Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:12 AM

বিভিন্ন কারণে পেট ব্যথা হতে পারে। পেট ব্যথা একবার শুরু হলে তা আর সহজে থামতে চায় না। যন্ত্রণাদায়ক এই পেট ব্যথার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হুটহাট ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকেই। এইভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া একদমই উচিত নয়। যেকোন ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হয়তো আপনার একটি ভুল ওষুধ সেবন হতে পারে বড় কোন রোগের কারণ। পেট ব্যথা ঘরোয়া কিছু উপায়ে ভাল করা সম্ভব। 

১। অরুচি, হজম সংক্রান্ত পেট ব্যথা
আধা চা চামচ সাধারণ লবণ এবং বিট লবণের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চিমটি আদা গুঁড়ো, গোল মরিচ গুঁড়ো, হিং ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন।
২। গ্যাসের কারণে পেট ব্যথা
অ্যান্টিপাসমোডিক এবং অ্যান্টিফ্লাটিউলেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ হিং। এটি গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হিং মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। এরসাথে আপনি এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি পেট ব্যথা কমিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এক কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ হিং মিশিয়ে নিন। এই পানির মধ্যে একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে পেটের উপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এটিও পেটের ব্যথা কমিয়ে দিবে।
৩। ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি জনিত ব্যথা
এক কাপ ডালিমের রস দিনে দুইবার পান করুন। এটি পেট ব্যথা দূর করে এবং ডায়ারিয়া বন্ধ করে দেয়। এছাড়া এক গ্লাস বাটার মিল্কের সাথে জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৪। গ্যাসে জ্বালাপোড়া এবং গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা
এক গ্লাস পানিতে ২০ টি কালো কিসমিস সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি পেট জ্বালাপোড়া কমিয়ে গ্যাস কমাতে সাহায্য করে থাকে।
৫। মাসিকজনিত পেটব্যথা
একটি আদা কুচি করে এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। জ্বাল হয়ে আসলে এতে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন মাসিকের সময়। এছাড়া রান্নায় এবং সালাদে আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। আদা মাসিকজনিত পেট ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে।

অদ্ভুতুড়ে 12:25 AM

মানবদেহের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল লিভার। এই একটি অঙ্গ অনেকগুলো শারীরিক কাজ করে থাকে যেমন মেটাবলিজম, হজমশক্তি বৃদ্ধি, বিষাক্ত পর্দাথ দূর করা ইত্যাদি। বিভিন্ন কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সমস্যা শুরুর দিকে এর চিকিৎসা করা না হলে লিভার ফেইলিয়ারের মত ঘটনা ঘটতে পারে। লিভার ফেইলিয়ার আস্তে আস্তে শুরু হয়ে থাকে। আপনার কিছু কাজ দ্বারা এটি আরও মারাত্নক আকার ধারণ করে থাকে। লিভার সুস্থ রাখতে এই কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকুন।

১। অতিরিক্ত মদ্যপান
অ্যালকোহল লিভার ইনফ্লামেশন, ফ্যাটি লিভার, এমনকি লিভার সিরোসিসের প্রধান কারণ। লিভার খাবারের ভেঙে শক্তিতে রূপান্তর করে থাকে। লিভার যখন অ্যালকোহল ভাঙ্গার চেষ্টা করে তখন এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে সকল নিয়মিত মদ্যপান করে থাকে সাধারণত তারা বেশি লিভারের সমস্যায় ভুগে থাকেন।
২। স্থূলতা
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা লিভার সমস্যার দিকে নিয়ে যায়। লিভারে চারপাশে চর্বি জমে লিভার ফেইলিয়ারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে দেয়। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেক রোগী লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
৪। ডায়াবেটিস
এক গবেষণায় প্রকাশ করা হয় ডায়াবেটিস রোগীদের ৫০% লিভার ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। যা লিভার ড্যামেজের অন্যতম কারণ হয়ে থাকে।
৫। অতিরিক্ত ওষুধ সেবন
অতিরিক্ত ওষুধ সেবন মারাত্নক ক্ষতি করে থাকে লিভারের। বর্তমান সময়ে অনেকে ডাক্তার পেইনকিলার খেতে নিষেধ করে থাকে। পেইন কিলার, অবসাদ কমানোর ওষুধ, মুড ঠিক করার ওষুধ ইত্যাদি লিভারের ক্ষতি করে থাকে।
৬। লবণ বেশি খাওয়া
অতিরিক্ত লবণ এবং লবণ জাতীয় খাবার রক্তচাপ বৃদ্ধি করে থাকে। এটি লিভারে পানি বৃদ্ধি করে লিভারে ক্ষতি করে থাকে। বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা আজই ত্যাগ করুন।
৭। ধূমপান
ধূমপান সরাসরি লিভারের ক্ষতি করে না থাকলেও পরোক্ষভাবে এটি লিভারের ক্ষতি করে থাকে। সিগারেটের ক্ষতিকর উপাদান লিভারের পৌঁছানোর পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বৃদ্ধি করে যা লিভারের কোষে প্রভাব ফেলে থাকে।
৮। সাপ্লিমেনিটরি
গবেষণায় দেখা গেছে পুষ্টি অথবা ডায়েটেরি সাপ্লিমেনটরি লিভারে কিছু এনজাইম তৈরি  করে থাকে। অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণের কারণে অনেক সময় লিভার ড্যামেজ হতে পারে।

অদ্ভুতুড়ে 11:24 PM

 

ফেসিয়াল আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে নাকি উপকার করছে তা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। কেউ বলেন ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে, আবার কেউ বলেন তারা কোন পরিবর্তনই দেখতে পাননা। আবার অনেকেই বলেন ফেসিয়াল করার পর তাদের ত্বকের সমস্যা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক নারীই রিল্যাক্স করার জন্য ফেসিয়াল করে থাকেন। যদিও ফেসিয়াল হওয়া উচিৎ ত্বকের যত্নের জন্য, শুধুমাত্র রিল্যাক্স করার জন্য নয়। আসলে ত্বকের যত্নের জন্য যে কাজগুলো করা প্রয়োজন সেগুলো যদি আপনি না করেন তাহলে ফেসিয়াল ত্বকের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এমন কিছু টিপস জেনে নিই চলুন যা করলে ফেসিয়ালের ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়।


১। ওয়াক্সিং এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার ২৪ ঘন্টা পূর্বে ওয়াক্সিং করবেন না। ওয়াক্সিং করলে ত্বকের এক্সফলিয়েট হয়, এতে ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পরে এবং র‍্যাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর পরপরই ফেসিয়াল করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয় বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।

২। স্ক্রাব করবেন না
ফেসিয়ালের পূর্বে মুখে স্পঞ্জ বা স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে ত্বক জ্বলতে পারে।

৩। সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার পূর্বে সূর্যরশ্মি থেকে দূরে থাকুন। সূর্যের আলোর কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা ঠিক করতে পারে ফেসিয়াল। কিন্তু সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসার পরে ত্বকের কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন। সূর্যের আলোয় ত্বক পুড়ে যায় ফলে ব্রণ দূর করার উপাদানের সাথে এর প্রতিক্রিয়া হয়।

৪। ঔষধ দূরে রাখুন
যারা বোটক্স জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করছেন তারা ফেসিয়াল করার ৪৮ ঘন্টা আগে এর ব্যবহার বন্ধ রাখুন। সম্প্রতি ইনজেকশন দেয়া হয়েছে এমন ত্বকে ম্যাসেজ করলে সেই স্থানের রাসায়নিক চেহারার অন্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে।

৫। হাত দূরে রাখুন
মুখে ব্রণ বা কোন দাগ থাকলে তা খুঁটবেন না। এর ফলে ত্বক উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং ফেসিয়াল করলে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৬। এক্সটেনশন বাদ দিন
আপনি যদি চোখে আলগা পাপড়ি লাগান তাহলে তা লোশন বা ষ্টীমের সংস্পর্শে না আনাই ভালো। ফেসিয়াল করার অন্তত ৪৮ ঘন্টা আগে এগুলো ব্যবহার বন্ধ রাখুন।      

৭। এক্সফলিয়েশন বাদ দিন
ফেসিয়ালের পূর্বে এক্সফলিয়েশন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এক্সফলিয়েটে রেটিনল ও গ্লাইকোলিক এসিড থাকে যা ত্বকের বাইরের স্তরকে সংবেদনশীল করে তোলে।
ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য উপকারি হতে পারে যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলেন।

অদ্ভুতুড়ে 6:16 AM

 

ত্বকের যত্নে আমরা অনেক কিছুই করে থাকি। নানা ফেসপ্যাক, ক্রিম কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু মুখের ত্বকের সাথে সাথে আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশও রোদে পুড়ে যাচ্ছে। বরং মুখের চেয়ে এই অংশগুলো বেশি পুড়ে থাকে। এমন একটি অঙ্গ হল আমাদের পা। যা আমরা সবাই অবহেলা করে থাকি। এই গরমে ত্বকের পাশাপাশি হাত পায়েরও প্রয়োজন পড়ে বাড়তি যত্নের। ঘরোয়া কিছু উপায়ে করে ফেলুন হাত এবং পায়ের যত্ন।



১। লেবু এবং লবণ
দুই টেবিল চামচ লবণের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক এক্সফলিয়েট করে থাকে। লবণ প্রাকৃতিক স্কার্ব হিসেবে কাজ করে রোদে পোড়া ভাব দূর করে থাকে।

২। চন্দনের গুঁড়ো এবং টমেটো
এক টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ো, এক চা চামচ টমেটোর রস, এক চা চামচ শসার রস, এবং এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক ব্যবহারে পায়ের কালো দাগ দূর করে দিবে।

৩। আলু
একটি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এই রস পায়ে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আলু নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। আলুর রসে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে যা রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে।

৪। দুধ এবং কমলার খোসা গুঁড়ো
কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিন। এর সাথে দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। কিছুটা পাতলা পেস্ট তৈরি করুন। এইবার পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধের ল্যাটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের পিগমেনশন রোদে পোড়াভাব দূর করে দিয়ে থাকে।

৫। বেসন এবং হলুদের পেস্ট
সমপরিমাণ হলুদ এবং বেসন তার সাথে টকদই এবং লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

অদ্ভুতুড়ে 1:09 AM

চাকরি তো যেমন-তেমন। কলেজে যেতে তো আরও অসহ্য লাগে। কিন্তু তা বলে মুড খারাপ করে বসে থাকলে তো আর চলবে না। কী করে মুড ভাল করা যায় তার ১০টি টিপস রইল—


১) ঘুম ভেঙে উঠে কাজ বা পড়াশোনা নিয়ে কিচ্ছুটি ভাববেন না। সবচেয়ে প্রিয় মিউজিক বা গানটি চালিয়ে দিন। সেটা শুনতে শুনতেই রেডি হতে থাকুন।

২) ব্রেকফাস্টটা যেন একদম মনের মতো হয়। যা খেতে ভাল লাগে তাই খান তবে অবশ্যই বুঝে-শুনে যাতে শরীর খারাপ না হয়।

৩) আলমারি বা ওয়ার্ডরোব খুলে সবচেয়ে পছন্দের পোশাকটি বার করুন। সাজগোজ যেন হয় নিখুঁত। অফিস হোক বা কলেজ, ফাঁট বজায় রাখতেই হবে।

৪) বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমেই একটা ক্যাডবেরি কিনে নিন। বাসে বা মেট্রোয় বসে তারিয়ে তারিয়ে খান। কে কী দেখল বা বলল, কেয়ার করবেন না।

৫) নিজেকে মনে মনে বলুন যে আর মাত্র ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা। তার পরেই আপনি বাড়ি ফিরবেন। মনের গুম হয়ে থাকাটা কাটবে।

৬) সন্ধেবেলা বা রাতে বাড়ি ফিরে কী খাবেন, কী কী করবেন সে সব প্ল্যান করুন কাজের ফাঁকে। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতেই দেখবেন অর্ধেক দিন পার হয়ে গিয়েছে।

৭) অফিসে গিয়ে আগে নিজের ওয়র্কস্টেশনটা ঝকঝকে, তকতকে করে ফেলুন। এটাও খানিকটা কাজে মন বসাতে সাহায্য করবে।

৮) দু’ঘণ্টা ছাড়া ছাড়া অ্যালার্ম সেট করে রাখুন। যখন যখন অ্যালার্ম বাজবে, তখনই মনটা খুশিতে ভরে উঠবে। মনে হবে যাঃ, এতটা সময় কেটে গেল। তবে তো আর মাত্র...

৯) অফিসেই থাকুন বা কলেজে, দুপুরের লাঞ্চটা যেন হয় জব্বর এবং সেটা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নিয়ে আড্ডা দিতে দিতে করুন। টেনশন সহজেই পালাবে।

১০) সম্ভব হলে সন্ধেবেলা কোনও হ্যাং-আউটের প্ল্যান করুন। নন্দনে ঠেকও হতে পারে আবার কফিশপ ডেটও হতে পারে। কিন্তু ভাবখানা এমন রাখুন যেন আজই উইকএন্ড।

অদ্ভুতুড়ে 1:09 AM

ছুটির দিনগুলো ছাড়া মোটামোটি সারাদিনই কাজের চাপ থাকে সবার। সেটা শিক্ষার্থীর জন্য হোক কিংবা চাকরিজীবী জন্য। তার উপর অন্যান্য কাজেও বাইরেও মাঝে মাঝে যেতে হচ্ছে, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে। ত্বকের ক্ষতি হবে জেনেও সময়ের অভাবে রূপচর্চা ঠিক মতো করা হয় না অনেকেরই। এই ব্যস্ততার মাঝে নিজের রূপচর্চার কথা ক’জনেরই বা মনে থাকে। এতকিছুর মাঝে নিজেকে খানিকটা সুন্দর রাখার চেষ্টা করাই যায়। কাজের ফাঁকে একটু সময় করে যদি আমরা ফ্রেশ হয়ে নিই তাহলে মনটাও ফুরফুরে হয়ে যায়। বাহিরে ঝটপট কীভাবে রূপচর্চা করবেন তা নিয়ে আজক আলোচনা করবো।কাজের ফাঁকে সময়টাতেই চাইলে সেরে নেওয়া যায় চটজলদি রূপচর্চা।সকাল ৮টা সাড়ে ৮টায় বের হওয়ার সময় নিজের হালকা মেকআপটাও ঠিকমতো করে আসা যায় না। সেখানে বাইরে বসে রূপচর্চার করাটা কঠিন মনে করেন সবাই।রাস্তার জ্যাম ঠেলে বাড়ি ফিরতে ফিরতে দেরি হয়ে যায়,শরীরজুড়ে থাকে ক্লান্তি। তখন আর কারোই বা ইচ্ছে করে রূপচর্চা নিয়ে মাথা ঘামাতে।

 অফিসে কাজের ফাঁকে ঝটপট একটু রূপচর্চা !

দিনের বড় একটা সময় যেহেতু বাইরেই কেটে যায় সে কারণে বাইরে কাজের ফাঁকে বসেই সেরে নেওয়া উচিত ত্বকের যত্ন।চাইলে অবসর বের করে নেওয়া সম্ভব,যার পুরোটাই নির্ভর করে নিজের উপর। খুব অল্প সময়ে নিজেকে রিফ্রেশ করে নেওয়া সম্ভব। তবে এর জন্য সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস রাখতে হবে। যেমন—ফেসওয়াশ, সানস্ক্রিন, টিস্যু বা রুমাল এবং প্রয়োজনীয় কসমেটিকস।

কসমেটিকস এমনিতেও অনেকে সাথে রাখেন সবসময়, তবে তার সাথে রূপচর্চার বাকি জিনিসগুলোও ব্যাগেই রাখতে পারেন। ব্যাগের আলাদা পকেটে বা একটা ছোট ব্যাগে ভরে রেখে দিন। সময়-সুযোগ বুঝে সেগুলো ব্যবহার করুন।
ভার্সিটি বা অফিসে সাধারণত এসির ভেতর থাকতে হয়। এতে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয় বেশি। আর তৈলাক্ত ত্বক আরও বেশি চিটচিটে হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সুযোগ পেলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন। আর মুখ তেলতেলে হলে টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ মুছে নেবেন।

একটা ছোট আয়না সবসময় সঙ্গে রাখলে ভালো হয়।এতে মাঝে মাঝে আয়নায় দেখে নেয়া যায় আপনার মেকআপ,চুল ঠিক আছে কি না। হালকা মেকআপ করেই সবাই ঘর থেকে বের হয়।তবে ভার্সিটি বা অফিস দূরে হলে জার্নিতে মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়, মুখে ক্লান্তির ভাব এসে যায়।অফিস বা ভার্সিটিতে ঢুকেই একটু ফ্রেশ হয়ে নেওয়া ভালো।

দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে ঠোঁট শুকিয়ে যায়। তাই মাঝে একবার লিপস্টিক মুছে নতুন করে লাগান, অথবা ভেসলিন ব্যবহার করুন,ফ্রেশ দেখাবে।

বের হওয়ার আগে যেমন সানস্ক্রিন লাগিয়েছিলেন, তেমনি মাঝে কাজে বাইরে বের হতে হলে আবার লাগান। বিশেষ করে যাদের ঘোরাঘুরির মধ্যে থাকতে হয় তাদের জন্য এটা অনেক জরুরী।
সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বেসিক একটা মেকআপ সবাই করে থাকে। তবে এটা অনেক বেশি সময় থাকলে অনেকেরই অ্যালার্জি হতে পারে। তাই মুখ সারাদিনে একবর হলেও মুখ ধুয়ে হালকা মেকআপ এবার করে নিন। হালকা সাজার জন্য যা যা লাগবে শুধু তাই কাছে রাখুন। সাজার যেই জিনিস ব্যবহার করতে আপনার বেশি সময় লাগে সেটা না রাখাই ভালো।

চুল ঠিক রাখুন।সাথে ছোট চিরুনি রাখতে পারেন। খেয়াল রাখবেন চুল যেন উস্ক খুস্ক না দেখায়। মুখ ধোয়ার আগে হাত ভালমতো পরিষ্কার করুন। এতে হাতের জীবাণু মুখে যাবে না।

মুখে বার বার পানি দিয়ে ভালো করে ধুবেন, এতে আপনার ক্লান্ত ভাব দূর হয়ে যাবে এবং সতেজ ভাব মুখে ফুটে উঠবে।
বাইরে বেশি থাকলে ঘন ঘন পানি পান করুন। বোতলে পানি রাখুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে এবং আপনিও ফ্রেস ফিল করবেন।

বাইরে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হলে অবশ্যই খেয়ে নেয়াটা জরুরী, না হলে আপনি অসুস্থ হয়ে পরবেন, বেশি ক্লান্ত লাগবে। এভাবে বাইরে অল্প সময় বের করেই রূপচর্চার জন্য সময় বের করে নেয়া যায়। বাইরে সতেজ থাকাটাই জরুরী!
অদ্ভুতুড়ে 1:45 AM



শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) : আবারও লাউয়াছড়া থেকে কাটা গেল বিশালাকৃতির চাপালিশ গাছ। গাছটির বেড় প্রায় ১০ ফুট।

লাউয়াছড়ার মাগুরছড়া নামক স্থান থেকে প্রাচীন এ গাছটিকে কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে প্রকৃতিপ্রেমী ও গবেষকদের মনে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাংলানিউজকে জানান, শুক্রবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ গাছচোরেরা রাস্তার একেবারে কাছে থেকে এ গাছটি কেটে নেয়।

চাপালিশ এক ধরণের টক জাতীয় ফল। দেখতে অনেকটা কাঠালের মতো। তবে এর আকৃতি ছোট। পৃথিবীব্যাপী মহাবিপন্ন প্রাণী উল্লুকের (Hoolock Gibbon) অন্যতম প্রিয় খাবার চাপালিশ ফল।

ঘন ঘন গাছ কর্তনের ফলে লাউয়াছড়ার জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ) মিহির কুমার দে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

অদ্ভুতুড়ে 1:43 AM

বৈশাখকে সামনে রেখে ই-কমার্স সাইট ‘অথবাডটকম’ সেজেছে বৈশাখী আমেজে। ঐতিহ্যবাহী হরেক পণ্যের পাশাপাশি শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ জুয়েলারির সমাহারে আকর্ষণীয়  মূল্যছাড় দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলা সংস্কৃতি প্রিয়দের জন্য বিশেষভাবে রয়েছে চারটি ভিন্ন (রঙের মেলা, পাঁচ মিশালি, শখের ডালি ও রসের হাড়ি) বৈশাখী ঝাঁপি। তাছাড়া ইলিশ ছাড়া যেন বৈশাখ পুরোপুরি উদযাপিত হয়না, সে দিকটি চিন্তা করে পদ্মার ইলিশের সংগ্রহও রেখেছে অথবাডটকম।


তাই কর্মব্যস্ত মানুষগুলো যারা উ‍ৎসবটি পালন করতে চায় কিন্তু বাজারে গিয়ে কেনাকাটার সময় পাচ্ছেনা। তাদের জন্য অথবাডটকমের এই আয়োজনটি দারুণ উপকারে আসবে। অনলাইন বা ফোনের মাধ্যমে অর্ডার দিলে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে তারা।

প্রতিষ্ঠানের হেড অব অপারেশন্স আহসানুল আলম এ বিষয়ে বলেন, বৈশাখী কালেকশনে আমরা খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। পহেলা বৈশাখ যত কাছে আসছে, অর্ডার তত বাড়ছে।

বৈশাখী ঝাঁপিগুলোতে  নকশী কাঁথা, কাচের চুড়ি, একতারা, বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম আর মুড়ি-মুড়কির মতো ঐতিহ্যবাহী সমস্ত খাবার আছে।

রঙের মেলা ঝাঁপিরে ক্রেতারা একটি নকশী কাঁথা, ৪০০ গ্রাম প্রাণ প্রিমিয়াম ঘি, একটি গামছা, একতারা একটি, মাটির গহনা এক সেট, কাচের চুড়ি দুই ডজন, মাটির চুড়ি এক জোড়া, ঝালমুড়ি তিন প্যাকেট, ম্যাঙ্গোবার ১০ প্যাকেট, টিপ এক পাতা, বাঁশি একটি, মুখোশ একটি, মোয়াবার পাঁচ প্যাকেট, ললিপপ, একটি, মাটির কাঁসা, একটি ডালা/প্যাকেজিং পাবে ২ হাজার ৮৪৯ টাকায়।

‘পাঁচ মিশালি’ ঝাঁপিতে রয়েছে ললিপপ একটি, মতিচুরের লাড্ডু এক প্যাকেট (সাত পিস), প্রাণ তেতুল চাটনী পাঁচ প্যাকেট, প্রাণ মিক্সড চাটনী পাঁচ প্যাকেট, শন পাপড়ি এক প্যাকেট, প্রাণ জলপাই আচার এক বৈয়াম, তিলের খাজা ১০ প্যাকেট, পিনাট বার ১০ প্যাকেট, ম্যাঙ্গো বার পাঁচ প্যাকেট ও একটি ঝুড়ি। এই ঝাঁপির দাম ৫১৯ টাকা।

২ হাজার ৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাবে শখের ডালি। এটি সাজানো হয়েছে একটি পদ্মার ইলিশ (১.১ থেকে ১.২ কেজি), বগুড়ার দই এক কেজি, আম ৫০০ গ্রাম, পেয়ারা ৫০০ গ্রাম, গামছা একটি ও একটি সুদৃশ্য ডালা দিয়ে।

রসের হাড়িতে রয়েছে একটি পদ্মার ইলিশ (১.১ থেকে ১.২ কেজি), বগুড়ার দই এক কেজি, টাঙ্গাইলের চমচম এক কেজি, মুড়ি-মুড়কি এক কেজি, মতিচুরের লাড্ডু এক প্যাকেট, শন পাপড়ি এক প্যাকেট, পেয়ারা ৫০০ গ্রাম, আম ৫০০ গ্রাম, গামছা একটি ও একটি সুদৃশ্য ডালা। রসের হাড়ি কিনতে লাগবে ৩ হাজার ৫৯৯ টাকা।

অর্ডারের জন্য লগ ইন করতে হবে www.othoba.com ঠিকানায়। অথবা ঢু মারতে পারেন অথবার ফেসবুক পেজেও www.facebook.com/othobabd.।

অদ্ভুতুড়ে 1:29 AM

সংগীত জীবনে গ্র্যামীসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন গায়িকা টেলর সুইফট। এবার নিজের নামের পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। প্রথমবারের মতো দেওয়া হচ্ছে ‘টেলর সুইফট অ্যাওয়ার্ড’।

 


আগামী ১০ মে ৬৪তম বিএমআই পপ অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান হবে ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসে। এখানে সুইফকে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হবে জমকালো আয়োজনে। এ ছাড়া বিএমআই আইকন অ্যাওয়ার্ড পাবেন সংগীতশিল্পী ব্যারি ম্যান ও সিনথিয়া ওয়েইল।


অনুপম সৃজনশীল ও শৈল্পিক প্রতিভার সুবাদে এবং বিশ্বজুড়ে সংগীতপ্রেমীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের স্বীকৃতি হিসেবে সুইফটের নামে পুরস্কার চালু হচ্ছে। ২৬ বছর বয়সী এই পপ সুপারস্টার নিজের গানের মাধ্যমে পপ সংস্কৃতিকে শিল্পকর্ম ও দুরন্ত উদ্দীপনায় রূপ দিয়েছেন বলে মনে করছে বিএমআই।


বিএমআই সহ-সভাপতি (লেখক/জনসংযোগ) বারবারা কেইন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘তার গভীর প্রভাব শুধু সুরের বেলাতেই নয়, ব্যক্তিগত দৃঢ় বিশ্বাস ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে মানদণ্ড তৈরি করেছেন যা সংগীতকে সবার কাছে মূল্যবোধ ও শ্রদ্ধার জায়গা দেয়। তাই টেলরকে সম্মানের সঙ্গে অনন্য ও বিশেষ পুরস্কার দেওয়াটা যথাযথ মনে করছি আমরা। তিনি নিজেও অনন্য ও বিশেষ একজন।’


বিএমআই পুরস্কারের ক্ষেত্রে কোনো শিল্পীর নাম ব্যবহারের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ১৯৯০ সালে সংস্থাটি প্রয়াত পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনকে দিয়েছিলো ‘মাইকেল জ্যাকসন অ্যাওয়ার্ড’।


বিএমআই হলো ব্রডকাস্ট মিউজিক, ইনকর্পোরেশন। সারাবছর যেসব পপ গান সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয় সেগুলোর সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক-প্রকাশকদের পুরস্কার দেওয়া হয় এতে।

অদ্ভুতুড়ে 12:30 AM

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে বাঙালিয়ানার চিরন্ত্মন উৎসবের রঙে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ফ্যাশন হাউস দেশীয়া এই বৈশাখকে সামনে রেখে নিয়ে এসেছে শৈল্পিক ডিজাইনের সব পোশাক।


দেশীয়ার পোশাকের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ গুণ এবং নান্দনিক ডিজাইন। দেশীয়ায় মেয়েদের জন্য রয়েছে থ্রি পিস, শার্ট টপস, লং টপস, শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, ওড়না পস্নাজো ইত্যাদি। পাশাপাশি রয়েছে ছেলেদের পাঞ্জাবি ও বাচ্চাদের পোশাক।

নতুন কালেকশন প্রসঙ্গে দেশীয়ার কর্ণধার রবিন মুশফিক বলেন, আমাদের সব প্রোডাক্টই শতভাগ সুতি কাপড়ের তৈরি। এসব পোশাকের নকশা করা হয়েছে বস্নক, বাটিক, স্ক্রিন প্রিন্ট, হ্যান্ড স্টিচ, চুমকি, এমব্রয়ডারি ও হাতের কাজ ইত্যাদি। আশা করছি বৈশাখের পোশাকগুলো ক্রেতাদের একইসঙ্গে ঐতিহ্য ও আরামের দিকটি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

যোগাযোগ: দেশীয়া, ৮১ (নিচতলা), ৭৫ (২য় তলা), আজিজ সুপার মার্কেট শাহবাগ, ঢাকা। এছাড়াও ধানমন্ডি মেট্রো শপিং মল ও সাভারের সিটি সেন্টারে রয়েছে দেশীয়ার আরো দুটি আউটলেট।

অদ্ভুতুড়ে 12:28 AM

বৃষ্টিতে যে সময়টুকু সবাই মিলে বাড়িতে উপভোগ করার সময় পান, পুরো সময়টা এনজয় করুন। দাবা, লুডু অথবা কেরাম খেলতে বসে যান সবাই মিলে। খেলার সঙ্গে নিজেদের ছোট বেলার মজার স্মৃতিগুলো আরও একবার ঝালাই করার ভালো সময়ও এটি। তবে কোনো আড্ডাই খাবার ছাড়া ঠিক জমে না। আজ তাই মুখোরচক, সহজে তৈরি করা যায় এমনই কিছু রেসিপি অাপনাদের জন্য:



পাউরুটি সবজি পাকোড়া
 
উপকরণ: পাউরুটি – ৬ পিস, লবণ, চিনি স্বাদমতো, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুঁচি আধা চা চামচ, লাল ও সবুজ ক্যাপসিকাম কুঁচি ২ টেবির চামচ। তেল – ভাজার জন্য।

প্রণালী: পাউরুটির পিসগুলো পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। পানি থেকে তুলে হাতে চেপে যতটা সম্ভব পানি ফেলে নিন।  

এবার একটি পাত্রে পাউরুটি, ক্যাপসিকাম কুঁচি, লবণ, চিনি পেঁয়াজ- মরিচ কুঁচি দিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন।
ডুবু তেলে পছন্দ মত আকারে বাদামী করে পাকোড়াগুলো ভেজে তুলুন।

যে কোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন পাউরুটি সবজি পাকোড়া।

ছোট পিজা
প্রথমে ডো: ময়দা-৩ কাপ, হালকা গরম পানি-দেড় কাপ, ইস্ট-২ টেবিল চামচ, ২ টেবিল চামচ-অলিভ ওয়েল, চিনি-১ টেবিল চামচ, লবন-১ চা চামচ।

ডো তৈরি: ওপরের সব উপকরণ একটি বড় পাত্রে নিয়ে মিক্সারে ৫ মিনিট মিক্স করুন। ইলেকট্রিক মিক্সার না থাকলে একটু বেশি সময় নিয়ে হাতে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে। এবার ডো ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন।

পিজার উপকরণ:
মুরগির বুকের মাংস কিমা ১ কাপ অথবা সসেস ৪ পিস, পেঁয়াজ কাটা ২টি, চিজগ্রেট ১ কাপ, টমেটো সস ৬ টেবিল চামচ, অরিগেনো ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, ক্যাপসিকাম ১ টি, টমেটো ১টি ।
হাত দিয়ে ডো-এর আকার ঠিক করে ছোট ছোট প্যানে ডো রেখে প্রথমে সস দিয়ে একে একে সব উপকরণ সাজিয়ে দিন। এবার গ্রেট করা চিজ ওপরে ছড়িয়ে দিয়ে প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১০ মিনিট বেক করুন।

গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ মজার ঘরে তৈরি পিজা।
 
সমুচা
উপকরণ : ময়দা ৩ কাপ, তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণমত, বেকিং পাউডার কোয়াটার চামচ, পানি পরিমাণমত, মাংস ৫০০ গ্রাম কিমা, আদা রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ ২ কাপ, তেল কোয়াটার কাপ, লবণ পরিমাণমত, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন : পেঁয়াজ কিউব করে কেটে নিন। মাংস সেদ্ধ করে নিন এবার চুলার পাত্র দিন পেঁয়াজ কুঁচি দিন। আদা রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবণ ও মাংসের কিমা দিন। রান্না হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।

ময়দা, বেকিং পাউডার তেল, লবণ পানি দিয়ে খামির তৈরি করুন। এবার ভেজা কাপড় দিয়ে খামির ঢেকে রাখুন।
খামির চার ভাগ করে চারটি ছোট রুটি বেলুন। রুটির ওপর তেল মেখে শুকনো ময়দা ছড়িয়ে দিয়ে একটির ওপর একটি চেপে লাগিয়ে বড় করে বেলে নিন।

এবার সেঁকে সেঁকে রুটি আলগা করে সমুচার জন্য কেটে নিন। মাংসের পুর ভরে সমুচা বানিয়ে ডুবো তেলে ভেজে সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ফুলঝুরি পিঠা
উপকরণ: চালের গুঁড়া ১ কাপ, ডিম ১টি, চিনি এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, লবণ সামান্য, গরম পানি আধা কাপ, তেল ভাজার জন্য, ফুলঝুরি নকশা করার জন্য সাজ বাজারে পাওয়া যায়।

প্রথমে চালের গুঁড়া, লবণ, চিনি দিয়ে গরম পানিতে একঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার ডিম ফেটে চালের গুঁড়ার সঙ্গে মেশান।   তেল গরম করে ফুলঝুরি নকশা তিন-চার মিনিট তেলে ডুবিয়ে রেখে তুলে ফেলুন। তেল ঝরিয়ে আটার গোলার মধ্যে নকশা অর্ধেকের বেশি ডুবিয়ে নিয়ে আবার তেলের কড়াইয়ে এটি ডোবাতে হবে। পিঠা ফুলে ওঠামাত্রই ফুলঝুরির নকশা থেকে কাঠি দিয়ে আলাদা করে বাদামি রং হলে ভেজে তুলে রাখতে হবে। এভাবে সব পিঠা ভেজে তুলুন।

অদ্ভুতুড়ে 12:25 AM

সবাইকে উৎসবের রং-এ রাঙিয়ে দিতে জাপান তথা এশিয়ার এক নম্বর পোশাকের ব্র্যান্ড ইউনিক্লোর বাংলাদেশি শাখার গ্রামীণ ইউনিক্লো এনেছে আর্কষণীয় ডিজাইনের বৈশাখি পোশাক।


গ্রামীণ ইউনিক্লোর নান্দনিক ডিজাইনের এমব্রয়ডারি করা কামিজগুলো সহজেই মানিয়ে যাবে যেকোনো বয়সের সাথে। বৈশাখী কামিজগুলোর দাম পড়বে ১৬৯০ টাকা করে। এছাড়া কামিজের সাথে মানানসই রংয়ের লেগিংস ৩৫০ টাকায় এবং পালাজ্জো পাবেন ৭৯০ টাকায়।

পুরুষদের জন্য এখানে রয়েছে লাল সাদা রং এর মিশ্রণে তৈরি নানা ডিজাইনের ১৫৯০ টাকায় পাঞ্জাবি এবং কমফোর্ট ফিটপাজামা ৮৯০ টাকায়।

এছাড়াও বৈশাখ উপলক্ষে গ্রামীণইউনিক্লো শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে নতুন পোলো শার্ট, গ্রাফিকশার্ট ও নতুনশার্ট কালেকশন।

গ্রামীণ ইউনিক্লোর আউটলেটগুলো হলো- বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক,  ধানমন্ডি সাইন্সল্যাব মোড়, কাটাবন মোড়, খিলগাঁও তালতলা, নয়াপল্টন, মিরপুর-০১, মোহাম্মদপুর রিং রোড এবং গুলশান বাড্ডা লিংক রোডে।

অদ্ভুতুড়ে 6:19 AM



 حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
উচ্চারণ: ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল।’

অর্থ: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম সাহায্যকারী, কার্যসম্পাদনকারী।’ -সূরা আল ইমরান : ১৭৩

উত্তম সাহায্যকারী কে: বর্ণিত আয়াতে আল্লাহতায়ালার ওপর ভরসা করার বিষয়ে বলা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করার নানা পর্যায় রয়েছে। কেউ মুখে মুখে ভরসার কথা বলে, কেউ সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের ভরসা করে, কেউ-বা সর্বদাই সব কাজে আল্লাহর ওপর ভরসা করে। এটি তাওয়াক্কুলের সর্বোচ্চ পর্যায়।

আল্লাহর ওপর যার আস্থা যত বেশি, তার সফলতার পরিপূর্ণতা তত বেশি। তাওয়াক্কুল একটি গুণ, একটি ইবাদত। এটি অর্জন ছাড়া ঈমান অসম্পূর্ণ থাকে। সে কারণে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ওপর তাওয়াক্কুল করা যায় না। মৃত বা জীবিত কোনো ওলি-আল্লাহ, পীর-বুজুর্গ, নবী-রাসূলের ওপর ভরসা করা শিরক। আর শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় জুলুম।
আমল: বর্ণিত আয়াতাংশটি বেশি বেশি পাঠে আল্লাহর ওপর ভরসা দৃঢ় হয়। প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর এ আয়াত কয়েকবার পাঠ করার ফজিলত অনেক বেশি। আর এ কথা প্রমাণিত যে, আল্লাহর ওপর ভরসাকারীই প্রকৃত মুমিন ও সঠিক পথপ্রাপ্ত সফল ব্যক্তি।

আল্লাহর ওপর ভরসা করার কারণে কঠিন বিপদও মোকাবেলা সহজ হয়। ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর ভরসা) হলো- ঈমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো- আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া।
কোরআনে কারিমে তাওয়াক্কুল ৯ বার, বহুবচনে মুতাওয়াক্কিল ৪ বার, বিভিন্ন ক্রিয়াপদে ৩৩ বার এবং ওয়াকিল ২৪ বার ব্যবহৃত হয়েছে।

ইসলামি শরিয়তে তাকদিরে বিশ্বাস রাখা ওয়াজিব। তাই তাকদিরে বিশ্বাস রাখার পাশাপাশি চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। সফল হলে যে কোনো ব্যাপারে কৃতজ্ঞতা আদায় করতে হবে। আর সফল না হলে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
প্রচেষ্টা ও তাওয়াক্কুল উভয়টাই থাকতে হবে। তাকদিরের দোহাই দিয়ে রোগ হলে চিকি‍ৎসা না করা, শত্রুর হাত থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা না করা ইসলামসম্মত নয়।

আয়াতের শিক্ষা : বর্ণিত আয়াতের শিক্ষা হলো, সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করা এবং আল্লাহকে নিজেদের জন্য যথেষ্ট মনে, আল্লাহকে সব শক্তির উৎস মনে করা। এ ছাড়া এই আয়াতের আরও শিক্ষণীয় বিষয় হলো, শত্রুপক্ষের অনুপ্রবেশ এবং আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য তাদের ছড়িয়ে দেওয়া প্রচারণা সম্পর্কে সাবধান থাকা, শত্রুরা যত বেশিসংখ্যক কিংবা শক্তিশালী হোক না কেন- আল্লাহর ক্ষমতা তার চেয়েও বেশি- এমন বিশ্বাস মনে দৃঢ় রাখা।

আসলে, দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি নিতান্ত অনিচ্ছায় এবং প্রস্তুতি বা আগ্রহ ছাড়া কোনো কাজ সম্পন্ন করে, তবে সে কাজের কোনো মূল্য নেই। তদ্রুপ যার মধ্যে খোদাভীরুতা নেই এবং সৎকাজের ইচ্ছাও নেই- সে যুদ্ধে অংশ নিলেও তা হবে মূল্যহীন।

অদ্ভুতুড়ে 6:16 AM

মানবতার মুক্তির দূত হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বা) এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী জিনিসের (লজ্জাস্থান) হেফাজতের নিশ্চয়তা দিবে। আমি তার জন্য, জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।’


হাদিসে বর্ণিত এই তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমান সমাজের বাস্তবতা হচ্ছে, দুনিয়ার যত গোনাহ, মারামারি, কাটাকাটি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জেল-জুলুম, খুন-খারাবি, নারী-নির্যাতন, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা থেকে শুরু করে যত ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়- তার প্রধান কারণ এ দু’টিই জিনিস।

যেমন, জিহ্বার অসংলগ্নতা- যাতে খারাপ ভাষা, যেমন সম্পৃক্ত, তেমনি পেটের চাহিদা পূরণ করার জন্য কৃত অপরাধ কিংবা কুপ্রবৃক্তি। মানুষ যদি নামাজ-রোজা ইত্যাদি ব্যক্তিগত আমলে ত্রুটি করে তবে তার কুফল ও পরিণতি ওই ব্যক্তি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। অথচ জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের অসংলগ্নতার কারণে সমাজের সর্বত্র এর কুপ্রভাব বিস্তার লাভ করে থাকে। এমনকি অবশেষে তা পুরো সমাজকে ধ্বংসের অতলে ডুবিয়ে ছাড়ে।

সুতরাং ইসলাম উপযুক্ত কারণেই এ দু’টি অসংলগ্নতা দূর করার শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ আহকাম দান করেছে। জৈবিক চাহিদা হচ্ছে, মানুষের সহজাত, যার ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত। পবিত্রতার সঙ্গে তার প্রয়োগ করতে পারলে তা জীবনে প্রশান্তি আনয়ন করে। এটা মানব সৃষ্টির ধারা টিকিয়ে রাখার উপায়। এর মাধ্যমে সম্পর্ক ও ভালোবাসা মজবুত বন্ধনে স্থাপিত হয়। কিন্তু এ চাহিদা যদি সীমালঙ্ঘন করে আর পশুত্বসূলভ পথ অবলম্বন করে, তাহলে পুরো জীবন ধারাকে পারস্পারিক সম্পর্ক ও বন্ধন কেবলই কৃত্রিমতার রূপ প্ররিগ্রহ করে। চারিত্রিক ও শারীরিক অসুখের ব্যাপকতা দেখা দেয়। পারস্পরিক হিংসা ও বিদ্বেষের দহন বাড়তে থাকে। ঐক্যবদ্ধ কর্মপন্থায় ব্যাঘাত ঘটে।

যে সব কাজের মাধ্যমে মানুষের চিন্তাধারা বিকৃত হতে পারে, যার দ্বারা তাদের কুপ্রবৃত্তি লাগামহীন হতে পারে। যার কারণে, জৈবিক উন্মাদনা বাড়তে পারে এবং যা সমাজের মধ্যে কোনো না কোনোভাবে নগ্নতা ও অশ্লীলতা ছড়ানোর জন্য দায়ী- ইসলাম এসব কিছুর পথ গোড়াতেই বন্ধ করে দিয়েছে।

এ লক্ষ্য অর্জনের জন্যই পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে নবী! আপনি মুসলমানদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতার মাধ্যম। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু জানেন যা কতিপয় লোক করে থাকে।’ -সূরা আন নূর : ৩০
 
কোরআনে কারিমে বারবার সমগ্র সমাজ কাঠামোতে মানুষের কামনা-বাসনা, পূতঃপবিত্র রাখার জন্য প্রচার মাধ্যমকে সর্তক করা হয়েছে। এ জাতীয় অসংখ্য নির্দেশনা দ্বারা মানুষের কান, চোখ অন্তর এবং তার সমস্ত ধ্যান- ধারণার ওপর আল্লাহর ভয় ও পরকাল ভাবনার ব্যাপারটি প্রয়োগ করা হয়েছে। এত কিছুর পরও যদি কোনো সুযোগ তালাশের মাধ্যমে অসদুপায় অবলম্বন করে- তবে তার জন্য রয়েছে ভয়াবহ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা ও প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষার প্রভাব এমন ছিল যে, নবী আমলের লোকেরা নিষ্কলুষ চরিত্র, সতীত্ব ও পবিত্রতা এবং জৈবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে সমগ্র পৃথিবীতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। সত্যিকারের মুসলমানদের এমন চরিত্রের হওয়া দরকার।

আমাদের সামনে বেহায়াপনা ও চারিত্রিক স্খলনের যে সব কাহিনী দৃশমান- তা খুবই পীড়াদায়ক। বর্তমানে অন্য সব অসৎ ক্রিয়া-কর্মের সঙ্গে এ বিষয়টি সমাজের প্রকৃতিকে অস্বাভাবিক ক্ষিপ্রতায় বদলে দিচ্ছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই বলা চলে, বিপথগামিতার এই জোয়ার রুখে দাঁড়ানোর সময় এখনই।

অদ্ভুতুড়ে 6:12 AM

ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপে তাদের বাড়ি। কাদের? দুই কমোডো ড্রাগন আর অবুজ ছাগলটির। প্রগৈতিহাসিক ডায়নোসর যাদের পূর্বপুরুষ তাদের তো পেটপুরে শিকারভোজন মিনিট কয়েকের ব্যাপার মাত্র।  



 
প্রাণিজগতের নৈতিকতা মনুষ্য সমাজের মতো নয়। সেখানে ক্ষুধার্ত শিকার করে পেট ভরাবে এটিই ঠিক। সম্প্রতি দুই কমোডো ড্রাগনের শিকারদৃশ্যের ছবি তুলেছেন রাশিয়ার ফটোগ্রাফার জুলিয়া সান্ডুকোভা। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।


দুই ড্রাগন সহজ আহারের উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলো হয়তো। ছাগলটিকে পেয়ে কম সময়েই উদরপূর্তি করা গেলো।


জুলিয়া জানান, দ্বীপের কমোডো ড্রাগনরা বন্য। কিন্তু অনেকেই এসব ড্রাগনকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এর ফলে এরা মানুষের বসতির কাছাকাছি চলে আসে প্রায়ই। এখানে প্রচুর কমোডো ড্রাগনের বসবাস।


ছাগলটিকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আচরণ বদলে গেলো। তাদের প্রথমে বেশ অলস দেখাচ্ছিলো। কিন্তু যখন তারা শিকারকে বাগে পেয়েছে তখন অলসতা কোথায় যে পালালো! অলসতা রূপান্তরিত হলো বন্যতায়, যোগ করেন জুলিয়া।


দুই শিকারি যখন এতোটাই শক্তিশালী তখন বেচারা সভ্য শান্ত ছাগলটিই আর কী করবে।


শেষমেষ তাকে ভাগাভাগি করে পেটপুরে খেয়ে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালুচরে হাঁটতে নামলো দুই দানব কমোডো ড্রাগন।

অদ্ভুতুড়ে 4:53 AM

একটা শহর। যে শহরের বুকে ভেঙে পড়া একটা উড়ালপুলের সামনে কিছু ছিন্নভিন্ন লাশ আর কিছু দোমড়ানো মোচড়ানো গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন কেউ কেউ। আর সেই শহরেই, ওই একই ভেঙে পড়া ফ্লাইওভারের সামনে নিজের সব টুকু দিয়ে আহত, রক্তাক্তদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, অনেকে, হ্যাঁ, অনেকেই। পুলিশ আসার ঘণ্টা দুই আগে থেকেই যাঁরা ওই ভয়ঙ্কর ধ্বংসাবশেষ থেকে যে কোনও ভাবে প্রাণ বাঁচাবার চেষ্টায় মাতেন। মধ্য বয়সী কোনও প্রৌঢ় বেলচা দিয়ে, প্রাণপন চেষ্টা চালান দানবাকৃতি সিমেন্টের চাঁই সরানোর। ব্যর্থ হন বা ব্যর্থ হবেন জেনেও চেষ্টাটা কিন্তু থামান না। আহতদের ধরাধরি করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দিতে হুড়োহুড়ি পরে যায়। যদি বাঁচান‌ো যায়। সেই আশায় চাপা পড়া কোনও এক মুমূর্ষুর মুখে জল তুলে দেন। আবার ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া সেই শরীরটার দিকে তাকিয়ে কেঁদে ওঠেন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, সেনা জওয়ানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাত জাগেন বহু মানুষ। ভোরেও একই উদ্যমে জড়ো হন, মানুষের জন্য, প্রাণের টানে।


এই শহরের যারা, দিনের বেশিরভাগ সময়টাই ব্যস্ত থাকেন ফেসবুকে এটা ওটা সেটা শেয়ারে, বিভিন্ন ছবি পোস্ট করতে, তারাও ওই সেই ফেসবুকেরই আপাত অকিঞ্চিত্কর ছোট্ট পোস্টের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে শয়ে শয়ে ভিড় জমান মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর হাসপাতাল, সেন্ট্রাল ব্লা়ড ব্যাঙ্কের সামনে। কেউ বা ছুটে যান মারোয়ারি হাসপাতালের সামনে। আহতদের জন্য রক্ত দিতে। কোনও ভাবে যদি, কোনও সাহায্যে আসা যায় ওই মানুষগুলোর, সেই কমিটমেন্টে। এই ভীষণ সময়ে ইমারজেন্সিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও এক জুনিয়র ডাক্তার ফেসবুকে নিজের ওয়ালে পোস্ট করেন নিজের আর বন্ধুদের ফোন নম্বর। আহ্বান জানান রক্ত দেওয়ার, আহ্বান জানায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার। 

সে‌ই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে এক দেওয়াল থেকে অন্য দেওয়ালে। এই গরমে, এই ভোটের বাজারে  এমনিতে ব্লাডব্যাঙ্কগুলোতে রক্তের বড় হাহাকার থাকে। কিন্তু সেই ঘাটতি যাতে আর একটাও প্রাণ নষ্ট করতে না পারে, তার টানেই জড়ো হন মানুষ।

 কালকের ব্ল্যা়ডব্যাঙ্কের পর আজও শুধু ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে মানিকতলা ব্লাড ব্যাঙ্ক, মেডিক্যল কলে়জের সঙ্গেই  রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়  যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ায়। কোনও কোনওটির দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা, কোনওটির দায়িত্বে নিছকই কোনও রাজনৈতিক দল। সারা বছর যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মত নিয়ে একে অপরের সঙ্গে ঝগড়ায় মাতেন, আজ তারাও সেই সব ভুলে এক সঙ্গে পাশা পাশি বেডে শুয়ে হাসি মুখে রক্ত দেন।

ক্রিকেট প্রেমী এই শহর  চাইলেই সহজে ভুলে যেতে পারে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ভারতের হাইভোল্টেজ সেমি ফাইনালের সব উন্মাদনাকে। কেয়ার করে না ধোনির ব্যর্থতা বা বিরাটের ট্র্যাজিক হিরো হওয়ার মুহূর্তকে। সেই সময়টুকু সবটুকুনিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে। কেউ বা ফেটে পড়ে ক্ষোভে। সেই ক্ষোভের টানেই ছুটে যায় এক হাসপাতাল থেকে আর একটাতে।

প্রযুক্তির গাফিলতি না প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সে হিসেবটার জবাব সম্ভবত মিলবে কিছু দিনের মধ্যেই। কিন্তু তার আগে, কয়েক ঘণ্টায় সবকিছু এলোমেলো করে দেওয়া মন খারাপের সময়টা প্রমাণ করে এই শহরে আজও মানবিকতার শিকড়টা গভীরে ছড়িয়ে আছে।

প্রমাণ করে, আজও এ শহরে ধ্বংসস্তূপের সামনে সেলফি তোলেন কেউ কেউ, আর নিজেদের সবটুকু নিয়ে সাহায্যের হাতটা বাড়িয়ে দেন অনেক‌ে, অনেকেই।

অদ্ভুতুড়ে 4:42 AM

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। সেদিন ঢাকায় প্রায় ৯০ হাজার পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করেন। জাতি লাভ করে এক অমূল্য সম্পদ- স্বাধীনতা।


সে দিন তো আর শুধু সার্বভৌম এক রাষ্ট্রের প্রাপ্তি নয়, সংগ্রামের আর এক অধ্যায় শুরু। বাংলাদেশের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিলেন, এই স্বাধীনতা নিয়ে আসবে আর্থিক অগ্রগতি। সামাজিক আশা আকাঙ্খা পূর্ণ হবে। কিন্তু বাস্তব হল অন্য। ৭৫ সালের ১৫ অগস্ট। সে এক সাংঘাতিক দিন। শেখ মুজিবের নিথর মরদেহ তাঁর বাড়ির সিড়ির উপর পড়ে রইল। আর তাঁর দেহ থেকে চুঁয়ে চুঁয়ে রক্তের ধারায় নীচতলার মেঝে পর্যন্ত রঞ্জিত হল।

সে দিন কিন্তু তাঁরা বাংলাদেশকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করেনি। সুকৌশলে মুস্তাক আহমেদ আওয়ামি লিগের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ফসল দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে অপরিবর্তিত রেখেছিলেন। ‘খোদা হাফিজ’ এবং ‘জয় বাংলা’র পরিবর্তে তিনি স্লোগান দিয়েছিলেন ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না। মুস্তাক এই মর্মে অর্ডিন্যান্স জারি করেন।

পদ্মায় আর গঙ্গায় এর পর অনেক পানি, অনেক জল প্রবাহিত হয়ে গিয়েছে। মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আবার নব নব রূপে বিকশিত হচ্ছে। শেখ হাসিনার উন্নয়নমুখী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠনের প্রয়াস বানচাল করার চেষ্টা অব্যাহত। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে পরেই তাঁকে হত্যার প্রচেষ্টা হয়েছিল। আবার ২০১৩ সালে শাহবাগের বসন্ত আন্দোলন ৭১–এর যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি প্রদানের দাবিতে দেখেছে উত্তাল ঢাকাকে। বাংলাদেশের মানুষের ইসলামিক ধর্মীয়  সত্তা আর বাঙালির জাতীয় সত্তার মধ্যে যাতে সমন্বয় না হয়, তার চেষ্টায় সক্রিয় মৌলবাদীরা। আর এই পরিস্থিতিতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ।

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কূটনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আন্তর্জাতিক কূটনীতির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ভারতের বিশেষভাবে প্রয়োজন বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার আশাব্যঞ্জক। আবার বিশ্ব সন্ত্রাস দমনে, বিশেষত ভারতকে এ ব্যাপারে সাহায্য করার প্রশ্নে শেখ হাসিনা সরকার যে ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে, তাতে ভারতের আশু কর্তব্য দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা। দু’দেশের মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তিস্তা চুক্তিকে বাস্তবায়িত করা প্রয়োজনীয়তা খুবই বেশি। এটি শুধু জল বন্টনের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আস্থা অর্জনের বিষয়টিও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকায় গিয়ে এই প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছেন। আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে ভারত তার যুক্তরাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধান করে বিষয়টির নিরসন ঘটাতে সক্ষম হবেন।

প্রণব মুখোপাধ্যায়, মনমোহন সিংহ, সলমন খুরশিদ, এসএম কৃষ্ণ এমনকী নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বারবার ঢাকায় গিয়েছেন। বাংলাদেশের তিস্তা এক প্রবল আবেগ তাড়িত বিষয়। প্রকাশ্যে না হলেও ভিতরে ভিতরে এ ব্যাপারে কাজ অনেকটা এগিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীকে মজবুত করতে পারলে আন্তর্জাতিক স্তরেও সন্ত্রাস বিরোধী গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি জোরদার হবে। ১৯০৫ সালে যে বঙ্গভঙ্গ হয়, তার মাধ্যমে ব্রিটিশরা মুসলমান ও হিন্দু সমাজে বিভেদ নীতি এনেছিল। কিন্তু এই বিভেদ অকাম্য। মুজিব বেঁচে থাকতে থাকতেই তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মুজিববাদ শব্দটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। জাতীয়তাবাদ গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- মুজিববাদের উপাদান। মুজিব এক সাক্ষাৎাকারেও এই কথা বলেছিলেন। বঙ্গ সংস্কৃতি বাংলা ভাষা থেকে মানুষ জাতীয়তাবাদের প্রেরণা পাবে। সেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমেই সোনার বাংলা করতে চেয়েছিলেন মুজিব। আজ বাংলাদেশ রাষ্ট্র তাঁর কন্যার নেতৃত্বে সেই অসমাপ্ত প্রয়াস সমাপ্ত করতে অগ্রণী। ভারতের কর্তব্য, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পাশে থাকা।

অদ্ভুতুড়ে 5:35 AM

অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে দেশকে সেমি ফাইনালে তোলার পর গোটা দেশ যখন বিরাটে মত্ত বিরাট কী করছিলেন তখন? টিম ইন্ডিয়ার লকার রুমে এখন এটা নিয়েই জোর জল্পনা। জানা যাচ্ছে, বিরাট নাকি অনুষ্কার সঙ্গে ব্যস্ত ছিলেন ফোনে। তবে কি মিটে গেল মনোমালিন্য? এক বার একসঙ্গে হাতে হাত ধরে হাঁটতে দেখা যাবে তাঁদের?


ঘনিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, ‘‘ওদের কখনই সে ভাবে ব্রেক আপ হয়নি। দু’জন কিছু দিন একে অপরের থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শুধু। অনুষ্কা এখন খুব ব্যস্ত। ওর আগামী ছবি সুলতানের জন্য খুব পরিশ্রম করছে। দু’জনে কিছু দিন আলাদা থাকা সত্যিই ওদের সাহায্য করেছে।’’

ব্রেক-আপ নিয়ে কোনও দিন প্রকাশ্যে মুখ খোলেলনি অনুষ্কা-বিরাটও। যদিও বিচ্ছেদ ধরে নিয়ে বিরাটের দুর্দান্ত ইনিংসের পর অনুষ্কাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সোশ্যাল মিডিয়া। আর সেখানেও অনুষ্কার পাশেই দাঁড়িয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার নতুন ওয়াল।

অদ্ভুতুড়ে 5:05 AM

খোলা আকাশের নীচে স্নানের কথা শুনলেই রূপকথা মনে পড়ে যায়। যেখানে ঝরনার জলে গা ভিজিয়ে নিতেন রূপসী রাজকন্যা থেকে ক্লান্ত পথিক। 


সেই স্নানের রোম্যান্টিকতা সৃষ্টি করতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তৈরি করা হয়েছে খোলা আকাশের নীচে অপূর্ব কিছু স্নানঘর। তেমনই সেরা ১০ স্নানঘরের ছবি দেখুন এই গ্যালারিতে।

হাওয়াই: হাওয়াই দ্বীপের হালে কু মানা রিসর্টের এই স্নানঘর বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অন্যতম সেরা আকর্ষণ।



বতসোয়ানা: স্যাংচুয়ারি বেনেস ক্যাম্পের বোরো নদীর তীরে এই স্টার বাথ। ছবি: সাংচুয়ারি রিট্রিটস।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



তাসমানিয়া: নীল আকাশ আর সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে স্নান করতে চাইলে চলে যান তাসমানিয়ার গ্রেট অয়েস্টার বে তে। ছবি: ভিউ রিট্রিট।



কুইন্সল্যান্ড: কুইন্সল্যান্ড রেন ফরেস্টে পাখিদের কলকাকলির মাঝে স্নান করতে পারেন এখানে। ছবি: স্টেইজ।



নিউ ইয়র্ক: হাডসন নদীর কোলে মেরিটাইম হোটেলের পেন্টহাইউজের ছাদে এই স্নানঘর। ছবি: কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলর।



বারোসা ভ্যালি: কিংসফোর্ড হ্যাম্পস্টেড জঙ্গলের মাঝে ২২৫ একর জায়গা জুড়ে এই স্নানঘর। ছবি: ভিউ রিট্রিটস।



জাপান: গোরা কাদান জাপানের স্টোন ওপেন এয়ার বাথ। ছবি: ট্রাভেলর।



ইংল্যান্ড: হ্যাম্পটন কোর্ট ফ্লাওয়াপর শো-র এক্সটেনশন এই গ্লাস হাউজ বাথরুম। ছবি: লিভিন স্পেসেস।


অদ্ভুতুড়ে 4:51 AM

ওয়াংখেড়েতে আর কয়েক ঘণ্টা পরেই ঠিক হয়ে যাবে ইডেনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন কারা। গেইল, বিরাটরা তো বটেই চোখ থাকবে আরও বেশ কয়েক জনের দিকে। 


ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ভারতের মধ্যে হাইভোল্টেজ সেমি ফাইনালে যে ১০ জন বেশি করে নজরে থাকবেন এই গ্যালারিতে রইল তাঁদের হদিশ।

ক্রিস গেইল- নিজের দিনে ক্রিস গেইলের ব্যাটের কাছে পৃথিবীর সব দেশের সব বোলিং অ্যাটাকই তুচ্ছ।
চোখ বুঝে ক্যারিবিয়ানদের মুল শক্তি। গেইল কিন্তু গোটা সিরিজে ফর্মেই আছেন। ভারতের প্রধান চিন্তার কারণ সেটাই।



মহেন্দ্র সিংহ ধোনি- শেষ বলে ছয় মেরে এর আগেও দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছেন মাহি। তাঁর ঠাণ্ডা মাথা আর ম্যাজিক ফিনিসের ক্ষমতার উপর আজ অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যাচের ফলাফল।



ডোয়েইন ব্রাভো- অলরাউন্ডার ব্রাভো ব্যাট হাতে এখনও পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে খুব একটা সফল না হলেও, প্রত্যেক ম্যাচে গড়ে দু’টো করে উইকেট পেয়েছেন। আফগানিস্তানের সঙ্গে দলের শকিং হারের দিন তাঁর ব্যাট থেকেই সর্বোচ্চ রানটা বেড়িয়ে ছিল।



রবিচন্দ্রন অশ্বিন- হরভজন পরবর্তী টিম ইন্ডিয়ার স্পিন স্কোয়াডের মূল শক্তি। গেইলকে আটকাতে আজ তাঁর উপরই ভরসা করছেন ধোনি।



অ্যান্দ্রে রাসেল- শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটে সফল না হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং স্কোয়াডে অন্য রকম ভরসা যোগাচ্ছেন রাসেল।



জসপ্রীত বুমরাহ- আইপিএল ভারতীয় দলকে যে কজন হাতে গোনা ক্লাস ক্রিকেটার উপহার দিয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বুমরাহ।
এই সিরিজে ধারাবাহিক ভাল খেলে আসছেন তিনি। আজও বুমরাহের সেই ধারাবাহিকতাই ভারতকে এক্সট্রা অ্যাডভান্টেজ দিতে পারে।



ডারেন স্যামি- ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক নিজে এখনও পর্যন্ত খুব একটা সফল না হলেও তাঁর নেতৃত্বেই সব হিসেব উলটে পালটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ চারে। যে কোনও সময় স্যামির ব্যাট জ্বলে উঠলে টিম ধোনির বিপত্তি হতে পারে।


Powered by Blogger.