১১ মাসের শিশুকে একা আকাশে উড়তে পাঠালেন বাবা-মা। প্যারাসেইলিং নামক একটি এডভেঞ্চার স্পোর্টসকে আরো জনপ্রিয় করে তুলতে এই প্রয়াস। ঘটনাটি ঘটার পর এই এডভেঞ্চার উড়ানের আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধেও পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার কান্নুরের মুজাপিলানগাদ সৈকততীরে।
কোঝিকোরের একটি এডভেঞ্চার স্পোর্টস সংস্থা মালাবার এরোস্পোর্টস সোসাইটি এই প্যারাসেইলিং-এর উদ্যোক্তা। ১১ মাসের শিশুটি ওই সংস্থা সচিবের দৌহিত্রী।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ঐ আয়োজনে শিশুটি ১০০ ফুট ওপরে পাঠানো হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ প্রধান পি এন উন্নিরাজন। তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন। জেলা পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন, তিনি অনুষ্ঠানটির সূচনা করার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, বাচ্চাটিকে একা পাঠানো হবে না, সঙ্গে তার বাবাকে পাঠানো হবে। এমনকি সংস্থাটি এও দাবি করেছে যে প্যারাসেইলিং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ওই শিশুটিকে দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটির এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, প্যারাসেইলিং শেখার উপযুক্ত বয়স ১১ মাস হতে পারে না। সেই সাথে প্যারাসেইলিং এর সময় শিশুটির হৃদয় বিদারক কান্না প্রমান করে পূর্ব কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই শিশুটিকে পাঠানো হয় আকাশে।
জেলার পর্যটন প্রচার কাউন্সিল জানিয়েছে এই ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। পড়ে অবশ্য তাঁদের কাছে সংস্থার পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা অর্থাৎ শিশুটির দাদু সফর আহমেদ জানিয়েছেন, এটা কোনও বানিজ্যিক অনুষ্ঠান ছিল না। তাই অনুমতির কোনো প্রয়োজন ছিল না।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ঐ আয়োজনে শিশুটি ১০০ ফুট ওপরে পাঠানো হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ প্রধান পি এন উন্নিরাজন। তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন। জেলা পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন, তিনি অনুষ্ঠানটির সূচনা করার সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, বাচ্চাটিকে একা পাঠানো হবে না, সঙ্গে তার বাবাকে পাঠানো হবে। এমনকি সংস্থাটি এও দাবি করেছে যে প্যারাসেইলিং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ওই শিশুটিকে দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটির এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, প্যারাসেইলিং শেখার উপযুক্ত বয়স ১১ মাস হতে পারে না। সেই সাথে প্যারাসেইলিং এর সময় শিশুটির হৃদয় বিদারক কান্না প্রমান করে পূর্ব কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই শিশুটিকে পাঠানো হয় আকাশে।
জেলার পর্যটন প্রচার কাউন্সিল জানিয়েছে এই ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। পড়ে অবশ্য তাঁদের কাছে সংস্থার পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা অর্থাৎ শিশুটির দাদু সফর আহমেদ জানিয়েছেন, এটা কোনও বানিজ্যিক অনুষ্ঠান ছিল না। তাই অনুমতির কোনো প্রয়োজন ছিল না।
ভিডিও:
Post a Comment