বর্তমান সময়ে তরুণ-তরুণীরা প্রতিদিন গড়ে এক ঘণ্টা সময় ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ব্যয় করেন। ভারতের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার রপ্তানিকারক কম্পানি টিসিএসের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এই চমকপ্রদ তথ্য। ভারতের ১৪টি শহরে ১২ হাজার ৩৬৫ জন কিশোর-কিশোরীর ওপর এ জরিপ চালানো হয়। ক্লাস ৮ থেকে ১২ পড়ুয়া সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমবিষয়ক নানা প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছে তাদের অভিমত। অংশগ্রহণকারীদের সবাই জানান, দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টা সময় দেন তাঁরা ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। তিন-চতুর্থাংশের হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন, যা দিয়ে মুহূর্তেই তারা প্রবেশ করেন অনলাইনের বিশাল এক দুনিয়ায়।

অন্যদিকে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। জরিপে অংশ নেওয়া ৭২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী বলেছেন, তাঁরা নিয়মিত এই অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এ ক্ষেত্রে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশ খানিকটা এগিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছেন তরুণ-তরুণীরা। আর এ ক্ষেত্রে প্রথম আসনটি দখল করে আছে ফেসবুক। কিন্তু এর পরের স্থান? সবার ধারণা হতে পারে, দ্বিতীয় স্থানে আছে মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটার। কিন্তু সবার ধারণা ভুল প্রমাণ করে এই স্থান দখল করে নিয়েছে গুগল প্লাস! সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান এ তথ্যই দিচ্ছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন। অন্যদিকে গুগল প্লাস ব্যবহার করেন ৬৫ শতাংশ। টুইটারের ব্যবহারকারী মাত্র ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ। তবে নেহাত যোগাযোগের জন্যই তাঁরা এই ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করেন না। ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানাচ্ছেন, তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন একাডেমিক অ্যাসাইনমেন্টের কাজে শরণাপন্ন হচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের। তবে পড়াশোনার কাজে অবশ্য সবাই উইকিপিডিয়াকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে রেখেছেন। ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ তাদের পড়াশোনার কাজে ঢুঁ মারেন উইকিপিডিয়ায়। অনলাইন ভিডিও টিউটোরিয়ালের সাহায্য নিচ্ছেন ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। জরিপে অংশ নেওয়া ৭২ শতাংশ কিশোর-কিশোরী বলেছেন, তাঁরা নিয়মিত এই অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এ ক্ষেত্রে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশ খানিকটা এগিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছেন তরুণ-তরুণীরা। আর এ ক্ষেত্রে প্রথম আসনটি দখল করে আছে ফেসবুক। কিন্তু এর পরের স্থান? সবার ধারণা হতে পারে, দ্বিতীয় স্থানে আছে মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটার। কিন্তু সবার ধারণা ভুল প্রমাণ করে এই স্থান দখল করে নিয়েছে গুগল প্লাস! সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান এ তথ্যই দিচ্ছে।
জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন। অন্যদিকে গুগল প্লাস ব্যবহার করেন ৬৫ শতাংশ। টুইটারের ব্যবহারকারী মাত্র ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ। তবে নেহাত যোগাযোগের জন্যই তাঁরা এই ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করেন না। ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানাচ্ছেন, তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন একাডেমিক অ্যাসাইনমেন্টের কাজে শরণাপন্ন হচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের। তবে পড়াশোনার কাজে অবশ্য সবাই উইকিপিডিয়াকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে রেখেছেন। ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ তাদের পড়াশোনার কাজে ঢুঁ মারেন উইকিপিডিয়ায়। অনলাইন ভিডিও টিউটোরিয়ালের সাহায্য নিচ্ছেন ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।
Post a Comment