Showing posts with label সমগ্রবাংলা. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 5:05 AM


আজ ২৩ জুলাই ২০১৬ ঢাকার নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক জনাব পনিরুজ্জামান তরুন এর জন্মদিন।  জন্মদিন উপলক্ষ্যে একটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। আলোচ্য প্রোগ্রামে উপস্থিথ ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ইমরান হোসেইন এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক আশিক হোসেইন কাজল।

এছাড়াও  ঢাকা জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি ইকরামুল হক নবী, নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাইফুল ইসলাম,  নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান রনি সহ আরও অনেকেই। এছাড়াও ডিএম কলেজ শাকা ছাত্রলীগের সভাপতি শুভন শিকদার এবং সেক্রেটারি নাইদুল আলম নাদিম। জন্মদিন প্রোগ্রামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিথ ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিথ ব্যাক্তিবর্গ পনিরুজ্জামান তরুন ভাই কে ফুল দিয়ে বরন করে নেন। উপস্থিথ সকলের উদ্দেশ্যে পনিরুজ্জামান তরুন  বলেন "আমার জন্য দোয়া করবেন,  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশের জনগন এবং নবাবগঞ্জবাসীর জন্য যেন ভবিষ্যৎ কিছু করতে পারি। জনগণের পাশে থেকে সকলের জন্য যেন কিছু করতে পারি।"

অদ্ভুতুড়ে 2:40 AM

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দল পড়ুয়ার মধ্যে সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত হয়ে মারা গেলেন এক ছাত্র। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা একটা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরেই মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পর পড়ুয়ারা আরও ক্ষেপে ওঠে। প্রথমে শহরের প্রবর্তক মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। তারপর ভাঙচুর চালানো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনেও ভাঙচুর চালানো হয়।


চকবাজার থানা ওসি জানিয়েছেন, ‘‘একটি ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সিনিয়র ও জুনিয়র ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এই সময়েই ছুরিকাহত হন বেশ কিছু ছাত্র।’’ আহতদেক তড়িঘড়ি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেই একজনের মৃত্যু হয়। মৃতের নাম সোহেল। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ-এর ছাত্র।  

প্রর্বতক মোড়ে অবরোধ পুলিশ তুলে দিলে দেওয়ার পর পড়ুয়ারা কয়েকটি দোকানে ভাঙচুরও চালায়।

অদ্ভুতুড়ে 9:26 PM
সময়ের কন্ঠস্বর- দিন যতই যাচ্ছে ততই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন তরুণরাই বেশি বলা চলে। আর তাদের মধ্যে বেশির ভাগই স্টুডেন্ট। বেকার জীবনে কত টাকাই না ইন্টারনেটের পেছনে শেষ করতে হয়েছে। তবে এবার তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে গ্রামীনফোন। সারাদেশ জুড়ে গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করবে গ্রামীণফোন। এ বছরের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি স্থানে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকর্ষনীয় ইন্টারনেট অফার দেয়া হচ্ছে। গ্রামীণফোন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে প্রথম তিন মাস গ্রামীণফোন গ্রাহকরা বিনাখরচে এ ওয়াইফাই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করা গ্রামীণফোনের অন্যতম প্রয়াস। সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ওয়াইফাই হটস্পট জোনে গেলে তাদের মোবাইলের ওয়াইফাই চালু করলে ‘জিপি ওয়াইফাই’ নামে একটি এসএসআইডি দেখতে পাবেন। ‘জিপি ওয়াইফাই’ এ যুক্ত হবার পর তার গ্রামীণফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এই পর্যায়ে তারা একটি এসএমএস পাবেন যা তাকে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দেবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ আইএসপি আমরা নেটওয়ার্ক এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনকে কারিগরি সহায়তা দেবে।

সময়ের কন্ঠস্বর- দিন যতই যাচ্ছে ততই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন তরুণরাই বেশি বলা চলে। আর তাদের মধ্যে বেশির ভাগই স্টুডেন্ট। বেকার জীবনে কত টাকাই না ইন্টারনেটের পেছনে শেষ করতে হয়েছে। তবে এবার তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে গ্রামীনফোন। সারাদেশ জুড়ে গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করবে গ্রামীণফোন। এ বছরের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি স্থানে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকর্ষনীয় ইন্টারনেট অফার দেয়া হচ্ছে। গ্রামীণফোন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে প্রথম তিন মাস গ্রামীণফোন গ্রাহকরা বিনাখরচে এ ওয়াইফাই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করা গ্রামীণফোনের অন্যতম প্রয়াস। সারা দেশজুড়েই গ্রামীণফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেশজুড়ে থ্রিজি সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
<a href='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/ck.php?n=ae55f451&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://mediaconnect24.com/spa/revive-adserver-3.0.4/www/delivery/avw.php?zoneid=2&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=ae55f451' border='0' alt=''/></a>
গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ওয়াইফাই হটস্পট জোনে গেলে তাদের মোবাইলের ওয়াইফাই চালু করলে ‘জিপি ওয়াইফাই’ নামে একটি এসএসআইডি দেখতে পাবেন। ‘জিপি ওয়াইফাই’ এ যুক্ত হবার পর তার গ্রামীণফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এই পর্যায়ে তারা একটি এসএমএস পাবেন যা তাকে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে দেবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ আইএসপি আমরা নেটওয়ার্ক এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনকে কারিগরি সহায়তা দেবে।
- See more at: http://www.somoyerkonthosor.com/archives/313027#sthash.QgfnRAdd.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 10:32 PM
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম বন্ধ রয়েছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সবুজ সংকেত পাওয়া মাত্রই এসব মাধ্যমগুলো পুনরায় সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।’

শনিবার দুপুরে সিলেটে এম সি কলেজে একটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বর্তমান বিশ্বে ঝুঁকি বাড়ছে। সাইবার সিকিউরিটি এখন একটি বিরাট ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ সাইবার অপরাধ দমনে শীঘ্রই আইন প্রণয়ন করা হবেও বলে জানান তিনি।

সরকার সিলেটে ইলেকট্রনিক সিটি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। সরকার দেশের জনগণের দোরগোড়ায় ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এক লাখ ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’

এমসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রবি’র চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড পিপল অফিসার মতিউল ইসলাম নওশাদ, কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. হায়াতুল ইসলাম আকন্দ।

অদ্ভুতুড়ে 7:55 PM


‘প্রজাপতি’ ছবিতে গান করার জন্য ২০১১ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (সেরা সংগীতশিল্পী) পান ন্যান্সি। জন্মসূত্রে যশোরের মেয়ে হলেও ন্যান্সি বেড়ে উঠেছেন সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের নেত্রকোনায়। ১৯৮৭ সালের ১৩ই ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন ন্যান্সি।তার পুরো নাম নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।
 
সংগীত শিল্পী হয়ে ওঠা:
মা জোৎস্না হক ছিলেন শখের শিল্পী। বয়স যখন মাত্র চার বছর তখনই মায়ের কাছে ন্যান্সির গানে হাতেখড়ি। একটু বড় হয়ে উঠার পর তালিম নেন ফরিদপুরের ওস্তাদ তারাপদ দাসের কাছে। আজকের ন্যান্সি হয়ে ওঠার পেছনে চমৎকার একটা গল্প আছে। নেত্রকোনায় থাকাকালীন ন্যান্সির বাসায় এক সন্ধ্যায় ঘরোয়া গানের আসরে তার মামা নজরুল ইসলামের সঙ্গে আসেন বিখ্যাত শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। সেদিন ন্যান্সির গান শুনে তিনি বেশ খুশি হয়েছিলেন এবং ন্যান্সির মাথা ছুঁয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন। ফেরদৌস ওয়াহিদ তখন ঢাকায় এসে ছেলে হাবীবের কাছে ন্যান্সির কন্ঠের স্বকীয়তা ও মাধুর্যের প্রশংসা করেন। হাবীব তখন ‘ভালবাসবো বাসবোরে ...’ গানটির কোরাসের জন্য নতুন মেয়ে খুঁজছিলেন। পরে হাবীব ন্যান্সিকে তার স্টুডিওতে ডেকে পাঠান। সেবার ঢাকায় এসে ন্যান্সিকে গানটির কোরাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়েছিল। কিন্তু সেদিন হাবীব ঠিকই ন্যান্সির জাতটা চিনেছিলেন। তাই তিনি আবারও ন্যান্সিকে ডেকে পাঠান। এবার হাবীব ন্যান্সিকে দিয়ে করিয়ে ফেলেন ফ্রেশ সয়াবিন তেলের চমৎকার একটা জিঙ্গেল। পুরো মিডিয়া জগতে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় নবীন এই শিল্পীর গায়কী নিয়ে। এরপর আর ন্যান্সিকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। জনপ্রিয় অনেক বিজ্ঞাপন, টিভিনাটক আর চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে ন্যান্সি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
 
প্রেম-ভালোবাসা এবং বিয়ে:
২০০৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ব্যবসায়ী আবু সাঈদ সৌরভকে। কিন্তু দু’জনের মধ্যে বোঝাপড়ায় সমস্যা শুরু হওয়ায় ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একে অপরকে ডিভোর্স দেন। তাদের দু’জনের ঘরে জন্ম নেয় একমাত্র কন্যা সন্তান রোদেলা। ২০১৩ সালের মার্চে ২য় বার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ন্যান্সি। বরের নাম নাজিমুজ্জামান জায়েদ। বাড়ি ময়মনসিংহ। স্থানীয় পৌরসভায় চাকরি করার পাশাপাশি ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি। ২০১৪ সালের ৯ জানুয়ারি ন্যান্সি-জায়েদ এর সংসার আলোকিত করে জন্ম নেন আরেকটি কন্যা সন্তান। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে নায়লা।
১ম স্বামী ও সন্তানের সাথে ন্যান্সি (বায়ে), ২য় স্বামী ও সন্তানের সাথে ন্যান্সি (ডানে)

অদ্ভুতুড়ে 10:17 AM


ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সাঁকো ভেঙে খালে পড়ে আহত হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরীসহ ১৫ জন। গতকাল সকালে পাঠান নগর ইউনিয়নের গতিয়া গ্রামে সাঁকো পরিদর্শনকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, এলাকার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে ওই দিন সকালে আট ফুট প্রশস্ত ১৩০ ফুট দীর্ঘ মুহুরী নদীর ফুলছরি ঘাট সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পরিদর্শনে যান উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার সোহেল। তার সঙ্গে থাকা পাঠাননগর ইউনিয়র চেয়ারম্যান রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েলসহ লোকজন সাঁকোর উপর উঠলে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে।

এ সময় চেয়ারম্যানসহ ১৫ জন আহত হন। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার সোহেল ওই এলাকার আজিজুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অদ্ভুতুড়ে 12:27 PM

জন্মের পর বিক্রি হওয়া খুলনার মেয়ে জামিলা আজ আমেরিকা প্রবাসী এস্থার জামিনা জডিং। ৩৭ বছর পর সে মাকে খুঁজে পেয়েছেন। আর মাকে দেখার জন্য ছুটে এসেছেন খুলনায়। ৩ দিন মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছেন তিনি। বিদায় বেলায় অশ্র“সিক্ত নয়নে মা নূরজাহানকে বলে যান, ‘নো মোর ফিশিং।
/
ভিডিওটি দেখুনঃ

অদ্ভুতুড়ে 11:25 PM
প্যারিসের সিন নদীর উপরের ‘পুঁ দে আ’ ব্রিজের দুই পাশের রেলিংয়ে হাজার হাজার তালা ঝুলিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা আর নবদম্পতিরা চাবিটি নদীতে ছুড়ে সে গল্প হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা। সুদূর প্যারিসের সিন নদীর উপরে অবস্থিত ওই ‘লাভ লক’ ব্রিজের অনুকরণে এবার রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে হাতিরঝিলে একটি ব্রিজে দেখা গিয়েছে !

ভিডিওটি দেখুনঃ

অদ্ভুতুড়ে 11:37 AM

বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড। শুধু তাই-ই নয় এই স্থানটি বর্তমানে পর্যটক আকর্ষণেও অনেকটা এগিয়ে। বিশেষত সীতাকুন্ডের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য যেকোনো ভ্রমণকারীকে আপন করে নিতে সক্ষম। সীতাকুন্ডের সবচাইতে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্র হলো “চন্দ্রনাথ পাহাড়”। 
সীতাকুন্ড বাজার থেকে পূর্ব দিকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়টি অবস্থিত। জনশ্রুতি রয়েছে যে, নেপালের এক রাজা ঘুমের মধ্যে পৃথিবীর পাঁচ স্থানে শিব মন্দির স্থাপনের আদেশ পান। স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে নেপালের সেই রাজা পৃথিবীর পাঁচ স্থানে পাঁচটি শিব মন্দির স্থাপন করেন। এগুলো হলো – নেপালের পশুপতিনাথ, কাশিতে বিশ্বনাথ, পাকিস্তানে ভুতনাথ, মহেশখালীর আদিনাথ এবং সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায় প্রাচীন আমলে এখানে মহামুনি ভার্গব বাস করতেন। অযোধ্যার রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্র তার বনবাসের সময় এই স্থানে এসেছিলেন। মহামুণি ভার্গব রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্র আগমন করবেন জেনে তাদের গোসল করার জন্য এখানে তিনটি কুন্ড সৃষ্টি করেন। রামচন্দ্রের সাথে তার স্ত্রী সীতাও এখানে এসেছিলেন। রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতা এই কুন্ডে গোসল করেছিলেন এবং সেই থেকে এই স্থানের নাম সীতাকুন্ড।  
 
প্রাচীন নব্যপ্রস্তর যুগে সীতাকুণ্ডে মানুষের বসবাস শুরু হয় বলে ধারনা করা হয়। এখান থেকে আবিষ্কৃত প্রস্তর যুগের আসামিয় জনগোষ্ঠীর হাতিয়ার গুলো তারই স্বাক্ষর বহন করে। ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শতাব্দীতে সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অধীনে ছিল। এর পরের শতাব্দীতে এই অঞ্চলের শাসনভার চলে যায় পাল সম্রাট ধর্মপাল দ্বারা এর হাতে (৭৭০-৮১০ খ্রীঃ)। সোনারগাঁও এর সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ্ (১৩৩৮-১৩৪৯ খ্রীঃ)১৩৪০ খ্রীষ্টাব্দে এ অঞ্চল অধিগ্রহন করেন। পরবর্তীতে ১৫৩৮ খ্রীষ্টাব্দে সুর বংশের শের শাহ্ সুরির নিকট বাংলার সুলতানি বংশের শেষ সুলতান সুলতান গীয়াস উদ্দীন মুহাম্মদ শাহ্ পরাজিত হলে হলে এই এলাকা আরাকান রাজ্যের হাতে চলে যায় এবং আরাকানীদের বংশধররা এই অঞ্চল শাসন করতে থাকেন। পরবর্তীতে পর্তুগীজরাও আরাকানীদের শাসনকাজে ভাগ বসায় এবং ১৫৩৮ খ্রী: থেকে ১৬৬৬ খ্রী: পর্যন্ত এই অঞ্চল পর্তুগীজ ও আরাকানী বংশধররা একসাথে শাসন করে। প্রায় ১২৮ বছরের রাজত্ব শেষে ১৯৬৬ খ্রী: মুঘল সেনাপতি বুজরুগ উন্মে খান আরাকানীদের এবং পর্তুগীজদের হটিয়ে এই অঞ্চল দখল করে নেন।   
 
পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দেৌলার পরাজয়ের পর এই এলাকাটিও ইংরেজদের দখলে চলে যায়। পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সময় এই অঞ্চলের কর্তৃত্ব স্বদেশীদের হাতে আসে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই এলাকাটি ২ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
 
সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে কিভাবে যাবেন
সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের দূরত্ব খুব কম হওয়ায় রিক্সায় করেই যাওয়া যায়। তবে রিক্সায় যাওয়ার চেয়ে পায়ে হেটে গেলে ভ্রমণের আসল মজাটা উপভোগ করা যায়। সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যেতে পথে পড়বে অসংখ্য দর্শনীয় দৃশ্য। রিক্সায় করে গেলে সেই সব সৌন্দর্য থেকে বঞ্চিত হতে হয়। সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাওয়ার সময় পথে হিন্দুদের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা পর্যটকদের চোখে পড়বে। চলতি পথে চোখে পড়বে পেয়ারা, সুপারি, আম সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বাগান। পাহাড়ের ভিতরের দিকে স্থানীয় নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠীর জনগণ জুম ও ফুলের চাষ করে। স্থানীয় নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা নামে পরিচিত। সীতাকুন্ড থেকে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাওয়ার পথে যে জিনিসটি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে সেটি হলো পথিমধ্যে থাকা ছোট ছোট ঝর্নাগুলো। যাওয়ার পথে প্রথম যে ঝর্নাটি পড়বে সেখান থেকেই চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উঠার রাস্তা দু-ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। যারা সহজ উপায়ে সরাসরি পাহাড়ে উঠতে চান তারা ডানদিকের সিড়িওয়ালা রাস্তাটি দিয়ে উপরে উঠতে পারেন এবং যারা পাহাড়ি পথ ডিঙিয়ে রোমাঞ্চের সাথে পাহাড়ে উঠতে চান তারা বামদিকের পাহাড়ি পথ দিয়ে উপরে উঠতে পারেন। উল্লেখ্য ডানদিকের পথটিতে সিড়ি থাকলেও পাহাড়ে উঠার ক্ষেত্রে বামদিকের পাহাড়ি পথটিই সহজ। আর পাহাড় থেকে নিচে নামার সময় ডানদিকের সিড়িওলা পথটিই সহজ।
 
চন্দ্রনাথ মন্দির ছাড়াও এখানে সীতা মন্দির নামে আরও একটি মন্দির আছে। এই মন্দিরের কাছে মৃতপ্রায় একটি ঝর্না রয়েছে। তবে আপনি যদি ঝর্নার পানিতে গোসল করতে চান তাহলে আপনাকে পাহাড়ের গভীর বনের মধ্যে যেতে হবে। গ্রীষ্মকালে এই পাহাড় রুক্ষ্ম থাকলেও বর্ষাকালে বৃষ্টিস্নাত হয়ে পাহাড়ের গাছ, লতা, পাতা সবকিছু ধুয়ে মুছে পরিষ্কার সতেজ হয়ে পর্যটকদের মন প্রাণ ভরিয়ে তোলে। উল্লেখ্য বর্ষাকালে পাহাড়ে ওঠার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এসময় পাহাড়ি পথ ব্যবহার না করে সিড়ি পথটিই ব্যবহার করা সুবিধাজনক।
 
যারা উদ্ভিদবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন তাদের জন্য সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ পাহাড় গবেষণার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান। এখানে রয়েছে অসংখ্য পাহাড়ি গাছ-গাছরা, লতা-পাতা, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ।
 
সারা বছর জুড়েই অসংখ্য দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনায় এই স্থানটি মুখরিত থাকে। এখানে পর্যটকদের গাড়ি রাখার জন্য বিশাল একটি মাঠ রয়েছে। তবে এখানে বিশুদ্ধ খাবার পানির বড়ই অভাব। সেজন্য পর্যটকদের সাথে করে খাবার পানি নিয়ে যেতে হয়।
   
শিবর্তুদশী মেলা
সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকা বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর বাংলা ফাল্গুন মাসে বড় ধরনের একটি মেলার আয়োজন করে থাকে। যেটি শিবর্তুদর্শী মেলা নামে পরিচিত। এই মেলায় বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য সাধু এবং নারী-পুরুষ যোগদান করেন। 
 
যাতায়াত ব্যবস্থা
ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন ও বিমান সকল পথেই সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাওয়া যায়। ঢাকার কমলাপুর, সায়েদাবাদ, কল্যাণপুর সহ দেশের যেসকল স্থান থেকে চট্টগ্রামের গাড়ি ছাড়ে সেসব গাড়িতে করে সীতাকুন্ড যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে সকল বাসই সীতাকুন্ডে থামে। আর যারা ট্রেনে করে যেতে চান তাদেরকে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ‍ঢাকা মেইল ট্রেনে উঠতে হবে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র এই ট্রেনটিই সীতাকুন্ড স্টেশনে যাত্রী উঠা-নামা করিয়ে থাকে। তবে শিবর্তুদর্শী মেলার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অন্যান্য ট্রেনও সীতাকুন্ডে যাত্রী উঠা-নামা করিয়ে থাকে। ঢাকা মেইল ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছাড়ে রাত ১১ টায় এবং সীতাকুন্ডে গিয়ে পৌছায় সকাল ৭ টায়। আর বিমান পথে যেতে হলে আপনাকে বেস্ট এয়ার অথবা ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজের চট্টগ্রামের ফ্লাইটে উঠতে হবে। বেষ্ট এয়ার (৯৮৮২৪০৪, ওয়েব ঠিকানা: www.bestairbd.com) এবং ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (ফোন নং: ৯৮৮২৪০৪, ওয়েব ঠিকানা: www.uabdl.com) । চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ড যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী পাবলিক বাস রয়েছে। এসব বাসগুলো চট্টগ্রাম মাদারবাড়ী ও কদমতলী থেকে ছেড়ে যায়। এছাড়া স্থানীয়ভাবে ম্যাক্সী নামক এক ধরনের ছোট গাড়ি রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ডে যাওয়ার জন্য। এগুলো অলংকার বাস স্ট্যান্ডে পাওয়া যায়।
 
থাকার ব্যবস্থা
পর্যটকদের থাকার জন্য সীতাকুন্ডে তেমন কোনো ভালো হোটেল নেই। পর্যটকরা চাইলে এখানে অবস্থিত মন্দিরগুলোতে অনুমতি নিয়ে থাকতে পারেন। তবে সবচাইতে ভালো রাতে সীতাকুন্ড না থেকে চট্টগ্রামে ফিরে যাওয়া।      

অদ্ভুতুড়ে 2:13 AM
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
গারো তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের রুলযাযাদি রিপোর্ট রাজধানীতে মাইক্রোবাসে তুলে গারো তরুণীকে ধর্ষণে জড়িতদের ৪ দিনেও শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই তরুণীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন ভাটারা থানার পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন।
<a href='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/ck.php?n=a0d63775&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE' target='_blank'><img src='http://bdads.bd-ads.com/ads/www/delivery/avw.php?zoneid=79&cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&n=a0d63775' border='0' alt='' /></a>
গত বৃহস্পতিবার রাতে ভাটারা থানাধীন কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের ওই বিক্রয়কর্মীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়েছিল একদল যুবক। দল বেঁধে ধর্ষণের পর তাকে নামিয়ে দেয়া হয়।
ওই তরুণী
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলেও মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তার সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়কদের দেড় মাসেও গ্রেপ্তারে পুলিশের ব্যর্থতার মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী ধর্ষিত হয়। আগের ঘটনাগুলোতে অপরাধী ধরা না পড়ায় অপরাধপ্রবণতা বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে ওই তরুণীর সহযোগিতার কথা এক দিন আগেই বলেছিলেন মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
তদন্তের অগ্রগতির খবর নিতে সোমবার পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায়, বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজের ওপর নির্ভর করতে চাইছে পুলিশ।
ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করতে অনেক সময় লাগে। কারণ, এক ঘণ্টার ফুটেজ ভালোভাবে, গুরুত্ব দিয়ে দেখতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে বলে কিছুটা দেরি হচ্ছে।
ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শুরুতে তার কর্মস্থলে এক যুবক দুজন বিদেশি নারীকে নিয়ে এসেছিলেন। মাইক্রোবাসে ওই যুবকও ছিলেন। অন্য যুবকদেরও তিনি দেখলে চিনতে পারবেন।
এ ঘটনা জানার পর পুলিশ যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন স্থানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং কুড়িল, বিশ্বরোড ও যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ আগের এবং ঘটনার পরের ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মেয়েটি যে বর্ণনা দিয়েছে, তেমন কাউকে এখনো ফুটেজে দেখা যায়নি। এছাড়া বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে বহু মাইক্রোবাস চলাচলের ফুটেজ আছে। তবে কোনোটির নাম্বার প্লেট ফুটেজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা, তাও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সোমবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, কোনো ঘটনার তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার আগে বলা কঠিন, এটি পরিকল্পিত ছিল কিনা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত।
এখনো কেউ ধরা না পড়লেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‌্যাব কাজ করে চলেছে জানিয়ে অচিরেই সফল হওয়ার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্ষণের এই মামলাটির অগ্রগতি তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
তবে রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা করতে গিয়ে পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন ওই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।
তার বড় বোন বলেন, তাদের বাসা উত্তরায় হওয়ায় তারা প্রথমে মামলা করতে তুরাগ থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য এলাকার ঘটনা বলে পুলিশ রাত ৪টার দিকে তাদের ফিরিয়ে দেয়।
এরপর ভোর ৫টার দিকে তারা যান গুলশান থানায়। সেখানেও একই উত্তর মেলে। শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারা থানায় গিয়ে দেখেন, ওসি নেই।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওসি আসার পর মামলা নথিভুক্ত হতে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে যায় বলে জানিয়েছেন ওই তরুণীর বোন।
- See more at: http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=1201&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=2&archiev=yes&arch_date=26-05-2015#sthash.6kqVEZwU.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 2:14 AM
কাগজ অনলাইন ডেস্ক: যে সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারী নতুন স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য এখন দারুণ একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। ‘স্মার্ট এক্সচেঞ্জ অফার’ নামের এই সুযোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের ব্যবহৃত স্মার্টফোন বদলে একটি গ্যালাক্সি এস৬ নিতে পারবেন। স্যামসাং বাংলাদেশ সোমবার গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে এ তথ্য জানায়।

জানা গেছে, গ্রাহকরা তাদের ব্যবহৃত স্মার্টফোন নির্ধারিত স্যামসাং স্টোরে নিয়ে এলে তারা তাদের ফোনের জন্য মূল্য অফার পাবেন। গ্রাহকরা বাজার মূল্য অনুযায়ী তাদের ফোনের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য পাবেন। ব্যবহৃত ফোনের জন্য মূল্য নির্ধারণের পর গ্রাহককে গ্যালাক্সি এস৬-এর জন্য বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে। বাড়তি মূল্য গ্রাহকরা ৩ মাস থেকে ৬ মাসের ইএমআই সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

এই এক্সচেঞ্জ অফারের জন্য গ্রাহককে অবশ্যই তার পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে এবং এক কপি ছবিসহ পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি কপি দিতে হবে।

স্যামসাং বাংলাদেশের হেড অব মোবাইল হাসান মেহদী বলেন, ‘গ্রাহকরা নতুন স্মার্টফোন কেনার পর পুরানো কার্যকরী স্মার্টফোন নিয়ে কী করবেন তা নিয়ে অনেক সময় চিন্তিত থাকেন। এই চিন্তা দূর করতেই স্মার্ট এক্সচেঞ্জ অফার নিয়ে আসা হয়েছে, যাতে আমাদের গ্রাহকরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন গ্যালাক্সি এস৬ ব্যবহারের সুযোগ পান।’
Image result for স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৬ এক্সচেঞ্জ অফারImage result for স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৬ এক্সচেঞ্জ অফার

Powered by Blogger.