প্রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন যেমন হাতের মুঠোয় গোটা বিশ্বকে নিমেষের মধ্যে এনে দেয়, ঠিক তেমনই খানিক বাদেই ফোনের চার্জও নিমেষের মধ্যে ফোন থেকে হাওয়া। তার ওপর গেমস খেলার নেশা থাকলে তো কথাই নেই। ফোনের সঙ্গে সঙ্গে চার্জারও সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে হবে। কখন কোথায় চার্জ শেষ হয়ে আপনার স্মার্টফোন চূড়ান্ত আনস্মার্ট হয়ে যায় কিছুই বলা যায় না।

এবার সে সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে চলেছে। গেমস খেলে ফোন রাখার পর দেখবেন নিজে থেকেই চার্জ আবার ফিরে আসছে। ম্যাজিক নয়, প্রযুক্তি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একদল মার্কিন বৈজ্ঞানিক এমন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিকে বিদ্যুতে পরিণত করে। ফলে এমন সমস্ত ডিভাইস যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ধরতে পারে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা সবই চার্জ করা সম্ভব হবে।

প্রযুক্তিটি একটি কেস বা কভারের মতো। যেটা ফোনের সিগন্যাল খুঁজতে খরচ হওয়া ৯০ শতাংশ চার্জ পুণরায় মোবাইলে পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে মোবাইল আপনা আপনি চার্জ হতে থাকে।
আমেরিকার নিকোলা ল্যাবস এবং ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তি বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু মোবাইলের ক্ষেত্রেই নয়, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাম্বেডেড সেন্সর এবং বিভিন্ন মেডিক্যাল যন্ত্রপাতিও চার্জ করার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এবার সে সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে চলেছে। গেমস খেলে ফোন রাখার পর দেখবেন নিজে থেকেই চার্জ আবার ফিরে আসছে। ম্যাজিক নয়, প্রযুক্তি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একদল মার্কিন বৈজ্ঞানিক এমন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিকে বিদ্যুতে পরিণত করে। ফলে এমন সমস্ত ডিভাইস যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ধরতে পারে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা সবই চার্জ করা সম্ভব হবে।
প্রযুক্তিটি একটি কেস বা কভারের মতো। যেটা ফোনের সিগন্যাল খুঁজতে খরচ হওয়া ৯০ শতাংশ চার্জ পুণরায় মোবাইলে পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে মোবাইল আপনা আপনি চার্জ হতে থাকে।
আমেরিকার নিকোলা ল্যাবস এবং ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তি বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু মোবাইলের ক্ষেত্রেই নয়, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাম্বেডেড সেন্সর এবং বিভিন্ন মেডিক্যাল যন্ত্রপাতিও চার্জ করার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
Post a Comment