Showing posts with label সাইফুর রহমান. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 8:27 PM
মার্কিন সিনেমা প্রযোজক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সাল পিকচার্সের ব্যানারে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস কে নিয়ে মুভি তৈরির কাজ শুরু করা হয়। মুভির নাম ‘স্টিভ জবস’। চলতি সপ্তাহে বের হল এই মুভির ট্রেইলার।


ট্রেইলারের প্রায় পুরোটাই স্টিভ জবসের চরিত্রে অভিনয় করা মাইকেল ফ্যাসবেন্ডারের একটি দৃশ্য দিয়ে বানানো হয়েছে। এক মিনিটের এই ট্রেইলারে মাইকেল ফ্যাসবেন্ডার, সেথ রোজেন, কেট উইন্সলেট এবং জেফ ড্যানিয়েলস যথাক্রমে স্টিভ জবস, স্টিভ ওয়াজনিয়াক, জোয়ানা হফম্যান ও জন স্কালির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মুভিটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন অ্যারন সরকিন আর পরিচালনা করেছেন ড্যানি বয়ল।

চলতি বছর ৯ অক্টোবর, স্টিভ জবসের মৃত্যুবার্ষিকীর পরপরই মুভিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।


অদ্ভুতুড়ে 5:01 PM
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেনের ফেসবুক পেজে তার বোনের সাথে তোলা ছবি পোস্ট করার পর সেখানে নোংরা মন্তব্যকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। এসব অসুস্থ মানসিকতার ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে গোটা অনলাইন জুড়ে।



২৫ জুন (বৃহস্পতিবার), নাসির হোসেন তার ছোটবোনের সাথে তোলা একটি সেলফি তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। মূলত ছোট বোনের আবদার রক্ষা করতেই এ ছবি তোলা এবং ফেসবুকে পোস্ট করা। কিন্তু সেই ছবিতে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও নোংরা মন্তব্য করে কতিপয় বিকৃত মানসিকতার ফেসবুক ব্যবহারকারী। এতে ব্যথিত হয়ে উক্ত ছবিটি ডিলিট করেন নাসির হোসেন এবং এর প্রতিবাদ জানিয়ে একটি অভিমানি পোস্ট দেন তার পেইজে।



তিনি লিখেন, “আপনাদের খারাপ মন্তব্য দেখে অনেক কষ্ট পেলাম। আমার ছোট বোনের আবদার মেটাতে তার সাথে আমার ছবি পেজে পোস্ট করেছিলাম। তাই বলে আপনারা অনেকেই বাজে মন্তব্য করেছেন। যেটা নিয়ে অনেকেই ফান পোস্টও করছেন। পোস্টটা ডিলেট করে দিলাম এখন খুশি তো? আপনাদের মত ফ্যান আমার দরকার নাই। আমাকে যারা পছন্দ করেন না তারা আমার ছবিতে লাইক দিবেন না। আমাকে ফলো করবেন না।”



এই ঘটনার পর নাসিরের সাথে করা এমন নোংরামির বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে গোটা ফেসবুক। নিন্দার ঝড় বয়ে যায় এসব মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে এবং একইসাথে এমন ঘটনার জন্য সবাই দুঃখ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেন। সেই সাথে দাবি উঠে উক্ত ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দেয়ার জন্য। এধরনের নোংরামি সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।



জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সাথে হওয়া এমন আচরণ হতবাক করেছে সবাইকে। এর প্রতিক্রিয়ায় রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় দলের অধিনায়ক মাফরাফি বিন মর্তুজা তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজটিতে বাংলাদেশকে ‘কান্ট্রি রেস্ট্রিক্ট’ করে দেন, যার ফলে বাংলাদেশের কোন ফেসবুক ব্যবহারকারীই মাশরাফির পেজটি আর দেখতে পাচ্ছেন না।



এরপরই ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় উঠে নাসিরের ছবিতে নোংরা মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে। নাসিরের ডিলিট করা ছবির স্ক্রিনশট দেখে উক্ত নোংরা মন্তব্যকারীদের ফেসবুকে সার্চ করে তাদের ফেসবুক আইডি বের করা হয়। সেই সাথে বের হয়ে আসে তাদের নাম, পরিচয় এবং ছবি। পুরো ফেসবুক জুড়ে এখন এসব মন্তব্যকারীদের পরিচয় প্রকাশ করে শাস্তির দাবি করা হচ্ছে।



এখন পর্যন্ত যেসব মন্তব্যকারীদের শনাক্ত করা গেছে তাদের নাম, পরিচয় এবং ছবি নিচে দেয়া হল।





নাম: নূরে  আলম সিদ্দীকী
ঠিকানা/পরিচয়: রংপুর কারমাইকেল কলেজে এমবিএ শিক্ষার্থী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/nuralam.seddiki


নাম: মুহাম্মদ নুরুল করিম আকিব
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/profile.php?id=100004289627075




নাম: হৃদয় আহমেদ শিপু
ঠিকানা/পরিচয়: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির শিক্ষার্থী, ঢাকা নিবাসী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/ridoyahamed.shipu.5




নাম: তাহসিন
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/superrnatural.tahsin




নাম: আমিন মুহাম্মদ
ঠিকানা/পরিচয়: তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ-এ ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী, নারায়ণগঞ্জ নিবাসী
মোবাইল: 01949-478712
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/amin.muhammad.94801




নাম: তারেক হাসান রুমেল
পরিচয়/ঠিকানা: চট্টগ্রাম সিটি কলেজের শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম নিবাসী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/profile.php?id=100008320448833




নাম: মামুনর রশিদ
পরিচয়/ঠিকানা: সিটি ল কলেজ, খুলনার শিক্ষার্থী, খুলনা নিবাসী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/mamunar.rashid.98




নাম: ফাহিম
পরিচয়/ঠিকানা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিবাসী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/silentboy.fahim.5




নাম: আহামেদ সুমন
পরিচয়/ঠিকানা: ইস্পাহানি ডিগ্রি কলেজ, রোহিতপুর, ঢাকা নিবাসী
ফেসবুক আইডি: www.facebook.com/ahamed.sumon.37



নাসির ও তার বোনের ছবিতে করা নোংরা মন্তব্যসমূহ:







সূত্রঃ বিডি জর্নাল




অদ্ভুতুড়ে 4:03 AM
মাহে রমজান উপলক্ষে গুগলের নতুন ওয়েবসাইট চালু করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। ওয়েবসাইটটিতে রমজান-সংক্রান্ত অনেক তথ্যই পাবেন গ্রাহক। বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কথা মাথায় রেখে এ সেবা চালু করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়।

My Ramadan Companion
My Ramadan Companion

রমজানকে ঘিরে গুগলের ওয়েবসাইটটি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ‘মাই রামাদান কম্প্যানিয়ন’ নামের সাইটটির বিশেষ দিক হচ্ছে এতে অঞ্চলভিত্তিক তথ্য রয়েছে। যেমন গ্রাহক সাইটটি ব্যবহার করে আশপাশের কোথায় চ্যারিটি ইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে, হালাল রেস্তোরাঁ কোথায় রয়েছে এবং আশপাশের রাস্তার অবস্থা কেমন এমনকি প্রয়োজনীয় খাবারের প্রস্তুত প্রণালীও জানতে পারবেন।
সাইটটির সঙ্গে ইউটিউবও যুক্ত থাকবে। এতে রমজানের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিডিও দেখতে পারবেন গ্রাহক। যেমন, ইসলাম-সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও, ৩০ দিন রোজা রাখার সময় স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত বিভিন্ন টিপস দেখা যাবে। মার্কিন সার্চ জায়ান্ট গুগল এর মধ্যে রমজান সংশ্লিষ্ট একটি অ্যাপও ছেড়েছে। ওয়েলকামিং রামাদান ২০১৫ নামের অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহক সেহরির সময় থেকে শুরু করে রমজানের সময় বিভিন্ন রান্নার টিপসও পাবেন।

অদ্ভুতুড়ে 9:26 PM
গৃহহীন একজন মানুষ লিও যে কিনা দিনে আনে দিনে খায় শিক্ষাগত যোগ্যতাও তেমন একটা নেই, কিন্তু একজন প্রোগ্রামারের তত্ত্বাবধানে লিও তৈরি করেছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশান।

লিও
লিও


Medium এর Patrick McConlogue যিনি নিজে একজন প্রোগ্রামার, ঠিক করেন প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে আট সাপ্তাহ প্রোগ্রামিং কোডিং শেখাবেন। যেই চিন্তা সেই কাজ Patrick McConlogue শুরু করেছিলেন এবং শেষও করলেন অবশেষে শিক্ষানবিশ লিও নিজেই প্রোগ্রামিং শিখে মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে Patrick McConlogue দুইটি অপশন দিয়েছিলেন প্রথমটি হচ্ছে লিওকে ১০০ ডলার দেয়া হবে যা দিয়ে লিও যা ইচ্ছে করতে পারে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে লিওকে একটি ল্যাপটপ এবং ৩টি জাভা স্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং বই দেয়া হবে এবং প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে প্রোগ্রামিং শেখানো হবে।

Patrick McConlogue সাথে লিও।
Patrick McConlogue সাথে লিও।

লিও দ্বিতীয় পন্থা বেছে নিয়েছিলেন এবং Patrick McConlogue লিওকে প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে সময় দিয়েছিলেন। Patrick McConlogue সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে লিও খুবি ভালো করেছে যার প্রমান হিসেবে লিও এরই মাঝে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যা আবহাওয়া বিষয়ক। তবে লিও এখনও তার অ্যাপ এর বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানায়নি, অ্যাপ্লিকেশানটি উম্মুক্ত হলেই সবাই বিস্তারিত জানতে পারবেন।


এদিকে Patrick McConlogue নিজের ব্লগে লিখেছেন, প্রতিদিন আমরা রাস্তায় বাহির হলেই দেখতে পাই নানান মানুষ এদের মাঝে অনেকেই বাস্তুহীন অনেকেই নির্লিপ্ত জীবন কাটায় আবার অনেকে আছে মদ্য পান করে মাতাল অবস্থায় থাকে কিন্তু সামান্য যত্ন নিলেই এদের শিক্ষা দিলেই এরাও অনেক ভালো কিছু করতে পারে, সেই বিষয় বিবেচনা করেই আমার এই উদ্যোগ। প্রাথমিক ভাবে আমি লিওকে দিয়ে শুরু করলেও সামনে আরো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা আছে।

এদিকে লিও’র এই সাফল্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। এরই মাঝে Huffington Post, Washington Post, Tech Crunch সহ অনেক মিডিয়াতে লিও বিষয়ক সংবাদ করা হয়েছে।

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে পর্যাপ্ত সহযোগিতা এবং ইচ্ছা শক্তি থাকলে যেকেউ অসাধ্য সাধন করতে পারে এবং জীবনকে পাল্টে দিতে পারে।

আপনারা চাইলে লিও’র ফেসবুক পেজে ঘুরে আসতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:02 PM

 এবার ফেসবুক চিনিয়ে দেবে লুকিয়ে থাকা বন্ধুকে...

ফেসবুক রিকগনিশন সেবাটি চালু হওয়াতে ফেসবুক নিজেই বন্ধুর চেহেরা খুঁজে বের করে সেটিকে বন্ধুকে ট্যাগ করার আবেদন জানিয়ে থাকে। এই ফেস রিকগনিশনের সাথে এবার যোগ হচ্ছে আরো নতুন এক সেবা। যেটি ছবির অস্পষ্ট বন্ধুটির নামও বের করে আনতে পারবে সহজে।

এবার ফেসবুক চিনিয়ে দেবে লুকিয়ে থাকা বন্ধুকে...
এবার ফেসবুক চিনিয়ে দেবে লুকিয়ে থাকা বন্ধুকে...


ফেসবুকে গ্রুপ ছবি আপলোড করলে দেখা যায় পিছনে থাকা বন্ধুটির চেহারা অস্পষ্ট থাকে। অনেক সময় আবার বন্ধুটি ছবিতে উপস্থিত থাকলেও তার চেহারা ঢাকা পড়ে যায় কারো আড়ালে। এমন অবস্থায় ফেসবুকের নতুন এ সেবা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অর্থাৎ লুকিয়ে থাকা ছবি কিংবা অস্পষ্ট ছবিটির ব্যক্তিকে খোজে বের করে এনে তাকে ট্যাগ করতে পরামর্শ প্রদান করবে এই ফিচারটি।

সেবাটি সম্পর্কে ফেসবুকের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রধান ইয়ান লেকান বলেন, ‘আমরা বের করতে চেষ্ট করছিলাম ছবিতে যে ব্যক্তিদের চেহেরা বুঝা যাচ্ছিল না তাদের কে ভিন্ন কোন উপায়ে কিংবা অন্য কোন চিহ্নের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় কিনা। এবং আমরা এটা বের করতে সম্ভব হয়েছি।’

অদ্ভুতুড়ে 2:29 PM
এইডস নির্মূলে নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই পদ্ধতিতে এইচআইভি ভাইরাসের কোষে শর্করা এবং পুষ্টি উপাদানের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে সেটিকে সহজেই মেরে ফেলা যাবে।

Discover new ways to eradicate AIDS
Discover new ways to eradicate AIDS
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিনের গবেষণায় সাফল্য পেয়েছেন। এইচআইভি ভাইরাস নির্মূলে বিজ্ঞানীরা নতুন কৌশল আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। নতুন এই পদ্ধতিতে এইচআইভি ভাইরাসের কোষে শর্করা এবং পুষ্টি উপাদানের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে খুব সহজেই সেটিকে মেরে ফেলা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিন এবং ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই আবিষ্কার কথা জানিয়েছেন। পিএলওএস প্যাথোজেনস নামের জার্নালে এ সম্পর্কিত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
Discover new ways to eradicate AIDS-2
Discover new ways to eradicate AIDS-2
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী কোনো কোষে আক্রমণের পর সেটি হতে প্রচুর পরিমাণ শর্করা এবং পুষ্টি উপাদান শোষণ করে পুরো শরীরজুড়ে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়। বিজ্ঞানীরা রোগপ্রতিরোধী কোষ হতে ওই শর্করা এবং পুষ্টি উপদানগুলো বের হওয়ার সুইচটি চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছেন। পরীক্ষামূলকভাবে বিজ্ঞানীরা ওই সুইচটি বন্ধ করে দিয়ে দেখতে পান যে এতে করে এইচআইভি ভাইরাস শুকিয়ে মরে যাচ্ছে।

বলা হচ্ছে যে, এই আবিষ্কার ক্যান্সারের চিকিৎসায়ও এটি কাজে লাগবে। কারণ ক্যান্সার কোষগুলোও এভাবেই শর্করা এবং পুষ্টি উপাদান শুষে দেহে বংশ বিস্তার ঘটায়। এই আবিষ্কারের কারণে এই প্রথমবারের মতো হয়তো বিজ্ঞানীরা এইচআইভি ভাইরাসের ব্যাপকহারে বংশবিস্তার রোধের পদ্ধতি আবিষ্কার করতে সক্ষম হলেন। এর কারণ হলো বিদ্যমান চিকিৎসা পদ্ধতিতেও এইচআইভি ভাইরাসের অস্বাভাবিক বংশবিস্তার রোধ করা যায় না।

প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয় যে, এই আবিষ্কারের কারণে হয়তো এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষকে এইডসে আক্রান্ত হওয়ার হাত হতে বাঁচানো সম্ভব হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আজীবন এই ভাইরাস শরীরে বহন করতে হবে না- এমনটিই আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 12:58 AM
আমরা কম বেশি সকলেই কোন ওয়েব সাইট বানিয়ে থাকি। বিশেষ করে যারা ব্লগারে সাইট বানাই তারা মনের মত থিম পাই না যাও পাই তা হয়ে থাকে প্রিমিয়াম অর্থাৎ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। আমি আজ আপনাদের জন্য থিম ফরেষ্টের একটি থিম নিয়ে এসেছি যেটার মাধ্যমে খুব সহযেই ফ্রিতে নিজেদের ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারবেন ঠিক প্রফেশনাল দের মত।
চলুন দেখি এই থিমটির।


ফ্রি ডাউনলোড করুন 21$ মূলের BMAG v1.3.3 ম্যাগাজিন ষ্টাইল অসাধারন ব্লগার টেইমপ্লেট
এর নাম হচ্ছে BMAG v1.3.3

কি কি সুবিধা আছে এতেঃ

  • নতুন ভার্শন v1.3.3
  • ফুল রেস্পন্সিভ ডিজাইন।
  • থিম অপশনঃ বক্স ষ্টাইল/ ইমেজ স্ক্রুল
  • আনলিমিটেড ফ্রন্ট এবং কালার।
  • ইচ্ছেমত কাষ্টমাইজ ডিজাইন।
  • SEO রেডি।
  • টিউন লেআউট ষ্টাইলঃ ফুল ওয়াইড/ ডানপাশে সাইডবার/ বাম পাশে সাইডবার
  • ৯ টি হোম লে আউট বক্স ষ্টাইল।
  • jQuery এবং CSS3 ইফেক্ট।
  • সোসাল কাউন্টার উয়েজগেট।
  • সহজেই কাষ্টমাবেল উইজগেট ড্রপডাউন মেনু।
  • প্রিভিউ টিউন রেডি।
  • টিউনের নিচে রিলেটেড টিউন অপশন।
  • ফুল ইমেজ কোয়ালিটি।
  • সাপোর্ট ইউটিউব থাম্বনেইল।
  • ফেসবুক লাইকবক্স সর্টকোড।
  • পপ আপ কন্ট্রাক ফরম।
  • ইরর 440 পেইজ।
  • ফেসবুক, ডিসকাস এবং ব্লগার কমান্ট বক্স।
এছাড়াও আরো অনেক কিছু রয়েছে এতে। অসাধারন এই থিমের মাধ্যমে অনেক সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন আপনার ওয়েব সাইট। তো চলুন শুরু করি...
http://websitesamples.net/realestate/images/DEMO-button.gifhttp://www.nerdoholic.com/wp-content/uploads/2014/09/Download-button.gif
ও আর একটি কথা সবাই নিজেদের ওয়েব সাইট তৈরি করার পর অবশ্যই আমাকে দেখাবেন এতে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে যাবে এবং আপনাদের অনেক সুন্দর সুন্দর টিউন উপহার দিতে পারব। ধন্যবাদ।
ভাল লাগলে ঘুরে আসতে পারেন প্রযুক্তি থেকে...
অপেক্ষায় থাকুন আপনাদের জন্য ধারাবাহিক টিউন তৈরি করছি কিভাবে ব্লগারের মাধ্যমে প্রতিমাসে কমপক্ষে 200$ ইনকাম করতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:24 AM
‘ড্রাকুলা’ উপন্যাস এর কথা শোনেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। মৃত কাউন্ট ড্রাকুলা দিনের আলোতে কফিনের ভেতর নিথর হয়ে থাকলেও সূর্য ডুবার সাথে সাথে জেগে ওঠতেন তিনি। তারপর শিকারের খোঁজে। অবশেষে শিকার করতো কোনো মানুষের গলায় তীক্ষ্ণ দুটি দাঁত বসিয়ে রক্ত চুষে খাওয়া। আজগুবি মনে করলেও এটা সত্যি যে রোমানিয়ার ট্রান্সসিলভানিয়ার  ব্রান দুর্গে ছিলেন এমন একজন মানুষ৷ যার নাম ছিল ভ্লাদের ক্লদ। প্রচণ্ড অত্যাচারী এই রাজকুমার নাকি সত্যি সত্যিই শত্রুদের রক্ত পান করতেন। এখন পিশাচ ড্রাকুলার ভয়ের দিন শেষ হয়েছে। তার সেই বাসগৃহ ব্রান দুর্গ এবার বিক্রি হতে চলেছে৷ ব্রাম স্টকারের এই পিশাচ কাউন্ট ড্রাকুলাকে নিয়ে যে কত ধরনের কত গল্প হয়েছে দেশে দেশে তার হিসাব নেই।

জানা যায়, ব্রাম স্টকারের কলমের জোরে অমরত্ব পাওয়া এই কাল্পনিক রক্তচোষা পিশাচের পূর্বপুরুষরা এই প্রাসাদে ১,২২১ সাল থেকে থাকতে শুরু করেন৷ ক্রুসেড (খ্রিস্টান-মুসলিম ধর্মযুদ্ধ) চলার সময় এই প্রাসাদের বাসিন্দারা বছরের পর বছর এই এলাকায় তুর্কি সেনাদের ঢুকতে বাধা দিয়েছিল৷ সেই সময়ের পটভূমিতেই মূলত ড্রাকুলা চরিত্রের সৃষ্টি৷ মানুষের রক্ত জমিয়ে দেয়ার জন্য একসময় নাকি এই প্রাসাদের নামটুকুই যথেষ্ট ছিল। এর নাম শুনলে অগোচরেই নাকি মানুষ ভয়ে বুকে ক্রুশ চিহ্ন আঁকত৷বর্তমানে ব্রান দুর্গ উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া তিন মালিকের বয়স ৭০ ছাড়িয়েছে৷ রোমানিয়া সরকারের কাছে তারা এই প্রাসাদ বিক্রি করতে চেয়েছিলেন আট কোটি মার্কিন ডলারে৷ কিন্তু সুবিধা করতে না পেরে দায়িত্ব দিয়েছেন এক মার্কিন সংস্থাকে৷ প্রতি বছর প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ পর্যটক এই দুর্গের আধো অন্ধকার অলিগলিতে ঘুরে বেড়ানোর গা শিউরে ওঠা অভিজ্ঞতা নিতে যান৷ উপর থেকে দেখেন দুর্গের সেই উঠান, যেখানে নাকি ঘুরে বেড়াত কাউন্টের অনুগত নেকড়ের পাল৷

অদ্ভুতুড়ে 3:13 AM
আসসালামু আলাইকুম। শখের বসেই ইন্টারনেটে নানা রকম এলিয়েন, ইউ এফ ও সম্পর্কিত তথ্য খোঁজা হয়। অনেক সাইট ভিজিট করি। অনেক সাইটই সিরিয়াসলি অনেক প্রমান পেশ করে যা অনেক সময় বিশ্বাস হয় আবার হয় না। নিজে যত ক্ষন দেখিনা ততক্ষন বিশ্বাস করিই বা কেমন করে।
কিন্তু কিছুক্ষন আগে (রাত ৩.৩১) এ এমন এক জন হ্যাকারের সন্ধ্যান পেলাম যিনি নাকি ২০০২ সালে আমেরিকার সকল সরকারি যেমন নাসা, বিমান, স্থল, নৌ ইত্যাদি হ্যাক করেছিল এবং তাকে বর্তমানে সাজা ভোগ করতে হচ্ছে। সে হ্যাক করতে এমন কিছু তথ্য পেয়েছিল যা শুনলে সত্যিই অবাক লাগে। হাসব না কাদব বুঝতে পারছিনা।

সময় ঠিক ২০০১ ম্যাককিনন তার খালার বাসায়্ বসে সোলো নামে সাইভার ওয়ার্ডে প্রবেশ করে। সে তখন আমেরিকার এফ বি আইয়ের সার্ভারে। আস্তে আস্তে নাসা সহ সকল প্রকার সরকারি এবং সামরিক ডকুমেন্ট তার হাতের মুঠোয়। আমেরিকার একটি হ্যাকিং বুক ফ্রিতে নেওয়ার জন্য সে হ্যাক চালিয়েছিল, কিন্তু কেচো খুরতে সাপ বেরোয় অবস্থা। সে US Navy  এর সামরিক নীল নকশা সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেল। পরে আরো অনেক ডকুমেন্ট সে পেল যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পেন্টাগনের সিকিউরিটি, নাভাল পারমানবিক অস্ত্রের ডকুমেন্ট সহ, আরো অনেক কিছু। কিন্তু তার থেকেও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সে পেল যা শুনলে আপনাদের মাথা নষ্ট হয়ে যাবে,
এই হ্যাকের পরে সে ইঊ এস নাভালের অফিসিয়াল ওয়েভ সাইটে লাগাল Your security Sucks এবার টনক নড়ল আমেরিকার। সাথে বোনাস হিসেবে নাইন ইলেভেন।
তার বিরুদ্ধে সাত লক্ষ টাকার মামলা হল। সাথে রয়েছে আমেরিকার স্টেট ইনফরমেশন মোচা, অবৈধ প্রবেশ, নৌ বাহিনীর পারমানবিক অস্ত্রের ভান্ডার হতে অস্ত্রের তালিকা মোছা ইত্যাদি। তাকে ওয়াশিংটন হাইজ তলব করল। এদিকে তার মাতৃভূমি ইংল্যান্ড তাকে বাঁচানোর জন্য ঊঠে পরে লাগল। তার জন্য মন্ত্রি সভায় বৈঠক হল। পরিশেষে আমেরিকা এবং ইংল্যান্ড আলোচনা করে জানায় যে তার সাজা ৭০ বছর গুলেতেমালায় কারাদন্ড হবে যদি না সে আত্নসমপর্ন করে এবং আমেরিকায় যায়। তার পক্ষে ইংল্যান্ডে সকল অনলাইন ইউজাররা আন্দোলন করে এবং তার পক্ষ নে। পরিশেষে তাকে ২০১০ সালে আমেরিকায় যেতে হয় এবং ক্ষতিপূরন দিতে হয়।
আপনারা ভাবছেন সে এমন কি করল?????????!!!!!!!
আসলে সে নাসা এবং সামরিক সার্ভারে হামলা চালিয়ে জানতে পারে যে আমেরিকার রোজওয়েলে যেই এলিয়েন বিমান ক্রাশ করেছে তা আসলে ভুয়া নয় এমন কি আমেরিকা এই ধ্বনংসাবশেষ  নিয়ে অন্য গ্রহের প্রানীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের টেকনোলজি ব্যবহার করছে। তার মধ্যে শূন্য শক্তি যার মাধ্যমে অহরহ বিদ্যুৎ তথা শক্তি উৎপাদন করছে, আরো রয়েছে নানা রকম এলিয়েন অস্ত্র সহ হাই টেক। এই সম্পর্কে
Wikileaks ও একটি লিক করেছিল। হ্যাকারের নিজ ভাষায়
McKinnon: A NASA photographic expert said that there was a Building 8 atJohnsonSpaceCenter where they regularly airbrushed out images of UFOs from the high-resolution satellite imaging. I logged on to NASA and was able to access this department. They had huge, high-resolution images stored in their picture files. They had filtered and unfiltered, or processed and unprocessed, files.
My dialup 56K connection was very slow trying to download one of these picture files. As this was happening, I had remote control of their desktop, and by adjusting it to 4-bit color and low screen resolution, I was able to briefly see one of these pictures. It was a silvery, cigar-shaped object with geodesic spheres on either side. There were no visible seams or riveting. There was no reference to the size of the object and the picture was taken presumably by a satellite looking down on it. The object didn’t look manmade or anything like what we have created. Because I was using a Java application, I could only get a screenshot of the picture — it did not go into my temporary internet files. At my crowning moment, someone at NASA discovered what I was doing and I was disconnected.
এই হ্যাকেরর কার্জ কালাপের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি ফেসবুকের একজন লন্ডের ফ্রেন্ড কে নক করলাম । তিনি শখের UFOlogist , অবশ্য তিনি পেশায় একজন জ্যাতির্বিদও। তিনি আমাকে তার কিছু ডকুমেন্ট দিলেন । পড়ে তো মনে হল আকাশ থেকে পড়লাম, এ কোন দেশে বসবাস করছি আমরা? সারা পৃথিবী থেকে আমরা তো ১০০ বছর পিছিয়ে,
ডকুমেন্টের একটা ঠিক এরকম,
বারাক ওবামার নির্বাচনের ঠিক ৬ মাস আগে হোয়াইট হাউজের সিকিউরিটি দের মধ্যে কোট টাই পরা একজন দেখা গেল। তাকে কেও দেখছেনা। যিনি ভিডিও করছেন তার ক্যামরায় ঝাপসা ভাবে ৩ মিনিট ধরে ধরা পরল। দেখতে সম্পূর্ন সেই মিশরের ফারাওদের মত অর্থাৎ বিরাট মাথা বিশিষ্ট। একদিকে ওবামের ভাশন অন্য দিকে তিনি দাড়িয়ে আছে, তারপর হটাৎ করে নাই হয়ে গেলো। এটা পরবর্তিতে নেটে প্রকাশ পায়,


তারপর আসল আমেরিকার ক্রস ডাইমেনশনাল টেকনোলজি। এই প্রযুক্তির ফলে যেকোনো বস্তু আলোর চাইতেও আরও দ্রুত সঞ্চালন করা যাবে। আজব বিষয় এটা সম্পুর্ণ ক্লাসিফাইড কারন এর মাধ্যমে যদি অস্ত্র তৈরি করা হয় তাহলে তা একসাথে ১০০ টা পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিতে পারবে। তাছাড়া সময় ভ্রমন করা যাবে।
এখনও আমেরিকাকে নানা ভাবে এলিয়েনরা সাহায্য করছে তা পলিটিকালি এবং টেকনোলজি দিয়ে। তার প্রমান সম্বন্বিত বিভিন্ন রিপোর্ট দেখলাম।
আমার সব ভূয়া লাগে। কিন্তু এরিয়া ৫১ এর একটি রিপোর্ট দেখে হা হয়ে গেলাম।

স্থানীয় মতে প্রাইই নাকি অই জাইগায় হঠাৎ করে প্ল্যান ল্যান্ড করে এবং কারা যেন আসে। এবং তাদের ট্রাকে করে আনা নেওয়া করা হয়। একবার সেখান থেকে একটা মৃতদেহ পাওয়া যায়। দেহ নেই তবে মাথা পাওয়া গেছে। সম্পূর্ণ এলিয়েন। পরে বিজ্ঞানীরা তা মিউটেট প্রানি বলে চালিয়ে দে কিন্তু কোন প্রানির মিউটেট তা বলতে পারে নি।
সব কিছু দেখে অবিশ্বাস করতে পারলাম না কারন আল্লাহ নিজেই বলেছেন তিনি জ্বিন ও মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু তাই বলে তারা কি ডেভলপড জ্বিন? আমাদের মধ্যে যেমন বিভাগ আছে।
অনেক বিজ্ঞানীই স্বিকার করেছেন অন্য গ্রহে প্রানের অস্ত্বিত্ব থাকা নিয়ে। স্টিফেন হকিং আমাদের বারন করে দিয়েছে এই বিষয়ে গবেশনা না করতে কারন তারা আক্রমনাত্বক হতে পারে।
এছাড়া চীনের হোয়াং পো চিহ্ন কীভাবে মঙল গ্রহে গেল তা নিয়েও নাসার বেশ মাথা ব্যাথা। লোক দেখানো মাথা ব্যাথা না অন্য কিছু তা এক মাত্র তারাই জানবে।
এছাড়াও Wikileaks এর কিছু হ্যাক করা ডকুমেন্ট ও ভিডিও দিলাম…
একজন নভঃচারীর UFO Encounter
Astronaut Gordon Cooper, who piloted several space missions in the 1960s, once said he saw a “typical saucer shape, double-cylindrical shape, metallic” UFO.
থাইল্যান্ডের কিছু ডাটা শেয়ার করলাম। কিছু দিন আগে এই বোরাক আকৃতির প্রানীটি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যার DNA  টেস্টে মানুষের সহ কিছু প্রানীর সংকর উপাদান উপস্থিত।


এছাড়া অনেক দেশের সরকারই অনেক ক্লাসিফাইড ফাইলে এলিয়েনদের সম্পর্কে বিভিন্ন নতি পত্র জমা রাখে যার বেশির ভাগই চিরকালের জন্য লুকিয়ে ফেলা হয় কিংবা রিটায়ার্ড ব্যক্তিবর্গ তা পরে প্রকাশ করে। আমেরিকার তেমনি প্রেসিডেন্ট (US President 1977-1981) জিমি কার্টার UFO  সম্পর্কে বলেন যে বহু বছর থেকেই এলিয়েনদের আনাগোনা পৃথিবীতে আছে, তার কিছু প্রমান মিশরের দেওয়ালে, ইন্দোনেশিয়ায় জাভা পাহারে, এমনকি ইন্ডিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। তবে জোরালো ভাবে চীন ও আমেরিকা এবং রাশিয়া এই ব্যাপারে জানে।
এছাড়া ইরাকের একটি গুহায় এই প্রানীটিকে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। অনেকে তাকে বদ জ্বিন বা শয়তান বলে। কিন্তু এই প্রানীটিকে মমি করে বেঁধে রাখা হয়। এখানে একটি প্রশ্ন আসতে পারে, মমি করার নিয়ম নাকি শুধু মাত্র মিশরীয়রা করতে পারে, তাহলে কিভাবে এই মরু অঞ্চের মানুষ প্রানীটিকে মমি করল? তাহলে এই মমি করার নিয়ম বা প্রক্রিয়া আসল কোথা থেকে?


ব্যাপারটা ট্রান্সফরমাসের মত মনে হলেও তার বিভিন্ন ডকুমেন্ট ফাইল পড়ে মোটেও মুভি বা কল্পকাহিনী মনে হল না।

অদ্ভুতুড়ে 1:53 AM
মানুষের চোখকে তার আত্মার প্রতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা বাইরের জগতের জন্য এক প্রকার জানালা হিসেবে কাজ করে। চোখ শুধুমাত্র যে সৌন্দর্যের প্রতীক তাই নয়, এটা একইসঙ্গে স্বাস্থগত বিষয়ও ইঙ্গিত করে। আমাদের চোখের স্বাস্থ্য কেমন সেটা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আমাদের জীবন যাপনের রীতিনীতির ব্যপক ভূমিকা রয়েছে।

আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্পিউটার। আর অনেক মানুষ আছেন যাদেরেকে নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে হয় যাদের এটা থেকে বিরত থাকার কোন সুযোগ নেই। এজন্য চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চোখের যতœ নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি লম্বা সময় ধরে একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার জন্য এ যত নেয়া বাঞ্চনীয়।
সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখে টান-টান অনুভূতি হওয়াটা সাধারণ একটা ব্যপার যেটা অস্বস্তিদায়ক। এটা অনেক কারণে হতে পারে যেমন, মনিটরের পর্দার খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করা, মনিটরের উজ্জলতা, অস্পষ্ট অক্ষর, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার অসামঞ্জস্য অথবা দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে একভাবে চেয়ে থাকা। কম্পিউটার এখন বলতে গেলে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কাজেই আমাদের নজর দেয়া উচিত কিভাবে আমরা চোখের যতœ নিতে পারি। যেন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখের পেশীতে কোন প্রকার টান-টান বা অস্বস্তিকর অনুভূতি সৃষ্টি না হয়।

বিরতি নিন: অপলক দৃষ্টিতে স্ক্রিনের দিকে চাকিয়ে থাকলে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। চোখের অস্বস্তি অনুভূতি এড়াতে এই পরামর্শটা সবথেকে বেশি দেয়া হয়ে থাকে।

তালুর পরশ: দু হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের উপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটা আপনার ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে। দুই তিন বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আরাম বোধ করেন।

আইলেভেল সামঞ্জস্যতা: টেলিভিশন হোক আর কম্পিউটার হোক স্ক্রিনের সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতার বিষয়টি চোখের স্বাস্থের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি টিপস।

২০-২০-২০: এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।

কনট্রাস্ট বজায় রাখা: কম্পিউটারে কাজ করার সময় হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গাড় রঙের অক্ষর বাছাই করুন।

তীব্র আলো পরিহার করুন: যথাযথ আলোর মধ্যে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। চোখে অস্বস্তিকর অনুভূতি এড়ানোর জন্য কম্পিউটারটি এমন স্থানে স্থাপন করুন যেখান থেকে টিউবলাইট অথবা জানার আলোর তীব্র প্রতিফলন ঘটে না।

উজ্জলতা কমিয়ে কাজ করুন: কম্পিউটারের উজ্জলতা একটি সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা। উজ্জলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভূত হয়।
বেছে নিন সবুজ: আমাদের চোখে শীথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সবথেকে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাকে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। আপনার কর্মস্থল যদি চার দেয়ালে ঘেরা হয় সেক্ষেত্রে স্ক্রিনে সবুজ রংয়ের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন।

বারবার পলক ফেলুন: কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা একটা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে এবং শুস্কতা সৃষ্টি হয় না; যা কিনা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে। কম্পিউটার
 গ্লাস ব্যবহার করুন: কম্পিউটারে যারা কাজ করে থাকেন তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এ গ্লাস। এটা চোখে অতিরিক্ত উজ্জল আলো, প্রতিফলন পড়া থেকে রক্ষা করবে আর আপনার চোখকে রাখবে শীথিল।

অদ্ভুতুড়ে 10:43 PM

আমাদের দেশ কে আমরা কত ভাবেই না নিন্দা করি, তবে অন্য অনেক দেশের চেয়ে আমরা অনেক ভাল আছি এবং আমাদের হাতে সুযোগ রয়েছে দেশ আরো এগিয়ে নিয়ে যাবার। নিচের কয়েকটি দেশ সম্পরকে জানুন।

10) Ivory Coast


Alassone Ouattara, জাতীয় নির্বাচন খুবই কম কিন্তু আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত ভোটে Presidential condidate হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন। তখন Violence শুরু হয়েছিল।Taurent Abagbo যিনি তখন President ছিলেন, পদত্যাগ করতে অস্বীকৃত জানিয়েছিলেন। যা থেকে এক ধরনের সংঘাত শুরু হয়েছিল এবং ১২০০ লোক মারা গিয়েছিলো। অর্থনীতিও পড়েছিলো শংকার মুখে। Abagboর সর্মথকরা সংঘাতের ইতি টানে। Outtara হচ্ছেন এখন Ivory coast এর President, তাঁকেই এখন এই সমস্যাগুলো দেখতে হবে।

9) Iraq



যখন আমেরিকা ২০০৩ এ ইরাক আক্রমন করলো,কেউ জানতো না তারা ওখানে এতদিন থাকবে। Violence যখন কমে আসলো ৩০ লক্ষ লোক ইরাক ছেড়ে অন্য দেশে পালিয়ে গেল। ২২.৯ শতাংশ লোক দারিদ্রতার নীচে বসবাস করে, সাক্ষরতার হার ৭.৮ শতাংশ এবং ১৭.৫ শতাংশ লোক বেকার। ভয়ের ব্যপার হচ্ছে আমেরিকার সৈন্যরা চলে যাওয়ার পর ইরাক, ইরানের একটি অংশে পরিনত হবে।

8) Central African Republic


এই দেশটি পৃথিবীর মধ্যে অবাসযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা। এখানে CHAD, DRC, সুদানের উদ্বাস্তুরা এসে ছেয়ে গেছে। CAR এক ভয়ানক গৃহযুদ্ধ থেকে উঠে আসার চেষ্টা করছে। এই গৃহযুদ্ধে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। ১০০০০ ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়, শত শত নিরহ লোককে খুন করা হয় এবং ২,১২,০০০ লোককে ঘরছাড়া করা হয়। CAR সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ২০০৮ পর্যন্ত ৪,৪২২,০০০ জনসংখ্যার মধ্যে প্রতি ১০০০ জনে একটি করে গাড়ী আছে। বাকী অংকটি আপনিই কষূন।

7) Afghanistanuntitled


আমেরিকা তালিবানদের কবল থেকে আফগানিস্তানকে মুক্ত করার পর থেকে দেশটি আরো বিশৃঙ্খলার সম্মুখীন হয়। Hamid karzai যিনি একজন দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা দেশটি চালাচ্ছেন এবং ধারনা করা হয়, এমন একটি দরিদ্র নিপীড়িত দেশ চালাতে তিনি অদক্ষ। নারী নির্যাতন এখানে খুবই সাধারন ব্যপার এবং শিশু মৃত্যুর দিক দিয়ে আফগনিস্তান পৃথিবীতে ৮ম। আমেরিকা তাদের সৈন্য ফেরত নিয়ে গেলেই তালিবানরা এসে আবার দেশটি দখল করে ফেলবে। দেশটির গড় আয়ু ৪৪ বছর।এই দেশে উন্নতির অবস্থা বেশ ক্ষীন।

6)Zimbabwe



এই সাউথ আফ্রিকান দেশটি পৃথিবীর সবচেয়ে গরীব দেশগুলোর মধ্যে একটি আর তাই এইদেশের গড় আয়ুও কম। এই দেশের বর্তমান সরকারের টিকে থাকর পিছনে শুধুমাত্র ভয় কাজ করছে আর এদেশে হিংস্রতাও খুব সাধারন ব্যপার। HIV AIDS এই দেশে ভয়াবহ রকমভাবে বিরাজ করে আর বছরে ১,৩০০,০০০ প্রান হানি ঘটায়। যখন জিম্বাবুয়ের স্বৈরশাসক Robert Matabe বিলাসিতায় থাকেন তখন হাজার হাজার লোক না খেয়ে থাকে। এটা বলতেই হবে জিম্বাবুয়ে সবচেয়ে খারাপ একনায়কতন্ত্রের মধ্যে রয়েছে।

5) Haiti



হাইতিতে ঘটে যাওয়া ২০১০ সালের ভূমিকম্পের  সম্পর্কে সবাই শুনে থাকবেন। ঐ ভূমিকম্পে হাজার হাজার লোক মারা যায়। যার মধ্যে ২০% সরকারি কর্মর্কতা ছিলো। আমেরিকা সহ অন্যান্য আর্ন্তজাতিক দেশগুলো লোকের সাহায্য আসতে কিছুটা দেরী হয়ে যায়। শত শত লোক ঘরছাড়া হয়ে যায়, অনেকে পালিয়ে যায়। ভূমিকম্পের আগে থেকেই হাইতি একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র হিলেবে পরিচিত হলেও এই দুর্যোগটি হাইতিকে আরো অন্ধকরে ঠেলে দেয়।

4) Democotic Republic of the congo



এই দেশটির প্রধান সমস্যা ধর্ষন। প্রতি ঘন্টায় ৪৮ জন মহিলাকে ধর্ষন করা হয় এবং উত্তরদিকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গ্রাম বাসীদের ভীতসন্ত্রস্ত করে রাখে। সম্পদের দিক দিয়ে কঙ্গোঁ পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ হতে পারতো। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি খুবই দরিদ্র এবং সবচেয়ে অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটি। প্রায় সময় পুলিশ মানবধিকার কর্মীদের খুন করে। এদেশে কারো প্রানের নিরাপত্তা নেই। কঙ্গোঁ বসবাসের সবচাইতে খারাপ দেশগুলোর মধ্যে একটি।

3) Sudan



আফ্রিকায় বর্তমানে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র হচ্ছে সুদান। কিন্তু তাদের এক গৃহযুদ্ধের পর দক্ষিন সুদান আলাদা হয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেয়ার কারণে অল্প কিছু দিনের মধ্যে আলজেরিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রে পরিনত হবে। সবচেয়ে বদ স্বৈরশাসকদের একজন ওমার আল বশীর সুদানের শাসক, যিনি ক্রীতদাস রাখতে পছন্দ করেন। দুই সুদানের মধ্যে তৈল পদার্থ বিশিষ্ট জায়গা Abeyi কে নিয়ে যুদ্ধ হয়। দক্ষিন সুদানের জন্য অবস্থা অসুবিধেজনক কারন এর জনসংখ্যা মাত্র ২৩ লক্ষ এবং এটিও একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

2) Chad



Idriss Dely হচ্ছেন Chad এর স্বৈরশাসক এবং যার শাসনকাল ২০১৬ তে ২৫ বছরে পা দিবে। শুধুমাত্র ২৩% লোক বিশুদ্ধ পানি পায় এবং তৈল পদার্থ খুঁজে পাওয়ার পরেও এদের কোন উন্নতি হয় নি। গড় আয়ূ ৪৯ বছর এবং HIV AIDS এখানেও মহামারী আকার ধারন করেছে।

1) Somalia



আপনার কাকে ১নং মনে হয়েছিল? সোমালিয়া নৈরাজ্যবাদের সবচেয়ে কাছাকাছি জীবন্ত উদাহারণ।  সোমালিয়া অনেকগুলো জঙ্গী গোষ্ঠীর ঘাঁটি এবং আল-কায়দা এখানে নিজের একটি ঠাঁই করে নিয়েছে। সরকারের দখলে খুব অল্প জায়গা আছে এবং সরকার শুধুমাত্র রাজধানী নিয়ন্ত্রনের জন্য যুদ্ধ করছে। ১ কোটির মধ্যে ১৩ লক্ষ লোকের মানবিক সাহায্য প্রয়োজন। সোমালিয়া এত খারাপ অবস্থায় আছে সে এটাকে গণতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র বলা যাবে না। এমনকি এদুটোর মাঝখানেও কিছু বলা যাবে না।

অদ্ভুতুড়ে 12:42 AM
ফেসবুকে কিংবা অনলাইনে অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় আপনি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে জটিল পাসওয়ার্ড দিলেন। তার পরও দেখলেন, হ্যাক হয়ে যাচ্ছে আপনার অ্যাকাউন্ট! কারণ, পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে হ্যাকাররা আপনার বড় একটি ভুলের আশাতেই বসে থাকে। কিন্তু পাসওয়ার্ড দিতে গিয়ে কী কী ভুল করেন আপনি? সম্প্রতি হাফিংটন পোস্টের একটি ব্লগে সে প্রসঙ্গটিই উঠে এসেছে। আপনি যথেষ্টই বুদ্ধিমান? আপনি হয়তো বুদ্ধিমান বলেই সহজে অনুমানযোগ্য ‘১২৩৪৫৬’ কিংবা ‘কোয়াটি’র মতো পাসওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করেন না। কারণ, পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় আপনি একটু বুদ্ধি খাটান। নিশ্চয়ই আপনার এখনকার পাসওয়ার্ডগুলো সেভাবেই দেওয়া। কিন্তু পাসওয়ার্ড গবেষকেরা সম্প্রতি দাবি করেছেন, আপনি যদি পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু স্বল্প-জানা ভুলগুলো না এড়িয়ে থাকেন, তবে আপনার পাসওয়ার্ডটিও যথেষ্ট নিরাপদ নয়। তবে জটিল আর সহজে হ্যাক করা যায় না এমন পাসওয়ার্ড কী হতে পারে? নিচের পাসওয়ার্ডগুলো একটু খেয়াল করে দেখুন
Zdhkqjbu83
74Xmbgdapw
Bmukwes3901!
lw;62v74y
বেশ জটিল পাসওয়ার্ড বলে মনে হচ্ছে? কিন্তু এগুলো ভেঙে ফেলার জন্যও হ্যাকারদের কাছে সহজ একটি পথ খোলা আছে। প্রতিটি পাসওয়ার্ড নয় অক্ষরের বেশি কিংবা তাতে অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন একত্রে রয়েছে। এত জটিল পাসওয়ার্ড কীভাবে এত দুর্বল হতে পারে? এর সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছে, এই পাসওয়ার্ডগুলো তৈরিতে পরিচিত কিছু পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে, যা এই পাসওয়ার্ডগুলোকেও দুর্বল করে দিয়েছে। হ্যাকাররাই এগিয়ে একজন হ্যাকার কীভাবে আপনার পাসওয়ার্ড
হাতিয়ে নিতে পারে? অধিকাংশ সময় গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক করে আপনার পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয় সাইবার দুর্বৃত্তরা।
সম্প্রতি হলিউডের তারকাদের ব্যক্তিগত ছবিও অ্যাপলের আইক্লাউড থেকে হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু পাসওয়ার্ড এমনভাবে সংরক্ষিত থাকে, যাতে কোনো মানুষের পক্ষে তা সরাসরি পড়া সম্ভব হয় না; তাই দুর্বৃত্তরা সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা হাতিয়ে নেয়। যখন পাসওয়ার্ডের গঠন সহজে অনুমান করা যায় এবং বড় হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়ে ছোট হাতের অক্ষর কিংবা এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে তা দ্রুত হ্যাক করা সম্ভব হয়। কোন পদ্ধতির পাসওয়ার্ড আপনার? হ্যাকারকে ঠেকাতে আপনি পাসওয়ার্ড দেওয়ার কোনো খেলা খেলেন? সম্প্রতি আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড কতটা অনুমানযোগ্য তা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। আপনি যে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন তাদের বেঁধে দেওয়া নীতিমালা মেনে নির্দিষ্ট সংখ্যা ও অক্ষর মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরও তা হ্যাক হয়ে যায়। গবেষকেরা বলছেন, একই পদ্ধতিতে বা ধরনে পাসওয়ার্ড তৈরি করাই এর
কারণ। ২০১৩ সালে ফেডারেল ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি (ডারপা) কোর লজিক নামের একটি নিরাপত্তা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা করায়। গবেষণায়, ফরচুন ১০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মাত্র পাঁচ ধরনের পদ্ধতিতে পাসওয়ার্ড দিয়েছেন। কোর লজিক জানিয়েছে, ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ১০০ ধরনের পদ্ধতি মেনে পাসওয়ার্ড দেন ব্যবহারকারীরা। সবচেয়ে পরিচিত তিনটি পাসওয়ার্ড দেওয়ার পদ্ধতি হচ্ছে

১. একটি বড় হাতের অক্ষর ও পাঁচটি ছোট হাতের অক্ষর তারপর দুটি সংখ্যা।

২. একটি বড় হাতের অক্ষর ও ছয়টি ছোট হাতের অক্ষর তারপর দুটি সংখ্যা।

৩. একটি বড় হাতের অক্ষর ও তিনটি ছোট হাতের অক্ষর তারপর শেষে চারটি সংখ্যা।

পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো প্রায়ই হয় কোর লজিকের তথ্য অনুযায়ী, পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে সব সময় সব ভুল এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু নিচের ভুলগুলো এড়াতে পারলেও একটি জটিল ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করা সম্ভব। কারণ, এই ভুলগুলো হরহামেশাই হতে দেখা যায়।

১. পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে শুরুতে একটি বড় হাতের অক্ষর ও পরে ছোট হাতের অক্ষর লেখা

২. পাসওয়ার্ডের দৈর্ঘ্য যখন স্বল্পদৈর্ঘ্যের হয়, তখন এক বা দুটি অক্ষর দিয়ে পাসওয়ার্ড শুরু করা

৩. অক্ষরের আগে বা পরে দুটি বা চারটি করে সংখ্যা লিখে দেওয়া

৪. যখন পাসওয়ার্ডের শেষে কোনো বিশেষ চিহ্ন দিতে হয়, তখন (!) বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা

৫. একই পাসওয়ার্ডে একই রকম দুটি বিশেষ অক্ষর ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড চেকারকে না যখন কোনো পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন তা নিরাপদ বা শক্তিশালী কি না তা পরীক্ষা করার জন্য অনলাইন কোনো টুল (পাসওয়ার্ড চেকার) ব্যবহার করবেন না।

হাউ সিকিউর ইজ মাই পাসওয়ার্ড, পাসওয়ার্ড মিটার, মাইক্রোসফট পাসওয়ার্ড চেকার, ক্যাসপারস্কি সিকিউর পাসওয়ার্ড চেক কোনোটিই যথেষ্ট নিরাপদ নয় বলেই হাফিংটন পোস্টের এক ব্লগে লিখেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জেফ ফক্স।

অদ্ভুতুড়ে 4:23 AM
 "UFO" সর্ম্পকে আপনি কতটুকু জানেন, আসুন একটু জালাই করে নি।

"UFO" অর্থ "Unidentified Flying Object", যার বাংলা অর্থ অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু। এটা এমন একটি উড়ন্ত বস্তু যা তার প্রতক্ষ্যদর্শী দ্বারা এবং তদন্ত করার পরেও সনাক্ত করা যায় না। সহজ ভাষায় আকাশে দৃশ্যমান যে কোন অচেনা অজানা বস্তু বা আলোকেই UFO বলা ধরা হয়ে থাকে। এই উড়ন্ত বস্তুটিকে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন বিমান নিয়ন্ত্রণকারী রাডার গুলোতে হঠাৎ আবির্ভূত হতে দেখতে পাওয়া যায়। এই অশানক্ত উড়ন্ত বস্তুটি সর্ম্পকে জনশ্রুতি আছে যে ভিন গ্রহ হতে আগত এলিয়েনদের যানবাহন এগুলো।

যারা এখন পর্যন্ত UFO দেখতে পেয়েছেন তাদের প্রত্যেকেরই UFO সর্ম্পকে বর্ননা অনেকটা এরকম "এগুলো দেখতে অনেকটা প্লেটের মতো বা চ্যাপ্টা। এগুলো পিরিচের মতো দেখতে হয়।" এ যানগুলোর ক্ষমতা অনেক। এ গুলো মুহুর্তের মধ্যে আকাশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে চলে যেতে পারে বিদ্যুত্‍ গতিতে এবং এ যানগুলো খুব উচ্চ গতিতে শব্দ করে চলে যা স্বাভাবিক কোনো আকাশযানের সাথে মেলেনা।

• UFO শব্দটি বেশ জোরে শোরে শোনা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে। ১৯৪৭ সালে আমেরিকার এক বৈমানিক "কেনেথ আর্নল্ডতার" রেডিওতে বলতে থাকেন তিনি কিছু আকাশে উড়তে দেখছেন। নটি প্লেটের মতো এই যানগুলো আকাশে খুব দ্রুত গতিতে উড়ে যাচ্ছে। বলতে গেলে এরপর থেকে আমেরিকায় UFO সম্বন্ধে গবেষনা শুরু হয়। UFO নিয়ে অনেক তথ্য জানা যায়। যেমন আমেরিকানদের প্রতি সাতজনে একজন দাবী করে তারা UFO দেখেছেন। আর্নল্ডের ঘটনার পর অনেকেই দাবী করতে থাকেন তারা UFO দেখেছেন।

• এমনকি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী বিবেচনা করে মার্কিন বিমানবাহিনী ১৯৪৭ সালে UFO তদন্তে নামে। তদন্তের কাজ শেষ হয় ১৯৬৯ সালে । এ সময়ে প্রাপ্ত সর্বমোট ১২,৬১৮ টি ঘটনার মধ্যে ৭০১ টি ঘটনার কোন ব্যাখ্যা তারা দিতে পারে নি। মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের তদন্ত শেষ করে এই বলে যে "বিমান বাহিনীর তদন্তে কোন UFO এর প্রতিবেদন করেনি এবং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ভয়ের কোন ইঙ্গিত দেয়নি।" বর্তমানে UFO নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্টে আলাদা একটি সংগঠন বা প্রতিষ্টান আছে যারা শুধুমাত্র UFO নিয়ে গবেষনা করে থাকেন। যারা UFO নিয়ে গবেষনা করে থাকেন তাদেরকে "ইউফোলোজিস্ট" বলা হয়ে থাকে।

• এরিয়া ৫১ সর্ম্পকেতো নিশ্চয় জেনেছেন?? এরিয়া ৫১ এর আশে-পাশের বাসিন্দারাও UFO দেখেছেন বলে দাবি করেন।

• সেন কুও নামের এক চাইনিজ তিনি একটা বই লেখেন যার নাম ‘ড্রিম পুল এসে’। এই বইয়ে তিনি এক আজানা উড়ে যাওয়া যান সমন্ধে লেখেন। তার বর্ণনায় জানা যাচ্ছে শহরের কোন কোন ব্যক্তি একরকম কিছু যান আকাশে উড়তে দেখেছে। সময়টা ছিল এগারো শতক। নএক শহরের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া এই অজানা বস্তুর কথা তিনি তার বইয়ে লিখে রাখেন। সে যান দশ মাইলের মতো জায়গায় ছায়া তৈরী কতো। এর মধ্যে থেকে মুক্তোর মতো এক আলো আসতো।

• মজার ব্যাপার হলো UFO নিয়ে সম্প্রতি ২টি জাদুঘর বানানো হয়েছে। একটি হলো রোসওয়েলের আন্তর্জাতিক UFO জাদুঘর আমেরিকা এবং অপরটি হলো এর শাখা ইস্তানবুলে (তুরস্ক )।


এখন পর্যন্ত যতগুলো বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষনা হয়েছে তার কোনটাতেই UFO কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের মতে এই মহাবিশ্বে কোথাও এখনও প্রাণের অস্তিত্ব আবিস্কার হয়নি, তার মানে যেহেতু কাছে পিঠে কোথাও প্রাণী নেই তাহলে কোন UFO নেই। তাহলে কি UFO মানুষের শুধুই কল্পনা!! নাকি সত্যি; এই রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি।

অদ্ভুতুড়ে 4:11 AM
জ্বালানির কম ব্যবহার ও পরিবেশগত সর্বোচ্চ মান রক্ষা করে কারখানা গড়ে তুললে পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) লিড সনদ। উচ্চ মান রক্ষা করে এ পর্যন্ত পৃথিবীর তিনটি পোশাক কারখানা লিড সনদের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদা 'প্লাটিনাম' পেয়েছে। এর একটি কারখানা বাংলাদেশে, যেটি আবার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বসেরা। কারখানাটির নাম ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও লিমিটেড।
বাংলাদেশের অ্যাবা গ্রুপের এ কারখানা ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) অবস্থিত।
কারখানার ভবন একতলা। স্টিল কাঠামোর ভবনটি এমন উপকরণে তৈরি যেখানে তাপ শোষণ না করে বিকিরণ করে দেয়। ফলে কারখানার ভেতরে অপেক্ষাকৃত শীতল থাকে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার করে কারখানার ভেতরে উপযোগী তাপমাত্রা বজায় রাখা যায়। কারখানাটির ভবন এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে ধসে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই, আবার আগুন লাগলে শ্রমিকরা দৌড়ে বাইরে চলে যেতে পারবেন। এতে জীবনের ক্ষতির আশঙ্কা খুব কম।
সকালে কাজ শুরুর আগে শ্রমিকদের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে শোনানো হয়। পোশাক কারখানায় আলোর ব্যবহার যেকোনো কারখানার চেয়ে বেশি। দিনের বেলাও সারি সারি জ্বলতে থাকা টিউব লাইটের মধ্যে কাজ করেন শ্রমিকরা। কিন্তু ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিওতে দিনের বেলা শ্রমিকের মাথার ওপর কোনো বাতি জ্বলে না। দিনের আলো ব্যবহার করেই তাঁরা কাজ করেন। তবে সুই-সুতার সেলাইয়ে একটু বেশি আলো দরকার। এ জন্য সেলাই মেশিনের সঙ্গে আছে একটি ছোট বাতি, যেটি শুধু মেশিনের সুইয়ের ওপর আলো ফেলে। শুধু প্রয়োজন যেখানে, সেখানেই হচ্ছে আলোর ব্যবহার।

অদ্ভুতুড়ে 5:43 AM

রহস্য আর বিস্ময়ের দেশ তিব্বত। সাধারণ জ্ঞান পড়ার সময় আমরা অনেকেই নিষিদ্ধ দেশ বা শহর হিসেবে তিব্বতের নাম পড়েছি। তিব্বতের রাজধানী লাসা’কে নিষিদ্ধ শহর বলা হয়ে থাকে। কিন্তু লাসাকে কেন নিষিদ্ধ শহর বলা হয়ে থাকে সেই উত্তর আমরা অনেকেই জানি না। শত শত বছর ধরে হিমালয়ের উত্তর অংশে দাড়িয়ে আছে তিব্বত নামের এই রহস্যময় রাজ্যটি। তিব্বতে যে কী আছে সে ব্যাপারে সবার মনে রয়েছে জিজ্ঞাসা।


সমগ্র পৃথিবী যে সব ভূগোলবিদরা চষে বেরিয়েছেন তিব্বত অঞ্চলটি তাদের কাছেও একটি রহস্যে ঘেরা অঞ্চল। আসুন আমরা আজ রহস্যে ঘেরা বিস্ময় পূর্ণ সেই তিব্বত সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।


হিমালয়ের উত্তরে অবস্থিত ছোট একটি দেশ তিব্বত। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে ত্রয়োদশ দালাইলামা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গণচীনের একটি স্বশাসিত অঞ্চল তিব্বত। মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি তিব্বতীয় জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। এই অঞ্চলটি চীনের অংশ হলেও এখানকার অনেক তিব্বতীয় এই অঞ্চলকে চীনের অংশ মানতে রাজি নয়। ১৯৫৯ সালে গণচীনের বিরুদ্ধে তিব্বতিরা স্বাধিকার আন্দোলনে করলে সেটি ব্যর্থ হয়। তখন দালাইলামার নেতৃত্বে অসংখ্য তিব্বতি ভারত সরকারের আশ্রয় গ্রহণ পূর্বক হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে স্বাধীন তিব্বতের নির্বাসিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানেও তিব্বতিরা নিজেদেরকে চীনের অংশ হিসেবে ভাবেন না। তিব্বতের রাজধানীর নাম লাসা। তিব্বতের অধিকাংশ মানুষই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।


পৃথিবীর সকল দেশ সম্পর্কে সবাই বিস্তারিত জানলেও তিব্বতের মতো অজ্ঞাত দেশ পৃথিবীতে আর একটিও নেই। তিব্বতের প্রকৃতি ও পরিবেশ এতই দুর্গম যে তার কারণে এটি সবার কাছে অপরিচিত থেকে গেছে। রাজধানী লাসা থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোবি মরুভূমি। মরুভূমির নিষ্ঠুর ও কষ্ট দায়ক পরিবেশ এসব এলাকায় মানুষকে কাছে আনতে নিরুৎসাহিত করে। তিব্বতের বেশিরভাগ ভূ-ভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬০০০ ফুটেরও ওপরে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে বসবাস করা পৃথিবীর অন্যান্য স্থানের চেয়ে একটু বেশী কষ্টকর। এই অঞ্চলগুলো এতই উঁচু যে, একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়ে থাকে। তিব্বতের স্থল ভাগ বছরের প্রায় ৮ মাস তুষারে ঢেকে থাকে। সেজন্য এই সকল স্থানে বসবাস করা যেমন কষ্টসাধ্য তেমনি এখানে ভ্রমণ করাও বিপদ জনক। সেই প্রাচীনকাল থেকেই তিব্বতকে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে অনেক রহস্য। তিব্বতের রাজধানী লাসা বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল অনেক আগে থেকেই। লাসায় বহির্বিশ্বের কোনও লোকের প্রবেশাধিকার ছিল না। দেশটি পৃথিবীর অন্যান্য সব অঞ্চল থেকে একেবারেই বিচ্ছিন্ন ছিল। তিব্বত বা লাসায় বাইরের বিশ্ব থেকে কারও প্রবেশ করার আইন না থাকাই এই অঞ্চলটি দীর্ঘ দিন ধরে সবার কাছে একটি রহস্যময় জগত হিসেবে পরিচিত ছিল। কী আছে লাসায় সেটা দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকতো সমগ্র বিশ্ব। লাসার জনগোষ্ঠী, শহর, বন্দর, অট্টালিকা সব কিছুই ছিল সবার কাছে একটি রহস্য ঘেরা বিষয়। সবাই লাসাকে মনে করতো এই অঞ্চলটি পৃথিবী থেকে আলাদা কোনও একটি অঞ্চল। লাসা নগরীতে ছিল বিখ্যাত পোতালা নামক একটি প্রাসাদ। এই প্রাসাদটি প্রথম বারের মতো বহির্বিশ্বের মানুষেরা দেখতে পায় ১৯০৪ সালে। আমেরিকার বিখ্যাত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় এই বিখ্যাত অট্টালিকার ছবি ছাপা হয়। এই ছবি ছাপা হওয়ার আগে পর্যন্ত কোনও মানুষ এই বিশাল প্রাসাদের ছবি দেখতে পাননি। তিব্বতের চতুর্দিকে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য পাহাড় ও গুহা। সেই পাহাড়ি গুহা গুলোতে বাস করে বৌদ্ধ পুরোহিত লামারা। তিব্বতের গুহা গুলো নিয়েও রহস্য আর জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তিব্বত বা লাসায় দীর্ঘদিন মানুষের প্রবেশাধিকার না থাকা, দুর্গম পরিবেশ, লামাদের কঠোরতা ও পর্যটক নিষিদ্ধের কারণে বাইরের পৃথিবীতে তিব্বত যেন পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন এক অচেনা জগত। সম্রাট সগেন পো তিব্বতের রাজধানী লাসা নগরীর প্রতিষ্ঠাতা। ৬৪১ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট একটি বিরাট জলাশয় ভরাট করে প্রাসাদ এবং মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তিব্বতের বিভিন্ন মন্দিরের ভিতরে সোনার তৈরি বড় বড় প্রদীপ মাখন দিয়ে জ্বালানো থাকে। ৪ হাজার ভরি ওজনের একটি প্রদীপও সেখানে রয়েছে।


তিব্বতিদের মধ্যে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। তাদের প্রধান ধর্মগুরুর নাম দালাইলামা। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা তিব্বতে লামা নামে পরিচিত। লামা শব্দের অর্থ সর্বপ্রধান, ‌আর দালাই শব্দের অর্থ জ্ঞান সমুদ্র। অর্থাৎ দালাইলামা শব্দের অর্থ হচ্ছে জ্ঞান সমুদ্রের সর্বপ্রধান। ধর্মগুরু বা দালাইলামা বাস করেন সোনার চূড়া দেওয়া পোতালা প্রাসাদে। ১৩৯১ সালে প্রথম দালাইলামার আবির্ভাব ঘটে। দালাইলামাকে তিব্বতিরা বুদ্ধের অবতার মনে করে থাকেন। তিব্বতিদের বিশ্বাস, যখনই কেউ দালাইলামার পদে অভিষিক্ত হন তখনই ভগবান বুদ্ধের আত্মা তার মধ্যে আবির্ভূত হয়। এক দালাইলামার মৃত্যুর পর নতুন দালাইলামার নির্বাচন হয়। দালাইলামা নির্বাচনের পদ্ধতিটাও বেশ রহস্যময় এবং রোমাঞ্চকর।


তিব্বতিদের দালাইলামা বা নেতা নির্বাচনের পদ্ধতিটি খুবই বিচিত্র। তিব্বতি প্রথা মতে কারো মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তার মরদেহের সৎকার করা হয় না। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, মৃত্যুর পরও আত্মা জাগতিক পরিমণ্ডলে বিচরণ করে। আর যতক্ষণ পর্যন্ত আত্মা জাগতিক পরিমণ্ডল ত্যাগ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মরদেহটি তাদের বাড়িতে রেখে দেয়। কোনও লামার মৃত্যু হলে লাসার পূর্বে লহামপূর্ণ সরোবরের তীরে লামারা ধ্যান করতে বসে। তারা এক রহস্যময় কারণে কিছু অদ্ভুত বিশ্বাসকে লালন করে। ধ্যানযোগে লামারা দেখতে পায় সেই সরোবরে স্বচ্ছ পানির ওপর ভেসে উঠছে একটি গুহার প্রতিবিম্ব। যে গুহার পাশে আছে একটি ছোট্ট বাড়ি। প্রধান লামা তার সেই অলৌকিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এঁকে দিবেন নতুন দালাইলামার ছবি। বড় বড় লামারা সেই ছবির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তারপর কয়েকজন লামা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে তিব্বতের বিভিন্ন স্থানে যায় শিশু অবতারের খোঁজে। তারা তিব্বতের ঘরে ঘরে গিয়ে সেই ছবির হুবহু শিশুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আর এভাবেই তারা খুঁজে বের করে তাদের নতুন দালাইলামাকে।


তিব্বতের লামারা সহ সাধারণ মানুষেরাও প্রেতাত্নাকে খুবই ভয় পায়। তারা সর্বদা প্রেতাত্মার ভয়ে আড়ষ্ট থাকে। লামারা প্রেতাত্মাদের খুঁজে বেড়ায় তাদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের রক্ষা করার জন্য। অধিকাংশ তিব্বতির ধারণা, মানুষের মৃত্যুর পর দেহের ভেতর থেকে প্রেতাত্মারা মুক্ত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ওই প্রেতাত্মার লাশ সৎকার হওয়ার আগ পর্যন্ত সে মানুষের ক্ষতি করার জন্য ঘুরে বেড়ায়। তারা কখনও মানুষের উপর ভর করে, কখনো পশু-পাখি কিংবা কোনও গাছ অথবা পাথরের উপরও ভর করে। প্রেতাত্নাদের হাত থেকে বাচতে ও প্রেতাত্মাদের খুশি রাখতে তিব্বতিরা পূজা করে থাকে। এই পূজার আবার রয়েছে বিশেষ লগ্ন। লগ্নের সময় আসলে বিশেষ মুখোশ পরে ভূত-পিশাচ সেজে পূজা করে তিব্বতিরা।


তিব্বতে সরকারি ভাষা হিসেবে চীনা ভাষার প্রচলন থাকলেও তিব্বতিদের ভাষার রয়েছে সুপ্রাচীন ইতিহাস। তাই চীনের বেশ কিছু প্রদেশ এবং ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানে তিব্বতি ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে ভাষার আলাদা আলাদা ধরন রয়েছে। জনজাতি হিসেবে জোংখা, সিকিমি, শেরপা এবং লাদাখিরা যে ভাষায় কথা বলে সেই ভাষার সঙ্গে তিব্বতি ভাষার যথেষ্ট মিল রয়েছে। তিব্বতি ভাষার নিজস্ব লিপি এবং লিখন পদ্ধতি রয়েছে। সর্বত্র সে লিপির ব্যবহার নেই, তবে মূল ভিত্তি এ ভাষা থেকে এসেছে।

তিব্বতিদের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী আচার হলো মৃতদেহের সৎকার। এদের মৃতদেহ সৎকার পদ্ধতি খুবই অদ্ভুত। কোনও তিব্বতি যদি মারা যায়, তবে ওই মৃতদেহ কাউকে ছুঁতে দেওয়া হয় না। ঘরের এক কোণে মৃতদেহটি বসিয়ে চাদর অথবা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। মৃতদেহের ঠিক পাশেই জ্বালিয়ে রাখা হয় পাঁচটি প্রদীপ। তারপর পুরোহিত পোবো লামাকে ডাকা হয়। পোবো লামা একাই ঘরে ঢোকে এবং ঘরের দরজা-জানালা সব বন্ধ করে দেয়। এরপর পোবো মন্ত্র পড়ে শরীর থেকে আত্মাকে বের করার চেষ্টা করে। প্রথমে মৃতদেহের মাথা থেকে তিন-চার গোছা চুল টেনে উপরে আনে। তারপর পাথরের ছুরি দিয়ে মৃতদেহের কপালের খানিকটা কেটে প্রেতাত্মা বের করার রাস্তা করে দেওয়া হয়। শবদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় লামা ডম্বুরু বাজাতে বাজাতে চলে। শবদেহকে নিয়ে রাখে একটা বড় পাথরের টুকরোর ওপর। ঘাতক একটি মন্ত্র পড়তে পড়তে মৃতদেহের শরীরে বেশ কয়েকটি দাগ কাটে। দাগ কাটার পর একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেই দাগ ধরে ধরে মৃতদেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। তারপর পশুপাখি দিয়ে খাওয়ানো হয়। এসব অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের বাইরেও তিব্বতের সামাজিক একটা অবস্থা রয়েছে। তিব্বতের সামাজিক অবস্থার কথা বলতে গেলে বলতে হয় এমন এক সমাজের কথা, যা গড়ে উঠেছিল আজ থেকে প্রায় ছয় হাজার বছর আগে। তখন পীত নদীর উপত্যকায় চীনারা জোয়ার ফলাতে শুরু করে। অন্যদিকে আরেকটি দল রয়ে যায় যাযাবর। তাদের মধ্য থেকেই তিব্বতি ও বর্মী সমাজের সূচনা হয়।


তিব্বতিদের খাবার-দাবারের মধ্যেও রয়েছে রহস্য। মজার ব্যাপার হলো, তিব্বতিরা উকুন খায়। একাধিক পর্যটকের বিবরণ থেকে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, বছর পঞ্চাশেক আগে এক পর্যটক সেই নিষিদ্ধ দেশে গিয়ে এ দৃশ্য দেখে লিখেছিলেন, "তিব্বতিরা সহজে গোসল করতে চায় না। শুকনো থাকার মধ্যে তাদের এক রকম স্বাচ্ছন্দ্য রয়েছে। তবে সেজন্য তাদের ভোগান্তিরও শেষ নেই। এ ক্ষেত্রে অনেকের দেহেই উকুন বাসা বাঁধে। মেয়েদের পরনে থাকে গরম কাপড়ের ছুপা, উপরে চাপানো থাকে রেশম, এন্ডি অথবা মুগার রঙিন জ্যাকেট। সেই সঙ্গে থাকে সুতির ঘাঘরা। পোশাকের যে অংশ গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকে, উকুন সেখানেই বাসা বাঁধে”।

ঐতিহ্যগত তিব্বতি সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যাযাবর বা রাখাল জীবনযাপন। ভেড়া, ছাগল ও ঘোড়া পালন তাদের প্রধান জীবিকা। শুধু চীনের তিব্বত স্বশাসিত অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এই যাযাবর রাখাল সম্প্রদায়। এরা কখনো চাষাবাদের কাজ করে না। মোট ভূমির ৬৯ শতাংশ এলাকা চারণ বা তৃণভূমি। চীনা ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে তিব্বতিরাও ভীষণ চা প্রিয়। তাদের বিশেষ চায়ে মেশানো হয় মাখন এবং লবণ। তবে তিব্বতিদের প্রধান খাবার হলো চমবা। গম এবং যবকে ভেজে পিষে নিয়ে চমবা তৈরি করা হয়। তারা খাবার পাত্র হিসেবে ব্যবহার করে কাঠের পেয়ালাকে। আধুনিক বিশ্ব দিন দিন আধুনিক হলেও আজও তিব্বত বিশ্বে রহস্যময় একটি অঞ্চল।

Powered by Blogger.