Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 1:20 AM

Facebook নতুন পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার ট্রিক্সের সাহায্যে হ্যাক করতে পারবেন আপনার BF/GF এর একাউন্ট। সে জন্য জেনে রাখুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এর এই নতুন পথ সম্পর্কে। FB পাসওয়ার্ড উদ্ধার করার জন্য সম্প্রতি ফেসবুক “তিনটি Trusted  বন্ধু” ব্যবহারের মাধ্যমে একটি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। আপনার ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার ফেসবুক এর তিন বন্ধুর কাছে  নিরাপত্তা কোড পাঠাতে হবে। তারপর আপনার তিন বন্ধুর কাছে নিরাপত্তা কোড জিজ্ঞাসা করতে হবে এবং FB কে ওই কোড দেবার পর আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। আমাদের শুধু তিনটি ফেইক  FB অ্যাকাউন্ট তৈরি  করতে  এবং তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে। ভিক্টিমকে ​​বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ করতে হবে। এখন আমরা শিকার ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে এই উপরের “তিন বিশ্বস্ত বন্ধু” বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করতে পারি। নিম্নে তার দিক নির্দেশিকা দেওয়া হল:




নোট: তিনটা একাউন্ট অবশ্যই সাত দিনের পুরোনো হতে হবে। তাছাড়া এ ট্রিক্স কাজে আসবে না।

১. ফেসবুক.কম এ লগিন পেজে যান। Forgot Password এ ক্লিক করুন।

২. এখন ভিকটিম এর ফেসবুক ‍একাউন্ট ইমেইল অথবা username or Profile name এবং সার্চ করুন।তারপর আপনি ভিকটিমের প্রোফাইল একাউন্ট পাবেন।This is my Account এ ক্লিক করুন।

৩. “No longer have access to this” এ ক্লিক করুন

৪. এখন নতুন ইমেইল এড্রেস চাবে। আপনার নিজের একটি ইমেইল দিন

৫. এখন ফেসবুক আপনাকে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনের উত্তর দিতে বলবে। ভয় পাবেন না, তিন বার চেষ্টা করুন। তার পর আপনাকে নতুন একটি পেজে নিয়ে যাবে।

৬. এটাই হচ্ছে মেইন পার্ট । “Continue” তে ক্লিক করুন এবং ফেবু আপনাকে তিনটি ট্রাস্টড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করতে বলবে। এখানে ভিকটিমের ফুল ফ্রেন্ডলিস্ট দেখাবে।আপনার তৈরিকৃত তিনটি একাউন্টও দেখাবে।তখন আপনি এই তিনটি একাউন্ট সিলেক্ট করুন। আপনার এই তিন একাউন্টে চলে যাবে ‍সিকিউরিটি কোড। কোডগুলো নিয়ে প্রবেশ করুন। তারপর ফেসবুক পাসওয়ার্ড রিকভারি ইমেইল পাঠাবে। এভাবে আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।

দয়া করে কারও ক্ষতি করবেন না এবং এর জন্য লেখক দায়ী নয়।

অদ্ভুতুড়ে 12:23 AM

হ্যাকারদের হামলায় পোল্যান্ডের এলওটি এয়ারলাইন্সের বেশ কয়েকটি বিমানের যাত্রা বাতিল করতে হয়েছে। ফ্লাইট পরিকল্পনার জন্য ব্যবহৃত গ্রাউন্ড কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ায় রোববার পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশের চোপিন বিমানবন্দরে এলওটি এয়ারলাইন্সের ১০টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

পোল্যান্ড এয়ারলাইন্সে হ্যাকিং, এয়ারলাইন্স হ্যাক হয়েছে পোল্যান্ডের


 
বিমানের প্রায় ১৪০০ যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। একইঙ্গে  যাত্রা বিঘ্নিত হয় আরো ডজনখানেক ফ্লাইটের।

অবশ্য চোপিন বিমানবন্দরের মুখপাত্র আদ্রিয়ান কুবিককি দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা আক্রান্ত হলেও বিমানবন্দরের কার্যক্রম আক্রান্ত হয়নি।

তবে চোপিন বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড কম্পিউটার সিস্টেম স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে সময় লেগেছিল প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লেগেছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

আদ্রিয়ান জানান, যে সব যাত্রীকে নামিয়ে আনা হয়েছিল তাদের কিছু অংশ দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফের বিমানে চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে পারলেও অধিকাংশই তা পারেননি। আটকে পড়া যাত্রীদের রোববার সন্ধ্যায় গন্তব্যে যেতে বিশেষ সেবায় দেয়া হয়েছে।

ফ্লাইট বাতিলের পর যেসব যাত্রী রাতে বাসায় ফিরতে পারেননি তাদের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, ফ্লাইটগুলোর নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেয়া হয়নি। সাইবার হামলার ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

আদ্রিয়ান জানান, অন্যান্য বিমানবন্দর থেকে ওয়ারস বিমানবন্দরে আসা বিমানগুলো নিরাপদেই অবতরণ করেছে। অন্য কোনো বিমানবন্দরে এ ঘটনার প্রভাব পড়েনি।

অদ্ভুতুড়ে 11:47 PM

অ্যাডেন পিরেসকে নিয়েই গল্পটা শুরু, যিনি অনেক বড় একজন হ্যাকার। তার মেন্টর ডেমিয়েন ব্রিনক্সের সঙ্গে ইলেকট্রনিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তা সাফাই করাই তার পেশা। সোজা ভাষায় অনলাইন ডাকাতি।

হ্যাকার হ্যাকার খেলা, এবার আপনিও হয়ে যান একজন দক্ষ হ্যাকার, watch-dogs,


গেমেই যখন আপনি হ্যাকার হয়ে যাচ্ছে, তবে আর আটকায় কে। ২০১২ সালের অক্টোবরে তারা মারলেট হোটেলে অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নিয়েছিল। অভিযানে অ্যাডেন ছিল হোটেলের লবিতে। তার স্মার্টফোনের মাধ্যমে ডেটা পাচার করেছে ডেমিয়েনের কাছে। আর ডেমিয়েন বাইরের কোনো জায়গা থেকে অ্যাকাউন্ট চুরি করছিল। এমন সময় কম্পিউটার সিস্টেমে অন্য একজন হ্যাকার ঢোকে।
হ্যাকার হ্যাকার খেলা, এবার আপনিও হয়ে যান একজন দক্ষ হ্যাকার, watch-dogs,
অতি আত্মবিশ্বাসী ডেমিয়েন নতুন এই হ্যাকারের পরিচয় জানার চেষ্টা করে। ২০১৪ সালের মে মাসে এমন কাহিনির গেম ওয়াচডগস নিয়ে এসেছে ইউবিসফট। অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার এই গেম উইন্ডোজ, প্লে-স্টেশন ৩ ও ৪, এক্সবক্স ৩৬০ ও এক্সবক্স ওয়ানে চলে।

ইউবিসফট প্রতিটি গেমে নতুন কিছু আনার চেষ্টা করে। তবে ওয়াচডগস একেবারেই অন্য রকম। শুধু হ্যাকিং করে অনেক অভিযান শেষ করে ফেলতে পারবেন একটিও বুলেট খরচ না করে। গেমটিতে রয়েছে প্রচুর পার্শ্ব অভিযান। আছে দক্ষতা বাড়ানোর সুবিধা।

ওয়াচডগসের মূল আকর্ষণ এর গ্রাফিকস বা শব্দ নয় এমনকি এর কাহিনীও নয়। গেমটিকে অসাধারণ করে তুলেছে এর পরবর্তী প্রজন্মের গেম খেলার ধরন।

অদ্ভুতুড়ে 12:23 AM

একদল সাইবার অপরাধী জার্মান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুন্ডেসটাগের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করেছে বলে জানা গেছে। কে বা কার হ্যাক করেছে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জনা যায়নি। 


এবার জার্মান পার্লামেন্ট হ্যাকারের কবলে,হ্যাকারের কবলে জার্মান পার্লামেন্ট, haker aateced to german parliament

পার্লামেন্টের এক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে হামলার এ বিষয়টি জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।

স্থানীয় নিউজ ম্যাগাজিন ডের স্পিগেল জানায়, সাম্পতিক এই হামলায় বুন্ডেসটাগের অভ্যন্তরীণ ডাটা নেটওয়ার্ক আক্রান্ত হয়েছে। সাইবার অপরাধীদের আক্রমণের বিষয়টি বেশ কিছুদিন আগেই বুঝতে পেরেছিলেন আইটি বিশেষজ্ঞরা। তবে এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি। প্রায় একই সময় জার্মানীর গোয়েন্দা সংস্থা সম্ভাব্য এ হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন সরকারের আইটি প্রতিরক্ষা বিভাগকে।

জার্মান সংসদের মুখপাত্র ইভা হাকি বলেন, সংসদের কম্পিউটার নেটওয়ার্কের বুন্ডেসটাগ আইটি সিস্টেম হ্যাক হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন এই মুখপাত্র। বর্তমানে জার্মান ফেডারেল অফিস ফর ইনফরমেশন সিকিউরিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

অদ্ভুতুড়ে 5:40 AM

Facebook নতুন পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার ট্রিক্সের সাহায্যে হ্যাক করতে পারবেন আপনার BF/GF এর একাউন্ট। সে জন্য জেনে রাখুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এর এই নতুন পথ সম্পর্কে। FB পাসওয়ার্ড উদ্ধার করার জন্য সম্প্রতি ফেসবুক “তিনটি Trusted  বন্ধু” ব্যবহারের মাধ্যমে একটি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। আপনার ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার ফেসবুক এর তিন বন্ধুর কাছে  নিরাপত্তা কোড পাঠাতে হবে। তারপর আপনার তিন বন্ধুর কাছে নিরাপত্তা কোড জিজ্ঞাসা করতে হবে এবং FB কে ওই কোড দেবার পর আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। আমাদের শুধু তিনটি ফেইক  FB অ্যাকাউন্ট তৈরি  করতে  এবং তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে। ভিক্টিমকে ​​বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ করতে হবে। এখন আমরা শিকার ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে এই উপরের “তিন বিশ্বস্ত বন্ধু” বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করতে পারি। নিম্নে তার দিক নির্দেশিকা দেওয়া হল:

নোট: তিনটা একাউন্ট অবশ্যই সাত দিনের পুরোনো হতে হবে। তাছাড়া এ ট্রিক্স কাজে আসবে না।

১. ফেসবুক.কম এ লগিন পেজে যান। Forgot Password এ ক্লিক করুন।

২. এখন ভিকটিম এর ফেসবুক ‍একাউন্ট ইমেইল অথবা username or Profile name এবং সার্চ করুন।তারপর আপনি ভিকটিমের প্রোফাইল একাউন্ট পাবেন।This is my Account এ ক্লিক করুন।

৩. “No longer have access to this” এ ক্লিক করুন

৪. এখন নতুন ইমেইল এড্রেস চাবে। আপনার নিজের একটি ইমেইল দিন

৫. এখন ফেসবুক আপনাকে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনের উত্তর দিতে বলবে। ভয় পাবেন না, তিন বার চেষ্টা করুন। তার পর আপনাকে নতুন একটি পেজে নিয়ে যাবে।

৬. এটাই হচ্ছে মেইন পার্ট । “Continue” তে ক্লিক করুন এবং ফেবু আপনাকে তিনটি ট্রাস্টড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করতে বলবে। এখানে ভিকটিমের ফুল ফ্রেন্ডলিস্ট দেখাবে।আপনার তৈরিকৃত তিনটি একাউন্টও দেখাবে।তখন আপনি এই তিনটি একাউন্ট সিলেক্ট করুন। আপনার এই তিন একাউন্টে চলে যাবে ‍সিকিউরিটি কোড। কোডগুলো নিয়ে প্রবেশ করুন। তারপর ফেসবুক পাসওয়ার্ড রিকভারি ইমেইল পাঠাবে। এভাবে আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।

দয়া করে কারও ক্ষতি করবেন না এবং এর জন্য লেখক দায়ী নয়।

অদ্ভুতুড়ে 4:42 AM

সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস নামক হোয়াটসঅ্যাপের একটি নতুন সংস্করণ উন্মুক্ত হোয়েছে বোলে জানা গেছে। তবে এরই মধ্যে ইন্টারনেটে উন্মুক্ত হয়েছে এই নামের একটি অ্যাপ। তবে এই অ্যাপটির ওয়েবসাইট বিশ্লেষণ করে বিজিআর জানিয়েছে, এই অ্যাপটি সম্পূর্ণ ভুয়া।

 

ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়, এই অ্যাপটি কোনভাবেই  হোয়াটসঅ্যাপের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ম্যালওয়্যার। আর এটি ইন্সটল করলে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন ব্যবহারকারীরা। ওয়েব সাইটটির হু ইজ এন্ট্রি থেকে দেখা গিয়েছে, এটি ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের নামে নেওয়া হয়নি। বিজিআর অ্যাপটির সোর্স কোড বিশ্লেষণ করে আরও দেখেছে, এতে আরও বেশ কিছু ওয়েবসাইটের লিংক রয়েছে যা কোনভাবেই হোয়াটসঅ্যাপের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।







অদ্ভুতুড়ে 12:42 AM
ফেসবুকে কিংবা অনলাইনে অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় আপনি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে জটিল পাসওয়ার্ড দিলেন। তার পরও দেখলেন, হ্যাক হয়ে যাচ্ছে আপনার অ্যাকাউন্ট! কারণ, পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে হ্যাকাররা আপনার বড় একটি ভুলের আশাতেই বসে থাকে। কিন্তু পাসওয়ার্ড দিতে গিয়ে কী কী ভুল করেন আপনি? সম্প্রতি হাফিংটন পোস্টের একটি ব্লগে সে প্রসঙ্গটিই উঠে এসেছে। আপনি যথেষ্টই বুদ্ধিমান? আপনি হয়তো বুদ্ধিমান বলেই সহজে অনুমানযোগ্য ‘১২৩৪৫৬’ কিংবা ‘কোয়াটি’র মতো পাসওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করেন না। কারণ, পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় আপনি একটু বুদ্ধি খাটান। নিশ্চয়ই আপনার এখনকার পাসওয়ার্ডগুলো সেভাবেই দেওয়া। কিন্তু পাসওয়ার্ড গবেষকেরা সম্প্রতি দাবি করেছেন, আপনি যদি পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু স্বল্প-জানা ভুলগুলো না এড়িয়ে থাকেন, তবে আপনার পাসওয়ার্ডটিও যথেষ্ট নিরাপদ নয়। তবে জটিল আর সহজে হ্যাক করা যায় না এমন পাসওয়ার্ড কী হতে পারে? নিচের পাসওয়ার্ডগুলো একটু খেয়াল করে দেখুন
Zdhkqjbu83
74Xmbgdapw
Bmukwes3901!
lw;62v74y
বেশ জটিল পাসওয়ার্ড বলে মনে হচ্ছে? কিন্তু এগুলো ভেঙে ফেলার জন্যও হ্যাকারদের কাছে সহজ একটি পথ খোলা আছে। প্রতিটি পাসওয়ার্ড নয় অক্ষরের বেশি কিংবা তাতে অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন একত্রে রয়েছে। এত জটিল পাসওয়ার্ড কীভাবে এত দুর্বল হতে পারে? এর সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছে, এই পাসওয়ার্ডগুলো তৈরিতে পরিচিত কিছু পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে, যা এই পাসওয়ার্ডগুলোকেও দুর্বল করে দিয়েছে। হ্যাকাররাই এগিয়ে একজন হ্যাকার কীভাবে আপনার পাসওয়ার্ড
হাতিয়ে নিতে পারে? অধিকাংশ সময় গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক করে আপনার পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয় সাইবার দুর্বৃত্তরা।
সম্প্রতি হলিউডের তারকাদের ব্যক্তিগত ছবিও অ্যাপলের আইক্লাউড থেকে হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু পাসওয়ার্ড এমনভাবে সংরক্ষিত থাকে, যাতে কোনো মানুষের পক্ষে তা সরাসরি পড়া সম্ভব হয় না; তাই দুর্বৃত্তরা সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা হাতিয়ে নেয়। যখন পাসওয়ার্ডের গঠন সহজে অনুমান করা যায় এবং বড় হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে ছোট হাতের অক্ষর কিংবা এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে তা দ্রুত হ্যাক করা সম্ভব হয়। কোন পদ্ধতির পাসওয়ার্ড আপনার? হ্যাকারকে ঠেকাতে আপনি পাসওয়ার্ড দেওয়ার কোনো খেলা খেলেন? সম্প্রতি আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড কতটা অনুমানযোগ্য তা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। আপনি যে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন তাদের বেঁধে দেওয়া নীতিমালা মেনে নির্দিষ্ট সংখ্যা ও অক্ষর মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরও তা হ্যাক হয়ে যায়। গবেষকেরা বলছেন, একই পদ্ধতিতে বা ধরনে পাসওয়ার্ড তৈরি করাই এর
কারণ। ২০১৩ সালে ফেডারেল ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি (ডারপা) কোর লজিক নামের একটি নিরাপত্তা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা করায়। গবেষণায়, ফরচুন ১০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মাত্র পাঁচ ধরনের পদ্ধতিতে পাসওয়ার্ড দিয়েছেন। কোর লজিক জানিয়েছে, ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ১০০ ধরনের পদ্ধতি মেনে পাসওয়ার্ড দেন ব্যবহারকারীরা। সবচেয়ে পরিচিত তিনটি পাসওয়ার্ড দেওয়ার পদ্ধতি হচ্ছে

১. একটি বড় হাতের অক্ষর ও পাঁচটি ছোট হাতের অক্ষর তারপর দুটি সংখ্যা।

২. একটি বড় হাতের অক্ষর ও ছয়টি ছোট হাতের অক্ষর তারপর দুটি সংখ্যা।

৩. একটি বড় হাতের অক্ষর ও তিনটি ছোট হাতের অক্ষর তারপর শেষে চারটি সংখ্যা।

পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো প্রায়ই হয় কোর লজিকের তথ্য অনুযায়ী, পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে সব সময় সব ভুল এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু নিচের ভুলগুলো এড়াতে পারলেও একটি জটিল ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করা সম্ভব। কারণ, এই ভুলগুলো হরহামেশাই হতে দেখা যায়।

১. পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে শুরুতে একটি বড় হাতের অক্ষর ও পরে ছোট হাতের অক্ষর লেখা

২. পাসওয়ার্ডের দৈর্ঘ্য যখন স্বল্পদৈর্ঘ্যের হয়, তখন এক বা দুটি অক্ষর দিয়ে পাসওয়ার্ড শুরু করা

৩. অক্ষরের আগে বা পরে দুটি বা চারটি করে সংখ্যা লিখে দেওয়া

৪. যখন পাসওয়ার্ডের শেষে কোনো বিশেষ চিহ্ন দিতে হয়, তখন (!) বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা

৫. একই পাসওয়ার্ডে একই রকম দুটি বিশেষ অক্ষর ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড চেকারকে না যখন কোনো পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন তা নিরাপদ বা শক্তিশালী কি না তা পরীক্ষা করার জন্য অনলাইন কোনো টুল (পাসওয়ার্ড চেকার) ব্যবহার করবেন না।

হাউ সিকিউর ইজ মাই পাসওয়ার্ড, পাসওয়ার্ড মিটার, মাইক্রোসফট পাসওয়ার্ড চেকার, ক্যাসপারস্কি সিকিউর পাসওয়ার্ড চেক কোনোটিই যথেষ্ট নিরাপদ নয় বলেই হাফিংটন পোস্টের এক ব্লগে লিখেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জেফ ফক্স।

অদ্ভুতুড়ে 5:14 AM

সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্টে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করার জন্য হ্যাকারদের দল গার্ডিয়ানস অফ পিসকে (জি.ও.পি) প্রয়োজনীয় ডাটা সরবরাহ করেছিল। সনির গেইমিং নেটওয়ার্কের উপর সাইবার আক্রমণকারী হ্যাকারদের অপর দল লিজার্ড স্কোয়াড।

মার্কিন দৈনিক পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জি.ও.পি কে চুরি করা ডেটা সরবরাহ করার দাবি করেছেন লিজার্ড স্কোয়াডের এক সদস্য।  পরবর্তীতে জি.ও.পি সেসব ডেটার সহায়তায় সনি পিকচার্সে সাইবার হামলা চালায়। অন্যদিকে ওই একই ডেটার সহায়তায় লিজার্ড স্কোয়াডও বড়দিনে সনির প্লেস্টেশন নেটওয়ার্কে সাইবার আক্রমণ করে।


ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেকে লিজার্ড স্কোয়াডের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দাবি করা ঐ ব্যক্তি জানান, তাদের দল জি.ও.পি'র কিছু সংখ্যক সদস্যের সঙ্গে পরিচিত। তবে সনি পিকচার্সে জিওপি যে সাইবার আক্রমণ চালিয়েছিল তাতে লিজার্ড স্কোয়াড বড় কোনো ভূমিকা পালন করেনি বলে দাবি করেছেন তিনি। স্ব-ঘোষিত ওই লিজার্ড স্কোয়াড সদস্য আরও জানিয়েছেন, তারা শুধু কিছু সংখ্যক সনি কর্মকর্তার লগইন ডেটা জি.ও.পি কে দিয়েছিল, আর ওই ডেটার সাহায্যেই দলটি সনি নেটওয়ার্কে প্রাথমিক আক্রমণ শুরু করে। সম্প্রতি এসব তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় উত্তর কোরিয়া আসলেও সনি হ্যাকের জন্য দায়ী কি-না সে ব্যাপারে বেশ কিছু প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন বলেই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

অদ্ভুতুড়ে 3:02 AM
Facebook Developer Code
Facebook Developer Code

জানতে চান কিভাবে এক ক্লিক-এ ফেসবুক ফ্যান পেজের (Facebook Fan Page)  জন্য ফ্রেন্ডদের ইনভাইটেশন পাঠাবেন ? এই সহজ কিন্তু গোপন ট্রিক্স টি আপনার জন্য । আপনাকে একটু কষ্ট করে ম্যানুয়ালি করতে হবে সব গুলো কাজ । নিচের সব গুলো স্টেপ সঠিক ভাবে শেষ করুন তাহলেই হবে ।

১. আপনাকে এই কাজ তা করতে হবে ক্রম ব্রাউজার (Chrome browser) দিয়ে ।

২. "IMacros For Chrome" এক্সটেনশন টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন ।

৩. উপরের ডান দিকের  icon এ ক্লিক করে এক্সটেনশন টি ওপেন করুন ।

৪. .iim ফাইল টি রাইট ক্লিক করে ওপেন করুন ।

৫. তারপর "Edit Macro" সিলেক্ট করুন ।

৬. "Edit Macro" এর ভিতরে যদি কিছু থাকে তবে সব সিলেক্ট করে ডিলিট করুন ।

৭. এই লিঙ্ক া ক্লিক করে সব টেক্সট কপি করে পাস্তে করুন । => http://pastebin.com/raw.php?i=s5VC8qU5


৮. "Save As" সিলেক্ট করুন এবং পছন্দ মত নামে সেভ করুন ।

৯. "IMacro" window তে এই মাত্র সেভ করা Macro টি ওপেন করুন ।

১০. একদম নিচের Play বাটন এ ক্লিক করুন ।

১১. "max" box এ ভ্যালু "9999" করে দিন ।

১২. যে পেজ এর জন্য ইনভাইটেশন পাঠাবেন ওই পেজ টি ওপেন করুন ।

১৩. বাম দিকের "Invite People To This Page" সিলেক্ট করুন ।

১৪. "See All Friends" নির্বাচন করুন ।

১৫. একটু সময় ব্যয় করে Scroll করে একদম নিচে চলে জান ।

১৬. IMacro তে "Play Loop" ক্লিক করুন ।

১৭. এটি ইনভাইটেশন করা শুর করবে । মনের ভুলেও ট্যাব বা উইন্ডো বন্ধ করবেন না শেষ না হওয়া পর্যন্ত ।

আমি নিজে try করে আপনাদের কে দিলাম । কোন প্রকার কটু মন্তব্য করার পূর্বে সব গুলো ধাপ সঠিক ভাবে করেছেন কিনা চেক করে নিন । ধন্যবাদ ।

অদ্ভুতুড়ে 11:35 AM
ল্যাঙ্গুয়েজ- "LEET"
ল্যাঙ্গুয়েজ- "LEET"


আজকাল আমরা মোবাইল ম্যাসেজ , যেকোনো ম্যাসেঞ্জার বা ফেসবুক ব্যাবহার করছি । ম্যাসেজ লিখতে আমরা সবাই সংক্ষিপ্ত ভাষায় কথাবার্তা বয়লে থাকি । যেমন পৃথিবী কে p3b লিখি কিংবা FINE কে F9 লিখি । কিন্তু আপনি জানেন কেন এভাবে লিখেন ?এই প্রশ্নর জবাবে আপনি বলবেন যে আমি অন্যকে আম্ন সর্ট করে লিখতে দেখেছি তাই আমিও লিখেছি । এই  মিশ্রিত ভাষার নাম হচ্ছে লিট (LEET) ।



কিন্তু বর্ণ ও সংখ্যা কিভাবে এক সাথে হল তা জানেন কি? আর এই সংখ্যা আর বর্ণের মিলিত ভাষা কারাই বা ব্যাবহার করে? এই অদ্ভুত মিশ্রিত ভাষার নাম হচ্ছে লিট (LEET) । মূল শব্দকে লুকনোর জন্য লিট ভাষায় মূলত ASCII চিহ্ন ব্যবহার করা হয় ।  Bulletin Board System (BBS) এ ৮০ এর দশকে লিট ভাষার প্রথম ব্যবহার শুরু হয় । এই ভাষা সৃষ্টি হয় BBS মেম্বারদের মাঝে কোন সিক্রেট বা নিষিদ্ধ বিষয় নিয়ে বার্তা আদান প্রদান করার উদ্দেশে ।

ধারনা করা হয় ষাট এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এর স্বাভাবিক সম্পর্ক চলাকালীন সময় এ যুক্তরাষ্ট্র এর গোয়েন্দারা এর সুচনা করেন যেন গোপন তথ্য শত্রুর হাতে না পরে । কম্পিউটার হ্যাকিং এর সূচনা ৯০ এর দশক এ শুরু হলে এটি হয়ে ওঠে হ্যাকারদের ভাষা যাকে তারা নাম দেয় LEET বা 1337 1=L ; 3=E ; 7=T । আর বর্তমানে লিট ভাষা ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে অনলিন এর বিভিন্ন সাইট এর লগিন পাস ওয়ার্ড -এ ।



লিট ল্যাঙ্গুয়েজ-এ এক বা দ্বি সব্দগুচ্ছ দিয়ে আপনি আপনার মনের ভাব প্রকাশ করতে পারবেন । এই ল্যাঙ্গুয়েজ-এ ইংরেজি ব্যাকরণ ব্যবহারের কোন বাধা বা বিধি নেই ।
আমাদের ব্যবহার কৃত ইংরেজি কিছু বর্ণমালা লিট ভাষায় দেয়া হলো -








নিচে লিট ল্যাঙ্গুয়েজ-এ অক্ষরগুলোর ভ্যারিয়েশন দেয়া হল । মানে আপনি যেকোনো ভাবে সংকেত প্রকাশ করতে পারেন ।







লিট ভাষার কিছু শব্দ

you = j00
that = dat
look at = peep
newbie = n00b
why = y
and = SPamp dude = d00d
hacker = h4x0r
hello = ping to/two = 2
friends=n00bz

আপনি যদি লিট ভাষা ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনাকে বেশি কষ্ট করতে হবে না । আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ ডিফল্ট ভাষা হিসেবে ইংরেজি দেয়া আছে । শুধু সেখানে ঢুকে LEET SPEAK দিয়ে দিন ।
এছাড়া আপনি গুগলে  English to Leet বা Leet Translator লিখে সার্চ করলে এমন অনেক সাইট পাবেন । আর তাছাড়া এর জন্য রয়েছে পিডিএফ বই ও সফটওয়্যার । সবই আপনার অপেক্ষায় রয়েছে ।

তখন দেখবেন আপনার অচেনা অজানা শব্দগুলো কেমন চেনা জানা হয়ে ওঠেছে, আর এভাবেই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন লিট স্পিক এ পারদর্শী । চেষ্টা করেই দেখুন ।

অদ্ভুতুড়ে 11:35 AM 1
সাইবার ক্রাইম বা অপরাধ

দেশে দিন দিন বেড়েই চলেছে সাইবার অপরাধ। প্রযুক্তি পণ্যের সহজলভ্যতা এবং প্রাযুক্তিক বিষয়ক সুবিধা ব্যবহার করে অপরাধীরা দিনের পর দিন সাইবার অপরাধ করেই যাচ্ছে ।

সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক দেশে যখন থেকে কম দামে ক্যামেরাযুক্ত মোবাইলফোন সহজলভ্য হয়েছে তখন থেকেই এ সংক্রান্ত অপরাধের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ ছাড়া সাইবার অপরাধ সংঘটনে সহযোগী অনুষঙ্গ হিসেবে কমদামের ডিজিটাল ক্যামেরা, ল্যাপটপ , ট্যাব এবং গোপন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে সাইবার অপরাধীরা । এ ছাড়াও বিভিন্ন ভিডিও সেয়ারিং পোর্টাল যেমন ইউটিউব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে যে কোনও ধরনের ভিডিও আপলোড করার পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ হওয়ায় এক শ্রেণীর অসাধু বা প্রতারক ব্যবহারকারীরা একান্ত ব্যক্তিগত মূহুর্তের বা ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে প্রচার মাধ্যম হিসেবে এগুলোকে ব্যবহার করছে। নীচের ইউটিউব লিংক গুলতে ক্লিক রে দেখে নিন কিভাবে সাইবার অপরাধীরা একান্ত ব্যক্তিগত মূহুর্তের বা ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে বিপদে ফেলছে সাধারণ মানুষকে । ধ্বংস করছে হাজারো নারী, তরুন তরুণীদের জীবন ।

ইউটিউব লিংক ১  | ইউটিউব লিংক ২ | ইউটিউব লিংক ৩ | ইউটিউব লিংক ৪ | ইউটিউব লিংক ৫

সাইবার অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িতদের আসলেই কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। পুরো দুনিয়াই এদের অপরাধের ক্ষেত্র, বিশ্বকে তারা সাইবার অপরাধের একক ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিভিন্নভাবে এসব অপরাধী তাদের হীনকর কর্মকান্ড যথেচ্ছাই চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কোটি কোটি লোক। সাইবার অপরাধীরা এসব কর্মকান্ডকে তাদের আয় উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে এবং লাভজনকভাবে পুরো বিশ্বকে এক ভেবে ইন্টারনেটে অপরাধ করেই যাচ্ছে।

সাইবার অপরাধের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হাকিং ।  বিশ্বব্যাপী হ্যাকিং নিয়ে তোলপাড়। হ্যাকিং-এর পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বে বেড়েই চলেছে অনলাইন ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ।  সাইবার অপরাধ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র হয়ে পশ্চিম ইউরোপ, পূর্ব ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং এসব অপরাধ মূলত ডিজিটাল অপরাধসমূহ আর্থিকভাবে খুবই লোভনীয় হওয়ার পাশাপাশি এসব অপরাধের দন্ড প্রদান ব্যবস্থাও অপ্রতুল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের সাইবার অপরাধের দেশীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোন তথ্যপূর্ণ পরিসংখ্যান নেই। তবে তাদের অভিমত এই যে যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ সমস্যা বেড়েই চলেছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ হলো প্রতি ১ ঘন্টায় প্রায় ৩০০০০ স্প্যাম মেইল বিভিন্ন ইনবক্স আসে যার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফিশিং এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধনশীল অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশকে ভাবিয়ে তুলেছে।

বর্তমানে বিশ্বের সাইবার অপরাধ দমনে শুধু নিজ দেশ সচেষ্ট হলেই হবে না দেশী-বিদেশী সরকারি-বেসরকারি সকল খাতের সাথেই সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ মোকাবেলা করতে হবে। বাংলাদেশে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম এবং সাইবার অপরাধীর সংখ্যা । জানা গেছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আইটি ফরেনসিক শাখায় ২০১৩ সালে ৪০টি সাইবার অপরাধ মামলার আলামত পরীক্ষার জন্য জমা হয়। সিআইডি কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছেন, চলতি বছর এ সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি থেকে এপ্রিল) এ সংখ্যা ২৭ ছাড়িয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাইবার অপরাধের আলামতের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পর্নোগ্রাফি। এর পরের অবস্থানে রয়েছে সুপার ইম্পোজ (একজনের ছবির সঙ্গে অন্যের ছবি জোড়া দেওয়া) এবং ডাটা বা তথ্য চুরি (প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে) । এবং ২০১৪ সালে এই সমস্যা কয়েকশ গুন বেরে গেছে বলে ধারনা করছেন বিশেষজ্ঞরা । তবে আসার কথা হছে ,সাইবার অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করতে শিগগিরই আইন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এ সময় তিনি মন্ত্রী দেশের যে কোনো অঞ্চলে সাইবার অপরাধ হতে দেখলে বা জানতে পারলে ০১৭৬৬-৬৭৮৮৮৮ এই নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সেই সাথে এই ধরনের অপরাধ দমনে সর্বসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বর্তমান সময়ের কয়েকটি ক্ষতিকর কুখ্যাত সাইবার ক্রাইম টুল

ফিশিং স্প্যাম
এই টুলের মাধ্যমে সাধারণত ব্যাংক নোটিশ, ট্রাংক নম্বর ইত্যাদি মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে প্রেরণ করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তাদের তথ্য লুট সহ ব্যাংক একাউন্ট হতে অর্থ লুট করা হয়। 

স্টক স্প্যাম
স্টক স্প্যাম বিগত কয়েক বছরে এই স্প্যাম ওয়েব নিয়ে সাইবার অপরাধীরা ব্যাপক তৎপর । এর মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকদের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনতে অনুপ্রাণিত করে এবং নিজেরা এসব টাকা হাতিয়ে নেয়। ৫২ বছর বয়স্ক এলওন গত এক বছরে চাইনিজ স্টকের নামে প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন স্পাম মেইল পাঠিয়ে গ্রাহকদের ঠকিয়েছে। সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ সংস্থা সমূহ এসব নিয়ে কাজ করলেও লক্ষ লক্ষ অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

ডিডিওএস (ডিস্ট্রিবিউটেড ডেনিয়েল অব সার্ভিস)
ফিশার ও ডাটা চোররা যখন পারে তখন ডাটা চুরি করে। তাদের বহুল প্রচলিত ডিডিওএস এর মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যার লুকিয়ে গ্রহকদের পিসিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং এর মাধ্যমে তথ্য চুরি করে। মে মাসে ১৯ বছরের ফিমিত্রি গুজনার তার এহেন অপকর্মের স্বীকার করেন, সে কিভাবে বিভিন্ন সায়েন্স ওয়েব থেকে তথ্য লুট করে তা স্বীকার করেছে।

সটিংসটিং হলো অপরাধীদের নির্ধারিত ব্যক্তিদের ফোনের একাউন্টে অনুপ্রেবেশ করে ফোন একাউন্টের তথ্য নিয়ে কোম্পানিসমূহের তথ্য ও কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও তথ্য চুরি করা হয়। এর মাধ্যমে তারা গ্রাহক, ব্যক্তির ফোন ব্যবহার করে পুলিশকে ফোন দিয়ে বলা হয় যেন সোয়াত টিম পাঠিয়ে তার সমস্যা সমাধান করে এবং এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অযথাই হেনস্তা হন।

অভ্যন্তরীণ ডাটা চুরি
অনেকেই ইউএসবির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে পরিচিতজনদের তথ্য চুরি করে বিক্রি করে দেয় হ্যাকারদের কাছে। এর ফলে রিবুলো নামের একজন ধরা খেয়ে এখন ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত।

পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য চুরি
পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য বেশি জ্ঞানী হতে হয় না। শুধু আগ্রহী হয়ে একটু গবেষণা করলেই হয়। মূলত জন ডাটাবেজ হতে তথ্য নিয়ে কোন এক ‘লক্ষ্য’ ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য নিয়ে যেকোনো একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হ্যাকের মাধ্যমে প্রদান করে, ব্যাংকের কাছে আবেদন করে আক্রান্ত ব্যক্তির একাউন্ট হতে অর্থ তুলে লুট করা হয়।

এডওয়্যার
যদিও এডওয়্যার এখন তেমন ব্যাপক নয়, তবুও অপরাধীরা এখন এর মাধ্যমে করছে হাজার হাজার অপরাধ। লুটে নিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। এডওয়্যারের মাধ্যমে সহজে লক্ষ লক্ষ পিসি’তে ঢুকে সহজেই লক্ষ লক্ষ পিসি হ্যাক করা যায়। এ কাজ করে ৫ বছরের জেল হয়েছে ২১ বছরের বরার্ট মেথিউ-এর। অবশ্য এডওয়্যারে যারা ব্যাপক সংঘবদ্ধ এবং এ কাজ তারা একত্রিতভাবে টার্গেট করে, ফলে ব্যর্থতা কম, বরং ফলপ্রসূ।

নকল সফটওয়্যার
নকল সফটওয়্যার পরিবেশন ও বিক্রি একটি সাধারণ অপরাধ। যা সহজেই করা যায়। প্রতিদিন সফটওয়্যার নকল করার মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় এবং এক্ষেত্রে আয়ও অন্যান্য যেকোন অপরাধের চেয়ে বেশি, ঝুঁকিও কম। বিশ্বের বহু দেশে এখন ব্র্যান্ডের আইটেম সমূহ নকল করে বিক্রি হয় এবং সবাই তা ব্যবহারও করছে। 

সাইবার অপরাধীদের ব্যাপ্তি এখন সর্বত্র। ডিজিটাল যুগের সাইবার অপরাধীরা হলো ডিজিটাল অপরাধী, এদের দমন সত্যিই কষ্টসাধ্য হবে। তাই সবার এই বিষয়ে হতে হবে আরও বেসি সচেতন । বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পার্সোনাল তথ্য, ছবি এবং অনন্য সবকিছু আপলোড করার সময় হতে হবে আরও সাবধানী ।। 


অদ্ভুতুড়ে 9:57 AM
পৃথিবীর অন্যান্য সব দেশের তুলনায় আমাদের বাংলাদেশে ফ্রি সফটওয়্যার, পাইরেট সফটওয়্যার, ট্রা‌য়াল সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। যার অধিকাংশ আমরা ইন্টারনেট থেকে ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করে ব্যবহার করি। এই ধরনের সফটওয়ারের ক্ষেত্রে ট্রায়ালের নিদিষ্ট সীমা অতিক্রম হওয়ার পরই আমরা এই সফটওয়ার, গুলোর সিরিয়াল কি ইন্টারনেটে খুঁজে হয়রান হই।


অথচ একটু ভিন্ন ভাবে গুগল এ সার্চ করে আপনি খুঁজে বের করতে পারেন আপনার মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ খুব সহজেই আপনি যে সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ খুঁজছেন গুগলে সার্চ দেওয়ার সময় সেই সফটওয়্যারটি আগে লিখুন 94fbr অথবা সেই সফটওয়্যারটি (ভার্সন সহ) লিখে তার শেষে FBR94 লিখে সার্চ দিন।
দেখবেন গুগল শুধু সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ এর হাজার হাজার লিঙ্ক দিচ্ছে আপনাকে।
উদাহরণঃ
94fbr Microsoft Office
94fbr Kaspersky
94fbr Adobe Photoshop
অথবা
Microsoft Office FBR94
Kaspersky FBR94
Adobe Photoshop FBR94

আশা করি এখন থেকে আর কোন সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ নিয়ে সমস্যা হবে না।
ভাল লাগলে Comment করে জানাবেন।

অদ্ভুতুড়ে 10:16 PM


অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ বাস্তব ধর্মী এবং বহুমুখি স্পাই হ্যাকিং সফটওয়্যার ব্যাবহার করছে অপরাধি সনাক্ত করন এবং ধরার জন্য । এই স্পাই হ্যাকিং সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার এবং মোবাইল-এ নজরদারি করা যায় । 


ফিন ফিশার বা ফিন স্পাই নামের এই অসাধারন সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে জার্মান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গামা ইন্টারন্যাশনাল । এই সফটওয়্যারটি মূলত ইন্টেলিজেন্স এবং পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর কর্ম তৎপরতাকে আরও বৃদ্ধি করার জন্য তৈরি করা হয়েছে । এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কম্পিউটার এবং মোবাইলে সম্পূর্ণ গোপন ভাবে অনুপ্রবেশ করা সম্ভব হবে এবং এই সকল ডিভাইস এর থেকে স্ক্রীন সট নিতে পারবে । আরও অবাক করা ব্যাপার এর মধ্যে রয়েছে, এর মাধ্যমে স্কাইপি এবং ইনাস্ট্যান্ট মেসেঞ্জার এর কনভারসেশন পড়তে পারবে ও কম্পিউটার এর মাইক্রোফোন এবং ওয়েব ক্যাম এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে খুব সহজে । অপরাধি এই সম্পর্কে কিছুই জানতে পারবে না । 

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ ২.৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে এই সফটওয়্যারটির লাইসেন্স কিনেছে । তারা ২০১১ সাল থেকে এটি ব্যাবহার করছে এবং ২০১৪ তে এসে উইকিলিক্‌স এই তথ্য ফাঁশ করে দিল । নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ এই সফটওয়্যার ব্যাবহার এর কথা স্বীকার করে নিয়েছে । তাদের কাছে এই সফটওয়্যার এর নয়টি লাইসেন্স রয়েছে । 

কিন্তু এই পুলিশ সংস্থাটি ছারাও ওয়ার্ল্ড এর অন্যান্য সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান এই সফটওয়্যার এর জন্য ৭২ মিলিয়ন ডলার গুনছে । সফটওয়্যারটির মাধ্যমে অপরাধি বা টার্গেটকে ভার্চুয়ালি মনিটর করা যাবে এবং তার ডিভাইস-এ ভার্চুয়ালি ইন্সটল সফটওয়্যারটি করা যাবে ।

অদ্ভুতুড়ে 11:23 AM

আসুন সংক্ষেপে জেনে নেই কিভাবে বাঁচবেন হ্যাকারদের হাত হতে।

আমাদের কমবেশি সবারই ফেসবুক, টুইটার, ইয়াহু ও জিমেইলসহ নানা সাইটে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট আছে আর এরই সাথে এর নিরাপত্তা নিয়েও রয়েছে উদবিগ্নতা।
তাই আমাদের অ্যাকাউন্টকে হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচাতে  করতে হয় অনেক কিছুই। এরপরও পরতে হয় নানা ফাঁদে। হ্যাকার একটি কম্পিউটারের প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা, যার সহজ অর্থ চোর। এরা অবশ্য চোর হলেও যথেষ্ট ভালো ঘরের চোর কারণ এরা এখন সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছে যে, কোন কোন কারণে পিসি বা সাইট হ্যাক হয় বেশি। 

নিম্নে তা সংক্ষেপে দেয়া হলোঃ-

১.সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
২.পাসওয়ার্ড  ঘন ঘন পরিবর্তন করা,
৩.ওয়াইফাইয়ের ক্ষেত্রে  সাধারণত WPA বা WEP ব্যবহার হয় কিন্তু WPA2 ব্যবহার করাই শ্রেয়,
৪.ব্লু-টুথ অথবা ওয়াইফাই চালু রাখা,
৫.HTTPS এর সাইট ব্যবহার না করে HTTP সাইট ব্যবহার করা,

এছাড়াও আমারা facebook এর ক্ষেত্রে second verification ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টকে আরো নির্ভরযোগ্য করে তুলতে পারি।
সবশেষে বলবো, সতর্কতার কোন বিকল্প নেই। উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো একটু খেয়াল করে দেখলেই বা মেনে চললেই আশা করা যায় হ্যাকারদের হাত হতে বাঁচা সম্ভব।

আশা করি পোস্টটি আপনার উপকারে আসবে।

অদ্ভুতুড়ে 10:44 AM
হ্যাকার থেকে নিরাপদে থাকার কিছু টিপস...


প্রকৃত হ্যাকার থেকে নিরাপদ থাকার জন্য নিচের উপদেশ গুলো অনুসরণ করুন, ফলে আপনি অনলাইনে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন।

১. Wi-Fi এবং Bluetooth বন্ধ রাখা
সাধারণ অবস্থায় পিসি অথবা মোবাইল ফোনের Wi-Fi এবং Bluetooth বন্ধ রাখুন। প্রকৃত হ্যাকাররা এই ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকে। Wi-Fi এবং Bluetooth চালু থাকলে আপনার পিসি অথবা মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয় তথ্য একজন অপরিচিত বেক্তির কাছে খুব সহজেই চলে জেতে পারে, ফলে আপনি প্রতারণার শিকার হতে পাড়েন। এমনকি আপনি কথায় যাচ্ছেন আর কি করছেন টা একজন হ্যাকার খুব সহজেই জানতে পারে। তাই পিসি অথবা মোবাইল ফোনের Wi-Fi এবং Bluetooth চালু রাখা অনেক বড় সমস্যার কারন। সুতরাং আপনার প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলেই Wi-Fi এবং Bluetooth বন্ধ করে দিন।

হ্যাকার থেকে নিরাপদে থাকার কিছু টিপস...
২. two-step authentication ব্যাবহার করা
 বর্তমানে একটি পাসওয়ার্ড যথেষ্ট নয়। ই-মেইল কিংবা সামাজিক যোগাযোগ সাইট গুলোতে অতিরিক্তও নিরাপত্তার জন্য দুই ধাপে পাসওয়ার্ড দেয়াড় বেবস্থা করেছে। দ্বিতীয় ধাপের পাসওয়ার্ডটি হতে পারে মোবাইল এসএমএস কদ বা গোপন সংখ্যা। two-step authentication ব্যাবহার করারফলে হ্যাকার দের জন্য একটা বড় সমস্যা হয়ে দাড়ায় এবং আপনি নিরাপদে থক্তে পাড়েন।

৩.পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করার কৌশল
 আপনার সবচেয়ে সংবেদনশীল কিছু ওয়েবসাইটের (ই-মেইল, ব্যাংক) জন্য সক্রিয় বা ভিন্ন কৌশলের পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুন। পাসওয়ার্ড টি দীর্ঘ করুন। যেমন= + + hisPl @ tinumDr @ gonBreathesF1re মত। ফলে আপনার আশে পাশের লকেরা বা লুকায়িত হ্যাকাররা কখন আপনার দেয়া পাসওয়ার্ড নকল করতে পারবেনা এবং আপনি নিরাপদে থকবেন।

  প্রকৃত হ্যাকার থেকে নিরাপদ থাকার জন্য নিচের উপদেশ গুলো অনুসরণ করুন, ফলে আপনি অনলাইনে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন।   ১. Wi-Fi এবং Bluetooth বন্ধ রাখা সাধারণ অবস্থায় পিসি অথবা মোবাইল ফোনের Wi-Fi এবং Bluetooth বন্ধ রাখুন। প্রকৃত হ্যাকাররা এই ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকে। Wi-Fi এবং Bluetooth চালু থাকলে আপনার পিসি অথবা মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয় তথ্য একজন অপরিচিত বেক্তির কাছে খুব সহজেই চলে জেতে পারে, ফলে আপনি প্রতারণার শিকার হতে পাড়েন। এমনকি আপনি কথায় যাচ্ছেন আর কি করছেন টা একজন হ্যাকার খুব সহজেই জানতে পারে। তাই পিসি অথবা মোবাইল ফোনের Wi-Fi এবং Bluetooth চালু রাখা অনেক বড় সমস্যার কারন। সুতরাং আপনার প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলেই Wi-Fi এবং Bluetooth  বন্ধ করে দিন।  ২. two-step authentication ব্যাবহার করা   বর্তমানে একটি পাসওয়ার্ড যথেষ্ট নয়। ই-মেইল কিংবা সামাজিক যোগাযোগ সাইট গুলোতে অতিরিক্তও নিরাপত্তার জন্য দুই ধাপে পাসওয়ার্ড দেয়াড় বেবস্থা করেছে। দ্বিতীয় ধাপের পাসওয়ার্ডটি হতে পারে মোবাইল এসএমএস কদ বা গোপন সংখ্যা। two-step authentication ব্যাবহার করার ফলে হ্যাকার দের জন্য একটা বড় সমস্যা হয়ে দাড়ায় এবং আপনি নিরাপদে থক্তে পাড়েন।  ৩.পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করার কৌশল  আপনার সবচেয়ে সংবেদনশীল কিছু ওয়েবসাইটের (ই-মেইল, ব্যাংক) জন্য সক্রিয় বা ভিন্ন কৌশলের পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করুন। পাসওয়ার্ড টি দীর্ঘ করুন। যেমন= + + hisPl @ tinumDr @ gonBreathesF1re মত। ফলে আপনার আশে পাশের লকেরা বা লুকায়িত হ্যাকাররা কখন আপনার দেয়া পাসওয়ার্ড নকল করতে পারবেনা এবং আপনি নিরাপদে থকবেন।  ৪.প্রতিটি ওয়েবসাইটে HTTPS ব্যবহার করা  আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব সামাজিক সাইট, বেক্তিগত ওয়েব সাইট, ই-মেইল এবং আপনার অনলাইন ব্যাংক এর  মধ্যে  pro-privacy Electronic Frontier Foundation এর দ্বারা তৈরি HTTP tools ইন্সটল করতে পাড়েন। এটা আপনার  ব্রাউজার, কম্পিউটার এবং ওয়েবসাইট এর সমস্ত তথ্য  এনক্রিপ্ট এর মধ্যে প্রেরণ করে। যদি আপনি HTTP tools ব্যাবহার না করেন তাহলে যেকেউ আপনার ওয়েব স্ট্রাকচার দেখতে পাবে।
হ্যাকার থেকে নিরাপদে থাকার কিছু টিপস...

৪.প্রতিটি ওয়েবসাইটে HTTPS ব্যবহার করা
 আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব সামাজিক সাইট, বেক্তিগত ওয়েব সাইট, ই-মেইল এবং আপনার অনলাইন ব্যাংক এর  মধ্যে  pro-privacy Electronic Frontier Foundation এর দ্বারা তৈরি HTTP tools ইন্সটল করতে পাড়েন। এটা আপনার  ব্রাউজার, কম্পিউটার এবং ওয়েবসাইট এর সমস্ত তথ্য  এনক্রিপ্ট এর মধ্যে প্রেরণ করে। যদি আপনি HTTP tools ব্যাবহার না করেন তাহলে যেকেউ আপনার ওয়েব স্ট্রাকচার দেখতে পাবে।


অদ্ভুতুড়ে 9:29 AM
Windows 7
Windows 7

Windows 8 আশার পরেও Windows 7 ব্যাবহার কারির সংখ্যা বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি । সম্প্রতি যদিও Windows 9 বাজারে আশার অপেক্ষায় আছে । তবে যাই হোক আমরা Windows 7 যারা  ব্যবহার করি তারা Windows 7 কে  Genuine করে নিতে পারছি না ।


তাই আজ আমি আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার দিব যা দিয়ে আপনি আপনার Windows 7- কে Genuine করতে পারবেন । Windows 7 Loader নামের এই সফটওয়্যারটির দিয়ে এই কাজটি সহজে করতে পারবেন । খুব সহজেই আপনি আপনার Windows 7 কে Genuine করতে পারবেন ।

ইন্সটল করার সঠিক পদ্ধতিঃ-

১. প্রথমে এখান ক্লিক করে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন ।

২. Extract করার সফটওয়্যার দিয়ে Extract করুন ।

৩. .exe ফাইলটা এখন ইন্সটল দিন ।

৪. Restart করতে বললে একবার Restart করে নিবেন ।

অদ্ভুতুড়ে 8:41 AM
রিমুভ ফেসবুকের ইনঅ্যাক্টিভ ফ্রেন্ড
যাদের ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টে বন্ধুদের ছরাছরি এবং এত এত ফ্রেন্ড দের মাঝে আসল বা অ্যাক্টিভ বন্ধু খুজে পাচ্ছেন না তাদের জন্য একটাই রাস্তা সেটা হল ইনঅ্যাক্টিভ ফ্রেন্ড গুলোকে আনফ্রেন্ড করে দেওয়া । কিন্তু ফ্রেন্ড লিস্টে এত বেশি ফ্রেন্ড যে ইনঅ্যাক্টিভ দের খুঁজে বার করা দুঃসাধ্য হয়ে পরেছে । আমি আপনাদের কে গুগল ক্রম ব্রাউজার এর একটি এক্সটেনশন দেবো যা দিয়ে ডিঅ্যাক্টিভ করে দেওয়া আইডি গুলোকে অটোমেটিক রিমুভ করে দেবে এবং রিমুভ করা ফ্রেন্ড গুলোর একটা লিস্ট আপনাকে দেবে ।

গুগল ক্রম এক্সটেনশন
১) উপরের লিঙ্ক থেকে প্রথমে গুগল ক্রমের এক্সটেনশনটি অ্যাড করুন ।

২) এরপর ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্ট টা ওপেন করে ক্রমের ডান দিকে উপরে থাকা ফেসবুক এবং রোবট আইকনে ক্লিক করুন ।

৪) তার পর ছবির মত আসলে START-এ ক্লিক করুন এবং অপেক্ষা করুন ।

৫) ফ্রেন্ড রিমুভ করা হয়ে গেলে নতুন একটা পেজ আসবে আর আনফ্রেন্ড করে দেওয়া বন্ধুদের নাম আসবে ।

প্রয়োজনে ভিডিও টি দেখে নিন ।


আপনি চাইলে লিস্ট টা সেভ করেতে পারেন । পরবর্তীতে কাজে লাগতে পারে ফ্রেন্ড রিমুভ কররা কাজে । এখানে ইনঅ্যাক্টিভ আইডি বলতে আমি ডিঅ্যাক্টিভ হয়ে যাওয়া আইডি বুঝিয়েছি । আপনার ছবি বা পোস্ট এ লাইক বা কমেন্ট দেয় না এমন কাউকে ইনঅ্যাক্টিভ ফ্রেন্ড বলা হয়নি ।

অদ্ভুতুড়ে 9:40 AM
এটিএম স্কিমার হলো এটিএম বুথে বিপদজ্জনক ডিভাইসের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের অপরাধী। সারাবিশ্ব জুড়ে এটিএম স্কিমার একটি নতুন আতঙ্কের নাম। এই ধরনের স্কিমাররা এটিএম বুথে বিভিন্ন ডিভাইস স্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের এটিএম কার্ডের পিন নাম্বার নিয়ে নেন এবং তার মাধ্যমে টাকা চুরি করেন।



কিভাবে এটিএম স্কিমাররা তাদের অপরাধ সংগঠিত করে থাকেন?
একজন এটিএম স্কিমার বিশেষত দুটি কম্পোনেন্ট ব্যবহার করে থাকেন। প্রথম কম্পোনেন্টটি তারা এটিএম কার্ডের স্লটের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দেন। যখন আপনি আপনার এটিএম কার্ডটি স্লটের ভেতরে প্রবেশ করান তখন এটি আপনার কার্ডের বিস্তারিত তথ্য কপি করে নেয়। কার্ডটি স্লটের ভেতরে প্রবেশ করে তা দেখতে একেবারেই স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া মনে হয়ে থাকে। কিন্তু এর মধ্যেই আপনার কার্ডের যাবতীয় তথ্য ডিভাইসটির ম্যাগনেটিক স্ট্রিপে কপি করে নিয়েছে। আর দ্বিতীয় কম্পোনেন্টটি হলো একটি ক্যামেরা। এই ক্যামেরাটি এমন একটি জায়গায় স্থাপিত হয়ে থাকে যেন তা এটিএম স্লটের কিপ্যাডটি ভালোভাবে ধারন করতে পারে। এর ফলে গ্রাহকদের পিনকোডটি ধারণ করা সম্ভবপর হয়। পরবর্তীতে এটিএম স্কিমাররা এই এই দুটি কম্পোনেন্টের সকল তথ্যকে ব্যবহার করে নকল কার্ড তৈরি করে এবং তা দিয়ে বিভিন্ন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে নেয়। দিনকে দিন এই ধরনের স্কিমাররা প্রযুক্তিগতভাবে আরো উন্নত হয়ে উঠছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন এটিএম স্লটের কিপ্যাডের উপর পাতলা একটি কাগজ বসিয়ে দিচ্ছে কিংবা নকল নাম্বারপ্যাড বসিয়ে দিচ্ছে। এই ধরনের কিপ্যাডের মধ্যে ব্লুটুথ ডিভাইস দেওয়া থাকে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের পিনকোড গ্রহণ করা সম্ভব। গ্রাহকরা এই ধরনের কিপ্যাড ধরতেই পারছে না। ফলে তারা এটিএম স্কিমারের শিকার হচ্ছে।



কিভাবে এটিএম স্কিমার ডিভাইস ধরতে পারেন?
আপনার ব্যবহৃত এটিএম বুথের স্লটটিতে কি কোন ধরনের স্কিমার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছে তা কিছু ট্রিকস অনুসরণ করলে নিজেই বুঝতে পারবেন।
১. কার্ড রিডার স্লটে প্রবেশ কার্ড প্রবেশ করানোর সময় কার্ডটি যদি smoothly প্রবেশ না করে কিছুটা আটকে যায় তবে বুঝবেন এর ভেতরে স্কিমার ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে যা আপনার কার্ডের বাহ্যিক তথ্যগুলো ধারণ করবে। একটি ভালো কার্ডের স্লট হবে একবারে কার্ডের আকার অনুযায়ী স্বাভাবিক। সেখানে বহিরাগত কোন ডিভাইস প্রবেশ করালে তা কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি করে।
২. আপনার কার্ডটি স্লট মেশিনে প্রবেশের পূর্বে ভালোভাবে দেখে নিন যে সেখানে অস্বাভাবিক কোন কিছু মনে হচ্ছে কি? কেননা আপনি নিয়মিত টাকা তুলে থাকলে আপনার নিকট এটিএম বুথটি বেশ পরিচিত থাকবে। কিন্তু সেখানে স্কিমার যদি কিপ্যাড পরিবর্তন করে কিংবা কিপ্যাডের উপর পাতলা কোন স্বচ্ছ কাগজ ব্যবহার করে থাকে তবে তা আপনার চোখে লাগবে।
৩. এটিএম বুথের ভেতরের কোন ধরনের অস্বাভাবিক ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে কি লক্ষ্য করুন। চারপাশটি ভালোভাবে দেখে নিন কোন কিছু কি আপনার চোখে অস্বাভাবিক লাগছে।

কিছু সতর্কতা মেনে চলুনঃ
১. এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে কিপ্যাড ব্যবহারের সময় অপর হাত দিয়ে কিপ্যাডটি ঢেকে রাখুন এতে করে লুকানো ক্যামেরায় আপনার কোডটি ধারণ করা সম্ভবপর হবে না। তাছাড়া কিপ্যাডটি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। মনে রাখুন পুর্বের ট্রানজিকশনের সময় কি এই কিপ্যাডটিই ছিল কিনা।
২. নিয়মিত আপনার লেনদেনের হিসাব মনিটরিং করুন। আমাদের দেশে বিভিন্ন অনলাইন ব্যাংকিং তাদের গ্রাহকদের প্রতিটি ট্রাঞ্জিকশনের জন্য মোবাইল অ্যালার্ট দিয়ে থাকেন। এই সার্ভিসটি চালু রাখুন এতে করে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত কর যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 6:40 PM
ফাইল শেয়ার এর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম হলো টরেন্ট। আপনি যা চাইবেন তার সব কিছুই পাবেন টরেন্ট এর মাধ্যমে। গেমস, মুভি, মিউজিক ভিডিও, সফটওয়ার আরও কতো কি! টরেন্ট এর কিছু শব্দার্থ জেনে রাখুন, তাহলে টিউটোরিয়াল বুঝতে সুবিধা হবে। Torrent হলো P2P ফাইল শেয়ার। P2P হলো Peer 2 Peer। Peer হলো একই সময়ে ডাউনলোড ও আপলোড করে। যে আপলোড করে তাকে Seeds বলা হয়। যে সফটওয়ারের মাধ্যমে টরেন্ট ডাউনলোড করা হয় তাকে Client বলে। যে সার্ভারে টরেন্ট ফাইলটা রাখা হয় সেটাকে Tracker বলে। এরকমই একটা Tracker সফটওয়ার µTorrent কীভাবে ব্যবহার করবেন সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

uTorrent-logo-wallpaper_8339
প্রথমেই সরাসরি µTorrent এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে এটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে ফেলুন। এটার ইন্সটলেশন অন্যান্য সফটওয়ারের মতোই একদম সোজা। তবে ইন্সটলেশনের সময় অবশ্যই প্রতিটি পদক্ষেপ খেয়াল করবেন কারণ এতে বিজ্ঞাপণ হিসেবে আরও অন্য সফট ইন্সটল দিতে আপনাকে অনুরোধ করতে পারে, আপনি ওতে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিয়ে শুধুমাত্র µTorrent ইন্সটল করুন।
এবার টরেন্ট ফাইল কীভাবে খুঁজে বের করে ডাউনলোড করবেন, ছোট্ট একটা উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা পরিস্কার করে দিই। ধরুন, আপনি the butterfly effect মুভিটা নামাতে চাচ্ছেন। গুগলে গিয়ে সার্চ দিন এভাবে the butterfly effect+torrent লিখে। দেখুন, প্রথম লিঙ্কে দেখাচ্ছে, The.Butterfly.Effect[2004]DvDrip[Eng]-Zeus_Dias (download torrent …, লিঙ্কে ক্লিক করুন। সেখান থেকে নিম্নোক্ত ছবি অনুযায়ী ক্লিক করুন
torrent1
এরপর এমন একটি ডায়ালগ বক্স আসবে, ok করুন
torrent2
এরপর যে ডায়ালগ বক্স আসবে সেখান থেকে save in এ ব্রাউজ করে আপনার ফাইলটি ড্রাইভের কোথায় সেভ করবেন সেটি দেখিয়ে দিন।
torrent4
এরপর ok করুন
torrent3
এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, দেখুন আপনার কাংখিত মুভিটি নামা শুরু হয়েছে, নীচের ছবি লক্ষ্য করুন
torrent5
ছোট্ট একটা বাড়তি কাজ বাকী আছে। যারা লিমিটেড নেট ব্যবহার করেন তাদের ব্যান্ডউইথ বাঁচিয়ে রাখতে এই কাজটি করে রাখতে পারেন। সেটা হলো টরেন্টের আপলোড স্পীড কমিয়ে রাখা। এতে করে আপনার বাড়তি ব্যান্ডউইথ খরচ হবে না। এটা করতে হলে সিস্টেম ট্রেতে যান। µTorrent উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
torrent6
দেখুন ডাউনলোড আর আপলোড লিমিট দেয়া আছে। ডাউনলোড লিমিট আনলিমিটেড করে দিন (এটা অবশ্য ডিফল্টভাবে দেয়াই থাকে)।
torrent7
এর পর আবার রাইট বাটনে ক্লিক করে এখান থেকে আপলোড লিমিট আস্তে আস্তে কমিয়ে ১ কিলোবাইট করে দিন। প্রথমবারেই কিন্তু এক কিলোবাইটের অপশন আসবে না। ৩২, ২০, ১০, ৫, ৩ এভাবে কমতে কমতে ১ কিলোবাইটে আসবে। এইজন্য আপলোড লিমিটে কয়েকবার ক্লিক করে করে কমাতে হবে। এই কাজটা কয়েকবারে করবেন। ধরুন, ৩০ কিলোবাইট থেকে ২০ করে দিলেন। দুই তিন সেকেন্ড পর আবার আপলোড লিমিটে ক্লিক দিয়ে সেটাকে ১০ করে দিন। এভাবে ১ কেবিপিস পর্যন্ত আসেন। যদি আমি ভালোভাবে বুঝাতে পারি, তাহলে এই কাজটা করতে আপনার সর্ব্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড লাগার কথা। নীচের ছবি দেখুন
torrent8
পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দেবার আগ পর্যন্ত এই কাজ আর করতে হবে না। যারা ননটেকি টরেন্ট বুঝেন না, তারা এই পদ্ধতি ফলো করতে পারেন। উইন্ডোজ সেভেন কিংবা এক্সপি, সবকিছুতেই একই ভাবে কাজ করবে।
কিছুদিন ব্যবহার করলেই আপনি নিজেই বুঝবেন কোনটা ভালো মানের টরেন্ট। তবে seed/leech বেশী যেসব ফাইলের সেগুলো নামাতে পারবেন আরামে। যেমন নীচে দেখুন
torrent10
দাগ দেয়া অংশ সমূহে দেখুন, এখানে seed/leech অনেক তার মানে এই ফাইলগুলো নামাতে আপনাকে তেমন একটা বেগ পেতে হবে না। যেসব ফাইলে দেখবেন seed/leech কম দেয়া আছে, ২০/৩০ কিংবা ০ সেসব ফাইল না নামানোই ভালো হবে।
টরেন্ট এর সুবিধা হল, এটা আপনার ব্রাউজিং স্পিড স্লো করবে না। আপনি পিসি বন্ধ করে ফেললেও কোনো সমস্যা হবে না। পিসি অন করার পর শুধুমাত্র সফটওয়ারটা আবার রান করুন, দেখবেন আপনার মুভিটি আবার নামা শুরু হয়েছে। যদি দেখেন ডাউনলোড নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে, তাহলে নীচের ছবি অনুযায়ী force start করুন।
torrent9
একটি সতর্কতাঃ আপনি যে ফাইলটা ডাউনলোড করেছেন সেটার কিছু অংশ ছাড়া অন্য কোন কিছুই আপলোড হবে না। ধরুন এই মুহুর্তে আপনার কাছে তিনটা টরেন্ট আছে যেগুলোর ডাউনলোড কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে, আপনি যদি চান এর মধ্যে থেকে একটির আপলোড হওয়া বন্ধ রাখবেন আর বাকিগুলোর আপলোড চালু রাখবেন, তাহলে ঐ টরেন্টের উপর রাইট ক্লিক করে স্টপ অপশনে ক্লিক করুন, তাহলেই আপলোডিং থেমে যাবে।
আপনার সুবিধার্থে কিছু জনপ্রিয় টরেন্ট সাইটের লিঙ্কঃ
পাইরেট বে
kickass

এক্সট্রাটরেন্ট

অদ্ভুতুড়ে 3:05 AM

আমাদের প্রতিনিয়তই ভাবিয়ে তোলে যা মানবদেহের মস্তিষ্কে কিছু রহস্যময় বিষয় আছে। মস্তিষ্কই পরিচালিত করে থাকে সমস্ত দেহকে।  পুরো দেহই নিমেষে অচল হয়ে যেতে পারে মস্তিষ্কে সামান্য সম্যাতে। আমরা একেবারেই জানি না জেনে নিই মস্তিষ্কের এমনই কিছু রহস্য ।






১.আমরা ব্যবহার করে থাকি মস্তিষ্কের ১০ শতাংশই :

ঘটে যাওয়া ঘটনা খুব কমই হুবহু পুনরাবৃত্তি করতে পারে আপনি জেনে অবাক হবেন। আধ্যাত্মিক ক্ষমতা এমনকি কোনো কিছু চালানোর অন্তর্শক্তির মত বিষয়গুলো মস্তিষ্কই দিয়ে থাকে, নাটকীয়ভাবে বুদ্ধিমত্তা বাড়ানো। আমরা যদি চাই তবে সব ধরনের কাজই আমরা করতে পারি শুধুমাত্র মস্তিষ্কের ১০ অংশ ব্যবহার করে। তাহলে শুধু ভাবুন যে মস্তিষ্কের বাঁকি ৯০ শতাংশ ব্যবহার করলে আমরা আরও কতকিছু করতে পারি। গবেষকরা বলেছেন যে মস্তিষ্কের সব অংশগুলোই কিছু ভিন্ন ভিন্ন কার্য সম্পাদন করে থাকে। যদি এই ১০ শতাংশের বিষয়টি সত্যি হয় তাহলে হয়ত ভাবছেন যে এই অংশে আঘাতে তেমন কোনো ক্ষতির সম্ভাবনাই নাই কেননা বাঁকি ৯০ তো আছেই। কিন্তু কঠিন হলেও সত্যি কথা হল এক অংশে আঘাত পেলে এটি সব অংশেই তার নেতিবাচক ফলাফল ফেলতে থাকে। মস্তিষ্কের ১০ অংশ ব্যবহৃত হলেও এর কার্যক্ষমতা দেখায় ১০০ শতাংশতেই। এটি ঘুমের মধ্যেও কার্যকর থাকে। গবেষকরা বলেন, মস্তিষ্কের ওজন একটি বালকের ওজনের শতকরা ৩ শতাংশ হয়ে থাকে কিন্তু এটি ব্যবহৃত হয় বালকের অ্যানার্জীর মোট ২০ শতাংশ।

২. মস্কিষ্ক স্থায়ীভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হয় :

মানব মস্তিষ্ক বিভিন্ন আঘাত, স্ট্রোক বা অসুস্থতার কারণে ভঙ্গুর বা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এই ধরনের ক্ষতি মস্তিষ্কে স্থায়ীভাবেই দেখা দেয়। আমরা এই ধরনের ক্ষতি নিয়ে চিন্তা করে থাকি ঠিকই কিন্তু আঘাতের স্থান অনুযায়ী একজন মানুষ চাইলেই এই ক্ষতি থেকে নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে পারেন না। মনে রাখা দরকার যে মানব মস্তিষ্ক এক ধরনের চিত্তাকর্ষক নমনীয় পদার্থ দ্বারা তৈরি। স্ট্রোকে আক্রান্ত একজন মানুষ মাঝে মাঝে তার ইচ্ছায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ঠিকই কিন্তু ভেতরের আঘাতটা স্থায়ীভাবেই থেকে যায়। গবেষকরা বলেন এমন অসুখে মানুষ মেডিক্যাল থেরাপির মাধ্যমে কিছু নতুন সংযোগ তৈরি করে ভালো হয়ে যান।

৩. ডান মস্তিষ্ক, বাম মস্তিষ্ক :

এমন কথা হয়ত খুব কমই শুনে থাকবেন যে মানুষ তার মস্তিষ্কের ডানগোলার্ধ বা বাম গোলার্ধ থেকে পরিচালিত হয়ে থাকে। এই তথ্য অনুযায়ী যারা নাকি ডান গোলার্ধ থেকে পরিচালিত হন তারা অনেক বেশি সৃজনশীল এবং কর্মদক্ষতাপূর্ণ হয়ে থাকেন এবং যারা বাম গোলার্ধ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকেন তারা বিশ্লেষক মনোভাবাপন্ন ও যুক্তিসঙ্গত হয়ে থাকেন। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে কেউই পুরোপুরি ডান মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং বাম মস্তিষ্কসম্পন্ন হয়ে থাকেন না। বরং আমরা তখনই একটা ভালো কাজ করে থাকি যখন আমরা আমাদের সম্পূর্ণ মস্তিষ্ককেই কাজে লাগাই। দুটো গোলার্ধই যখন আমরা কাজে লাগাই তখন মনোযোগটা পুরোপুরি আসে। তবে বাম গোলার্ধ কোনো শব্দ শোনার কাঝে বেশি ব্যবৃত হয়ে থাকে এবং ডান গোলার্ধ কোনো আবেগঘন বৈশিষ্ট্যে বেশি কার্যকরী হয়ে থাকে।

৪. মানব মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড় :

মানবদেহের অনুপাতে মানব মস্তিষ্ক বেশ বড় হয়ে থাকে। কিন্তু একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে মানব মস্তিষ্ক অন্যান্য সকল জীবের চেয়ে অনেক বেশি বড় হয়ে থাকে। মানব মস্তিষ্ক মূলত ওজনে ৩ পাউন্ড এবং পরিমাপে ১৫ সেন্টিমিটার প্রস্থ হয়ে থাকে। সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রাণী হল তিমি মাছ যার মস্তিষ্কের ওজন ১৮ পাউন্ডের মত। এছাড়া হাতির মস্তিষ্কও অনেক বড় হয়ে থাকে সর্বোপরি ১১ পাউন্ড। তবে দেহের সাথে তুলনা করলে মানুষেরই সবচেয়ে বড় মস্তিষ্ক।

৫. মৃত্যুর সাথে সাথে মস্তিষ্কের কোষও মারা যায় :

প্রাপ্ত বয়স্কদের মস্তিষ্কে কোষের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। তবে এর পরে আর নতুন কোনো কোষ তৈরি হয় না। এ ধরনের প্রচালত কথা থাকলেও গবেষণায় গবেষকরা বলেছেন যে যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিনই মস্তিষ্কে নতুন কোষ তৈরি হবে, এমনকি আপনি যদি বুড়োও হয়ে যান তারপরও নতুন কোষ তৈরি হবে। নতুন কোষ জন্মানোকে নিওরোজেনেসিস বলে থাকে। যতদিন পর্যন্ত মানুষ বেঁচে থাকেন ঠিক ততদিন পর্যন্তই এই মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। মারা যাওয়ার কয়েক সেকেন্ডে এটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

৬. অ্যালকোহল খেলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যায় :

অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণে মানবদেহ উষ্ণ হয়ে গেলে মস্তিষ্কের এমন কিছু মূল্যবান কোষ মারা যায় যা আর কখনই ফিরে আসে না এমন কথা প্রচলিত আছে। তবে এটা সত্য যে অতিরিক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী অ্যালকোহল গ্রহণে দেহের মারাত্মক ক্ষতি করে কিন্তু এর ফলে যে নিউরনগুলো মারা যায় এমন কথাতে বিশেষজ্ঞরা একেবারেই বিশ্বাসী নন। গবেষণায় দেখা গেছে এটি কোনোভাবেই নিউরনকে মেরে ফেলে না। গবেষকরা বলেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ অ্যালকোহল মস্তিষ্কের চিন্তা শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে তা নষ্ট করেও দেয়। সহনীয় মাত্রা মস্তিষ্কের কোষকে মেরে ফেলে না বরং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। বুড়ো বয়সের এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে।

৭. মানব মস্তিষ্কে ১০০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে :

আপনার কাছে যদি মনোবিদ্যা এবং ¯œায়ুবিজ্ঞানের কোনো বই থেকে থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন যে মানব মস্তিষ্কে ১০০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে। তবে এই নিউরনগুলো ঠিক কোথায় সংসঠিত এই বিষয়ে কেউই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারবেন না। ২০০৯ সালে এক গবেষক একজন তরুণের মস্তিষ্কের নিউরনগুলো আলাদা করেন এবং এগুলোর সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। এই গবেষণা থেকে দেখা যায় মানব মস্তিষ্কে ৮৫ বিলিয়নের কাছাকাছি নিউরন রয়েছে।
Powered by Blogger.