মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে এবারই প্রথম চালু হয়েছে সেরা নবাগত পুরস্কার। প্রথম পুরস্কারটিই জিতে নিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা। বর্তমান সময়ের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রীদের একজন তিনি। মাত্র তিন বছরের ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন তিনি। ২০১৪ সাল থেকে শুরু করেন টিভি নাটকে অভিনয়। পুরস্কারপ্রাপ্তি ও অন্যান্য বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে।
মেরিল-প্রথম আলো তারকা জরিপে সেরা নবাগত পুরস্কার পেয়ে কেমন লাগছে?
মানুষের ছোট-বড় অনেক স্বপ্ন থাকে। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সেরা নবাগত পুরস্কার পাওয়াটা আমার কাছে অনেক বড় একটা স্বপ্নের মতো লাগছে। ছোটবেলা থেকে টিভিতে মেরিল-প্রথম আলো অনুষ্ঠানটি দেখেছি। এবার সেই মঞ্চে আমি! তাও আবার পুরস্কার হাতে! এত এত বিখ্যাত মানুষের সামনে সেরা নবাগত অভিনয়শিল্পীর পুরস্কার! শুরুতে তো আমার কাছে মনোনয়ন পাওয়াটাই অনেক বড় ব্যাপার ছিল। সত্যি কথা বলতে আমি ধরেই নিয়েছিলাম, এই পুরস্কার আমি পাচ্ছিনা। স্টেজে পুরস্কারটা হাতে নেওয়ার পরও কেন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল।
সেই সময়কার অনুভূতি...
এত বেশি ভালো লেগেছে যে তা বলে বোঝানোর ভাষাটা আসলেই আমার জানা নেই। আমাকে এই পুরস্কারটা অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। এখন নতুন একটা কাজ করতে গেলে আমাকে অনেক কিছুই ভাবতে হবে। এই পুরস্কার আমার দায়িত্ব অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছি। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের সম্মান অক্ষুন্ন রেখে কাজ করতে চাই। আমাকে যারা ভোট করেছে এবং মেরিল-প্রথম আলোর সঙ্গে যুক্ত সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
ইউটার্ন নাটকে অভিনয়ের জন্য আপনি সেরা নবাগত পুরস্কার পেয়েছেন। এই নাটকে অভিনয়ের কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা মনে পড়ে কী?
আমি মডেলিং করতাম। তা নিয়েই আমি ব্যস্ত ছিলাম। ইউটার্ন আমার প্রথম টেলিছবি। এখনে অনেক অভিনয়শিল্পী কাজ করেছে। এত আটির্ষ্ট দেখে আমার চরিত্রের গুরুত্ব নিয়ে শুরুতে আমি কনফিউজড হয়ে গেছিলাম। টেলিছবিতে আদৌ কি আমার চরিত্র দাঁড়াবে। এই টেলিছবিতে আমার কী আসলে অভিনয়ের সুযোগ আছে? আমি পরিচালক রেদওয়ান রনিকে বলেছিলামও, ভাইয়া মডেলিংয়ের পাশাপাশি আমার কিন্তু অনেক নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছে। আমি কারো নাটকে অভিনয় করতে রাজি হইনি। আমি আপনার টেলিছবির মাধ্যমেই অভিনয় শুরু করেছি। আমি চাইনা, আমার অভিনয় নিয়ে সবাই উল্টাপাল্টা কথা বলুক। আমি চাই, সবাই যাতে বলে আমার চরিত্রটি অনেক চমৎকার। আমি ভালো অভিনয় করেছি। এই ব্যাপারটি আমি পরিচালককে বারবার বলেছি। আমরা সারারাত শুটিং করেছি। সকাল সাতটায় শুটিং শেষ করে বাসায় গেছি। আবার সকাল দশটায় ইউনিট কল। সেদিন বাসায় যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার রক্তচাপ কমে যায়। তারপর আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে স্যালাইন নিই। তারপর শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক হয়। এরপর আমি আবার শুটিংয়ে যাই। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সেরা নবাগত অভিনেত্রীর পুরস্কার পাওয়ার মাধ্যমে আমি যে এত কষ্ট করেছি, তারই ফলাফল পেয়ে গেলাম।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে আপনি বলেছিলেন, নাটক নিয়ে থাকতে চান, অভিনয়কে দিন দিন সমৃদ্ধ করতে চান। এই কাজটি করার জন্য আপনার প্রচেষ্টা কী আছে?
আমি যেহেতু থিয়েটার থেকে আসিনি, তাই আমাকে অভিনয় করে করে অভিনয়টাকে আয়ত্ব করতে হচ্ছে। আমার প্রথম
দিককার অভিনয় আর এখনকার অভিনয় দেখলে পার্থক্যটা সবাই বুঝতে পারবেন। আমি যখন অভিনয়ে থাকি অন্য কোনো কাজ করিনা। আমি অভিনয়ের মধ্যেই থাকার চেষ্টা করে থাকি। পরিচালকদের কাছ থেকে পাওয়া স্ক্রিপ্টগুলো বারবার মন দিয়ে পড়ি। আর চরিত্রগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করার চেষ্টা করি। সংলাপ পড়ে আয়নার সামনে তা ডেলিভারি দেই। আমি চেষ্টা করি, অভিনয়টাকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার। যে ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পাই সে ধরনের একজন মানুষকে দেখার এবং পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করি।
যেমন...
একটি নাটকে আমি একজন রাখাইন মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ওই নাটকের শুটিং করেছিলাম কুয়াকাটায়। আমি প্রথমদিন রাখাইন মেয়েদের সঙ্গে মিশেছি। তাঁদের চলাফেরা, কথাবলার স্টাইল, পোশাক পরার ব্যাপারসহ অন্যান্য সবকিছু আয়ত্ব করার চেষ্টা করেছি। পরদিন আমি শুটিং করেছি। কিছুদিন আগে একটি নাটকে আমি একজন গ্রামের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। সেটার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। ত্রিশালে গিয়ে সেখানকার মেয়েদের নানাভাবে অনুসরণ করেছি। ওদের ভাষা বোঝার চেষ্টা করেছি। ত্রিশালের একটি মেয়ে কীভাবে তাঁর জীবনযাপন করে তা ঠিকঠাক ভাবে অনুসরণ করেছি। তারপর আমি অভিনয় করেছি। অভিনয়কে সমৃদ্ধ করার জন্য দেশি-বিদেশী প্রচুর মুভিও দেখি।
যেমন...
একটি নাটকে আমি একজন রাখাইন মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ওই নাটকের শুটিং করেছিলাম কুয়াকাটায়। আমি প্রথমদিন রাখাইন মেয়েদের সঙ্গে মিশেছি। তাঁদের চলাফেরা, কথাবলার স্টাইল, পোশাক পরার ব্যাপারসহ অন্যান্য সবকিছু আয়ত্ব করার চেষ্টা করেছি। পরদিন আমি শুটিং করেছি। কিছুদিন আগে একটি নাটকে আমি একজন গ্রামের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। সেটার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। ত্রিশালে গিয়ে সেখানকার মেয়েদের নানাভাবে অনুসরণ করেছি। ওদের ভাষা বোঝার চেষ্টা করেছি। ত্রিশালের একটি মেয়ে কীভাবে তাঁর জীবনযাপন করে তা ঠিকঠাক ভাবে অনুসরণ করেছি। তারপর আমি অভিনয় করেছি। অভিনয়কে সমৃদ্ধ করার জন্য দেশি-বিদেশী প্রচুর মুভিও দেখি।
Post a Comment