Showing posts with label স্মার্টফোন. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 2:17 AM

এখন থেকে ল্যাপটপ, ট্যাব এবং স্মার্টফোন-এ চার্জ সহজেই ধরে রাখা যাবে। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)

How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge
How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge

বর্তমান যুগে প্রযুক্তির এই একচেটিয়া দাপটে আমরা সবাই এর প্রতি যেন দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছি আর এরই ফলশ্রুতিতে ল্যাপটপ, ট্যাব এবং স্মার্টফোন যেন আমাদের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে পড়েছে।তবে এসব ব্যবহারে সুবিধা একদিকে যেমন রয়েছে ঠিক অন্যদিকে রয়েছে এর প্রতি দুশ্চিন্তাও। কারণ এসব ল্যাপটপ, ট্যাব বা স্মার্টফোন থেকে ওয়েব ব্রাউজ করতে গেলে  চার্জ ধরে রাখার বিষয়টি সবচেয়ে বেশী দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি গুগলের জানিয়েছে যে, তাঁরা ওয়েব ব্রাউজ করার সময় চার্জ যাতে কম ফুরায় তা নিয়ে কাজ করছে। গুগল ওয়েব পেজে চার্জ সাশ্রয় করে ফ্ল্যাশ ভিডিও দেখার সুবিধা করে দিচ্ছে। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)

সম্প্রতি গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি হালনাগাদ করতে সফটওয়্যার নির্মাতা অ্যাডোব সিস্টেমসের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর ফলে ল্যাপটপ, ট্যাব এবং স্মার্টফোন-এ যাঁরা ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করেন তাঁদের ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের কারণে অতিরিক্ত ব্যাটারির চার্জ ফুরাবে না। অধিকতর উন্নত হবে ফ্ল্যাশ ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)



অন্যদিকে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, ক্রোম ব্রাউজারে এমন প্রকার ফিচার যুক্ত করেছে যে যার ফলে যেকোন ওয়েব পেজে যেকোন ধরনের ফ্ল্যাশ কনটেন্ট শনাক্ত করতে সক্ষম হবে এবং ক্রোম সেটিই প্লে করবে যেটি ওয়েব পেজের সেন্ট্রালে থাকবে। অপরদিকে ব্যবহারকারীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এমন যেকোন কন্টেন্টই তারা এক ক্লিকের মাধ্যমে চালাতে পারবে। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)


গুগল কর্তৃপক্ষ নতুন এই ফিচারটি সম্পর্কে এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে যে, যখন ফ্ল্যাশযুক্ত কোনো ওয়েবপেজ চালু করা হয় তখন ডিভাইসের চার্জ তূলানামূলকভাবে বেশী খেয়ে থাকে আর তাই গুগল ফ্ল্যাশযুক্ত কোন ওয়েবপেইজ চালু করা হলে তখন এই ফিচারটি ফ্ল্যাশ অ্যানিমেশনের মতো কনটেন্ট বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বন্ধ করে দেয় তবে অন্যদিকে ওয়েবপেজের কেন্দ্রে থাকা ভিডিওর মতো কনটেন্ট কোনো বাধা ছাড়াই চলতে পারে যার ফলে চার্জ কম ফুরায় এবং ওয়েব ব্রাউজারে ব্রাউজও করা যায় দীর্ঘক্ষণ। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)

সর্বশেষে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ক্রোমের এই সংসকরণটি ব্রাউজারের সাথে যুক্ত অবস্থায় থাকবে। ব্যবহারকারীর ইচ্ছে মতই গুগলের কনটেন্ট সেটিংস পেজে গিয়ে ‘ডিটেক্ট অ্যান্ড রান ইম্পর্ট্যান্ট প্লাগইন কনটেন্ট’ নির্বাচন করে তা রান দিতে পারেন। ভবিষ্যতে গুগল পিসির চার্জ দীর্ঘসময় বাঁচাতে আরও উন্নত ও শক্তিসাশ্রয়ী ব্যবস্থা আনার কথাও জানিয়েছে। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)


আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে। (How keep your laptop, tab and smartphone's battery's charge)

অদ্ভুতুড়ে 7:41 AM

ছয়টি উপায়ে সুরক্ষিত রাখা যাবে স্মার্টফোন ও ট্যাব -কে (six ways to keep smartphone and tab in safety)

six ways to keep smartphone and tab in safety
six ways to keep smartphone and tab in safety


যতদিন বাড়ছে স্মার্টফোন বা ট্যাব-এর ব্যবহার ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু এগুলো ব্যবহারের পাশাপাশি এই স্মার্টফোন ও ট্যাব -এর স্থায়িত্বকালও কমে যাচ্ছে দৃষ্টি পড়ার মত। কেন এত তাড়াতাড়ি স্মার্টফোন ও ট্যাব নষ্ট  হয়ে যায় এর মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে এর ব্যবহারে সঠিক জ্ঞান না রাখা।

 ব্যবহারের সঠিক জ্ঞানের অভাবে স্মার্টফোন ও ট্যাব খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় ফলে গুনতে হয় কিছু অতিরিক্ত অর্থ। তাই আসুন এমন কিছু টিপস জানি যা এই স্মার্টফোন ও ট্যাব -কে দিবে অতিরিক্ত নিরপাত্তা (Six ways to keep smartphone and tab in safety)


অনেক সময় দেখা যায় মোবাইল ফোনের চার্জার প্লাগের সঙ্গে তাড়াতাড়ি লাগাতে গিয়ে তড়িতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। সম্প্রতি ভারতে এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, ৩১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ল্যাপটপ চার্জার পাওয়ার আউটলেটে লাগাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন। অন্যদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে,  ব্যক্তিটির আঙুল প্লাগ ইন থাকা অবস্থায় মেটাল পিন স্পর্শ করে যার ওই ব্যক্তি কোমল পানীয় পান করছিলেন। এ প্রকার দুর্ঘটনা স্মার্টফোন এবং ট্যাবের ক্ষেত্রেও হতে পারে আর তাই মূলত এসব দুর্ঘটনা এড়াতে খুব বেশী পূর্বসতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। নিম্নে এমন ছয়টি উপায়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্মার্টফোন এবং ট্যাব -কে নিরাপদে রাখতে পারবো (six ways to keep smartphone and tab in safety)

১.স্মার্টফোন এবং ট্যাবের চার্জার আলাদা রাখাঃ-

 সবসময় স্মার্টফোন ও ট্যাব -এর চার্জার আলাদা রাখতে হবে। কখনই দুইটি চার্জার অর্থাৎ স্মার্টফোন ও ট্যাবের চার্জার একটি অপরটির সঙ্গে ব্যবহার করা যাবেনা। এর কারণটি হলো এর পাওয়ার রেটিংয়ে পার্থক্য। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে স্মার্টফোন ও ট্যাব ক্রমশ নষ্ট হতে থাকে। এ প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলো সারা রাত চার্জ দিয়ে রাখা মোটেই উচিত নয়। ছয়টি উপায়ের মধ্যে এটি অন্যতম একটি উপায় (Six ways to keep smartphone and tab in safety)

six ways to keep smartphone and tab in safety
six ways to keep smartphone and tab in safety


২. রাতভর চার্জ দিয়ে রাখা যাবে নাঃ- 

স্মার্টফোন ও ট্যাব - এ প্রকার ডিভাইসগুলোকে রাতভর চার্জারের সঙ্গে প্লাগইন অবস্থায় রাখা যাবেনা। চার্জারের সঙ্গে অবিরামভাবে সংযুক্তের ফলে এ প্রকার ডিভাইসগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় ফলে ফোনের ব্যাটারির মাত্রা অতিরিক্ত ক্ষতি হয়। একটু খেয়াল করে চার্জ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই উত্তম।

৩. উপযুক্ত সময়ে ব্যাটারি পরিবর্তন করাঃ-

স্মার্টফোন ও ট্যাব -এর ব্যাটারি কখন পরিবর্তন করা দরকার এই বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ব্যাটারি যদি যথেষ্ট ব্যকাপ না দিতে পারে তাহলে ব্যাটারিকে দ্রুত পরিবর্তন করে ফেলাই উত্তম। ব্যাটারি পরীক্ষার সহজ উপায়টি হলো ডিভাইস হতে ব্যাটারিটি খুলে তা সমতল স্থানে রেখে একটু ঘুরাতে হবে যদি ব্যাটারিটি অবিরামভাবে ঘুরতে থাকে তাহলে মনে করতে হবে এটির মেয়াদ শেষ ফলে যতদ্রুত সম্ভব তা পরিবর্তন করে নতুন একটি কিনতে হবে।

৪. অপরিচিত ব্র্যান্ডের ব্যাটারি ক্রয় হতে বিরত থাকাঃ- 

ডিভাইসের ব্যাটারির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে অপরিচিত ব্র্যান্ডের ব্যাটারি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে কেননা এরফলে ডিভাইসের অনেক ক্ষতি হতে পারে। অপরিচিত ব্র্যান্ডের ব্যাটারিগুলো ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ হচ্ছে এগুলোর স্ট্যান্ডার্ড সেফটি রেগুলেশন মানা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার কোনো পথ থাকেনা।

six ways to keep smartphone and tab in safety
six ways to keep smartphone and tab in safety


৫. প্লাগইন অবস্থায় কল রিসিভ বা ডায়াল হতে বিরত থাকাঃ- 

এ প্রকার ডিভাইসগুলো যখন চার্জারে প্লাগইন অবস্থায় থাকে তখন কল রিসিভ কিংব ডায়াল হতে নিজেকে বিরত রাখতে হবে কারণ এতে ফোন গরম মাত্রারিক্ত গরম হয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। ইমারজেন্সি কল ডায়াল কিংবা রিসিভ করতে হলে চার্জার হতে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তা করা যেতে পারে।

৬. ঝুলন্ত অবস্থায় চার্জ দেয়া যাবেনাঃ- 

অনেকে স্মার্টফোন ও ট্যাব চার্জ দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে ফলে খুব দ্রুত এই ডিভাইসগুলির পাওয়ার কানেক্টর নষ্ট হয়ে যায়।

আশা করা যায় এই ছয়টি উপায়ের মধ্যমে নিজের স্মার্টফোন ও ট্যাব -কে যথেষ্ট নিরাপতের সাথে ব্যবহার করা যাবে। (Six ways to keep smartphone and tab in safety)

অদ্ভুতুড়ে 7:33 AM

সহজেই স্মার্টফোনে আসক্ত কিনা তা বোঝার কিছু সহজ উপায়।

smartphone-a asokto kina bujar upay
smartphone-a asokto kina bujar upay

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহার করে না এমন মানুষ পাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়েছে আর তাই স্মার্টফোনের ব্যবহার দিন দিন যত বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে এর প্রতি আসক্ত হয়ে যাওয়ার পরিমাণও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্মার্টফোন ব্যবহার করা মন্দের কিছু নয় কিন্তু এতে আসক্ত হয়ে যাওয়া ভয়ংকর হয়ে দাঁড়ায় নিজের জীবনে কারণ ডাক্তারি ভাষায় স্মার্টফোনে অতি আসক্তি একধরণের রোগ যা জীবনের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। বিজ্ঞনীদের মতে, যারা মোবাইল হাতে না থাকলে অস্থির হয়ে যায় তার নোমোফোবিয়া রোগে আক্রান্ত। আর তাই মূলত সবার আগে জেনে নেয়া উচিত যে কিভাবে বোঝা সম্ভব যে নিজেই স্মার্টফোনে আসক্ত কিনা?



স্ট্যাটাস না দিতে পারলেই হতাশা বৃদ্ধি পাওয়া :
স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তার পিছনে কয়েকটি মূল কারণের মাঝে একটি হচ্ছে স্মার্টফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন ‘স্ট্যাটাস’ দেয়া যায়। প্রতিদিন নিয়মিত স্ট্যাটাস দেয়াটা অভ্যাসে পরিণত হয় ফলে যেদিন ইন্টারনেট না থাকলে বা স্মার্টফোনে চার্জ না থাকলে ইত্যাদি যেকোন কারণে যদি স্ট্যাটাস না দিতে পারে তাহলে মনে হয় কেয়ামত নেমে এসেছে যা নোমোফোবিয়ার আরেকটি লক্ষ্যণ।

smartphone-a asokto kina bujar upa
smartphone-a asokto kina bujar upa


ব্যাটারির চার্জ ফুরালেই আতঙ্কিত হয়ে যাওয়া:
আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত তাঁরা কিছু মানুষের উপর স্মার্টফোনের আসক্তির এমন তীব্রতা লক্ষ্য করেছেন যা রীতিমতো বিস্ময়কর ব্যাপার। তাঁরা দেখেছেন যে, অনেকের মাঝেই মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যেন মোবাইল সাথে নিজের প্রাণের মত চার্জ চলে গেলেই জীবন শেষ।আর এমন প্রবণতা যার মাঝে আছে সেই নোমোফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে ধরা হয়।


অতিরিক্ত ইন্টারনেট-নির্ভরতা :
ইন্টারনেটের সহজলব্যতা যেন এই পর্যায়ে পৌছেছে যে কেউ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে নারাজ। যখনই দেখতে পায় যে স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তখনই ওয়াই-ফাই জোন-এ যাওয়ার জন্য হা-হুতাশ শুরু করে দেয় তারা। এটিও নোমোফোবিয়ার একটি লক্ষণ বলে ধরা হয়৷

ইন্টারনেটের বিকল্প কিছু না ভাবা:
বর্তমানে কেউ কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সেখানে ইন্টারনেট আছে কিনা তা জানতে চায় যা সরাসরি নোমোফোবিয়ায় আসক্তির প্রমাণ দেয়।


রিচার্জ করতে না পারলে হাইপার হয়ে যাওয়া:
প্রি-পেইড সিম ব্যবহার করেন যারা এমন অনেকে ফোনের ‘ক্রেডিট’ শেষ হয়ে গেলে ফোন বা এসএমএস করার উপায় আর থাকে না ফলে আশপাশে রিচার্জ করার উপায় না থাকলে খুব তাড়াতাড়ি হাইপার হয়ে যায় যা নোমোফোবিয়ার লক্ষ্যণ।

ঘুমের সময় স্মার্টফোনকে খোজা:
স্মার্টফোনে অভ্যাস্ত এমন অনেককেই দেখা যায় যে তারা রাতে ঘুমানোর সময় তাদের একটি হাত স্মার্টফোনের উপর না দিলে তাদের ঘুম আসেনা। এই আসক্তি যার মাঝে আছে বুঝতে হবে সে প্রকটভাবে নোমোবিয়ায় অভ্যাস্ত।

অদ্ভুতুড়ে 9:35 AM

এক স্মার্টফোনকে ব্যবহার করা যাবে সারাজীবন।

এখন থেকে আর ভাঙবে না স্মার্টফোন
এখন থেকে আর ভাঙবে না স্মার্টফোন


স্মার্টফোন ব্যবহার করেননা এমন মনে হয় খুব কম জনকেই পাওয়া যাবে বর্তমানে। আর এদের সবাইকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে এমন যদি হতো যে ফোনে ধুলো বা বালি লাগলো কিন্তু প্রিয় স্মার্টফোনটির ক্যামেরা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলো না অথবা ফোনটি হাত থেকে পড়ে যাওয়া সত্ত্বেও তা ভাঙবে না। তাহলে যে কেউই স্মার্টফোন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করাতে পারতো। 

স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায় সবসময় সতর্ক থাকাটা তেমন একটা হয়ে ওঠে না আর তাই অনেক সময় স্মার্টফোন যেকোন সময় নষ্ট হয়ে যায়। তবে এবার এই দুশ্চিন্তার ইতি টেনে আমেরিকান নেভি স্নাইপেল নামক এক নতুন সিরামিক তৈরি করেছেন যার মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা তাদের ফোন ব্যবহারে পাবেন অকল্পনীয় সুবিধা।

ইউএস নেভাল রিসার্চ ল্যাবেরটরি জানিয়েছে যে, এটি প্রযুক্তির জগতে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হতে চলেছে। স্পাইনেল আদতে এক ধরণের মিনারেল এটি। এটি ম্যাগনেশিয়াল অ্যালুমিনেট থেকে তৈরি এক যৌগ। যা যা উপাদান দিয়ে মোবাইল তৈরি হয়েছে, তাদের থেকে শতগুণ বেশি টেকসই ও মজবুত দিয়ে উপাদান দিয়ে তৈরি এটি। এতদিন এই স্পাইনেলটি পরীক্ষাদিন অবস্থায় থাকলেও এবার বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসতে প্রস্তুত এই স্পাইনালটি। এটি শুধু স্মার্টফোনেই সীমাবদ্ধ নেই এছাড়াও একে ব্যবহার করা যাবে আইওয়াচ বা ঘড়িতেও।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 6:12 AM

এক নজরে দেখে নেই এন্ড্রোয়েড ফোনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোড।

 এন্ড্রোয়েড ফোনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোড

এক নজরে দেখে নেই এন্ড্রোয়েড ফোনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোড

আমরা কমবেশি সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করি আর স্মার্টফোনের মাঝে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকেই মোটামোটি সবাই পছন্দ করে থাকি আর তাই যারা এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করেন, তারা অনেক সময়ই কিছু জিনিস চাইলেও খুঁজে বের করতে পারেন না ফলে অনিইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেতে হয় ম্যাকানিকের কাছে আর এতে খোয়াতে হয় কিছু পয়সা-কড়ি। আর তাই আজ আমি আপনাদের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছু প্রয়োজনীয় গোপন কোড নিয়ে এলাম। নিম্নে তা দেয়া হলো:-

১.ফোনের সব কিছু ডিলেট করা* 2767 * 3855 #

২.ক্যামেরার বিস্তারিত তথ্য – * # * # 34971539 # * # *

৩.আইএমইআইনম্বর – * # 06 #

৪.Vibration টেস্ট – * # * # 0842 # * # *

৫.নতুন করে ফোন সার্ভিস মেনু লেখা- * # 0 * #

৬.সবমিডিয়াফাইলেরব্যাকআপ- * # * # 273282 * 255 * 663282 * # * # *

৭.ওয়্যারলেসল্যানটেস্ট – * # * # 232339 # * # *

৮.ফোন এবং ব্যাটারির তথ্য- * # * # 4636 # * # *

৯.পিছনেরআলোটেস্ট করা – * # * # 0842 # * # *

১০.Touchscreen পরীক্ষা – * # * # 2664 # * # *

১১.সার্ভিসের জন্য টেস্ট মোড একটিভ করা – * # * # 197328640 # * # *

১২.FTA সফটওয়্যারসংস্করণ – * # * # 1111 # * # *

১৩.সফটওয়্যারএবংহার্ডওয়্যার এর সম্পূর্ণ তথ্যতথ্য – * # 12580 * 369 #

১৪.ডায়াগনস্টিককনফিগারেশন – * # 9090 #

১৫.সিস্টেমডাম্পমোড – * # 9900 #

১৬.HSDPA / HSUPA কন্ট্রোলমেনু – * # 301279 #

১৭.Phone Lock Status দেখা – * # 7465625 #

১৮.Factory State এ ডাটা পার্টিশন রিসেট করা – * # * # 7780 # * # *

১৯.ইউএসবিলগিংকন্ট্রোল – * # 872564 #

আশা করি উপরিউক্ত কোডগুলো পেয়ে নিঃসন্দেহে খুব খুশি হয়েছেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:55 AM

সেমসাং গ্যালাক্সি এস৬ নিয়ে মানুষের মধ্যে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। আর তাই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম গুলো স্মার্টফোনটির একের পর এক ফিচার ফাঁস করে চলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্মার্টফোনটিতে থাকছে তারবিহীন চার্জিং প্রযুক্তি

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে গ্যালাক্সি এস৬ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হতে পারে বলে জানা যায়। এর আগ পর্যন্ত তাই চলতে থাকবে স্মার্টফোনটির বিভিন্ন ফিচার ফাঁসের খেলা।

তারবিহীন চার্জিং প্রযুক্তি থাকলে সেটি হতে পারে 'ম্যাগনেটিক ইনডাকশন ওয়্যারলেস চার্জিং' প্রযুক্তি নির্ভর। এই প্রযুক্তিতে স্মার্টফোনে মেটাল বডি ব্যবহার করা যায় না। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এতে মেটাল বডির পরিবর্তে ব্যবহার করা হতে পারে প্লাস্টিক কিংবা অন্য কোন পদার্থের তৈরি কেসিং।

অদ্ভুতুড়ে 11:14 PM

আসুন জেনে নেই! মোবাইলের বিজ্ঞাপনের সময় আমরা দেখি যে সেখানে মোবাইলের স্ক্রীন টাইপ লেখা রয়েছে। কিন্তু আমরা অনেকেই এই স্ক্রীন টাইপ সম্পর্কে তেমন একটা জানি না। তাই আজ আমি আপনাদের মোবাইলের বিভিন্ন ধরনের স্ক্রীনের নাম ও তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। নতুন মোবাইল যারা কিনতে চাইছেন তারা জেনে রাখতে পারেন। আশা করি কাজে লাগবে।


TFT LCD Display :

এটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত স্ক্রীন টাইপ। পুরানো মডেলের মোবাইলগুলো থেকে শুরু করে কম বাজেটের স্মার্টফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। TFT এর পুর্নরুপ হলো Thin Film Transistor Technology. আর LCD এর পুর্নরুপ হলো Liquid Crystal Display.

খারাপ কোয়ালিটির TFT LCD ডিসপ্লে যুক্ত মোবাইলে রঙ ফ্যাকাশে দেখাবে এবং স্ক্রীনের সাইড দিয়ে তাকালে অন্ধকার দেখা যাবে। ভাল কোয়ালিটির স্ক্রীন বেশি উজ্জ্বল হবে আর যেকোন দিক দিয়ে তাকালেই মোটামুটি পরিস্কার দেখা যাবে।

সূর্যের আলোতে এই স্ক্রীনে পরিস্কার দেখতে অসুবিধা হয়। এ ধরনের ডিসপ্লেতে ব্যাটারীর খরচ বেশি হয় তবে এটি তৈরী করা যায় অনেক সস্তায়। তাই কম ও মাঝারী দামের সেটের এই ডিসপ্লে বেশি ব্যবহার করা হয়।


IPS LCD Display :

IPS এর পুর্নরুপ হলো In-Plane Switching. এটি TFT LCD Display থেকে উন্নত। এই স্ক্রীনের ডিসপ্লে কোয়ালিটি ভালো এবং ব্যাটারী কম খরচ হয়। এটি সাধারন LCD থেকে বেশী দামের বলে বেশী দামের স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়।


OLED Display :

OLED এর পুর্নরুপ হলো Organic Light Emitting Diode. এটি LCD থেকে ভালো কোয়ালিটির মোবাইল স্ক্রীন। এই ডিসপ্লে অনেক উজ্জ্বল,কৌনিক দিক থেকে সহজেই দেখা যায় এবং বেশ হালকা।


AMOLED Display :

AMOLED এর পুরোটি হলো Active Matrix Organic Light Emitting Diode. এই ডিসপ্লের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পিক্সেলগুলো নিজ থেকেই আলো তৈরী করতে পারে যার কারনে আপনি সূর্যের আলোতেও কোন সমস্যা ছাড়াই দেখতে পারবেন। OLED স্ক্রীনের মতই এর ডিসপ্লে অনেক উজ্জল,শার্প এবং হালকা। হাই কোয়ালিটির স্মার্টফোনগুলোতে এই স্ক্রীন এখন অনেক ব্যবহার করা হয়।


Super AMOLED Display :

এটি AMOLED ডিসপ্লে এর আধুনিক ভার্সন। স্যামসং এর গ্যালাক্সী স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়। এই ডিসপ্লে সবচাইতে হালকা ডিসপ্লে। এবং ব্যাটারীর খরচও আগের থেকে কম হয়।


Super LCD (SLCD) :

এটি LCD স্ক্রীনের আধুনিকতম সংস্করন। এই ডিসপ্লেতেও সূর্যের আলোতে সহজেই দেখা যায়। এছাড়াও AMOLED স্ক্রীন থেকে রঙ আরো ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।


Retina Display :

এই স্ক্রিনটি শুধুমাত্র আইফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর নাম রেটিনা ডিসপ্লে বলা হয় কেননা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।

অদ্ভুতুড়ে 3:27 AM

দামের দিকদিয়ে হুয়াওয়ি এ্যসেন্ড মেট ৭ এর দাম ৫২ হাজার ৭০০ টাকা আর হুয়াওয়ি অনার ৬ এর দাম ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা।

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে রয়েছে ছয় মাসের সমান কিস্তি সুবিধা। তবে এ জন্য গুনতে হবে বাড়তি টাকা। কিস্তিতে কিনতে হুয়াওয়ি এ্যসেন্ড মেট ৭ এর দাম পড়বে ৫৬ হাজার ৫০০টাকা এবং হুয়াওয়ি অনার ৬ পাওয়া যাবে ৩৮ হাজার টাকায়।


স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক এর মাধ্যমে ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইএমআই সুবিধা নির্দিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।



হুয়াওয়ি এ্যাসেন্ড মেট ৭
হুয়াওয়ি এ্যাসেন্ড মেট ৭ এ রয়েছে ৩৬৮ পিপিআই এর ৬ ইঞ্চি ফুল এইচডি (১৯২০ দ্ধ ১০৮০) রেজুলেশন ডিসপ্লে। সিপিউ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোরটেক্স এ১৫ এর চারটি এবং কোরটেক্স এ৭ এর ৪টি মিলিয়ে একটি অক্টাকোর প্রসেসর। সব মিলিয়ে এটিকে বলা হচ্ছে ১.৩ জিএইচজেড অক্টাকোর প্রসেসর। এতে আরো রয়েছে ২ জিবি র্যাম, ১৬ জিবি রোম, ১৩ এমপি ক্যামেরা, ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ডিং / ১০৮০পি ভিডিও প্লে ব্যাক সুবিধা; এফ ২.০ এবং ৫ মেগাপিক্সেল এইচডি ক্যামেরা, ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এ্যাসেন্ড মেট ৭ এ রয়েছে ৩৬০ ডিগ্রী ফিঙ্গার প্রিন্টস সেন্সর, এটি হুয়াওয়ে এ্যাসেন্ড মেট ৭ এর সব থেকে অনন্য বৈশিষ্ট্য।

এর সব থেকে ভালো সুবিধা হচ্ছে যে কোন কোণ থেকে যেকোনো আংগুল ব্যবহার করে শুধু একবার টাচ করলেই ফোন এর লক খোলা যাবে। এছাড়াও এই স্মার্টফোনটিতে আরো রয়েছে ইমোশন ইউআই ৩.০, জাইরোস্কোপ, প্রক্সিমিটি সেন্সর, এক্সেলারোমিটার, কম্পাস, হল,ডুয়াল সিম, ২জি/৩জি/৪জি সাপোর্ট, ওয়াইফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ ৪.০ ইত্যাদি। সাদা এবং কালো এই দুইটি রঙে পাওয়া যাবে ফোন দুটি।



হুয়াওয়ি অনার ৬
হুয়াওয়ি অনার ৬ এ রয়েছে ৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি টাচ স্ক্রিন (১৯২০ দ্ধ ১০৮০) এফএইচডি ৪৪৫পিপিআই রেজুলেশন। সিপিউ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাইসিলিকন কিরিন ৯২০ কোরটেক্স এ১৫ এর চারটি এবং কোরটেক্স এ৭ এর চারটি মিলিয়ে একটি অক্টাকোর প্রসেসর।

সব মিলিয়ে এটিকে বলা হচ্ছে ১.৩ অক্টাকোর প্রসেসর। মাল্টি ৬২৮ এমপি৪ জিপিইউ, ৩ জিবি র্যাম, ইন্টারনাল মেমোরি ১৬/৩২ জিবি, ৬৪ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, ১৩ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস, ডুয়াল- এলইডি ফ্ল্যাশ ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা; ১০৮০@৩০ এফপিএস ভিডিও; ৩১০০ এমএএইচ ব্যাটারি; এক্সেলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ, কম্পস, হুয়াওয়ি ইমোশন ইউআই ৩.০সহ ৪.৪.২ কিটক্যাট এন্ড্রয়েড; ওয়াইফাই, জিপিএস, ব্লু-টুথ ৪.০; এফএম রেডিও ইত্যাদি।


স্মার্ট ফোন দুটি  স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক এর মাধ্যমে ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইএমআই সুবিধা নির্দিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 5:18 AM

মাইক্রোসফটের নতুনত্ব পিছনে ফেলতে পারে এন্ড্রয়েডকে।

Microsoft vs Android
Microsoft vs Android
জনপ্রিয়তায় উৎকর্ষতার শীর্ষে সাইনোজেন অপারেটিং সিস্টেম।এটি গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের কাস্টোমাইজ সংস্করণ যা মূলত ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত সফটওয়্যার যেটির উপর মূলত সম্প্রতি চোখ পড়েছে মাইক্রোসফটের। তবে কি অবশেষে ওপেন সোর্স কোম্পানি হতে চলেছে মাইক্রোসফট? অন্যদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন যে, সম্প্রতি যে যে পরিবর্তনগুলো মাইক্রোসফট এনেছে তা অনেকের চোখে দাগ কেটেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বিশ্বের বৃহত্তম এই সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, প্রায় সাত কোটি মার্কিন ডলার সাইনোজেন মোডের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সাইনোজেনে বিনিয়োগ করবে তারা। ফলে মাইক্রোসফটের মত এতবড় প্রতিষ্ঠান ক্রমশ জনপ্রিয় হতে থাকা সাইনোজেন নামের উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেমটিতে বিনিয়োগের ফলে এটি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

আপাতত এখনও মাইক্রোসফট ও সাইনোজেন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। কিন্তু বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন,  মাইক্রোসফটের সাইনোজেনে বিনিয়োগের মাধ্যমে ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত সফটওয়্যারের দিকে বেশ আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। উন্মুক্ত সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ সফটওয়্যারের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া সত্ত্বেও ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি তা গ্রহণ করছে।  মাইক্রোসফট উন্মুক্ত সফটওয়্যারের দিকে ঝুঁকতে শুরু করার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে প্রতিযোগিতার দিক দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসকে পেছনে ফেলানো আর এমনটাই ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞগণ অন্যদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের তথ্য অনুযায়ী, স্মার্টফোন বাজারের মাত্র ৩ শতাংশ দখল করতে পেরেছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ফোন। স্মার্টফোনের বাজার দখলে মাইক্রোসফটের জন্য নানা পথ খোলা রয়েছে। গুগলের নীতিমালার বিরুদ্ধে হওয়া সত্ত্বেও সাইনোজেন মূলত গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সোর্স কোড কাস্টমাইজ করে তৈরি করে । অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত প্রকল্প হলেও গুগলই এই সফটওয়্যার দিয়ে হার্ডওয়্যার নির্মাতারা কী করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেয়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা ও ব্যবহারকারীরা গুগলের এই ছড়ি ঘোরানোর বিষয়টি খুব একটা পছন্দ করেন না। তাই গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের বিকল্প হিসেবে সাইনোজেনকেই ব্যবহার করা যায়, যাতে রয়েছে নতুন থিম, উন্নত প্রাইভেসি টুলের মতো ফিচার রয়েছে।

সম্প্রতি  স্মার্টফোন নির্মাতাদের কাছে সাইনোজেন তাদের অপারেটিং সিস্টেম সরাসরি সরবরাহ করা শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা ওয়ান প্লাস এই সাইনোজেন দিয়েই  তাদের জনপ্রিয় স্মার্টফোনটি অর্থাৎ ওয়ান প্লাস ওয়ান  তৈরি করেছে। এ ছাড়াও অন্যান্য যে দেশগুলো সাইনোজেননির্ভর ফোন তৈরি করছে তাহলো ভারত ও চীন। ভারতের মাইক্রোম্যাক্স ও চীনের অপো যথাক্রমে সাইনোজেননির্ভরই স্মার্টফোন।

বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন যে, সাইনোজেনে বিনিয়োগের মাধ্যমে মাইক্রোসফট আরও বেশি মোবাইল গ্রাহককে টানতে পারবে। মাইক্রোসফট প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলার অধীনে উন্মুক্ত সফটওয়্যারের দিকে বেশি ঝুঁকছে। ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি ডটনেট ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তার প্রমাণ দিয়েছে। সাইনোজেনের প্রধান নির্বাহী কার্ট ম্যাকমাস্টার সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, গুগলের আধিপত্য থেকে অ্যান্ড্রয়েডকে কেড়ে নিয়ে আরও উন্মুক্ত করে দিতে চায় তাঁর এই প্রতিষ্ঠান এমনকি তিনি আরো বলেন যে, "অ্যান্ড্রয়েডের আরও উন্মুক্ত হওয়া উচিত।"

অন্যদিকে কার্ট ম্যাকমাস্টার ঘোষণা দিয়েছেন যে, সাইনোজেন খুব শিগগিরই গুগলের প্লে স্টোরের মতো নিজস্ব অ্যাপ স্টোর তৈরি করবে তাঁরা । তবে  এখনো গুগলের ওপর সাইনোজেন কিছুটা নির্ভরশীল, কিন্তু ভবিষ্যতে তা বেশিদূর আর যাবে না। তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে গুগল থেকে উত্পন্ন ভিন্ন একটি সফটওয়্যার হয়ে যাবে সাইনোজেন।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 4:15 AM

HTC M9 এর স্পেসিফিকেশন নিয়ে অনেক আগে থেকেই বিতর্ক হচ্ছিল। অবশেষে Evan Blass এই স্মার্টফোন এর কিছু ফটো ও স্পেসিফিকেশন লিক করেছে। স্মার্টফোন টি তে থাকবে সিঙ্গেল ন্যনো সিম। ৫ ইঞ্চি স্ক্রীন এর রেসুলেশন হবে ১৯২০*১০৮০ যা প্রটেক্ট করার জন্য প্রথম বারের মত ব্যবহার করা হবে করনিং গরিলা গ্লাস ৪।


আন্ড্রইড ৫.০ ললিপপ এর সাথে স্মার্টফোনটি তে থাকবে ৩ জিবি র‍্যাম ও ১.৫ গিগাহার্জ প্রসেসর। ৩২ জিবি ইন্টারনাল এর সাথে ১২৮ জিবি পর্যন্ত এক্সটারনাল মেমোরি ব্যবহার করার সুযোগ। স্মার্টফোনটি তে ২০.৭ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা থাকবে, যার রেসুলাশন হবে ৫২৪৮*৩৯৩৬ পিক্সেল। এতে অটোফোকাস ছারাও থাকছে ডুয়াল-এল.ই.ডি ফ্ল্যাশ। এবং ফ্রন্টে ৪ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা। স্মার্টফোন টিতে Li-Po 2840 mAh নন রিমুভেবল ব্যাটারি থাকছে।



ভিডিও রিভিউ




অদ্ভুতুড়ে 1:58 AM

নিজদেহ অর্থাৎ মানবদেহ থেকেই চার্জ করা স্মার্টফোনকে।

battery helps to mobile recharge
battery helps to mobile recharge
স্মার্টফোন যথা মোবাইল যেমন নিত্তদিনের সঙ্গী ঠিক তেমনি এর চার্জ নিয়ে বিড়ম্বনাও নিত্তদিনের সঙ্গী। এর মূল কারণ হলো প্রায়শয়ই ফোনকে চার্জ দিতে ভুলে যাওয়া। এমনকি সময় ও সুযোগের অভাবে অনেক সময় ফোন অচলও হয়ে যেতে পারে আর হরহামেশা মনের ভুলে চার্জ না দেয়ার ব্যপারটিতো আছেই। আর তাই দিন দিন প্রযুক্তির সব অত্যাধুনিক আবিষ্কার মানুষের এসব ঝামেলাকে এক নিমিষেই দূর করে দিচ্ছে আর এমনটাই খুব সম্প্রতি ঘটে গিয়েছে। প্রযুক্তির এসব অকল্পনীয় আবিষ্কার মানুষের জীবনে নিয়ে আসছে সুখ-সমৃদ্ধি।

অনেক সময় অফিসের কাজে বা নানা ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে বাড়ির বাইরে যেতে হয় যার ফলে নিজ স্মার্টফোনটির চার্জারটি নিতে ভুল হয়ে যেতে পারে বা অনেক সময় চার্জার নিলেও ফোন চার্জ দেয়ার তেমন সুযোগ বা সময়ও থাকে না সেক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে পরতে হয় চরম বিড়ম্বনায়।ফলে এসময় আর কিবা করার আছে আর এতেই কি নিজ ফোনকে চার্জেই অভাবে বন্ধ হতে দেয়া যায়! না দেয়া যায় না এমনটি বলে সম্প্রতি মানুষকে এই বিপত্তি হতে মুক্তি দিতে প্রজুক্তিবিদরা নতুন করে একটি ডিভাইস আবিষ্কার করেছেন। প্রযুক্তিবিদদের এ ব্যাপারে মূল কথা হলো এখন থেকে স্মার্টফোনকে চার্জ দিতে আর চার্জারের প্রয়োজন হবে না, নিজ দেহ হতেই স্মার্টফোনকে চার্জ দেয়া যাবে।

battery helps to mobile recharge


গবেষণাকারীরা জানান যে, "নতুন এই প্রযুক্তিতে শুধুমাত্র মোবাইল ফোনটি ব্যবহারকারীর শরীরের নড়াচড়া হতেই অটোমেটিকেলি চার্জ হতে থাকবে আর এটি সম্ভব হবে একটিমাত্র ব্যাটারির সাহায্যেই", এর চার্জ নির্ভর করবে চলাফেরার উপর চলাফেরা যতদ্রুত হবে ফোনটি চার্জও তত তারাতারি হবে আর এরফলে চার্জের ব্যাপারে আর টেনশন করার প্রয়োজন হবেনা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা নতুন এই প্রযুক্তিটির ব্যাটারি আবিষ্কার করেছেন। এর গবেষকরা জানিয়েছেন যে, নতুন প্রযুক্তির এই ব্যাটারিটি তৈরী করতে যে বিশেষ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়েছেন তাহলো "থার্মালি রিজেনারেটিভ ইলেকট্রো কেমিকেল সাইকেল"। অবশ্য গবেষকরা বলেছেন যে, ব্যাটারিটী বানিজ্যিকভাবে বাজারে ছাড়ছেন না এটির পুরোপুরি গবেষনা শেষ হলে তারপর তা বাজারে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে ছাড়া হবে।

আশা করি ব্যাটারিটি বাজারে আসার ব্যাপারে আমার মত আপনারাও খুব বেশী আগ্রহী হয়ে আছেন।

অদ্ভুতুড়ে 2:54 AM

 বাজারে ধাতব ফ্রেমের গ্যালাক্সি A3 এবং A5 স্মার্টফোন নিয়ে আসছে স্যামসাং বাংলাদেশ। ৩০ জানুয়ারি দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাজারে ছাড়া হবে স্মার্টফোন দুটি।

সামসাং গ্যালাক্সি এ৩ এর রিভিউ

কালারঃ কালো, সাদা, সোনালি ও রুপালি রঙের ধাতব ফ্রেমের গ্যালাক্সি এ৩ কিনতে পাওয়া যাবে।


অপারেটিং সিস্টেমঃ Android 4.4 KitKat
 

ডিসপ্লেঃ অ্যামোলেড ৪.৫”

প্রসেসরঃ  ১.২ গিগাহার্টজের কোয়াড কোর প্রসেসর

র‍্যামঃ ১ জিবি

মেমোরিঃ সর্বোচ্চ ৬৪ জিবি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে

ক্যামেরাঃ পিছনে ৮ মেগা পিক্সেল রেয়ার আর সামনে ৫ মেগা পিক্সেল রেয়ার। এটি দিয়ে আপনি অনেক ভাল মানের সেলফি তুলতে পারবেন।

সিমঃ দুটি সিম ব্যাবহার করতে পারবেন।

ব্যাটারিঃ ১৯০০ লিথিয়াম আইয়ন

দামঃ ২৫ হাজার ৯শ’ টাকা

Samsung Glaxy A3 Video Review

অদ্ভুতুড়ে 5:25 AM

স্যামসাংয়ের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম টাইজেন চালিত প্রথম স্মার্টফোন Z1 বাংলাদেশে উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্যামসাং ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিম ওয়ারসি। তিনি আরও জানান, ভারতে ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে স্মার্টফোনটি এখন ভারতেও প্রস্তুত করা হবে।


বর্তমানে বাজারে থাকা স্মার্টফোনের অধিকাংশই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত। আর তাই অ্যান্ড্রয়েডের সাথে প্রতিযোগিতা করতে ইন্টেল এবং হুয়াওয়ের সাথে যুক্ত হয়ে স্যামসাং ডেভেলপ করে টাইজেন অপারেটিং সিস্টেম। আর এই অপারেটিং সিস্টেম চালিত প্রথম স্মার্টফোন হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বাজারে নিয়ে আসে Z1। এছাড়া একই অপারেটিং সিস্টেমে চলবে এমন স্মার্টওয়াচ এবং স্মার্টটিভি তৈরির কাজও করছে প্রতিষ্ঠানটি।


ভারতে উত্তর প্রদেশের নদীয়াতে অবস্থিত স্যামসাংয়ের মোবাইল তৈরির ফ্যাক্টরিতে প্রতি মাসে ৪০ লাখেরও বেশি মোবাইল তৈরির মত অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে। আর তাই এই অঞ্চলের চাহিদা মেটাতে এখানে মোবাইলটি তৈরির পরিকল্পনা করছে স্যামসাং।


টাইজেন চালিত Z1 প্রথম ভারতের বাজারেই উন্মুক্ত করা হয়। এ মাসের ১৪ তারিখে এটি উন্মুক্ত করার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার ইউনিট বিক্রি হয়েছে বলে স্যামসাংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ৫,৭০০ রুপির স্মার্টফোনটিতে আছে ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর প্রসেসর, ৭৬৮ এমবি র‍্যাম, ৪ জিবি স্টোরেজ ক্যাপাসিটি। ৪” ডিসপ্লে সমৃদ্ধ স্মার্টফোনটিতে আরও আছে ৩.১ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা, ভিজিএ ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ১,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি।

অদ্ভুতুড়ে 3:17 AM

 

থিয়েটারে বসে ছবি দেখছেন এমন সময় কারও ফোন বেজে উঠলে কিংবা ফোনের আলো জ্বলে উঠলে অনেকেই বিরক্ত হন। হয়তো কিছুদিন পরে আপনার হাতে এমন কোনো ফোন থাকবে, যার স্বয়ংক্রিয় বুদ্ধিমত্তার কারণে আপনাকে আর এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না। ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ‘থিয়েটার মোডে’ চলে যাবে; অর্থাৎ এ ধরনের পরিবেশে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ফোনটি সাইলেন্ট হয়ে যাবে। পাশাপাশি এর স্ক্রিনের আলোও কমে যাবে। একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে CNN.

সম্প্রতি মাইক্রোসফট এ ধরনের একটি প্রযুক্তির পেটেন্ট করিয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট পরিবেশে ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃষ্টি এড়াতে ও বিরক্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে সক্ষম হবে। থিয়েটারে, সভা-সেমিনারে, খাবার টেবিলে বা বিছানায় যাওয়ার সময় ফোনটি বিরক্তিকর হবে না। গত বৃহস্পতিবার মাইক্রোসফটকে এই পেটেন্ট অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট অফিস।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তাদের নতুন এই পেন্টেন্ট মোবাইলে যুক্ত হলে যখন থিয়েটার মোডে রাখা হবে, তখন সেই ডিসপ্লে সহজে চোখে পড়বে না এবং ইচ্ছামতো তা কাস্টোমাইজ করেও নেওয়া যাবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ওই মোডে চলে যাবে। ফোনের জিপিএস, ওয়াই-ফাই কিংবা ব্লুটুথ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানের পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নেবে ফোন। ফোনের লাইট সেন্সর যদি বেশি অন্ধকার মনে করে এবং ফোনের মাইক্রোফোন যদি পরিবেশ বেশি নীরব মনে করে, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশের সঙ্গে ফোনটি নিজেকে মানিয়ে নেবে। আবার সহজেই ফোনটিকে স্বাভাবিক মোডে ফিরিয়ে আনার সুবিধাও রাখছে মাইক্রোসফট।


মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত থিয়েটারে বা রেস্তোরাঁয় খাবার সময় আপনার ফোনটি বন্ধ রাখুন এই সতর্কবার্তা নিয়ে চিন্তিত হতে হবে না মাইক্রোসফটের ফোন ব্যবহারকারীদের।

অদ্ভুতুড়ে 2:43 AM

 

চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হুয়াউয়ি দেশের বাজারে ‘অনোর হলি’ নামে নতুন একটি স্মার্টফোন উন্মুক্ত করেছে। হুয়াউয়ি ডিভাইস বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাশ্রয়ী দামের অনার হলির রয়েছে উন্নত কনফিগারেশন।

অনার হলিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেমে ও হুয়াউয়ের নিজস্ব ইউজার ইন্টারফেস। ৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১.৩ কোয়াড-কোর প্রসেসর এবং ১ জিবি র‍্যাম। দুই সিম সুবিধার স্মার্টফোনটিতে ১৬ জিবি বিল্ট-ইন মেমোরি রয়েছে।

স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে LED ফ্ল্যাশ ও BSI সেন্সরসহ ৮ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। দুই হাজার মিলি-অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোনটিতে আরও রয়েছে ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াইফাই, মাইক্রো ইউএসবি, জিপিআরএস/ ইডিজিই, ডিএলএনএ ও থ্রিজি। এতে জি-সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর এবং এম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সরও রয়েছে।

স্মার্টফোনটি কেনা যাবে ১২ হাজার ৭৫০ টাকায়। ক্রেতারা বিক্রি শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে এটি কিনলে বিনা মূল্যে পাবেন একটি ব্লুটুথ হেডসেট। প্রাথমিকভাবে হুয়াউয়ে স্মার্টফোনটি বসুন্ধরা সিটির গ্রামীণফোন সেন্টার, মোবাইল হাট, আরএস কর্পোরেশন, টুইন টাওয়ার মার্কেট, আর্কোস এবং উত্তরার নর্থ টাওয়ারে আরটি আউটলেটে পাওয়া যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 11:48 PM

বাজার এ এখন নানা রকমের ক্লোন আর মাস্টারকপি ফোন দিয়ে ভরে গেছে। কোনটা আসল আর কোনটা নকল বোঝাই যায় নাহ। এদের প্রতারনার শিকার হয়েছেন এরকম অনেকই আছে। আপনাকে যাতে আর ধরা খেতে না হয়  সে জন্যই আসলে এই পোষ্টটি করা।

আপনি কি জানেন, আপনার মোবাইলফোনটি আসল না নকল(ক্লোন)??? জেনে নিন খুব সহজেই!

কীভাবে বুঝবেন যে আপনার ফোনটা আসল?

♦ প্রথমে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। 

♦ তারপর আপনার ফোনের IMEI নাম্বার দিন নিচের ছবির মতো। (আপনার ফোনের  IMEI নাম্বার পাবেন *#06# প্রেস করে)।


♦ তারপর CHECK এ ক্লিক করুন।

♦ অরিজিনাল ব্র্যান্ডের ফোন হলে আপনার ফোনের সকল তথ্য চলে আসবে। (নিচের ছবির মতো)। 


♦ আপনার ফোন কি অরিজিনাল? নাকি ক্লোন/ মাস্টারকপি!! খুব সহজে আপনি দেখে নিন।

♦ Read More এ ক্লিক করলে আরও বিস্তারিত পাবেন। 

♦ নন-ব্র্যান্ডের বা চায়না ফোনের বা ক্লোন বা মাস্টার কপির  IMEI দিলে কিছু আসবে না। 

♦ আপনার মোবাইলফোনটি আসল না নকল(ক্লোন)??? খুব সহজে আপনি দেখে নিন।

বিঃদ্রঃ - এভাবে আপনি আপনার ফোনটি আসল নাকি নকল অথবা মাস্টারকপি তা সহজেই ধরতে পারবেন। আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:42 AM

২০১৪ তে  চীনের বাজারে স্যামসাং তাদের শেয়ারের এক তৃতীয়াংশ ক্ষতিপুরন গুনেছে। অন্যদিকে অ্যাপেল ও শীওমী সহ অন্যান্য স্থানীয় কিছু চাইনিজ কোম্পানির মোবাইল ফোনের গ্রহনযোগ্যতা বেড়ে যাওয়ায় স্যামসাং এর এই লোকসানের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা । অবশ্য চীনে স্মার্টফোন বিক্রির সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে, আর তাই স্যামসাং এর বিশ্লেষকরা একে অন্যতম কারণ মনে করছেন।


চীনের সবচেয়ে বড় গবেষণ ও কনসাল্টিং কোম্পানি সিসিআইডি তাদের পরিচালিত গবেষণার ভিত্তিতে মিডিয়াকে এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে যে, স্যামসাং গতবছরে চীনের বাজারে তাদের ৩১.৫% মার্কেট শেয়ার খুঁইয়েছে। ২০১৪ এর জানুয়ারীতে এই প্রতিষ্ঠানটি চীনের স্মার্টফোনের বাজারের সিংহভাগ অর্থাৎ শতকরা ২০ ভাগ নিজেদের দখলে রেখেছিল কিন্তু অক্টোবর মাসে এসে তা দাঁড়ায় মাত্র ১৩.৭% এ। তবে আশার কথা এটুকুই - স্যামসাং এর বাজার পড়তির দিকে থাকলেও এখনো তারা নিজেদের ফোন বিক্রিতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে এগিয়ে আছে। তবে বাজার হারানোর এমনতর গতি চলতে থাকলে ২০১৫ তে তাদেরকে হয়তো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পেছনে এসে দাঁড়াতে হবে।


গত বছর জানুয়ারীতে চীনে মোট ৩৫৬.২ মিলিয়ন স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে। অন্য দিকে অক্টোবর মাসে এসে সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩০৭ মিলিয়ন। যাহোক, বিক্রির দিক থেকে স্যামসাং এর ঠিক পরেই আছে হুয়াওয়ের, লিনোভো, কুলপ্যাড, জিয়াওমি ও মেইজু। আরো আছে অ্যাপেল। গত বছর এই অ্যাপেল চীনের বাজারে বেশ শক্ত ঘাঁটি গেড়েছে বলেই জানিয়েছে সিসিআইডি’র প্রতিবেদন।

অদ্ভুতুড়ে 4:24 AM

ওয়ান প্লাসের তেলেসমাতি না পড়লে মিস করবেন!

Oneplus one
Flagship killer
ইতিমধ্যেই প্রযুক্তিবিশ্বে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা ওয়ান প্লাস  তেলেসমাতি দেখাতে শুরু করেছে। ওয়ান প্লাস গত বছরেই ১০ লাখ ইউনিটের বেশি বিক্রি হয়েছে । স্মার্টফোন হিসেবে ওয়ান প্লাসের ‘ফ্ল্যাগশিপ কিলার’ নামক এই স্মার্টফোনটি ২০১৪ সালে বেশ সুনাম কেড়েছে । চীনা সংশ্লিষ্ট  এই স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের নভেম্বর মাসেই এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ স্মার্টফোন বিক্রির কথা জানিয়েছেন ।  ওয়ান প্লাস স্মার্টফোনটি গত বছরের জুন মাস থেকে বিক্রি করা শুরু হয়েছে। এই স্মার্টফোনটির আছে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্ক্রিন এবং এর সামনে ৫ ও পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।

 সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত সিইএস ২০১৫ উপলক্ষে পিসি ওয়ার্ল্ডের কাছে ওয়ান প্লাসের এই স্মার্টফোনটি বিক্রির তথ্য জানান  উক্ত প্রতিষ্ঠানের ২৫ বছর বয়সী সহ প্রতিষ্ঠাতা কার্ল পেই। তিনি আরও বলেন  যে, ভবিষ্যতে ওয়ান প্লাস গ্রাহক সেবা ও পরিচালনা কার্যক্রম বাড়াবে । এ ছাড়াও  এ বছরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যেই  নতুন প্রজন্মের ওয়ান প্লাস ওয়ান ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন বাজারে আসবে বলে ঘোষণা দেন কার্ল পেই।  কার্ল পেই আরও জানান যে,  শিগগিরই ওয়ান প্লাস ওয়ান ছাড়াও আরেকটি ভিন্ন মডেলের মুঠোফোন বাজারে  ছাড়া হবে । তিনি বলেন আরও বিস্তারিতভাবে বলেন যে,  ‘আমরা ভিন্নধারার গ্রাহক তৈরি করতে পেরেছি। যাঁরা  যন্ত্রাংশের চেয়ে নকশাকে গুরুত্ব দেন বেশি, তাঁদের জন্য আমরা আছি। কাস্টম রম ও অ্যান্ড্রয়েড  ললিপপনির্ভর স্মার্টফোন শিগগিরই আসছে। ’

আশা করি খুব শিগগিরই আমাদের দেশেও এই ফোনটি ব্যবহারের সুযোগ পাবো।

আসুন বছরের বিদায়লগ্নে শীর্ষ স্মার্টফোনের ভাল-মন্দ জেনে নেই, প্রতিবেদন।

 

অদ্ভুতুড়ে 4:15 AM

বাংলাদেশে থ্রিজি সেবা চালু হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ স্মার্টফোন আমদানি বাড়ে চলেছে। ভারতভিত্তিক দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাইবার মিডিয়া রিসার্চ (CMR)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী তৃতীয় প্রান্তিকে দেশে স্মার্টফোন আমদানি বেড়েছে ২২০ শতাংশ।


সিএমআরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছে ১৬ লাখ, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ লাখ। সে হিসাবে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এর আমদানি বেড়েছে ২২০ শতাংশ। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোন আমদানি হয় ৭ লাখ।


স্মার্টফোনের এ প্রবৃদ্ধি খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করছে থ্রিজি সেবা চালু করা সেলফোন অপারেটররা। প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্রে জানা গেছে, তারাও বান্ডল অফারের আওতায় গ্রাহকদের স্মার্টফোন দিচ্ছে। থ্রিজি সেবার সুবিধাগুলো পেতে হলে স্মার্টফোন প্রয়োজন। তবে দেশে সেলফোন সংযোগের তুলনায় স্মার্টফোন ব্যবহারের সংখ্যা এখনো অনেক কম।


সিএমআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোনের বিক্রি প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে এ খাতের সামগ্রিক আয়ও বাড়বে। ফিচার ফোনের তুলনায় স্মার্টফোনের দাম বেশি হওয়ার কারণে এ আয় বাড়বে। পাশাপাশি মুনাফাও তুলনামূলক বেড়ে যাবে। আর বাজারের প্রসারের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা আরো বাড়বে, যার ফলে পছন্দের হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পাবেন ক্রেতারা।


হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এখনো শীর্ষে রয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড সিম্ফনি। তৃতীয় প্রান্তিক শেষে হ্যান্ডসেট বাজারের ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ নিয়ে এ অবস্থানে রয়েছে সিম্ফনি। এছাড়া নকিয়া ৬ দশমিক ২, ম্যাক্সিমাস ৬ ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের দখলে রয়েছে ৫২ শতাংশ।
স্মার্টফোনের বাজারেও শীর্ষ অবস্থানে থাকা সিম্ফনির দখলে রয়েছে বাজারের ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ। দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন বাজারের ১১ দশমিক ৮ শতাংশ নিয়ে রয়েছে পরবর্তী অবস্থানে। আর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড স্যামসাং এ বাজারে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ নিয়ে। অন্য ব্র্যান্ডগুলোর দখলে রয়েছে ২১ দশমিক ৫ শতাংশ।


এদিকে স্মার্টফোনের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ঘটলেও ফিচার ফোনের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলক কম। তৃতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোন আমদানি হয়েছে ৬৪ লাখ, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ বেশি। ২০১৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ৬৩ লাখ ফিচার ফোন আমদানি করা হয়। তবে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোনের আমদানি ১০৭ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোন আমদানি হয়েছে ৩১ লাখ।


চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোন ও ফিচার ফোন মিলিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয় ৭৯ লাখ। আগের বছরের একই সময়ের তুলনা এটি ১৬ শতাংশ বেশি। ২০১৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে ৬৮ লাখ। আর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে হ্যান্ডসেট আমদানি প্রায় ১০৮ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩৮ লাখ হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়।

অদ্ভুতুড়ে 5:33 AM

 

২০১৪ সালে  মোবাইল ফোনের বাজারে বেশ কিছু নতুন ফোনের দেখা মিলেছে। শুধু কমদামের অ্যান্ড্রয়েডের স্মার্টফোনই নয়, এ বছর দেখা গেছে বেশ কয়েকটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে। সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে ছিল এবং নতুন নতুন ভালো লাগা ছিল এই স্মার্টফোন গুলা নিয়ে।



iPhone 6 Plus:  এই বছরের সবচাইতে আকর্ষণ কেড়েছে অ্যাপল কোম্পানির "আইফোন ৬ প্লাস"।  অনেক অপেক্ষার পর এ বছরই অ্যাপল তাদের ‘আইফোন ৬ প্লাস’ ডিভাইসটির মাধ্যমে ফ্যাবলেট জগতে পা রাখল। আইফোন ৬ ডিভাইসটিতে রয়েছে চমৎকার ৫.৫” সাইজের বড় একটি ডিসপ্লে ইউনিট যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী একই সাথে ডিভাইসটি থেকে ট্যাব এবং স্মার্টফোনের স্বাদ নিতে পারবেন।




  


  Samsung Galaxy Note 4:  চলতি বছর স্যামসাং এর কয়েকটা মোবাইল ফোন রিলিজ পেলেও মানুষের নজর কেড়েছে একমাত্র "গ্যালাক্সি নোট ৪" যা এপর্যন্ত স্যামসাং-এর তৈরি চমৎকার ডিজাইনের ডিভাইসগুলোর একটি। যদিও এটি দেখতে অনেকটা এর উত্তরসূরির মতই তবে এই ডিভাইসটি আকারে কিছুটা ছোট, হালকা এবং অবশ্যই আরও চমৎকার ভাবে তৈরি করা হয়েছে। স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪-এ ব্যবহার করা হয়েছে মেটাল ফ্রেম যা ডিভাইসটিকে দিয়েছে প্রিমিয়াম লুক।

 

 

 

 

 Moto G (2nd gen.):  মোটোরোলা প্রতিষ্ঠানের "মটো জি" মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বেস্ট সেলিং স্মার্টফোন যা সেকেন্ড জেনারেশনের মাধ্যমে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। এমনকি বলা চলে সেকেন্ড জেনারেশনের এই ডিভাইসটি এখন পর্যন্ত বাজারের পাওয়া যাওয়া মোস্ট ওয়েল রাউন্ডেড বাজেট স্মার্টফোন।

 

 

 

Sony Xperia z3:  গুজব শোনা যায় স্যামসাং-এর গ্যালাক্সি এস৫, এইচটিসি ওয়ান (এম৮) এবং আইফোন ৬ ডিভাইসগুলোর সাথে পাল্লা দিতেই জাপানের এই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি বের করেছে সনি এক্সপেরিয়া জেড৩ স্মার্টফোনটি। যদিও হয়তো স্মার্টফোনটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় কিছু ফিচারে পিছিয়ে থাকতে পারে তবুও স্মার্টফোনটি চমৎকার ভাবে বাজার দখল করতে সমর্থ হয়েছে।

 

 

1+ 1:  ‘ফ্ল্যাগশীপ কিলার’ ব্যানারে আগত এই ডিভাইসটি এই বছরের শেষের দিকে ভারতের বাজারে বেশ সারা ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। হাই-এন্ড হার্ডওয়্যার দ্বারা নির্মিত এবং প্রিমিয়াম লুকের চমৎকার ফিচার বিশিষ্ট এই স্মার্টফোনটি হিসেবের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দামে পাওয়ায় প্রযুক্তি প্রেমীদের মন সহজেই জয় করতে সক্ষম হয় এই স্মার্ট ফোন। তবে ডিভাইসের প্রোডাকশন লিমিটেড হবার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এটি বিক্রি করার জন্য চালু করে ‘ইনভাইটেশন সিস্টেম’। 

 

 


 

 

Oppo Find7:  অপ্পো ফাইন্ড ৭ স্মার্টফোনটি  অপ্পো  ব্র্যান্ডের একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস যা ভারতের বাজারে পাওয়া যাওয়া এখন পর্যন্ত মোস্ট আন্ডার-রেটেড স্মার্টফোন। কিছু হাই এন্ড হার্ডওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কিছু চমৎকার মজাদার ফিচার।

 

 

Xiaomi Mi3:  হঠাত করে বিখ্যাত হয়ে ওঠা শাওমি’র কথা প্রযুক্তি প্রেমীদের মধ্যে প্রায় সবাই জানেন। প্রিমিয়াম লুক, শক্তিশালী হার্ডওয়্যার, স্মুথ পারফর্মেন্স এবং কম দাম – সব মিলিয়ে ‘চায়নার অ্যাপল’ খ্যাত এই ব্র্যান্ড সবার কাছে সহজেই জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। এই স্মার্টফোনটি শাওমির একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস যা স্পেক-এর তুলনায় নেক্সাস ৫ এর সাথে সহজেই তুলনীয় কিন্তু ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন এই ডিভাইসটি প্রায় অর্ধেক দামে।

 

 

 

 

HTC One (M8):  বিল্ড কোয়ালিটি, পারফর্মেন্স এবং সফটওয়্যারের দিক বিবেচনা করলে বর্তমান বাজারের সবচাইতে ভালো অ্যাড্রয়েড স্মার্টফোন সম্ভবত এইচটিসি ওয়ান এম৮ স্মার্টফোনটি। স্মার্টফোনটি পূর্বের মূল এইচটিসি ওয়ান থেকে খুব বেশি পরিবর্তিত না হলেও এইচটিসি প্রতিষ্ঠানটি এই ডিভাইসটির ডিজাইনে কিছুটা ইম্রুভমেন্ট এনেছে।

 

 

Moto X (2nd gen.):  নতুন এই মটো এক্স ডিভাইসটিকে শুধু মাত্র একটি আপগ্রেড বললে ভুল করবেন, এটা সম্পুর্ণ ভাবেই একটি নতুন ডিভাইস বলা যায়। মূল ডিভাইসটির তুলনায় নতুন এই ডিভাইসটির লুক অনেক বেশি প্রিমিয়াম এবং এর কারণ ডিভাইসটির অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম। ৫.২” বিশিষ্ট স্ক্রিন হওয়া স্বত্তেও ডিভাইসটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যার কারণে আপনার এক হাতে ডিভাইসটি ব্যবহার করতে মোটেও সমস্যা হবেনা।

 

 

Nokia Lumia 830:  হাই-এন্ড এবং মিড-রেঞ্জের মধ্যে গ্যাপ কমানোর লক্ষ্যেই মাইক্রোসফটের নকিয়া লুমিয়া ৮৩০ ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল বাজেটের মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস বাজারে ছাড়া যাতে থাকবে প্রিমিয়াম ফর্ম ফ্যাকটর এবং চমৎকার কোয়ালিটির ক্যামেরা।

Powered by Blogger.