Showing posts with label মোবাইল. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 11:14 PM

আসুন জেনে নেই! মোবাইলের বিজ্ঞাপনের সময় আমরা দেখি যে সেখানে মোবাইলের স্ক্রীন টাইপ লেখা রয়েছে। কিন্তু আমরা অনেকেই এই স্ক্রীন টাইপ সম্পর্কে তেমন একটা জানি না। তাই আজ আমি আপনাদের মোবাইলের বিভিন্ন ধরনের স্ক্রীনের নাম ও তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। নতুন মোবাইল যারা কিনতে চাইছেন তারা জেনে রাখতে পারেন। আশা করি কাজে লাগবে।


TFT LCD Display :

এটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত স্ক্রীন টাইপ। পুরানো মডেলের মোবাইলগুলো থেকে শুরু করে কম বাজেটের স্মার্টফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। TFT এর পুর্নরুপ হলো Thin Film Transistor Technology. আর LCD এর পুর্নরুপ হলো Liquid Crystal Display.

খারাপ কোয়ালিটির TFT LCD ডিসপ্লে যুক্ত মোবাইলে রঙ ফ্যাকাশে দেখাবে এবং স্ক্রীনের সাইড দিয়ে তাকালে অন্ধকার দেখা যাবে। ভাল কোয়ালিটির স্ক্রীন বেশি উজ্জ্বল হবে আর যেকোন দিক দিয়ে তাকালেই মোটামুটি পরিস্কার দেখা যাবে।

সূর্যের আলোতে এই স্ক্রীনে পরিস্কার দেখতে অসুবিধা হয়। এ ধরনের ডিসপ্লেতে ব্যাটারীর খরচ বেশি হয় তবে এটি তৈরী করা যায় অনেক সস্তায়। তাই কম ও মাঝারী দামের সেটের এই ডিসপ্লে বেশি ব্যবহার করা হয়।


IPS LCD Display :

IPS এর পুর্নরুপ হলো In-Plane Switching. এটি TFT LCD Display থেকে উন্নত। এই স্ক্রীনের ডিসপ্লে কোয়ালিটি ভালো এবং ব্যাটারী কম খরচ হয়। এটি সাধারন LCD থেকে বেশী দামের বলে বেশী দামের স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়।


OLED Display :

OLED এর পুর্নরুপ হলো Organic Light Emitting Diode. এটি LCD থেকে ভালো কোয়ালিটির মোবাইল স্ক্রীন। এই ডিসপ্লে অনেক উজ্জ্বল,কৌনিক দিক থেকে সহজেই দেখা যায় এবং বেশ হালকা।


AMOLED Display :

AMOLED এর পুরোটি হলো Active Matrix Organic Light Emitting Diode. এই ডিসপ্লের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পিক্সেলগুলো নিজ থেকেই আলো তৈরী করতে পারে যার কারনে আপনি সূর্যের আলোতেও কোন সমস্যা ছাড়াই দেখতে পারবেন। OLED স্ক্রীনের মতই এর ডিসপ্লে অনেক উজ্জল,শার্প এবং হালকা। হাই কোয়ালিটির স্মার্টফোনগুলোতে এই স্ক্রীন এখন অনেক ব্যবহার করা হয়।


Super AMOLED Display :

এটি AMOLED ডিসপ্লে এর আধুনিক ভার্সন। স্যামসং এর গ্যালাক্সী স্মার্টফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়। এই ডিসপ্লে সবচাইতে হালকা ডিসপ্লে। এবং ব্যাটারীর খরচও আগের থেকে কম হয়।


Super LCD (SLCD) :

এটি LCD স্ক্রীনের আধুনিকতম সংস্করন। এই ডিসপ্লেতেও সূর্যের আলোতে সহজেই দেখা যায়। এছাড়াও AMOLED স্ক্রীন থেকে রঙ আরো ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।


Retina Display :

এই স্ক্রিনটি শুধুমাত্র আইফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর নাম রেটিনা ডিসপ্লে বলা হয় কেননা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।

অদ্ভুতুড়ে 3:27 AM

দামের দিকদিয়ে হুয়াওয়ি এ্যসেন্ড মেট ৭ এর দাম ৫২ হাজার ৭০০ টাকা আর হুয়াওয়ি অনার ৬ এর দাম ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা।

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে রয়েছে ছয় মাসের সমান কিস্তি সুবিধা। তবে এ জন্য গুনতে হবে বাড়তি টাকা। কিস্তিতে কিনতে হুয়াওয়ি এ্যসেন্ড মেট ৭ এর দাম পড়বে ৫৬ হাজার ৫০০টাকা এবং হুয়াওয়ি অনার ৬ পাওয়া যাবে ৩৮ হাজার টাকায়।


স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক এর মাধ্যমে ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইএমআই সুবিধা নির্দিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।



হুয়াওয়ি এ্যাসেন্ড মেট ৭
হুয়াওয়ি এ্যাসেন্ড মেট ৭ এ রয়েছে ৩৬৮ পিপিআই এর ৬ ইঞ্চি ফুল এইচডি (১৯২০ দ্ধ ১০৮০) রেজুলেশন ডিসপ্লে। সিপিউ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোরটেক্স এ১৫ এর চারটি এবং কোরটেক্স এ৭ এর ৪টি মিলিয়ে একটি অক্টাকোর প্রসেসর। সব মিলিয়ে এটিকে বলা হচ্ছে ১.৩ জিএইচজেড অক্টাকোর প্রসেসর। এতে আরো রয়েছে ২ জিবি র্যাম, ১৬ জিবি রোম, ১৩ এমপি ক্যামেরা, ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ডিং / ১০৮০পি ভিডিও প্লে ব্যাক সুবিধা; এফ ২.০ এবং ৫ মেগাপিক্সেল এইচডি ক্যামেরা, ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এ্যাসেন্ড মেট ৭ এ রয়েছে ৩৬০ ডিগ্রী ফিঙ্গার প্রিন্টস সেন্সর, এটি হুয়াওয়ে এ্যাসেন্ড মেট ৭ এর সব থেকে অনন্য বৈশিষ্ট্য।

এর সব থেকে ভালো সুবিধা হচ্ছে যে কোন কোণ থেকে যেকোনো আংগুল ব্যবহার করে শুধু একবার টাচ করলেই ফোন এর লক খোলা যাবে। এছাড়াও এই স্মার্টফোনটিতে আরো রয়েছে ইমোশন ইউআই ৩.০, জাইরোস্কোপ, প্রক্সিমিটি সেন্সর, এক্সেলারোমিটার, কম্পাস, হল,ডুয়াল সিম, ২জি/৩জি/৪জি সাপোর্ট, ওয়াইফাই, জিপিএস, ব্লুটুথ ৪.০ ইত্যাদি। সাদা এবং কালো এই দুইটি রঙে পাওয়া যাবে ফোন দুটি।



হুয়াওয়ি অনার ৬
হুয়াওয়ি অনার ৬ এ রয়েছে ৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি টাচ স্ক্রিন (১৯২০ দ্ধ ১০৮০) এফএইচডি ৪৪৫পিপিআই রেজুলেশন। সিপিউ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাইসিলিকন কিরিন ৯২০ কোরটেক্স এ১৫ এর চারটি এবং কোরটেক্স এ৭ এর চারটি মিলিয়ে একটি অক্টাকোর প্রসেসর।

সব মিলিয়ে এটিকে বলা হচ্ছে ১.৩ অক্টাকোর প্রসেসর। মাল্টি ৬২৮ এমপি৪ জিপিইউ, ৩ জিবি র্যাম, ইন্টারনাল মেমোরি ১৬/৩২ জিবি, ৬৪ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা, ১৩ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস, ডুয়াল- এলইডি ফ্ল্যাশ ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা; ১০৮০@৩০ এফপিএস ভিডিও; ৩১০০ এমএএইচ ব্যাটারি; এক্সেলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ, কম্পস, হুয়াওয়ি ইমোশন ইউআই ৩.০সহ ৪.৪.২ কিটক্যাট এন্ড্রয়েড; ওয়াইফাই, জিপিএস, ব্লু-টুথ ৪.০; এফএম রেডিও ইত্যাদি।


স্মার্ট ফোন দুটি  স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক এর মাধ্যমে ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইএমআই সুবিধা নির্দিষ্ট বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 4:15 AM

HTC M9 এর স্পেসিফিকেশন নিয়ে অনেক আগে থেকেই বিতর্ক হচ্ছিল। অবশেষে Evan Blass এই স্মার্টফোন এর কিছু ফটো ও স্পেসিফিকেশন লিক করেছে। স্মার্টফোন টি তে থাকবে সিঙ্গেল ন্যনো সিম। ৫ ইঞ্চি স্ক্রীন এর রেসুলেশন হবে ১৯২০*১০৮০ যা প্রটেক্ট করার জন্য প্রথম বারের মত ব্যবহার করা হবে করনিং গরিলা গ্লাস ৪।


আন্ড্রইড ৫.০ ললিপপ এর সাথে স্মার্টফোনটি তে থাকবে ৩ জিবি র‍্যাম ও ১.৫ গিগাহার্জ প্রসেসর। ৩২ জিবি ইন্টারনাল এর সাথে ১২৮ জিবি পর্যন্ত এক্সটারনাল মেমোরি ব্যবহার করার সুযোগ। স্মার্টফোনটি তে ২০.৭ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা থাকবে, যার রেসুলাশন হবে ৫২৪৮*৩৯৩৬ পিক্সেল। এতে অটোফোকাস ছারাও থাকছে ডুয়াল-এল.ই.ডি ফ্ল্যাশ। এবং ফ্রন্টে ৪ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা। স্মার্টফোন টিতে Li-Po 2840 mAh নন রিমুভেবল ব্যাটারি থাকছে।



ভিডিও রিভিউ




অদ্ভুতুড়ে 2:54 AM

 বাজারে ধাতব ফ্রেমের গ্যালাক্সি A3 এবং A5 স্মার্টফোন নিয়ে আসছে স্যামসাং বাংলাদেশ। ৩০ জানুয়ারি দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাজারে ছাড়া হবে স্মার্টফোন দুটি।

সামসাং গ্যালাক্সি এ৩ এর রিভিউ

কালারঃ কালো, সাদা, সোনালি ও রুপালি রঙের ধাতব ফ্রেমের গ্যালাক্সি এ৩ কিনতে পাওয়া যাবে।


অপারেটিং সিস্টেমঃ Android 4.4 KitKat
 

ডিসপ্লেঃ অ্যামোলেড ৪.৫”

প্রসেসরঃ  ১.২ গিগাহার্টজের কোয়াড কোর প্রসেসর

র‍্যামঃ ১ জিবি

মেমোরিঃ সর্বোচ্চ ৬৪ জিবি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে

ক্যামেরাঃ পিছনে ৮ মেগা পিক্সেল রেয়ার আর সামনে ৫ মেগা পিক্সেল রেয়ার। এটি দিয়ে আপনি অনেক ভাল মানের সেলফি তুলতে পারবেন।

সিমঃ দুটি সিম ব্যাবহার করতে পারবেন।

ব্যাটারিঃ ১৯০০ লিথিয়াম আইয়ন

দামঃ ২৫ হাজার ৯শ’ টাকা

Samsung Glaxy A3 Video Review

অদ্ভুতুড়ে 2:43 AM

 

চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হুয়াউয়ি দেশের বাজারে ‘অনোর হলি’ নামে নতুন একটি স্মার্টফোন উন্মুক্ত করেছে। হুয়াউয়ি ডিভাইস বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাশ্রয়ী দামের অনার হলির রয়েছে উন্নত কনফিগারেশন।

অনার হলিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেমে ও হুয়াউয়ের নিজস্ব ইউজার ইন্টারফেস। ৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লের স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১.৩ কোয়াড-কোর প্রসেসর এবং ১ জিবি র‍্যাম। দুই সিম সুবিধার স্মার্টফোনটিতে ১৬ জিবি বিল্ট-ইন মেমোরি রয়েছে।

স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে LED ফ্ল্যাশ ও BSI সেন্সরসহ ৮ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। দুই হাজার মিলি-অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোনটিতে আরও রয়েছে ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াইফাই, মাইক্রো ইউএসবি, জিপিআরএস/ ইডিজিই, ডিএলএনএ ও থ্রিজি। এতে জি-সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর এবং এম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সরও রয়েছে।

স্মার্টফোনটি কেনা যাবে ১২ হাজার ৭৫০ টাকায়। ক্রেতারা বিক্রি শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে এটি কিনলে বিনা মূল্যে পাবেন একটি ব্লুটুথ হেডসেট। প্রাথমিকভাবে হুয়াউয়ে স্মার্টফোনটি বসুন্ধরা সিটির গ্রামীণফোন সেন্টার, মোবাইল হাট, আরএস কর্পোরেশন, টুইন টাওয়ার মার্কেট, আর্কোস এবং উত্তরার নর্থ টাওয়ারে আরটি আউটলেটে পাওয়া যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 1:09 AM

স্বল্পমূল্যের ফিচার ফোনের বাজারে আবারও ঝড় তোলার পরিকল্পনা করছে নকিয়া। মাত্র ২৯ ডলার বা ২৩০০ টাকা মূল্যে মাইক্রোসফট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে নকিয়া ২১৫ ফিচার ফোন।


নকিয়া ৩০+ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত ফিচার ফোনটিতে থাকবে ২.৪ ইঞ্চি কিউভিজিএ ডিসপ্লে। প্রি-ইন্সটলড অ্যাপ হিসেবে পাওয়া যাবে ফেসবুক ফেসবুক, মেসেঞ্জার, বিং সার্চ, টুইটার এবং অপেরা মিনি। কোন স্টোরেজ ক্যাপাসিটি না থাকলেও ব্যবহার করা যাবে ৩২ জিবি পর্যন্ত মেমোরি কার্ড। রয়েছে ব্লুটুথ এবং এফএম রেডিও। এতে একটি মাত্র ক্যামেরা রয়েছে সামনের দিকে যার সেন্সর ০.৩ মেগাপিক্সেল।

ফোনটির সিঙ্গেল সিম সংস্করণে রয়েছে ২৯ দিন স্ট্যান্ডবাই এবং ডুয়েল সিম সংস্করণে ২১ দিন স্ট্যান্ডবাই টাইম। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেই বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে এটি ছাড়া হবে বলে জানা গেছে।

অদ্ভুতুড়ে 4:15 AM

বাংলাদেশে থ্রিজি সেবা চালু হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ স্মার্টফোন আমদানি বাড়ে চলেছে। ভারতভিত্তিক দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাইবার মিডিয়া রিসার্চ (CMR)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী তৃতীয় প্রান্তিকে দেশে স্মার্টফোন আমদানি বেড়েছে ২২০ শতাংশ।


সিএমআরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশে স্মার্টফোন আমদানি হয়েছে ১৬ লাখ, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ লাখ। সে হিসাবে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এর আমদানি বেড়েছে ২২০ শতাংশ। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোন আমদানি হয় ৭ লাখ।


স্মার্টফোনের এ প্রবৃদ্ধি খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করছে থ্রিজি সেবা চালু করা সেলফোন অপারেটররা। প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্রে জানা গেছে, তারাও বান্ডল অফারের আওতায় গ্রাহকদের স্মার্টফোন দিচ্ছে। থ্রিজি সেবার সুবিধাগুলো পেতে হলে স্মার্টফোন প্রয়োজন। তবে দেশে সেলফোন সংযোগের তুলনায় স্মার্টফোন ব্যবহারের সংখ্যা এখনো অনেক কম।


সিএমআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোনের বিক্রি প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে এ খাতের সামগ্রিক আয়ও বাড়বে। ফিচার ফোনের তুলনায় স্মার্টফোনের দাম বেশি হওয়ার কারণে এ আয় বাড়বে। পাশাপাশি মুনাফাও তুলনামূলক বেড়ে যাবে। আর বাজারের প্রসারের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা আরো বাড়বে, যার ফলে পছন্দের হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পাবেন ক্রেতারা।


হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এখনো শীর্ষে রয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড সিম্ফনি। তৃতীয় প্রান্তিক শেষে হ্যান্ডসেট বাজারের ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ নিয়ে এ অবস্থানে রয়েছে সিম্ফনি। এছাড়া নকিয়া ৬ দশমিক ২, ম্যাক্সিমাস ৬ ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের দখলে রয়েছে ৫২ শতাংশ।
স্মার্টফোনের বাজারেও শীর্ষ অবস্থানে থাকা সিম্ফনির দখলে রয়েছে বাজারের ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ। দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন বাজারের ১১ দশমিক ৮ শতাংশ নিয়ে রয়েছে পরবর্তী অবস্থানে। আর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড স্যামসাং এ বাজারে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ নিয়ে। অন্য ব্র্যান্ডগুলোর দখলে রয়েছে ২১ দশমিক ৫ শতাংশ।


এদিকে স্মার্টফোনের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ঘটলেও ফিচার ফোনের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলক কম। তৃতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোন আমদানি হয়েছে ৬৪ লাখ, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ বেশি। ২০১৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ৬৩ লাখ ফিচার ফোন আমদানি করা হয়। তবে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোনের আমদানি ১০৭ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফিচার ফোন আমদানি হয়েছে ৩১ লাখ।


চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোন ও ফিচার ফোন মিলিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয় ৭৯ লাখ। আগের বছরের একই সময়ের তুলনা এটি ১৬ শতাংশ বেশি। ২০১৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে ৬৮ লাখ। আর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে হ্যান্ডসেট আমদানি প্রায় ১০৮ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩৮ লাখ হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়।

অদ্ভুতুড়ে 5:33 AM

 

২০১৪ সালে  মোবাইল ফোনের বাজারে বেশ কিছু নতুন ফোনের দেখা মিলেছে। শুধু কমদামের অ্যান্ড্রয়েডের স্মার্টফোনই নয়, এ বছর দেখা গেছে বেশ কয়েকটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন। নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে। সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে ছিল এবং নতুন নতুন ভালো লাগা ছিল এই স্মার্টফোন গুলা নিয়ে।



iPhone 6 Plus:  এই বছরের সবচাইতে আকর্ষণ কেড়েছে অ্যাপল কোম্পানির "আইফোন ৬ প্লাস"।  অনেক অপেক্ষার পর এ বছরই অ্যাপল তাদের ‘আইফোন ৬ প্লাস’ ডিভাইসটির মাধ্যমে ফ্যাবলেট জগতে পা রাখল। আইফোন ৬ ডিভাইসটিতে রয়েছে চমৎকার ৫.৫” সাইজের বড় একটি ডিসপ্লে ইউনিট যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী একই সাথে ডিভাইসটি থেকে ট্যাব এবং স্মার্টফোনের স্বাদ নিতে পারবেন।




  


  Samsung Galaxy Note 4:  চলতি বছর স্যামসাং এর কয়েকটা মোবাইল ফোন রিলিজ পেলেও মানুষের নজর কেড়েছে একমাত্র "গ্যালাক্সি নোট ৪" যা এপর্যন্ত স্যামসাং-এর তৈরি চমৎকার ডিজাইনের ডিভাইসগুলোর একটি। যদিও এটি দেখতে অনেকটা এর উত্তরসূরির মতই তবে এই ডিভাইসটি আকারে কিছুটা ছোট, হালকা এবং অবশ্যই আরও চমৎকার ভাবে তৈরি করা হয়েছে। স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪-এ ব্যবহার করা হয়েছে মেটাল ফ্রেম যা ডিভাইসটিকে দিয়েছে প্রিমিয়াম লুক।

 

 

 

 

 Moto G (2nd gen.):  মোটোরোলা প্রতিষ্ঠানের "মটো জি" মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বেস্ট সেলিং স্মার্টফোন যা সেকেন্ড জেনারেশনের মাধ্যমে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। এমনকি বলা চলে সেকেন্ড জেনারেশনের এই ডিভাইসটি এখন পর্যন্ত বাজারের পাওয়া যাওয়া মোস্ট ওয়েল রাউন্ডেড বাজেট স্মার্টফোন।

 

 

 

Sony Xperia z3:  গুজব শোনা যায় স্যামসাং-এর গ্যালাক্সি এস৫, এইচটিসি ওয়ান (এম৮) এবং আইফোন ৬ ডিভাইসগুলোর সাথে পাল্লা দিতেই জাপানের এই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি বের করেছে সনি এক্সপেরিয়া জেড৩ স্মার্টফোনটি। যদিও হয়তো স্মার্টফোনটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় কিছু ফিচারে পিছিয়ে থাকতে পারে তবুও স্মার্টফোনটি চমৎকার ভাবে বাজার দখল করতে সমর্থ হয়েছে।

 

 

1+ 1:  ‘ফ্ল্যাগশীপ কিলার’ ব্যানারে আগত এই ডিভাইসটি এই বছরের শেষের দিকে ভারতের বাজারে বেশ সারা ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। হাই-এন্ড হার্ডওয়্যার দ্বারা নির্মিত এবং প্রিমিয়াম লুকের চমৎকার ফিচার বিশিষ্ট এই স্মার্টফোনটি হিসেবের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দামে পাওয়ায় প্রযুক্তি প্রেমীদের মন সহজেই জয় করতে সক্ষম হয় এই স্মার্ট ফোন। তবে ডিভাইসের প্রোডাকশন লিমিটেড হবার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এটি বিক্রি করার জন্য চালু করে ‘ইনভাইটেশন সিস্টেম’। 

 

 


 

 

Oppo Find7:  অপ্পো ফাইন্ড ৭ স্মার্টফোনটি  অপ্পো  ব্র্যান্ডের একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস যা ভারতের বাজারে পাওয়া যাওয়া এখন পর্যন্ত মোস্ট আন্ডার-রেটেড স্মার্টফোন। কিছু হাই এন্ড হার্ডওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কিছু চমৎকার মজাদার ফিচার।

 

 

Xiaomi Mi3:  হঠাত করে বিখ্যাত হয়ে ওঠা শাওমি’র কথা প্রযুক্তি প্রেমীদের মধ্যে প্রায় সবাই জানেন। প্রিমিয়াম লুক, শক্তিশালী হার্ডওয়্যার, স্মুথ পারফর্মেন্স এবং কম দাম – সব মিলিয়ে ‘চায়নার অ্যাপল’ খ্যাত এই ব্র্যান্ড সবার কাছে সহজেই জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। এই স্মার্টফোনটি শাওমির একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস যা স্পেক-এর তুলনায় নেক্সাস ৫ এর সাথে সহজেই তুলনীয় কিন্তু ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন এই ডিভাইসটি প্রায় অর্ধেক দামে।

 

 

 

 

HTC One (M8):  বিল্ড কোয়ালিটি, পারফর্মেন্স এবং সফটওয়্যারের দিক বিবেচনা করলে বর্তমান বাজারের সবচাইতে ভালো অ্যাড্রয়েড স্মার্টফোন সম্ভবত এইচটিসি ওয়ান এম৮ স্মার্টফোনটি। স্মার্টফোনটি পূর্বের মূল এইচটিসি ওয়ান থেকে খুব বেশি পরিবর্তিত না হলেও এইচটিসি প্রতিষ্ঠানটি এই ডিভাইসটির ডিজাইনে কিছুটা ইম্রুভমেন্ট এনেছে।

 

 

Moto X (2nd gen.):  নতুন এই মটো এক্স ডিভাইসটিকে শুধু মাত্র একটি আপগ্রেড বললে ভুল করবেন, এটা সম্পুর্ণ ভাবেই একটি নতুন ডিভাইস বলা যায়। মূল ডিভাইসটির তুলনায় নতুন এই ডিভাইসটির লুক অনেক বেশি প্রিমিয়াম এবং এর কারণ ডিভাইসটির অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম। ৫.২” বিশিষ্ট স্ক্রিন হওয়া স্বত্তেও ডিভাইসটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যার কারণে আপনার এক হাতে ডিভাইসটি ব্যবহার করতে মোটেও সমস্যা হবেনা।

 

 

Nokia Lumia 830:  হাই-এন্ড এবং মিড-রেঞ্জের মধ্যে গ্যাপ কমানোর লক্ষ্যেই মাইক্রোসফটের নকিয়া লুমিয়া ৮৩০ ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল বাজেটের মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস বাজারে ছাড়া যাতে থাকবে প্রিমিয়াম ফর্ম ফ্যাকটর এবং চমৎকার কোয়ালিটির ক্যামেরা।

অদ্ভুতুড়ে 5:05 AM

স্যামসাং আনছে বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে নতুন এক আকর্ষণীয় বাঁকা স্মার্টফোন। অ্যানটুটু বেঞ্চমার্ক সাইটে ইতোমধ্যে এই ফোনটির সম্ভাব্য ফিচার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আগামী বছরে স্যামসাং তাদের গ্যালাক্সি সিরিজে যুক্ত করতে পারে S6 নামের নতুন এই স্মার্টফোনটি।


গ্যালাক্সি এস৬ (এসএম-জি৯২৫এফ) নামের এই ফোনটি সম্পর্কে টেক টাইমস লিখেছে, ফোনটি চলবে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ অপারেটিং সিস্টেমে। এতে থাকবে ৬৪ বিটের অক্টা কোর এক্সিনোস ৭৪২০ প্রসেসর, মালি-টি৭৬০ জিপিইউ, তিন জিবি র‍্যাম,সাড়ে ৫ ইঞ্চি মাপের কিউএইচডি (১৪৪০ বাই ২৫৬০ পিক্সেল) রেজুলেশন প্যানেলের স্মার্টফোনটির পেছনে ২০ ও সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার পাশাপাশি এতে ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ বিল্ট ইন থাকবে।


গ্যালাক্সি এস৬ স্মার্টফোনটির বেশ কয়েকটি সংস্করণ তৈরি করতে পারে স্যামসাং। যার মধ্যে একটি হতে পারে গ্যালাক্সি নোট এজের মতো বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত। নতুন স্মার্টফোনটি তৈরির জন্য ‘প্রজেক্ট জিরো’ নামের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি।

অদ্ভুতুড়ে 3:39 AM

চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াউয়ি, আইফোন সিক্স এর মতোই ফোন বানালো । শুধু তাই নয় অ্যাপলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে হুয়াউয়ি। হুবহু এক রকম না হলেও প্রথম দেখায় যে কেউ "হুয়াউয়ের অনর-সিক্স" মডেলের ফোনটিকে "আইফোন সিক্স" ভেবে বসবেন।

 

অনর-সিক্স মডেল হুয়াউয়ের বানানো সর্বশেষ স্মার্টফোন। এখন প্রশ্ন জেগেছে, তারা কি ইচ্ছে করেই এমনটি করেছে, নাকি কাকতালীয়ভাবে আইফোনের নকশার সাথে মিলে গেছে তাদের নকশা? চাইনিজ একটি সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, হুয়াউয়ের অনর-সিক্স এবং অনর-সিক্স প্লাস অ্যান্ড্রয়েড নির্ভর স্মার্টফোন। আইফোন সিক্স ও সিক্স প্লাসের মতোই এদুটির বাহ্যিক রূপ। যেমন অনর সিক্স প্লাস-এ ব্যবহার করা হয়েছে ৫.৫ ইঞ্চির পর্দা। এটির রেজ্যুলেশন ১৯২০*১০৮০ আকারের।

 

আইফোনের সাথে আরো মিল হলো অনর-এর সাইডের ডিজাইন হুবহু আইফোনের মতো। তৈরি হয়েছে মেটালের দৃষ্টিনন্দন কাজ দিয়ে। মজার ব্যাপার হলো, আইফোনের মতো হুয়াউয়ের স্মার্টফোনটিও পাওয়া যাচ্ছে কালো, সিলভার, সোনালি রঙে! হুয়াউয়ে চীনের আর দশটা নাম স্বর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মতো নয়। সম্প্রতি তারা বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের পর তৃতীয় জায়গা দখল করেছে। এমন বড় একটি প্রতিষ্ঠানের এমন পদক্ষেপে অ্যাপল কিভাবে সাড়া দিবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

অদ্ভুতুড়ে 4:00 AM

  মাইক্রোসফট এর লুমিয়া স্মার্টফোনের জন্য নিয়ে এসেছে ‘ডেনিম’ এর আপডেট সফটওয়্যার। আর নতুন এই আপডেটের জন্য লুমিয়া স্মার্টফোনে ফোরকে ভিডিও ধারণ করতে পারবেন একজন লুমিয়া ফোন ব্যবহারকারী।


প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ম্যাশএবল ডটকম জানিয়েছে, ‘ডেনিম’ আপডেটে বেশ কয়েকটি নতুন ফিচার যোগ হয়েছে লুমিয়া স্মার্টফোনের ক্যামেরা আর ভয়েস অ্যাসিসট্যান্ট কর্টানায়। তবে ক্যামেরার ফিচারগুলোই সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে।


সফটওয়্যার আপডেটে বেড়েছে লুমিয়া স্মার্টফোনের ক্যামেরা চালু হওয়ার গতি। স্লিপ মূড থেকে ক্যামেরা চালু করে ছবি তোলা যাবে এক সেকেন্ডে কমবেশিতে। নতুন ফিচার হিসেবে আরও যোগ হয়েছে ‘রিচ ক্যাপচার মূড’  যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এইচডিআর, ডায়নামিক ফ্লাশ এবং ডায়নামিক এক্সপোজারের মতো ফিচারগুলো প্রয়োগ করবে প্রতিটা ছবিতে। নতুন আপডেটে স্মার্টফোন স্লিপ মূডে থাকা অবস্থাতেও ব্যবহার করা যাবে ভয়েস অ্যাসিসট্যান্ট কর্টানা।


 ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে লুমিয়ার সবগুলো মডেলের জন্য ডেনিম ইসু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মাইক্রোসফট। প্রাথমিক অবস্থায় বিশ্ব বাজারের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় লুমিয়া ৮৩০, লুমিয়া ৯৩০, লুমিয়া আইকন এবং লুমিয়া ১৫২০ এই চারটি স্মার্টফোনে ইনস্টল করা যাবে ‘ডেনিম’ সফটওয়্যারটির আপডেট ভার্শন।

অদ্ভুতুড়ে 5:01 AM

 

চলতি বছরের শুরুর দিকে নকিয়ার সেলফোন কোম্পানিকে কিনে নেয় মার্কিন সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফট। কিছুদিন আগে "মাইক্রোসফট" ঘোষণা দিয়েছে "নোকিয়া" মোবাইলের নাম পরিবর্তন করে "মাইক্রোসফট" মোবাইল নাম দেয়া হবে। এবার নকিয়া নামে কোনো ফোন কোম্পানি ছিল, তাও ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। মাইক্রোসফট সম্প্রতি নকিয়ার গ্রেট ব্রিটেনের ওয়েবসাইটটি নিজেদের নামে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে গ্রেট ব্রিটেনে নকিয়ার সাইটটিতে মাইক্রোসফটের নাম দেখা যাচ্ছে।  খবর- আইবি টাইম


গত বছর ফিনল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নকিয়াকে কেনার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছরের শুরুর দিকে এ অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ চুক্তির অধীনে নকিয়া মাইক্রোসফটের জন্য মোবাইল ডিভাইস উৎপাদন করবে। এমনকি ডিভাইসগুলোয় নামও থাকবে মাইক্রোসফটের। এর পর থেকেই নকিয়ার নামে মোবাইল ডিভাইস উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।


বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নকিয়ার ব্রিটেনের ওয়েবসাইটটিও নিজেদের নামে করে নিয়েছে। ওয়েবসাইটটির নাম আগে ছিল নকিয়া গ্রেট ব্রিটেন ওয়েবসাইট। বর্তমানে সাইটটির নাম হয়েছে মাইক্রোসফটস অফিশিয়াল গ্রেট ব্রিটেন ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করলে এখন লেখা উঠছে, ‘স্টেপ ইনসাইড আওয়ার নিউ হোম’। নকিয়ার ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষও টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

নকিয়ার সেলফোন ব্যবসা কিনে নেয়ার পর থেকেই অনেকে মনে করেছিলেন নকিয়ার দিন শেষ হয়ে এল। কারণ মাইক্রোসফটের মতো ব্র্যান্ড নেমের কাছে ফিনল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নাম খুব একটা গুরুত্ব পাবে না। এত দিন যুক্তরাজ্যের মানুষ নকিয়ার ওয়েবসাইটে ঢুকেই মাইক্রোসফটের মোবাইল ডিভাইসের বিস্তারিত তথ্য জানতেন। কিন্তু এখন থেকে গ্রাহকদের এ মোবাইল ডিভাইসগুলোর তথ্য জানতে মাইক্রোসফটের সাইটে প্রবেশ করতে হবে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনার মাধ্যমে নকিয়ার নাম ধামাচাপা পড়ে যাবে। এ ঘটনার মাধ্যমে নকিয়ার সেলফোন ব্যবসার কফিনে মাইক্রোসফট শেষ পেরেক ঠুকে দিল বলেও মনে করছেন অনেকেই।

প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে জানায়, আগামীতে তারা এআরএমভিত্তিক একাধিক স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে। বলাই বাহুল্য, ডিভাইসগুলো তৈরি করবে নকিয়ার কারখানা। কিন্তু এ মোবাইল ডিভাইসগুলোকে শুধু উইন্ডোজ ফোন নামেই বাজারে ছাড়া হবে। এতে করে নকিয়া নামটি গ্রাহকদের মন থেকে দিনে দিনে ক্ষয়ে যাবে।

এদিকে সম্প্রতি আইএফএ সম্মেলনে লুমিয়া সিরিজের লুমিয়া ৭৩০ ও লুমিয়া ৮৩০ সংস্করণের দুটি স্মার্টফোন উদ্বোধন করা হয়। এ দুটি স্মার্টফোন অবশ্য নকিয়ার নামেই বাজারে আসে। কিন্তু উইন্ডোজ ফোন আনার মাইক্রোসফটের সাম্প্রতিক ঘোষণার মাধ্যমে এটাই প্রতীয়মান হয়, লুমিয়া ৭৩০ ও লুমিয়া ৮৩০-ই হতে যাচ্ছে নকিয়ার নামে বাজারে আসা শেষ স্মার্টফোন।

এদিকে লুমিয়া সিরিজের স্মার্টফোন উৎপাদন বন্ধের কোনো ঘোষণা আসেনি মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে। জনপ্রিয় এ সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর নতুন নতুন সংস্করণ আগামীতেও বাজারে ছাড়া হবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। কিন্তু সেক্ষেত্রে নকিয়ার নাম কতটুকু ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।

এদিকে নকিয়ার সেলফোন ব্যবসা মাইক্রোসফটের নখদর্পণে চলে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করছে বলে মন্তব্য করেন ফিনল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ও করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট বেরি ফ্রেঞ্চ। তবে প্রতিষ্ঠানটির সেলফোন ব্যবসা যে অন্য নামে হারিয়ে গেল, তা বলাই বাহুল্য।

অদ্ভুতুড়ে 4:20 AM

 

নকিয়া এমন একটি অদ্ভুত স্মার্ট ডিভাইস বাজারে নিয়ে আনছে যা শুধু ইশারাতেই চলবে। এমনকি এই স্মার্টফোনে থাকছে থ্রিডি টাচ সেন্সর। স্মার্টফোনটি হতে পারে লুমিয়া ৯৩০। 

ফিনল্যান্ডের মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নকিয়া কর্তৃপক্ষ গত ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য বিল্ড ডেভেলপার সম্মেলনের প্রথম দিনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর কয়েকটি মডেলের নতুন স্মার্টফোনের ঘোষণা দিতে পারে নকিয়া। সম্প্রতি নকিয়া কনভারসেশন ওয়েবসাইটে একটি পোস্টের মাধ্যমে নকিয়ার এ আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। পোস্টে জানানো হয়েছে, ২ এপ্রিলের এই অনুষ্ঠানে নকিয়া ও মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে নতুন স্মার্টফোন ঘোষণা করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবর মাসে নকিয়াকে কিনে নেওয়ার কথা জানিয়েছিল মাইক্রোসফট। প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, নকিয়ার লুমিয়া ৬৩০ মডেলের স্মার্টফোনটির কোড নাম ‘মানিপেনি’ আর লুমিয়া ৯৩০ মডেলটির কোড নাম মার্টিনি। এর মধ্যে লুমিয়া ৬৩০ মডেলটি এক সিম ও দুই সিম মডেলে আগস্ট মাস নাগাদ বাজারে আসতে পারে। নকিয়ার নতুন পণ্যের খবর আগে ভাগেই ফাঁস করে টুইটারের জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট ইভলিকস থেকে এর আগেই ফাঁস হয়েছে নকিয়ার নতুন স্মার্টফোন ‘মানিপেনি’ ও ‘গোল্ডফিঙ্গারের’ তথ্য। লুমিয়া ৯৩০ মডেলটির কোড নাম মার্টিনির পাশাপাশি গোল্ডফিঙ্গার হিসেবেও দাবি করা হয়। ইভলিকসের বরাতে এনডিটিভি এক খবরে জানিয়েছে, জেমস বন্ড স্টাইলের দুইটি মডেলের স্মার্টফোন বাজারে আনতে পারে নকিয়া। উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর নকিয়ার একটি মডেলের স্মার্টফোনের কোড নাম হচ্ছে ‘গোল্ডফিঙ্গার’ ও আরেকটির নাম ‘মানিপেনি’। জেমস বন্ড ছবি থেকে নেওয়া নামের নকিয়ার এ স্মার্টফোনদুটিতে প্রথমবারের মতো নকিয়ার থ্রিডি টাচ সেন্সর যুক্ত হতে পারে। অর্থাত্ এ প্রযুক্তির ফলে নকিয়ার এসব স্মার্টফোনে হাতের স্পর্শ ছাড়া কেবল হাত নাড়িয়েই তা চালানো যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 1:28 AM

 

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন আমাদের জন্য একটি খুবই প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য। যেটা ছাড়া আমাদের একটি দিনও চলা কষ্টকর। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বর্তমানে বাজারে নকল ও নিম্নমানের চাইনিজ ফোনের অভাব নেই। আপনি ঠিক আসলসেলফোন মনেকরে কিনবেন, কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যাবে আপনার কষ্টের টাকা দিয়ে কেন ফোনটি নকল। তখন আর আপনার আফসোস করা ছাড়া কিছুই করার থাকবে না। আর সে জন্য আপনাকে অবশ্যই সময় থাকতে সাবধান হতে হবে। এমন অনেক পন্থা আছে যেগুলো অবলম্বন করলে আপনি খুব সহজে আসল ও নকল মোবাইল সেট কোনটি তা নির্ণয় করতে পারবেন।



যেমন, কোন ফোন কেনার আগে অবশ্যই অথরাইসড ডিলার বা অনুমোদন প্রাপ্ত ডিলারের কাছ থেকে আপনার মোবাইলটি কিনবেন। মার্কেটে ব্যাঙের ছাতার মতো অনেক দোকান বা শপ আছে তাদের কে এড়িয়ে চলুন।

মোবাইল টি কেনার সময় কাগজ পত্র যেমন মানি রিসিট ওয়ারেন্টি কার্ড মোবাইল এর বক্স ইত্যাদি যত্ন সহকারে দেখে নিন। আর হ্যাঁ আপনার মোবাইলের IMEI নাম্বার যেন অবশ্যই উক্ত কাগজ পত্র বা মোবাইল বক্সের নাম্বারের সাথে মিল থাকে।

বর্তমানে বাজারে অনেক কপি মোবাইল সেট পাওয়া যায়। যেমন আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়া থেকে চোরাই ভাবে অনেক ফোন আমাদের দেশে চলে আসে এবং বাজারে বিক্রিও হচ্ছে খুব সহজে। সেগুলো যদি আপনি কিনে থাকেন তবে সেই ক্ষেত্রে মোবাইল টি অরিজিনাল পেলেও বিক্রত্তর সেবা বা উৎপাদন কারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ধরনের বিক্রয়ত্তর সেবা পাবেন না। আর তাছাড়া ওই মোবাইল গুলা কিনলে আরেকটা ভয় থাকে যে, যেমন উক্ত ফোন ব্যাবহার করে কোন আন্তর্জাতিক অপরাধ ঘটানো হয়েছে কিনা । তাই বেটার হয় এগুলা না কেনা।


আরেকটা মোবাইলের বিষয়ে না বললেই না সেটি হচ্ছে চোরাই মোবাইল ফোন। বর্তমানে বাজারে আমরা অনেক দামি দামি মোবাইল সেট খুব কম দামে বিক্রয় করার নজির দেখি। এক্ষেত্রে কর্তিপক্ষর কিছু করার না থাকলেও আমারা একটু সাবধান হলেই আর এমন ভুল হবে না। হ্যাঁ একটি দামি ফোন কম দামে বিক্রি হতেই পারে তবে সবাই যে চোরাই ফোন বিক্রি করে সেটা কিন্তু না। আপনি যখন কোন ফোন অপরিচিত কারোর কাছ থেকে কিনবেন তখন কিছু বিষয় খেয়াল করে কিনবেন যেমন, ফোন টি আসল কিনা প্লাস উক্ত মোবাইল ফোনের সঙ্গে সকল কাগজ পত্র আছে কিনা। এক কথায় সর্বচ্চ চেষ্টা করবেন মোবাইল টির মালিকানা যাচাই করার। উল্লেখ্য যে যদি সেটা সম্ভব না হয় তবে বিক্রয় কারির নাম মোবাইল নম্বর প্লাস তার ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি ফটোকপি রাখার চেষ্টা করবেন। যাতে করে পরবর্তীতে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়লে সেটি থেকে বেঁচে যেতে পারেন। আর আমি বেক্তিগতভাবে বলবো চেষ্টা করুন পুরতন মোবাইল কেনা থেকে বিরত থাকার। কি দরকার শুধু শুধু কিছু টাকা বাঁচানোর জন্য একটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মদ্ধে পড়া।

আর নকল মোবাইল চেনার জন্য একটি ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি খুব সহজে আপনার ফোন টি নকল কিনা সেটি ধরতে পারবেন। কিভাবে খেয়াল করুন

সর্বপ্রথম এই লিংকে যান
 এবার ছবিতে দেখানো যায়গাতে আপনার ফোনের  IMEI নাম্বার টি বসান। কিভাবে আপনার ফোনর IMEI নাম্বার বের করবেন? এটি করা খুবই সহজ। আপনার ফোনের ড্যায়ল অপশনে যেয়ে টাইপ করুন *#06# তারপর দেখুন আপনার ফোনের ডিসপ্লেতে চলে আসবে একটি নাম্বার ঠিক ছবিতে দেয়ার মতো করে।



ওই নাম্বার টি কপি করে উক্ত ওয়েবসাইটে বসান আর ক্লিক করুন ভ্যালিড আইএমইআই এই অপশনে। তারপর আপনার ফোন টি যদি অরিজিনার হয়ে থাকে তবে এই টুলস সেটি জানিয়ে দিবে।

 


অদ্ভুতুড়ে 2:58 AM

একবার ভেবে দেখুন আপনার হাতে একটি মোবাইল সেট আছে কিন্তু সেটি থাকবে অদৃশ্য যা আপনি ছাড়া আর কেউ দেখতেই পারবে না। অনেকটা এমনই ধরনের স্মার্টফোন আসছে বাজারে। আপনার যদি ঘন ঘন মোবাইল ফোন হারানোর অভ্যাস থাকে তাহলে অদৃশ্য ফোন ব্যবহারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট স্মার্টপ্ল্যানেট জানিয়েছে, তাইওয়ানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা পলিট্রন টেকনোলজিস উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাঁচের তৈরি প্রায় অদৃশ্য স্মার্টফোন তৈরি করেছে। 

invisible smartphone glass screenshot youtube 300x163 আজব টেকঃ আসছে অদৃশ্য স্মার্টফোন

পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি এই ফোন দেখতে প্রায় অদৃশ্য এবং এর ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রগুলো খুবই পাতলা। কাঁচের দু’টি পরতের মাঝে খুবই চিকন তার বসিয়ে এর সার্কিট তৈরি করা হয়েছে। তবে ফোনটির ব্যাটারিসহ কয়েকটি যন্ত্রাংশ এখনো অদৃশ্য করা সম্ভব হয়নি। তবে হয়ত অদূর ভবিষ্যতের পৃথিবীতে আমরা সেটাও পেয়ে যাব। 

f42eb3ec0a6fa11482e5689295261190 আজব টেকঃ আসছে অদৃশ্য স্মার্টফোন

পলিট্রন ডিসপ্লে প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনী পণ্য দিয়ে চমকে দিয়েছে অনেক আগে থেকেই। তারা জানিয়েছে, এই প্রস্তুতি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। কেননা ফোনের আরও অনেক অংশ আছে, যেগুলো স্বচ্ছ করা এখনো সম্ভব হচ্ছে না। যেমন সিম কার্ড, ব্যাটারি প্রভৃতি। ‘মোবাইল গিকস’ ওয়েবসাইটে এই ফোন প্রস্তুতের যে ভিডিও আছে, সেখানে এই ফোনের অপারেটিং সিস্টেম বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

অদ্ভুতুড়ে 1:34 AM

অবাক করে দিল স্যামসাং কোম্পানি! আরও পাতলা হবে মোবাইল ফোন, শতগুণ দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট চলবে এখনকার চেয়েও আর এসবই সম্ভব হবে মোবাইল ফোনে ব্যবহূত একটিমাত্র উপাদানের কারণে। সম্প্রতি স্যামসাংয়ের গবেষকেরা এই ‘আশ্চর্য উপাদান’ আবিষ্কারের দাবি করেছেন। এ আশ্চর্য উপাদানটি তাঁরা পেয়েছেন গ্রাফিন থেকে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 


wonder-materialsঅবাক করে দিল স্যামসাং কোম্পানি, করল বিস্ময়কর আবিষ্কার স্যামসাংয়ের গবেষকেরা দাবি করেছেন, তাঁরা এমন একটি প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছেন যাতে গ্রাফিন ব্যবহার করে ভবিষ্যতে তাঁদের তৈরি স্মার্টফোন আরও পাতলা ও টেকসই করা সম্ভব হবে। তাঁদের দাবি, তাঁদের উদ্ভাবিত প্রক্রিয়ায় একটি গ্রাফিন ক্রিস্টাল বিস্তৃত অঞ্চল পর্যন্ত এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক শক্তি ধরে রাখতে পারে। 

গ্রাফিনকে বিস্ময়কর উপাদান বলা হয়। যুক্তরাজ্যের গবেষকেদের তৈরি গ্রাফিন এমন একটি পদার্থ যা স্টিলের চেয়েও শক্তিশালী অথচ বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা উপাদান। বিদ্যুত্ পরিবাহী হিসেবেও  গ্রাফিন চমত্কার। 

গবেষকেরা বলেন, গ্রাফিন আসলে বহুরূপী মৌল কার্বনের একটি ভিন্ন অবস্থামাত্র। এটি অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বকে আমূল বদলে দিতে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন গবেষকেরা। ২০০৪ সালে আবিষ্কৃত গ্রাফিন বর্তমান বিশ্বে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ, সৌরবিদ্যুত্ কোষ, ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির প্রযুক্তি, চিকিত্সা প্রযুক্তিসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহূত হচ্ছে। এর নমনীয়তা এবং শক্তিশালী উপাদান হিসেবে বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস থেকে শুরু করে চিকিত্সার যন্ত্রপাতিতেও এটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। তবে দুষ্প্রাপ্যতা এবং জটিল ও ব্যয়বহুল উত্পাদন পদ্ধতির কারণে গ্রাফিনের ব্যবহার সীমিত রয়েছে। 

তবে ভবিষ্যতে তাঁদের তৈরি এই উপাদানটি কীভাবে পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য, স্মার্টফোনে কাজে লাগানো হবে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। তবে নতুন উপাদান সম্পর্কে জানিয়েছে, পরবর্তী প্রজন্মের নমনীয় ডিসপ্লে কিংবা পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের জন্য এটা আদর্শ উপাদান।’





অদ্ভুতুড়ে 3:21 PM
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ আমি এই গুরত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। আশা করছি সবাই উপকৃত হবেন।
আমরা অনেকেই নোকিয়া ফোন ব্যবহার করে থাকি। অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কারনে সিকিউরিটি কোডের প্রয়োজন হয়। নোকিয়া তে ডিফল্ডভাবে ১২৩৪৫ সিকিউরিটি কোড দেয়া থাকে। যা আমরা অনেকেই জানি। সুতরাং প্রয়োজন হয় সিকিউরিটি কোডটি পরিবর্তন করার।
আমরা যারা এই অপশনস্ টা ব্যাবহার করে থাকি, তারা প্রত্যেকেই সিকিউরিটি কোডটি পরিবর্তন করি। কিন্তু বেশ কিছু দিন পর আমরা সেই সিকিউরিটি কোডটি সহজেই ভুলে যাই। তারপর থেকে শুরু হয় সমস্যার। কোডটি রিসেট করতে অথবা ফ্লাস দিতে যেতে হয় বিভিন্ন মোবাইল সার্ভিসিং পয়েন্টে। গুনতে হয় ৫০-৩০০ টাকা বা তারও বেশী।
অথচ, কোন টাকা ছাড়াই আপনার পার্সোনাল কম্পিউটারে একটি সফট্ওয়্যার এর মাধ্যমে আপনি সহজেই এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারেন। প্রয়োজন শুধু মাত্র একটি সচল নোকিয়া ক্যাবল।
আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি উক্ত কাজটি পুরোপুরি সম্পন্ন করবেন:-
প্রথমে আপনি নিচের লিংক থেকে [ANT]-Simple সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড [ANT]-Simple
আপনার কম্পিউটারে যদি Pc Suite ইনস্টল থাকে, তাহলে Pc Suite এর প্রোগ্রামটি কে Exit করে দিন, এমনকি Taskbar থেকেও।
[ANT]-Simple সফটওয়্যারটি ডাউনলোড শেষ হলে এটাকে Extract করে নিন।
এবং Simple.exe ফাইলটি run করান।
এবার Usb ক্যাবল দিয়ে আপনার মোবাইল কে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করুন। মোবাইলে কানেকশন টাইপ কিন্তু Pc Suite মোডে রাখতে ভুলবেন না যেন।
যাইহোক, উক্ত প্রোগ্রামের Main ট্যাব থেকে নিচের Check এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার IMEI number and model সম্পর্কে তথ্য সেখানে দেখতে পাবেন।
যদি না দেখতে পান তাহলে বুঝতে হবে আপনার ফোনটি সঠিকভাবে পিসিতে কানেক্ট পায়
তারপর নিচের চিত্র অনুযায়ী Normal সিলেক্ট করে Get এ ক্লিক করুন।
নি। অন্য কোন Usb Port এ লাগিয়ে কানেক্ট করুন।

এবার Service ট্যাবে ক্লিক করুন। এবং সেখান থেকে User code এর Get এ ক্লিক করুন ঠিক নিচের চিত্রটির মত করে।


তারপর আপনি অপর অংশে আপনার ভূলে যাওয়া সিকিউরিটি কোডটি দেখতে পাবেন।
আশা করছি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি।
সবার সুস্থতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

অদ্ভুতুড়ে 4:45 AM

সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিকাশ ওয়ালেটের মাধ্যমে মোবাইলে একাউন্টে রিচার্জ করলে তা সময়মত ব্যালেন্সে জমা হয়না। অনেকসময় দেখা যাচ্ছে, আপনি যেই অপারেটরের নাম্বারে রিচার্জ করেছেন সেই অপারেটরের কারিগরি ত্রুটির কারণে রিচার্জ হলনা। 

সাবধান থাকুন! Buy Airtime দিয়ে bKash ওয়ালেট থেকে রিচার্জ করার ক্ষেত্রে    সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিকাশ ওয়ালেটের মাধ্যমে মোবাইলে একাউন্টে রিচার্জ করলে তা সময়মত ব্যালেন্সে জমা হয়না। অনেকসময় দেখা যাচ্ছে, আপনি যেই অপারেটরের নাম্বারে রিচার্জ করেছেন সেই অপারেটরের কারিগরি ত্রুটির কারণে রিচার্জ হলনা।  যেহেতু টাকা আপনার কথা বলার একাউন্টে জমা হয়নি, সেহেতু নিয়ম অনুযায়ী তা আপনার বিকাশ ওয়ালেটে জমা হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনি যতক্ষন না বিকাশকে বিষয়টি জানাবেন, ততক্ষণ তারা এই ব্যাপারে মাথা ঘামাবেনা। যদিও তারা এমন একটি মেসেজ আপনাকে পাঠাবেঃ “Your bKash Buy Airtime request of Tk. 200.00 for 01617XXXXXX is unknown. The deducted amount will be returned soon. Please call 16247 for details.” এমনকি আপনি তাদেরকে অভিযোগ আকারে জানানোর পরও তারা আপনার কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৫ কর্মদিবস সময় চাইবে। একবার ভেবে দেখুন, আপনার কষ্টে উপার্জিত টাকার জন্য আপনি বিনা কারণে কেনো ৫ কর্ম দিবস অপেক্ষা করবেন? আমি ১৬২৪৭ নাম্বারে অভিযোগ করে এমনকি ইমেইল করেও ৪ দিন পরেও এখনো আমার ৪০০ টাকা ফেরত পাইনি। তাই আমরা জনস্বার্থে এই লেখাটি সবার সাথে শেয়ার করলাম।  বিঃ দ্রঃ আমি যদি ভুল না করে থাকি, আমার ধারনা এই ব্লগে শুধু বিকাশ নয় প্রত্যেকটা মোবাইল অপারেটরের অন্তত কয়েকজন প্রতিনিধি নিয়মিত না হলেও দুই একদিন পর এই পেইজ অনুসরণ করেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, “নিজের বিবেকের কাছে একবার প্রশ্ন করে দেখুনতো এভাবে কাস্টমাদের ভোগান্তিতে ফেলানো কোন ধরনের নৈতিকতা”? নাকি উদাহরণ দিবেন এইটা আপনাদের কাস্টমার সার্ভিসের একটা অংশ? বিকাশের উদ্দেশ্যে বলছি, দিন দিন আপানাদের গ্রাহক বাড়ছে এবং আপনাদের উপর তাদের বিশ্বাস আরো গভীর হচ্ছে। মনে রাখবেন,যায়ী বিশ্বাস ১ বছরে অর্জন করেছেন সেই বিশ্বাস ১ মিনিটে হারাতেও সময় লাগবেনা। সাধারণ মানুষের রক্ত জল করা পরিশ্রমের টাকা, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার ফাঁকে টিউশানি করে উপার্জিত টাকা নিয়ে এভাবে কোন ক্যাটাগরির খেলা খেলছেন? মানুষ বিকাশে টাকা জমায় সময়ের প্রয়োজনে কিংবা ভবিষ্যতের প্রয়োজনের কথা ভেবে। সেই টাকা যদি বিকাশের কারণে তারা সময়মত নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে না পারে তবে কি প্রয়োজন তাদের বিকাশে ওয়ালেটে টাকা জমানোর?



যেহেতু টাকা আপনার কথা বলার একাউন্টে জমা হয়নি, সেহেতু নিয়ম অনুযায়ী তা আপনার বিকাশ ওয়ালেটে জমা হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনি যতক্ষন না বিকাশকে বিষয়টি জানাবেন, ততক্ষণ তারা এই ব্যাপারে মাথা ঘামাবেনা। যদিও তারা এমন একটি মেসেজ আপনাকে পাঠাবেঃ “Your bKash Buy Airtime request of Tk. 200.00 for 01617XXXXXX is unknown. The deducted amount will be returned soon. Please call 16247 for details.” তাই আপনি তাদেরকে অভিযোগ আকারে জানানোর পর তারা আপনার কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৫ কর্মদিবস সময় চাইবে।

অদ্ভুতুড়ে 3:52 AM 1
১০ হাজার টাকার ভেতরে স্মার্টফোন-এর লিস্ট   আমাদের এই প্রয়াস যারা কম দামে ও যাচাই করে স্মার্টফোন কিনতে চাচ্ছেন তাদের জন্য। বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনের তালিকা তুলে ধরা হল ১০ হাজার টাকার ভেতর পাওয়া যাচ্ছে এরকম।    Walton Primo F3i  বসুন্ধরা সিটি মার্কেটে উপরের সেটগুলো হ্যান্ডস-অন রিভিউ করতে আমরা গিয়েছিলাম। সেখানে প্রায় সবগুলো সেট হাতে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে একটি দোকানে। যদিও যোগ হচ্ছে নিত্য নতুন ফোন, তবে এখন পর্যন্ত আমাদের মতে ওয়ালটন প্রিমো এফ থ্রি আই ১০ হাজার টাকার ভেতর সেরা সেট। এর টাচ অন্যান্য স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক ভাল মানের, সেটটি দেখতে সুন্দর, হাতে ভাল মত ধরে ব্যবহার করা যায়, ৫১২ মেগাবাইট র‍্যামে জেলিবিন দেয়ার পরেও ফোনের পারফরম্যান্স বেশ ভাল। এটার প্রসেসর ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর এবং জিপিউ: মালি ৪০০। এই ফোনের ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল হলেও ছবির মান খুব একটা খারাপ হয় না। টিউব লাইটের আলো তে ক্যামেরা টি ব্যবহার করে দেখা হয়েছে, এতে কোন ল্যাগ পরিলক্ষিত হয় নি। ওভার-অল সেটটিকে কোন অবস্থাতেই ধীর গতির বলা যাবে না। অন্তত এই দামের মধ্যে। অন্যান্য সেট গুলোর প্রধান যে সমস্যা আমাদের চোখে পড়েছে তা হল টাচ ফিচার। টাচ যদি ঠিক মত কাজ না করে তাহলে স্মার্টফোন ব্যবহারের চেয়ে বিরক্তিকর কিছুই নেই। এই দামের চেয়ে বেশি দামে যে সেট গুলো রয়েছে সেগুলোও ভাল বলা চলে। তবে আমরা নির্বাচন করছি এই সেটটি।   বি:দ্র: স্মার্টফোনের দাম প্রতিনিয়ত উঠানামা করে। সুতরাং এখানে প্রদত্ত মূল্যের হের ফের হতে পারে। তবে দামের পার্থক্য খুব বেশি হবে না। যারা এই লেখা পড়বেন তারা যদি কোন স্মার্টফোনের বর্তমান দাম সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে মন্তব্য করুন। মন্তব্য অনুযায়ী এবং বাজারে দাম অনুসন্ধান করে দাম আপডেট করা হবে। ধন্যবাদ।

আমাদের এই প্রয়াস যারা কম দামে ও যাচাই করে স্মার্টফোন কিনতে চাচ্ছেন তাদের জন্য। বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনের তালিকা তুলে ধরা হল ১০ হাজার টাকার ভেতর পাওয়া যাচ্ছে এরকম। তালিকাটি নিম্নরুপঃ


 

ওয়ালটন প্রিমো সি২


W15
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ১.৩ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৩,৬৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ১৫


W15
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৩০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ০.৩ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৪০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ২.৩ জিঞ্জারব্রেড
মূল্যঃ ৩,৯৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো ডি৩


W15
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৪,০৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো ডি২


W15
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৪,১৫০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ১২


W32
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৩০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ০.৩ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১১০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ২.৩ জিঞ্জারব্রেড
মূল্যঃ ৪,২০০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো ডি৪


W15
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৪,২৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৩২


W32
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ২ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৪,২৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ২১


W21
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ০.৩ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৩৫০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৪,৩৫০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ১৬ (থ্রিজি)


W16
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ১.২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৩০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৪,৫৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো ই১


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৩.২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৪,৯৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৬৫ আই


W65i
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২০০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৫,২৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো ই২


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৩.২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৫,৪৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ২২


W22
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫৫০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৫,৫০০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৬৬


W66
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৫,৯৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৬৫


W65
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ২ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৬,২৫০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৩৫


W35
প্রসেসর: ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: এসজিএক্স ৩১ আল্ট্রা
ডিসপ্লে: ৩.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২০০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.১ জেলি বিন
মূল্যঃ ৬,২৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৬৮


W68
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৬,৪৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৬৯


W69
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৪০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৬,৮০০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো এফ২


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৩.২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৭০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৬,৯৯০ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি স্টার এস৫২৮০


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ কর্টেক্স এ৫
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৩০০
ডিসপ্লে: ৩ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১২০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.১.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৬,৯৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো এফ৩ আই


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৮০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৭,৪৯০ টাকা।

মাইক্রোম্যাক্স বোল্ট এ৬১


W71
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ
র‍্যাম: ২৫৬ মেগাবাইট
রম: ৫১২ মেগাবাইট
ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.১ জেলিবিন
মূল্যঃ ৭,৫০০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৭১


W71
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: পাওয়ার ভিআর ৫৩১
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৭০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.১ জেলিবিন
মূল্যঃ ৭,৯৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৭২


W72
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৭৫০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৭,৯৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো জি এফ


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪.৩ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৭০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৮,০৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো জি৪


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২০০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৮,৯৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৮২


W82
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২০০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৮,৯৯০ টাকা।

সিম্ফোনি ডব্লিউ ৮৫


W85
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২০০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
জিপিএস: আছে
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলি বিন
মূল্যঃ ৯,৪৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো জি৩


W15
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর কর্টেক্স এ৭
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৮০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৯,৯৯০ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াই এস৫৩৬০


W15
প্রসেসর: ৮৩০ মেগাহার্জ এআরএম ভি৬
র‍্যাম: ২৯০ মেগাবাইট
রম: ১৮০ মেগাবাইট
ডিসপ্লে: ৩ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ২ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১২০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ২.৩.৫ জিঞ্জারব্রেড
মূল্যঃ ৯,৯৯০ টাকা।

ওয়ালটন প্রিমো জি এইচ


W15
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর কর্টেক্স এ৭
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
জিপিউ: মালি ৪০০
ডিসপ্লে: ৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ২২০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৯,৯৯০ টাকা।

মাইক্রোম্যাক্স ক্যানভাস ফান এ৭৪


W71
প্রসেসর: ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৫০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ৯,৯৯০ টাকা।

মাইক্রোম্যাক্স ক্যানভাস এম এ ডি এ৯৪


W71
প্রসেসর: ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর
র‍্যাম: ৫১২ মেগাবাইট
রম: ৪ গিগাবাইট
ডিসপ্লে: ৪.৫ ইঞ্চি
ক্যামেরা: ৫ মেগাপিক্সেল
ব্যাটারী: ১৮০০ এমএএইচ
নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি
অ্যানড্রয়েড ওএস: ৪.২.২ জেলিবিন
মূল্যঃ ১০,০০০ টাকা।



Walton Primo F3i

বসুন্ধরা সিটি মার্কেটে উপরের সেটগুলো হ্যান্ডস-অন রিভিউ করতে আমরা গিয়েছিলাম। সেখানে প্রায় সবগুলো সেট হাতে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে একটি দোকানে। যদিও যোগ হচ্ছে নিত্য নতুন ফোন, তবে এখন পর্যন্ত আমাদের মতে ওয়ালটন প্রিমো এফ থ্রি আই ১০ হাজার টাকার ভেতর সেরা সেট। এর টাচ অন্যান্য স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক ভাল মানের, সেটটি দেখতে সুন্দর, হাতে ভাল মত ধরে ব্যবহার করা যায়, ৫১২ মেগাবাইট র‍্যামে জেলিবিন দেয়ার পরেও ফোনের পারফরম্যান্স বেশ ভাল। এটার প্রসেসর ১.৩ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর এবং জিপিউ: মালি ৪০০। এই ফোনের ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল হলেও ছবির মান খুব একটা খারাপ হয় না। টিউব লাইটের আলো তে ক্যামেরা টি ব্যবহার করে দেখা হয়েছে, এতে কোন ল্যাগ পরিলক্ষিত হয় নি। ওভার-অল সেটটিকে কোন অবস্থাতেই ধীর গতির বলা যাবে না। অন্তত এই দামের মধ্যে। অন্যান্য সেট গুলোর প্রধান যে সমস্যা আমাদের চোখে পড়েছে তা হল টাচ ফিচার। টাচ যদি ঠিক মত কাজ না করে তাহলে স্মার্টফোন ব্যবহারের চেয়ে বিরক্তিকর কিছুই নেই। এই দামের চেয়ে বেশি দামে যে সেট গুলো রয়েছে সেগুলোও ভাল বলা চলে। তবে আমরা নির্বাচন করছি এই সেটটি।

বি:দ্র: স্মার্টফোনের দাম প্রতিনিয়ত উঠানামা করে। সুতরাং এখানে প্রদত্ত মূল্যের হের ফের হতে পারে। তবে দামের পার্থক্য খুব বেশি হবে না। যারা এই লেখা পড়বেন তারা যদি কোন স্মার্টফোনের বর্তমান দাম সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে মন্তব্য করুন। মন্তব্য অনুযায়ী এবং বাজারে দাম অনুসন্ধান করে দাম আপডেট করা হবে। ধন্যবাদ।
Powered by Blogger.