গণ্ডামারায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত গ্রামবাসীর ওপর নির্বিচারে গুলি ও হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বাঁশখালীতে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছিল ছাত্র ঐক্য ফোরাম।
তবে হরতালের ডাক দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে ঐক্য ফোরাম। সকাল থেকে মাঠে নেই কেউ। অন্যদিকে স্বাভাবিক রয়েছে বাঁশখালী উপজেলার পরিস্থিতি।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুদার বাংলানিউজকে বলেন, সকাল থেকেই বাঁশখালী উপজেলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। হরতালের কোন প্রভাব নেই। হরতালের সমর্থনে কাউকে মিছিল-মিটিং করতে দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে হরতালের ডাক দেন ফোরামের আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ চৌধুরী। বুধবার সকাল থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
সোমবার (০৪ এপ্রিল) স্থানীয় হাজীপাড়া স্কুল মাঠে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে দুই গ্রুপের সমাবেশকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
সোমবার (০৪ এপ্রিল) স্থানীয় হাজীপাড়া স্কুল মাঠে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে দুই গ্রুপের সমাবেশকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
এরপরও দুপক্ষের লোকজন সমাবেশস্থলে এলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। এ সময় গ্রামবাসী, আনসার ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। তবে স্থানীয় লোকজনের দাবি, তারা ১৪৪ ধারা জারির বিষয়ে কিছুই জানতেন না। সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৪ জন নিহত এবং ১১ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় বাঁশখালী থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে।

Post a Comment