সূত্র জানায়, এলাকার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে ওই দিন সকালে আট ফুট প্রশস্ত ১৩০ ফুট দীর্ঘ মুহুরী নদীর ফুলছরি ঘাট সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পরিদর্শনে যান উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার সোহেল। তার সঙ্গে থাকা পাঠাননগর ইউনিয়র চেয়ারম্যান রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েলসহ লোকজন সাঁকোর উপর উঠলে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে।
এ সময় চেয়ারম্যানসহ ১৫ জন আহত হন। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার সোহেল ওই এলাকার আজিজুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
Post a Comment