অদ্ভুতুড়ে 2:13 AM
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
<a href='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
- See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=1201&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=2&archiev=yes&arch_date=26-05-2015#sthash.6kqVEZwU.dpuf

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Powered by Blogger.