Showing posts with label ফটো গ্যালারি. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 1:31 AM

আপনার সাজকে পূর্ণতা দিতে, সবার মাঝে আপনাকে অনন্যা করে তুলতে অন্যতম সৌন্দর্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওমেন্স ওয়ার্ল্ড দিচ্ছে প্রতিবারের মতো এবারও পহেলা বৈশাখে মাত্র ১৪২৩ টাকায় বৈশাখী সাজের বিশেষ অফার।


বৈশাখী আলপনা বা স্কিন পেইন্টিংসহ মেকআপ, হেয়ারস্টাইল আর শাড়ি পরা সবই রয়েছে এ প্যাকেজে। এই অফার চলবে পহেলা বৈশাখের সারাদিন ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের সবগুলো আউটলেটে।

আর বৈশাখের রঙ্গিন সাজের আগে তো চাই চেহারা ঠিকঠাক করে প্রস্তুত থাকা এজন্যও চলে আসতে পারেন ওমেন্স ওয়ার্ল্ডে। প্রতিষ্ঠানটি আপনাদের জন্য নতুন বছরের আনন্দ দ্বিগুণ করতে পহেলা বৈশাখের দিন পর্যন্ত ফেসিয়াল, পেডিকিওর-মেনিকিওর, থ্রেডিং, হেয়ার ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে মাত্র ১৪২৩ টাকায়। 

আপনাদের সুবিধায় পহেলা বৈশাখে সবগুলো শোরুমই সকাল ৬টা থেকে খোলা থাকবে।

ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের আউটলেট সমূহ
গুলশান: ০১৭৩৩২২৬১৫১, বনানী: ০১৭৩৩২২৬১৫২, উত্তরা:০১৭৩৩২২৬১৫৩, কাকরাইল: ০১৭৩৩২২৬১৫৪ ধানমন্ডি: ০১৭৩৩২২৬১৫৫, মিরপুর: ০১৭৩৩২২৬১৫৬, নেভি হেডকোর্য়াটার ০১৭৩৩২২৬১৫৭

অদ্ভুতুড়ে 12:30 AM

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে বাঙালিয়ানার চিরন্ত্মন উৎসবের রঙে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ফ্যাশন হাউস দেশীয়া এই বৈশাখকে সামনে রেখে নিয়ে এসেছে শৈল্পিক ডিজাইনের সব পোশাক।


দেশীয়ার পোশাকের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ গুণ এবং নান্দনিক ডিজাইন। দেশীয়ায় মেয়েদের জন্য রয়েছে থ্রি পিস, শার্ট টপস, লং টপস, শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, ওড়না পস্নাজো ইত্যাদি। পাশাপাশি রয়েছে ছেলেদের পাঞ্জাবি ও বাচ্চাদের পোশাক।

নতুন কালেকশন প্রসঙ্গে দেশীয়ার কর্ণধার রবিন মুশফিক বলেন, আমাদের সব প্রোডাক্টই শতভাগ সুতি কাপড়ের তৈরি। এসব পোশাকের নকশা করা হয়েছে বস্নক, বাটিক, স্ক্রিন প্রিন্ট, হ্যান্ড স্টিচ, চুমকি, এমব্রয়ডারি ও হাতের কাজ ইত্যাদি। আশা করছি বৈশাখের পোশাকগুলো ক্রেতাদের একইসঙ্গে ঐতিহ্য ও আরামের দিকটি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

যোগাযোগ: দেশীয়া, ৮১ (নিচতলা), ৭৫ (২য় তলা), আজিজ সুপার মার্কেট শাহবাগ, ঢাকা। এছাড়াও ধানমন্ডি মেট্রো শপিং মল ও সাভারের সিটি সেন্টারে রয়েছে দেশীয়ার আরো দুটি আউটলেট।

অদ্ভুতুড়ে 12:28 AM

বৃষ্টিতে যে সময়টুকু সবাই মিলে বাড়িতে উপভোগ করার সময় পান, পুরো সময়টা এনজয় করুন। দাবা, লুডু অথবা কেরাম খেলতে বসে যান সবাই মিলে। খেলার সঙ্গে নিজেদের ছোট বেলার মজার স্মৃতিগুলো আরও একবার ঝালাই করার ভালো সময়ও এটি। তবে কোনো আড্ডাই খাবার ছাড়া ঠিক জমে না। আজ তাই মুখোরচক, সহজে তৈরি করা যায় এমনই কিছু রেসিপি অাপনাদের জন্য:



পাউরুটি সবজি পাকোড়া
 
উপকরণ: পাউরুটি – ৬ পিস, লবণ, চিনি স্বাদমতো, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুঁচি আধা চা চামচ, লাল ও সবুজ ক্যাপসিকাম কুঁচি ২ টেবির চামচ। তেল – ভাজার জন্য।

প্রণালী: পাউরুটির পিসগুলো পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। পানি থেকে তুলে হাতে চেপে যতটা সম্ভব পানি ফেলে নিন।  

এবার একটি পাত্রে পাউরুটি, ক্যাপসিকাম কুঁচি, লবণ, চিনি পেঁয়াজ- মরিচ কুঁচি দিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিন।
ডুবু তেলে পছন্দ মত আকারে বাদামী করে পাকোড়াগুলো ভেজে তুলুন।

যে কোনো সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন পাউরুটি সবজি পাকোড়া।

ছোট পিজা
প্রথমে ডো: ময়দা-৩ কাপ, হালকা গরম পানি-দেড় কাপ, ইস্ট-২ টেবিল চামচ, ২ টেবিল চামচ-অলিভ ওয়েল, চিনি-১ টেবিল চামচ, লবন-১ চা চামচ।

ডো তৈরি: ওপরের সব উপকরণ একটি বড় পাত্রে নিয়ে মিক্সারে ৫ মিনিট মিক্স করুন। ইলেকট্রিক মিক্সার না থাকলে একটু বেশি সময় নিয়ে হাতে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে। এবার ডো ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন।

পিজার উপকরণ:
মুরগির বুকের মাংস কিমা ১ কাপ অথবা সসেস ৪ পিস, পেঁয়াজ কাটা ২টি, চিজগ্রেট ১ কাপ, টমেটো সস ৬ টেবিল চামচ, অরিগেনো ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, ক্যাপসিকাম ১ টি, টমেটো ১টি ।
হাত দিয়ে ডো-এর আকার ঠিক করে ছোট ছোট প্যানে ডো রেখে প্রথমে সস দিয়ে একে একে সব উপকরণ সাজিয়ে দিন। এবার গ্রেট করা চিজ ওপরে ছড়িয়ে দিয়ে প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১০ মিনিট বেক করুন।

গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ মজার ঘরে তৈরি পিজা।
 
সমুচা
উপকরণ : ময়দা ৩ কাপ, তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণমত, বেকিং পাউডার কোয়াটার চামচ, পানি পরিমাণমত, মাংস ৫০০ গ্রাম কিমা, আদা রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ ২ কাপ, তেল কোয়াটার কাপ, লবণ পরিমাণমত, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন : পেঁয়াজ কিউব করে কেটে নিন। মাংস সেদ্ধ করে নিন এবার চুলার পাত্র দিন পেঁয়াজ কুঁচি দিন। আদা রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ কুঁচি, লবণ ও মাংসের কিমা দিন। রান্না হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।

ময়দা, বেকিং পাউডার তেল, লবণ পানি দিয়ে খামির তৈরি করুন। এবার ভেজা কাপড় দিয়ে খামির ঢেকে রাখুন।
খামির চার ভাগ করে চারটি ছোট রুটি বেলুন। রুটির ওপর তেল মেখে শুকনো ময়দা ছড়িয়ে দিয়ে একটির ওপর একটি চেপে লাগিয়ে বড় করে বেলে নিন।

এবার সেঁকে সেঁকে রুটি আলগা করে সমুচার জন্য কেটে নিন। মাংসের পুর ভরে সমুচা বানিয়ে ডুবো তেলে ভেজে সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ফুলঝুরি পিঠা
উপকরণ: চালের গুঁড়া ১ কাপ, ডিম ১টি, চিনি এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, লবণ সামান্য, গরম পানি আধা কাপ, তেল ভাজার জন্য, ফুলঝুরি নকশা করার জন্য সাজ বাজারে পাওয়া যায়।

প্রথমে চালের গুঁড়া, লবণ, চিনি দিয়ে গরম পানিতে একঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার ডিম ফেটে চালের গুঁড়ার সঙ্গে মেশান।   তেল গরম করে ফুলঝুরি নকশা তিন-চার মিনিট তেলে ডুবিয়ে রেখে তুলে ফেলুন। তেল ঝরিয়ে আটার গোলার মধ্যে নকশা অর্ধেকের বেশি ডুবিয়ে নিয়ে আবার তেলের কড়াইয়ে এটি ডোবাতে হবে। পিঠা ফুলে ওঠামাত্রই ফুলঝুরির নকশা থেকে কাঠি দিয়ে আলাদা করে বাদামি রং হলে ভেজে তুলে রাখতে হবে। এভাবে সব পিঠা ভেজে তুলুন।

অদ্ভুতুড়ে 4:39 AM

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পুরো বাংলাদেশ সেজে উঠেছিল বাহারি আলোর সাজে। এখানে কনসার্ট, ওখানে আবৃত্তি, আবার কোথাও নাটক-থিয়েটার। সরকারি ভবনগুলোতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনগুলোতেও আলোর ছড়াছড়ি। এই এতোশত আলোর মধ্যে রাজধানীর জাকির হোসেন রোডে ঢুকেই মনে হলো, এই রাস্তাটা একটু ম্লান হয়ে আছে।


সিটি কর্পোরেশনের খোড়াখুড়ি চলছে বলে লোকজন, যানবাহন চলাচল নেই। যে দু-চার জন লোক এখানে ওখানে বসে আছেন, তারাও মুখ কালো করে আস্তে আস্তে কথা বলছেন।

গভীর রাতে এ রকম মনমরা একটা আড্ডার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “তাজিমের বাড়িটা কোথায়?”
একজন আঙুল দিয়ে বাড়িটা দেখালেন। তারপর নিজের কথায় মন দেওয়ার আগে বললেন, “আর বাড়ি খোঁজ করে কী হবে? ছেলেটারে তো শেষ করে দিছে।”

হ্যাঁ, তাসকিন আহমেদ তাজিম। সম্প্রতি বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে আইসিসি রায় দেওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না শেষ করে ফিরে আসতে হওয়া বাংলাদেশি ফাস্ট বোলার তাসকিন।

তাসকিন মোটেও শেষ হয়ে যাননি। চারদিক থেকে বিশ্লেষকরা বলছেন, তার বাসার লোকজন বলছেন, স্বয়ং তাসকিনও বললেন, “এটা চলার পথে একটা ধাক্কা মাত্র। হয়তো আমি এখান থেকে আরও শক্ত হয়ে ফিরতে পারব। আল্লাহ যা করেন ভালো কিছুর জন্যই করেন।”

অল্প বয়স, খুব জোরে বল করেন, কিন্তু ভেতরের মনটা খুব নরম। তাই আশেপাশের সবাই ভয় পাচ্ছেন, তাসকিন এই ধাক্কায়  না ভেঙে পড়েন। তাসকিনের বাবা আবদুর রশিদ, মা  সাবিনা ইয়াসমিন সেই ভয়টার কথা বলছিলেন তাসকিন এসে পৌঁছনোর আগে।

তাসকিনের বাবা ম্লান হেসে বলছিলেন, “ছোট মানুষ তো, একটু ভয় লাগে, ভেঙে না পড়ে। আর একটা ব্যাপার দেখুন, ইন্ডিয়াতে গেলেই ওর একটা কিছু বিপদ হয়। প্রথম দু’বার ইনজুরি নিয়ে দলের আগে ফিরে এল। এবার তো এই নিষেধাজ্ঞা। একটু ভয় তো করেই।”

তাসকিন একটা হাসি দিয়ে ভয় উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কয়েক দিন পরই ২১ বছরে পা দিতে যাওয়া তাসকিন দারুণ পরিণত ভঙ্গিতে বললেন, “দাদা, সব কিছুকে পার্ট অব গেম হিসেবে দেখি। আগে হলে হয়তো অনেক কষ্ট পেতাম। এখন বুঝি, এসব নিয়েই এগোতে হবে। আর আমার কষ্ট অনেক কমে গিয়েছে মানুষের রিঅ্যাকশন দেখে। এতো মানুষ, এতো সাপোর্ট করেছেন! বিশ্বাস করুন, আমি কল্পনাও করতে পারিনি, মানুষ আমাকে এতো ভালবাসে।”

এমনিতে একটু মুখচোরা ধরনের ছেলে। কিন্তু কথা বলতে শুরু করলে অনেক গল্প আছে তার কাছে বলার জন্য। মানুষের সমর্থনের কথা বলতে গিয়ে চলে এল কোচ হাতুরুসিংহে, অধিনায়ক মাশরাফি এবং সর্বোপরি বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কথা। কোচ ও সভাপতির সমর্থনটা তাসকিনকে বিস্মিত করেছে। আর মাশরাফির এই আবেগটা যেন ছোট ভাইয়ের পাওনাই ছিল। ‘ভাই (মাশরাফি) তো সবাইকে আপন ভাইয়ের মতো দেখে। আর আমি তো আজকাল ট্যুরে ভাইয়ের রুমে থাকি। উনি যে কষ্ট পাবে, এমন করবে, এটা আমি বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু কোচ আর বোর্ড প্রেসিডেন্ট এমন করে বলবেন, আমি কল্পনা করিনি।”

অবশ্য এই বিষয়ে কথা বেশি আর এগোতে চাইছিলেন না। বারবার মনটা খারাপ হয়ে যায় বোলিং অ্যাকশন কাণ্ডের এসব কথাবার্তা তুললে।

এর মধ্যে এক ঝলক বাতাসের মতো বড় বোনের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে ফিরে আসে ছোট্ট বোনটা। জান্নাতুল আলম রোজা এসে পৌঁছতেই পরিবেশ অনেক হালকা হয়ে যায়। বাবা-মায়ের মুখেও হাসি। তাসকিনকে নিয়ে কিছু মজা, কিছু আজগুবি পরিকল্পনা, ছোটবেলার গল্প, খুনসুঁটি এবং ক্রিকেটের আলাপ।

ক্রিকেটের আলাপ উঠতেই তাসকিনের মুখটা আরেক বার কালো হয়ে গেল, “খুব কষ্ট পেয়েছি।”
কষ্ট তো অনেকগুলো পেয়েছেন। সুপার টেনে ওঠার পার সবগুলো ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সবচেয়ে কম, ৭০ রানে অলআউট হয়েছে দল। তবে এ সব কষ্ট ছাপিয়ে তাসকিনের কাছে প্রধান কষ্ট ভারতের বিপক্ষে এক রানের ওই হার।

সেই হারটা হোটেলে একা একা বসে দেখেছিলেন। বলতে বলতে ঘেমে উঠছিলেন। বললেন “আমি ভাবছিলাম, প্রথম ইনিংসটা দেখে একটু বেরোব হোটেল থেকে। একা একা খেলা দেখতে ভাল লাগে না। কিন্তু এতো সুন্দর বল করল সবাই টিভির সামনে থেকে উঠতে পারলাম না। শেষ ওভারে এসে আমার হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছিল। মাঠে থেকে কোনওদিন এত নার্ভাস লাগেনি। মুশফিক ভাই দুটো চার মারল, আমি চিৎকার শুরু করে দিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ তিনটে বলে কী যে হল! এই আফসোস জীবনেও যাবে না।’

নিজের বাড়িতে তাসকিন।
তাসকিন ফেসবুকের বেশ ভালো অনুসরণকারী। তাই জানেন, ওই তিনটে বল তার সিনিয়র দুই সতীর্থকে কেমন ‘ভিলেন’ বানিয়ে ফেলেছে। এটা নিয়ে খুব আফসোস বাংলাদেশি এই ফাস্ট বোলারের। মাথাটা নেড়ে বললেন, “দেখুন রিয়াদ ভাই আর মুশফিক ভাই আমাদের কত ম্যাচ জিতিয়েছে। ওরাই সেদিন এই জেতার মতো জায়গায় এনেছে। ওই সময়ে কী করতে হয়, তা আমাদের চেয়ে ওরা ভালো বোঝেন। কিন্তু হয়নি। জীবনে সব তো চাওয়ার মতো হয় না। ওরা চেষ্টা করেছেন, পারেননি। ওদের দোষ দেবেন না।’

জীবন নিয়ে এই বোধটা তাসকিনকে শক্ত করছে। নিজেই বলছেন, গত কয়েক মাসে তার সঙ্গে যা হচ্ছে, তিনি মানুষ হিসেবে আরও পরিণত হয়ে উঠছেন। হয়তো এই দুঃসময়ের এটাই প্রাপ্তি, “দেখুন গত বছর খানেকে বারবার ইনজুরিতে পড়ল, ফর্ম ফিরে পেলেই একটা না একটা ঝামেলা। এতে আর কিছু না হোক, আমি বুঝতে পারছি, জীবন সহজ না। আমি এখন অনেক কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে পারি। আমি নিশ্চিত এই ধাক্কা কাটিয়ে আবার যখন ফিরব, আগের চেয়ে শক্ত তাসকিন হয়ে ফিরব।”

অদ্ভুতুড়ে 4:21 AM

 
ভারতের কান্না (ছবি এক্সক্লুসিভ)

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে হেরে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘণ্টা বাজার পর ধোনি ও কোহলি। ছবি: শোয়েব মিথুন/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম 


ঢাকা: বিশ্বকাপ টি-২০’র সেমি ফাইনাল ম্যাচটি ভারতের জন্য ছিলো সত্যিই কান্নার। ওয়াংখেড়ের গ্যালারি যেনো শেষের দিকে পরিণত হয় কান্নার গ্যালারিতে। মাঠে সেই দৃশ্য ধরা পরে বাংলানিউজের সিনিয়র স্পোর্টস ফটো করেসপন্ডেন্ট শোয়েব মিথুনের কামেরায়। তারই কিছু দৃশ্য এখানে।


কান্নার গ্যালারিতে পরিণত ওয়াংখেড়...

কারো মুখে হাত... কারো হাতজোড়ে প্রার্থণা

মুখ ঢেকে কিংবা গাল হাতে ভারতের দর্শকরা...

খেলাজুড়ে অনেক মাস্তি কিন্তু শেষে কষ্টের পাহাড়


গ্যালারিতে দর্শকদের গায়ে দলের নীল জার্সি যেন হয়ে উঠলো বেদনার রঙ।

কোহলিকে বিরাট ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করলেন। এরপর এক লাফে যেন আকাশে উড়তে চাইলেন আন্দ্রে রাসেল।


সেলিব্রেশনের জন্য ছুটছে ওয়েস্টইন্ডিজ

শেষ দৃশ্যে এমনই ভেঙ্গে পড়া..

অদ্ভুতুড়ে 5:28 AM

বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম "ইসলাম" বহাল রেখে ২৯ বছর পূর্বে দায়ের করা একটি রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছে যে সংগঠনের ব্যানারে রিটটি করা হয়েছিল, তাদের রিট করার এক্তিয়ার নেই। 


বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ শুনানি করে আজ আবেদনটি খারিজ করে দেন। এ বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো.আশরাফুল কামাল।

এ দিকে, এ রিটের শুনানিকে ঘিরে জামাতে ইসলামি আজ গোটা দেশে আগাম হরতালের ডাক দেয়। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামও দেশ অচল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছিল। হেফাজতের হুমকিতে বলা হয়েছিল, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্মের অনুচ্ছেদ বিলোপ বা বতিল করে রায় শোনানো হলে, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন শুরু করবে। এ অবস্থায় আজ গোটা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়। তবে, জামাতের ডাকে হরতালে তেমন সাড়া মেলেনি। প্রায় সর্বত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

১৯৮৮ সালের ৫ জুন তদানীন্তন সামরিক শাসক হুসেইন মহম্মদ এরশাদের শাসনকালে সংবিধানের ‘অষ্টম সংশোধনী’ যুক্ত করা হয়। নতুন ওই সংশোধনীতে বলা হয়েছিল, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্মও প্রজাতন্ত্রে শান্তিতে পালন করা যাইবে’।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে এই পরিবর্তনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তখনই ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটির’ পক্ষে সাবেক প্রধান বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেন, কবি সুফিয়া কামাল, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী-সহ ১৫ বিশিষ্ট নাগরিক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, “বাংলাদেশে নানা ধর্মবিশ্বাসের মানুষ বাস করেন। এটি সংবিধানের মূল স্তম্ভে বলা হয়েছে। এখানে রাষ্ট্রধর্ম করে অন্য ধর্মকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অভিন্ন জাতীয় চরিত্রের প্রতি ধ্বংসাত্মক।”

পরে, রিট আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের ৮ জুন একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়। তার প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সে দিনই বিচারপতি এ এইচ এমশামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দচন্দ্র ঠাকুরের তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলিং দেয়। রুলে সংবিধানের ওই সংশোধনীর মাধ্যমে ২ (ক) অন্তর্ভুক্তি কেন অসাংবিধানিক ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং আইন, বিচার ও সংসদ সম্পর্কিত মন্ত্রকের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এসব রুলের ওপর হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ শুনানির জন্য গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আবেদন করে বাদীপক্ষ। প্রধান বিচারপতি বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে দিলে বিষয়টি আজ সোমবার শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করা হয়।

অদ্ভুতুড়ে 5:05 AM

খোলা আকাশের নীচে স্নানের কথা শুনলেই রূপকথা মনে পড়ে যায়। যেখানে ঝরনার জলে গা ভিজিয়ে নিতেন রূপসী রাজকন্যা থেকে ক্লান্ত পথিক। 


সেই স্নানের রোম্যান্টিকতা সৃষ্টি করতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তৈরি করা হয়েছে খোলা আকাশের নীচে অপূর্ব কিছু স্নানঘর। তেমনই সেরা ১০ স্নানঘরের ছবি দেখুন এই গ্যালারিতে।

হাওয়াই: হাওয়াই দ্বীপের হালে কু মানা রিসর্টের এই স্নানঘর বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অন্যতম সেরা আকর্ষণ।



বতসোয়ানা: স্যাংচুয়ারি বেনেস ক্যাম্পের বোরো নদীর তীরে এই স্টার বাথ। ছবি: সাংচুয়ারি রিট্রিটস।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



দক্ষিণ আফ্রিকা: মাদিকা অভয়ারণ্যের তামবোতি গাছের ছায়ায় এই স্নানঘর। ছবি: দ্য লাক্সারি সাফারি কম্পানি।



তাসমানিয়া: নীল আকাশ আর সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে স্নান করতে চাইলে চলে যান তাসমানিয়ার গ্রেট অয়েস্টার বে তে। ছবি: ভিউ রিট্রিট।



কুইন্সল্যান্ড: কুইন্সল্যান্ড রেন ফরেস্টে পাখিদের কলকাকলির মাঝে স্নান করতে পারেন এখানে। ছবি: স্টেইজ।



নিউ ইয়র্ক: হাডসন নদীর কোলে মেরিটাইম হোটেলের পেন্টহাইউজের ছাদে এই স্নানঘর। ছবি: কন্ডে নাস্ট ট্রাভেলর।



বারোসা ভ্যালি: কিংসফোর্ড হ্যাম্পস্টেড জঙ্গলের মাঝে ২২৫ একর জায়গা জুড়ে এই স্নানঘর। ছবি: ভিউ রিট্রিটস।



জাপান: গোরা কাদান জাপানের স্টোন ওপেন এয়ার বাথ। ছবি: ট্রাভেলর।



ইংল্যান্ড: হ্যাম্পটন কোর্ট ফ্লাওয়াপর শো-র এক্সটেনশন এই গ্লাস হাউজ বাথরুম। ছবি: লিভিন স্পেসেস।


অদ্ভুতুড়ে 4:51 AM

ওয়াংখেড়েতে আর কয়েক ঘণ্টা পরেই ঠিক হয়ে যাবে ইডেনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন কারা। গেইল, বিরাটরা তো বটেই চোখ থাকবে আরও বেশ কয়েক জনের দিকে। 


ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ভারতের মধ্যে হাইভোল্টেজ সেমি ফাইনালে যে ১০ জন বেশি করে নজরে থাকবেন এই গ্যালারিতে রইল তাঁদের হদিশ।

ক্রিস গেইল- নিজের দিনে ক্রিস গেইলের ব্যাটের কাছে পৃথিবীর সব দেশের সব বোলিং অ্যাটাকই তুচ্ছ।
চোখ বুঝে ক্যারিবিয়ানদের মুল শক্তি। গেইল কিন্তু গোটা সিরিজে ফর্মেই আছেন। ভারতের প্রধান চিন্তার কারণ সেটাই।



মহেন্দ্র সিংহ ধোনি- শেষ বলে ছয় মেরে এর আগেও দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছেন মাহি। তাঁর ঠাণ্ডা মাথা আর ম্যাজিক ফিনিসের ক্ষমতার উপর আজ অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যাচের ফলাফল।



ডোয়েইন ব্রাভো- অলরাউন্ডার ব্রাভো ব্যাট হাতে এখনও পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে খুব একটা সফল না হলেও, প্রত্যেক ম্যাচে গড়ে দু’টো করে উইকেট পেয়েছেন। আফগানিস্তানের সঙ্গে দলের শকিং হারের দিন তাঁর ব্যাট থেকেই সর্বোচ্চ রানটা বেড়িয়ে ছিল।



রবিচন্দ্রন অশ্বিন- হরভজন পরবর্তী টিম ইন্ডিয়ার স্পিন স্কোয়াডের মূল শক্তি। গেইলকে আটকাতে আজ তাঁর উপরই ভরসা করছেন ধোনি।



অ্যান্দ্রে রাসেল- শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটে সফল না হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং স্কোয়াডে অন্য রকম ভরসা যোগাচ্ছেন রাসেল।



জসপ্রীত বুমরাহ- আইপিএল ভারতীয় দলকে যে কজন হাতে গোনা ক্লাস ক্রিকেটার উপহার দিয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বুমরাহ।
এই সিরিজে ধারাবাহিক ভাল খেলে আসছেন তিনি। আজও বুমরাহের সেই ধারাবাহিকতাই ভারতকে এক্সট্রা অ্যাডভান্টেজ দিতে পারে।



ডারেন স্যামি- ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক নিজে এখনও পর্যন্ত খুব একটা সফল না হলেও তাঁর নেতৃত্বেই সব হিসেব উলটে পালটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ চারে। যে কোনও সময় স্যামির ব্যাট জ্বলে উঠলে টিম ধোনির বিপত্তি হতে পারে।


অদ্ভুতুড়ে 4:36 AM

জোড়াসাঁকোয় ভেঙে পড়ল নির্মীয়মান বিবেকানন্দ উড়ালপুর। বহু মানুষের হতাহতের আশঙ্কা। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী মৃত অন্তত ১০। ভেঙে পড়া ব্রিজের তলায় আটক অন্তত ২০০।


উদ্ধারকার্য চলছে। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রাও হাত লাগিয়েছেন। এসেছেন সেনা জওয়ানরাও। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মৃতদেহ। চাপ চাপ রক্ত। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় মানুষ। ব্রিজের তলায় চাপা পড়া অসহায় মানুষ সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করছেন।ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনার কিছু ছবি এই গ্যালারিতে। 









অদ্ভুতুড়ে 11:08 PM

১২ লক্ষ ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার, ৪ লক্ষ ফেসবুক ফ্যান। এই পরিসংখ্যান কোনো সেলিব্রেটির নয়। দশ বছরের একটি ছোট্ট মেয়ে ‘ক্রিস্টিনা পিমেনভ’ যাকে নিয়ে এই মুহুর্তে তোলপাড় ফ্যাশান দুনিয়া। তবে খবর এটা নয়।

ক্রিস্টিনা পিমেনভ বিশ্বের এক নাম্বার সুন্দরী গার্ল

 ফ্যাশান দুনিয়ার যে খবর চমকে দিয়েছে সকলকে তা হলো এই একরত্তি মেয়ের পকেটে এখন বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত মডেল এজেন্সি ‘এল এ মডেলস’ এর কন্ট্র্যাক্ট। আর এই কন্ট্র্যাক্টে ছোট্ট ‘সগপার মডেল’-এর গায়ে থাকবে ‘দ্য মোস্ট বিউটিফুল গার্ল ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর তকমা।
ক্রিস্টিনা পিমেনভ বিশ্বের এক নাম্বার সুন্দরী গার্ল


প্রাক্তন রুশ ফুটবলার রুশলান পিমেনভের মেয়ে ক্রিস্টিনা পিমেনভের কাছে মডেলিং কোনো নতুন বিষয় নয়। তিন বছর বয়স থেকেই শুরু হয়েছে তার ‘ক্যাট ওয়াক’। ইতিমধ্যেই ক্রিস্টিনা জায়গা করে নিয়েছে ‘ভোগ’-আর কভার পেজে। এইটুকু বয়সেই খ্যাতির অনেকটা শিখরে পৌঁছে গেছে ক্রিস্টিনা। কিন্তু খ্যাতি থাকলেই থাকবে সমালোচনা। ছোট বলে তার থেকে বাদ পড়েনি সে। অনেকেই মনে করছেন এইটুকু বাচ্চাকে যে ধরণের উত্তেজক পোষাক পরানো হয় বা যেভাবে দেখানো হয় তার ‘সেক্সি লেগ’ তা সৌন্দর্যের থেকে সেস্কুয়ালিটিকেই বেশি তুলে ধরে। এর জন্য অবশ্য সমালোচকরা দায়ী করছেন ক্রিস্টিনের ম্যানেজার অর্থাৎ তার মাকে।
ক্রিস্টিনা পিমেনভ বিশ্বের এক নাম্বার সুন্দরী গার্ল

তাদের মতে প্রচার ও টাকা পয়সার জন্য ছোট্ট ক্রিস্টিনার সৌন্দর্যকে অন্যভাবে ব্যবহার করছেন ওর বাবা-মা। একথা অস্বীকার করে ক্রিস্টিনার মা, প্রাক্তন মডেল গিলকেরিয়া বলেছেন, ‘এইটুকু বাচ্চার খোলা পা দেখে যারা সেস্কুয়ালিটি কুঁজে পান তারা বিকৃত মনের মানুষ’। 
ক্রিস্টিনা পিমেনভ বিশ্বের এক নাম্বার সুন্দরী গার্ল

অদ্ভুতুড়ে 4:24 AM

মতিঝিল অফিস পাড়া কিংবা আরামবাগ, টিকাটুলি এবং আশপাশের এলাকার ভোজন বিলাসী মানুষগুলোর কথা ভেবে নতুন মাত্রা নিয়ে আসছে নতুন রেস্তোরাঁ ‘ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট’। নামেই যেন খাবারের তৃপ্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এই রেস্তোরাঁ। নটরডেম কলেজের বিপরীতে ব্র্যাক ব্যাংকের পাশেই আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে এ রেস্তরাঁটি। এটি হবে মূলত ইন্ডিয়ান এবং বাংলা খাবারের কম্বিনেশন। ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট হতে যাচ্ছে এইচ-কিউ গ্রুপের একটি তত্ত্বাবধানে একটি নতুন ধরনের খাবার দোকান। 

 


তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং নতুন নতুন সব অফার এবং রেসিপির খবর জানতে তাদের ফেসবুক পেইজে ঘুরে আসতে পারেন -fb.com/IndianSpicyRestaurant

Powered by Blogger.