গুগলের ডাইরেক্টর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং কুর্জওয়েল দাবি করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে করা অনেক দিনের গবেষণার সফলতা হাতের নাগাল পেয়েছেন।
চিন্তাবিদ রে কুর্জওয়েল বলেন, "কয়েক বছর অপেক্ষার পরই এই সফলতা পাওয়া যাবে। ২০৩০-এর দশকের শেষদিকে বা ২০৪০-এর দশকের প্রথমে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাপিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মানুষের সংমিশ্রিত চিন্তা মূলত হয়ে দাঁড়াবে অ-জৈবিক।"
এর ফলে মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নতি হবে বলে দাবি করছেন তিনি। তবে তাঁর মতে, এর সৃষ্টিকর্তা মানুষ। তাই এই অতিবুদ্ধিমত্তা মানুষের চাহিদা অনুযায়ীই নিয়ন্ত্রিত হবে।
কুর্জওয়েলের আরো দাবি করেন বলেন, "মানব দেহের ডিএনএ স্ট্র্যান্ডস থেকে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ন্যানোবোটের মাধ্যমে মস্তিষ্কের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ করা যাবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষ চিন্তাশক্তি বাড়াতে পারবে।"
চিন্তাবিদ রে কুর্জওয়েল বলেন, "কয়েক বছর অপেক্ষার পরই এই সফলতা পাওয়া যাবে। ২০৩০-এর দশকের শেষদিকে বা ২০৪০-এর দশকের প্রথমে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাপিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মানুষের সংমিশ্রিত চিন্তা মূলত হয়ে দাঁড়াবে অ-জৈবিক।"
এর ফলে মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নতি হবে বলে দাবি করছেন তিনি। তবে তাঁর মতে, এর সৃষ্টিকর্তা মানুষ। তাই এই অতিবুদ্ধিমত্তা মানুষের চাহিদা অনুযায়ীই নিয়ন্ত্রিত হবে।
কুর্জওয়েলের আরো দাবি করেন বলেন, "মানব দেহের ডিএনএ স্ট্র্যান্ডস থেকে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ন্যানোবোটের মাধ্যমে মস্তিষ্কের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ করা যাবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষ চিন্তাশক্তি বাড়াতে পারবে।"
গুগলের ডাইরেক্টর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং কুর্জওয়েল দাবি করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে করা অনেক দিনের গবেষণার সফলতা হাতের নাগাল পেয়েছেন।
চিন্তাবিদ রে কুর্জওয়েল বলেন, "কয়েক বছর অপেক্ষার পরই এই সফলতা পাওয়া যাবে। ২০৩০-এর দশকের শেষদিকে বা ২০৪০-এর দশকের প্রথমে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাপিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মানুষের সংমিশ্রিত চিন্তা মূলত হয়ে দাঁড়াবে অ-জৈবিক।"
এর ফলে মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নতি হবে বলে দাবি করছেন তিনি। তবে তাঁর মতে, এর সৃষ্টিকর্তা মানুষ। তাই এই অতিবুদ্ধিমত্তা মানুষের চাহিদা অনুযায়ীই নিয়ন্ত্রিত হবে।
কুর্জওয়েলের আরো দাবি করেন বলেন, "মানব দেহের ডিএনএ স্ট্র্যান্ডস থেকে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ন্যানোবোটের মাধ্যমে মস্তিষ্কের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ করা যাবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষ চিন্তাশক্তি বাড়াতে পারবে।"
- See more at: http://www.poriborton.com/post/31361/%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE#sthash.votILM2P.dpuf
চিন্তাবিদ রে কুর্জওয়েল বলেন, "কয়েক বছর অপেক্ষার পরই এই সফলতা পাওয়া যাবে। ২০৩০-এর দশকের শেষদিকে বা ২০৪০-এর দশকের প্রথমে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাপিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মানুষের সংমিশ্রিত চিন্তা মূলত হয়ে দাঁড়াবে অ-জৈবিক।"
এর ফলে মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নতি হবে বলে দাবি করছেন তিনি। তবে তাঁর মতে, এর সৃষ্টিকর্তা মানুষ। তাই এই অতিবুদ্ধিমত্তা মানুষের চাহিদা অনুযায়ীই নিয়ন্ত্রিত হবে।
কুর্জওয়েলের আরো দাবি করেন বলেন, "মানব দেহের ডিএনএ স্ট্র্যান্ডস থেকে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ন্যানোবোটের মাধ্যমে মস্তিষ্কের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ করা যাবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষ চিন্তাশক্তি বাড়াতে পারবে।"
- See more at: http://www.poriborton.com/post/31361/%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE#sthash.votILM2P.dpuf
Post a Comment