সৌন্দর্য বাড়াতে অনেকেই নানা ধরনের চেষ্টা করেন। সম্প্রতি এক অভিনেত্রী সৌন্দর্য বাড়াতে মরিয়া হয়ে শেষ পর্যন্ত মৌমাছির দ্বারস্থ হয়েছেন। মৌমাছির হুল ফুটালে তাতে সৌন্দর্য বাড়বে, এমনটাই তার বিশ্বাস। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে আইএএনএস।

অভিনেত্রী গাইনেথ পালট্রো তার তারুণ্য ফেরাতে মৌমাছির হুলের মুখে নিজেকে সপে দেন। তিনি জানিয়েছেন, তারুণ্য ফেরাতে ও সৌন্দর্যচর্চার জন্য বেশ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয় তাকে। এ পদ্ধতির একটি হলো মৌমাছির হুল ফোটানো।
৪৩ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘আমি মৌমাছির কামড়ের যন্ত্রণা ভোগ করেছি। এটি হাজার বছর আগের একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যার নাম এপিথেরাপি। মানুষ এটি ফুলে যাওয়া রোধ করতে ও দাগ দূর করতে ব্যবহার করে। আপনি যদি খবর নেন তাহলে বুঝতে পারবেন এটি বাস্তবে খুবই কার্যকর পদ্ধতি। তবে এটি ছিল খুবই যন্ত্রণাদায়ক।’
এপিথেরাপি নামে এ চিকিৎসা পদ্ধতিতে মধু ও মৌমাছির বিষ ব্যবহৃত হয়। এতে দেহের ওজন কমানো ও বয়সের ছাপ হ্রাস করা যায় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
৪৩ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘আমি মৌমাছির কামড়ের যন্ত্রণা ভোগ করেছি। এটি হাজার বছর আগের একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যার নাম এপিথেরাপি। মানুষ এটি ফুলে যাওয়া রোধ করতে ও দাগ দূর করতে ব্যবহার করে। আপনি যদি খবর নেন তাহলে বুঝতে পারবেন এটি বাস্তবে খুবই কার্যকর পদ্ধতি। তবে এটি ছিল খুবই যন্ত্রণাদায়ক।’
এপিথেরাপি নামে এ চিকিৎসা পদ্ধতিতে মধু ও মৌমাছির বিষ ব্যবহৃত হয়। এতে দেহের ওজন কমানো ও বয়সের ছাপ হ্রাস করা যায় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
পালট্রো বলেন, ‘আমি মনে করি জীবন সত্যিই একটি ভারসাম্য রাখার বিষয়। এজন্য আপনার সম্ভব হলে অর্গানিক খাবার খাওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমবে। এর পরেও আমি যদি নিজেকে টিপটপ শেপে দেখতে চাই তাহলে আরও সতর্ক হতে হবে। তবে আমি অবশ্য এ বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক ছিলাম না।’
সৌন্দর্যচর্চায় তিনি আরও কিছু পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেন। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে মিনারেল সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং যে কোনো রাসায়নিক পদার্থ বর্জন। এছাড়া তিনি যে কোনো সুগন্ধী দ্রব্য ব্যবহারও বন্ধ করেছেন। এর কারণ সেগুলোর সবই নিয়ন্ত্রিত নয় বলে জানান তিনি।
Post a Comment