Showing posts with label international. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:23 AM
This-is-the-heroine-of-the-story

ইনিই সেই ঘটনার নায়িকা, যিনি তার স্কুলের সেই ছাত্রকে বাধ্য করেছিলেন।  সেই অভিযোগে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা হয়েছে।


অল্পবয়স্ক ছাত্রের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ায় এখন পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে টেক্সাসের একটি স্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকাকে।  এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে টেক্সাস পুলিশ। অভিযোগ প্রমাণ হলে ২৫ বছর অবধি জেল হতে পারে ওই শিক্ষিকার। হ্যারিস কাউন্টির স্টোভাল মিডল স্কুলের এই শিক্ষিকা অ্যালেক্সজান্দ্রিয়া ভেরা সন্তান-সম্ভবা হয়ে পড়ার পরই ছাত্রের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে চলে আসে।

তবে স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছে এ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেননি বছর চব্বিশের এই শিক্ষিকা।  এরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতারের তোরজোড় করায় গ্রেফতার এড়াতে তিনি গা-ঢাকা দিতে বাধ্যে হয়েছেন।জানা যায়, তিনি যে স্কুলের শিক্ষিকা, সেখানকারই বছর তেরোর এক ছাত্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  সেই সম্পর্কের জেরে আলোচনায় চলে আসেন তিনি। 

পুলিশের প্রাথমিক জেরায় অ্যালেক্সজান্দ্রিয়া জানিয়েছিলেন, প্রথমদিকে তিনি ওই ছাত্রটিকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন।  যদিও তদন্তের পর সেই দাবি সত্যি নয় বলেই মনে করছে পুলিশ।

ওই শিক্ষিকা পুলিশকে জানান, ২০১৫-এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল।  ওই সময়কালে তাদের প্রায় প্রতিদিনই সাক্ষাৎ হতো। অ্যালেক্সজান্দ্রিয়া ভেরার এ স্বীকারোক্তির পরই যে ছাত্রটি নাবালক, তাই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 2:08 AM
Kareena-is-going-to-be-a-mother

 

মা হতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। এমন শুভ সংবাদের আনন্দে স্বামী সাইফ আলী খানের সঙ্গে ঘুরে এলেন লন্ডন। যদিও এর আগেও বেশ কয়েকবার এ ধরনের খবর শোনা যায়। বরাবরই মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেন ‘হিরোইন’ অভিনেত্রী।


তবে এবারের খবরে খানিকটা ব্যতিক্রম আছে। স্পটবয় ডটকম একদম দিনক্ষণ জানিয়ে খবর প্রকাশ করেছেন। বলা হচ্ছে, কারিনা সাড়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। লন্ডনের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, নাওয়াব ও বেগম শিগগিরই প্রথম সন্তান আশা করছেন। সাম্প্রতিক লন্ডন সফরের বিষয়ও ছিল তাই। তারা খানিকটা নিরিবিলিতে সময়টা কাটাতে চেয়েছেন।

এটা ঠিক যে, কারিনার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার উপায় নেই। আপাতত সে অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা। বেশ কয়েকবছর প্রেম করার পর ২০১২ সালে বিয়ে করেন সাইফ ও কারিনা। কারিনার প্রথম হলেও সাইফের দ্বিতীয় বিয়ে এটি। অভিনেত্রী অমৃতা সিং’র ঘরে এ তারকার রয়েছে দুই সন্তান।

অদ্ভুতুড়ে 11:46 AM
Cases-of-violence-against-women-until-the-end-of-the-Johnny-deep

৫২ বছরের জনি ডেপ ৩০ বছরের অ্যাম্বার হার্ডকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের দেড় বছরের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে গেল এই হলিউড তারকা দম্পতির। কারণ হিসেবে জানা গেল, জনি ডেপ দ্বারা ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অ্যাম্বার।


হলিউড অভিনেতার বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর উপর আই ফোন ছুঁড়ে ফেলার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ করার পর শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলসের তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারক ‘পাইরেটস অব দ্যা ক্যারিবিয়ান’ খ্যাত অভিনেতাকে তার প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের কাছ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। জানা যায়, আদালতে অ্যাম্বার একটি ছবি দেখান যাতে তার মুখ ও চোখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় ডেপ তার মোবাইল ফোন অ্যাম্বারের দিকে ছুঁড়ে মারেন।

আদালত জনি ডেপকে অ্যাম্বারের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে অ্যাম্বারের আইনজীবী জানিয়েছেন। এছাড়াও ডেপের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় মুখে আঘাত করার অভিযোগ এনেছেন অ্যাম্বার। অভিযোগপত্রে তিনি লেখেন, ‘আমি সবসময় ভয়ে থাকতাম, জনি যে কোন সময় আমার উপর শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করতে পারে।’ ১৫ মাসের সংসারজীবনে বেশ কয়েকবার এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি অভিনেত্রীর।

অদ্ভুতুড়ে 2:32 AM
Hadid-pity-at-the-Cannes-Film-Festival's-clothing

অন্য সব তারকাদের মত বেলা হাদিদ আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে। তবে রেড কার্পেটে হাঁটতে গিয়ে বেশ মুশকিলে পড়েন অভিনেত্রী। স্টাইল আর ফ্যাশনে দুনিয়াবাসীকে চমকে দিতে লাল রঙের পোশাকে সেজেছিলেন বেলা। কিন্তু সেই পোশাকের কারণে বিপাকে পরেছিলেন তিনি। সম্প্রতি তার পোশাক ডিজাইনার জানালেন এই প্রসঙ্গে।


তার স্টাইলিশ এলিজাবেথ সালসার জানিয়েছেন, অ্যালেকজান্ডার ভথারের সঙ্গে মিলিতভাবে তিনি বেলার জন্য কিছু সুন্দর ও আকর্ষণীয় পোশাক বানাতে চেয়েছিলেন। তবে সেই সঙ্গে এলিজাবেথ এও বলেন, প্র্যাকটিস সবকিছু পারফেক্ট করে। বেলা মনে হয় সেই গাউনটি পরে হাঁটা প্র্যাকটিস করেননি। তাই বিপাকে পরেছিলেন তিনি।

রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য বেলার পোশাকটি এতই খোলামালা ছিল, যে বেশ বুঝে শুনে পা ফেলতে হয়েছিলে তাকে। ‘দ্য আননোন গার্ল’ ছবির প্রিমিয়ারের রেড কার্পেটে ঘটে এই ঘটনাটি। লাল গাউনের আনাচ কানাচ থেকে উঁকি মারছিল শরীরের অনেক অংশ। বেলা নিজেও সেটা বুঝতে পারছিলেন। তাই বুঝে শুনে হাঁটাহাঁটি করতে হচ্ছিল তাকে।

অদ্ভুতুড়ে 10:07 PM
  কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণ পাম বা পাম ডি অর জিতে নিলেন ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক কেন লোচ। চলচ্চিত্র বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই উৎসবের ৬৯ বছরের ইতিহাসে কেন লোচ দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতে বিশ্বের মাত্র নয়জন পরিচালকের কাতারে নাম লেখালেন যারা দুবার করে এই পুরস্কার পেয়েছেন। স্বর্ণ পাম বিজয়ী হিসাবে তার নাম ঘোষণা করা হলে উপস্থিত চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মধ্যে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।

৭৯ বছর বয়সী কেন লোচ তার সমাজ-বাস্তবতা বিষয়ক নাটক ‘আই, ড্যানিয়েল ব্লেক’ নামের ছবির জন্য পুরস্কৃত হন।

এর আগে ২০০৬ সালে যুদ্ধবিষয়ক ছবি ‘দ্য উইন্ড’-এর জন্য প্রথম স্বর্ণ পাম জেতেন কেন লোচ।

এছাড়া ‘ইটস ওনলি দ্য এন্ড অব দি ওয়ার্ল্ড’ ছবির জন্য উৎসবের গ্রান্ড প্রিক্স বা দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন জাভিয়ার ডোলান এবং জুরি পুরস্কার বা তৃতীয় পুরস্কার জিতে নিয়েছেন আরেকজন ব্রিটিশ পরিচালক আন্দ্র্যে আর্নল্ড তার ‘অ্যামেরিকান হানি’ ছবির জন্য।

এদিকে উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ইরানী অভিনেতা শাহাব হোসেইনি। পরিচালক আসগর ফারহাদির ‘দ্য সেলসম্যান’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি এই পুরস্কার জিতে নেন।

অদ্ভুতুড়ে 2:44 AM

  বড়পর্দায় জনপ্রিয় দানব চরিত্র গডজিলা (Godzilla) ও কিংকং(Kinkam)-কে মুখোমুখি করতে যাচ্ছে প্রযোজনা সংস্থা ওয়ার্নার ব্রস। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২০২০ সালের ২৯ মে। ভ্যারাইটি জানায়, নতুন এ ছবির নাম ‘গডজিলা ভার্সেস কং’। একইসঙ্গে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘গডজিলা টু’র মুক্তি তারিখ। সিনেমাটি ৯ মাস পিছিয়ে মুক্তি পাবে ২০১৯ সালের ২২ মার্চ।
গডজিলা (Godzilla) বনাম কিংকং(Kinkam)


২০১৫ সালের অক্টোবরে কিংবদন্তির দুই দানবকে এক করার ঘোষণা দেয় ওয়ার্নার ব্রস। দিনক্ষণ ঘোষণা দিয়ে তা আরো পোক্ত করল।২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গডজিলা’র রিবুট বিশ্বব্যাপী আয় করে ৫২.৯ কোটি ডলার। এর পরপরই জানানো হয় ‘গডজিলা টু’ মুক্তি পাবে ২০১৮ সালের ৮ জুন। কিন্তু দুই দানবের মুখোমুখি হওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পিছিয়ে গেল ৯ মাস।

এ দিকে কিংকং সিরিজের নতুন সিনেমা ‘কং : স্কাল আইল্যান্ড’ মুক্তি পাবে ২০১৭ সালের ১০ মার্চ।প্রথম ‘কিংকং’ মুক্তি পায় ১৯৩৩ সালে, ‘গডজিলা’ মুক্তি পায় ১৯৫৪ সালে। এর মধ্যে শুধু গডজিলাকে নিয়েই ৩০টির মত সিনেমা নির্মিত হয়েছে। কাছাকাছি সংখ্যক সিনেমায় দেখা গেছে কিংকংকে। এর আগে ১৯৬২ সালে সিনে পর্দায় প্রথমবার মুখোমুখি হয় গডজিলা ও কিংকং।

মজার বিষয় হল বাংলাদেশেও নির্মাণ হয়েছে একটি কিংকং সিনেমা। ইফতেখার জাহান পরিচালিত ‘বাংলার কিংকং’ নামের সিনেমাটিতে অভিনয় করেন মুনমুন ও ড্যানি সিডাক।

অদ্ভুতুড়ে 10:35 PM

কান ইজ নার্ভ-র্যা কিং। বাংলায় বলা যেতে পারে, কান উৎসব একটা স্নায়ুক্ষয়ী ব্যাপার। কথাটা গেল কান উৎসবে বলেছিলেন কেট ব্ল্যানচেট। অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রীর দামি কথাটা মনে পড়ল বাংলাদেশে তৌকীর আহমেদের অজ্ঞাতনামা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর। 

 কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ
 কান উৎসব আদতেই এক স্নায়ুক্ষয়ী যুদ্ধের নাম। এই যুদ্ধ শৈল্পিক, আবার একই সঙ্গে বাণিজ্যিক বা প্রচার-প্রচারণারও। অফিশিয়াল সিলেকশনে স্বর্ণপাম (পাম দর) বা স্বর্ণ ক্যামেরার (ক্যামেরা দর) মতো পুরস্কার জেতার যে লড়াই, সেটাকে আমরা বলতে পারি শৈল্পিক লড়াই। এর বাইরেও আবার আছে ধুন্ধুমার বাণিজ্যিক লড়াই। শিল্প, বাণিজ্য আর গ্ল্যামার মিলিয়ে কান উৎসব মানেই তাই মহা হুলুস্থুল। মহা ছোটাছুটি। বিশ্ব চলচ্চিত্রের রথী-মহারথীদের ঘুম হারাম। দক্ষিণ ফরাসি উপকূলে ১২টা দিন শুধুই মুক্তকচ্ছ ছোটাছুটি।
আগামী ১১ মে শুরু হচ্ছে ৬৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসব। শুরুর আগেই এবারই সম্ভবত প্রথমবারের মতো কান উৎসব ঘিরে সরব বাংলাদেশও। তৌকীর আহমেদের অজ্ঞাতনামা ও অমিতাভ রেজার আয়নাবাজি—দুটি ছবিই মার্শে দু ফিল্মে দেখানোর কথা এবারের উৎসবে। এখানে বলে রাখা ভালো, মার্শে দু ফিল্ম কান উৎসবের মূল অফিশিয়াল সিলেকশনের বাইরে একটি পুরোপুরি বাণিজ্যিক বিভাগ। উৎসবের সময়ে প্যালে ডে ফেস্টিভ্যালের নিচতলার জায়গাটায় নির্দিষ্ট ফি দিয়ে যে কেউ তাঁদের ছবি দেখাতে পারেন। প্রযোজনা সংস্থাগুলোর সুযোগ থাকে বুথ বা টেবি।
ভাড়া নিয়ে কাজ তুলে ধরার।
 
আমার দুই বছরের অভিজ্ঞতায়, খুব অনুরোধ-উপরোধ করে না নিয়ে গেলে কোনো দেশের সাংবাদিক-সমালোচকের এই এলাকার ছবি দেখার তেমন আগ্রহ দেখিনি। প্রযোজক-পরিবেশকদের আনাগোনাই বেশি দেখা যায় উৎসবের এই অঞ্চলে। কারণটাও সোজা।
উৎসবের সময়ে অফিশিয়াল সিলেকশনে জায়গা পাওয়া বিশ্বের নামীদামি আর নতুন সম্ভাবনাময় নির্মাতাদের সব ছবিই কারও একার পক্ষে দেখে শেষ করা মহা কঠিন। সেখানে মার্শে দু ফিল্মের ছবি বহু দূরের ব্যাপার। মনে আছে, দুই বছর আগে এ রকমই এক অনুরোধে ব্রাজিলের এক নির্মাতার সঙ্গে তাঁর ছবিটি দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে সব মিলিয়ে আমরা মোট আটজন দর্শক ছিলাম। তরুণ নির্মাতা এডওয়ার্ডো মোরায়েস সেটাতেই খুশি ছিলেন।
কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশআপাতত আমরাও খুশি যে বাংলাদেশের নির্মাতা-প্রযোজকেরা দেরিতে হলেও কান উৎসবের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন। উৎসবের সম্মানজনক অফিশিয়াল সিলেকশনের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেললে উদ্যোগটা বলতে হবে ভালো। অজ্ঞাতনামা ও আয়নাবাজি—এই দুই ছবির নির্মাতার জন্যই থাকল শুভকামনা।
তবে বাংলাদেশের জন্য আরও আদর্শ হতে পারত ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল নামের বিভাগটি। কোনো দেশের সিনেমা আর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বাইরের দুনিয়ায় তুলে ধরার জন্য কান উৎসবে এটাই আসলে সেরা সুযোগ। সেই সুযোগটাই নিয়মিত নেয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা ভারত। এমনকি ইরান, আরব আমিরাত কিংবা মিসরের মতো দেশও পিছিয়ে থাকে না।
বাংলাদেশের ছবি একদিন সত্যি সত্যিই কান উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে জায়গা করে নেবে। তারেক মাসুদের মাটির ময়না যে গৌরব বয়ে এনেছিল, সেই গৌরবকেও নিশ্চয়ই ছাড়িয়ে যাবে অন্য কোনো নির্মাতার ছবি। আমরা অপেক্ষায় থাকলাম।

অদ্ভুতুড়ে 12:35 AM

একের পর এক অ্যাচিভমেন্ট। কখনও হলিউড ছবি তো কখনও রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরষ্কার। জীবনের সেরা সময়ে বিচরণ করছেন বলিউড সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। 

প্রিয়াঙ্কা রক' এমনই প্রশংসা হলিউড তারকা ডোয়েনের 
বলিউড থেকে কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে তিনি এখন ব্যস্ত হলিউডে। আর সেখানেও তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ সবাই। তাঁর প্রতিভার প্রশংসা করলেন হলিউড তারকা ডোয়েন জনসন। বলিউড ডিভা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার প্রশংসা করে ডোয়েন বললেন, 'প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগে ওর নাম আমি শুনেছিলান। প্রিয়াঙ্কা খুবই সুন্দরী এবং প্রতিভাবান। বলিউডে ৫০-এরও বেশি ছবি করে ফেলেছে ও। 
এটা একটা খুব বড় অ্যাচিভমেন্ট। শুধু ছবিই যে করে ফেলেছে তাই নয়, পেয়েছে অনেক পুরষ্কারও। ওর একটা লক্ষ্য আছে। আর সেখানে পৌঁছতে যত কঠিন পরিশ্রমই করতে হোক না কেন, প্রিয়াঙ্কা সেটা করবেই। ওর এই গুণই আমাকে মুগ্ধ করেছে। বেওয়াচে ওর সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুবই খুশি। ওর সঙ্গে অনেক সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত রয়েছে। ওকে দেখে মানুষ প্রেরণা পায়।' সহঅভিনেতা ডোয়েনের প্রশংসায় প্রিয়াঙ্কা নিজেও খুব খুশি। তাঁদের দু'জনকে খুব শীঘ্রই 'বেওয়াচে' দেখা যেতে চলেছে।

অদ্ভুতুড়ে 2:49 AM

আমেরিকার বার্ষিক জৌলুসময় একটি চলচ্চিত্র উৎসবের নাম ‘ট্রাইবেকা ফিল্ম ফেস্টিভাল’। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের ট্রাইবেকা এলাকা থেকে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু।

 ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে সবাইকে চমকে দিলেন রাধিকা আপ্তে
জেন রজেনথল, রবার্ট ডি নিরো, এবং ক্রেইগ হ্যাটকফর মত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা এই ফেস্টিভালের গোড়াপত্তকারী। আর এমন একটি গৌরবময় ফিল্ম ফেস্টিভালে সবাইকে রীতিমত চমক দেখালেন বলিউডের ‘মাঝি’ খ্যাত অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে!
গতকাল হয়ে যাওয়া ‘ট্রাইবেকা ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৬’-এর আন্তর্জাতিক অঙ্গন ক্যাটাগরিতে সেরা নায়িকা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ভারতীয় অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। ভারতের মেধাবী নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘মেডলি’র জন্য রাধিকাকে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ট্রাইবেকা ফিল্ম ফেস্টিভালে রাধিকার এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত স্বয়ং নির্মাতা অনুরাগসহ বলিউড। অনুরাগ কাশ্যপ, কেতন মেহতা, ভিকি কৌশল, অর্জুন কাপুর, হংসল মেহতার মত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা সোশাল সাইটে রাধিকাকে শুভ কামনা জানান।
ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে সবাইকে চমকে দিলেন রাধিকা আপ্তে
আমেরিকা ফিচার ফিল্মে সেরা ‘ডিন’ সিনেমার দৃশ্য...
ট্রাইবেকা ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৬-এর বিজয়ীদের সম্পূর্ণ তালিকা দেখে নিতে পারেন এখানে:

আমেরিকার ন্যারেটিভ ফিচার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী:
বেস্ট ন্যারেটিভ ফিচার ফিল্ম: ডিন, রচনা ও পরিচালনা-দিমিত্রি মার্টিন
সেরা অভিনেত্রী: ম্যাকেঞ্জি ডেভিস, ছবি: অলয়েজ শাইন
সেরা অভিনেতা: ডমিনিক রেইনস, ছবি- দ্য ফিক্সার
সেরা চিত্রগ্রাহক(ফিচার ফিল্ম): মাইকেল রজেন, ছবি- কিকস
সেরা চিত্রনাট্য: ওমেন হু কিল, চিত্রনাট্যকার- ইনরিদ জাঙ্গারম্যান

আন্তর্জাতিক ন্যারেটিভ ফিচার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী:
সেরা ন্যারেটিভ ফিচার: জঙশন ৪৮, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা- উডি আলোনি
সেরা অভিনেতা(ফিচার ফিল্ম): অ্যালান সাবাগ, ছবি- দ্য টেনথ্ ম্যান
সেরা অভিনেত্রী: রাধিকা আপ্তে, ছবি- মেডলি(অনুরাগ কাশ্যপ)
সেরা চিত্রগ্রাহক: কেজল ভাসদল, ছবি- এল ক্লাসিকো
সেরা চিত্রনাট্য: পারফেক্ট স্ট্রেঞ্জার, চিত্রনাট্যকার- ফ্লিপ্পো বলোঙ্গা, পাওলো কুস্তেলা, রুলেন্দু। 
ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে সবাইকে চমকে দিলেন রাধিকা আপ্তে
আন্তর্জাতিক বিভাগে সেরা ফিচার ফিল্ম ‘জঙশন ৪৮’...
*এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এই ফিল্ম ফেস্টিভালে বিশ্বের ডকুফিল্ম, শর্টফিল্ম এবং ডিরেক্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। 
প্রসঙ্গত, ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসব শুরুই হয়েছিলো নিউ ইয়র্কের একটি প্রধান চলচ্চিত্র নির্মাণ কেন্দ্র হিসেবে উদযাপন করা এবং চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে ম্যানহাটন শহরতলীর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা। ২০০৬ ও ২০০৭ সালের প্রতিটিতে ২৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়া এবং ১,০০০-এরও বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের করার মাধ্যমে ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসব এখন বর্তমানে বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান চলচ্চিত্র উৎসব হিসেবে বিবেচিত। এই চলচ্চিত্র উৎসবের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, চলচ্চিত্র সম্প্রদায় এবং জনগণকে, চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের শক্তিকে অনুভব করার সুযোগ করে দেওয়া।

অদ্ভুতুড়ে 10:54 PM

মহারাষ্ট্রের খরা কবলিত গ্রামগুলোতে বিভিন্ন সময় অনুদান দিয়ে সাহায্য করছেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার এবং নানা পাটেকর। তাদের সঙ্গে এবার যুক্ত হলেন আমির খান। 

দুটি গ্রাম দত্তক নিলেন আমির 
মহারাষ্ট্রের খরা কবলিত দু'টি গ্রাম দত্তক নিয়েছেন বলিউডের পারফেকশনিস্ট অভিনেতা। জানা গেছে, খরার কবলে পরা মহারাস্ট্রের তাল ও কোরেগাও নামের দুইটি গ্রাম পরিদরশন করেছেন আমির। তারপরেই গ্রাম দত্তক নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে এবারই প্রথম নয়। ২০০১ সালের ভূমিকম্পের পর গুজরাটের কুচ নামক একটি গ্রাম দত্তক নিয়েছিলেন আমির। শুধু তাই নয়, পানি সংরক্ষণ সম্পর্কিত সচেতনতা প্রসারেও অংশ নিচ্ছেন অভিনেতা। ‘পানি ফাউন্ডেশন' নামে এক সংস্থার হয়ে কাজ করছেন তিনি। এ সংস্থার প্রধান আমিরের প্রাক্তন স্ত্রী রিনা দত্ত।

অদ্ভুতুড়ে 10:12 PM

বাপ-মা-হারা মানবশিশু মোগলি। গহিন অরণ্যে এক নেকড়ে পরিবারে তার ঠাঁই। সেখানে প্রকৃতির কোলেই লালিত হয় ছেলেটি। তবে একসময় বুঝতে পারে, জঙ্গলটা তার জন্য আর অনুকূল নয়। ভয়ংকর বাঘ শেরে খান যাকে হুমকি মনে করবে, শেষ করে দেবে।

 নতুনরূপে মোগলি মন মাতাবে সবার
মনে তার বেজায় ক্ষোভ। কারণ, গায়ে সে বয়ে বেড়ায় মানুষের আঘাতের ক্ষতচিহ্ন। অগত্যা মোগলিকে পথ দেখতে হয়। কিন্তু সে কি এত সহজে ছেড়ে দেবে নিজের একমাত্র আবাস? শুরু হয় মোগলির আত্ম-অনুসন্ধানের এক মনোমুগ্ধকর অভিযাত্রা। এতে দিকনির্দেশনা দেয় বাঘিরা নামের চিতা এবং মুক্ত আত্মার অধিকারী ভালুক বালু। এ যাত্রায় মোগলির দেখা হয় বুনো প্রাণিকুলের অনেকের সঙ্গে। তাদের মধ্যে যেমন আছে সম্মোহনী কণ্ঠের অধিকারী অজগর কা, তেমনি রয়েছে কিং লুই। তারা মোগলিকে আটকানোর চেষ্টা করে যেন সে ছলনাময়ী রক্ত পুষ্পকে (আগুন) ‘গোপন কথা’ বলে না দেয়। কাহিনি এগোয় এভাবেই।
ইংরেজ সাহিত্যিক রুডিয়ার্ড কিপলিংয়ের এই গল্প নিয়ে ১৯৬৭ সালে প্রথম ছবি বানিয়েছিল ডিজনি। তারাই এবার নতুনরূপে নিয়ে এসেছে দ্য জঙ্গল বুক। এবারের ছবিতে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) প্রযুক্তির পাশাপাশি যোগ হয়েছে কম্পিউটারনির্ভর নানা কল্পচিত্র, ব্যতিক্রমী সংগীত ও অন্যান্য উপাদান। পর্দায় একমাত্র মানব চরিত্র হিসেবে মোগলিকেই দেখা যাবে, বাকি সব পশুপাখি। এগুলো বানানো হয়েছে জটিল ডিজিটাল ইফেক্টের সাহায্যে, যার সঙ্গে লাইফ অব পাই ছবির মিল অনেক। পরিচালক আয়রন ম্যান ও অ্যাভেঞ্জারস ছবির জন ফাভ্রুর আশা, হলিউডের ইতিহাসে মাইলফলক হবে সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় এই অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র।

 নতুনরূপে মোগলি মন মাতাবে সবার
 প্রধান চরিত্র মোগলির সঙ্গে ছবিতে রয়েছে জংলি অনেক জন্তু-জানোয়ার। তারাও এ ছবির চরিত্র। তবে এসব প্রাণীর কণ্ঠ দিয়েছেন হলিউডের নামী তারকা স্কারলেট জোহানসন, বিল মুর, বেন কিংসলে, ক্রিস্টোফার ওয়াকেন, ইদ্রিস এলবা, লুপিতা নিয়োঙ্গো প্রমুখ। মোগলির চরিত্রে অভিনয় করেছে নবাগত শিশুশিল্পী নিল শেঠি। ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি প্রযুক্তির চলচ্চিত্র দ্য জঙ্গল বুক মুক্তি পেয়েছে ১৫ এপ্রিল।
ফাভ্রু মনে করেন, ১৯৬৭ সালের ছবিতে নারী চরিত্রের বড্ড ঘাটতি ছিল। এবার ছবিতে তাই স্ত্রী প্রাণীগুলোকে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি। আর মোগলি চরিত্রের জন্য তিনি প্রায় দুই হাজার শিশুর অডিশন নিয়েছেন। তারপর বেছে নেন নিল শেঠিকে। এখানে যেনতেন বালক দিয়ে তো আর কাজ চলে না! অরণ্যের আঙুরলতায় ঝুলে ঝুলে ক্ষিপ্রগতিতে মোগলিকে ছুটতে হয় আত্মরক্ষার জন্য। শারীরিক ব্যায়াম আর কসরতেও পটু হওয়া চাই তার।
নিল অবশ্য এসব পরীক্ষায় উতরে গেছে। কেন পারবে না, তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্ট আছে যে তার। খুদে শিল্পীর ভাষ্য, ‘আগে কখনো ভাবিনি অভিনয় করব। নাচের শিক্ষকই খবরটা আমাকে দিয়েছিলেন। তারপর লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে অডিশন দিলাম। ব্যস, হয়ে গেল।’
নতুনরূপে মোগলি মন মাতাবে সবার অ্যানিমেশনকে আরও জীবন্ত রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টায় ডিজনির সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। বক্স অফিসে ইতিমধ্যে ভালো করেছে প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে নির্মিত ম্যালেফিসেন্ট, সিন্ডারেলা এবং অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড। দ্য জঙ্গল বুক হয়তো সেগুলোকেও ছাড়িয়ে যাবে।
পরিচালক ফাভ্রু বলেন, তিনি ছবিটি এমনভাবে বানিয়েছেন যাতে সারা বিশ্বের শিশুদের পাশাপাশি সব বয়সের, সব রকমের দর্শকেরই সেটা পছন্দ হয়। তবে এবারের ছবিতে মোগলির লড়াইকে আগের চেয়ে অনেক বেশি জীবন্ত রূপ দেওয়া হয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:04 PM

আপনি কী ভীত?’—শুরুটা হয়েছে এই প্রশ্ন দিয়েই। উত্তরটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে একটু পরেই—‘আপনার উচিত ভয় পাওয়া। কারণ, আপনি এখন বড় খেলাটিতে আছেন।’

‘গেম অব থ্রোনস’ এবং জন স্নো!বলছি জনপ্রিয় ‘গেম অব থ্রোনস’ টিভি সিরিজের ষষ্ঠ মৌসুমের (সিজন) প্রমোর কথা। যা দেখে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, বহুল প্রত্যাশিত ‘আয়রন থ্রোন’-এর জন্য লড়াইটা আরও জমবে এ মৌসুমে। ‘মার্চ ম্যাডনেস’ শিরোনামে ৩০ সেকেন্ডের এই ভিডিও ক্লিপটিতে রয়েছে আগের চেয়েও অনেক বেশি অ্যাকশন এবং রোমাঞ্চের ইঙ্গিত। সেখানে ‘ড্রাগনমাতা’ ড্যানেরিস টারগারিয়ানকে দেখা গেছে নতুন ‘খালাছার’ পরিবেষ্টিত অবস্থায় পাহাড়ঘেরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে। আগের মৌসুমে এক ‘খালাছার’ তাকে বন্দি করে নিয়ে গিয়েছিল। নেড স্টার্কের বড় মেয়ে সানসা স্টার্ককে দেখা গেছে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় উইনটারফেলের বনের ভেতর দিয়ে দৌড়ে পালাতে।
সানসার পাষণ্ড বর র‍্যামজে বল্টনকে দেখা গেছে ঘোড়সওয়ার হয়ে যুদ্ধের ময়দানে। জেমি ল্যানস্টারকেও যুদ্ধের ময়দানে দেখা গেছে। সানসার ছোট বোন আরিয়া স্টার্ক আছে সেই বহুমুখী ঈশ্বরের ওখানেই। সেখানেই ধীরে ধীরে প্রশিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠছে সে। আর রব স্টার্কের ভাই ব্রান স্টার্ক মুখোমুখি হয়েছে ভয়ংকর হোয়াইট ওয়াকারের! প্রমোতে ড্যানেরিসের ড্রাগনকেও একঝলক দেখা গেছে।

৩০ সেকেন্ডের এই ভিডিও ক্লিপটির শেষে বলা হয়েছে, ‘যেভাবেই হোক, হলঘরে একটি মুখ ঠিকই যুক্ত হবে।’ ‘হল অব ফেসেস’-এ নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার খবর নিশ্চয়ই আপনাকে শিহরিত করবে। ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত নয়টায় বিশ্বব্যাপী এইচবিও চ্যানেলে শুরু হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় ‘গেম অব থ্রোনস’ টিভি সিরিজের নতুন মৌসুমটি। দেখা যাবে এইচবিও ডটকমেও।
‘গেম অব থ্রোনস’কে তো এইচবিও চ্যানেলের গর্বই বলা যায়। কিন্তু এমন একটি তুমুল জনপ্রিয় এবং মানসম্মত টিভি সিরিজ বানাতে কেমন খরচ পড়ে, দর্শকদের তা জানা থাকা ভালো। সম্প্রতি ‘এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি’র একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ সম্পর্কিত তথ্য। জানা গেছে, সিরিজটির প্রতিটি পর্ব বানাতে খরচ হয়েছে প্রায় এক কোটি ডলার। এ মৌসুমের মোট ১০টি পর্ব বানাতে খরচ হয়েছে ১০ কোটি ডলার! অথচ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের পর্বগুলো বানাতে খরচ হয়েছিল ৬০ লাখ ডলার।
তবে, নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে বিশ্বব্যাপী কোটি ভক্তের মুখে প্রশ্ন একটাই—জন স্নো কি সত্যিই মরে গেল? উত্তরটি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করে রাখা হয়েছে। তবে সম্প্রতি টিভি অনুষ্ঠান ‘কোনান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যার ড্যাভোস সিওর্থ চরিত্র রূপদানকারী লিয়াম কানিংহ্যাম এই রহস্য কিছুটা উন্মোচন করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, জন স্নোর লাশ পাশে রেখে তার ঘাতকদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন স্যার ড্যাভোস এবং জনের কজন সঙ্গী। তবে, একটি পোস্টারে জন স্নোর চোখ সাদা দেখে কেউ কেউ ধারণা করেছেন, জন স্নো হয়তো হোয়াইট ওয়াকারও হয়ে যেতে পারেন! আসলে কী হবে জন স্নো চরিত্রটির, তা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট, এনডিটিভি, এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি এবং আইএমডিবি অবলম্বনে দেব দুলাল গুহ

অদ্ভুতুড়ে 6:01 AM

গত বছরের মে মাসের ঘটনা, হলিউডের তারকা জনি ডেপ ও তাঁর স্ত্রী অ্যামবার হার্ড অস্ট্রেলিয়া সফরে তাঁদের পোষা দুই কুকুর ‘পিস্তল’ আর ‘বু’কে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু পোষা প্রাণী নিয়ে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের নিয়মকানুন না মানায় রীতিমতো ফেঁসে গিয়েছিলেন তাঁরা।

 ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেন জনি ডেপ-অ্যামবার হার্ড
বিষয়টি নিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হওয়া থেকে শুরু করে আদালতের দণ্ড—প্রায় ঘাড়ের কাছে শ্বাস ফেলছিল দুজনের। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় আইন না মেনে কুকুর নিয়ে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন দুজনে। অস্ট্রেলিয়ার এক আদালতে ডেপ-অ্যামবারের ক্ষমা চাওয়ার সেই ভিডিও দেখানোও হয়েছে।
ডেপ-অ্যামবারের এই বিপত্তির শুরু অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর থেকেই। অস্ট্রেলিয়ার বায়ো-সিকিউরিটি আইনের কড়াকড়ির কারণে সংবাদমাধ্যমগুলোর অধিকাংশই এ খবর প্রধান শিরোনামের গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছিল।
যা হোক, ক্ষমা চেয়ে প্রকাশ করা ভিডিও বার্তায় জনি ডেপ দেশটির বায়ো-সিকিউরিটি আইনের মেনে চলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনকে খুশি করতেই সম্ভবত ডেপের কণ্ঠে দেশটির প্রাণীবৈচিত্র্য, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি প্রশংসা, মুগ্ধতা ঝরেছে।

এদিকে ক্ষমা চাওয়া আর প্রশংসায় অ্যামবারও কম যাননি। অ্যামবার হার্ড সেই ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া অসম্ভব সুন্দর একটি দেশ। আর এ দেশের অমূল্য এই প্রাণী, প্রকৃতি ও মানুষকে রক্ষা করতে হবে।

ভিডিও বার্তায় অ্যামবার আরও জানিয়েছেন, রোগব্যাধি আর নানা ধরনের দূষণ, যা পৃথিবীর অনেক দেশেই আছে, তা থেকে মুক্ত একটি দেশ—অস্ট্রেলিয়া। আর এ কারণেই দেশটির জন্য এমন জোরালো বায়ো-সিকিউরিটি আইনের প্রয়োজন আছে।

অ্যামবার ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘পিস্তল আর বু-এর বিষয়টি না জানানোর জন্য আমি সত্যিই আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার বায়ো-সিকিউরিটি আইনে মার্কিন মুলুক থেকে যদি কেউ পোষা প্রাণী নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বেড়াতে আসেন, সে ক্ষেত্রে সেই পোষা প্রাণীটিকে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ১০ দিন আলাদাভাবে (কোয়ারেন্টাইন) রাখার ব্যবস্থা করেন। আর কেউ এই আইন না মানলে দেশটির আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:55 PM

মঞ্চে লাল গালিচা মাড়ানো বলিউড সুপারস্টার প্রিয়াঙ্কা চোপরার জন্য নতুন কিছু নয়। বলতে গেলে এমন অসংখ্য অভিজ্ঞতায় ভরপুর তার জীবন। তবে এবারের অভিজ্ঞতাটা তার জন্য একটু ব্যতিক্রম। কারণ মঞ্চটা যে অস্কারের মঞ্চ। 

অস্কার মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা: হলিউড দখলে বলিউডের যাত্রা 
অসংখ্য আলোর ঝলকানি আর হাজারো ক্যামেরার সামনে হলিউডের ডলবি থিয়েটারে বিশ্বের শীর্ষ সব সুপারস্টারদের হাতে অস্কারের স্বর্ণমূর্তি তুলে দিয়েছেন এই বলিউড তারকা। 
এমন একটি জমকালো মঞ্চে ভারতীয় একজন তারকার উপস্থিতির বিষয়টি সারা পৃথিবীজুড়েই বেশ আলোচিত হয়েছে। তবে অনেকে আবার মনে করেন, অস্কার মঞ্চে বলিউড তারকাদের উপস্থিতি আরো আগেই কাঙ্ক্ষিত ছিল। অস্কারে বৈচিত্র্যের বিষয়টিও আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। পুরস্কারটির মনোনয়নে বৈচিত্র্য নেই- এমন অভিযোগে অনুষ্ঠানটি বর্জনও করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক স্পাইক লি এবং অভিনেত্রী জাদা পিঙ্কেট স্মিথ। তাদের অভিযোগ ছিল অস্কারে শুধু শ্বেতাঙ্গদেরই আধিপত্য দেখা যায়। 
এ পর্যন্ত ভারতের কোনো অভিনেতা কিংবা অভিনেত্রীকে অস্কার প্রদান করা হয়নি। অথচ যুক্তরাষ্ট্র এবং হলিউডের চলচ্চিত্রে তাদের উপস্থিতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। হলিউডে ভারতীয়রা এখন আর উপেক্ষিত হওয়ার মতো নয়।
সে যাই হোক, অস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুরস্কার তুলে দেয়ার সৌভাগ্য খুব অল্পজনেরই হয়। আর এর জন্য বিশেষ সম্মানের চোখেও দেখা হয় প্রদানকারীকে। এবার সেই সম্মানটি অর্জন করে নিল ৩৩ বছরের প্রিয়াঙ্কা। এর আগে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নাটক ‘কোয়ান্টিকো’তে অভিনয় করে প্রথম কোনো ভারতীয় হিসেবে দেশটির ‘পিপলস চয়েস এওয়ার্ড’ পুরস্কার জিতেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। অনুষ্ঠানটিতে অভিনয়ের জন্য তাকে ৪০ লাখ ডলার প্রদান করা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া সামনে হলিউডের খ্যাতনামা তারকা ডোয়াইন জনসনের সাথে বহুল প্রত্যাশিত ‘বেওয়াচ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। 
অস্কার মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা: হলিউড দখলে বলিউডের যাত্রা
গত এক দশকে অনেক বৈচিত্র্য এসেছে হলিউডের চলচ্চিত্রগুলোতে। মেধাবীদের জন্য যথেষ্ট সুযোগ তৈরি হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে। বিভিন্ন দেশের অভিনেতা অভিনেত্রীদের সুযোগ তৈরি হয়েছে হলিউডে কাজ করার। ভারতীয় তারকাদের অবস্থানটাও সেখানে দৃঢ়। তবে সমস্যা হচ্ছে পারিশ্রমিক নিয়ে। ‘কোয়ান্টিকো’তে অভিনয়ের জন্য প্রিয়াঙ্কাকে যখন ৪০ লাখ ডলার দেয়া হয়েছিল তখন এই পারিশ্রমিক অনেক কম বলে গণমাধ্যমগুলোতে সমালোচনা হয়েছে।
ভারতীয় তারকাদের পারিশ্রমিক কম দেয়া আসলে হলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের এক ধরনের ব্যবসায়িক কৌশল। ভারতের একটি চলচ্চিত্র বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সুহেল শেঠ বলেন, ‘অর্থ সব সময়ই একটি ব্যাপার।’ তিনি আরো বলেন, ‘সারা পৃথিবীতেই ভারতীয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের আর্থিক মর্যাদা বাড়ছে। তাই আমি হলিউডের প্রযোজক এবং বিদেশি চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বর্তমান বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে চলার আহবান জানাই।’ অধিক দর্শক আকর্ষণ করা এবং তুলনামূলকভাবে কম পারিশ্রমিকে পাওয়া যায় বলে ভারতের জনপ্রিয় তারকাদের একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখে থাকে মার্কিন চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানগুলো।
ইংরেজি ভাষাভাষিদের কাছে ভারতীয় তারকা এবং চলচ্চিত্রের চাহিদাও ব্যাপক। বছরে প্রায় হাজারটি নতুন চলচ্চিত্র নির্মাণ করে ভারতের নিজস্ব নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশটির চলচ্চিত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কেপিএমজি’র তথ্য মতে, ২০১৯ সালের মধ্যে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি থেকে ভারতের আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৮.৭ বিলিয়ন ডলার। ভারতের প্রায় একশ কোটি মানুষ নিয়মিত সিনেমা দেখে। আগামীতে ভারতে আরো বহুমুখী চলচ্চিত্র তৈরি হবে বিশ্লেষকদের ধারণা।
 অস্কার মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা: হলিউড দখলে বলিউডের যাত্রা
ভারতের মুম্বাইভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান ‘সিএএ কেডব্লিওএএন’র প্রতিষ্ঠাতা অনির্বাণ দাস ব্লাহ বলেন, ‘ভারতের চলচ্চিত্র শিল্প আগামী এক দশকেরও কম সময়ে বর্তমানের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ গুন বড় হবে।’ এতে ভারতীয় দর্শকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার চেয়ে বিশ্বের অন্য দেশগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। সুহেল শেঠ বলেন, ‘চলচ্চিত্রে দক্ষতা এবং নৈপুণ্য- উভয়ক্ষেত্রেই আরো বৈচিত্র্য আনা হবে। মার্কিনিদের জন্যও রুচিসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হবে।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা যায়, হলিউডের চলচ্চিত্রগুলোতে আছে বর্ণ এবং লিঙ্গবৈষম্য। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর তোপের মুখে পড়ে হলিউড। ‘হলিউড শ্বেতাঙ্গদের জন্য’ বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়। 
এর উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ভারতীয় অভিনেতা ইরফান খানের কথা। বলিউডে এ পর্যন্ত শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। মার্কিন চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন এক দশক ধরে। ২০০৯ সালে অস্কারজয়ী যুক্তরাজ্যের ’স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’ চলচ্চিত্রে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করে যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতি লাভ করেন তিনি। পরে বক্স অফিস হিট করা আরো কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ইরফান। মূলত ইরফান এবং প্রিয়াঙ্কার পথ ধরেই হলিউড যাত্রা শুরু করেন দিপিকা পাডুকোনের মতো তারকারা। সম্প্রতি মার্কিন অভিনেতা ভিন ডিজেল’র বিপরীতে এক্স সিরিজের সিনেমা ‘ট্রিপল এক্স: দ্য রিটার্ন অফ জেন্ডার কেজ’ চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন দিপিকা।
অস্কার মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা: হলিউড দখলে বলিউডের যাত্রা
এছাড়া এখন মার্কিন টেলিভিশনে আরো কিছু ভারতীয় মুখ প্রায়ই চোখে পড়ে। এর মধ্যে নিমরাত কর, সুরজ শর্মা, কোনাল নায়ার এবং অনিল কাপুরের মতো মুখগুলোও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরেও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন তারা। অনেক বছর ধরেই চলচ্চিত্রের জন্য ভারতীয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভাড়ায় কাজ করায় হলিউড। যুক্তরাষ্ট্রের এই ইন্ডাস্ট্রিটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। নতুন বাজার সন্ধানে নেমেছেন দেশটির নির্মাতারা। 
ভারতীয়দের আগে হলিউডে এ অবস্থানটি ছিল চীনাদের। চীনের অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাণের স্থান এমনকি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনাদের ব্যবহার করতো হলিউড। ২০০৮ সালে স্লামডগ মিলিয়নিয়ার নির্মাণের পর তা বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জনের পর ভারতের দিকে ঝুঁকেছে হলিউডের কলাকৌশলীরা। চলচ্চিত্র নির্মাণে এখন ভারতীয়দেরই প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা। বলিউডের তারকারা অভিনয় করায় চলচ্চিত্রগুলো ভারতেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে থাকে। এতে নতুন বাজার সৃষ্টি হচ্ছে হলিউডের। এছাড়া চলচ্চিত্র যখন প্রদর্শন করা হয় তখন লাখো ভারতীয় জড়ো হয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।
এছাড়া এখন মার্কিন টেলিভিশনে আরো কিছু ভারতীয় মুখ প্রায়ই চোখে পড়ে। এর মধ্যে নিমরাত কর, সুরজ শর্মা, কোনাল নায়ার এবং অনিল কাপুরের মতো মুখগুলোও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরেও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন তারা। অনেক বছর ধরেই চলচ্চিত্রের জন্য ভারতীয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের ভাড়ায় কাজ করায় হলিউড। যুক্তরাষ্ট্রের এই ইন্ডাস্ট্রিটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। নতুন বাজার সন্ধানে নেমেছেন দেশটির নির্মাতারা।   ভারতীয়দের আগে হলিউডে এ অবস্থানটি ছিল চীনাদের। চীনের অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাণের স্থান এমনকি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনাদের ব্যবহার করতো হলিউড। ২০০৮ সালে স্লামডগ মিলিয়নিয়ার নির্মাণের পর তা বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জনের পর ভারতের দিকে ঝুঁকেছে হলিউডের কলাকৌশলীরা। চলচ্চিত্র নির্মাণে এখন ভারতীয়দেরই প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা। বলিউডের তারকারা অভিনয় করায় চলচ্চিত্রগুলো ভারতেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে থাকে। এতে নতুন বাজার সৃষ্টি হচ্ছে হলিউডের। এছাড়া চলচ্চিত্র যখন প্রদর্শন করা হয় তখন লাখো ভারতীয় জড়ো হয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।    
তবে এখন পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে একটি সমস্যা রয়েই গেছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালে ইরফান খানের আয় ২০ লাখ মার্কিন ডলারেরও কম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ভারতে আমাকে যে পারিশ্রমিক দেয়া হতো এটা তার চার ভাগের একভাগ।’ এতসব সত্ত্বেও হলিউডে দিন দিন নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেই চলেছেন বলিউড তারকারা। আগামীতে হয়তো হলিউড নিজেদের দখলে নিয়ে নেবে বলিউড।  

অদ্ভুতুড়ে 10:48 PM

প্রেম, ভালোবাসা ধ্রপদী একটি বিষয়! এরচেয়ে ক্লাসিক পৃথিবীতে আর কিছু নেই। তাই সর্বকালে প্রেম পূজনীয়। এই প্রেমকে ঘিরেই মূলত পৃথিবীর আবর্তন-বিবর্তন। যুগ যুগ ধরে অসাধারণ প্রেম আখ্যান নিয়ে পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য কবিতা গল্প আর উপন্যাস। 

 সর্বকালের সেরা ছয় প্রেমের ছবি
আর সিনেমাতো কম হয়নি। গত একশো বছরে শুধুমাত্র প্রেমকে ঘিরেই পৃথিবীর সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নির্মাণ হয়েছেন স্মৃতি জাগানিয়া অগনিত প্রেমের গল্প। পৃথিবী কাঁপানো এমন প্রেমের কাহিনী নিয়ে নির্মিত সেরা ছয় সিনেমার কথা জেনে নিন এখানে:   
রোমান হলিডে:
একটা নিখাদ প্রেমের ছবির কথা কাউকে বলতে বললে প্রথমেই তিনি যে নামটি গত ৬/৭ দশক থেকে নিয়ে আসছেন, তার নাম ‌‘রোমান হলিডে’।এক অসামান্য প্রেমের ছবি। এক সামান্য পত্রিকা রিপোর্টারের সাথে রোম নগরীর সম্ভাব্য সিংহাসনের উত্তরাধিকারিনীর প্রেমে জড়িয়ে পড়া, যে প্রিন্সেস আবার নিজের রাজ্য দেখতে ঘর পালিয়ে গিয়েছিলেন। এই ছবিতে রিপোর্টারের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন গ্রেগরি পেক এবং  সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী ব্রিটিশ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্ন। হেপবার্ন এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করে ছিলেন।
  
টাইটানিক: 
বিশ্বসেরা দর্শকপ্রিয় ভালোবাসার সিনেমার নাম নিলে নব্বই দশকে নির্মিত মহান নির্মাতা জেমস ক্যামেরুনের ‘টাইটানিক’-এর কথা বলতেই হবে। ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া পৃথিবীতে নির্মিত সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘টাইটানিক’। যে জাহাজকে কেন্দ্র করে ছবিটিতে যে জ্যাক ও রোজ নামের দুই প্রেমিক-প্রেমিকার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে বহুদিন থেকে। ছবিটি টাইটানিকের সাথে এই দুই প্রেমিক প্রেমিকার ঘটনাও শেষ হয় বিরহ আর ট্রাজেডির মধ্য দিয়ে। 

বিফোর সানরাইজ:
এক আমেরিকান তরুণ ও একজন ফরাসি যুবতীর ভিয়েনার ট্রেনে পরিচয় এবং পরবর্তীতে ভিয়েনা শহরে সারারাত ঘুরে বেড়ানো এবং একে অপরকে জানার দীর্ঘ ১৪ ঘন্টা বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সংলাপ-নির্ভর চলচ্চিত্র ‘বিফোর সানরাইজ’। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে নির্মিত আমেরিকার অন্যতম রোমান্টিক চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত ছবি এটি। শুধু কি তাই! প্রেমের সিনেমা হিসেবেও বিশ্বজুড়ে সেরা সিনেমা হিসেবে উচ্চারিত ‘বিফোর সানরাইজ’। রিচার্ড লিংকলেটার ও কিম ক্রিযান রচিত ছবিটি নির্মাণ করে রিচার্ড লিংকলেটারই। ছবিতে অভিনয় দিয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন ইথান হক ও জুলি দেলপি।

দ্য নোটবুক:
১৯৪০ সালের প্রেমের গল্প ‘দ্য নোটবুক’। নোয়া ক্যালহউন এবং অ্যালে হ্যামিলটন নামে দুজন তরুণ-তরুণির প্রেমে পড়ার কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবি। এই দুই তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্প বর্তমান থেকে পেছেনের দিকে একজন নেপথ্য সংলাপের মাধ্যমে বয়ান করেন। নিকোলাস স্পার্কস রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি পরিচালনা করেছেন নিক ক্যাসাভেটস। অভিনয়ে ছিলেন রায়ান গসলিং, রেকল ম্যাক অ্যাডামস, জেমস গার্নার, গেনা রোনাল্ডসের মত তারকারা। লিন হ্যারিস এবং মার্ক জনসন প্রযোজিত চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আরন জিগম্যান। ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালের ২৫ জুন।

ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার:
সমকামী দুই নারীর অসাধারণ এক প্রেমের আখ্যান ‘ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার’। দুই অসমবয়সী নারীর প্রেম -এর উপজীব্য। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ফ্রান্সের নির্মাতা আবদেল লতিফ ক্যসিসে। ছবিটি এরইমধ্যে কানসহ বিশ্বের প্রায় সব গুরত্বপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড ছিনিয়ে নিয়েছে।

বারান:
মাজিদ মাজিদি ইরানি ছবির অন্যতম একজন নির্মাতা। তার নির্মিত ‘বারান’ ছবিটি অন্যতম শ্রেষ্ঠছবিগুলোর একটি। এটিকে পৃথিবীর নিঃশব্দ ভালোবাসার ছবি বলে মনে করা হয়। ইরানিয়ান সিনেমার দর্শক মূলত কাহিনীর সাথে নিজেদের আবদ্ধ করে ফেলেন,মিলে মিশে একাকার হয়ে যান সিনেমার গল্পের সাথে; ইরান সিনেমার দর্শকদের বোঝার দরকার হয় না লাইট, সেট আর ক্যামেরার কারিকুরি। সিনেমা নির্মাণকারীও কোন ধরণের মাতব্বরি না করে সাধারণ একটি গল্পকে অসাধারণ করে চিত্রায়িত করে ফেলেন। এই অর্থে নির্মাতা মাজিদ মাজিদির এক অসাধারণ চিত্রায়ন বলা যেতে পারে ‘বারান’কে। 

অদ্ভুতুড়ে 10:39 PM
ঢাকা: অস্কার বা অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডকে বলা হয় চলচ্চিত্রের ‘নোবেল’। নোবেল পুরস্কারকে যতোটা সম্মানের হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়, চলচ্চিত্রে ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ আর সম্মানের হিসেবে বিবেচিত একটা ‘অস্কার’! প্রতি বছর তাই এই পুরস্কার জয়ের জন্য মুখিয়ে থাকেন বিশ্বের তাবৎ প্রভাবশালী নির্মাতা থেকে অভিনেতা, অভিনেত্রী, সিনেমাটোগ্রাফারসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকলেই। আর চলতি ‘অস্কার অ্যাওয়ার্ড’ শুরু হচ্ছে হাতে গোনা ক’দিন পরেই। ২৮ ফেব্রুয়ারি কাঙ্ক্ষিত অস্কার পুরস্কারটি প্রতীক্ষিত ব্যক্তিটির হাতে তুলে দেয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে চলতি বছরের অনুষ্ঠান। তবে এবার আর ‘সেরা সিনেমা’র চেয়ে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণের জন্ম দিয়েছি ‘সেরা অভিনেতা’ কে হতে যাচ্ছেন এই প্রশ্নটি।
খুব বোল্ডলি পৃথিবীর সব মিডিয়া এবার কান খাড়া রেখেছেন ‘সেরা অভিনেতা’র পুরস্কারটি নিয়ে। কারণ এবার অস্কারে ৬ষ্ঠবারের মত ‘সেরা অভিনেতা’র পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত লড়াইয়ে মনোনয়ন পেয়েছেন হলিউডের মেগাস্টার লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। এর আগে পাঁচবার সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েও অস্কার বঞ্চিত হওয়ায় এবার অস্কারের জন্য এককভাবে সবচেয়ে বেশি দাবীদার হয়ে উঠেছেন ডিক্যাপ্রিও। এরইমধ্যে গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা, স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড জয় করে অস্কার কমেটি ব্যাপক চাপে রেখেছেন তিনি।    
গেল বছরে হলিউডের মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম আলোচিত ছবির নাম আলেজান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতুর পরিচালনায় ‘দ্য রেভিনেন্ট’। যে ছবিতে অভিনয়ের জন্য মনে করা হচ্ছে অস্কার না পাওয়ার যে খরা ক্যাপ্রিওর আছে, তা ঘুচতে পারে এবার। অস্কারে সেরা অভিনেতা হিসেবে মনোনয়ন নিয়ে যখন চারদিকে চলছে হৈচৈ, তখন জেনে চলুন জেনে নেই আরো কিছু সুপারস্টারদের অস্কারে বেশি সংখ্যকবার মনোনয়ন পাওয়ার গল্প। যারা কখনোই ডিক্যাপ্রিওর চেয়ে জনপ্রিয়তা কিংবা দক্ষ অভিনেতা হিসেবে কম ছিলেন না। তাদের কেউ কেউ দেখা যায় দশবার অস্কারে মনোনয়ন পেয়ে মাত্র একবার অস্কারের স্বাদ পেয়েছেন।
এই হিসেবে বলা যায়, দূর্ভাগা শুধু ডিক্যাপ্রিও একা নন, তারচেয়ে অনেক বিশাল বিশাল তারকারাও অসংখ্যবার মনোনয়ন পেয়েও বঞ্চিত হয়েছেন অস্কার জয়ের স্বাদ নিতে। কিংবা এমনও হয়েছে যে দশবার মনোনয়ন পেয়ে পুরস্কার পেয়েছেন মাত্র একবার! হলিউড রিপোর্টারে প্রকাশিত এমন জরিপ অবলম্বনে এখানে দেখে নিন এমন দশ সুপারস্টারের কথা:   
ডাস্টিন হফম্যান: 
অসাধারণ এক অভিনেতার নাম ডাস্টিন হফম্যান। ক্যারিয়ারে অস্কারের জন্য মোট ৭বার অস্কারে সেরা অভিনেতা হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে দুইবার অস্কার জেতেন তিনি। ১৯৮০ সালে ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’ এবং ১৯৮৯ সালে ‘রেইন ম্যান’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেতা হিসেবে অস্কার জেতেন তিনি।    
রবার্ট ডি নিরো: 
পৃথিবীর ইতিহাসে জনপ্রিয় অভিনেতাদের নাম নিলে সয়ংক্রিয়ভাবেই চলে আসে রবার্ট ডি নিরো’র নাম। অথচ তিনিও ডাস্টিন হফম্যানের মত ৭বার অস্কারে সেরা অভিনেতা হিসেবে মনোনয়ন পেয়ে দুইবার সেরা অভিনেতার অস্কার জয় করেন। ১৯৭৫ সালে ‘গডফাদার ২’ এবং ১৯৮১ সালে র‌্যাগিং বুল ছবির জন্য অস্কার জিতে নেন তিনি।
পিটার ও’টোল:
চলচ্চিত্রের লিজেন্ডারি অভিনেতা বলা হয় পিটার ও’টোলকে। ক্যারিয়ারে সর্বমোট আটটার অস্কার মনোনয়ন পেয়ে মাত্র একবার অস্বার জয়ের স্বাদ পান তিনি। তাও সেরা অভিনেতা হিসেবে নয়, বরং চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য ২০০৩ সালে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেয় অস্কার কমেটি।
আল পাচিনো:
আল পাচিনো। গড ফাদার হিসেবেই তার পরিচিতি। সাটের দশক থেকে অভিনয়ে আসা এই অসাধারণ অভিনেতা তার ক্যারিয়ার অসাধারণ সব সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এ পর্যন্ত অস্কার অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনিত হয়েছেন মোট আটবার। কিন্তু সেরা অভিনেতা হিসেবে তার ভাগ্যে অস্কার জুটেছে মাত্র একবার! তাও ‘গডফাদার’ সিনেমায় অনবদ্ধ অভিনয়ের জন্য নয়, বরং ১৯৯৩ সালে ‘সেন্ট অব অ্যা ওমেন’ ছবির জন্য।
জ্যাক লেমন:
ক্যারিয়ারে তুমুল জনপ্রিয় আর মেধাবী অভিনেতা জ্যাক লেমনও অস্কার অ্যাওয়ার্ড-এর জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন মোট আটবার। পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। একবার সেরা অভিনেতা হিসেবে ১৯৭৪ সালে, ‘সেভ দ্য টাইগার’ ছবির জন্য। আর অন্যবার ১৯৫৬ সালে সাপোর্টিং রোলে অভিনয় করে। ছবির নাম ছিল মিস্টার রবার্টস।
মার্লোন ব্র্যান্ডো:
মার্লোন ব্র্যান্ডো তার ক্যারিয়ারে অস্কারের চূড়ান্ত পর্বে মনোনয়ন পেয়েছেন মোট আটবার। জিতেছেন দুইবার। সেরা অভিনেতা হিসেবে ১৯৫৫ সালে ‘অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট’ এবং ১৯৭৩ সালে ‘দ্য গডফাদার’ সিনেমার জন্য।
স্পেন্সার ট্রেসি:
ধ্রপদী সিনেমার অন্যতম তারকা অভিনেতা স্পেন্সার ট্রেসি। জীবদ্দশায় তিনি অস্কারের জন্য মোট নয়বার মনোনয়ন পেয়ে মাত্র দুইবার স্বাদ নিতে পারেন অস্কারের! ১৯৩৮ সালে ক্যাপ্টেন কারেজিয়াস এবং ১৯৩৯ সালে বয়েস টাউন ছবির জন্য অস্কার জিতেন তিনি।
পল নিউম্যান:
মোট নয়বার অস্কারে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়ে পুরস্কার জিতেছেন মাত্র একবার! ১৯৮৬ সালে ‘দ্য কালার অব মানি’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেন তিনি।
লরেন্স অলিভার:
ফিল্মের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিনেতা লরেন্স অলিভার। ‘অস্কার অ্যাওয়ার্ড’-এ মনোনয়ন পাওয়া অভিনেতাদের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। মোট দশবার অস্কারের মনোনয়ন পেয়ে জিতেছেন মাত্র একবার। তাও অভিনেতা হিসেবে নয়, নির্মাতা হিসেবে। ১৯৪৮ সালে ‘হেমলেট’ নির্মাণ করে সেরা নির্মাতার পুরস্কার জিতেন তিনি।
জ্যাক নিকলসন:
ক্যারিয়ারে জৌলুসময় অধ্যায় কাটিয়েছেন জ্যাক নিকলসন। ছয় দশকে অসংখ্য ক্লাসিক সিনেমা তার দখলে। সেই তুলনায় তিনি অস্কারে মনোনয়নও পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি। মোট ১২বার অস্কারে মনোনয়ন পেয়ে সেরা হওয়ার পুরস্কার জিতেছেন মোট তিনবার। ১৯৭৫ সালে ‘ওয়ান ফ্রিউ ওভার দ্য কুকো’স নেস্ট’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে, এবং বাকি দুইবার সাপোর্টিং রোলে অভিনয়ের জন্য অস্কার জিতেন তিনি।
বাংলামেইল২৪ডটকম/এমটিএল/আরএইচ

অদ্ভুতুড়ে 10:18 PM

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা ‘জিকিউ’ ম্যাগাজিনের জন্য সম্প্রতি একটি ফটোশুটে অংশ নিয়েছেন মার্কিন পপ তারকা সেলেনা গোমেজ। এবার এই ফটোশুটের জন্য টপলেস হলেন এই গায়িকা।

আবেদনময়ী টপলেস ফটোশুটে সেলেনা
এর আগেও অবশ্য একাধিকবার ক্যামেরার প্রয়োজনে নগ্ন হয়েছেন সেলেনা গোমেজ। তাছাড়া তাকে বিকিনি পরা অবস্থাতেও দেখা গেছে অসংখ্যবার। অথচ তবুও ভক্তদের জন্য তার আবেদন কমেনি কখনও। এবারের ছবিটিও যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে চলেছে, সে বিষয়েও সন্দেহ নেই।

উল্লেখ্য, ফটোশুটের একটি ছবিতে তাকে টপলেস অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। তার হাতটি বুকের সামনে রাখা। অন্যটিতে অবশ্য তিনি টপলেস নন। কিন্তু যে পোশাকটি সেলেনা পরেছেন, সেটি যথেষ্ট আবেদনময়ী।

অদ্ভুতুড়ে 11:55 PM

'। কথাটা আমরা স্কুল জীবন থেকে বারবার বলি। বলিউড সিনেমায় তো এই একটা কথার ওপর ভিত্তি করে কত সিনেমায় তৈরি হয়েছে। বলিউডের সিনেমায় এই কথাটা একটা মানে তৈরি করেছে। যা আমরা সবাই বিশ্বাস করি। 

লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট বলতে আমরা বুঝি প্রথম দর্শনেই প্রেম। মানে শাহরুখ হঠাত্‍ ট্রেনে যেতে যেতে দেখলেন কাজল দাঁড়িয়ে। আর ওমনি ঝপ করে প্রেম হয়ে গেল। আমরা 'Love at first sight' বললে এমন কথাটাই ভাবি। কিন্তু লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট কথাটার মানে মোটেও তা নয়। 'Love at first sight' কথাটার মানে হল কারও সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রথম ঘণ্টায় প্রেমে পড়ে যাওয়া। মানে আমাদের সনাতনী ধারণা অনুযায়ী 'Love at first sight' হল কারও রূপ ও অ্যাপিয়ারেন্সে প্রভাবিত হয়ে প্রেমে পড়ে যাওয়া। কিন্তু আসলে পরিচয়ের এক ঘণ্টা পর প্রেমের সব পরীক্ষায় পাশ করে তবে প্রেম সাগরে ভাসা। এবার হিসেব করুন আপনার জীবনে লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট কতবার ঘটেছে বা আদৌ ঘটেছে কি না।

অদ্ভুতুড়ে 6:06 AM
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এ শার্লিজ থেরনহলিউডের আলোচিত ছবি ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজের নতুন ছবি তৈরি হচ্ছে। এবারের ছবির নাম রাখা হয়েছে ‘ফাস্ট এইট’। এই ‘ফাস্ট এইট’ দলে এবার যুক্ত হচ্ছেন হলিউডের তারকা অভিনেত্রী শার্লিজ থেরন। অবশ্য নায়িকা হিসেবে নয়, খলনায়িকার চরিত্রে।

গত বৃহস্পতিবার ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর অফিশিয়াল ফেসবুক ও টুইটার পেজে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজের নতুন ছবিটি পরিচালনা করবেন এফ গ্যারি গ্রে। ছবিটি ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা।

এ ছবিতে স্বর্ণকেশী শার্লিজের সঙ্গে থাকছেন ভিন ডিজেল, ডোয়েন জনসন, মিশেল রদ্রিগেজ মতো তারকারা।

যদিও তারকাবহুল এই ছবিতে বিরাট একটি শূন্যতা থেকেই যাবে। কারণ, এবারই প্রথম অভিনেতা পল ওয়াকারকে ছাড়াই ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজের কোনো নতুন ছবি তৈরি হচ্ছে। এই সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন এই তারকা।

২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান পল ওয়াকার। ‘ফিউরিয়াস সেভেন’ তাঁর শেষ ছবি

অদ্ভুতুড়ে 2:24 AM

তিনি যে অন্য কারও সন্তানের জন্মদাতা নন, ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে এই প্রমাণ দিতে হবে ব্র্যাড পিটকে। আর দাবি করলেন খোদ অ্যা়ঞ্জেলিনা জোলি! নায়িকার এই দাবিতে হতবাক ব্র্যাড নিজেও।ঘটনাটি ঠিক কি? 

কয়েক মাস ধরেই ব্র্যাঞ্জোলিনার ডিভোর্সের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন কারণে নাকি এই সেলেব দম্পতির বনিবনা হচ্ছে না। কিন্তু এ বার বিষয়টি আরও খারাপ দিকে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন তাঁদের বন্ধুরা। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার একটি টক শো-তে রকশিল্পী এবং সমাজকর্মী মেলিসা এথরিজ জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তান চেয়েছিলেন।

সে কারণে  ব্র্যাডকে স্পার্ম ডোনেট করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু আদৌ ব্র্যাড তা করেছিলেন কী না তা জানা যায়নি।

চার সন্তানের মা মেলিসা সাম্প্রতিক বক্তব্য শুনে ব্র্যাডকে সন্দেহ করছেন নায়িকা। সে কারণেই এই ডিএনএ টেস্টের দাবি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনও শোনা যাচ্ছে, ব্র্যাড টেস্ট করাতে রাজি না হলে মেলিসার সঙ্গে গিয়ে সরাসরি কথা বলবেন অ্যাঞ্জোলিনা!সংবাদমাধ্যম
Powered by Blogger.