Showing posts with label Review. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:51 AM
Afraid-of-losing-superstar-Salman

 

বলিউড অভিনেতা সালমান খানের ক্যরিয়ার ২৫ বছরের। দুই যুগেরও বেশি সময়ে এই তারকা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য হিট ছবি। বয়স ৫০ পার করেছেন, তবে এখনো দর্শকদের কাছে তাঁর চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু সালমানেরও আছে তারকাখ্যতি হারানোর ভয়।


সম্প্রতি সুপারস্টার সালমানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তিনি জনপ্রিয়তা হারানোর ভয় পান কি না? এই প্রশ্নের জবাবে এই ‘দাবাং’ অভিনেতা বলেন, ‘তারকাখ্যাতি হারানোর ভয় সবারই আছে। আমি যদি বলি, আমার এই ভয় নেই, তাহলে মিথ্যা বলা হবে। আর এটা তো শুধু তারকাখ্যাতি না, এটার সঙ্গে মানুষের ভালোবাসা জড়িত, সম্মান জড়িত।’

তিনি আরও বলেন, কঠিন পরিশ্রম করার পরেও হঠাৎ কোন কারণে লোকে যদি তাঁকে অপছন্দ করতে শুরু করে, তাহলে তো সেটা যেকোনো মানুষের জন্যই কষ্টদায়ক। তবে এত ভাবনার পরেও একটা চিন্তা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে। তিনি মনে করেন, জীবনটা কেবল পর্দার নায়ক হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; নায়ক হওয়ার থেকেও জীবনে বেশি কিছু করার আছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:39 AM

 
joyer-valobasar-sohor

প্রথমবাবের মতো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এপার-ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। এর নাম ‘ভালোবাসার শহর’ কিংবা ‘সিটি অব লাভ’। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কলকাতার সিনেমা 'ফড়িং' খ্যাত নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। এদিকে গতকাল ইউটিউবে সিনেমাটির মোশন পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে।


আর সেটি জয়া তার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের ওয়ালে শেয়ার করেছেন। আর এর পর থেকেই কাজটির প্রশংসা জানিয়ে অনেকেই সেখানে কমেন্ট করছেন। এর উত্তরে জয়া লিখেছেন, এটা তো আমার ভীষণ প্রিয় একটা কাজ।’ এছাড়া জয়া একই পরিচালকের পরিচালনায় গত বছর জি বাংলা সিনেমায় দেখানো ‘একটি বাঙালি ভূতের গপ্পো’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন।
joyer-valobasar-sohor

‘ভালোবাসার শহর’ এ অভিনয় প্রসঙ্গে জয়া আরও জানিয়েছেন, ‘সময়ের দিক থেকে হিসেব কষলে ‘ভালোবাসার শহর– দ্য সিটি অফ লাভ’ একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। হয়ত ১৫ থেকে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমা হবে। কিন্তু আসলে এটা একটি সম্পূর্ণ সিনেমা। সিনেমাতে কাজের অনূভুতির মতোই একই রকম অনূভুতি এখানেও কাজ করেছে। আসলে একটি ব্যতিক্রম ইমেজে নিজেকে দেখা- যেমনটি একজন অভিনেতার হয়ত মঞ্চে কিংবা অন্য মাধ্যমে নিজেকে দেখে মনে হয়।’

জয়া আহসান ছাড়াও ছবিটিতে কলকাতার ঋত্বিক চক্রবর্তী, অরুণ মুখোপাধ্যায় এবং শর্মী সরকার অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি এবারের ঈদ উপলক্ষে ইউটিউবে ইউনিফক্স এন্টারটেইনমেন্টের চ্যানেলে ছবিটি মুক্তি পাবে। এছাড়াও কলকাতায় মনোজ মিশিগানের পরিচালনায় 'আমি জয় চ্যাটার্জি' নামে একটি ছবির কাজ শেষ করেছেন জয়া। এতে তার বিপরীতে আছেন আবির চট্টোপাধ্যায়।

এছাড়া অরিন্দম শীলের পরিচালনায় ‘ঈগলের চোখ’ ছবিটিও মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার। এতে জয়াকে দেখা যাবে শিবাঙ্গী চরিত্রে। জয়া আহসান বর্তমানে নূরুল আলম আতিকের পরিচালনায় ‘পেয়ারার সুবাস’ নামে নতুন একটি চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। আজ থেকে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
joyer-valobasar-sohor

এদিকে জয়াকে এ ছবিতে দেখা যাবে একেবারেই গ্রামের একটি মেয়ের চরিত্রে। অতি সাধারণ একটি মেয়ে যে স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় আসে। এভাবেই এগিয়ে যায় ছবিটির গল্প। এ চলচ্চিত্রে মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন জয়া আহসান ও তারিক আনাম খান। এটি প্রযোজনা করছে আলফা-আই।

অদ্ভুতুড়ে 8:47 AM

গরম এলেই এসির বাজার অনেকটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে! তীব্র গরম থেকে রেহাই পেতে অনেকে এসিতেই স্বস্তি খোঁজেন! শুধু কিনলেই তো হবে না, কেনার আগে এসির ধরণগুলোও খেয়াল রাখতে হবে। বাড়ির ধরণ বুঝেই এসি কেনার ভাবনা করতে হবে। আগে থেকে মুল্যের উপরেও ভালো ধারণা রাখতে হবে! নিম্নে কিছু টিপস দেয়া হলোঃ 



√ বাড়ির জানালায় উইন্ডো এসি লাগাতে পারেন। ভেতরের গরম বাতাস বাহিরে বের করে দেবে! আর বাহিরের ঠাণ্ডা হাওয়া ঘরের ভেতরে আসতে সাহায্য করবে এই উইন্ডো এসিটি। যদি আপনার একটা মাত্র ঘরের জন্য এসি প্রয়োজন হয় তাহলে উইন্ডো এসিটিই আপানার সঠিক সিলেকশন। তাছাড়াও তুলনামূলকভাবে খরচ কম হওয়ায় টাকার সাশ্রয়ও হবে। সেই সাথে অক্ষুণ্ণ থাকবে ঘরের কুলিং সিস্টেম!

পোর্টেবল এসি কিনতে চাইলে অ্যাডজাস্টেবল হোসটি অবশ্যই ভালোভাবে দেখে নিতে হবে! ডুয়েল হোসের এসি সিঙ্গেল হোসের এসির চেয়ে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে একটু বেশিই কার্জকরি। আপনার ঘর যদি আকারে বড় হয়ে থাকে, তবে আপনি ডাক্টলেস এসি বা স্প্লিট এসি ব্যাবহার করতে পারেন!

√ গতানুগতিক এয়ার কন্ডিশনারগুলো যদি আপনার পছন্দ না হয়, তাহলে অনেক অত্যাধুনিক আপশনও আছে! যেমন, আপনি আপনার স্মার্ট ফোন থেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এসির মাত্রা। শুধুমাত্র নেট কানেকশন থাকলেই হবে! আপনার মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা অ্যাপটিই কন্ট্রোল করবে সবকিছু। সেই অ্যাপটি অন থাকলেই এসি নিজ থেকেই বুঝে নেবে কখন আপনি ঘরে আছেন, আর কখন নেই! সেই অনুযায়ীই পরিবর্তন হবে আপনার রুমের তাপমাত্রা!

এসি কেনার আগেই এসির মুল্যগুলো সম্পর্কে  আগে থেকেই জানা থাকলে আপনার কেনার সময় অসুবিধা হবে না। কেননা, এতে আপনার বাজেটের থেকে বেশি খরচা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম থাকে। এসি কেনার আগে আপনার ঘরে আয়তন ভালো করে জেনে নিন, কেননা সঠিক আয়তনের এসি কিনলে আপনার ঘরটি থাকবে সম্পূর্ণ সঠিক মাত্রায় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত!

এসির দাম নির্ভর করবে কোন ব্র্যান্ডের এসি কিনবেন তার উপর। অন্তত ৩৫ হাজার টাকা বাজেট রাখতে হবে দেড় টনের উইন্ডো এসি কেনার জন্য! আর ২৫ হাজার টাকার মতো পড়বে ১টনের উইন্ডো এসির কিনতে!

√ তুলনামূলকভাবে স্প্লিট এসির দাম একটু বেশিই হয়ে থাকে! আপনার ঘরটা যদি একটু বড় হয়ে থাকে, তবে দেড় টনের এসি না নিলে খুব একটা লাভ হবে না! একটা দেড় টনের স্প্লিট এসির জন্য ৪৫ হাজার টাকা বাজেট রাখতে হবে! তবে, দেড় টনের স্প্লিট এসি ৩৫ হাজারেও পাবেন।

পোর্টেবল এসি নিতে চাইলে, ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা ১ টন পোর্টেবল এসির দাম পড়বে। ওয়াইফাই কানেকশন এনাবলড এয়ার কন্ডিশনারের দাম স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি হয়ে থাকে। ৪০ হাজার টাকার কিছু বেশি পড়বে এক টনের ওয়াইফাই এনাবেলড এসির দাম!

√ আপনার ছোট ঘরটিকে ঠাণ্ডা রাখতে মিনি এয়ার কুলারও কিনতে পারেন। বাজেট রাখুন ৩ হাজার টাকার মতো। তবে মনে রাখবেন, যেই এসি বা এয়ার কুলারই কিনুন না কেন, ভালো করে যাচাই করে নিন, সেই নির্দিষ্ট শীতাতপ যন্ত্রটি বিদ্যুতের সাশ্রয় করতে কতটা সক্ষম!

অদ্ভুতুড়ে 1:36 AM

Was-shown-at-the-Cannes-Film-Festival-ayanabaji-'অমিতাভ রেজা পরিচালিত ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হল ৬৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে। ১৭ মে মার্কোদা ফিল্মের গ্রে থ্রি হলে ‘আয়নাবাজি’ প্রদর্শিত হচ্ছে।কনটেন্ট ম্যাটারস লিঃ প্রযোজিত এবং হাফ স্টপ ডাউন লিঃ নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’ নিয়ে ৬৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিয়েছেন পরিচালক অমিতাভ রেজা এবং কনটেন্ট ম্যাটারস এর পক্ষে চলচ্চিত্রটির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল ও গাউসুল আলম শাওন।


জানা যায়, ১৭ মে মার্কোদা ফিল্মের গ্রে থ্রি হলে ‘আয়নাবাজি’র প্রদর্শনী দেখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট, যুক্তরাজ্য, ভারত, রোমানিয়া, তুরষ্কসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের দর্শক আসছে।আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র বাছাই করতে এবং বাণিজ্যকরণের লক্ষে বিভিন্ন দেশের নির্মাতা, প্রযোজক ও বিনিয়োগকারী এই প্রদর্শনীতে আসেন।

‘আয়নাবাজি’ ইতোমধ্যেই কান থেকে কানাডা, ইরান ও কায়রো চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছে।পরিচালক অমিতাভ রেজা বলেছেন,‘চলচ্চিত্র নির্মাণ একটি দলবদ্ধ উদ্যোগ এবং আগত দর্শকদের ভালোলাগা দেখে বলতেই পারি, আমাদের দলটি অসাধারণ কাজ করেছে।’টপ অফ মাইন্ড- এর সিইও এবং চলচ্চিত্রটির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল বলেছেন, ‘চলচ্চিত্রটি সকল দর্শকদের ভীষন ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছে; যার ছাপ দেখতে পাচ্ছি প্রদর্শনে আশা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের চেহারায়। এটি একেবারেই ভিন্নধর্মী এবং প্রাণবন্ত চলচ্চিত্র।’

গাওসুল আলম শাওন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের দর্শকবৃন্দ এই চলচ্চিত্রটির জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আমার বিশ্বাস, কান চলচ্চিত্র উৎসবের এই সাফল্য তাদের আগ্রহকে আরও দ্বিগুন করে দিবে।’

আয়নাবাজি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা, লুৎফর রহমান জর্জ, হিরা চৌধুরী, শওকত ওসমান, গাওসুল আলম শাওনসহ আরও অনেকে। চলচিচ্চত্রটির মুল ভাবনা গাওসুল আলম শাওনের; চিত্রনাট্যও তিনি রচনা করেছেন, অনম বিশ্বাসের সঙ্গে যৌথভাবে। নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন এশা ইউসুফ। ‘আয়নাবাজি’ পরিচালনা করেছেন পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা।

অদ্ভুতুড়ে 2:52 AM

একটা লোক বসে আছে কমোডের উপর। মুখটা দেখা যাচ্ছে না। বাম হাতটা নেতিয়ে পড়া। পায়ের কাছে একটা রিভলভার পড়ে আছে মেঝের উপর। রিভলভারের পাশেই মেঝের অল্প অংশ জুড়ে লাল রক্ত। রক্তের স্বচ্ছ আবরণের নিচে মেঝের মোজাইকটা স্পষ্ট হয়ে আছে। গুলিটা নিশ্চয়ই মাথায় লেগেছে, আর হাতটা দেখে বোঝা যাচ্ছে রিভলভারটা ওখানেই ছিল। আত্মহত্যা।
রামিন বাহরানির ইকোনমিক থ্রিলার(Economic Thriller) ’99 হোমস’


এই দৃশ্যটাই দুয়েক সেকেন্ড দেখিয়ে ক্যামেরা উপরে উঠতে শুরু করে। বাথরুমের আয়না, বেসিন আর টুথব্রাশের সারি দেখতে দেখতে ক্যামেরাটা বামে সরে এসে আটকে যায় মধ্যবয়স্ক এক লোকের মুখে। কমোডে বসে থাকা লাশের দিকে তাকিয়ে আছে সে। স্বাভাবিকভাবেই চোখে বিস্ময়। চেহারায় আতঙ্কের চিহ্ন নেই, বিরক্তি আছে হয়তো।

এভাবেই শুরু পরিচালক রামিন বাহরানি’র নতুন ছবি ‘নাইন্টি নাইন হোমস’। মনে হয় মার্ডার-মিস্ট্রি জাতের কোনও ছবি শুরু হলো। আসলে তা না। হালকা পাতলা খুনখারাবি থাকলেও “নাইন্টি নাইন হোমস” এর কাহিনীটা রিয়েল এস্টেট নিয়ে।অবশ্য রিয়েল এস্টেট শুনলে যেমন কাঠখোট্টা কোট-প্যান্ট পড়া একদল লোকের টাকা-পয়সার কারবারের কথা মনে হয়, ওরকম কিছু নেই এখানে। যা আছে তা একদম পরিচিত—বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে থাকা আমাদের কাছে।



যা বোঝা যাচ্ছে, তাতে পরিচালক বাহরানি তার প্রতিটা চলচ্চিত্রে আমেরিকার না-দেখা সব অংশ দেখানোকে নিজেই নিজের কর্তব্য বানিয়ে ফেলেছেন।১৯৫০ এর দিকে ইতালীয় নির্মাতারা তাদের ছবিতে শাসিতদের বিবর্ণ জীবন দেখানোর যে রেওয়াজ শুরু করেছিলেন (সবাই সেই ধারাকে বলে ‘নিও-রিয়েলিজম’), তা বাংলার সত্যজিৎ রায়ের হাত ঘুরে ব্রাজিল, ইরান পার করে এতদিনে এসেছে আমেরিকায়।

এ ধারার ছবি হলিউডে আগেও নাকি ছিল, কিন্তু এই শতকেই কিছু নির্মাতা যেন আয়োজন করে ব্যাপারটাকে সবার দৃষ্টিগোচর করা শুরু করেছেন। মধ্যবিত্ত ক’জন মানুষের দিনকে দিন কষ্ট পাওয়াই বলতে গেলে ‘নিও-রিয়েলিজম’ এর কাঠামো। তাই বলে এই কষ্টের সাথে ডিপ্রেশন মেলানোর দরকার নেই, ওটা যার যার ব্যাপার। আর ‘নাইন্টি নাইন হোমস’ প্রথম ত্রিশ মিনিটের মধ্যেই সেই কাঠামোতে কিছু রঙচঙ মেরে দেয়।

ছবির মূল চরিত্র দু’জন হলো রিয়েল এস্টেট দালাল রিক কার্ভার ও নির্মাণ শ্রমিক ডেনিস ন্যাশ। যারা বাড়ি বন্ধক রেখে ব্যাংক লোন নিয়ে সময়মতো পরিশোধ করতে পারে না, তাদেরকে উচ্ছেদ করাই রিক কার্ভারের কাজ। সে রোজ সকালে দুই তিনজন পুলিশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের ভদ্র ভাষায় বেরিয়ে যেতে বলে।

এরকমই এক সকালে সে পৌঁছে ডেনিসের বাসায়। দশ-বারো বছরের ছেলে ও নিজের মা’কে নিয়ে ডেনিস এই বাড়িটাতে থাকত। প্রথমে টাকার অভাবে লোন নিয়ে পরে চাকরির অভাবে তা চুকাতে না পারায় পৈতৃক বাড়িটা হাতছাড়া হয়ে যায় তার। সামান্য কিছু আসবাব আর মা ও ছেলেকে নিয়ে এক মোটেলে গিয়ে ওঠে সে।

কাজের সন্ধানে বেরোনো ডেনিস ঘটনাচক্রে পরদিনই রিকের দেখা পেয়ে যায়। রিক তাকে কিছু কাজের সুযোগ করে দেয়। নিরুপায় ডেনিস রিকের সাথে ঘুরে ঘুরে প্রথম কয়েকদিন প্লাম্বার আর ইলেক্ট্রিশিয়ান এর কাজ করতে থাকে। ধীরে ধীরে রিকের ব্যবসায়িক ডেরার আরো ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। আইনের ফাঁক কেটে রিকের উপরি কামাই থেকে ভাগও পেতে শুরু করে। একসময় দেখা যায় রিকের অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে ডেনিস, একেবারে ডান হাত। অল্প দিনের মাঝেই ভালো শার্ট-প্যান্ট পরে ডেনিসও ঘুরতে থাকে বাড়ি বাড়ি, শুরু হয় উচ্ছেদ।

লেখায় যতটা বুজরুকি শোনাচ্ছে, দেখতে ততটাই চমকপ্রদ লাগে ব্যাপারটা। ডেনিসের ভাগ্যের এই উপর-নিচ আর এপাশে-ওপাশ দেখিয়েই গল্পের শুরুর ভাগ এগিয়ে যেতে থাকে। আর প্রায় সবসময় চলতে থাকা “দুম-দুম-দুম-দুম” আবহ সঙ্গীত সেই মুহূর্তগুলিকে ঝরঝরে করে। দখলের সময় বেচারা বাড়িওয়ালাদের দিশাহারা অসহায় অবস্থা দেখে ডেনিস বিব্রত হয় ঠিকই—আর এই কারণেই বোধহয় রিকের আশ্রয়ে থেকেও পুরোপুরি রিক হতে পারে না সে।

অন্যদিকে রিক অবশ্য নিজের ঠাণ্ডা উদাসীন চরিত্রকে মেনে নিতে বলে অতীতের কথা শুনিয়ে। কাউকে গৃহহীন করার কোনও ইচ্ছা তার ছিল না, ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ই নাকি তার কাজের ধরন উল্টে দিয়েছে—আগে মানুষকে বাড়ি বুঝিয়ে দিত, এখন বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া লাগে। আমেরিকাকে দোষও দেয়, আবার নিজের জমজমাট অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য সব মেনেও নিতে হয়। যেন দেশের সাথে বাল্যপ্রেম চলছে।
অভিনেতা মাইকেল শ্যানন তার কথা বলার ধরন দিয়েই সব গুছিয়ে নেন সবসময়। এখানেও যতবার বড় সাইজের সংলাপ ঝাড়ার সুযোগ এসেছে ততবারই মনোযোগ কেড়েছেন। বিশেষ করে আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের বিখ্যাত অংশটুকু এমন দাঁত কিড়মিড়ে বলেছেন যে কোটেশন হিসেবে সাথে সাথে টুকে রাখার ইচ্ছা হয়।

রিক কার্ভারের কর্মব্যস্ততা দিয়ে ঢেকে রাখা অমানুষিক অংশটা ঘৃণার আক্রমণ থেকে বেঁচে যায় শ্যাননের ব্যক্তিত্বের চোটেই। “অ্যান্ড্রু গারফিল্ড” তার ডেনিস ন্যাশকে বরাবরই দ্বিধায় রেখেছেন। কিন্তু দেখার মতো ব্যাপার ছিল মাত্র ত্রিশ বছরের এই অভিনেতা—যিনি কিনা ক’দিন আগেই কলেজপড়ুয়া স্পাইডারম্যান সেজেছিলেন—কত সহজেই একজন বাবার চরিত্রে মানিয়ে গেছেন।
রামিন বাহরানি তার পরিচালনার শুরুর সময়ে বিখ্যাত সমালোচক রজার ইবার্ট এর প্রশংসা পেয়েছিলেন। তাদের মাঝে বেশ ভালো বন্ধুত্বও হয়েছিল। ২০১৩ সালে ইবার্ট মারা যান। তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকেই নতুন এই ছবি ইবার্টকে উৎসর্গ করেছেন রামিন। সেই থেকে মনে পড়লো, ইবার্ট সাহেব তার এক লেখায় সাহসিকতার দুইটা ক্ষেত্র নিয়ে আলাপ করেছিলেন। একজন মানুষের নিজের জায়গা থেকে সব সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়ে সর্বোচ্চটুকু করা আর নিজের চারপাশের বাধাগুলিকে অন্যায় ভেবে তা দূর করার চেষ্টা— এই দুই ব্যাপারে দুইরকম সাহসিকতার সুযোগ আসে।

আর তাই এখানে মুখ্য প্রশ্নটা সঠিক ক্ষেত্র বাছাইয়ের। এই ছবিটি থেকেও নিও-রিয়েলিজম, অর্থনৈতিক বিপর্যয়, ব্যাংকের চালবাজি—এসব সাজগোছ সরিয়ে নিলে ঐ প্রশ্নটাই থেকে যায়।কিছু চরিত্রে পেশাদার অভিনেতাদের বদলে সত্যিকার সাধারণ মানুষ দিয়ে অভিনয় করিয়ে নেওয়া নিও-রিয়েলিজমের একটা বৈশিষ্ট্য বলা যায়। এখানেও কয়েকজনকে তাদের বাস্তব জীবনের পেশায় অভিনয় করতে দেখা গেছে—যেমন পুলিশের চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছেন, তিনি বাস্তবেও পুলিশ হিসেবে বহু মানুষকে বাড়ি থেকে উৎখাত করবার সাক্ষী।

বাড়ির কাজ সারতে বাহরানি নিজেও ২০১২ সালের দিকে ফ্লোরিডায় গিয়ে এরকম ঘটনা ঘটতে দেখে এসেছেন। যদিও তিনি সরাসরি কাউকে প্রতিহত করতে চান না—তার কাছে রিক কার্ভারের অমানবিক দৃঢ়তা আর ডেনিসের আবেগ—দুই দিকেই সমান উপযোগিতা আছে। তিনি কখনো ছবিতে কাউকে দোষের ভারে নির্দিষ্টও করেন না, তাই কার্ভারের মাঝে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছায়া থাকলেও নির্দ্বিধায় এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে এই ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে দিয়েছেন।

অদ্ভুতুড়ে 11:44 PM

গত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে বলিউডে বেশ কয়েকটি ছবি ঘিরে দর্শকদের মনে জল্পনা তৈরি হয়েছে। শুধু জল্পনাই নয়, ছবিগুলিকে ঘিরে চূড়ান্ত প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। একদিকে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের রইস। অন্যদিকে সালমান খানের সুলতান। 

 সালমান খান কেন 'সুলতান' ছবিটি করতে রাজি হয়েছিলেন?
প্রধানত এই ছবিদুটিকে ঘিরেই এখন আমাদের প্রত্যাশার পারদ তুঙ্গে। মনে নানা প্রশ্ন। কেমন হবে ছবিটা। গল্পটাই বা কেমন। এই জাতীয় আর কী। কিন্তু এটা কি জানেন সালমান খান কেন সুলতান ছবিটি করতে রাজি হয়েছিলেন?

সালমান খান অনুষ্কা শর্মা অভিনীত সুলতান ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই দর্শকদের কাছে হিট হয়ে গিয়েছে। ছবিটিকে ঘিরে আলোচনা এখন মুখে মুখে। কিন্তু এত বয়সে সুলতানের ওরকম একটা কুস্তিগীরের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য সালমান খান কেন রাজি হয়েছিলেন এটা কি জানেন?

সালমান খান সবসময় শিখতে পছন্দ করেন। তাঁর কাছে অভিনয় করার সময় ছোট বড় সকলের কাছ থেকেই কিছু না কিছু তিনি শেখেন। এই ছবিতে অভিনয় করার জন্য তাঁকে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে। কুস্তিগীরের চরিত্রে অভিনয় করা খুব কঠিন। কিন্তু শিখতে গিয়ে কষ্ট করাটাকেই তিনি এনজয় করছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, শেখার সময় যদি কষ্ট না পাওয়া যায়, তাহলে শীর্ষে পৌঁছনো যায় না। সুলতান ছবিতে তাঁর চরিত্রটাও খুব কঠিন। পর্দায় সেটা ফুটিয়ে তোলার জন্য তাঁকে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে। পরিশ্রম করতে হয়েছে। আর এই সব করার জন্যই তিনি এই ছবিটি করতে রাজি হয়েছিলেন।

অদ্ভুতুড়ে 10:06 PM

 

গরুর সেই একই রকম মাংস ভুনা আর কতদিন খেতে ভালো লাগে? কোরবানির ঈদে তাই গরুর মাংস দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন নতুন কোনো আইটেম। ঈদের দিন সবাই খাবার টেবিলে চায় নতুন নতুন ও ভিন্ন স্বাদের সব খাবার আইটেম। এই কোরবানিরর ঈদে আপনি তৈরি করতে পারবেন গরুর মাংসের নতুন ৮টি পদ।


গার্লিক বিফ: যারা গরুর মাংস ঝাল করে খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য গার্লিক বিফের তুলনা হয় না। ঈদের দিন ঘরেই পাবেন রেস্তোরার গার্লিক বিফের মজাদার স্বাদ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা আধা চা চামচ, রসুনের কোয়া ৪/৫টি, ধনে ও জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, টেস্টিং সল্ট সামান্য, তেল আধা কাপ, মাংসের মসলা আধা চা চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, টক দই ১ কাপ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে কেটে নিন। একটি পাত্রে মাংস, হলুদ, মরিচ, টক দই, আদা, রসুন, লবণ , ধনে, জিরা গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট ভালো করে মিশিয়ে ২০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে।

কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে টমেটোসস, কাঁচামরিচ ফালি ও রসুনের কোয়া দিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

গরুর মেজবানি মাংস: বিয়ের অনুষ্ঠানে বা রেস্টুরেন্টে গেলে খেতে পারেন গরুর মেজবানি মাংস। কিন্তু চাইলে এইে ঈদে আপনিও ঘরে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ও ঐতিহাসিক গরুর মেজবানি মাংস।

প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর মাংস ২ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ১ কাপ, মাংসের মসলা ১ চা চামচ, টক দই ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১০/১২টি, গোলমরিচ ১ চা চামচ, দারচিনি ও এলাচ ৫/৬টি, জয়ফল ও জয়ত্রী আধা চা চামচ, মেথি গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে মাংস, তেল, টক দই, হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, লবণ ও সব মসলা নিয়ে মেরিনেট করে রাখুন। অর্ধেক পেঁয়াজ তেলে ভেজে বেরেস্তা করে নিন।

চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে মেরিনেট করা মাংস কষাতে থাকুন। হাঁড়িতে ২ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ কষাতে হবে। মাংস থেকে পানি ঝরে গেলে মৃদু আঁচে মাংস সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

মাংসের পানি শুকিয়ে এলে কাঁচামরিচ, ধনে, জিরা গুঁড়া দিয়ে মৃদু আঁচে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু গরুর মেজবানি মাংস।

কাটা মসলায় বিফ ভুনা: ঈদের দিন খিচুরী বা পোলাও দিয়ে গরুর মাংস ভুনা খাওয়ার কথা চিন্তা করলেই জিভে পানি এসে যায়। আর এই ভুনা মাংস যদি হয় কাটা মসলার ভুনা তাহলে তো কথাই নেই। ঈদের আনন্দ হয়ে যাবে দ্বিগুণ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চাচমচ, রসুন বাটা আধা টেবিল চামচ, জয়ফল ও জয়ত্রী আধা টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া সামান্য, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা ১/২ টি, শুকনো মরিচ কাটা ১৫/২০টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, টক দই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: টক দই দিয়ে মাংস আধা ঘণ্টা ভালো করে মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে। চুলায় তেল গরম হলে মাংস ছেড়ে দিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে। ভাজা হলে পেঁয়াজ কুচি ও শুকনো মরিচ দিতে হবে। এবার সব মসলা মাংসে দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে।

কষানো হলে একটু পানি দিয়ে দমে বসিয়ে রাখতে হবে। মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন কাটা মসলায় বিফ ভুনা।

গরুর কড়াই গোস্ত: কাশ্মীরি পোলাও এর সঙ্গে সব থেকে বেস্ট যে আইটেমটি যায় তাহলো গরুর কড়াই গোস্ত।
প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, রসুন কোয়া ২/৩টি, মাংসের মসলা ১ চা চামচ, দারচিনি ও এলাচ ৩/৪ টুকরো, জয়ফল ও জয়ত্রী বাটা ১ চা চামচ, টক দই ১ কাপ, টমেটো কিউব ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, তেল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে একটি পাত্রে মাংস, টক দই, লবণ ও সব মসলা একসঙ্গে ভালো করে মেখে ২০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা হালকা বাদামী করে ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। ৪ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে।
মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ও মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে রাখতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, টমেটো কিউব হালকা বাদামী করে ভেজে মাংস কড়াইএ দিয়ে ২/৩মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে যাবে গরুর কড়াই গোস্ত।

আলু বোখারায় টক ঝাল গরুর মাংস:  কোরবানির ঈদ মানেই ঈদের দিন খাবার টেবিলে থাকতে হবে গরুর মাংসের হরেক রকম পদ। তাই খাবার টেবিলে আইটেমে চমক ও নতুনত্ব আনতে তৈরি করুন আলু বোখারায় টক ঝাল গরুর মাংস।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই ১কাপ, লেবুর রস ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ টালা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪/৫ টি, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আলু বোখারা ১০/১২টি, কিসমিস বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৪/৫টি, ঘি ৩/৪ কাপ, জয়ফল ও জয়ত্রী বাটা আধা চা চামচ।


 
প্রস্তুত প্রণালী: পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে আদা, রসুন, পেঁয়াজ বাটা, লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস ঢেলে আবার কষাতে হবে। দই, হলুদ,মরিচ, গোলমরিচ ও সামান্য গরম পানি দিয়ে আবার কষাতে হবে। বাদাম ও কিসিমিস বাটা ও অর্ধেক আলু বোখারা বাটা(বিচি ফেলে) ও বাকি অর্ধেক আলু বোখারা আস্ত ছিটিয়ে ৫ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন নতুন এই মজাদার আইটেমটি।

গরুর মাথার মাংস ভুনা: অনেকেই আছেন গরুর মাংস থেকে গরুর মাথার মাংস খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে যেমন তেমন করে রান্না করলে কেউ তেমন একটা পছন্দ করবে না এই খাবারটি। তাই নতুন রেসিপি দিয়ে এবার রান্না করেই দেখুন গরুর মাথার মংস ভুনা।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাথার মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ।


 
প্রস্তুত প্রণালী: তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে হলুদ গুঁড়া, তেজপাতা, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো দিয়ে কষাতে হবে। তারপর পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। গরম মসলা গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।

লেবু পাতা দিয়ে গরুর মাংস : ঈদের দিন পোলাও, খিচুরী ছাড়াও অনেক বাসাতেই মাংসের টেবিলে পরোটা বা চালের রুটি থাকে। তারা এবার কোরবানির ঈদে চালের রুটি বা পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন বিফের এক নতুন কারি। লেবুপাতা দিয়ে রান্না করলে ভিন্নস্বাদ আসবেই গরুর মাংসে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া  আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গরম মসলা কয়েকটি, টক দই ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ আধা চা চামচ, লেবু পাতা ৭/১০ টি।

 
 
প্রস্তুত প্রণালী: তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে গরম মসলা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, আদা ও রসুন বাটা, জিরা ও ধনে, টক দই দিয়ে ভালো করে কষান। মাংস ঢেলে ভালোভাবে ভুনা করুন। পরিমাণমতো পানি দিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে লেবুপাতা ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। চালের রুটি বা গরম পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন লেবু পাতার গরুর মাংস।
গরুর কালা ভুনা: গরুর মাংসের এই মজার খাবারটি সম্পর্কে অনেকেই জানেন। তবে এর আসল রেসিপি জানেন না অনেকেই। ঐতিহাসিক এই লোভনীয় খাবারটি এই ঈদে আপনার খাবারের মেনুতে নিয়ে আসতে পারে টুইস্ট।
প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর মাংস দেড় কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা টেবিল চামচ, এলাচ, দারচিনি , তেজপাতা কয়েকটি, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ।
প্রস্তুত প্রণালী: গরুর মাংসের সঙ্গে সব উপকরণ এক সঙ্গে মেখে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে লোহার কড়াই এ সরিষার তেলে হালকা আঁচে মাংস কালো করে ভেজে তুলে নিন।

অদ্ভুতুড়ে 7:24 AM

কাঠফাটা এই গরমে প্রাণ জুড়ানো জন্য লেবু পানি বা লেবুর সরবত পান করা হয়ে থাকে। লেমোনেড তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি গরম কমাতেও সাহায্য করে। কত আর একঘেয়ে লেবু পানি খেতে ভাল লাগে বলুন? একটু ভিন্নভাবে এই লেবু পানি তৈরি করা গেলে দারুণ হয়, তাই না? বাজারে স্ট্রবেরি ফলটি খুব বেশি দেখা যাচ্ছে আজকাল। এই ফলটি দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন মজাদার স্ট্রবেরি লেমোনেড। ভিন্ন স্বাদের এই পানীয়টি প্রাণ জুড়াবে ছোট বড় সবার।


উপকরণ:
৩/৪ কাপ লেবুর রস( প্রায় ৬টি লেবু)
২/৩ কাপ চিনি
২ কাপ স্ট্রবেরি
৪ কাপ স্পার্কিং ওয়াটার অথবা ঠান্ডা পানি

প্রণালী:
১। লেবুর রস এবং চিনি একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। চিনি না গলা পর্যন্ত মিশিয়ে নিন।
২। এবার ব্লেন্ডারে স্ট্রবেরিগুলো দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে স্ট্রবেরিগুলো ছেঁকে পিউরি আলদা করে নিন।
৩। তারপর লেবুর রস এবং স্ট্রবেরির পিউরি মিশিয়ে নিন।
৪। এর সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি বা স্পার্কলিং ওয়াটার মেশান।
৫। ব্যস তৈরি হয়ে গেল স্ট্রবেরি লেমোনেড।
৬। বরফ কুচি, লেবুর টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার স্ট্রবেরি লেমোনেড

ইউটিউব চ্যানেল: Home Cooking Adventure

পুরো রেসিপিটি দেখে নিন ভিডিওতে

অদ্ভুতুড়ে 6:25 AM

 

ঢাকার খাবারদাবারের ঐতিহ্য আর ইতিহাস বহু পুরনো। এখনও সেই খাবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরনো ঢাকা। ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী পুরান ঢাকা। প্যারিসের পারি আর বাংলার পুরান ঢাকার মধ্যে রয়েছে বেশ সখ্য। পারি যেমন একদিকে পুরনো ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, অন্যদিকে রসনা বিলাসে পরিপূর্ণ শহরটি। তার রাস্তার দু’ধারেই গড়ে উঠেছে সারি সারি খাবারের দোকান। এর সুবাস পাওয়া যায় এক কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে। সন্ধ্যা নামলেই চালু হয় দোকানগুলো। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলে এসব রেস্তোরাঁ। এ যেন এক রাতের নগরী। পুরো নগরী হয়ে ওঠে কর্মচঞ্চল। ঠিক একই রকম সুখ্যাতি আছে পুরান ঢাকার। পুরান ঢাকা মানেই জিভে জল এসে যাওয়ার মতো সব খাবার-দাবার। পূর্ণ স্বাদের এমন তৃপ্তি খুঁজে পাওয়া ভার। খাবারের এ সমারোহে কোনোটিই যেন কম নয় কোনোটি থেকে।


ঐতিহাসিকেরা বলছেন, ৪০০ বছর আগে ঢাকা যখন প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তারও আগে ঢাকায় জনবসতি ছিল। তাদের খাদ্যতালিকা, রন্ধনপ্রণালি ছিল এক রকম। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার আদি খাবারে অন্য সব সংস্কৃতির প্রভাব পড়ে। বহু বিবর্তনের পর খাবারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজনে নতুন ধারার খাবারদাবার আত্মপ্রকাশ করে। ঢাকাই খাবার বলে যে খাবারটা প্রচলিত, সেটা মূলত মোগলাই খাবার। তবে এর রকমভেদ আছে। পারস্যের খাদ্যরীতির সঙ্গে ঢাকার খাদ্যরীতির মিশেল ঘটেছে। রান্নার ঢঙে পরিবর্তন এসেছে। পারস্যের রান্নায় যে মসলা ব্যবহূত হয়, তার পরিবর্তে দেশীয় মসলা যুক্ত হয়েছে। কালক্রমে তৈরি হয়েছে নতুন এক ধারার খাবার। এটাই ঢাকাই খাবার।

ঢাকার জনপ্রিয় কিছু খাবার ও প্রাপ্তি স্থান:

কাচ্চি বিরিয়ানি
কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, উর্দু রোড, বংশাল, সিদ্দিক বাজার, চকবাজার, নবাবপুর, ইসলামপুর, ওয়ারী, মালিটোলা ও মৌলভীবাজার এলাকায় কাচ্চি বিরিয়ানির দোকান আছে। মান ও স্বাদের জন্য বিখ্যাত কাজী আলাউদ্দিন রোডের হাজির বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি। মৌলভীবাজার রোডের নান্না বিরিয়ানি, কলকাতা বিরিয়ানি, উর্দু রোডের রয়েল বিরিয়ানি, নারিন্দায় ঝুনার কাচ্চি বিরিয়ানি, মালিটোলার ভুলু বিরিয়ানি, নবাবপুর স্টার হোটেলের কাচ্চি বিরিয়ানি, সুরিটোলার রহিম বিরিয়ানি এবং নাজিমুদ্দিন রোডের মামুন বিরিয়ানির সুনাম আছে।

তেহারি
রয়েল রেস্টুরেন্ট, হাজির বিরিয়ানি, নান্না মিয়ার বিরিয়ানি, ফকরুদ্দিন বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, তৃপ্তি বিরিয়ানি ও তেহারি ঘরে ভালো তেহারি পাওয়া যায়।

শাহী মোরগ পোলাও
লালবাগ চৌরাস্তা, নাজিমুদ্দিন রোড ও নান্না মিয়ার বিরিয়ানির দোকানে ভালো শাহী মোরগ পোলাও পাওয়া যায়।

লাবাং
পুরান ঢাকার লালবাগ, চকবাজার, নাজিমুদ্দিন রোডে ভালো লাবাং পাওয়া যায়। এ ছাড়া লালবাগের রয়েল হোটেলে এবং বিরিয়ানি ও কাবাবের দোকানে লাবাং পাওয়া যায়।

বাখরখানি
জিঞ্জিরার বরিশুর, ঢাকার লালবাগ, নাজিমুদ্দিন রোড, চানখাঁরপুল, জিন্দাবাহার, কসাইটুলি, নাজিরাবাজার, নবাববাড়ি, আওলাদ হোসেন লেন, নবরায় লেন ও সূত্রাপুরে বাখরখানির দোকান ও কারখানা আছে।

সুতি কাবাব
চকবাজার, লালবাগ, নবাবপুর, জনসন রোড এলাকায় সুতি কাবাব পাওয়া যায়।

বিউটি লাচ্ছি
রায়সাহেব বাজার ও জনসন রোড।

মাঠা
শাঁখারিবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাড়াও ইসলামপুর, লক্ষ্মীবাজার, একরামপুর, নবাবপুর, চকবাজার, লালবাগ উর্দু রোড, আমলিগোলা, ওয়ারী, কায়েতটুলি, নাজিরাবাজার, নারিন্দা, চানখাঁরপুলে মাঠা পাওয়া যায়।

জাফরান মিষ্টি
মদিনা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, লালবাগ রোড।

নবাববাড়ির সাঁচি পান
নবাববাড়ি গেট, ইসলামপুর

পুরি
কসাইটুলি, নাজিমুদ্দিন রোড, লালবাগ শিকসাবাজার, জিন্দাবাহার, বাদামতলী কায়েতটুলি, পাকিস্তান মাঠ, নবাবপুর, বকশিবাজারে খাতা পুরি পাওয়া যায়। পুরান ঢাকার ফুটপাতের ছোট ও মাঝারি হোটেলগুলোতে আলুপুরি, ডালপুরি ও কিমা পুরি পাওয়া যায়।

দই-চিঁড়া
মানিক সুইটমিট, জনসন রোড।

• হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি, মোরগ পোলাও।
• লালবাগ রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান-বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা আর সেরা লাবান, কাশ্মীরী নান।
• নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসির লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা।
• নবাবপুর আরজু হোটেল এর মোরগ পোলাও, নাশতা আর কাচ্চি।
• নারিন্দার ঝুনু বিরিয়ানি।
• নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানি।
• নাজিমুদ্দিন রোডের হোটেল নিরবের অনেক ধরনের ভর্তা।
• নাজিরা বাজারের হাজি বিরিয়ানি এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানি।
• বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ি, কাটারী পোলাও।
• নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার।
• বেচারাম দেউরীতে অবস্থিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও।
• ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি, লেগ রোস্ট আর ফালুদা।
• ঠাটারী বাজারের গ্রিন সুইটস এর আমিত্তি, জিলাপি।
• রায় সাহেব বাজারের গলিতে মাখন মিয়ার পোলাও।
• সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার খাসির বিরিয়ানি।
• গেন্ডারিয়ার রহমানিয়া এর কাবাব।
• কলতাবাজারের নাসির হোটেলের বিখ্যাত গরুর মাংস আর পরাটা।
• ভিক্টোরিয়া পার্কের সুলতান ভাইয়ের চা ১।
• দয়াগঞ্জের সিটি বিরিয়ানি ও কাচ্চি।
• নারিন্দার সফর বিরিয়ানি।
• আরমানিটোলা তারা মসজিদের পাশে জুম্মন মামার চটপটি।
• সিদ্দিক বাজারের মাজাহার সুইটস।
• সুত্রাপুর ডালপট্টির বুদ্ধুর পুরি।
• আবুল হাসনাত রোড এর কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• রায় সাহেব বাজারের বিউটি লাচ্ছি আর চকবাজারের নুরানী শরবত।
• গেন্ডারিয়ার সোনা মিয়ার দই।
• লালবাগ মোড় এর মীরা মিয়ার চিকেন ফ্রাই আর গরুর শিক।
• লালবাগ চৌরাস্তার খেতাপুরি।
• মতিঝিল শাপলা চত্বর হিরাঝিলের চা।
• নাজিরা বাজারের ডালরুটি।
• গেন্ডারিয়া ভাটিখানার হাসেম বাঙ্গালির ডালপুরি।
• রায়সাহেব বাজারের আল ইসলামের মোরগ পোলাও, চিকেন টিক্কা।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত কাফে কর্নার এর কাকলেট ও চপ।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত চৌরঙ্গী হোটেলের পরাটা, ডাল।
• রায়সাহেব বাজারে কাফে ইউসুফের নান ও চিকেন টিক্কা।
• নবাব পুরের মরণ চাঁদ মিষ্টির দোকানের ভাজি-পরোটা, মিষ্টি ও টক দই।
• লক্ষীবাজার এর মাসহুর সুইটমিট এর লুচি, ভাজি আর ডাল।
• লালবাগের পাক-পাঞ্জাতন এর মজার তেহারি।
• দয়াগঞ্জ এর ঢাকা কাবাব।
• ওয়াইজ ঘাটের নানা রেঁস্তোরা।
• শাখারী বাজারের অমূল্য সুইটস এর পরোটা-ভাজি।
• তাতিবাজারের কাশ্মীর এর কাচ্চি।
• নারিন্দায় সৌরভ এর মাঠা আর ছানা।
• আবুল হাসনাত রোডের কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• আবুল হাসনাত রোডের দয়াল সুইটস এর মিষ্টি।
• নারিন্দায় অবস্থিত রাসেল হোটেলের নাশতা।
• ঠাটারী বাজারের বটতলার কাবাব।
• টিপু সুলতান রোডে অবস্থিত হোটেল খান এর টাকি মাছের পুরি।
• লক্ষীবাজার পাতলাখান লেনের লুচি-ভাজি।
• বেচারাম দেউড়িতে হাজী ইমাম এর বিরিয়ানি।

বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ঢাকাবাসীর কাছে প্রিয় ঢাকাই খাবার। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকাই খাবারের সুখ্যাতি। এখনো রোজার মাসজুড়ে পুরান ঢাকার চকবাজারে চলে ঢাকাই খাবারের বেচাকেনা। চকবাজার ও এর আশপাশের এলাকা বাহারি খাবারের সুবাসে এখন ম-ম করছে। কয়েক শ বছরের পুরনো চকবাজারে এখনো বিরিয়ানি, মুরগি মোসাল্লাম, বিভিন্ন জাতের কাবাবের পাশাপাশি শরবত বিক্রি হয়।

অদ্ভুতুড়ে 5:15 AM
 
 
রাইস ডিশ ছাড়া আসলে বাঙালির চলেই না। সাদা ভা থেকে শুরু করে পোলাও, বিরিয়ানি, ফ্রাইড রাইস ইত্যাদি কত কিছুই না খেয়ে থাকি আমরা। চলুন, আজ  আফরোজা নাজনীন সুমির হেঁসেল থেকে জেনে নিই ভিন্নধর্মী একটি রাইস ডিশের রেসিপি "জাপানি রাইস"।
 
উপকরণ:
আধা সিদ্ধ ভাত: ৪ কাপ
মুরগির মাংস: ১ কাপ
রসুন কুচি: ১ চা চামচ
তেল: ২ টে: চামচ
সাদা গোলমরিচ গুঁড়া: ১ টে: চামচ
লবণ: স্বাদমত
টমেটো চিলিসস: ৪ টে: চামচ
সিদ্ধ গাজর: ১টা
ডিম: ২টা
আদা বাটা : আধা চা চামচ
সয়াসস : আধা চা চামচ
প্রনালী: 
  • -প্রথমেই মাংস লবন, গোলমরিচ দিয়ে ম্যারিনেট করে নিন। 
  • -এরপর গরম তেলে রসুন কুচি ভেজে তাতে মুরগীর মাংস ভেজে সিদ্ধ ভাত ও গাজর দিয়ে দিন।
  • -ভাল করে নেড়ে ভেজে এতে সস আর গরম মসলা গুঁড়া ও লবন দিন। 
  • -উপরে ডিম ভাজা দিয়ে পরিবেশন করুন হট টমেটো সস দিয়ে মজাদার জাপানি রাইস।

অদ্ভুতুড়ে 1:03 AM

ফিচার, নাওমি তানজিনঃ ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী পুরান ঢাকা। প্যারিসের পারি আর বাংলার পুরান ঢাকার মধ্যে রয়েছে বেশ সখ্য। পারি যেমন একদিকে পুরনো ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, অন্যদিকে রসনা বিলাসে পরিপূর্ণ শহরটি। তার রাস্তার দু’ধারেই গড়ে উঠেছে সারি সারি খাবারের দোকান। এর সুবাস পাওয়া যায় এক কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে। সন্ধ্যা নামলেই চালু হয় দোকানগুলো। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলে এসব রেস্তোরাঁ। এ যেন এক রাতের নগরী। পুরো নগরী হয়ে ওঠে কর্মচঞ্চল। ঠিক একই রকম সুখ্যাতি আছে পুরান ঢাকার। পুরান ঢাকা মানেই জিভে জল এসে যাওয়ার মতো সব খাবার-দাবার। পূর্ণ স্বাদের এমন তৃপ্তি খুঁজে পাওয়া ভার। খাবারের এ সমারোহে কোনোটিই যেন কম নয় কোনোটি থেকে।

পুরাণ ঢাকার যত জনপ্রিয় খাবার এবং তাদের প্রাপ্তি স্থান !

ঐতিহাসিকেরা বলছেন, ৪০০ বছর আগে ঢাকা যখন প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তারও আগে ঢাকায় জনবসতি ছিল। তাদের খাদ্যতালিকা, রন্ধনপ্রণালি ছিল এক রকম। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার আদি খাবারে অন্য সব সংস্কৃতির প্রভাব পড়ে। বহু বিবর্তনের পর খাবারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজনে নতুন ধারার খাবারদাবার আত্মপ্রকাশ করে। ঢাকাই খাবার বলে যে খাবারটা প্রচলিত, সেটা মূলত মোগলাই খাবার। তবে এর রকমভেদ আছে। পারস্যের খাদ্যরীতির সঙ্গে ঢাকার খাদ্যরীতির মিশেল ঘটেছে। রান্নার ঢঙে পরিবর্তন এসেছে। পারস্যের রান্নায় যে মসলা ব্যবহূত হয়, তার পরিবর্তে দেশীয় মসলা যুক্ত হয়েছে। কালক্রমে তৈরি হয়েছে নতুন এক ধারার খাবার। এটাই ঢাকাই খাবার।

• ঢাকার জনপ্রিয় কিছু খাবার ও প্রাপ্তি স্থান:

√ কাচ্চি বিরিয়ানি
কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, উর্দু রোড, বংশাল, সিদ্দিক বাজার, চকবাজার, নবাবপুর, ইসলামপুর, ওয়ারী, মালিটোলা ও মৌলভীবাজার এলাকায় কাচ্চি বিরিয়ানির দোকান আছে। মান ও স্বাদের জন্য বিখ্যাত কাজী আলাউদ্দিন রোডের হাজির বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি। মৌলভীবাজার রোডের নান্না বিরিয়ানি, কলকাতা বিরিয়ানি, উর্দু রোডের রয়েল বিরিয়ানি, নারিন্দায় ঝুনার কাচ্চি বিরিয়ানি, মালিটোলার ভুলু বিরিয়ানি, নবাবপুর স্টার হোটেলের কাচ্চি বিরিয়ানি, সুরিটোলার রহিম বিরিয়ানি এবং নাজিমুদ্দিন রোডের মামুন বিরিয়ানির সুনাম আছে।

√ তেহারি
রয়েল রেস্টুরেন্ট, হাজির বিরিয়ানি, নান্না মিয়ার বিরিয়ানি, ফকরুদ্দিন বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, তৃপ্তি বিরিয়ানি ও তেহারি ঘরে ভালো তেহারি পাওয়া যায়।

√ শাহী মোরগ পোলাও
লালবাগ চৌরাস্তা, নাজিমুদ্দিন রোড ও নান্না মিয়ার বিরিয়ানির দোকানে ভালো শাহী মোরগ পোলাও পাওয়া যায়।

√ লাবাং
পুরান ঢাকার লালবাগ, চকবাজার, নাজিমুদ্দিন রোডে ভালো লাবাং পাওয়া যায়। এ ছাড়া লালবাগের রয়েল হোটেলে এবং বিরিয়ানি ও কাবাবের দোকানে লাবাং পাওয়া যায়।

√ বাখরখানি
জিঞ্জিরার বরিশুর, ঢাকার লালবাগ, নাজিমুদ্দিন রোড, চানখাঁরপুল, জিন্দাবাহার, কসাইটুলি, নাজিরাবাজার, নবাববাড়ি, আওলাদ হোসেন লেন, নবরায় লেন ও সূত্রাপুরে বাখরখানির দোকান ও কারখানা আছে।

√ সুতি কাবাব
চকবাজার, লালবাগ, নবাবপুর, জনসন রোড এলাকায় সুতি কাবাব পাওয়া যায়।

√ বিউটি লাচ্ছি
রায়সাহেব বাজার ও জনসন রোড।

√ মাঠা
শাঁখারিবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাড়াও ইসলামপুর, লক্ষ্মীবাজার, একরামপুর, নবাবপুর, চকবাজার, লালবাগ উর্দু রোড, আমলিগোলা, ওয়ারী, কায়েতটুলি, নাজিরাবাজার, নারিন্দা, চানখাঁরপুলে মাঠা পাওয়া যায়।

√ জাফরান মিষ্টি
মদিনা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, লালবাগ রোড।

√ নবাববাড়ির সাঁচি পান
নবাববাড়ি গেট, ইসলামপুর

√ পুরি
কসাইটুলি, নাজিমুদ্দিন রোড, লালবাগ শিকসাবাজার, জিন্দাবাহার, বাদামতলী কায়েতটুলি, পাকিস্তান মাঠ, নবাবপুর, বকশিবাজারে খাতা পুরি পাওয়া যায়। পুরান ঢাকার ফুটপাতের ছোট ও মাঝারি হোটেলগুলোতে আলুপুরি, ডালপুরি ও কিমা পুরি পাওয়া যায়।

√ দই-চিঁড়া
মানিক সুইটমিট, জনসন রোড।

• হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি, মোরগ পোলাও।
• লালবাগ রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান-বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা আর সেরা লাবান, কাশ্মীরী নান।
• নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসির লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা।
• নবাবপুর আরজু হোটেল এর মোরগ পোলাও, নাশতা আর কাচ্চি।
• নারিন্দার ঝুনু বিরিয়ানি।
• নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানি।
• নাজিমুদ্দিন রোডের হোটেল নিরবের অনেক ধরনের ভর্তা।
• নাজিরা বাজারের হাজি বিরিয়ানি এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানি।
• বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ি, কাটারী পোলাও।
• নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার।
• বেচারাম দেউরীতে অবস্থিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও।
• ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি, লেগ রোস্ট আর ফালুদা।
• ঠাটারী বাজারের গ্রিন সুইটস এর আমিত্তি, জিলাপি।
• রায় সাহেব বাজারের গলিতে মাখন মিয়ার পোলাও।
• সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার খাসির বিরিয়ানি।
• গেন্ডারিয়ার রহমানিয়া এর কাবাব।
• কলতাবাজারের নাসির হোটেলের বিখ্যাত গরুর মাংস আর পরাটা।
• ভিক্টোরিয়া পার্কের সুলতান ভাইয়ের চা ১।
• দয়াগঞ্জের সিটি বিরিয়ানি ও কাচ্চি।
• নারিন্দার সফর বিরিয়ানি।
• আরমানিটোলা তারা মসজিদের পাশে জুম্মন মামার চটপটি।
• সিদ্দিক বাজারের মাজাহার সুইটস।
• সুত্রাপুর ডালপট্টির বুদ্ধুর পুরি।
• আবুল হাসনাত রোড এর কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• রায় সাহেব বাজারের বিউটি লাচ্ছি আর চকবাজারের নুরানী শরবত।
• গেন্ডারিয়ার সোনা মিয়ার দই।
• লালবাগ মোড় এর মীরা মিয়ার চিকেন ফ্রাই আর গরুর শিক।
• লালবাগ চৌরাস্তার খেতাপুরি।
• মতিঝিল শাপলা চত্বর হিরাঝিলের চা।
• নাজিরা বাজারের ডালরুটি।
• গেন্ডারিয়া ভাটিখানার হাসেম বাঙ্গালির ডালপুরি।
• রায়সাহেব বাজারের আল ইসলামের মোরগ পোলাও, চিকেন টিক্কা।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত কাফে কর্নার এর কাকলেট ও চপ।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত চৌরঙ্গী হোটেলের পরাটা, ডাল।
• রায়সাহেব বাজারে কাফে ইউসুফের নান ও চিকেন টিক্কা।
• নবাব পুরের মরণ চাঁদ মিষ্টির দোকানের ভাজি-পরোটা, মিষ্টি ও টক দই।
• লক্ষীবাজার এর মাসহুর সুইটমিট এর লুচি, ভাজি আর ডাল।
• লালবাগের পাক-পাঞ্জাতন এর মজার তেহারি।
• দয়াগঞ্জ এর ঢাকা কাবাব।
• ওয়াইজ ঘাটের নানা রেঁস্তোরা।
• শাখারী বাজারের অমূল্য সুইটস এর পরোটা-ভাজি।
• তাতিবাজারের কাশ্মীর এর কাচ্চি।
• নারিন্দায় সৌরভ এর মাঠা আর ছানা।
• আবুল হাসনাত রোডের কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• আবুল হাসনাত রোডের দয়াল সুইটস এর মিষ্টি।
• নারিন্দায় অবস্থিত রাসেল হোটেলের নাশতা।
• ঠাটারী বাজারের বটতলার কাবাব।
• টিপু সুলতান রোডে অবস্থিত হোটেল খান এর টাকি মাছের পুরি।
• লক্ষীবাজার পাতলাখান লেনের লুচি-ভাজি।
• বেচারাম দেউড়িতে হাজী ইমাম এর বিরিয়ানি।

বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ঢাকাবাসীর কাছে প্রিয় ঢাকাই খাবার। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকাই খাবারের সুখ্যাতি। এখনো রোজার মাসজুড়ে পুরান ঢাকার চকবাজারে চলে ঢাকাই খাবারের বেচাকেনা। চকবাজার ও এর আশপাশের এলাকা বাহারি খাবারের সুবাসে এখন ম-ম করছে। কয়েক শ বছরের পুরনো চকবাজারে এখনো বিরিয়ানি, মুরগি মোসাল্লাম, বিভিন্ন জাতের কাবাবের পাশাপাশি শরবত বিক্রি হয়।

অদ্ভুতুড়ে 4:16 AM

  অনলাইন ইলেক্ট্রনিক শপ BRAND BAZAAR বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এশিয়া কাপ ২০১৬ ক্রিকেট উপলক্ষ্যে দিচ্ছে ধামাকা অফার।  এশিয়া কাপ ২০১৬ ক্রিকেট উপলক্ষ্যে সকল ক্রিকেট প্রেমীরা   SAMSUNG এবং Sony এর নির্দিস্ট মডেলের টিভি এর উপর পাবেন ৪২% ডিস্কাউন্ট।

 

উল্লেক্ষ্যে ২০১২ ও ২০১৪ সালের মতো  ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টও বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।   আর এবারই প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।  বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে এবারের এশিয়া কাপে অংশ নেবে আইসিসির আরো একটি সহযোগী দেশ।  এশিয়া কাপে অংশ নেয়ার জন্য আগামী নভেম্বরে একটি বাছাইপর্বে অংশ নেবে এশিয়ার চারটি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, আফগানিস্তান, ওমান ও হংকং।

এশিয়া কাপ চলাকালিন সময়ে ক্রিকেট প্রেমীরা পাচ্ছে SAMSUNG এবং SONY এর সকল Smart TV, 3D, 4K, LED TV-তে ৪২% ছাড়।  তবে সুযোগ শুধুমাত্র BRAND BAZAAR এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।  এই অফারের আওতায় SAMSUNG এবং SONY Smart Tv, 3D, 4K, LED TV কিনলেই পাচ্ছেন ৪২ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় এবং সাথে থাকছে ১ বছরের Replacement Guarantee এবং ৫ বছরের Service warranty। এই অফার টি শুধুমাত্র (BRANDBAZAARBD.COM) ব্র্যান্ডবাজার বিডি ডটকম এর ধানমন্ডি শো-রুমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।  সুযোগটি হাত ছাড়া করতে না চাইলে অনলাইন থেকে অর্ডার করার সুযোগতো থাকছেই তাছাড়া যে কোন তথ্যের জন্য 01619550030 এবং 01619550032 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।  এ অফারটি থাকছে সীমিত সময়ের।জন্য।  

অদ্ভুতুড়ে 2:46 AM
ফারিয়া-স্পর্শিয়ার পাল্টাপাল্টি সমালোচনা


নুসরাত ফারিয়া। উপস্থাপিকা, মডেল এবং নবাগত নায়িকা। আর স্পর্শিয়া মডেল-অভিনেত্রী। সম্প্রতি দুই মডেল একে অপরের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। যদিও নুসরাত ফারিয়া তার স্ট্যাটাসে কারো নাম বলেননি তবে স্পর্শিয়ার স্ট্যাটাসটি ছিলো নুসরাত ফারিয়ার নাম উল্লেখ করেই। 

নুসরাত ফারিয়ার দেয়া এক স্ট্যাটাসে লেখা ছিলো, জনসাধারণের মধ্যে কাউকে নিয়ে মজা করাটা কখনোই ভালো হতে পারেনা। আমি জানি কেউ একজন ইতিমধ্যে এরকম করছেন তবুও আমি এটা মেনে নিয়েছি কারন ওখানে আমার শুভকামনার বার্তাও ছিল। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে এরকম ভিডিও পোস্ট করার কারণ হচ্ছে পাবলিক আকর্ষণের জন্য। যে মানুষের আকর্ষণের জন্য এটা করেছে তাকে উদ্দেশ্য করে বলব যে, বড় হতে হলে সহকর্মীদের সম্মান দিতে হবে। কর্মফল হচ্ছে … এবং হিংসাও।


ফারিয়া-স্পর্শিয়ার পাল্টাপাল্টি সমালোচনা


এদিকে স্পর্শিয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ লিখেন, Dear Nusrat Faria, 1st, Lol 2nd. Apni to dekhchhi bhaloi English paren, to apni amar caption poren nei? Fuad bhai boro star dekhe tar ta porlen cry emoticon 3rd. "I don't see any point of making such video other than grabbing public attention" amaro same mone hoyechhilo when I saw your video grin emoticon pinch kiki emoticon 4. I don't need to seek for attention as I already have many, many and many (tao mukhe moyda chharai). 5. You have to earn respect, you cannot ask for it. 6, Ami chhoto khato shadharon manush, obhinoy kore khai, fame handling ki? 7, 'Karma is a bitch, and so jealousy' ei line ta bhalo, status e dei? grin emoticon 8. Oh you're welcome heart emoticon। P.s. Sorry ami indirect kotha bolte parina unsure emoticon .



ফারিয়া-স্পর্শিয়ার পাল্টাপাল্টি সমালোচনা

অদ্ভুতুড়ে 1:16 PM
অবশেষে নার্গিস আজহারউদ্দিনের স্ত্রীর ভূমিকায় চুক্তিবদ্ধ হলেন


মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনকে নিয়ে নির্মাণ হতে যাওয়া সিনেমায় ইমরান হাশমির ফার্স্ট লুক ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হলেও এই সিনেমার নারী চরিত্র নিয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই সিনেমায় নার্গিস ফাখরি আজহারউদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন বলে একবার কথা উঠলেও পরে তা গুজব বলে জানা যায়। তবে আবারও উঠে এসেছে নার্গিসেরই নাম।

এটা নিশ্চিত যে আজহারউদ্দিনের প্রথম স্ত্রী নওরীনের চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রাচী দেশাই। কিন্তু আজহারের দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল-অভিনেত্রী থেকে পুরোদস্তুর সাংসারিক হয়ে যাওয়া সঙ্গীতা বিজলানির চরিত্রের জন্য নার্গিস ফাখরিই নাকি ঠিক আছেন।
এই চরিত্রের জন্য প্রথমে কারিনা কাপুরকে প্রস্তাব দেয়া হলেও তিনি নাকি তা ফিরিয়ে দেন। তবে নার্গিস নাকি ইতোমধ্যেই সঙ্গীতার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আর তাছাড়া একতা কাপুর এমন একজনকে খুঁজছিলেন যে কিনা সত্যিকার জীবনেই একজন মডেল ও ভীষণ আবেদনময়ী।

অদ্ভুতুড়ে 3:15 PM
‘বোম্বে ভেলভেট’ চককের অপেক্ষায়



একের পর এক চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে অনুরাগ কাশ্যপের নতুন সিনেমা ‘বোম্বে ভেলভেট’। দ্বিতীয় ট্রেলার প্রকাশের পর সাড়াও মিলছে বেশ। কিন্তু ওই সব ছাড়িয়ে নতুন এক খবর শোরগোল তুলেছে বি টাউনে। এ চলচ্চিত্রে নাকি ক্রিকেটার বিরাট কোহলি প্রেমিকা আনুশকা শর্মার বিপরীতে অভিনয় করেছেন। বিজনেস অব সিনেমা জানায়, বিরাট কোহলিকে বোম্বে ভেলভেটের কিছু দৃশ্যে আনুশকা শর্মার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এমনকি তার চরিত্রটি নাকি বাস্তব জীবন থেকে নেয়া। ক্রিকেটার হিসেবে চলচ্চিত্র অভিষেক হবে বিরাটের। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

গুজবটি সত্যি হলে বিরাটকে দেখা যাবে ষাটের দশকের ক্রিকেটারের ভূমিকায়। জ্ঞান প্রকাশের বই অবলম্বনে নির্মিত বোম্বে ভেলভেটে দেখা যাবে ষাটের দশকে মুম্বাই শহরের সম্প্রসারণ। এ সিনেমায় আরো অভিনয় করবেন রণবীর কাপুর, করণ জোহর, কে কে মেনন, মনীশ চৌধুরী ও সিদ্ধার্থ বসু। ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী ১৫ মে।

অদ্ভুতুড়ে 3:07 PM


মুসাফির এর ট্রেইলার প্রকাশিত হল (ভিডিওসহ)


সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত হল ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ এবং নবাগত অভিনেত্রী মারজান জেনিফা অভিনীত চলচ্চিত্র মুসাফির এর ট্রেইলার।


মুসাফির এর ট্রেইলার প্রকাশিত হল (ভিডিওসহ)

ছবিটি পরিচালনা করেছেন আশিকুর রহমান। পারসেপচুয়াল পিকচার্সের ব্যানারে নির্মিত মুসাফির এর কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক নিজেই।


সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, টাইগার রবি, শিমুল খান, সিন্ডি রোলিং, জাদু আজাদ ও রেবেকা। বিশেষ চরিত্রে আছেন লাক্স সুন্দরী প্রসূন আজাদ।



এরআগে, গত ২০ মার্চ বিএফডিসিতে জহির রায়হান কালার ল্যাব ভিআইপি অডিটরিয়ামে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন লোকেশনে চলচ্চিত্রটির শুটিং হয়। চলতি বছরে মুক্তি পেতে পারে মুসাফির।

অদ্ভুতুড়ে 3:22 PM
 মেট্টোপলিটন প্রেম  ফারিয়ার

ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী আসছে ঈদ উপলখ্যে নতুন একটি টেলিফ্লিমের কাজ শুরু করেছেন। ‘মেট্টোপলিটন প্রেম’ শিরোনামের টেলিফিল্মটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মাহমুদ “িার।এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন- আফরান নিশো ও শবনম ফারিয়া।

 মেট্টোপলিটন প্রেম  ফারিয়ার

টেলিফিল্মের গল্প প্রসঙ্গে মাহমুদ “িার বলেন, ‘গল্পটা স্টান্টম্যান, ফাইটারম্যানদের নিয়ে। যারা আগুনের ভেতর থেকে নায়িকাকে উদ্ধার করে আনে। উচু থেকে ভিলেন পড়ে জমানো অনেক মাটির কলসির উপর। ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় সব। বহুতল ভবন থেকে নায়িকা পড়ে গেলে একমাত্র উদ্ধার করতে পারে নায়ক! হ্যাঁ, নায়ক উড়ে এসে জুড়ে বসে। এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু সরাসরি নায়ক এ কাজ করে না। তার ত্রাতা, প্রক্সি দাতা হলেন একজন স্টান্টম্যান কিংবা ফাইটারম্যান। যে হিরোকে হিরো বানায়। জীবন বাজি রেখে নায়িকাকে রক্ষা করে ডামি হয়ে। সমস্ত ঝুঁকিপূর্ণ শট দেয়। কিন্তু তার কখনো নায়ক হয়ে উঠা হয় না! অথবা মাতাল করা সুন্দরী নায়িকাকে যতই উদ্ধার করুক, তার কখনোই প্রেমিক হয়ে উঠা হয় না। এই বিষয়টি নিয়েই মূলত গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। নির্মিতব্য এ টেলিফিল্মটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিতে প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

অদ্ভুতুড়ে 2:12 PM

ঋত্বিক-ক্যাটরিনার রসায়ন ফের বলি পর্দায়

ফের বলি পর্দায় দেখা যেতে পারে বলিউডের অন্যতম সুপার হিরো ঋত্বিক রোশান ও ক্যাটরিনা কাইফকে। এমনটাই শোনা যাচ্ছে বলি-পাড়ায়।

ঋত্বিক-ক্যাটরিনার রসায়ন ফের বলি পর্দায়


ব্যাং ব্যাং এর পরিচালক ছিলেন সিদ্ধার্থ আনন্দ, তিনি নাকি একসাথে দুটো স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন। একটা ব্যাং ব্যাং এর সিক্যুয়াল আর অন্যটা একটা রোম্যান্টিক কমেডি। আর সিদ্ধার্থ নাকি হৃত্বিক আর ক্যাটরিনার সঙ্গে কাজ করে এতটা খুশি যে উনি দুটো ছবিতেই তাদের নিতে চান |

জানা গেছে, সিদ্ধার্থ আগে রোম্যান্টিক কমেডিটা তৈরি করতে চান আর তারপরে ব্যাং ব্যাং এর সিক্যুয়ালে হাত দিবেন। তবে এ ব্যাপারে হৃত্বিকের সাথে কথা বললেও‚ ক্যাটরিনার সঙ্গে এখনও আলোচনা করেননি।
Powered by Blogger.