ
উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে ভিনগ্রহে আসলেই কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, সে নিয়ে এখন পর্যন্ত সংশয় রয়েছে।

তারপরও বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে হাল ছাড়তে নারাজ। বহু বছর ধরেই মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের খোঁজে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধানের নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহ করতে তৈরি করেছে বিশেষ ধরনের একটি যন্ত্র।

ভিনগ্রহে প্রাণের তথ্য সংগ্রহের জন্য নাসার নতুন
এই যন্ত্রটির নাম দেয়া হয়েছে ‘কেমিক্যাল ল্যাপটপ’। তবে আকার আকৃতিতে এটি ছোটখাট একটি গবেষণাগার।


ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যামাইনো অ্যাসিড, প্রোটিনের মূল একক এই দুই উপাদান প্রাণের অন্যতম উপাদান। ফলে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে এই দুইটি অ্যাসিডের অস্তিত্বই খুঁজে বের করবে নাসার কেমিক্যাল ল্যাপটপ।

নাসার বিজ্ঞানী জেসিকা ক্রেমার জানান, এই ছোট্ট কেমিক্যাল ল্যাপটপই হতে চলেছে মহাকাশে পাঠানো সবচেয়ে সংবেদনশীল যন্ত্র। এটি সহজেই অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ফ্যাটি অ্যাসিড চিহ্নিত করতে পারবে।

প্রাণের সন্ধানে এই ল্যাপটপকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজ্ঞানীদের। তবে এই কেমিক্যাল ল্যাপটপ  কঠিন কোনো পদার্থের ওপর পরীক্ষা চালাতে পারবে না। পরীক্ষার প্রয়োজন প্রয়োজন পড়বে তরল নমুনা। আর মঙ্গলের মতো শুষ্ক গ্রহে তা কতটা পাওয়া সম্ভব হবে, তাই এখন ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।

অদ্ভুতুড়ে 10:31 PM
বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিনিয়ত আসছে কোনো না কোনো নতুন ব্র্যান্ড। কোমল পানীয়র বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড পেপসি-ও এবার এ খাতে নাম লিখিয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পেপসি প্রথমবারের মতো স্মার্টফোনের বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে তাদের পি১ স্মার্টফোনটি নিয়ে।

পেপসি ব্র্যান্ডের পি১ স্মার্টফোনটিতে অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা ডিডো ওএস ব্যবহার করা হয়েছে। ২.৫ডি কার্ভড গ্লাস ডিজাইনের ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের ফুল এইচডি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির অন্যান্য আকর্ষণীয় ফিচারের মধ্যে রয়েছে অক্টা-কোর মিডিয়াটেক এমটি৬৫৯২ প্রসেসর, ২ জিবি র্যা ম, ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি, মেমোরি কার্ড স্লট
, ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৩০০০এমএএইচ ব্যাটারি, ফোরজি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর প্রভৃতি।

আপাতত চীনে জিডিডটকম নামের এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এটি প্রি-অর্ডারে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পেপসিকো ইঙ্ক. কর্তৃপক্ষ। স্মার্টফোনটির মূল্য প্রায় ১৫৬ ইউএস ডলার।

অদ্ভুতুড়ে 10:27 PM
অনলাইন চ্যাট, বিনা মূল্যে ভয়েস ও ভিডিও কলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে রিভ গ্রুপ এনেছে নতুন পণ্য ‘রিভ চ্যাট’। সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্ববাজারে ছাড়া হয়েছে বাংলাদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটির ক্লাউডভিত্তিক এ চ্যাটিং সফটওয়্যার।

‘রিভ চ্যাট’ ব্যবহারে যেকোনো প্রতিষ্
ঠান তাদের ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের চ্যাট এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা বা তথ্য দিতে পারবেন। ই-কমার্সসহ অন্যান্য যে কোনো ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা দিতে এ চ্যাটিং সফটওয়্যারটি বেশ কার্যকরী। এ সফটওয়্যার দিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর যে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা করতে পারবেন তেমনি প্রতিষ্ঠানও ভিজিটরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া ভিজিটরের ভৌগলিক অবস্থানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য মিলবে এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে।

বিশ্বব্যাপী চ্যাটিং সফটওয়্যারের সাম্প্রতিকতম প্রযুক্তি ‘ওয়েব আরটিসি’ ব্যবহার করা হয়েছে রিভ চ্যাটে। এর সাহায্যে চ্যাটের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের ভিজিটররা বিনা মূল্যে ভয়েস ও ভিডিও কল করতে পারবেন খুব সহজেই।

প্রতিষ্ঠানের নতুন এই সফটওয়্যার সম্পর্কে রিভ গ্রুপের সিইও এম রেজাউল হাসান বলেন, ‘অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং নতুন ক্ষেত্র সংযোজন করবে রিভ চ্যাট। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের কথা মাথায় রেখেই রিভ চ্যাটে গ্রাহক ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এ জন্য রিভ চ্যাটে ফেসবুক চ্যাট ইন্টিগ্রেশনসহ সর্বাধুনিক ওয়েবভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্লিক টু কল, প্রো অ্যাকটিভ চ্যাট, স্মার্ট কিউইং এবং কাস্টমার অ্যানালিটিকস যুক্ত করা হয়েছে।’

ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ই-কমার্সসহ দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান নিজেদের ওয়েবসাইটে রিভ চ্যাট যুক্ত করে প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রয় এবং গ্রাহক সেবায় ব্যবহার করছে বলে উল্লেখ করেন এম রেজাউল হাসান। তিনি আরো জানান, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় বাজারে ‘রিভ চ্যাট’ পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে রিভ গ্রুপ দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

‘রিভ চ্যাট’ মোবাইলসহ সব ধরনের ডিভাইস উপযোগী। ফলে ঘরে-বাইরে যে কোনো জায়গা থেকে ওয়েবসাইটের ভিজিটর পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি দেয়া যাবে অনেক কম মূল্যে গ্রাহক সেবা। এতে একই সময়ে একাধিক গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় বলে গ্রাহক সেবা খাতে খরচের পরিমানও কমে যায় অনেক।

ওয়েবসাইটে ‘রিভ চ্যাট’ যোগ করার আগে www.revechat.com থেকে সফটওয়্যারটির ১৪ দিনের ফ্রি ট্রায়াল নিয়ে দেখা যাবে। ক্লাউডভিত্তিক হওয়ায় যেকোনো ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট কোড বসিয়ে রিভ চ্যাট সংযুক্ত করতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট।

রিভ চ্যাটের বিষয়ে আরো তথ্য জানতে ভিজিট করুন www.revechat.com। অথবা ই-মেইল: sales@revechat.com।

উল্লেখ্য যে টেলিকম, ওয়েব ভিত্তিক যোগাযোগ ও সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্ত সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান রিভ গ্রুপ-এর প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুরে এবং প্রধান উন্নয়ন কেন্দ্র বাংলাদেশ ও ভারতে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, লেবানন, কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে রিভের বিক্রয় অফিস।

অদ্ভুতুড়ে 10:20 PM
দক্ষিণ ভারতের একটি মন্দিরে প্রবেশের আগে নারীদের ‘পবিত্রতার’ পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আর এই পরীক্ষার জন্য মন্দিরের দুয়ারে নারীর দেহ স্ক্যান করা হবে।

কেরালার সবরিমালা মন্দির কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণায় রীতিমতো ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যগুলোতে। ভারতে রজঃস্বলা অবস্থায় নারীদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই।  এ অবস্থায় কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণেরও অনুমতি নেই নারীদের। এ ছাড়া অনেক স্থানে অশৌচ অবস্থায় নারীদের রান্নাঘরেও প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।

সবরিমালা মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মন্দিরে প্রবেশে ইচ্ছুক কোনো নারী রজঃস্বলা কি না, তা জানতে শরীর স্ক্যান করা হবে। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত গোপাল কৃষ্ণ বলেন, ‘এমন একদিন আসবে যখন লোকে জানতে চাইবে নারীদের সারা বছর মন্দিরে প্রবেশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত কি না। বর্তমানে সঙ্গে মারণাস্ত্র রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য স্ক্যান মেশিন রয়েছে। ভবিষ্যতে এমন সময় আসবে যখন নারীদের মন্দিরে প্রবেশের সঠিক সময় হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তাদের শরীর স্ক্যান করার মেশিন উদ্ভাবিত হবে। তখন নারীদের মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে কি না, বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করব।’

পুরোহিতের এ মন্তব্যের পর ভারতজুড়ে  নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের এ ঘোষণার পর ফেসবুকে #হ্যাপিটুব্লিড নামের একটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন প্রগতিশীল নারীরা।
হ্যাপি টু ব্লিডের অফিশিয়াল পেজে বলা হয়েছে, ‘এ ধরনের মন্তব্য চরম পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয়।’

গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এই ক্যাম্পেইন। নারীদের অনুরোধ করা হয়েছে তারা যেন স্যানিটারি ন্যাপকিন, চার্ট পেপার বা প্ল্যাকার্ডে ‘হ্যাপি টু ব্লিড’ লিখে নিজেদের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন।
এই ক্যাম্পেইনে নারীদের সঙ্গে বহু পুরুষও শামিল হয়েছেন। ইতিমধ্যে মফস্বল এলাকার শতাধিক নারী ফেসবুকে তাদের ছবি পোস্ট করেছেন।


অদ্ভুতুড়ে 10:09 PM

ম্যাসেঞ্জার সেবায় পরিবর্তন নিয়ে আসছে ফেসবুক। চলতি সপ্তাহেই এই পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক বন্ধু তালিকায় না থাকলেও যে কাউকে ইনবক্সে তথ্য বা লিখতে পারতেন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। ফেসবুকের নতুন এই পরিবর্তনে এই সুবিধাটি আর পাবেন না ব্যবহারকারীরা।

ইনবক্সে ইন্টারনেট স্পাম এবং হয়রা

নির শিকার গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এই পরিবর্তন নিয়ে আসছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এই পরিবর্তনের ফলে ফেসবুকে যারা বিভিন্ন গ্রুপের সাথে যুক্ত আছেন তারা চাইলেও এক অপরকে ইনবক্স করতে পারবেন না যদি তারা বন্ধু তালিকায় না থাকে।

নতুন পরিবর্তনটি চালু হলে বন্ধু তালিকা না থাকা অবস্থায় কেউ ইনবক্স করতে চাইলে তা ম্যাসেজ রিকোয়েস্ট আকারে চলে আসবে।

ম্যাসেঞ্জার সেবায় পরিবর্তন নিয়ে আসছে ফেসবুক। চলতি সপ্তাহেই এই পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক বন্ধু তালিকায় না থাকলেও যে কাউকে ইনবক্সে তথ্য বা লিখতে পারতেন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। ফেসবুকের নতুন এই পরিবর্তনে এই সুবিধাটি আর পাবেন না ব্যবহারকারীরা। 

ইনবক্সে ইন্টারনেট স্পাম এবং হয়রানির শিকার গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এই পরিবর্তন নিয়ে আসছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এই পরিবর্তনের ফলে ফেসবুকে যারা বিভিন্ন গ্রুপের সাথে যুক্ত আছেন তারা চাইলেও এক অপরকে ইনবক্স করতে পারবেন না যদি তারা বন্ধু তালিকায় না থাকে।

নতুন পরিবর্তনটি চালু হলে বন্ধু তালিকা না থাকা অবস্থায় কেউ ইনবক্স করতে চাইলে তা ম্যাসেজ রিকোয়েস্ট আকারে চলে আসবে।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2015/11/02/89196/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95#sthash.USXUECkY.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 10:07 PM
মোবাইল ফোনে স্ক্রিন লক করে রাখার সুবিধা থাকে। কিন্তু অনেকেই তাদের মোবাইল ফোন লক করে রাখেন না। মোবাইল ফোন লক না করলে কী হয়—সম্প্রতি এ বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে ও গুগলের গবেষকেরা মিলে একটি জরিপ করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী তাদের ফোনটি লক করেন না।

জরিপে আরও দেখা গেছে, এক-তৃতীয়াংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী স্মার্টফোন লক করার বিষয়টিকে অতিরিক্ত ঝামেলা বলে ম
নে করেন এবং এক-চতুর্থাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী মনে করেন তাদের মোবাইলে কী আছে তা অন্যদের দেখতে আগ্রহী করে তুলবে না।

গবেষকেরা এই জরিপে অংশ নেওয়া স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে তাদের স্মার্টফোনের সিকিউরিটি লক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত প্রশ্ন করেন। এতে দেখা গেছে, অনেকেই স্মার্টফোনের নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়টির পার্থক্য ধরতে পারেন না। অনেকেই তাদের ফোন লক করেন, যাতে বন্ধুবান্ধব বা বাড়ির কেউ যাতে ঢুঁ মারতে না পারে। ফোন চুরি হয়ে গেলে এতে সংরক্ষিত স্পর্শকাতর তথ্যের গুরুত্ব বুঝতে পারেন না অনেকেই।

যারা মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রেখেছেন, যার মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা অন্যান্য মেইল অ্যাকাউন্টে ঢোকা যায়, তারা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন। কোনো দুর্বৃত্তদের হাতে স্মার্টফোন চলে গেলে তাতে থাকা বাড়ির ঠিকানা, জন্মতারিখ, ক্রেডিট কার্ড নম্বর কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ধরে মারাত্মক হুমকি আসতে পারে।

কেন স্মার্টফোন লক করেন না? গবেষকেরা বলছেন, অধিকাংশ মানুষই কেবল ইচ্ছা না থাকার কারণেই মোবাইলে নিরাপত্তা লক করেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা উৎসাহ বোধ করেন না বলেই লক করতে চান না। তবে কেউই নিরাপত্তা লকের বিরুদ্ধে নন।

মোবাইল ফোনে কী লুকিয়ে রাখা উচিত বা কীভাবে নিরাপদ রাখতে চান তা ব্যবহারকারীই নির্ধারণ করতে পারেন, তবে গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে—দুঃখিত বলার চেয়ে নিরাপদ থাকাই উত্তম।

অদ্ভুতুড়ে 10:05 PM
দীর্ঘ আলোচনার অবসান ঘটিয়ে ওয়ানপ্লাস এক্স নামের ডিভাইস উন্মোচন করেছে চীনভিত্তিক স্টার্টআপ ওয়ানপ্লাস।  আগামী ৫ নভেম্বর থেকে ডিভাইসটির সরবরাহ শুরু করা হবে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব অক্সিজেন ওএস ইউআই অপারেটিং সিস্টেমে চলবে ওয়ানপ্লাস এক্স। এতে ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ৩ গিগাবাইট র‌্যামের এ ডিভাইসে ১৬ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এ
ছাড়া ডিভাইসটিতে ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরার পাশাপাশি ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা আছে। এতে ২৫২৫ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি রয়েছে। যা দীর্ঘ সময় পাওয়ার ব্যাকআপ দেবে।

ডিভাইসটির বিষয়ে ওয়ানপ্লাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিট লাউ বলেন, নতুন স্মার্টফোনটির নকশায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ফলে এটি যেকোনো ধরনের লাইফস্টালের সঙ্গে সহজেই মানানসই।

অদ্ভুতুড়ে 10:43 PM
আল কায়েদাকে সৌদি রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্য সহযোগিতা করেছিলেন বলে জঙ্গিসংগঠনটির কারাগারে আটক একজন সদস্য জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবরে জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে আজীবন কারাদণ্ডের শাস্তি পাওয়া জাকারিয়াস মোসাউয়ি টুইন টাওয়ার হামলায় নিহতদের আইনজীবীকে জানিয়েছেন সৌদি রাজপরিবারের সদস্যরা আল কায়েদাকে সহায়তা করেছেন।

৪৬ বছর বয়সী ফরাসি নাগরিক মোসাউয়ির এই স্বীকারোক্তি মঙ্গলবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে দাখিল করেছেন ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় নিহতদের আইনজীবীরা। মামলায় আল কায়েদাকে বস্তুগত সহায়তা দেয়ার জন্য সৌদি রাজপরিবারকে দায়ী করেছেন তারা।




মোসাউয়ি বলেছেন,নব্বইয়ের দশকে
র শেষ দিকে আল কায়েদাকে সহায়তাকারীদের তালিকা বানানোর দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। সহায়তাকারীদের তালিকায় 'অত্যন্ত বিখ্যাত' সৌদি নাগরিক যেমন প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান যুবরাজ তুর্কি আল-ফয়সাল আল-সৌদ ছিলেন। লাদেনের নির্দেশে ১৯৯০ দশকের শেষ দিকে সংগঠনটির দাতাদের তালিকা রাখার দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানিয়েছেন মোসাউয়ি।

মোসাউয়ি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি আরবের এক কর্মকর্তার সাথে আফগানিস্তানের কান্দাহারে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন।
ওই সৌদি কর্মকর্তার সঙ্গে ওয়াশিংটন গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ানে 'স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্য একটি উপযুক্ত' জায়গা বের করার কথা ছিল তার।
তবে ওয়াশিংটনের সৌদি দূতাবাস মোসাউয়ির বক্তব্য খারিজ করে দিয়ে বলেছে, সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মোসাউয়ি এসব অভিযোগ করছেন বলে তারা ধারণা করছেন।

অদ্ভুতুড়ে 6:29 AM

 

সমুদ্রের নিচে আরেক নদী! এ এক অবাক করা কান্ড! সমুদ্রের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এক বিষ্ময়কর নদী। অবাক হয়ে যাবেন এই দূর্লভ ভিডিওটি দেখলে।


ভিডিওটি নিচে সংযুক্ত করে দেয়া হলো। না দেখে থাকলে অবশ্যই দেখুন ভিডিওটি। আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন ভিডিওটি দেখলে।


অদ্ভুতুড়ে 1:06 AM
শাহীন রেজা : তোমার স্নায়ুর নিচে প্রতিদিন পিষ্ট হয় বিমর্ষ দুপুর স্মৃতির ঝাপি খুলে মেঘগুলো বসে থাকে যেন এলোচুলঘামের শরীরজুড়ে রৌদ্রের অণু একাকী তৃষ্ণার্ত পাখি সেই ঘোরে কেবলি সাঁতার কাটে কেবলি সাঁতার কাটে ঘুম সরোবরেদরজার ওপাশ থেকে ডাকে চাবিওয়ালাতালার গন্ধ নিয়ে পলাতক স্মৃতির বাদুড়আলোর চৌকাঠ বেয়ে ছায়াগুলো ক্রমাগত শূন্যলতায়নির্ভয়ে নেমে আসে শালিকেরা, শ্রাবণেরা এবং তোমার চোখ; কাকভেজাসেই জলে তুমি আমি চিরকাল যেন পলাতকআর শুধু আমাদের কবিতা-শরীর।
 Image result for দুপুর


বিপন্ন বসতেরওশন মতিন বিপন্ন বসতে বেঁচে থাকার মর্মমূলে স্মৃতির ফসিলরোদেলা লিরিকে শিল্প সুখের আল্পনা আঁকেশৈশবের সবুজ বেষ্টনীতে ফিরে যাওয়াএই সবুজ সকালে নীল কষ্টগুলো বুকে ফিনকি তোলে হররোজলোক-লোকান্তরে প্রতিদিন খুঁজেফিরি ফেলে আসা স্বর্গের বাগান বড্ড আকাল, হতশ্রী দৈন্যদশায় নিজের পাঁজরের হাড় গুনতে হয়পোড়ামাটি মানচিত্রে দুঃখের নোনাজলে অন্ধ আতঙ্কের কবরেবিলুপ্তির বোধোদয়ে বড্ড বকোয়াজ বাচাল সভ্যতাঅভিশপ্ত জনপদে মন্বন্তরের কালো থাবা নির্বাক মনের কুয়াশায় হেঁটে যাই মায়াবী প্রহরেঅদ্ভুত ভূতের মতো নগর কাব্যের বহুরূপী চিত্রকলায়সময়ের ক্যানভাসে নক্শীকাঁথার নীলকণ্ঠী পাখির মতোবারুদে বিষে ঝুলে আছি শরাহত বিপন্ন বসতে অন্ধ আক্রোশ ডালপালা মেলে শয়তান বৃক্ষের মতো
Image result for দুপুর

অদ্ভুতুড়ে 1:03 AM
Image result for kobita maশেখ ফজল : আমাকে কে দোয়া করবে আর!কে চোখের মণিকোঠায়অপেক্ষার পিদিম জ্বেলে বসে থাকবে।উৎকণ্ঠায় জপবে জপতপ জপমালা।দেখতে দেখতে চলে গেলেন বাবা আমার।চলে গেলে মা তুমিও।প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনও চলে যাচ্ছে একে একে।কেউ কেউ নাড়া দেয় মনে : দমকা হাওয়ার মত। বক্ষে বহে কেউ কেউ : শ্বাস প্রশ্বাসের মত।
কেউবা ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি : চুলকাটা বোধের মত।কিন্তু তুমি মা - শোকসিন্ধু অস্তাচলের নিশিমণির মত বার বার ঘুরে আসো হৃদয় তীরে।তাই তো তোমাকে ভুলতে পারি না।ভুলতে পারি না বাবাকেও।তোমরা কেন জড়িয়ে থাকো,তোমরা কেন ভরে থাক,তোমরা কেন হুহু করে ওঠো - আমার সকল অস্তিত্ব জুড়ে।টান লাগে কেন আত্মার গভীরে।সন্তাপী কষ্টের পাহাড়গুলো কেন চেপে বসে বক্ষের ওপর।
কেন এত রক্তক্ষরণ অনুশোচনার রন্ধ্রে রন্ধ্রে।এই ভেবে কেঁপে উঠি :তোমার প্রতি যোগ্যতম আচরণের দায়ে :“পায়ের তলার বেহেস্ত” থেকে - বঞ্চিত হয়েছি কি না। এখন শুধু ভাবি - কর্তব্যের সপ্রতিভ নির্মল দৃষ্টির বাঁধনে বাঁধিনী কেন তোমাকে। কেন, দারাপরিবার নিয়েই শুধু উৎফুল ছিলাম : কুলাঙ্গারের মত।
 গল্প বড় অল্পডানা ইশরাত আমার চার দেয়ালের গল্প বড় অল্প। আমার চোখে বসে না আনন্দ রোদযেখানে তাকাই ক্ষয়ে যায় চাঁদআমার পায়ের নিচে আদিম বিরান পৃথিবীআমার মতোই মৃত, নিঃশব্দ আমার চার দেয়ালের ভাজে অশ্রু চুয়ে পড়েগুমোট বাতাসে পালায় কোলাহলআমাকে স্পর্শ করে না বিদ্রোহী স্বাধীনতাচুরি করে স্বপ্ন দেখি এক মায়াবী রাত্রির আমি ভীষণ শূন্য, নিঃসঙ্গ এক রাত।

 Image result for kobita ma

শেখ ফজল : আমাকে কে দোয়া করবে আর!কে চোখের মণিকোঠায়অপেক্ষার পিদিম জ্বেলে বসে থাকবে।উৎকণ্ঠায় জপবে জপতপ জপমালা।দেখতে দেখতে চলে গেলেন বাবা আমার।চলে গেলে মা তুমিও।প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনও চলে যাচ্ছে একে একে।কেউ কেউ নাড়া দেয় মনে : দমকা হাওয়ার মত। বক্ষে বহে কেউ কেউ : শ্বাস প্রশ্বাসের মত।কেউবা ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি : চুলকাটা বোধের মত।কিন্তু তুমি মা - শোকসিন্ধু অস্তাচলের নিশিমণির মত বার বার ঘুরে আসো হৃদয় তীরে।তাই তো তোমাকে ভুলতে পারি না।ভুলতে পারি না বাবাকেও।তোমরা কেন জড়িয়ে থাকো,তোমরা কেন ভরে থাক,তোমরা কেন হুহু করে ওঠো - আমার সকল অস্তিত্ব জুড়ে।টান লাগে কেন আত্মার গভীরে।সন্তাপী কষ্টের পাহাড়গুলো কেন চেপে বসে বক্ষের ওপর।কেন এত রক্তক্ষরণ অনুশোচনার রন্ধ্রে রন্ধ্রে।এই ভেবে কেঁপে উঠি :তোমার প্রতি যোগ্যতম আচরণের দায়ে :“পায়ের তলার বেহেস্ত” থেকে - বঞ্চিত হয়েছি কি না। এখন শুধু ভাবি - কর্তব্যের সপ্রতিভ নির্মল দৃষ্টির বাঁধনে বাঁধিনী কেন তোমাকে। কেন, দারাপরিবার নিয়েই শুধু উৎফুল ছিলাম : কুলাঙ্গারের মত। গল্প বড় অল্পডানা ইশরাত আমার চার দেয়ালের গল্প বড় অল্প। আমার চোখে বসে না আনন্দ রোদযেখানে তাকাই ক্ষয়ে যায় চাঁদআমার পায়ের নিচে আদিম বিরান পৃথিবীআমার মতোই মৃত, নিঃশব্দ আমার চার দেয়ালের ভাজে অশ্রু চুয়ে পড়েগুমোট বাতাসে পালায় কোলাহলআমাকে স্পর্শ করে না বিদ্রোহী স্বাধীনতাচুরি করে স্বপ্ন দেখি এক মায়াবী রাত্রির আমি ভীষণ শূন্য, নিঃসঙ্গ এক রাত। - See more at: http://www.dailyinqilab.com/details/14738/%E0%A6%AE%E0%A6%BE,-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F#sthash.V3BgYQXK.dpuf

Read more at: http://www.dailyinqilab.com/details/14738/%E0%A6%AE%E0%A6%BE,-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F
Copyright Daily Inqilabvv

অদ্ভুতুড়ে 2:13 AM
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
<a href='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
- See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=1201&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=2&archiev=yes&arch_date=26-05-2015#sthash.6kqVEZwU.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 1:52 AM
সন্তানদের সঙ্গে মায়েরা শিশুসুলভ কথা-বার্তা বলেন। কিন্তু বাবাদের ভাষা মোটেও শিশুসুলভ নয়। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি এর ডিপার্টমেন্ট অব স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং সায়েন্স এর প্রফেসর মার্ক ভ্যানড্যাম বলেন, বাবারা সাধারণত তার শিশু সন্তানদের সঙ্গে বড়দের মতো করেই কথা বলেন। তবে এটা খারাপ কোনো বিষয় নয়। সন্তানদের প্রতি তাদের ভালোবাসার কমতিও নয়।

ভ্যানড্যাম আরো বলেন, মায়েরা সন্তানের সঙ্গে কথা বলার সময় নানা স্বরে কথা বলেন যা বড়দের সঙ্গে করেন না। তবে সন্তানের বয়স এবং লিঙ্গে ওপর ভিত্তি করে বাবার কণ্ঠস্বর এবং আলাপচারিতা বদলে যায়।

এ গবেষণার কাজে বিশেষজ্ঞ শিশু এবং তাদের বাবা-মায়ের কথোপকথন রেকর্ডিং করেন। দৈনন্দিন জীবনে তাদের সাধারণ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করা হয়।

গবেষণাপত্রটি অ্যাকোয়াস্টিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকা এর ১৬৯তম সভার উপস্থাপিত হবে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
  Image result for মায়ের কথা শিশু
Powered by Blogger.