কিম কারদেশিয়ানের জন্ম ১৯৮০ সালের ২১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লসএঞ্জেলসে। তার বাবা রবার্ট কারদেশিয়ান একজন আমেরিকান এবং মা ক্রিস কারদেশিয়ান স্কটিশ ডাচ রক্তবহনকারী নাগরিক। কিমের পুরো নাম কিম্বারলি নোয়েল কারদেশিয়ান।
মিডিয়ায় আসা:
কিম কারদেশিয়ান শুধু জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন। একই সঙ্গে তিনি প্রযোজক, পরিচালক, নির্মাতা, ফ্যাশন ডিজাইনার। বড় ধরনের ব্যবসাও রয়েছে তার। সব মিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন বাজারে দাপটের সঙ্গেই রয়েছেন তিনি। কিমের মিডিয়া অন্তর্ভুক্তিটা অনেকটা পারিবারিক টানেই। মডেলিং আর ফ্যাশন ম্যাগাজিনের আলোকচিত্র থেকে ক্যারিয়ারের মোড় কিমকে নিয়ে পৌঁছে দেয় রিয়েলিটি টিভির জগতে। ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া দ্য ম্যারিয়াজ কাউন্সিলর ছবিটি ছাড়া বেশির ভাগ সময় কার্দিশিয়ানকে টেলিভিশনেই উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ করে রিয়েলিটি শোতে তিনি সবচেয়ে বেশি উপস্থিত থাকছেন। ২০০৭ সালে কারদেশিয়ান পরিবারকে নিয়ে প্রচারিত হয় রিয়েলিটি শো 'কিপিং আপ উইথ দ্য কার্দিশিয়ানস'। সেখানে কিম কার্দিশিয়ানস ও তার বোন খোয়ে কার্দিশিয়ানসসহ পরিবারের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 'রিয়েলিটি শো'টি আমেরিকান দর্শকরা বেশ পছন্দ করেছিল।
২০০০ সালে সঙ্গীত প্রযোজক ড্যামন থমাসকে বিয়ে করলেও চার বছর পরেই আলাদা হয়ে যান কিম। এরপর অনেকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। ২০১১ সালে বাস্কেটবল তারকা ক্রিস হামফ্রিসকে বিয়ে করে থিতু হলেও তাদের বিয়ে টেকসই ছিল মাত্র ৭২ দিন। নয় মাস প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১১ সালের ২০শে আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় এক কোটি ডলার ব্যয়ে তারা দু’জনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। হলিউডের হট রিয়েলিটি শো’র তারকা কিম আর বাস্কেটবল তারকা ক্রিস হ্যামপ্রিসের বিয়ে ছিল বিশ্বব্যাপী আলোচনার বিষয়। মাত্র ৭২ দিনেই তা শেষ হয়ে গেল। কিম কারদাশিয়ান বিয়ের ৭২ দিনের মাথায় বিচ্ছেদের আবেদন করেন। তবে এই বিচ্ছেদের কারণ এখনো ভক্তদের কাছে অজানাই রয়ে গেছে। বিচ্ছেদের পর পরই কিম কার্দিশিয়ান শেষপর্যন্ত কেনির সমুদ্রে তরী ভিড়িয়েছেন। বেশ কয়েক বছর লিভ টুগেদারের পর ২০১৪ সালের ২৫ মে বিয়ে করেন এই জুটি। তবে তাদের এই আনুষ্ঠানিক বিয়ের আগেই ২০১৩ সালের ১৫ জুন তাদের ঘরে জন্ম নেয় ‘নর্থ’ নামে একটি কন্যা সন্তান।
সামাজিক কর্মকান্ড:
শুধু অভিনয় কিংবা মডেলিংয়েই নয়, কিম সামাজিক কর্মকান্ডেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। সম্প্রতি তিনি বিশ্বব্যাপী আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ট্রেভর প্রজেক্ট চ্যারিটিতে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দান করেছেন। তার এই অর্থ সমকামী, হিজড়া ও লিঙ্গ পরিবর্তনকারীদের (এলজিবিটি) জন্য এবং কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে ব্যয় করা হবে। তিনি এর আগে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে একই কারণে তহবিল সংগ্রহে নেমেছিলেন। তবে, সে সময় তিনি গ্লোবাল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস কোম্পানির জন্য কাজ করেছেন।
Post a Comment