সেই গ্রামেরই কৃষক ডিয়ালো, যেকি গত ৩০ বছরই এই হ্রদে মাছ ধরছেন, প্রতিবছর গ্রীষ্মের শুরুর প্রথমদিন চলে এই মাছ ধরার কাজ। তাও আবার যখন ইচ্ছে তখনই ধরা যাবে না এই হ্রদের মাছ। মাছ ধরার ঐ বিশেষ দিনটিতে গ্রামবাসী এসে জড়ো হয় হ্রদের পাশে, হাতে সবার মাছ শিকার পোলো। অতঃপর সেই মহেন্দ্রক্ষণে বিশেষ ঘন্টা বাজলেই সবাই প্রায় একই সাথে ঝাঁপিয়ে পড়ে হ্রদে। তখন অবশ্য হ্রদের পানি দেখার কোন উপায় থাকে, উপর থেকে শুধুই দেখা যায় মানুষের মাথা।
খাদ্যের অপ্রতুলতা ও দূর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা পেতে নাইজেরিয়া সাহেলিয়ান অঞ্চলের মানুষেরা এই নিয়মেই মাছ শিকার করে আসছে। দাদা, বাবা, ছেলে সবাই একই সাথে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ ধরতে, তাদের এই মাছ ধরার দৃশ্য বাইরের পৃথিবীর কাছে হাস্যকর মনে হলেও অবশ্য এই নিয়মে মাছ ধরাকে তারা বীরত্বের প্রমান, প্রতিযোগিতা পরায়নতা ও গৌরবের বিষয়ই মনে করেন। ১৫ মিনিটের মধ্যেই অবশ্য এই মাছ ধরা শেষ হয়ে যায়, কারন এরই মধ্যে হ্রদের সমস্ত মাছই ধরা পড়ে যায়।
তবে এত কষ্টের পর মাছ ধরতে পারলেই পরিবারের মুখে ফোটে হাসি।
খাদ্যের অপ্রতুলতা ও দূর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা পেতে নাইজেরিয়া সাহেলিয়ান অঞ্চলের মানুষেরা এই নিয়মেই মাছ শিকার করে আসছে। দাদা, বাবা, ছেলে সবাই একই সাথে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ ধরতে, তাদের এই মাছ ধরার দৃশ্য বাইরের পৃথিবীর কাছে হাস্যকর মনে হলেও অবশ্য এই নিয়মে মাছ ধরাকে তারা বীরত্বের প্রমান, প্রতিযোগিতা পরায়নতা ও গৌরবের বিষয়ই মনে করেন। ১৫ মিনিটের মধ্যেই অবশ্য এই মাছ ধরা শেষ হয়ে যায়, কারন এরই মধ্যে হ্রদের সমস্ত মাছই ধরা পড়ে যায়।
তবে এত কষ্টের পর মাছ ধরতে পারলেই পরিবারের মুখে ফোটে হাসি।
Post a Comment