বলিউডে কি গানের অভাব পড়েছে?
'আজহার' ছবির 'ওয়ে ওয়ে' গানটা মুক্তি পাওয়ার পর ফের প্রশ্নটা নতুন করে মাথা চাড়া দিল। টিম আজহার অবশ্য তাদের ক্ষেত্রে যুক্তি দেখাতেই পারে। ছবিটায় বলিউডের প্রাক্তন নায়িকা সঙ্গীতা বিজলানির চরিত্রে অভিনয় করেছেন নার্গিস ফকরি।

অতএব, সঙ্গীতা বিজলানির ছবির গান দেখানো যেতেই পারে।
সেই প্রসঙ্গেই ছবিতে এসেছে গানটা। দেখা যাচ্ছে, স্ত্রী নৌরিনের সঙ্গে ছবি দেখতে এক সিনেমা হলে গিয়েছেন আজহার। সেই হলে চলছে সঙ্গীতা বিজলানির ছবি। পর্দায় 'ওয়ে ওয়ে' গানের সঙ্গে নাচছেন সঙ্গীতা। নৌরিন তাঁকে দেখে মুগ্ধ। স্বামীকে বলছেন, ''দেখো, মেয়েটার চোখদুটো কী সুন্দর!'' অন্য দিকে, একটা অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে আজহারের চোখে-মুখে।
বেশ কথা। পর্দার নায়িকা যে বাস্তবে ঢুকে পড়বে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে, এমন ভাবে তার ইঙ্গিতটা দিচ্ছে এই গান।
কিন্তু, বিতর্কটা উঠছে অন্য জায়গায়। সঙ্গীতা বিজলানির ছবির দৃশ্য যদি তুলে ধরতেই হত, তবে তা এমন আধুনিক ভাবে কেন? 'আজহার'-এ যে পোশাক পরে নাচছেন নার্গিস, তা তো সেই সময়ের ছবির কস্টিউম নয়। আবার, যে সিনেমা হলটাকে দেখানো হচ্ছে, সেটাও হাল সময়ের মাল্টিপ্লেক্সের মতো। তাহলে কি আর সেই সময় এবং সঙ্গীতার স্মৃতি নতুন করে তৈরি হল?
না কি পুরোটাই ব্যবসা?
কেন না, বেশ অনেক বছর ধরে বলিউড ঘুরে-ফিরে ব্যবহার করছে তার পুরনো গান। নতুন ছবিতে, নতুন ভাবে। শ্রীদেবীর 'হর কিসি কো নেহি মিলতা'-য় তাই দেখা গেল সোনাক্ষী সিনহাকে। 'হেট স্টোরি ৩'-এ ফিরে এল 'আজ ফির তুম পে'। মিকার গলায় শোনা গেল কিশোর কুমারের 'আপনি তো জ্যায়সে ত্যায়সে'। 'হিম্মতওয়ালা'-র রিমেকে হুবহু এক রাখা হল পুরনোটার দুটো গান। নিজের দেওয়া মিউজিককেই খুব অল্প বদলে 'দ্য ডার্টি পিকচার'-এ ব্যবহার করলেন বাপ্পি লাহিড়িও!
সুরকাররা অবশ্য সব সময়েই তাঁদের ধারণা অনুযায়ী ন্যায্য কারণ দেখিয়ে থাকেন। কখনও বলেন, চিত্রনাট্যের দাবির সঙ্গে পুরনো গানটাই যাচ্ছিল। কখনও বা পুরনো সময় ফিরিয়ে আনার অজুহাত দেখান। যেমনটা আপাতত দেখা যাচ্ছে 'আজহার'-এ।
কিন্তু, রিক্রিয়েশন কি সত্যিই হচ্ছে?
আপনার কি মনে হয়?
সেই প্রসঙ্গেই ছবিতে এসেছে গানটা। দেখা যাচ্ছে, স্ত্রী নৌরিনের সঙ্গে ছবি দেখতে এক সিনেমা হলে গিয়েছেন আজহার। সেই হলে চলছে সঙ্গীতা বিজলানির ছবি। পর্দায় 'ওয়ে ওয়ে' গানের সঙ্গে নাচছেন সঙ্গীতা। নৌরিন তাঁকে দেখে মুগ্ধ। স্বামীকে বলছেন, ''দেখো, মেয়েটার চোখদুটো কী সুন্দর!'' অন্য দিকে, একটা অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে আজহারের চোখে-মুখে।
বেশ কথা। পর্দার নায়িকা যে বাস্তবে ঢুকে পড়বে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে, এমন ভাবে তার ইঙ্গিতটা দিচ্ছে এই গান।
কিন্তু, বিতর্কটা উঠছে অন্য জায়গায়। সঙ্গীতা বিজলানির ছবির দৃশ্য যদি তুলে ধরতেই হত, তবে তা এমন আধুনিক ভাবে কেন? 'আজহার'-এ যে পোশাক পরে নাচছেন নার্গিস, তা তো সেই সময়ের ছবির কস্টিউম নয়। আবার, যে সিনেমা হলটাকে দেখানো হচ্ছে, সেটাও হাল সময়ের মাল্টিপ্লেক্সের মতো। তাহলে কি আর সেই সময় এবং সঙ্গীতার স্মৃতি নতুন করে তৈরি হল?
না কি পুরোটাই ব্যবসা?
কেন না, বেশ অনেক বছর ধরে বলিউড ঘুরে-ফিরে ব্যবহার করছে তার পুরনো গান। নতুন ছবিতে, নতুন ভাবে। শ্রীদেবীর 'হর কিসি কো নেহি মিলতা'-য় তাই দেখা গেল সোনাক্ষী সিনহাকে। 'হেট স্টোরি ৩'-এ ফিরে এল 'আজ ফির তুম পে'। মিকার গলায় শোনা গেল কিশোর কুমারের 'আপনি তো জ্যায়সে ত্যায়সে'। 'হিম্মতওয়ালা'-র রিমেকে হুবহু এক রাখা হল পুরনোটার দুটো গান। নিজের দেওয়া মিউজিককেই খুব অল্প বদলে 'দ্য ডার্টি পিকচার'-এ ব্যবহার করলেন বাপ্পি লাহিড়িও!
সুরকাররা অবশ্য সব সময়েই তাঁদের ধারণা অনুযায়ী ন্যায্য কারণ দেখিয়ে থাকেন। কখনও বলেন, চিত্রনাট্যের দাবির সঙ্গে পুরনো গানটাই যাচ্ছিল। কখনও বা পুরনো সময় ফিরিয়ে আনার অজুহাত দেখান। যেমনটা আপাতত দেখা যাচ্ছে 'আজহার'-এ।
কিন্তু, রিক্রিয়েশন কি সত্যিই হচ্ছে?
আপনার কি মনে হয়?
Post a Comment