অদ্ভুতুড়ে 10:52 PM
 



বৈশ্বিক অটোমেশনের সাথে তাল রেখে এবার স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণে উঠেপড়ে কাজ শুরু করছে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটা। যা নিয়ে গবেষণার জন্য ইতোমধ্যেই কেমব্রিজ ও সিলিকন ভ্যালিতে দু’টো অফিসও খুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থার মুখপাত্র জন হ্যানসন বৃহস্পতিবার জানান, অফিস দু’টোয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। যার জন্য টয়োটা আগামী পাঁচ বছরে মোট ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।

গবেষণার মূল লক্ষ্য স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণ হলেও হ্যানসন বলেন, “স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণ নিকট ভবিষ্যতে সম্ভব নয়, তাই এ গবেষণাগারের কাজ হবে এখন থেকেই আরোহীর জীবন বাঁচাতে গাড়ির গতিহ্রাস ও নিয়ন্ত্রণের মত বিষয়গুলোকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আাসা।” ব্রেকের মাধ্যমে গাড়ির গতিহ্রাস স্বয়ংক্রিয় হলে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমে আসবে বলেও দাবি করেন তিনি। কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্নের জন্য প্রধান গবেষক হিসেবে গিল প্র্যাটকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংস্থাটি আগামী বছর স্ট্যানফোর্ড ও এমআইটির শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০০ গবেষক নিয়োগ দেবে বলেও জানান হ্যানসন।

নতুন এ গবেষণাগারগুলোয় কি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে সে প্রশ্নের উত্তরে হ্যানসন বলেন, টয়োটার নিজস্ব প্রযুক্তির উন্নয়নে গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আর গবেষণাগারের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উৎকর্ষ সাধনে যৌথ প্রকল্পের কাজও চলবে সেখানে। এছাড়া অন্যান্য গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সাথেও বিভিন্ন যৌথ প্রকল্প গ্রহণ করবে টয়োটা। দুই গবেষণাগারে গবেষকদের নিরলস চেষ্টার ফল হিসেবে অচিরেই গাড়ি দুর্ঘটনার সংখ্যা শূন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন টয়োটার এই নতুন প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

নামকরা একাধিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত গুগলই কেবল স্বয়ংক্রিয় গাড়ির সফল পরীক্ষা চালাতে সক্ষম হয়েছে। দেখা যাক, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটা এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ায় এ মন্দাভাব দূর হয় কি না।

বৈশ্বিক অটোমেশনের সাথে তাল রেখে এবার স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণে উঠেপড়ে কাজ শুরু করছে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটা। যা নিয়ে গবেষণার জন্য ইতোমধ্যেই কেমব্রিজ ও সিলিকন ভ্যালিতে দু’টো অফিসও খুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থার মুখপাত্র জন হ্যানসন বৃহস্পতিবার জানান, অফিস দু’টোয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। যার জন্য টয়োটা আগামী পাঁচ বছরে মোট ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।
গবেষণার মূল লক্ষ্য স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণ হলেও হ্যানসন বলেন, “স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণ নিকট ভবিষ্যতে সম্ভব নয়, তাই এ গবেষণাগারের কাজ হবে এখন থেকেই আরোহীর জীবন বাঁচাতে গাড়ির গতিহ্রাস ও নিয়ন্ত্রণের মত বিষয়গুলোকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আাসা।” ব্রেকের মাধ্যমে গাড়ির গতিহ্রাস স্বয়ংক্রিয় হলে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমে আসবে বলেও দাবি করেন তিনি। কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্নের জন্য প্রধান গবেষক হিসেবে গিল প্র্যাটকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংস্থাটি আগামী বছর স্ট্যানফোর্ড ও এমআইটির শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০০ গবেষক নিয়োগ দেবে বলেও জানান হ্যানসন।
নতুন এ গবেষণাগারগুলোয় কি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে সে প্রশ্নের উত্তরে হ্যানসন বলেন, টয়োটার নিজস্ব প্রযুক্তির উন্নয়নে গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আর গবেষণাগারের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উৎকর্ষ সাধনে যৌথ প্রকল্পের কাজও চলবে সেখানে। এছাড়া অন্যান্য গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সাথেও বিভিন্ন যৌথ প্রকল্প গ্রহণ করবে টয়োটা। দুই গবেষণাগারে গবেষকদের নিরলস চেষ্টার ফল হিসেবে অচিরেই গাড়ি দুর্ঘটনার সংখ্যা শূন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন টয়োটার এই নতুন প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা।
নামকরা একাধিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাণে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত গুগলই কেবল স্বয়ংক্রিয় গাড়ির সফল পরীক্ষা চালাতে সক্ষম হয়েছে। দেখা যাক, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটা এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ায় এ মন্দাভাব দূর হয় কি না।
- See more at: http://www.poriborton.com/post/40939/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE#sthash.g1MSlhKT.dpuf

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Powered by Blogger.