এই আপডেটে (অন্যান্য সময়ের মতই
দুই মডেলের স্মার্টফোন প্রিমিয়াম মোবাইলের পাশাপাশি তুলনামূলক সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটের জন্য অ্যাপলের উপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করে। যদিও টিম কুক ইতোপূর্বে “সস্তা” আইফোন বাজারে আনার ব্যাপারে তাদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছিলেন, কিন্তু “অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়বহুল” ডিভাইস তৈরি করার পরিকল্পনা তাদের থাকতেই পারে।
পরবর্তী আইফোনের ফিচার লিস্ট সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু জানা না গেলেও অ্যাপলের ইতিহাস অনুযায়ী নতুন স্মার্টফোনে প্রসেসর, ক্যামেরা, অ্যাপ প্রভৃতি আপগ্রেড হতে পারে। এছাড়া আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের নতুন ভার্সন আসারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সাম্প্রতিককালে অ্যাপল পণ্যের বিরুদ্ধে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য না থাকার অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। আইফোনের প্রথম সংস্করণ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ইউজার ইন্টারফেস ও হার্ডওয়্যার ডিজাইনে নতুনত্বের ক্ষেত্রে গ্রাহক এবং প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা পূরণে অ্যাপলের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তবে এসকল অভিযোগের জবাব দিতে অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রেরর পেটেন্ট কর্তৃপক্ষ থেকে থ্রিডি ডিসপ্লে সমৃদ্ধ কনস্যুমার ডিভাইস (আইফোন) প্রযুক্তির মেধাস্বত্ব নিয়ে নিয়েছে কোম্পানিটি। এখন দেখা যাক কবে নাগাদ বাজারে আসে নতুন এই ত্রিমাত্রিক স্মার্টফোন।
Post a Comment