মৌয়ের সঙ্গে নোবেলের একটা সময় সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু সম্পর্কটা বেশিদিন টেকেনি। ভেঙে যায়। নোবেল মনেপ্রাণে ফিরতে চায় মৌয়ের জীবনে। বলতে চায় মনের আকুতি। একটি রেস্টুরেন্টে আমন্ত্রণ জানায় মৌকে। মুখোমুখি বসে দুজন।

মৌয়ের ব্যস্ততা তার মুঠোফোন নিয়ে। মাঝে একবার মুখটা তুলে জিজ্ঞাসা করলেন,
-কি বলবা বলো?
নোবেলের মিনতি,‘আমি আবার ফিরে আসতে চাই।
ঠাট্টার সুরে মৌয়ের তাচ্ছিল্য, ‘ওহ আচ্ছা! আর?’
নোবেল এবার আরো সিরিয়াস, ‘আগে আমি রিলেশনশীপ একদমই সিরিয়াস ছিলাম না। এবার আমি হ্যান্ডেড পার্সেন্ট এফোর্ট দিতে চাই, হান্ডেড পার্সেন্ট অনেস্ট থাকতে চাই।’
মৌয়ের সাফ জবাব, ‘১০০ কমিডেটও থাকতে চাও। জানি তো। এই কথা গুলো অনেকবার শুনেছি। কাজের বেলায় তো কিছুই করতে পারলেন না। শোন ফিরতে হলে রবিতে ফিরে যাও।’
-কি বলবা বলো?
নোবেলের মিনতি,‘আমি আবার ফিরে আসতে চাই।
ঠাট্টার সুরে মৌয়ের তাচ্ছিল্য, ‘ওহ আচ্ছা! আর?’
নোবেল এবার আরো সিরিয়াস, ‘আগে আমি রিলেশনশীপ একদমই সিরিয়াস ছিলাম না। এবার আমি হ্যান্ডেড পার্সেন্ট এফোর্ট দিতে চাই, হান্ডেড পার্সেন্ট অনেস্ট থাকতে চাই।’
মৌয়ের সাফ জবাব, ‘১০০ কমিডেটও থাকতে চাও। জানি তো। এই কথা গুলো অনেকবার শুনেছি। কাজের বেলায় তো কিছুই করতে পারলেন না। শোন ফিরতে হলে রবিতে ফিরে যাও।’
মৌ আর ফেরেনি নোবেলে জীবনে। রেস্টুরেন্ট থেকে দ্রুত বেরিয়ে গেলেন। এমন ঘটনাই দেখা মিললো রবির নতুন বিজ্ঞাপনে। প্রিয়জনের ফিরে আসার গল্প দিয়ে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন কিবরিয়া ফারুকী।
বিজ্ঞাপন নির্মাণ প্রসঙ্গে কিবরিয়া ফারুকী বাংলামেইলকে বলেন, ‘গল্প নির্ভর বিজ্ঞাপনটিতে নোবেল ও মৌ জুটিকে চিন্তা করেই বিজ্ঞাপনটি তৈরি করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, প্রায় এক যুগ আগে নোবেল-মৌ জুটি বেঁধে একটি সাবান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছিলেন। সবশেষ ‘হাইওয়ে’ নামের একটি নাটকেও তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন।
Post a Comment