ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপে তাদের বাড়ি। কাদের? দুই কমোডো ড্রাগন আর অবুজ ছাগলটির। প্রগৈতিহাসিক ডায়নোসর যাদের পূর্বপুরুষ তাদের তো পেটপুরে শিকারভোজন মিনিট কয়েকের ব্যাপার মাত্র।
প্রাণিজগতের নৈতিকতা মনুষ্য সমাজের মতো নয়। সেখানে ক্ষুধার্ত শিকার করে পেট ভরাবে এটিই ঠিক। সম্প্রতি দুই কমোডো ড্রাগনের শিকারদৃশ্যের ছবি তুলেছেন রাশিয়ার ফটোগ্রাফার জুলিয়া সান্ডুকোভা। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

দুই ড্রাগন সহজ আহারের উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলো হয়তো। ছাগলটিকে পেয়ে কম সময়েই উদরপূর্তি করা গেলো।

জুলিয়া জানান, দ্বীপের কমোডো ড্রাগনরা বন্য। কিন্তু অনেকেই এসব ড্রাগনকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এর ফলে এরা মানুষের বসতির কাছাকাছি চলে আসে প্রায়ই। এখানে প্রচুর কমোডো ড্রাগনের বসবাস।

ছাগলটিকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আচরণ বদলে গেলো। তাদের প্রথমে বেশ অলস দেখাচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা শিকারকে বাগে পেয়েছে তখন অলসতা কোথায় যে পালালো! অলসতা রূপান্তরিত হলো বন্যতায়, যোগ করেন জুলিয়া।

দুই শিকারি যখন এতোটাই শক্তিশালী তখন বেচারা সভ্য শান্ত ছাগলটিই আর কী করবে।

শেষমেষ তাকে ভাগাভাগি করে পেটপুরে খেয়ে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালুচরে হাঁটতে নামলো দুই দানব কমোডো ড্রাগন।
দুই ড্রাগন সহজ আহারের উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলো হয়তো। ছাগলটিকে পেয়ে কম সময়েই উদরপূর্তি করা গেলো।
জুলিয়া জানান, দ্বীপের কমোডো ড্রাগনরা বন্য। কিন্তু অনেকেই এসব ড্রাগনকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এর ফলে এরা মানুষের বসতির কাছাকাছি চলে আসে প্রায়ই। এখানে প্রচুর কমোডো ড্রাগনের বসবাস।
ছাগলটিকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আচরণ বদলে গেলো। তাদের প্রথমে বেশ অলস দেখাচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা শিকারকে বাগে পেয়েছে তখন অলসতা কোথায় যে পালালো! অলসতা রূপান্তরিত হলো বন্যতায়, যোগ করেন জুলিয়া।
দুই শিকারি যখন এতোটাই শক্তিশালী তখন বেচারা সভ্য শান্ত ছাগলটিই আর কী করবে।
শেষমেষ তাকে ভাগাভাগি করে পেটপুরে খেয়ে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালুচরে হাঁটতে নামলো দুই দানব কমোডো ড্রাগন।

Post a Comment