অদ্ভুতুড়ে 10:48 PM
সিরিয়ায় রুশ এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান খুব কাছাকাছি উড়ছে। শিগগিরই হয়তো ইরাকেও এমনটা হবে। ড্রোন উড়ছে সর্বত্র। একটা দুর্ঘটনা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানগুলো বেশ ঝুঁকি নিয়ে উড়ছে। এখন মার্কিন স্থল বাহিনীও সিরিয়ায় প্রবেশ করতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক স্থাপনাযুক্ত সুবি রিফকে ঘিরে দেশটির টানা সমুদ্রসীমাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে মার্কিন মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন।

দক্ষিণ চীন সাগরে ডুবে থাকা আরও প্রবাল প্রাচীরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে চীন। বিবদমান সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপান দা-কুমড়ো অবস্থানে আছে। এ অঞ্চলে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানÑ সবারই দাবি আছে। কিন্তু চীন অন্য সব দেশের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।

বেইজিং বলছে, নতুন নতুন প্রবাল প্রাচীরে তৈরি করা কৃত্রিম দ্বীপগুলো বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য; কিন্তু তার এ কথা কেউই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণ চীন সাগরের ৮০ শতাংশের ওপর চীন তার কর্তৃত্বের দাবি করে। আর এ দ্বীপগুলো চীনের দখল বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এছাড়া বাণিজ্য, তেল আমদানি এবং মৎস্য আহরণের জন্য দ্বীপগুলো দরকারি। অতীতে স্রেফ নগণ্য প্রবাল প্রাচীর হিসেবে বিবেচিত পারাসেলস, স্কারবোরগ রিফ, ফিয়ারি ক্রস, সেনকাকু এবং সুবি রিফ হঠাৎই ভৌগোলিকভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের শক্তি প্রদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্ররাও উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের এ এলাকাকে চীন বলে ‘দ্য নাইন ড্যাশ জোন’। এখন এশীয় মিত্ররা সবাই আমেরিকার পেছনে লুকিয়ে প্রার্থনা করছে আঙ্কেল স্যাম এবার চীনের মুখোমুখি দাঁড়াক।

এ বিরোধে কার দাবি ন্যায্য? জেনেভার আন্তর্জাতিক আইনের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার মত হচ্ছেÑ আন্তর্জাতিক আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই সঠিক।

দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রবাল প্রাচীরের যে মালিকানা চীন দাবি করছে তা সঠিক নয়। চীনের দাবির ভিত্তি হচ্ছে কিছু তুচ্ছ ঐতিহাসিক দলিল এবং কিছু সংশয়ী ধর্মীয় ধ্বংসাবশেষ। এ ধরনের হেঁয়ালিপূর্ণ পদ্ধতিতেই ইসরাইল তার ভূমি দখলকে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম তীরে ইসরাইল যা করেছ চীনও এখানে ঠিক তাই করছে।

পুরো দক্ষিণ চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করে চীন পরিস্থিতি গরম করছে। এ জোন অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা তৈরি করবে। ২০১৩ সালে চীন যখন পূর্ব চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করেছিল, তখন মার্কিন বি-৫২ বিমান সরাসরি এ জোনে ঢুকে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী কর্মকা- অগ্রহণযোগ্য এবং সাগরে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাধাÑ যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সঠিক। নিজের অঞ্চলে সাগরে চলাচল এবং তার তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির নিরাপত্তার বিষয়ে চীন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সতর্ক। এটা চীনের অন্যতম জাতীয় স্বার্থ।

এটাও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইরাকে হামলা করেছে। এ হামলা একটি বড় ধরনের অপরাধ। অন্যদিকে তারা সিরিয়ায় বৈধ সরকারকে উৎখাতেরও চেষ্টা করছে।

সিরিয়ায় সব পক্ষের যুদ্ধবিমান বিপজ্জনকভাবে উড়ছে, যুদ্ধজাহাজও নড়াচড়া করছেÑ সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন সাগরে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব। আর জাপানের সমর্থনপুষ্ট মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো চীনের জন্য বোকামি হবে।

যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে চীনের নতুন মিত্র রাশিয়া কি তার পাশে দাঁড়াবে? নতুন নৌশক্তি ভারত কি তার প্রতিপক্ষ চীনের তেল সরবরাহের লাইফলাইন ধ্বংস করতে মাঠে নামবে? ১৯৭৯ সালের মতো চীন ও ভিয়েতনাম আবার যুদ্ধে জড়াবে? চীন কী শেষমেশ তাইওয়ানে হামলা করবে? বিপদ কিন্তু অনেক।

পরিস্থিতি ঠা-া রাখার জন্য মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চীন সাগরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করে উত্তর কোরিয়াকে চটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। একবার ভাবুন চীনের যুদ্ধজাহাজ যদি নিউইয়র্ক শহরের কাছে চলে আসে তাহলে সেটা যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেবে। এশিয়ার জলে যুক্তরাষ্ট্রকে কম শক্তি প্রদর্শন করতে হবে আর চীনের দরকার কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে ব্যবহার করা।

সিরিয়ায় রুশ এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান খুব কাছাকাছি উড়ছে। শিগগিরই হয়তো ইরাকেও এমনটা হবে। ড্রোন উড়ছে সর্বত্র। একটা দুর্ঘটনা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানগুলো বেশ ঝুঁকি নিয়ে উড়ছে। এখন মার্কিন স্থল বাহিনীও সিরিয়ায় প্রবেশ করতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক স্থাপনাযুক্ত সুবি রিফকে ঘিরে দেশটির টানা সমুদ্রসীমাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে মার্কিন মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন।

দক্ষিণ চীন সাগরে ডুবে থাকা আরও প্রবাল প্রাচীরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে চীন। বিবদমান সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপান দা-কুমড়ো অবস্থানে আছে। এ অঞ্চলে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানÑ সবারই দাবি আছে। কিন্তু চীন অন্য সব দেশের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।

বেইজিং বলছে, নতুন নতুন প্রবাল প্রাচীরে তৈরি করা কৃত্রিম দ্বীপগুলো বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য; কিন্তু তার এ কথা কেউই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণ চীন সাগরের ৮০ শতাংশের ওপর চীন তার কর্তৃত্বের দাবি করে। আর এ দ্বীপগুলো চীনের দখল বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এছাড়া বাণিজ্য, তেল আমদানি এবং মৎস্য আহরণের জন্য দ্বীপগুলো দরকারি। অতীতে স্রেফ নগণ্য প্রবাল প্রাচীর হিসেবে বিবেচিত পারাসেলস, স্কারবোরগ রিফ, ফিয়ারি ক্রস, সেনকাকু এবং সুবি রিফ হঠাৎই ভৌগোলিকভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের শক্তি প্রদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্ররাও উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের এ এলাকাকে চীন বলে ‘দ্য নাইন ড্যাশ জোন’। এখন এশীয় মিত্ররা সবাই আমেরিকার পেছনে লুকিয়ে প্রার্থনা করছে আঙ্কেল স্যাম এবার চীনের মুখোমুখি দাঁড়াক।

এ বিরোধে কার দাবি ন্যায্য? জেনেভার আন্তর্জাতিক আইনের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার মত হচ্ছেÑ আন্তর্জাতিক আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই সঠিক।

দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রবাল প্রাচীরের যে মালিকানা চীন দাবি করছে তা সঠিক নয়। চীনের দাবির ভিত্তি হচ্ছে কিছু তুচ্ছ ঐতিহাসিক দলিল এবং কিছু সংশয়ী ধর্মীয় ধ্বংসাবশেষ। এ ধরনের হেঁয়ালিপূর্ণ পদ্ধতিতেই ইসরাইল তার ভূমি দখলকে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম তীরে ইসরাইল যা করেছ চীনও এখানে ঠিক তাই করছে।

পুরো দক্ষিণ চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করে চীন পরিস্থিতি গরম করছে। এ জোন অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা তৈরি করবে। ২০১৩ সালে চীন যখন পূর্ব চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করেছিল, তখন মার্কিন বি-৫২ বিমান সরাসরি এ জোনে ঢুকে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী কর্মকা- অগ্রহণযোগ্য এবং সাগরে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাধাÑ যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সঠিক। নিজের অঞ্চলে সাগরে চলাচল এবং তার তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির নিরাপত্তার বিষয়ে চীন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সতর্ক। এটা চীনের অন্যতম জাতীয় স্বার্থ।

এটাও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইরাকে হামলা করেছে। এ হামলা একটি বড় ধরনের অপরাধ। অন্যদিকে তারা সিরিয়ায় বৈধ সরকারকে উৎখাতেরও চেষ্টা করছে।

সিরিয়ায় সব পক্ষের যুদ্ধবিমান বিপজ্জনকভাবে উড়ছে, যুদ্ধজাহাজও নড়াচড়া করছেÑ সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন সাগরে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব। আর জাপানের সমর্থনপুষ্ট মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো চীনের জন্য বোকামি হবে।

যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে চীনের নতুন মিত্র রাশিয়া কি তার পাশে দাঁড়াবে? নতুন নৌশক্তি ভারত কি তার প্রতিপক্ষ চীনের তেল সরবরাহের লাইফলাইন ধ্বংস করতে মাঠে নামবে? ১৯৭৯ সালের মতো চীন ও ভিয়েতনাম আবার যুদ্ধে জড়াবে? চীন কী শেষমেশ তাইওয়ানে হামলা করবে? বিপদ কিন্তু অনেক।

পরিস্থিতি ঠা-া রাখার জন্য মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চীন সাগরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করে উত্তর কোরিয়াকে চটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। একবার ভাবুন চীনের যুদ্ধজাহাজ যদি নিউইয়র্ক শহরের কাছে চলে আসে তাহলে সেটা যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেবে। এশিয়ার জলে যুক্তরাষ্ট্রকে কম শক্তি প্রদর্শন করতে হবে আর চীনের দরকার কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে ব্যবহার করা।
- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/online/opinion/2015/11/04/15301#sthash.vNzhng1U.dpuf
সিরিয়ায় রুশ এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান খুব কাছাকাছি উড়ছে। শিগগিরই হয়তো ইরাকেও এমনটা হবে। ড্রোন উড়ছে সর্বত্র। একটা দুর্ঘটনা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানগুলো বেশ ঝুঁকি নিয়ে উড়ছে। এখন মার্কিন স্থল বাহিনীও সিরিয়ায় প্রবেশ করতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক স্থাপনাযুক্ত সুবি রিফকে ঘিরে দেশটির টানা সমুদ্রসীমাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে মার্কিন মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন।

দক্ষিণ চীন সাগরে ডুবে থাকা আরও প্রবাল প্রাচীরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে চীন। বিবদমান সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপান দা-কুমড়ো অবস্থানে আছে। এ অঞ্চলে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানÑ সবারই দাবি আছে। কিন্তু চীন অন্য সব দেশের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।

বেইজিং বলছে, নতুন নতুন প্রবাল প্রাচীরে তৈরি করা কৃত্রিম দ্বীপগুলো বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য; কিন্তু তার এ কথা কেউই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণ চীন সাগরের ৮০ শতাংশের ওপর চীন তার কর্তৃত্বের দাবি করে। আর এ দ্বীপগুলো চীনের দখল বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এছাড়া বাণিজ্য, তেল আমদানি এবং মৎস্য আহরণের জন্য দ্বীপগুলো দরকারি। অতীতে স্রেফ নগণ্য প্রবাল প্রাচীর হিসেবে বিবেচিত পারাসেলস, স্কারবোরগ রিফ, ফিয়ারি ক্রস, সেনকাকু এবং সুবি রিফ হঠাৎই ভৌগোলিকভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের শক্তি প্রদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্ররাও উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের এ এলাকাকে চীন বলে ‘দ্য নাইন ড্যাশ জোন’। এখন এশীয় মিত্ররা সবাই আমেরিকার পেছনে লুকিয়ে প্রার্থনা করছে আঙ্কেল স্যাম এবার চীনের মুখোমুখি দাঁড়াক।

এ বিরোধে কার দাবি ন্যায্য? জেনেভার আন্তর্জাতিক আইনের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার মত হচ্ছেÑ আন্তর্জাতিক আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই সঠিক।

দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রবাল প্রাচীরের যে মালিকানা চীন দাবি করছে তা সঠিক নয়। চীনের দাবির ভিত্তি হচ্ছে কিছু তুচ্ছ ঐতিহাসিক দলিল এবং কিছু সংশয়ী ধর্মীয় ধ্বংসাবশেষ। এ ধরনের হেঁয়ালিপূর্ণ পদ্ধতিতেই ইসরাইল তার ভূমি দখলকে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম তীরে ইসরাইল যা করেছ চীনও এখানে ঠিক তাই করছে।

পুরো দক্ষিণ চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করে চীন পরিস্থিতি গরম করছে। এ জোন অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা তৈরি করবে। ২০১৩ সালে চীন যখন পূর্ব চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করেছিল, তখন মার্কিন বি-৫২ বিমান সরাসরি এ জোনে ঢুকে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী কর্মকা- অগ্রহণযোগ্য এবং সাগরে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাধাÑ যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সঠিক। নিজের অঞ্চলে সাগরে চলাচল এবং তার তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির নিরাপত্তার বিষয়ে চীন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সতর্ক। এটা চীনের অন্যতম জাতীয় স্বার্থ।

এটাও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইরাকে হামলা করেছে। এ হামলা একটি বড় ধরনের অপরাধ। অন্যদিকে তারা সিরিয়ায় বৈধ সরকারকে উৎখাতেরও চেষ্টা করছে।

সিরিয়ায় সব পক্ষের যুদ্ধবিমান বিপজ্জনকভাবে উড়ছে, যুদ্ধজাহাজও নড়াচড়া করছেÑ সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন সাগরে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব। আর জাপানের সমর্থনপুষ্ট মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো চীনের জন্য বোকামি হবে।

যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে চীনের নতুন মিত্র রাশিয়া কি তার পাশে দাঁড়াবে? নতুন নৌশক্তি ভারত কি তার প্রতিপক্ষ চীনের তেল সরবরাহের লাইফলাইন ধ্বংস করতে মাঠে নামবে? ১৯৭৯ সালের মতো চীন ও ভিয়েতনাম আবার যুদ্ধে জড়াবে? চীন কী শেষমেশ তাইওয়ানে হামলা করবে? বিপদ কিন্তু অনেক।

পরিস্থিতি ঠা-া রাখার জন্য মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চীন সাগরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করে উত্তর কোরিয়াকে চটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। একবার ভাবুন চীনের যুদ্ধজাহাজ যদি নিউইয়র্ক শহরের কাছে চলে আসে তাহলে সেটা যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেবে। এশিয়ার জলে যুক্তরাষ্ট্রকে কম শক্তি প্রদর্শন করতে হবে আর চীনের দরকার কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে ব্যবহার করা।
- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/online/opinion/2015/11/04/15301#sthash.vNzhng1U.dpuf
সিরিয়ায় রুশ এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান খুব কাছাকাছি উড়ছে। শিগগিরই হয়তো ইরাকেও এমনটা হবে। ড্রোন উড়ছে সর্বত্র। একটা দুর্ঘটনা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানগুলো বেশ ঝুঁকি নিয়ে উড়ছে। এখন মার্কিন স্থল বাহিনীও সিরিয়ায় প্রবেশ করতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক স্থাপনাযুক্ত সুবি রিফকে ঘিরে দেশটির টানা সমুদ্রসীমাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে মার্কিন মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন।

দক্ষিণ চীন সাগরে ডুবে থাকা আরও প্রবাল প্রাচীরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে চীন। বিবদমান সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপান দা-কুমড়ো অবস্থানে আছে। এ অঞ্চলে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানÑ সবারই দাবি আছে। কিন্তু চীন অন্য সব দেশের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।

বেইজিং বলছে, নতুন নতুন প্রবাল প্রাচীরে তৈরি করা কৃত্রিম দ্বীপগুলো বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য; কিন্তু তার এ কথা কেউই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণ চীন সাগরের ৮০ শতাংশের ওপর চীন তার কর্তৃত্বের দাবি করে। আর এ দ্বীপগুলো চীনের দখল বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এছাড়া বাণিজ্য, তেল আমদানি এবং মৎস্য আহরণের জন্য দ্বীপগুলো দরকারি। অতীতে স্রেফ নগণ্য প্রবাল প্রাচীর হিসেবে বিবেচিত পারাসেলস, স্কারবোরগ রিফ, ফিয়ারি ক্রস, সেনকাকু এবং সুবি রিফ হঠাৎই ভৌগোলিকভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের শক্তি প্রদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্ররাও উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের এ এলাকাকে চীন বলে ‘দ্য নাইন ড্যাশ জোন’। এখন এশীয় মিত্ররা সবাই আমেরিকার পেছনে লুকিয়ে প্রার্থনা করছে আঙ্কেল স্যাম এবার চীনের মুখোমুখি দাঁড়াক।

এ বিরোধে কার দাবি ন্যায্য? জেনেভার আন্তর্জাতিক আইনের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার মত হচ্ছেÑ আন্তর্জাতিক আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই সঠিক।

দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রবাল প্রাচীরের যে মালিকানা চীন দাবি করছে তা সঠিক নয়। চীনের দাবির ভিত্তি হচ্ছে কিছু তুচ্ছ ঐতিহাসিক দলিল এবং কিছু সংশয়ী ধর্মীয় ধ্বংসাবশেষ। এ ধরনের হেঁয়ালিপূর্ণ পদ্ধতিতেই ইসরাইল তার ভূমি দখলকে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম তীরে ইসরাইল যা করেছ চীনও এখানে ঠিক তাই করছে।

পুরো দক্ষিণ চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করে চীন পরিস্থিতি গরম করছে। এ জোন অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা তৈরি করবে। ২০১৩ সালে চীন যখন পূর্ব চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করেছিল, তখন মার্কিন বি-৫২ বিমান সরাসরি এ জোনে ঢুকে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী কর্মকা- অগ্রহণযোগ্য এবং সাগরে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাধাÑ যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সঠিক। নিজের অঞ্চলে সাগরে চলাচল এবং তার তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির নিরাপত্তার বিষয়ে চীন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সতর্ক। এটা চীনের অন্যতম জাতীয় স্বার্থ।

এটাও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইরাকে হামলা করেছে। এ হামলা একটি বড় ধরনের অপরাধ। অন্যদিকে তারা সিরিয়ায় বৈধ সরকারকে উৎখাতেরও চেষ্টা করছে।

সিরিয়ায় সব পক্ষের যুদ্ধবিমান বিপজ্জনকভাবে উড়ছে, যুদ্ধজাহাজও নড়াচড়া করছেÑ সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন সাগরে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব। আর জাপানের সমর্থনপুষ্ট মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো চীনের জন্য বোকামি হবে।

যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে চীনের নতুন মিত্র রাশিয়া কি তার পাশে দাঁড়াবে? নতুন নৌশক্তি ভারত কি তার প্রতিপক্ষ চীনের তেল সরবরাহের লাইফলাইন ধ্বংস করতে মাঠে নামবে? ১৯৭৯ সালের মতো চীন ও ভিয়েতনাম আবার যুদ্ধে জড়াবে? চীন কী শেষমেশ তাইওয়ানে হামলা করবে? বিপদ কিন্তু অনেক।

পরিস্থিতি ঠা-া রাখার জন্য মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চীন সাগরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করে উত্তর কোরিয়াকে চটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। একবার ভাবুন চীনের যুদ্ধজাহাজ যদি নিউইয়র্ক শহরের কাছে চলে আসে তাহলে সেটা যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেবে। এশিয়ার জলে যুক্তরাষ্ট্রকে কম শক্তি প্রদর্শন করতে হবে আর চীনের দরকার কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে ব্যবহার করা।
- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/online/opinion/2015/11/04/15301#sthash.vNzhng1U.dpuf
সিরিয়ায় রুশ এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান খুব কাছাকাছি উড়ছে। শিগগিরই হয়তো ইরাকেও এমনটা হবে। ড্রোন উড়ছে সর্বত্র। একটা দুর্ঘটনা যেন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বিমানগুলো বেশ ঝুঁকি নিয়ে উড়ছে। এখন মার্কিন স্থল বাহিনীও সিরিয়ায় প্রবেশ করতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক স্থাপনাযুক্ত সুবি রিফকে ঘিরে দেশটির টানা সমুদ্রসীমাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেছে মার্কিন মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন।

দক্ষিণ চীন সাগরে ডুবে থাকা আরও প্রবাল প্রাচীরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করছে চীন। বিবদমান সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপান দা-কুমড়ো অবস্থানে আছে। এ অঞ্চলে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানÑ সবারই দাবি আছে। কিন্তু চীন অন্য সব দেশের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।

বেইজিং বলছে, নতুন নতুন প্রবাল প্রাচীরে তৈরি করা কৃত্রিম দ্বীপগুলো বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য; কিন্তু তার এ কথা কেউই বিশ্বাস করে না। দক্ষিণ চীন সাগরের ৮০ শতাংশের ওপর চীন তার কর্তৃত্বের দাবি করে। আর এ দ্বীপগুলো চীনের দখল বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এছাড়া বাণিজ্য, তেল আমদানি এবং মৎস্য আহরণের জন্য দ্বীপগুলো দরকারি। অতীতে স্রেফ নগণ্য প্রবাল প্রাচীর হিসেবে বিবেচিত পারাসেলস, স্কারবোরগ রিফ, ফিয়ারি ক্রস, সেনকাকু এবং সুবি রিফ হঠাৎই ভৌগোলিকভাবে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীন, জাপান এবং ভিয়েতনামের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের শক্তি প্রদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এশীয় মিত্ররাও উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের এ এলাকাকে চীন বলে ‘দ্য নাইন ড্যাশ জোন’। এখন এশীয় মিত্ররা সবাই আমেরিকার পেছনে লুকিয়ে প্রার্থনা করছে আঙ্কেল স্যাম এবার চীনের মুখোমুখি দাঁড়াক।

এ বিরোধে কার দাবি ন্যায্য? জেনেভার আন্তর্জাতিক আইনের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার মত হচ্ছেÑ আন্তর্জাতিক আইনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই সঠিক।

দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রবাল প্রাচীরের যে মালিকানা চীন দাবি করছে তা সঠিক নয়। চীনের দাবির ভিত্তি হচ্ছে কিছু তুচ্ছ ঐতিহাসিক দলিল এবং কিছু সংশয়ী ধর্মীয় ধ্বংসাবশেষ। এ ধরনের হেঁয়ালিপূর্ণ পদ্ধতিতেই ইসরাইল তার ভূমি দখলকে ন্যায্যতা দেয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম তীরে ইসরাইল যা করেছ চীনও এখানে ঠিক তাই করছে।

পুরো দক্ষিণ চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করে চীন পরিস্থিতি গরম করছে। এ জোন অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা তৈরি করবে। ২০১৩ সালে চীন যখন পূর্ব চীন সাগরে এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোন ঘোষণা করেছিল, তখন মার্কিন বি-৫২ বিমান সরাসরি এ জোনে ঢুকে পড়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী কর্মকা- অগ্রহণযোগ্য এবং সাগরে স্বাধীন চলাচলের জন্য বাধাÑ যুক্তরাষ্ট্রের এ দাবি সঠিক। নিজের অঞ্চলে সাগরে চলাচল এবং তার তেল ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির নিরাপত্তার বিষয়ে চীন অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সতর্ক। এটা চীনের অন্যতম জাতীয় স্বার্থ।

এটাও সত্য যে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে ইরাকে হামলা করেছে। এ হামলা একটি বড় ধরনের অপরাধ। অন্যদিকে তারা সিরিয়ায় বৈধ সরকারকে উৎখাতেরও চেষ্টা করছে।

সিরিয়ায় সব পক্ষের যুদ্ধবিমান বিপজ্জনকভাবে উড়ছে, যুদ্ধজাহাজও নড়াচড়া করছেÑ সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন সাগরে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব। আর জাপানের সমর্থনপুষ্ট মার্কিন সপ্তম নৌবহরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো চীনের জন্য বোকামি হবে।

যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে চীনের নতুন মিত্র রাশিয়া কি তার পাশে দাঁড়াবে? নতুন নৌশক্তি ভারত কি তার প্রতিপক্ষ চীনের তেল সরবরাহের লাইফলাইন ধ্বংস করতে মাঠে নামবে? ১৯৭৯ সালের মতো চীন ও ভিয়েতনাম আবার যুদ্ধে জড়াবে? চীন কী শেষমেশ তাইওয়ানে হামলা করবে? বিপদ কিন্তু অনেক।

পরিস্থিতি ঠা-া রাখার জন্য মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চীন সাগরে ঘোরাঘুরি বন্ধ করে উত্তর কোরিয়াকে চটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। একবার ভাবুন চীনের যুদ্ধজাহাজ যদি নিউইয়র্ক শহরের কাছে চলে আসে তাহলে সেটা যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেবে। এশিয়ার জলে যুক্তরাষ্ট্রকে কম শক্তি প্রদর্শন করতে হবে আর চীনের দরকার কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে ব্যবহার করা।
- See more at: http://www.alokitobangladesh.com/online/opinion/2015/11/04/15301#sthash.vNzhng1U.dpuf

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Powered by Blogger.