অদ্ভুতুড়ে 1:48 AM
আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক জনপ্রিয় ভিডিও গেমসের মাধ্যমেই শিশুদের মধ্যে সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, সমকামিতা এবং চুরির প্রবণতা বাড়ছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ধর্মীয়, শিক্ষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা।

আরব নিউজে সৌদি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ভিডিও গেমসের মাধ্যমে ধর্ম, জাতীয়তাবাদ, পরিবার ও আবেগ থেকে শিশুরা ‘বিচ্ছিন্ন’ হয়ে পড়ছে।

সৌদি আরবের প্রেক্ষাপটে এসব ভিডিও গেমস সাত বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৩৫ বছরের যুবাদের কাছেও জনপ্রিয়।

তবে শুধু সৌদি আরবই নয়, ভিডিও গেমসের অপকারিতার বিষয়টি স্বীকার করেন বিশেষজ্ঞরাও। ভিডিও গেমস শিশুর শরীর ও মন- দুইয়েই ফেলে
ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব।

- ভিডিও গেমস খেলতে শুরু করলে এক ধরনের আসক্তি চলে আসে। ভিডিও গেমস খেলতে খেলতেই দিনের অনেকটা সময় কেটে যাওয়ায় শিশুদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসমস্যাও দেখা দেয়। তারা অলস হয়ে পড়ে এবং ব্যায়াম, সঠিক সময়ে ঘুম, গোসল ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে অবহেলা করে, চোখের ক্ষতি হয় এবং মাথাব্যথার প্রবণতা শুরু হয়।

- ভিডিও গেমস খেলা শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাহত হয়। সমস্ত মনোযোগ গেমসের দিকে থাকায় আশপাশের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শেখে না সে। ব্যাহত হয় প্রতিদিনের প্রায় সব কার্যক্রম, থাকে না সৃজনশীল কোনো কাজে উৎসাহ বা কোনো ধরনের শখ। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গ থেকে ন্যূনতম সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা না করতে পারার কারণে বিচ্ছিন্ন ও অসামাজিক হয়ে ওঠে।

- পর্দার সামনে অতিরিক্ত সময় একা কাটানোর ফলে তার চিন্তাশক্তি ব্যাহত হয়। সে আত্মকেন্দ্রিক ও লাজুক হয়ে ওঠে। আজকালকার দিনের গেমসগুলো মূলত সহিংস ধাঁচের হওয়ায় গেমসে আসক্ত শিশুরা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে না, নিজের ওপর থেকে চট করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।

- এক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ভিডিও গেমস খেলা মানব মস্তিষ্কের বিকাশকে ব্যাহত করে। কোনো কিছু শেখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় শিশুর, যার জের টানতে হয় আজীবন।

তাই সন্তান ভিডিও গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বাবা-মাকেই এবং প্রয়োজনে কঠোরভাবে তা নিয়ন্ত্রণও করতে হবে। প্রকৃতির নিয়মেই সবকিছুরই রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিক এবং একইসাথে কিছু ভালো দিকও। তাই তা প্রকৃতিই হোক, বা প্রযুক্তি- রয়েছে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজন।

আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক জনপ্রিয় ভিডিও গেমসের মাধ্যমেই শিশুদের মধ্যে সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, সমকামিতা এবং চুরির প্রবণতা বাড়ছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ধর্মীয়, শিক্ষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা।
আরব নিউজে সৌদি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ভিডিও গেমসের মাধ্যমে ধর্ম, জাতীয়তাবাদ, পরিবার ও আবেগ থেকে শিশুরা ‘বিচ্ছিন্ন’ হয়ে পড়ছে।
সৌদি আরবের প্রেক্ষাপটে এসব ভিডিও গেমস সাত বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৩৫ বছরের যুবাদের কাছেও জনপ্রিয়।
তবে শুধু সৌদি আরবই নয়, ভিডিও গেমসের অপকারিতার বিষয়টি স্বীকার করেন বিশেষজ্ঞরাও। ভিডিও গেমস শিশুর শরীর ও মন- দুইয়েই ফেলে ভীষণ নেতিবাচক প্রভাব।
- ভিডিও গেমস খেলতে শুরু করলে এক ধরনের আসক্তি চলে আসে। ভিডিও গেমস খেলতে খেলতেই দিনের অনেকটা সময় কেটে যাওয়ায় শিশুদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসমস্যাও দেখা দেয়। তারা অলস হয়ে পড়ে এবং ব্যায়াম, সঠিক সময়ে ঘুম, গোসল ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে অবহেলা করে, চোখের ক্ষতি হয় এবং মাথাব্যথার প্রবণতা শুরু হয়।
- ভিডিও গেমস খেলা শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাহত হয়। সমস্ত মনোযোগ গেমসের দিকে থাকায় আশপাশের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শেখে না সে। ব্যাহত হয় প্রতিদিনের প্রায় সব কার্যক্রম, থাকে না সৃজনশীল কোনো কাজে উৎসাহ বা কোনো ধরনের শখ। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গ থেকে ন্যূনতম সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা না করতে পারার কারণে বিচ্ছিন্ন ও অসামাজিক হয়ে ওঠে।
- পর্দার সামনে অতিরিক্ত সময় একা কাটানোর ফলে তার চিন্তাশক্তি ব্যাহত হয়। সে আত্মকেন্দ্রিক ও লাজুক হয়ে ওঠে। আজকালকার দিনের গেমসগুলো মূলত সহিংস ধাঁচের হওয়ায় গেমসে আসক্ত শিশুরা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে না, নিজের ওপর থেকে চট করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
- এক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ভিডিও গেমস খেলা মানব মস্তিষ্কের বিকাশকে ব্যাহত করে। কোনো কিছু শেখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় শিশুর, যার জের টানতে হয় আজীবন।
তাই সন্তান ভিডিও গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বাবা-মাকেই এবং প্রয়োজনে কঠোরভাবে তা নিয়ন্ত্রণও করতে হবে। প্রকৃতির নিয়মেই সবকিছুরই রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিক এবং একইসাথে কিছু ভালো দিকও। তাই তা প্রকৃতিই হোক, বা প্রযুক্তি- রয়েছে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজন।
- See more at: http://www.poriborton.com/post/38953/%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE#sthash.Yw51zSGy.dpuf

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Powered by Blogger.