Showing posts with label কাকতাডুয়া. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 10:39 PM

রাজধানীর হাজারীবাগের ঝাউচরে পুলিশের গুলিতে মো. রিপন (২৮) নামে ডাকাতি মামলার এক আসামি আহত হয়েছেন। এ সময় রিপনসহ চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।


গ্রেফতাররা হলেন—মনির হোসেন (৩০), সজীব আহমেদ (২০) ও আল-আলিম (২২)। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদিন জানান, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি গুলশানের শাহজাদপুরের হাজী জমির উদ্দিন মার্কেটের একটি কাপড়ের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দোকান মালিক আলমঙ্গীর হোসেন বাদি হয়ে রিপনসহ গ্রেফতারকৃতদের আসামি করে মামলা করেন। এরপর থেকে আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালায় পুলিশ। তারা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে গুলশান থানা পুলিশ হাজারীবাগের ঝাউচর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আসামিরা পালাতে গেলে পুলিশ গুলি চালায়। তখন রিপনের ডানপায়ে গুলি লাগে। এ ছাড়া পিকআপসহ রিপনের তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। রিপনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের গুলশান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানান এসআই জয়নাল।

অদ্ভুতুড়ে 6:12 AM

ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপে তাদের বাড়ি। কাদের? দুই কমোডো ড্রাগন আর অবুজ ছাগলটির। প্রগৈতিহাসিক ডায়নোসর যাদের পূর্বপুরুষ তাদের তো পেটপুরে শিকারভোজন মিনিট কয়েকের ব্যাপার মাত্র।  



 
প্রাণিজগতের নৈতিকতা মনুষ্য সমাজের মতো নয়। সেখানে ক্ষুধার্ত শিকার করে পেট ভরাবে এটিই ঠিক। সম্প্রতি দুই কমোডো ড্রাগনের শিকারদৃশ্যের ছবি তুলেছেন রাশিয়ার ফটোগ্রাফার জুলিয়া সান্ডুকোভা। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।


দুই ড্রাগন সহজ আহারের উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলো হয়তো। ছাগলটিকে পেয়ে কম সময়েই উদরপূর্তি করা গেলো।


জুলিয়া জানান, দ্বীপের কমোডো ড্রাগনরা বন্য। কিন্তু অনেকেই এসব ড্রাগনকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এর ফলে এরা মানুষের বসতির কাছাকাছি চলে আসে প্রায়ই। এখানে প্রচুর কমোডো ড্রাগনের বসবাস।


ছাগলটিকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আচরণ বদলে গেলো। তাদের প্রথমে বেশ অলস দেখাচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা শিকারকে বাগে পেয়েছে তখন অলসতা কোথায় যে পালালো! অলসতা রূপান্তরিত হলো বন্যতায়, যোগ করেন জুলিয়া।


দুই শিকারি যখন এতোটাই শক্তিশালী তখন বেচারা সভ্য শান্ত ছাগলটিই আর কী করবে।


শেষমেষ তাকে ভাগাভাগি করে পেটপুরে খেয়ে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালুচরে হাঁটতে নামলো দুই দানব কমোডো ড্রাগন।

অদ্ভুতুড়ে 5:32 AM

গোয়েন্দা উপন্যাস তো অনেক আছে, জনপ্রিয় গোয়েন্দার সংখ্যাও কিছু কম নয়। কিন্তু বাঙালির মনে ফেলুদার জায়গাটাই আলাদা। সে টিভি সিরিজেই হোক বা বড় পর্দায়। ফেলুদার গল্প মানেই বাঙালি ভিড় জমাবেই তা দেখতে। একটা নতুন খবরে আবার উত্সাহ-উদ্দীপনার ঝড় উঠেছে বাঙালি মনে। জানেন খবরটা কী? আবার টিভি সিরিজে ফিরছে ফেলুদা।


 তবে ফেলুদা আসছেন বাংলাদেশের টিভি সিরিজে। সম্প্রতি সন্দীপ রায়ের থেকে সে দেশের এক মিডিয়া সংস্থার কর্ণধার ফেলুদার কুড়িটি গল্পের স্বত্ত্ব কিনেছেন এই ফেলুদা সিরিজ বানানোর জন্য। গল্পগুলির মধ্যে রয়েছে, ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, শেয়াল দেবতা রহস্য, সমাদ্দারের চাবি, গোরস্থানে সাবধান, নয়ন রহস্য-এর মতো অসাধারণ সব গল্প।

ওই কর্ণধার সন্দীপ রায়কে আশ্বস্ত করেছেন, ফেলুদা নিয়ে কোনও কম্প্রোমাইজ করবেন না তাঁরা। ফেলুদার ভূমিকায় যথাযথ নতুন মুখের খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এ বার দেখার বিষয় হল, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, আবীর চট্টোপাধ্যায়ের পর কে হবেন নতুন ফেলুদা?

অদ্ভুতুড়ে 9:20 PM
ঢাকা: জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইরাকে কোনো বিদেশি সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাস্টোন কার্টার যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে ‘বিশেষ’ সেনা মোতায়েন করার ঘোষণা দেয়ার পর এ কথা
জানাল বাগদাদ।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি বলেছেন,‘আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের দেশের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনার প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরো বলেছেন,‘সরকার কোনো রকম অনুমতি ছাড়া ইরাকের কোনো এলাকায় কোনো বিদেশিদের সামরিক অভিযান চালান এবং বিদেশি সেনা  বা ‘বিশেষ’ সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেবে না।’

এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাস্টোন কার্টার বলেছিলেন, ইরাক সরকারের সঙ্গে পূর্ন সমন্বয় করেই তারা দেশটিতে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করবে। ওই বিশেষ বাহিনী আইএসের বিরুদ্ধে অধিকতর চাপ প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। ওই বিশেষ বাহিনী ইরাকে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করবে। তারা গোয়েন্দাদের তথ্য দেয়া, বিমান হামলায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি আইএসের অধিকৃত ভূমি দখলমুক্ত করায় স্থানীয় বাহিনীকে সহায়তা করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে কতজন সেনা পাঠাবে তিনি তার নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

অদ্ভুতুড়ে 11:28 AM
ভারতীয় এক নাগরিক স্ত্রীর প্রেমে ২২ বছর যাবত পাহাড় কেটে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। সেই গল্প লাইলি মজনুর প্রেমের মতই স্মরণীয়।
নাম দশরথ মাঞ্জি। পেশায় একজন শ্রমিক। পূর্ব ভারতের বিহারে ছিল তার বসবাস। ১৯৫৯ সালে একটি দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী মারাত্মক আহত হয়। কিন্তু উঁচু পাহাড়ের কারণে ঠিক সময় স্ত্রীকে হাসপাতালে নিতে পারেননি দশরথ মাঞ্জি। পথে মারা যায় দশরথ মাঞ্জির স্ত্রী। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দশরথ মাঞ্জি ভাবলেন, তিনি এ পাহাড় কেটে এমন এক পথ তৈরি করবেন যাতে আর কারও স্ত্রী এভাবে মারা যেতে না হয়। 

সেই থেকে একটি হাতুড়ি এবং শাবল দিয়ে পাহাড় কাটা শুরু করেন দশরথ মাঞ্জি। তখন গ্রামবাসীরা দশরথ মাঞ্জিকে পাগল বলে আখ্যায়িত করতে থাকে। তবে এ পাগলই ২২ বছরে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখান। পাহাড়ের বুক কেটে ৩৬০ ফুট লম্বা পথ তৈরি করেছেন। যার কারণে হাসপাতালটির পথ ৫৫ কিলোমিটার থেকে ১৫ কিলোমিটারে কমে আসে।

দশরথ মাঞ্জি ২০০৭ সালের ১৭ আগস্ট ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। কিন্তু আজও থেকে গেছে দশরথ মাঞ্জির এ কাজটি। দশরথ মাঞ্জি স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার এক অনন্য প্রেরণা। যে বন্ধন পাহাড়ের বুক চিড়তেও প্রেমিককে বাধ্য করে।


অদ্ভুতুড়ে 11:24 AM

আমরা জানি পিঁপড়া রা মাটির নিচে থাকে। কিন্তু মাটির নিচে যে তাদের কত সুন্দর একটি রাজ্য তা দেখুন এই ভিডিও টিতে। এক কথাই অসাধারন পিঁপড়া দের শৈল্পিকতা।  

 

 ভিডিওটি দেখুনঃ


অদ্ভুতুড়ে 12:51 PM
অলৌকিক পাখি! অবশ্যই দেখুন অবাক হয়ে যাবেন... এই পাখিটি যে কোনো কণ্ঠ ও শব্দ নকল করতে পারে! সুবহানআল্লাহ, ওয়ালহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার...

ভিডিও টি দেখার পড় অনেকের সন্দেহ হতে পারে যে এটি কি সত্যিই এই পাখির কন্ঠ কি না। যাদের সন্দেহ হবে তারা অনুগ্রহ করে গুগল কিংবা উইকিপিডিয়াতে Lyrebird নামে একটু সার্চ দিবেন। তাহলেই বিষয়টা আপনার নিকট ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
/
ভিডিওটি দেখুনঃ

অদ্ভুতুড়ে 11:23 AM
আপনাদের "উড়ন্ত মাছের" কথা মনে আছে? যে মাছ পানি ছেড়ে বেড়িয়ে আসে বাতাসে আর উড়তে থাকে। আচ্ছা উড়ন্ত মাছের কথা বাদ দেন আপনারা সকলেই তো "শাপলা মাছ" (Stingray) চিনেন। বিশাল পাতার আকৃতির হয় এই মাছ, কিন্তু বেশ লাজুক প্রকৃতির হয়। সমুদ্র বা নদী নালার একদম নিচে মাটির সাথে গাঁ এলিয়ে দিয়েই জীবনের বেশীর ভাগ সময় কাটিয়ে দেয় এরা। আচ্ছা আমি যদি বলে এই শাপলা মাছও পানি থেকে লাফ দিয়ে বেড়িয়ে উড়ার চেষ্টা করে!! কি বিশ্বাস হচ্ছে না? বিশ্বাস হবার কথাও না। কেননা এই শাপলা মাছকে আজ পর্যন্ত কেউ এরকম করতে দেখেছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু সম্প্রতি National Geographic এই শাপলা মাছ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে প্রায় ১০,০০০ এর অধিক শাপলা মাছ এক হয়ে সাঁতার কাটছে আর মাঝে মাঝে কিছু কিছু মাছ পানি থেকে লাফ দিয়ে বের হয়ে আবার বাতাসেও উড়ার চেষ্টা করছে। সব থেকে অবাক করার বিষয় হল তারা যে কেন এরকম এক সাথে হল আর কেনই বা এরকম আচারন করল তা কেউই জানে না।
/
ভিডিওটি দেখুন:



অদ্ভুতুড়ে 2:32 AM
শেরিল স্যান্ডবার্গ ফেসবুকের ৭ নির্বাহী কর্মকর্তার একজন, ফেসবুকের প্রথম নারী নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ফেসবুকের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। কর্মজীবনে তিনি বিশ্ব ব্যাংক, গুগলেও চাকরি করেন। শুধু তাই নয় বিশ্বের প্রভাবশালী ‘টাইম সাময়িকীর’ দৃষ্টিতে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০ নারীর মধ্যে তিনি একজন। বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সে বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে অন্যতম।




জন্ম, পড়াশোনা ও পরিবার:

শেরিল স্যান্ডবার্গ ১৯৬৯ সালের ২৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তার আরও এক ভাই ও বোন রয়েছেন। ভাইয়ের নাম ডেবিড এবং বোনের নাম মিচেল। তার বয়স যখন ২ বছর তখন তার বাবা-মা নর্থ মিয়ামি বীচ থেকে ওয়াশিংটনে চলে আসেন। তিনি ২৫ বছর বয়সে বিশ্বের খ্যাতনামা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা নেন। ১৯৯৩ সালে ব্রেইন ক্রাফ এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তার পরের বছর ১৯৯৪ সালে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। ২০০৪ সালে ডেভিড গোল্ডবার্গকে বিয়ে করেন তিনি। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে এবং এক মেয়ে সন্তানের মা। তাদের ঘিরে শেরিলের অন্তহীন স্বপ্ন। শেরিলের প্রত্যাশা তার ছেলে এবং মেয়ে দু’জনেই তাদের পরিবারে এবং বাইরে সমান দায়িত্ব পালন করবে। 




 কর্মজীবন:

হার্ভার্ড থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে যোগ দেন বিশ্ব ব্যাংকে। তার ২০০৪ সালে যোগ দেন বিশ্বের প্রধান সার্চ ইঞ্জিন ‘গুগল’ এ। তিনি সার্চ ইঞ্জিন গুগলের 'গ্লোবাল অনলাইন সেলস' এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। গুগলে চাকরি নেয়ার আগে স্যান্ডবার্গ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীর চীফ অব স্টাফ হিসেবে কাজ করেছেন। ৪ বছর সেখানে চাকরি করার পর ২০০৮ সালে যোগ ফেসবুকে। স্বয়ং মার্ক জুকারবার্গই তাকে গুগল থেকে ফেসবুকে নিয়ে আসেন। ওই বছর ‘ওম্যান ইন টেকনোলজি, ইন্টারন্যাশনাল’ বিশ্বপ্রযুক্তিতে শীর্ষ ১০ ক্ষমতাবান নারীর তালিকায় চলে আসেন তিনি। ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার পদে দায়িত্ব পালনে শেরিল স্যান্ডবার্গ বিপণন, বিকিকিনি, লোকসম্পদ, লোকনীতি এবং যোগাযোগের বিষয়গুলো সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন। নিত্যদিনই ফেসবুকে অনলাইনে সার্চ ইঞ্জিন ক্রয়-বিক্রয়ে নিত্যনতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অবদান রেখে চলেছেন এ নারী প্রযুক্তিবিদ। প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী ২০১১ সালে তিনি সবচেয়ে বেশি বেতনের কর্মকর্তার মর্যাদা পান। এ বছর ফেসবুক থেকে বেতন হিসেবে শেরিল তিন কোটি ৯০ লাখ ডলার সম্মানী পেয়েছেন। ২০১২ সালের জুনে তিনি ফেসবুক কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য নির্বাচিত হন। ফেসবুক ছাড়াও তিনি ওয়াল্ট ডিজনি ও উইমেন ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।




 বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার:

ব্লুমবার্গ এর এক প্রতিবেদনে শেরিল স্যান্ডবার্গকে বিশ্বের অন্যতম কম বয়সী বিলিয়নেয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। শেরিলের এ ধনী হওয়ার পেছনে রয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের শেয়ার। জানা গেছে শেরিলের প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ ফেসবুক শেয়ার রয়েছে। সম্প্রতি এ শেয়ারগুলোর মূল্য বৃদ্ধিই তাঁর অর্থবিত্তের কারণ। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেস্ক ইতিমধ্যেই ৪৪ বছর বয়সী শেরিলকে বিশ্বের অন্যতম তরুণ বিলিয়নেয়ার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ২০১৪ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন আরেক প্রতিবেদনে তাকেই বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার নারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।



অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া:

২০১৩ সালের জুলাই মাসে ঘটে এ ঘটনাটি। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো বিমানবন্দরে অবতরণের সময় এশিয়ানা এয়ারলাইন্সের যে বোয়িং-৭৭৭ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেই বিমানে তার যাত্রা করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ফেসবুকে বলেন, "ধন্যবাদ দেয়ার জন্য মিনিট খানেক সময় ব্যয় করছি। আমার পরিবার, সহকর্মী ডেভিড ফ্রস্ট, কার্লটন ঘোলসন, এবং কেলি হফম্যান সহ আমার এই দুর্ঘটনা কবলিত এশিয়ানার বিমানে ভ্রমণ করার কথা ছিল। আমার পরিবারের টিকিট যেন এয়ার মাইল ব্যবহার করে কেনা যায় সেজন্য আমরা এশিয়ানার বদলে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স গ্রহণ করি। এশিয়ানার সাথেই আমাদের অবতরণ করার কথা থাকলেও তা আগেই পৌঁছে যায় এবং দুর্ঘটনার ২০ মিনিট আগে আমাদের বিমান অবতরণ করে।" (নোট: ছবিতে স্বামীর সাথে তিনি)

শেয়ার বিক্রি:

নিজের নামে থাকা ৯ কোটি ১০ লাখ ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছেন শেরিল স্যান্ডবার্গ। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ তথ্য প্রকাশ করে। এ পরিমাণ শেয়ার বিক্রির পরও স্যান্ডবার্গের শেয়ার এবং অন্যান্য সম্পদের মোট পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারের বেশি। তার নেতৃত্বে কোম্পানিটির বাজার মূল্য ৯ হাজার ৩০০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে এর মোট কর্মীর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ফেসবুকের শত কোটি ডলার মুনাফা অর্জনের পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, তার মধ্যে স্যান্ডবার্গ অন্যতম। সম্প্রতি কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো ৩৮ ডলারের ঘর ছাড়ালে স্যান্ডবার্গ তার উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করে দেন।




Powered by Blogger.