Showing posts with label interview. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 11:20 PM
Tollywood-is-not-rape-which-is-the-consent-of-the


- মীরাক্কেল শেষ। মানে, ব্র্যান্ড শ্রীলেখা আউট অফ ফোকাস। মানবেন?
শ্রীলেখা: না।

- কেন? এখন আর আপনার হাতে কাজ কোথায়?
শ্রীলেখা: সামনেই রিমা মুখোপাধ্যায়ের হিন্দি ছবি ‘অর্ধাঙ্গিনী’ রিলিজ করবে। ‘ঘরে বাইরে’র ওপর স্ক্রিপ্ট। সেখানে বিমলার চরিত্র আমার। তার আগে ‘ভাইরাস’ বলে একটা ছবি রিলিজ করবে আগামী ২৪ জুন। পাইপলাইনে ‘অরণ্যদেব’, ‘চেতনা’-র রিলিজও রয়েছে। আর প্রেমেন্দুবিকাশ চাকীর পরিচালনায় জি-বাংলা অরিজিনালস একটা শুরু হচ্ছে। তবে, মাঝে মাঝে আউট অফ ফোকাস থাকা ভাল তো।

- কেন?
শ্রীলেখা: আমি জীবনে কাজের ক্ষেত্রে হ্যাঁ এর থেকে না বেশি করেছি। আসলে টাকার জায়গাটা ফ্লেকসেবল থাকলে আমি সিলেকটিভ কাজ করি। টাকার টান পড়লে আবার প্রচুর কাজ। তা ছাড়া আমার পিআর একদম ভাল নয়। সকাল থেকে উঠে, কাজ...কাজ...এ সব একদম পারি না।

- কাজ পেতে গেলে পিআর ভাল হতে হয় বলছেন?
শ্রীলেখা: অবশ্যই। কিন্তু, আমি তো তেলা মাথায় তেল দিতে পারি না। ইন্ডাস্ট্রির অনেকেরই আত্মসম্মান বোধ নেই বা কম। সে কারণেই হয়তো তাদের থেকে আমি কম কাজ পাই। আমার কলিগরাও জানেন, আমি একজন সত্ মানুষ। যেটাতে আমার মন সায় দেয় না, সেটা করব না। আরও একটা উপায় আছে অবশ্য।

- সেটা কী?
শ্রীলেখা: ইন্ডাস্ট্রির কারও সঙ্গে সম্পর্ক। মানে, একজন হিরো বা ডিরেক্টরের সঙ্গে প্রেম হলে বছরে দু’টো ছবি বাঁধা (মুচকি হাসি)।

- আপনার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি বলেই কি বড় পর্দায় শুধুই প্রসেনজিতের বোন হয়ে থাকতে হল?
শ্রীলেখা: প্রসেনজিতের হিরোইনও তো হয়েছি। ২০০০-এ তো ‘অন্নদাতা’ বিশাল হিট দিয়েছিল।

- তার পর তো আর সে ভাবে...
শ্রীলেখা: সে সময় প্রসেনজিত্ ওয়ান ম্যান ইন্ডাস্ট্রি। কিছু নায়িকার সঙ্গে ওঁর জুটি জমেছিল। তাঁদের সঙ্গে ওঁর ভাল সম্পর্কও ছিল। কিন্তু, আমার সঙ্গে হয়তো জুটিতে ততটা কমফর্টেবল ছিলেন না (মিনিংফুল হাসি)। পুরোটাই আমার অ্যাজামসান, হতে পারে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে হয়তো আমার সঙ্গে উনি আর কাজ করতে চাননি। আমি জানি না, জুটি হলে বোধহয় একটা প্রেম থাকতে হয়, উত্তম সুচিত্রা জুটি...প্রাক্তন...। কিন্তু আমার তো সবাই ‘বাডি’, বন্ধু হয়ে গেল। প্রেমটা আর হল না (প্রাণখোলা হাসি)।

কফি উইথ পপকর্ন।

- ‘প্রাক্তন’ দেখেছেন?
শ্রীলেখা: না।

- দেখার প্ল্যান রয়েছে?
শ্রীলেখা: এখনও তেমন কোনও তাগিদ অনুভব করছি না।

- কেন?
শ্রীলেখা: ঋতু আমার ছবি দেখেছে? ‘চৌকাঠ’?

- এটা কি গিভ অ্যান্ড টেক পলিসি?
শ্রীলেখা: সবার বেলায় সেটা হবে, আমার বেলায় কেন নয়? আমিও একটু শিখি। দ্য ওয়েস অফ দ্য ওয়ার্ল্ড...। (হাসতে হাসতে) জোকস আপার্ট। ঋতু আমাকে ‘প্রাক্তন’ দেখার জন্য ফোন করেছিল। নাইস অফ হার। আমার কিন্তু ‘চৌকাঠ’ দেখার জন্য ফোন করা হয়নি। এটা হয়তো আমারই ভুল।

- ‘প্রাক্তন’-এর পরিচালক শিবপ্রসাদই তো নাকি আপনাকে ইন্ডাস্ট্রিতে এনেছেন। তবুও আপনাকে কাজ দেন না। খারাপ লাগে না?
শ্রীলেখা: দেখুন, আমি কারও কাছে গিয়ে কাজ চাইতে পারব না। আর কেউ কাজ না দিলে, আমি কী করব? ঝগড়া করব? আমি না খুব অলস। ও সব পারি না। তা ছাড়া এত দিন কাজ করে আমি একটা নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করেছি। সকলে জানেন আমার পারফরম্যান্স কেমন। তা হলে আর লবি করব কেন?

- শিবপ্রসাদের কোনও ছবিই দেখেননি?
শ্রীলেখা: তা কেন? ওর ‘ইচ্ছে’ ভাল লেগেছে। বিভিন্ন জায়গায় আমি সে কথা বলেছি। তবে ওর সব ছবি আমার ভাল লাগেনি। আসলে শিবু একটা বড় অংশের বাঙালির ইমোশনটা ক্র্যাক করেছে। সেই অর্থে ও বুদ্ধিমান তো বটেই।

- এখন টলিউডে সেরা পরিচালকদের তালিকায় কাদের রাখবেন?
শ্রীলেখা: ইন্ডাস্ট্রিতে খুব তাড়াতাড়ি একটা বড় চেঞ্জ আসছে। অনীক দত্ত বা অরিন্দম শীল তো আছেনই। এ ছাড়া সৌকর্য ঘোষালের ‘পেন্ডুলাম’ করেছি আমি। দেখবেন, ও অনেক দূর যাবে। এ ছাড়াও ‘ফড়িং’-এর ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরি, ‘বাকিটা ব্যক্তিগত’-র প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য— এরা দারুণ কাজ করছে। সবচেয়ে যেটা ভাল, এরা কাজ ছাড়া কিছু বোঝে না। এদের আইডিয়া, ইনোভেশন সবটাই ফ্রেশ।

- আচ্ছা কাস্টিং কাউচের কথা তো খুব শোনা যায়। সত্যিই এমন হয়? আপনার এমন কোনও অভিজ্ঞতা হয়েছিল?
শ্রীলেখা: আমি যখন কাজ শুরু করেছি তখন কাস্টিং কাউচ অবশ্যই ছিল। তবে, আমি সেটা বুঝিনি। সব জায়গায় বাবা যেত আমার সঙ্গে। একটা ঘটনা শেয়ার করি। নাম বলব না। আমার একটা হিন্দি ছবি করার কথা ছিল। গোবিন্দর তখন খুব রমরমা। আমার হিরো হওয়ার কথা ছিল গোবিন্দরই। প্রথমে তো সেই পরিচালক আমাদের বাড়িতে এলেন। তার পর পিয়ারলেস ইনে স্ক্রিপ্ট শোনাতে ডেকেছিলেন। আমি ভাইয়ের সঙ্গে গেলাম। খেলাম, গল্প করলাম। কিন্তু, স্ক্রিপ্ট আর শোনালেন না। আসলে কেউ একটা স্টেপ নেবেন আর আমি কোনও স্টেপ না নিলে সে তো এগোতে পারবে না। তাই না? সে জন্যই বলব, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও রেপ হয় না। কারও ইচ্ছে বা অ্যাম্বিশনটাকে উস্কে দেওয়া হয়। এই সমস্যা সব জায়গায় রয়েছে। না হলে ‘দুপুর ঠাকুরপো’র কোনও অস্তিত্ব থাকত না। শুধু ফিল্মের লোকেদের কেন টার্গেট করা হয় বলুন তো? আমি জাজমেন্টাল হচ্ছি না। শুধু এটা বলছি যে, যে আজকের দিনে ছেলেরা যদি মেয়েদের ইউজ করতে পারে, মেয়েরাও উল্টে ছেলেদের ইউজ করতে পারে। কিন্তু, আমি এটা করতে পারিনি বস!

অদ্ভুতুড়ে 4:51 AM
Mallick-is-to-be-naked-every-night

 

জীবনে অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন না। সিকিউরিটি চান। চাইলে রাতারাতি সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়েও নিতে পারেন। অশোক ধানুকা কোন দিন ডাকেননি তাই ছবি করেননি।  স্বস্তিকার সঙ্গে ছবি করতেও কোন আপত্তি নেই-এমন সোজাসাপ্টা খোলামেলা আলোচনায় কলকাতার নায়িকা কোয়েল মল্লিক এই প্রথম।


প্রশ্ন: ইন্টারভিউটা শুরুর আগে আপনাকে একটা প্রমিস করতে হবে?
কোয়েল: (একটু অবাক হয়ে) প্রমিস! কী প্রমিস।

প্রশ্ন: কোন পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দেয়া চলবে না?
কোয়েল: হা হা হা (প্রবল হাসি)।

প্রশ্ন: হেসে উড়িয়ে দিলে হবে না। রাজি তো?
কোয়েল: আমি যে খুব ক্যালকুলেশন করে পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দিই- তা কিন্তু নয়। বেসিক্যালি আমি মানুষটাই এরকম। বরং আমি যেমন আমি, সেই ভাবেই কথা বলি, না কি।

প্রশ্ন: বেশ তাই বলুন?
কোয়েল: শুরু করুন তা হলে।

প্রশ্ন: আপনি কি জানেন রিসেন্ট একটা ইন্টারভিউতে স্বস্তিকা বলেছেন, কোন দিন আপনারা দুজন একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করলে রিভেঞ্জ কী ভাবে নিতে হয়- সেটা নাকি স্বস্তিকা আপনাকে দেখিয়ে দেবেন?
কোয়েল: তাই, বলেছে বুঝি! (কিছুক্ষণ ধরে হাসি) কী বলি বলুন তো! কেউ যদি রিভেঞ্জ নিতে চায়, লিখে দিন-আমি হেসে দিয়েছি।

প্রশ্ন: আপনি কিন্তু প্রমিস করেছেন কোন রকম পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দেবেন না?
কোয়েল: দিচ্ছি না তো। বিশ্বাস করুন, কাছের লোকজন ছাড়া আমার আর কারও ওপর সে ভাবে রাগ, অভিযোগ কিছুই নেই।

প্রশ্ন: একটু বেশি বিনয় হয়ে গেল না?
কোয়েল: (হাসি) এটা আমার একেবারেই বিনয় নয়। আমি মানুষটাই এরকম। আমার প্লেটে দুটো মিষ্টি থাকলে আমি সেটা নিয়েই খুশি থাকব। অন্যের প্লেটে ক’টা মিষ্টি আছে, সেই নিয়ে মাথা ঘামাতেই যাব না। তার প্লেট নিয়ে কাড়াকাড়িও করব না।

প্রশ্ন: তার মানে বলছেন, স্বস্তিকার ওপর আপনার কোন রাগ নেই। কেউ অফার নিয়ে এলে আপনি স্বস্তিকার সঙ্গে ছবি করবেন?
কোয়েল: (একটু ভেবে) যদি এ রকম কোন দিন সুযোগ আসে, স্বস্তিকার সঙ্গে ছবি করতে আমার কোন আপত্তি নেই।

প্রশ্ন: স্বস্তিকা অনেক সাহসী অভিনয় করেন। বিশেষ করে খোলামেলা বা নগ্নতার অভিনয় করে তিনি পারদর্শী। এমন কাজের অফার পেলে কি করবেন?
কোয়েল: দেখুন, প্রতিদিনই আমাদের নগ্ন হতে হয়। এটা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই। আমি অতটা সাহসী অভিনয় করার ক্ষেত্রে ২য় বার চিন্তা করব। তবে রাজি আছি।

অদ্ভুতুড়ে 2:53 AM

 

চলতি বছরে ভাঙনের সুরে করুণ হয়ে আছে বলিউড। একের পর এক বিচ্ছেদের খবর পড়তে পড়তে হাঁপিয়ে উঠেছেন পাঠক। আগামী দিনগুলোতে কি একই ধরনের খবর শুনতে হবে—এ রকম শঙ্কাও রয়েছে অনেকের মনে। এই শঙ্কাকে বাস্তবে পরিণত করে ফেলতে পারেন —শিল্পা শেটি ও রাজ কুদ্রা। কারণ, বর্তমানে আলাদা থাকছেন তারা।


আলাদা থাকার কথা অস্বীকার করেননি শিল্পা বা রাজ। তবে এটা বিবাহ বিচ্ছেদের আলামত নয় বলেই দাবি তাদের। রাজ জানিয়েছেন, ইদানিং নিজের অফিসেই বেশিরভাগ সময় থাকছেন তিনি। কারণ, দিনে ২০ ঘণ্টার মতো কাজ করতে হচ্ছে তাকে। তাই অফিসটাকেই আপাতত বাড়ি বানিয়ে নিয়েছেন। এ কথা অনুযোগের সুরে তার বন্ধুদের জানান শিল্পা। আর এরপর থেকেই গুঞ্জন, বিবাহ বিচ্ছেদের পথে আগাচ্ছেন তারা।

তবে রাজের এই কাজের চাপের অজুহাতের ব্যাপারে গুঞ্জনকারীদের দাবি, এর আগে যত চাপই থাকুক না কেন‚ রাজ তাদের বিলাসবহুল বাড়ি 'কিনারা'তে ফিরে গেছেন তিনি। ২০০৯ সালে রাজ কুন্দ্রকে ভালোবেসে বিয়ে করেন শিল্পা। ভিহান রাজ কুন্দ্র নামে তাদের চার বছর বয়সী পুত্রসন্তান রয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:41 PM

সেলুলয়েডের পর্দায় দর্শক তারকাদের বিভিন্ন সময়ে নানান রঙ বেরঙের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেন। তাদের অভিনয় দেখে দর্শক কখনও হাসেন, আবার কখনও কখনও তাদের চোখ থেকে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ে। 

 আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম: মাহিয়া মাহি
আর এখানেই তো অভিনেতা বা অভিনেত্রীর স্বার্থকতা। রঙিন দুনিয়ায় নিজেকে টিকিয়ে রাখার দৌড়ে অনেকেই পিছিয়ে পরেন। তবে অনেকের ভাগ্যে ভিন্ন কিছুই লেখা থাকে। আজ তিনি তারকা। অভিনয় দক্ষতাই তাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। কিন্তু তারকা খ্যাতি পাওয়ার আগে বা পরে অনেক ভুলই হয়তো করেছেন তারা। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে সমাজে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। তবে নিজের অজান্তেই সে ভুলগুলো হয়তো করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে অনুতপ্তবোধও কাজ করে।
আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম: মাহিয়া মাহি আর সেই অনুপ্রেরণা থেকেই প্রিয়.কমের নতুন বিভাগ ‘অন্য আমি’, যেখানে তারকারা নিজেদের নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরবেন। তারা এখানে কথা বলবেন তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলগুলো নিয়ে। আজকের অন্য আমি বিভাগের তারকা বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি।

সেদিন মাকে বলেছিলাম আমি সারাদিন শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম। এখন যাও। আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরমধ্যে মা একদিন সকালবেলা রুমে ঢুকেছেন। তখন আমি মা’কে বলেছি তুমি কেন দরজা নক করোনি। আমি মায়ের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরপর মা বলেছেন, একদিন আসবে যেদিন আমি থাকব না, সেদিন আর দরজায় কেউ নক করবে না। ঢুকব না তোর রুমে।
আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম: মাহিয়া মাহিএরপর মা আমার রুম থেকে চলে গেছে। এরপর সারাদিন বিষয়টি ভেবে আমার প্রচণ্ড মন খারাপ ছিল। তখন মনে হয়েছে সত্যিই তো, এমন একদিন আসবে যেদিন মা আর আমার রুমের দরজায় নক করবে না। এরপর থেকে মা আমার রুমে প্রবেশ করলে, আমি আর তার সাথে কোনো ধরনের রাগারাগি করি না।’

কপি এবং সুত্রঃ প্রিও.কম
.সেদিন মাকে বলেছিলাম আমি সারাদিন শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম। এখন যাও। আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরমধ্যে মা একদিন সকালবেলা রুমে ঢুকেছেন। তখন আমি মা’কে বলেছি তুমি কেন দরজা নক করোনি। আমি মায়ের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরপর মা বলেছেন, একদিন আসবে যেদিন আমি থাকব না, সেদিন আর দরজায় কেউ নক করবে না। ঢুকব না তোর রুমে।
এরপর মা আমার রুম থেকে চলে গেছে। এরপর সারাদিন বিষয়টি ভেবে আমার প্রচণ্ড মন খারাপ ছিল। তখন মনে হয়েছে সত্যিই তো, এমন একদিন আসবে যেদিন মা আর আমার রুমের দরজায় নক করবে না। এরপর থেকে মা আমার রুমে প্রবেশ করলে, আমি আর তার সাথে কোনো ধরনের রাগারাগি করি না।’
- See more at: http://www.priyo.com/2016/Apr/20/210791-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF#sthash.SDSSmh9k.dpuf
সেদিন মাকে বলেছিলাম আমি সারাদিন শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম। এখন যাও। আমি মা’র সাথে খুব খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরমধ্যে মা একদিন সকালবেলা রুমে ঢুকেছেন। তখন আমি মা’কে বলেছি তুমি কেন দরজা নক করোনি। আমি মায়ের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করেছিলাম। এরপর মা বলেছেন, একদিন আসবে যেদিন আমি থাকব না, সেদিন আর দরজায় কেউ নক করবে না। ঢুকব না তোর রুমে।
এরপর মা আমার রুম থেকে চলে গেছে। এরপর সারাদিন বিষয়টি ভেবে আমার প্রচণ্ড মন খারাপ ছিল। তখন মনে হয়েছে সত্যিই তো, এমন একদিন আসবে যেদিন মা আর আমার রুমের দরজায় নক করবে না। এরপর থেকে মা আমার রুমে প্রবেশ করলে, আমি আর তার সাথে কোনো ধরনের রাগারাগি করি না।’
- See more at: http://www.priyo.com/2016/Apr/20/210791-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF#sthash.SDSSmh9k.dpuf

অদ্ভুতুড়ে 9:51 PM

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪-তে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ চলচ্চিত্রটি। কবি নির্মলেন্দু গুলণের একই শিরোনামের কবিতা থেকে এটি নির্মাণ করেছেন মাসুদ পথিক। পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি ও সামনের কিছু কাজ নিয়ে কথা হলো তাঁর সঙ্গে।

মানুষের জীবনটাই চলচ্চিত্রে দেখানো উচিত
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪-তে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেল আপনার নির্মিত‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’। অনুভূতিটা কেমন? 
অনেক ভালো লাগছে। আমরা কষ্ট করে কাজ করেছি। সেই কাজের স্বীকৃতি পেলাম। এই পুরস্কার হয়তো আমাকে সামনের দিনগুলোতে ভালো কাজের অনুপ্রেরণা দেবে। আমি ভবিষ্যতেও ভালো কাজ করতে চাই। এই পুরস্কার আমি সেই চাষিদের উৎসর্গ করেছি, যাঁদের পিঠে, ঘামের বুকে রোদ্দুর নাচে।
এবারই প্রথম একটি ছবির পুরস্কার বাতিল করে আরেকটি ছবিকে দেওয়া হলো, এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?
আসলে এই বিষয়ে আমার কিছু বলা ঠিক হবে না। আমি নাগরিক হিসেবে বলতে পারি, যেকোনো চৌর্যবৃত্তি গর্হিত কাজ। আমরা কাজ করছি সমাজ, সভ্যতা ও শিল্প নিয়ে। তাই খারাপ তো লাগছেই। তবে এ ক্ষেত্রে একটা বার্তাও আসবে, নতুন যাঁরা ছবি নির্মাণ করবেন, তাঁরা আরও বেশি সতর্ক হবেন। এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি কেউ হতে চাইবেন না।
মাসুদ পথিকআপনি কবিতা থেকেই সিনেমা নির্মাণ করেন। এটার কারণ কী?
আমি মূলত একজন কবিতাকর্মী। তাই কবিতার ওপর একটা দুর্বলতা আছে। এ কারণেই কবিতা নিয়ে কাজ করি। আমি আসলে ফ্যান্টাসিনির্ভর সিনেমা বানাতে চাই না। বাস্তবতানির্ভর ছবি বানানোর ইচ্ছে। তাই কবিতার কাছে আশ্রয় নেওয়া। আমার কাছে মনে হয়, মানুষের জীবনটাই চলচ্চিত্রে দেখানো উচিত। আমি সেই চেষ্টাই করি। কবিতা আবৃত্তি করলে যদি ভালো লাগে, চলচ্চিত্রে দেখতেও নিশ্চয়ই ভালো লাগবে।
এখন কী কাজ করছেন?
দুটি সিনেমার কাজ শুরু করেছি। এর মধ্যে মায়া: দ্য লস্ট মাদার নামের ছবিটি নির্মাণ করছি কামাল চৌধুরীর ‘যুদ্ধ শিশু’ কবিতা ও শিল্পী শাহাবুদ্দিনের ‘নারী’ নামে একটি চিত্রকর্ম অবলম্বনে। আর দ্য পোয়েট্টি নির্মাণ করছি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘অমলকান্তি’ ও নির্মলেন্দু গুশণের ‘মানুষ’ কবিতা অবলম্বনে। এর মধ্যে মায়া: দ্য লস্ট মাদার ছবিটি সরকারি অনুদান পেয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:48 PM

কল্পনা করে দেখুন তো গ্রামের এক দস্যি মেয়ে সাবিলা নূর। তাও রবীন্দ্রনাথের ‘সমাপ্তি’ গল্পের সেই পাগলী মেয়েটা। সবসময় শহুরে চরিত্রে যাকে দেখে অভ্যস্থ সেই সাবিলাই এবার হলেন রবীন্দ্রনাথের নায়িকা। 

 রবীন্দ্রনাথের নায়িকা সাবিলা নূরের সঙ্গে কিছুক্ষণ

শুধু তাই নয়, এই ঈদেও তিন ধরণের বৈচিত্রময় চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি। নিজেকে বদলাতে চাইছেন সাবিলা। শ্রাবনী ফেরদৌসের পরিচালনায় রবীন্দ্র রজতজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মানাধীন ‘সমাপ্তি’ নাটকের শুটিং করছিলেন। মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়ি থেকে কথা বললেন রবীন্দ্রনাথের নায়িকা সাবিলা।
রবীন্দ্রনাথের নায়িকা সাবিলা নূরের সঙ্গে কিছুক্ষণ রবীন্দ্রনাথ পড়া হয় আপনার?
খুব একটা পড়া হয়না এখন। আগে পড়া হতো। গল্প পড়তাম রবীন্দ্রনাথের।
রবীন্দ্রনাথের নাটকে কাজ করছেন, কেমন প্রস্তুতি ছিলো?
খুব টাফ। বেশ কিছুদিন স্ক্রিপ্ট পড়েছি। প্র্যাক্টিস করেছি। সবসময় তো শহুরে চরিত্রে অভিনয় করেছি। এটাই প্রথম গ্রামের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি। ডায়ালগগুলো, এক্সপ্রেশনগুলো নিয়ে ভেবেছি। দর্শক একটু ভিন্নভাবেই দেখবে আমাকে এবার। তাছাড়া, সজল ভাইর সঙ্গেও এটা আমার প্রথম কাজ। স্পেশাল কাজ আমার জন্য এটা।
শহুরে সাবিলা এখন গ্রামের দস্যি মেয়ে?
ক্যারেক্টারটার সঙ্গে আমার মিল আছে। আমিও একটু দুষ্টু টাইপের। ফলে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়নি। এখানে জমিদার বাড়িতে, নদীর ঘাটে শুটিং চলছে। গরমে কষ্ট পাচ্ছি শুধু।
অন্য কাজের খবর কি?
ঈদের জন্য তিনটা নাটকের কাজ করলাম। ইফতেখার আহমেদ অসিনের ‘পলায়ন বিদ্যা’। মাসুদ সেজানের সাত পর্বের ধারাবাহিক ‘লাভ এন্ড কোং’, মনিরুজ্জামান রিপনের ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’। তিনটা নাটকেই আমার চরিত্রগুলো অন্যরকম।
যেমন?
‘পলায়ন বিদ্যা’তে আমাকে দেখা যাবে পালিয়ে বিয়ে করা একটা মেয়ে। বউ সাজে দেখা যাবে। নাটকের শেষে মজার একটা টুইস্ট আছে।  লাভ এন্ড কোং এ দেখা যাবে- বয়ফ্রেন্ডকে প্যারা দেয়া টাইপের একটা মেয়ের ক্যারেক্টারে। আর যেমন খুশি তেমন সাজোতে দেখা যাবে ঢাকাইয়া মেয়ের চরিত্রে। ঢাকাইয়া মেয়ের চরিত্রতে কাজ করতে গিয়ে খুব এনজয় করেছি।
ভাষা শিখলেন কিভাবে!
ঢাকাইয়া ভাষা সম্পর্কেতো আগে থেকেই একটু আইডিয়া ছিলো, কিন্তু তার আগে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে প্র্যাক্টিস করেছি। খুব একটা সমস্যা হয়নি।
রবীন্দ্রনাথের নায়িকা সাবিলা নূরের সঙ্গে কিছুক্ষণ
তাহলে সাবিলা বদলে যাচ্ছে?
হ্যাঁ, সবসময় একই টাইপের কাজ করতে ভালো লাগে না। ঈদে চেয়েছি দর্শকের কাছে একটু অন্যভাবে উপস্থাপিত হতে। তাছাড়া এই নাটকটাও আমার ক্যারিয়ারের জন্য স্পেশাল একটা নাটক।
এই সময়ে দেখা যাচ্ছে তারুণ্য নির্ভর নাটকের দিকে ঝুঁকছে নির্মাতারা। তারুণ্যের প্রতিনিধি হিসেবে আপনার মন্তব্য কি?
এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। কিন্তু একই টাইপের গল্প বেশি হয়ে যাচ্ছে। আরবান টাইপ গল্প বেশি হয়ে যাচ্ছে। বৈচিত্রময় চরিত্র, বৈচিত্রময় গল্প আসছে না। কিন্তু তবু বলবো, কাজের সুযোগ পাচ্ছি এটা অনেক বড় প্রাপ্তি আমাদের জন্য।

বয়সটাতো হৈ-হুল্লোড় করার, অভিনয়ের ব্যস্ততায় ডুবে গেলেন। চাপ মনে হয়? আমি নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে থার্ড সেমিস্টারে পড়ছি। পড়াশোনার চাপ আছে। দেখা যায় ক্লাস শেষ করেই শুটিংয়ে দৌড়াতে হচ্ছে। ফ্রেন্ডরা বলে, সারাজীবন শুটিংই করে গেলি। কিন্তু আমার অভিনয়টা ভালো লাগে। অভিনয়টাই করে যেতে চাই। পড়াশোনাটাও শেষ করতে হবে এর পাশাপশি।   এ পর্যন্ত যে কাজগুলো করেছেন, এর মধ্যে প্রিয় কোনগুলো? তিনটা কাজ আমার খুব পছন্দ- রেদোয়ান রনির ‘ইউটার্ণ’। ‘রাহাত রহমানের ‘মাঙ্কি বিজনেস’, মাবরুর রশিদ বান্নাহর ‘শত ডানার প্রজাপতি’। এই কাজগুলোর ব্যাপারে আমার অন্যরকম ভালো লাগা আছে।  বাংলামেইল২৪ডটকম/এসএস/আরএইচ

 বয়সটাতো হৈ-হুল্লোড় করার, অভিনয়ের ব্যস্ততায় ডুবে গেলেন। চাপ মনে হয়?
আমি নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে থার্ড সেমিস্টারে পড়ছি। পড়াশোনার চাপ আছে। দেখা যায় ক্লাস শেষ করেই শুটিংয়ে দৌড়াতে হচ্ছে। ফ্রেন্ডরা বলে, সারাজীবন শুটিংই করে গেলি। কিন্তু আমার অভিনয়টা ভালো লাগে। অভিনয়টাই করে যেতে চাই। পড়াশোনাটাও শেষ করতে হবে এর পাশাপশি।
এ পর্যন্ত যে কাজগুলো করেছেন, এর মধ্যে প্রিয় কোনগুলো?
তিনটা কাজ আমার খুব পছন্দ- রেদোয়ান রনির ‘ইউটার্ণ’। ‘রাহাত রহমানের ‘মাঙ্কি বিজনেস’, মাবরুর রশিদ বান্নাহর ‘শত ডানার প্রজাপতি’। এই কাজগুলোর ব্যাপারে আমার অন্যরকম ভালো লাগা আছে।
বাংলামেইল২৪ডটকম/এসএস/আরএইচ

অদ্ভুতুড়ে 10:11 PM

ছোটপর্দার প্রিয়মুখ মোনালিসা। একসময় তুমুল ব্যস্ততা ছিল তার। কিন্তু ২০১২ সালে বিয়ের পরই পাল্টে যায় তার জীবন। স্বামীর সঙ্গে পাড়ি দেন আমেরিকায়। চাকুরীতে মনোনিবেশ করেন। বাংলাদেশী মিডিয়া থেকেও অনেকটায় দুরে ছিলেন তিনি। 

 
 
সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর দেশে ফিরে আসেন। ফিরেই পরিণত হন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কেমন ছিলো আমেরকিার জীবন, দেশে কতোদিন থাকবেন, অভিনয়ে ফিরবেন কিনা-এসব বিষয়ে কথা বললেন শোবিয এর সঙ্গে।  

দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরলেন। কেমন লাগছে?
অ-নে-ক ভালো লাগছে। সেটা বলে বুঝাতে পারবোনা। সবার ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।
দেশে ফেরার পর সময়গুলো কেমন কাটছে?
প্রথমে ভেবেছিলাম, একটু পরে সবাইকে দেশে ফেরার খবরটা দেব। কিন্তু বিমানবন্দর থেকে নেমে এতোই এক্সাইডেট ছিলাম যে, না জানিয়ে আর পারিনি। তারপর থেকেই এখন ফোনের পর ফোন আসছে। ভক্ত-সহকর্মী-সংবাদকর্মীরা ফোনে খোঁজখবর নিচ্ছে। ২৪ ঘন্টায় ফোনের উপর আছি। এখন ঠিকমতো ঘুমাতে পারছিনা।
আমেরিকার দিনগুলি কেমন ছিলো?
খুব ব্যস্ত ছিলাম। কয়েকটা জব সুইস করেছি। ফ্রি টাইম বলতে ছিলো না। কালে-ভদ্রে সময় পেতাম। প্রবাসী বাঙালীদের সঙ্গে দেখা হতো। পহেলা বৈশাখে কিংবা ভিন্ন কোন অনুষ্ঠানে বাঙালীদের সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হতো। 

 মোনালিসার অভিনয় ও একটি সাক্ষাৎকারে যা উঠে এলো

আমেরিকায় থাকাকালীন কাকে বেশি মিস করেছিলেন?
ফ্যামেলিকে বেশি মিস করেছি। আর ফ্যানদের মিস করেছি। মিডিয়ার মেয়ে হিসেবে শিল্পসত্ত্বাটা রক্তের ভেতরে। তাই মিডিয়াকে তো মিস করাটা স্বাভাবিক। ফেসবুকে অনেক ভক্তরাই আমাকে ফেরার তাগিদ দিতেন। ভক্তরা চাইতেন আমি কাজ করি। এই রেসপন্সটাই আমার অ্যাচিভমেন্ট। এখানেই আমার স্বার্থকতা। একটা কারণে আমি দেশের বাইরে ছিলাম। এখন আবার ফিরে এসেছি।
এবার তাহলে দেশেই স্থায়ী হচ্ছেন?
আপাতত কোথাও যাচ্ছিনা। যতোদিন ভালো লাগে দেশেই থাকবো।
অভিনয়ে পরিকল্পনা করেছেন কিনা?
অভিনয় করবো। তবে বেছে বেছে কিছু ব্যতিক্রম কাজ করবো। বেশি কাজ করার পক্ষে ছিলাম। না। সেকারণেই এখনো মানুষ আমাকে ভালোবাসে।
দীর্ঘদিন মিডিয়ার বাইরে থাকার ফলে আপনার অভিনয়ে প্রভাব পড়বে কিনা?
মনে হয়না খুব একটা প্রভাব পড়বে। তবে সেটা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই বুঝতে পারবো।

মোনালিসার অভিনয় ও একটি সাক্ষাৎকারে যা উঠে এলো
সামনে কি কাজ করছেন?
১৬ তারিখে সাগর জাহানের একটি নাটকে শুটিং করবো। নাটকটির নাম বলছিনা। সারপ্রাইজ হিসেবে থাক। সাগর জাহানের সিকান্দার বক্স সিরিজের নাটক করেই আমি আমেরিকা পাড়ি দিয়েছিলাম। তার ডিরেকশনেই আবার ব্যাক করছি।
এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের আইনগত বিষয়গুলো সম্পাদন করে বাংলাদেশে আসছেন। সেটা কি আপডেট?
আইনগত বিষয়াদি সম্পাদন হয়েছে। সেকারণেই দেশে এসেছি।

অদ্ভুতুড়ে 12:26 AM

রণবীরের সেই মিস্ট্রি গার্লের মিস্ট্রি সলভড্! মনে আছে তো সেই রহস্যময়ীকে? গত সোমবার রণবীর কপূরের সঙ্গে যাঁর ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে তাঁকে রণবীরের নতুন গার্লফ্রেন্ড বলে ঠাওড়েছিল সোশাল ওয়ার্ল্ড? অবশেষে জানা গেল তিনি কে।


আসলে তিনি একটি হিন্দি ম্যাগাজিনের রিপোর্টার। রণবীরের অনুরাগীও বটে। ফিল্মি পার্টিতে রণবীরের সঙ্গে তাঁর নাচের ছবি তুলেছিলেন এক ফিল্মফেয়ার সাংবাদিক। আর সেই ছবিই ওয়েব দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। সকলে ধরে নেন ক্যাটরিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন করে প্রেমে পড়েছেন রণবীর। আর ইনিই সেই নতুন প্রেমিকা! মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছেন ফিল্মফেয়ারের সাংবাদিক দিতেশ পিল্লাই।

বিচ্ছেদ নিয়ে ক্যাট বা রণবীর কেউই এখনও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে যে কোনও অনুষ্ঠানে একে অপরকে এড়িয়ে চলছেন। আর তা দেখেই বিচ্ছেদের জল্পনা আরও বাড়ছে। মাঝে একদিন তাঁর বাংলোয় এসে একান্তে আড্ডা মেরে গেলেন প্রাক্তন প্রেমিকা দীপিকা পাড়ুকোনও। এ বার রণবীরের প্রেম কোন পথে এগোয় সে দিকেই তাকিয়ে পেজ-থ্রি।

অদ্ভুতুড়ে 1:28 AM

 

ছিলেন পর্ন স্টার, হয়ে গেলেন সাংসদ কিংবা সামান্য বিড়াল থেকে একলাফে মেয়র! পেশা বদলেও পর্ন স্টার সাংসদ বিতর্কে কম জড়াননি। আবার মেয়র হয়ে পর্যটকদের কাছে মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠেন বিড়াল স্টাব। এমনই সব জনপ্রিয় রাজনীতিকদের অদ্ভুত ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এই গ্যালারি।

পর্ন স্টার থেকে ইতালির পার্লামেন্টে: ইলোনা স্টলার হাঙ্গেরির পর্ন স্টার ছিলেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত ইতালির সাংসদ নির্বাচিত হন। সাংসদ থাকাকালীনই অন্তর্বাস খুলে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় বিতর্কে জড়িয়েছিলেন।

কুস্তিগীর থেকে মিনেসোতার গভর্নর: জেমস জর্জ আগে ছিলেন কুস্তিগির। কুস্তির সময়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে পেশা ছাড়তে বাধ্য হন।
জনপ্রিয়তার জন্য তিনি রাজনীতিতে আসেন। আমেরিকার মিনোসোতার গভর্নর নির্বাচিত হন।



বিড়াল যখন মেয়র: স্টাব নামে এক বিড়াল আমেরিকার ছোট শহর তালকিন্টার মেয়র পদে নির্বাচিত হয়।
১৯৯৭ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত এই শহরের মেয়র সেই। রোজ ৩০ থেকে ৪০ পর্যটক স্টাবের সঙ্গে দেখা করতে আসে।



সার্কাসের রিং মাস্টার থেকে রাজনীতিক: আমেরিকার বারনাম অ্যান্ড বেইলি সার্কাসের রিং মাস্টার ছিলেন পি টি বারনাম।
রাজনীতির এক জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পরে রাজনীতি ছেড়ে পের সার্কাসেই ফিরে যান।



সার্কাসের জোকার থেকে রাজনীতিতে: ব্রাজিলের অলিভিয়েরা সিলভা ৯ বছর বয়সে স্কুল ছাড়ে।
এর পর থেকেই তিনি সার্কাসের জোকার হয়ে কাজ করতেন। ২০১০ সালে তিনি রাজনীতিতে আসেন।
ভোটে তিনি ব্রাজিলের সাওপাওলোর ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।
বিউটি ক্যুইন থেকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী: এক সময়ের মিস আমেরিকা সারাহ পালিন নিউ ইয়র্কের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে প্রেমিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শহরের একটি শপিং মল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মোটা টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়।



রকস্টার থেকে অস্ট্রেলিয়ার হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্য: পিটার গারেট মিডনাইট অয়েল ব্যান্ডের হয়ে গান করতেন।
পেশা বদলে ২০০৪ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ার হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্য নির্বাচিত হন।



বারটেন্ডার থেকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট: প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে আব্রাহাম লিঙ্কন উকিল ছিলেন এটা অনেকেরই জানা।
তবে এরও আগে তিনি বারটেন্ডার ছিলেন।





অদ্ভুতুড়ে 12:47 AM

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কি অমিতাভ বচ্চন? প্রণব মুখোপাধ্যায়ের উত্তরসূরী হিসেবে অ্যাংরি ওল্ড ম্যানকেই কি দেখবে ভারত? শুনতে অবাক লাগলেও এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন অমিতাভের এক সময়ের সহকর্মী তথা বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্হা।


গতকাল সাংবাদিকদের শত্রুঘ্ন বলেন, ‘‘যদি অমিতাভ দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হন, তা হলে সেটা আমাদের গর্বের বিষয় হবে। সমাজ এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনেক মাইলস্টোন উনি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে এসেছেন। তাই অমিতাভের নাম পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় আসতেই পারে।’’

তার আগে অবশ্য বিজেপির এই লোকসভা সদস্যকেই পরবর্তী প্রেসিডেন্টের আসনে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন স্বয়ং বিগ বি। তারই উত্তরে সৌজন্য রক্ষার্থে শত্রুঘ্ন এ কথা বলেছেন।

‘শান’, ‘দোস্তানা’-র মতো অনেক সুপারহিট ছবিতে দু’জনে এক সঙ্গে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। এর পর দু’জনের রাস্তা আলাদা হয়ে গেলেও অমিতাভ বচ্চন এবং শত্রুঘ্ন সিন্হার একে অপরের প্রতি বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা থেকেই গিয়েছে। কয়েক দিন আগেই মুম্বইতে শত্রুঘ্ন সিংহের জীবনী প্রকাশ করেছিলেন বিগ বি। সব মিলিয়ে সৌজন্যের আবহে কি সত্যিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে অমিতাভের নাম ভাবা হবে? প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মেয়াদ আগামী বছরের মাঝামাঝি শেষ হচ্ছে।এই উত্তর মিলবে তার পরেই।

অদ্ভুতুড়ে 12:41 AM

আইনি নোটিসের উত্তরে পাল্টা নোটিস। বিবৃতির উত্তরে পাল্টা বিবৃতি। হৃতিক রোশন এবং কঙ্গনা রানাউতের বিবাদ ফিল্মি গসিপের গণ্ডি ছাড়িয়ে ক্রমশ সম্মুখসমরের চেহারা নিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার খেউড় আর নয়, ব্যক্তিগত ভাবে মিডিয়ার কাছে মুখ খোলাও আর নয়। একেবারে আইনি লড়াই। হৃতিক যদি তাঁর প্রচারসচিবকে দিয়ে বিবৃতি দিয়ে থাকেন, তার উত্তরে কঙ্গনার হয়ে ব্যাট ধরেছেন তাঁর আইনজীবী। হৃতিক যদি প্রকারান্তরে কঙ্গনার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে থাকেন, কঙ্গনা সরাসরি হৃতিককে মিথ্যাবাদী বলে তোপ দাগছেন। তার মাঝখানে আবার উঁকি দিচ্ছে সাইবার অপরাধের গন্ধ!বলিউডের দ্বন্দ্বসমাসও বদলে গেল তবে। ফিল্মি পার্টিতে ঝগড়া-ঝামেলা, ফিল্মের সেটে বিবাদ এবং সর্বোপরি প্রেম-ভালবাসা নিয়ে তীব্র মন কষাকষি নতুন কিছু নয়। মামলা-মোকদ্দমা হয়নি এমনও নয়। কিন্তু প্রথম সারির দুই তারকা ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে লাগাতার পরস্পরের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন এবং লিখিত বিবৃতি দিয়ে একে অন্যের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ অভিযোগ আনছেন, এটা বড় একটা দেখা যেত না।


হৃতিক-কঙ্গনা সেটাই করে দেখালেন। ‘কৃষ থ্রি’ থেকে ‘আশিকি থ্রি’ আসতেই যাবতীয় ‘আশিকি’ একেবারে ‘কাট্টি বাট্টি’ হয়ে গেল!

হৃতিক প্রথমে মানহানির নোটিস পাঠালেন। কঙ্গনা হৃতিকের বিরুদ্ধে তাঁর ই-মেল হ্যাক করার অভিযোগ আনলেন। হৃতিক আবার বিবৃতি দিয়ে দাবি করলেন, তাঁর নামে যে আইডি (hroshan@email.com) থেকে হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছে, সেটি একটি ভুয়ো আইডি। অন্য কেউ তাঁর নাম করে এই আইডি ব্যবহার করছিল। হৃতিক এও বলেছেন, দু’বছর আগেই তিনি ওই ভুয়ো আইডি নিয়ে সাইবার অপরাধ শাখায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এই সব প্রসঙ্গ তোলার জন্য নাম না করে কঙ্গনাকে মানসিক রোগী বলতেও কসুর করেননি হৃতিক। জবাবে কঙ্গনার আইনজীবী নাম করেই হৃতিককে মিথ্যুক বলে দাবি করেছেন।

এত দাবি-পাল্টা দাবির পিছনে মূল বিষয়টা কী? দু’জনের নষ্ট সম্পর্ক। নষ্ট হয়েও যার রেশ ফুরোচ্ছে না। কারণ, হৃতিক দাবি করছেন কঙ্গনার সঙ্গে তাঁর কোনও রকম সম্পর্ক ছিল না। কঙ্গনাই নাকি মানসিক অসুস্থতায় নানা রকম কল্পনা করতেন। অজস্র মেল পাঠাতেন। আর এখানেই হৃতিকের প্রতি মিথ্যাবাদিতার অভিযোগ কঙ্গনার। তাঁর বিব়ৃতির এটাই মূল কথা। কঙ্গনার আইনজীবী দাবি করছেন, হৃতিক আর কঙ্গনার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণের কোনও অভাব নেই। হৃতিক বেমালুম মিথ্যা বলছেন, দাবি তাঁদের।

ব্যক্তিগত ঝঞ্ঝাট-ঝামেলা নিয়ে খুল্লম খু্ল্লা কথা বলার ধারাটা হালে দেখা যাচ্ছে বলিউডে। ফেসবুক-টুইটার-ইনস্টাগ্রাম যুগে তারকাদের জীবন এখন অনেক উন্মুক্ত। রণবীর কপূরের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে তাঁর দুই প্রাক্তনী দীপিকা পাড়ুকোন আর সোনম কপূর টিভি শো-এ প্রকাশ্য হাসিমস্করায় মেতেছিলেন। প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার বিরুদ্ধে টুইটারে ক্ষোভ উগরেছিলেন কর্ণ জোহর। কিন্তু সলমন  খান আর শাহরুখের ঝামেলার ঘটনাটা এর পাশে রাখলেই তফাৎটা স্পষ্ট হয়। ক্যাটরিনার পার্টিতে দু’জনের বচসা গোপন থাকেনি ঠিকই। কিন্তু তা নিয়ে দু’জনের কেউই মিডিয়াতে একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেননি। আইনি নোটিসও পাঠাননি। অতীতে প্রেম চোপড়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে রাজ কপূর-রাজকুমারের ঝগড়া বা স্টুডিও-চত্বরে সঞ্জীবকুমারকে নূতনের ‘চড় মারা’ নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। কিন্তু প্রকাশ্য বিবৃতি? না, কেউই সে পথে হাঁটেননি।

তুলনায় সলমন-ঐশ্বর্যার ঝগড়া ছিল অনেক বেশি খোলাখুলি। ২০০৩ সালে সঞ্জয় লীলা বনশালীর একটি ছবিতে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করবেন বলে খবর রটার পরে মুখ খোলেন অ্যাশ। দাবি করেন, ‘‘সলমনের অনেক ধরনের দুর্ব্যবহার, মাদকাসক্তি, অত্যাচার আমায় সইতে হয়েছে। নিজের ও পরিবারের সুস্থতা ও মর্যাদার স্বার্থেই আর সলমনের সঙ্গে কাজ করতে পারব না।’’ পরে একই ভাবে সলমন তাঁকে হুমকি দিয়েছেন বলে একেবারে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে অভিযোগ করেছিলেন অ্যাশের তৎকালীন প্রেমিক বিবেক ওবেরয়।

হৃতিক-কঙ্গনার বেলায় প্রথমে হৃতিক আশিকি-থ্রি থেকে কঙ্গনাকে বাদ দেওয়ার জন্য কলকাঠি নাড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। জানুয়ারির শেষাশেষি একটি সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গেই কঙ্গনা বলেছিলেন, প্রাক্তন প্রেমিকরা মাঝেমধ্যে বোকা বোকা কাজ করে নজর কাড়ার চেষ্টা করে থাকেন! হৃতিকের নাম না করলেও ইঙ্গিতটা ছিল স্পষ্ট। সেটাকে আরও স্পষ্ট করে দিয়ে হৃতিকই তখন টুইট করেন, ‘মিডিয়ায় যাদের নাম দেখি, সেই সব মেয়েদের (নির্ঘাত তাঁরা দারুণ) বদলে পোপের সঙ্গে রোম্যান্স করাটা বেশি স্বাভাবিক আমার পক্ষে।’

বাদানুবাদ এখানেই শেষ হতে পারত। হয়নি। গত মাসে কঙ্গনাকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে হৃতিকের আইনজীবী নোটিস দেন। তাতে বলা হয়, প্রচারের লোভে কঙ্গনা তাঁদের দু’জনের প্রেমের ‘ভুয়ো গল্প’ ফাঁদছেন। আইনজীবীর দাবি, ‘হৃতিক-কঙ্গনার মধ্যে দু’টি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয়ের পেশাদারি সম্পর্কটুকুই সার। আর কোনও সামাজিক, আত্মিক, ব্যক্তিগত বা অন্তরঙ্গ ঘনিষ্ঠতার গল্প এখানে নেই।’ এর পরেই উকিল মারফত ২১ পাতার জবাবি চিঠি দেন ‘কুইন’-এর নায়িকা। তাতেও না থেমে এ বার হৃতিক লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন। কঙ্গনাও তার উত্তর পাঠিয়েছেন। হৃতিক তাঁর আইনি নোটিস ফিরিয়ে না-নিলে ফৌজদারি মামলা করার হুমকি দিয়েছেন।

এ সবের নিট ফল? বলিউডের ট্রেড অ্যানালিস্ট বিকাশ মোহনের মতে, ‘‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে এখন মানুষ ঢের সম্মানের চোখে দেখে। মিডিয়ার পাঁচ কান না-করে পরিণত ভঙ্গিতে বিষয়টা মিটিয়ে ফেললেই ভাল ছিল।’’ আর এক ট্রেড অ্যানালিস্ট আমোদ মেহরার আক্ষেপ, ‘‘একজন বড় হিরো এ সব আইনি নোটিস দিলে তা এক ধরনের ক্ষমতার আস্ফালন হয়ে ওঠে। হৃতিকের স্টার ইমেজ ধাক্কা খাবে।’’

আইনি লড়াইয়ের এই আবহই মনে পড়াচ্ছে পঞ্চাশের দশকের কথা। দিলীপ কুমারের সঙ্গে মধুবালার সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে বাতাস তখন বেশ ভারী। ‘নয়া দৌর’ ছবি থেকে মেয়ে বাদ পড়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নোটিস পাঠালেন মধুবালার বাবা। আদালতে এসে দাঁড়িয়েছিলেন দিলীপকুমার। মধুবালার তরফে অভিযোগ ছিল, একটি আউটডোরে যেতে চাননি বলে তাঁকে বাদ দিয়ে বৈজয়ন্তীমালাকে নেওয়া হয়েছে। দিলীপকুমার কিন্তু পরিচালক বি আর চোপড়ার পক্ষই নেন। বৈজয়ন্তীমালার কাস্টিং বহাল থাকে। কিন্তু দিলীপ আদালতে দাঁড়িয়ে স্বীকার করে নেন, মধুবালার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথাও। তাঁদের ভাঙা মন নিয়েই শেষ হয় মুঘল-ই-আজমের বাকি শ্যুটিং!

হৃতিক-কঙ্গনার ছেঁড়া ঘুড়ি তেমন কোনও কাহিনির জন্ম দিল না।

অদ্ভুতুড়ে 11:51 PM

বাংলাদেশের তরুণ ব্রিগেডকে তিনি যতই দেখছেন, ততই নাকি মুগ্ধ হচ্ছেন। বিশ্বের যে প্রান্তেই মাশরফিরা খেলুন না কেন, সেই ম্যাচ তিনি দেখবেনই। ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, কয়েক বছরের মধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ। সাকিব-মাশরফিদের এই নতুন ফ্যান আর কেউ নন, স্বয়ং বিগ বি।


বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অমিতাভ বলেন, “যে প্যাশান নিয়ে মুস্তাফিজুর, সাকিবরা বাইশ গজে নামছেন, তাতে মোহিত হয়ে যেতে হয়। এই ভাবে খেললে সে দিন আর বেশি দেরি নেই, যে দিন বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করবে বাংলাদেশ।” আইপিএলের দৌলতে সাকিবের খেলা দেখেছেন আগেই। “অসাধারণ খেলে এই ছেলেটা। এত বছর ধরে দেশের সেরা পারফর্মার। দলের প্রয়োজনে বল, ব্যাট সব কিছু দিয়েই পারফর্ম করতে তৈরি।”— বললেন বিগ বি। সিনিয়র বচ্চন উচ্ছ্বসিত মুস্তাফিজুরকে নিয়েও। “কী অসাধারণ বল করে ছেলেটা। আর কী প্যাশান ওর চোখেমুখে। ভবিষ্যতের তারকা হওয়ার যাবতীয় রসদ রয়েছে ওর মধ্যে।”— মত অমিতাভের।

এ দিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন অমিতাভ। কাজের ফাঁকে খেলা দেখবেন বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই নতুন ফ্যান।

অদ্ভুতুড়ে 10:06 PM

এবার ধূমপান বিরোধী বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে বলিউডের বেবি ডল সানি লিওনকে। অলোক নাথ ও দীপক দোবরিয়ালের মতো তারকাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে তাঁকে। সানি মনে করেন, ধূমপানের অভ্যাস খুবই বিরক্তিকর। এটা একেবারেই ভালো নয়।


টুইটারের মাধ্যমে সানি জানিয়েছেন, এই বিজ্ঞাপনটি সকলের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি। সেই সঙ্গে ধূমপান বন্ধ করার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে। এটা একেবারেই ভালো নয়। খুবই বিরক্তিকর।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সানি সিনেমা মাস্তিজাদে। এরপর তাঁকে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড ও বেইমান লাভ সিনেমায় দেখা যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 12:28 AM

সুপারহিরোদের একজোট হওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। শত্রুর বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়েন— শুধু তা নয়, পরস্পরের বিরুদ্ধেও তাদের লড়তে দেখা যায়। এবার লড়তে দেখা গেল হাল্ক ও অ্যান্টম্যানকে। তবে কোনো সিনেমায় নয়। কোকাকোলার বিজ্ঞাপন চিত্রে।


যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ‘সুপার বোল’র আসর বসেছে রোববার। আর এ উপলক্ষে সিনে দুনিয়া নতুন পসরা নিয়ে হাজির। অনেকগুলো সিনেমার টিজার, ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে।
এর মধ্যে কোক মিনির বিজ্ঞাপনটিকে চমকই বলা যায়। তা-ই হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হওয়ার পর ইউটিউবে দেখা হয়েছে ৪২ লাখবারের বেশি।
হ্যাঁ, প্রথমেই বলা হচ্ছিল সুপারহিরোদের শত্রুতা প্রসঙ্গে। বিজ্ঞাপনের শুরুতে এমন মনে হলেও শেষটাই কোক থেকে এক জোট হন সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ছোট সুপারহিরো। আর এক মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘হাল্ক ভার্সেস অ্যান্টম্যান’কে ছোটখাট সিনেমা বলাই যায়।

অদ্ভুতুড়ে 2:53 AM

শোবিজ সিনিয়র রিপোর্টার MH Mahdi - এ সময়ের জনপ্রিয় মডেল এবং অভিনেত্রী তাসনোভা এলভিন। তিনি একাধারে টিভি বিজ্ঞাপন, নাটক করে থাকেন। আগে উপস্থাপনাও করতেন। প্রাণ, ব্যাঙ্গলসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানির বিজ্ঞাপনে কাজ করছেন তাসনোভা এলভিন।

সফল অভিনেত্রী তাসনোভা এলভিন

 তাসনোভা এলভিন চার ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় এবং তার পরে ছোট একটি ভাই আছে। ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের তালিম নেন তিনি। তাছাড়াও নতুন কুড়ি প্রোগ্রামে বেশ কয়েকবার অংশগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ। সেই আগ্রহ থেকেই নতুন কুঁড়িতে যাওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় ২০১০ সালের ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় নাম লেখালেন তাসনোভা এলভিন। ছিলেন শীর্ষ ১৫-তে। সেই এলভিন এখন দেশের প্রতিশ্রুতিশীল মডেল-অভিনেত্রীদের একজন।

সফল অভিনেত্রী তাসনোভা এলভিনবিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় "লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার ২০১০" - এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় তার বিনোদন জগতের পথচলা। ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ থেকে বের হওয়ার পরই বৈশাখী টেলিভিশনের ‘অন্য আলোর গান’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন এলভিন। এরপর আর উপস্থাপনা করেননি তিনি। মোশাররফ করিমের বিপরীতে ঈদের নাটক "জামাই শশুর" এবং "রুম ডেট" নাটকগুলিই হয় তার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।

২০১০ লাক্স থেকে বেরিয়ে কেবল কয়েক মাস কাজ করেন এলভিন। এরপর দীর্ঘ বিরতি। সেটা অবশ্য পড়াশোনার জন্য। তবে দু বছর ধরে টানা কাজ করছেন! তাঁর অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য কিছু হচ্ছে, জাহিদ হাসান পরিচালিত নাটক ‘উড়ামন’। সবুর খান পরিচালিত নাটক ‘দাগ’। তাহের শিপন পরিচালিত নাটক ‘ভেঙে যাওয়া স্বপ্নগুলো।’ নাটকটিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। তাছাড়াও এলভিনের নাটকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড,’ ‘নস্টালজিয়া ক্যাথেড্রেল’, ‘তিনি একজন সেফসাইডওয়ালা’ ও ‘পরস্পর’।


সফল অভিনেত্রী তাসনোভা এলভিনএখন পর্যন্ত সাত-আটটি টিভি বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন এলভিন। এর মধ্যে সেভেন আপ, প্রাণ, অ্যাপেক্স, বেঙ্গল প্লাস্টিক ইত্যাদি!

তাসনোভা আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এইইউবি) থেকে বিবিএ শেষ করেছেন। কাজের অবসরে সময় কাটে বাবা-মা, বোন ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে ও সিনেমা দেখে। রিক্সায় চড়তে দারুণ পছন্দ এলভিনের!!! নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন তাসনোভা এলভিন। ইতোমধ্যে অনেকগুলো ব্যাবসা সফল নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি! সেই সাথে অনেক প্রশংসাও কুড়িয়েছেন এলভিন! 

নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন তাসনোভা এলভিন। টিভি পর্দায় নিয়মিত কাজের মাধ্যমে পরিপক্ব হয়ে চলচ্চিত্রেও অভিনয় করার ইচ্ছে তার। এলভিন জানালেন, অভিনেত্রী হিসেবেই পরিচিতি পেতে চান তিনি। বললেন, ‘ছোটবেলায় নতুন কুঁড়ি করতাম। অনেক পুরস্কার জিতেছি। নাচ, গান, অভিনয় সবই করতাম। ব্যস্ততার কারণে এখন কেবল অভিনয়টাই করছি। অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেতে চাই আমি। অনেক ভালো একজন অভিনেত্রী হতে চাই। সবচেয়ে বড় কথা সৎ থেকে, ভালো থেকে, ভালো অভিনেত্রী হয়ে বাঁচতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, "জীবনে বিনোদন জগতেই কাজ করতে চেয়েছিলাম এবং সেটাই করছি! আমার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে অনেক ভালো একজন অভিনেত্রী হতে চাই! সেই সাথে নিজেকে দেখতে চাই একদম টপে!" 

সফল অভিনেত্রী তাসনোভা এলভিন

অদ্ভুতুড়ে 11:30 PM

এবার সামনে এলো পরীমনির কাবিন নামা। তবে পরীমনি এগুলোকে মিথ্যে দাবি করে বলেন, এসবের সত্যতা প্রমাণ করেই ছাড়ব। পরীমনি বলেন ছবিগুলো ভুয়া। একইসাথে বলেন, এইসব কাবিননামা ১০০ টাকা দিলে ১৯৯ টা বানানো যায়। গতকাল রবিবার পরীমনির বেশকিছু অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়। কিন্তু পরীমনি সেই ছবি সম্পর্কে বলেন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই ছবিগুলো ছড়ানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন আমি আমার পরিচিত সবার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে ছবি তুলি। এটাকে আমার দুর্বলতা ভেবে একটা চক্র সুযোগ নিচ্ছে। 

এবার সামনে এলো পরীমনির কাবিন নামা

তবে পরীমনি'র এসব ছবির রেশ কাটতে না কাটতে সোমবার শাকিল রিয়াজ নামের আরেকজন পরীমনির বেশকিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। সাথে তিনি লিখেছেন, ‘একটু আগে পরীমনি ভাবীকে নিয়ে একটা পোস্ট দেখলাম, যেখানে ভাবীকে নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর স্ক্যান্ডাল ছড়ানো হয়েছে। আসল সত্য হয়তো অনেকেই জানেন না। পরীমনির আসল নাম সামসুর নাহার স্মৃতি। ভাবী আমাদের খুব কাছের বড় ভাইয়ের বৌ। ভাইয়ের নাম সৌরভ কবীর। ভাবীকে নিয়ে এ সব বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর কারণে আমি আর মুখবুজে থাকতে পারলাম না। আমার মনে হলো এখনই সময়, আসল সত্যটা সবার সামনে তুলে ধরার। ভাই ও ভাবীর বিয়ে হয় ২৮ এপ্রিল ২০১২ সালে। ৩ বছর প্রেম করার পরে তারা নিজেদের ইচ্ছায় বিয়ে করেন এবং পরে সেটা দুই পরিবার থেকেই মেনে নেয়। ভাইয়ের বাসা যশোরের কেশবপুরে। ভাই এবং ভাবী নিজেদের পেশার জগৎ আলাদা। ভাই পেশায় একজন প্রফেশনাল ফুটবলার। ভাই এবং ভাইয়ের পরিবারের সম্মতিতেই ভাবী মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন। ভাই এবং ভাবীর নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তাদের এ সম্পর্কের কথা আড়াল করে রেখেছেন। তারা এখনও একসঙ্গে বিবাহিত জীবনযাপন করছেন। কিন্তু আজকের এ ঘটনার পরে আমি আর মুখ বুজে থাকতে পারলাম না। আসল সত্য সবার সামনে তুলে ধরলাম। ভাই ও ভাবী আপনারা কিছু মনে করলেও আমি বাধ্য হয়ে এই পোস্টটি করলাম। আমার এই পোস্ট নিয়ে যদি কারও কোনও সন্দেহ থেকে থাকে, তাহলে আমরা প্রমাণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।'

এবার সামনে এলো পরীমনির কাবিন নামা

সৌরভ নামের কাউকে চেনেন কি না, কিংবা আপনি কি সৌরভের স্ত্রী এমন প্রশ্নের জবাবে পরী উচ্চস্বরে হেসে বলেন, এই ধরনের সংবাদ যে কোত্থেকে আসে। এগুলোর উত্তরই দিতে ইচ্ছে করে না।  

পরীমনির সোমবার প্রকাশিত ছবি সম্পর্কে ভাষ্য 'আমার কাছে পুরো ব্যাপারটি হাস্যকর মনে হচ্ছে। আমি প্রমাণ করে দেবো বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা এবং আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের জবাব আমি সময়মতো দেবো। ছবিগুলো সম্পূর্ণ ফেইক। 

একইসাথে আজ পাওয়া গেছে একটি নিকাহনামা। যেটি অনলাইনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই নিকাহনামার ব্যাপারে পরীমনির ভাষ্য এগুলো সব সাজানো বানোয়াট। ইচ্ছেকরলেই শতশত ভুয়া কাবিননামা বানানো যায়।

অদ্ভুতুড়ে 10:21 PM
বাংলাদেশের দর্শক দেশি নাটক দেখেন না। তাদের পছন্দের তালিকায় আছে মুম্বাই ও কলকাতা ভিত্তিক সিরিয়াল। যার সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ‘সুলতান সুলেমান’ নামের ডাব করা তুর্কি সিরিয়াল। টিভি দর্শকদের ‘আলিফ লায়লা’ বা ‘থিফ অব বাগদাদ’র যুগে নিয়ে গেছে সিরিয়ালটি।



২০১৫ সালে নভেম্বরে চালু হওয়া দীপ্ত চ্যানেলে সপ্তাহে ৬দিন দেখা যায় ‘সুলতান সুলেমান’। টিআরপি দৌড়ে বর্তমানে এক নম্বর অনুষ্ঠান এ সিরিয়াল।
সবচেয়ে বেশিদিন শাসন করা অটোমান শাসক সুলেমানের নামে নির্মিত সিরিয়ালটির তুর্কি নাম ‘মুহতেশেম ইউযিউয়েল’। ইতিহাস ও কল্পনার আশ্রয়ে নির্মিত সিরিজটির লেখক মেরল ওকে ও ইলমাজ সাহিন। ৪টি সিজনে (২০১১-১৪) ১৩৯টি পর্বে বিভক্ত সিরিয়ালটির পরিচালকও চারজন। প্রথম থেকে তৃতীয় সিজন পরিচালনা করেছেন ইয়াগমুর তাইলান ও দুরুল তাইলান। শেষ সিজনে ছিলেন মার্ট বাইকল ও ইয়াগিজ আল্প আকাইদিন। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একই শিল্পীরা অভিনয় করেননি। পরের দিকে পাল্টে যাবে কয়েকটি চরিত্রের তারকা।
‘সুলতান সুলেমান’ প্রথম প্রচার হয় তুরস্কের শো টিভি নামের চ্যানেলে, পরে দেখা যায় স্টার টিভিতে। প্রিমিয়ার হয় ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি। প্রধান কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন খালিদ এরগেঞ্চ (সুলতান সুলেমান প্রথম), মারিয়াম উজালরি ও ওয়াহিদে পারচিন (হুররেম সুলতান) ও ওকান ইয়ালাবিক (পারগালি ইব্রাহিম পাশা)।
নানা কারণে তুরস্কের ইতিহাস সুলেমানের সময়কাল গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় ঐতিহ্য নির্মাণে তার ভূমিকা রয়েছে। আরও রয়েছে বর্ণাঢ্য জীবন। সব মিলিয়ে দীর্ঘ সিরিয়ালের জন্য আকর্ষণীয় চরিত্র। তাই কাজে লাগিয়েছেন নির্মাতা। কিন্তু নাটক মানে মুহূর্তে মুহূর্তে নাটকীয়তার ছটা! তা কী বাস্তব চরিত্রকে তুলে ধরতে পারে? এমন বিতর্ক ‘সুলতান সুলেমান’র পিছু ছাড়েনি।
সুলতান সুলেমানের জন্ম ১৪৯৪ সালের ৬ নভেম্বর, মৃত্যু ১৫৬৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর। তিনি ১৫২০ সাল থেকে ১৫৬৬ সাল পর্যন্ত অটোমান সাম্রাজ্য সফলভাবে শাসন করেন। তার ঐশ্বর্য, শৌর্য-বীর্যের খবর ইউরোপে অজানা ছিল না। রোমান সাম্রাজ্যের একাধিক শহরের পতন ঘটে তার হাত। ভিয়েনাও প্রায় দখল করে নিয়েছিলেন। সে সূত্রে ইউরোপের অটোমান ভীতি ইতিহাস আগ্রহীদের না জানার কথা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘ড্রাকুলা আনটোল্ড’ তেমন একটি সিনেমা।
সুলেমানের নৌবাহিনীর ছিল ভূ-মধ্য সাগর থকে শুরু করে লোলিত সাগর পর্যন্ত সদর্প বিচরণ। সমাজ, শিক্ষা, অর্থনীতি ও আইনের সংস্কারে তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া ছিলেন নামজাদা কবি ও অলংকার প্রস্তুতকারক।
অটোমানদের প্রচলিত ধারা লঙ্ঘন করে রোক্সেলানা নামে এক খৃস্টান দাসীকে বিয়ে করেন সুলেমান। যার ধর্মান্তরিত নাম হুররেম সুলতান। এর আগেও দুই বিয়ে করেন সুলেমান। হুররেমের গর্ভে জন্ম নেওয়া সেলিম দ্বিতীয় সাম্রাজ্যের হাল ধরেন পরবর্তীতে। জনপ্রিয় সিরিয়ালটিতে মূলত সুলেমান ও হুররেম সুলতানের কাহিনীকে প্রধান্য দিয়েছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হেরেম, সমকালীন, রাজনীতি, কূটনীতি ও অন্যান্য বিষয়াদি। তবে জোর দেওয়া হয়ে তুর্কিদের ক্ষমতায়।
এ সব সত্ত্বেও খোদ তুরস্কে সিরিয়ালটির বিরুদ্ধে অভিযোগ কম নয়। ঐতিহাসিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তিদের জীবনী চিত্রায়নে যথেষ্ট সতর্ক না থাকার অভিযোগ উঠে। নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করতে গিয়ে সম্মানের হানি হয়েছে।
তুরস্কের রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন সুপ্রিম কাউন্সিল জানায়, সিরিয়ালটির বিরুদ্ধে ৭০ হাজারের বেশি অভিযোগ আসে। তাই ঐতিহাসিক ব্যক্তির গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করা হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এরগোদানের মতে, ‘সুলতান সুলেমান’ তরুণ প্রজন্মের উপর খারাপ প্রভাব ফেলবে। এ সিরিয়ালের কারণে পূর্বপুরুষকে তারা ভুলভাবে জানছে। সুলেমান কখনো এমনটা ছিলেন না। তার ছিল না এমন অবসর। অটোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারে ৩০ বছর ঘোড়ার উপর কাটিয়েছেন।
একে পার্টির এক সংসদ সদস্য সিরিয়ালটির বিরুদ্ধে ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ তুলেন। জাতীয়তাবাদী ও ইসলামপন্থী কিছু দল স্টুডিওর বাইরে বিক্ষোভও করে।
তুরস্কের বাইরেও অনেকে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানান, ‘দে গ্রোটে তুর্ক’ বইয়ের লেখক সাংবাদিক হেঙ্ক বুম মনে করেন, ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে অনেকটা জনপ্রিয় ধারার সোপ অপেরার অদলে। তবে এ বিষয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ঠিক হবে না।
তবে দুই দিক থেকে সফল ‘সুলতান সুলেমান’। প্রথমত তুরস্কের টেলিভিশন শিল্পে ঐতিহাসিক ঘটনা নির্ভর সিরিয়ালটির ব্যাপক ভূমিকা আছে। আর আন্তর্জাতিক বাজারে ‘সুলতান সুলেমান’ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ৪০টি দেশের চ্যানেলে প্রচার হয়েছে সিরিয়ালটি। পেয়েছে ২০ কোটির বেশি দর্শক। এক সাংবাদিক এ বিষয়ে মজার একটি তথ্য দেন। একবার বিমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক মন্ত্রী কথা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করেন, কবে সিরিয়ালটি শেষ হবে। সিরিয়ালটির কারণে স্ত্রীকে টিভির কাছ ছাড় করতে পারছেন না। এমন অবস্থা নাকি অন্য মন্ত্রীদেরও। আইএমডিবিতে প্রকাশিত ২১টি রিভিউতে সিরিয়ালটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা দেখা যায়। তবে গড় রেটিং ৬.৫।
‘সুলতান সুলেমান’র বাংলা ডাবটির দিকে লক্ষ করলে উল্লেখযোগ্য কিছু দিক পাওয়া যায়। বিশেষ করে ভাষার ব্যবহার। বেশ সমৃদ্ধময় কবিত্বের লক্ষণ আছে চিত্রনাট্যে। একে চমৎকার ভাষান্তরের নির্দেশন বলা যায়। এ ছাড়া সিরিয়ালটিতে এক ধরনের ইসলামী আবহ পান অনেক দর্শক। যা এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণও। পাশাপাশি প্রথাগত সিরিয়ালে জাঁকজমকপূর্ণ সকল বৈশিষ্ট্য এতে বিদ্যমান। কিন্তু কতটা স্বস্তিদায়ক তাও অবশ্য প্রশ্ন সাপেক্ষ। কারণ সিরিয়ালটির অভিনেত্রীদের পোশাক নিয়ে খোদ দীপ্ত টিভির অস্বস্থি চোখে পড়ার মতো।
সিরিয়ালটির জনপ্রিয়তা থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। তার মানে নিশ্চয় অন্ধ অনুকরণ নয়। যার নিদর্শন দীপ্ত নির্মিত তিন সিরিয়াল থেকে স্পষ্ট। তাই হয়ত সেখানে কতটা সফল— তা জানায়নি চ্যানেলেটি। তার থেকে বুঝা যায় অনুকরণের ফল কী!

অদ্ভুতুড়ে 12:23 AM

পাঁচ বছর হতে চলল ক্যামেরা এড়িয়ে চলেন দিঘী। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু বিজ্ঞাপন ও ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। বাবা অভিনেতা সুব্রত চান মেয়ে পড়াশোনা করে ডাক্তার হোক।

আমি তানিয়া খন্দকারকে মা বলি - দীঘি

কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আবার ক্যামেরার সামনে পাওয়া গেল। প্রাচুর্য ফ্যাশনের হয়ে একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। সম্প্রতি এর শুটিং হয়েছে জাপান গার্ডেন সিটির টোকিও স্কয়ার মার্কেটে। দিঘী বলেন, ‘কাজটি হুট করেই হয়েছে। তা ছাড়া এ কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানিয়া খন্দকারকে আমি মা বলি। তিনি প্রস্তাবটি দিলে আর না করতে পারিনি। তবে বাইরের কোনো কাজ এ মুহূর্তে করছি না। আগে পড়াশোনাটা শেষ করতে চাই।’

অদ্ভুতুড়ে 10:46 PM

ফের একবার ফেলে আসা জীবন নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের শিকার হলেন সানি লিওন। তাঁর পর্নস্টার জীবন নিয়ে অসংবেদনশীল মন্তব্য করলেন গীতিকার প্রসূন যোশি। মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সানির স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার। অন্যদিকে, সানি বলেন প্রসূনকে তিনি চেনেনই না।

সানি লিওন তার পর্নলাইফ নিয়ে প্রসূন যোশির মন্তব্যের শিকার হলেন

রং দে বাসন্তি অনুষ্ঠানে প্রসূন বলেন, 'সানি লিওনের প্রাক্তন পেশা আমি সমর্থন করি না। চাই না যুবসমাজ এর দ্বারা অনুপ্রাণিত হোক।' অন্য কারও পেশা নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য কি ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়? এর স্বপক্ষেও যুক্তি রয়েছে প্রসূনের। তিনি বলেন, 'কারও পেশা সম্পর্কে আমার কোনো ব্যক্তিগত মতামত থাকতেই পারে। সব পেশা ভাল নাও হতে পারে। আর ভাল না হলে আমি অবশ্যই তার সমালোচনা করবো। আমরা মাঝে মাঝে কোনো পেশার মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা করে ফেলি। আমাদের মাথায় রাখতে হবে, যে পেশা আমাদের জীবনের সঙ্গে যুক্ত তা যেন সমাজের জন্যও হিতকারক হয়। সমাজের ভাল করে।'

প্রসূনের এই অসংবেদনশীল মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সানির স্বামী ড্যানিয়েল বলেন, 'প্রসূন একজন অপদার্থ। উনি শুধুই প্রচার চান। ব্যর্থ। আপনি কী ভাবেন তা নিয়ে কেউ তোয়াক্কা করে না।'

 সানি বলেন, 'আমি জানি না প্রসূন যোশি কে। গুগল করে উত্তর দেব।' গুগল করার পর সানি টুইট করেন, 'আমার সম্পর্কে যারা বাজে কথা বলে তাদের সকলের খোঁজ রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি নেগেটিভিটি নিয়ে ভাবি না।'

প্রসঙ্গত, তারে জামিন পর, গজনি, ভাগ মিলখা ভাগের মতো ছবির গান লিখেছেন প্রসূন।

অদ্ভুতুড়ে 11:36 PM

আশ্চর্য সব পোশাক পরে সর্বদাই খবরে থাকেন তিনি। সঙ্গে উদ্দাম জীবনযাপন তো রয়েইছে। কিন্তু ওই সব বিচিত্র পোশাকের ভিতরে থাকা মানুষটার মন যে কতটা বড়, তা-ই দেখল বিশ্বের সিনে দুনিয়া। লেডি গাগার ক্ষেত্রে একে বলাই যায় একেবারে 'Out of box'। পপস্টার লেডি গাগা জীবনের প্রথম অস্কারের মনোনয়ন উত্‍‌সর্গ করলেন যৌনহেনস্থার শিকার থেকে ঘুরে দাঁড়ানোদের জন্য।

আবার ছোটবেলার ধর্ষণের স্মৃতি উস্কে দিলেন লেডি গাগা

'Till It Happens to You' গানটির জন্য ২০১৬-এ অস্কারে মনোনীত হয়েছেন ২৯ বছর বয়সি গাগা। মার্কিন কলেজ ক্যাম্পাসে ধর্ষণ ও যৌননিগ্রহের উপর তৈরি তথ্যচিত্র 'দ্য হান্টিং গ্রাউন্ড'-এর বেস্ট অরিজিনাল সং বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন লেডি গাগা। কয়েক মাস আগেই লেডি গাগা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তিনিও ছোটবেলায় এক প্রোডিউসারের যৌনলালসার শিকার হয়েছিলেন। গাগা-র সেই স্বীকারোক্তি সাড়া ফেলে দিয়েছিল তামাম দুনিয়ায়। এবার যৌনহেনস্থার প্রতিবাদে অস্কারের মঞ্চকেই বেছে নিলেন গাগা।

লেডি গাগা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খোলা চিঠিতে লিখেছেন, 'এই মনোনয়ন তামাম বিশ্বের সব ধর্ষিত ও তাঁদের পরিবারের প্রতিবাদের কণ্ঠ। ধন্যবাদ অ্যাকাডেমি যৌননিগৃতদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসার জন্য। সব যৌননিগৃতদের হয়ে আমাদের এই প্রতিবাদকে সম্মান জানানোর জন্য অশেষ ধন্যবাদ।'
Powered by Blogger.