প্রেম, ভালোবাসা ধ্রপদী একটি বিষয়! এরচেয়ে ক্লাসিক পৃথিবীতে আর কিছু নেই। তাই সর্বকালে প্রেম পূজনীয়। এই প্রেমকে ঘিরেই মূলত পৃথিবীর আবর্তন-বিবর্তন। যুগ যুগ ধরে অসাধারণ প্রেম আখ্যান নিয়ে পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য কবিতা গল্প আর উপন্যাস।
আর সিনেমাতো কম হয়নি। গত একশো বছরে শুধুমাত্র প্রেমকে ঘিরেই পৃথিবীর সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নির্মাণ হয়েছেন স্মৃতি জাগানিয়া অগনিত প্রেমের গল্প। পৃথিবী কাঁপানো এমন প্রেমের কাহিনী নিয়ে নির্মিত সেরা ছয় সিনেমার কথা জেনে নিন এখানে:
রোমান হলিডে:
একটা নিখাদ প্রেমের ছবির কথা কাউকে বলতে বললে প্রথমেই তিনি যে নামটি গত ৬/৭ দশক থেকে নিয়ে আসছেন, তার নাম ‘রোমান হলিডে’।এক অসামান্য প্রেমের ছবি। এক সামান্য পত্রিকা রিপোর্টারের সাথে রোম নগরীর সম্ভাব্য সিংহাসনের উত্তরাধিকারিনীর প্রেমে জড়িয়ে পড়া, যে প্রিন্সেস আবার নিজের রাজ্য দেখতে ঘর পালিয়ে গিয়েছিলেন। এই ছবিতে রিপোর্টারের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন গ্রেগরি পেক এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী ব্রিটিশ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্ন। হেপবার্ন এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করে ছিলেন।
একটা নিখাদ প্রেমের ছবির কথা কাউকে বলতে বললে প্রথমেই তিনি যে নামটি গত ৬/৭ দশক থেকে নিয়ে আসছেন, তার নাম ‘রোমান হলিডে’।এক অসামান্য প্রেমের ছবি। এক সামান্য পত্রিকা রিপোর্টারের সাথে রোম নগরীর সম্ভাব্য সিংহাসনের উত্তরাধিকারিনীর প্রেমে জড়িয়ে পড়া, যে প্রিন্সেস আবার নিজের রাজ্য দেখতে ঘর পালিয়ে গিয়েছিলেন। এই ছবিতে রিপোর্টারের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন গ্রেগরি পেক এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী ব্রিটিশ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্ন। হেপবার্ন এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করে ছিলেন।
টাইটানিক:
বিশ্বসেরা দর্শকপ্রিয় ভালোবাসার সিনেমার নাম নিলে নব্বই দশকে নির্মিত মহান নির্মাতা জেমস ক্যামেরুনের ‘টাইটানিক’-এর কথা বলতেই হবে। ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া পৃথিবীতে নির্মিত সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘টাইটানিক’। যে জাহাজকে কেন্দ্র করে ছবিটিতে যে জ্যাক ও রোজ নামের দুই প্রেমিক-প্রেমিকার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে বহুদিন থেকে। ছবিটি টাইটানিকের সাথে এই দুই প্রেমিক প্রেমিকার ঘটনাও শেষ হয় বিরহ আর ট্রাজেডির মধ্য দিয়ে।
বিশ্বসেরা দর্শকপ্রিয় ভালোবাসার সিনেমার নাম নিলে নব্বই দশকে নির্মিত মহান নির্মাতা জেমস ক্যামেরুনের ‘টাইটানিক’-এর কথা বলতেই হবে। ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া পৃথিবীতে নির্মিত সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘টাইটানিক’। যে জাহাজকে কেন্দ্র করে ছবিটিতে যে জ্যাক ও রোজ নামের দুই প্রেমিক-প্রেমিকার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে বহুদিন থেকে। ছবিটি টাইটানিকের সাথে এই দুই প্রেমিক প্রেমিকার ঘটনাও শেষ হয় বিরহ আর ট্রাজেডির মধ্য দিয়ে।
বিফোর সানরাইজ:
এক আমেরিকান তরুণ ও একজন ফরাসি যুবতীর ভিয়েনার ট্রেনে পরিচয় এবং পরবর্তীতে ভিয়েনা শহরে সারারাত ঘুরে বেড়ানো এবং একে অপরকে জানার দীর্ঘ ১৪ ঘন্টা বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সংলাপ-নির্ভর চলচ্চিত্র ‘বিফোর সানরাইজ’। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে নির্মিত আমেরিকার অন্যতম রোমান্টিক চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত ছবি এটি। শুধু কি তাই! প্রেমের সিনেমা হিসেবেও বিশ্বজুড়ে সেরা সিনেমা হিসেবে উচ্চারিত ‘বিফোর সানরাইজ’। রিচার্ড লিংকলেটার ও কিম ক্রিযান রচিত ছবিটি নির্মাণ করে রিচার্ড লিংকলেটারই। ছবিতে অভিনয় দিয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন ইথান হক ও জুলি দেলপি।
এক আমেরিকান তরুণ ও একজন ফরাসি যুবতীর ভিয়েনার ট্রেনে পরিচয় এবং পরবর্তীতে ভিয়েনা শহরে সারারাত ঘুরে বেড়ানো এবং একে অপরকে জানার দীর্ঘ ১৪ ঘন্টা বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সংলাপ-নির্ভর চলচ্চিত্র ‘বিফোর সানরাইজ’। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে নির্মিত আমেরিকার অন্যতম রোমান্টিক চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত ছবি এটি। শুধু কি তাই! প্রেমের সিনেমা হিসেবেও বিশ্বজুড়ে সেরা সিনেমা হিসেবে উচ্চারিত ‘বিফোর সানরাইজ’। রিচার্ড লিংকলেটার ও কিম ক্রিযান রচিত ছবিটি নির্মাণ করে রিচার্ড লিংকলেটারই। ছবিতে অভিনয় দিয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন ইথান হক ও জুলি দেলপি।
দ্য নোটবুক:
১৯৪০ সালের প্রেমের গল্প ‘দ্য নোটবুক’। নোয়া ক্যালহউন এবং অ্যালে হ্যামিলটন নামে দুজন তরুণ-তরুণির প্রেমে পড়ার কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবি। এই দুই তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্প বর্তমান থেকে পেছেনের দিকে একজন নেপথ্য সংলাপের মাধ্যমে বয়ান করেন। নিকোলাস স্পার্কস রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি পরিচালনা করেছেন নিক ক্যাসাভেটস। অভিনয়ে ছিলেন রায়ান গসলিং, রেকল ম্যাক অ্যাডামস, জেমস গার্নার, গেনা রোনাল্ডসের মত তারকারা। লিন হ্যারিস এবং মার্ক জনসন প্রযোজিত চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আরন জিগম্যান। ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালের ২৫ জুন।
১৯৪০ সালের প্রেমের গল্প ‘দ্য নোটবুক’। নোয়া ক্যালহউন এবং অ্যালে হ্যামিলটন নামে দুজন তরুণ-তরুণির প্রেমে পড়ার কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবি। এই দুই তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্প বর্তমান থেকে পেছেনের দিকে একজন নেপথ্য সংলাপের মাধ্যমে বয়ান করেন। নিকোলাস স্পার্কস রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি পরিচালনা করেছেন নিক ক্যাসাভেটস। অভিনয়ে ছিলেন রায়ান গসলিং, রেকল ম্যাক অ্যাডামস, জেমস গার্নার, গেনা রোনাল্ডসের মত তারকারা। লিন হ্যারিস এবং মার্ক জনসন প্রযোজিত চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আরন জিগম্যান। ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালের ২৫ জুন।
ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার:
সমকামী দুই নারীর অসাধারণ এক প্রেমের আখ্যান ‘ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার’। দুই অসমবয়সী নারীর প্রেম -এর উপজীব্য। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ফ্রান্সের নির্মাতা আবদেল লতিফ ক্যসিসে। ছবিটি এরইমধ্যে কানসহ বিশ্বের প্রায় সব গুরত্বপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড ছিনিয়ে নিয়েছে।
সমকামী দুই নারীর অসাধারণ এক প্রেমের আখ্যান ‘ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার’। দুই অসমবয়সী নারীর প্রেম -এর উপজীব্য। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ফ্রান্সের নির্মাতা আবদেল লতিফ ক্যসিসে। ছবিটি এরইমধ্যে কানসহ বিশ্বের প্রায় সব গুরত্বপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড ছিনিয়ে নিয়েছে।
বারান:
মাজিদ মাজিদি ইরানি ছবির অন্যতম একজন নির্মাতা। তার নির্মিত ‘বারান’ ছবিটি অন্যতম শ্রেষ্ঠছবিগুলোর একটি। এটিকে পৃথিবীর নিঃশব্দ ভালোবাসার ছবি বলে মনে করা হয়। ইরানিয়ান সিনেমার দর্শক মূলত কাহিনীর সাথে নিজেদের আবদ্ধ করে ফেলেন,মিলে মিশে একাকার হয়ে যান সিনেমার গল্পের সাথে; ইরান সিনেমার দর্শকদের বোঝার দরকার হয় না লাইট, সেট আর ক্যামেরার কারিকুরি। সিনেমা নির্মাণকারীও কোন ধরণের মাতব্বরি না করে সাধারণ একটি গল্পকে অসাধারণ করে চিত্রায়িত করে ফেলেন। এই অর্থে নির্মাতা মাজিদ মাজিদির এক অসাধারণ চিত্রায়ন বলা যেতে পারে ‘বারান’কে।
মাজিদ মাজিদি ইরানি ছবির অন্যতম একজন নির্মাতা। তার নির্মিত ‘বারান’ ছবিটি অন্যতম শ্রেষ্ঠছবিগুলোর একটি। এটিকে পৃথিবীর নিঃশব্দ ভালোবাসার ছবি বলে মনে করা হয়। ইরানিয়ান সিনেমার দর্শক মূলত কাহিনীর সাথে নিজেদের আবদ্ধ করে ফেলেন,মিলে মিশে একাকার হয়ে যান সিনেমার গল্পের সাথে; ইরান সিনেমার দর্শকদের বোঝার দরকার হয় না লাইট, সেট আর ক্যামেরার কারিকুরি। সিনেমা নির্মাণকারীও কোন ধরণের মাতব্বরি না করে সাধারণ একটি গল্পকে অসাধারণ করে চিত্রায়িত করে ফেলেন। এই অর্থে নির্মাতা মাজিদ মাজিদির এক অসাধারণ চিত্রায়ন বলা যেতে পারে ‘বারান’কে।

Post a Comment