![]() |
| Diamond from Candle |
হীরার চিকচিকে দ্যুতি কে মোমবাতির আলোর সাথে সবসময় তুলনা করা হয়ে থাকে, কিন্তু একটি নতুন গবেষণায় সাধারন কল্পনাকে বিজ্ঞানের সাহায্যে বাস্তবের নিকটে নিয়ে এসেছে । Wuzong Zhou হচ্ছেন The University of St Andrews এর রসায়নের অধ্যাপক তিনি বলেন মোমবাতির অগ্নিশিখায় লক্ষ-লক্ষ ক্ষুদ্রাকায় হীরক কণার অস্তিত্ব আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন । তিনি জানান, প্রতি সেকেন্ডে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির শিখা থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ ক্ষুদ্রাকায় হীরক কণা তৈরী হয় ।
প্রায় ২০০০ বছর পূর্বে প্রাচীন চীনে মোমবাতির উদ্ভব হলেও এতদিন এই রহস্য সকলের কাছেই অজানা ছিল যে- এই জ্বলন্ত মোমবাতির শিখায় কি কি পদার্থ বিদ্যমান । তার এই গবেষণা বিজ্ঞানকে এমন একটি রহস্যকে সমাধান করার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে, যা কিনা মানুষকে বছরের পর বছর ভুগিয়েছে ।
Mr. Zhou তার ছাত্র Zixue Su কে সাথে নিয়ে একটি নতুন স্যাম্পলিং টেকনিক ব্যবহার আবিষ্কার করেছেন যে, মোমবাতির জ্বলন্ত শিখার মধ্য হতে তিনি কণাগুলোকে সফল ভাবে অপসারণ করতে পেরেছেন, যা এর আগে কেউ সফল ভাবে করতে পারেনি । তিনি আবিষ্কার করেছেন যে, কার্বনের ৪টি রূপভেদই মোমবাতির শিখায় বিদ্যমান রয়েছে এবং এতে ফলে তিনি আশ্চর্য হয়ে জান, কারণ এই রূপভেদগুলো প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় তৈরী হয় । যদিও এই রূপভেদ কিভাবে তৈরী হয় তা এখনো অজানাই রয়ে গেছে । Dr. Zhou এর বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, হীরক কণাগুলো এ প্রক্রিয়াতে পুড়ে শেষ হয়ে যায় এবং তা কার্বন-ডাই-অক্সাইডে রূপান্তর হয় ।
গবেষকরা ধারণা করছেন যে এ গবেষণায় সফলতার মাধ্যমে সল্প খরচে বাণিজ্যিকভাবে হীরক উৎপাদন পক্রিয়া খুব দ্রুত বের করা সম্ভব হবে, এবং সেটা হবে পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব । আর তাই মোমবাতি নির্মাণ কোম্পানি সমূহের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এখন এই গবেষণা ।
হয়ত, এখন থেকে আপনি কোন জ্বলন্ত মোমবাতির শিখার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকলে মনে মনে ফুটে উঠবে কোন হীরকের প্রতিচ্ছবি । কি বলেন?

Post a Comment