Showing posts with label বটতলীয় আসর. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 11:24 PM

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নতুন চলচ্চিত্র ‘ডুব’র (নো বেড অব রোজেস) শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেতা ইরফান খান। খবরটি নিশ্চিত করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ।

ইরফান খান ঢাকায় আসছেন মার্চে





পরিবর্তন ডটকমকে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘‘ডুব’র শুটিংয়ে অংশ নিতে ২০ মার্চ বাংলাদেশে আসবেন ইরফান। তিনি বাংলাদেশে টানা ২০দিন শুটিং করবেন। শুটিং হবে ঢাকার পুবাইল, এফডিসি ও রাঙামাটিতে।’

অন্যান্য সিনেমায় গল্প থেকে শুরু করে সবকিছুতে হস্তক্ষেপ করলেও এ ছবিতে জাজ নীতি পাল্টিয়েছে। এমনকি পুরো গল্প জানেন না আব্দুল আজিজ। তাহলে কিসের ভরসায় প্রযোজনা করছেন? তার উত্তর, ‘কারণটা সহজ— নামটা যে ফারুকী। তার নামের উপরে আর কিছু লাগে না। আমরা শুধু টেকনিক্যালি যখন যা লাগবে তা দিয়ে যাব। নির্মাণের ব্যাপারে কোনো প্রকার কথা বলব না।’

ছবিটির বাজেট ১৫ লাখ ডলার। তবে পুরো বিনিয়োগ জাজের না। তা কত? ‘গোপনীয়তা’ রক্ষাতে প্রকাশ করতে চাইলেন না আজিজ। তিনি বলেন, ‘শুধু বলতে পারি এটি দেশের সবচেয়ে বড় বাজেটের ছবি হচ্ছে।’

মৃত্যু একটি পরিবারের সবাইকে এক করে— সে গল্প নিয়ে নির্মিত হবে ‘ডুব’। এতে আরও অভিনয় করবেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, পার্নো মিত্র, রোকেয়া প্রাচী ও নাদের চৌধুরী।

‘টেলিভিশন’ নির্মাতার সিনেমাটিতে সহ-প্রযোজক হিসেবে থাকছেন ইরফান খান। প্রযোজনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের এসকে মুভিজ। এ ছাড়া ফারুকীর প্রতিষ্ঠান ছবিয়ালের অংশগ্রহণ থাকছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:14 AM


এক স্ত্রীর পাঁচ স্বামী! কথাটা শুনে অবাক লাগছে? লাগারই কথা। আরো অবাক করার বিষয় হলো, পাঁচ স্বামীর সবাই আবার আপন মা’র পেটের ভাই! বেশি দূরে নয়, পার্শ্ববর্তী ভারতের উত্তর প্রদেশেই এমন পরিবারের সন্ধান মেলে। এমনি একটি পরিবারের আপন পাঁচ ভাইয়ের একমাত্র স্ত্রী রাজু ভার্মা। ২১ বছর বয়সী রাজু ভার্মা পাঁচ স্বামীর সঙ্গে একই কক্ষে সুখে-শান্তিতে বসবাস করছেন।

ভাইদের মধ্যে গুড্ডু ভার্মাই প্রথম রাজু ভার্মাকে বিয়ে করেন। পরে একে একে অপর চার ভাই শান্তরাম ভার্মা, বাজ্জু ভার্মা, গোপাল ভার্মা ও দীনেশ ভার্মাও রাজু ভার্মাকে বিয়ে করেছেন। রাজু ভার্মার বছর পাঁচেকের এক ছেলে সন্তানও আছে।

এদিকে, চীনের চেচিয়াং ইউনিভার্সিটির অর্থশাস্ত্রের অধ্যাপক জুয়োসি দেশে মেয়ের ‘আকাল’ ঘোচাতে এভাবেই ‘দ্রৌপদী’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তার এ মন্তব্যকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কিন্তু নিজের যুক্তিতে অনড় সেই অধ্যাপক। তার যুক্তি, চীনের বহু গ্রামে এখন এ ব্যবস্থা চলছে। উপরন্তু বেশ সুখেই আছেন তারা।  

তিনি এও জানিয়েছেন, ২০২০ সালের মধ্যে চীনে অবিবাহিত পুরুষের সংখ্যা পৌঁছবে ৩ থেকে ৪ কোটিতে। যাদের রোজগার ভালো, তারা বিয়ের জন্য পাত্রী পেয়ে যাবেন। কিন্তু, বাকিদের কী হবে তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওই অধ্যাপক।

অদ্ভুতুড়ে 10:13 AM


কথায় আছে ভালবাসা মানে না কোনো বাধা।ভালবাসার কাছে ধনী গরিব,বড় ছোট,সাদা কালো সবই যেন হার মানে। যদি সবকিছুই হার মানে তাহলে সেক্ষেত্রে উচ্চতাও কোন বাধা হতে পারেনা। ভালবাসার এমনই এক নজির মিলল ইংল্যান্ডের হিঙ্কলে শহরে।

আমান্ডা ফাইফে ছোটবেলা থেকেই ‘Osteogenesis Imperfecta’ রোগে আক্রান্ত, যার আক্ষরিক অর্থ ভঙ্গুর হাড় রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারনে তাকে হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয়। এছাড়া তার স্বাভবিক শারীরিক বৃদ্ধিও অন্যদের তুলনায় অনেক কম। তার উচ্চতা মাত্র দুই ফুট আট ইঞ্চি। আমান্ডার যখন জন্ম হয় তখন ডাক্তাররা তার বাবা-মা কে বলেছিলেন, তাদের কন্যা এক রাতের বেশী বাঁচবে না। কিন্তু মত্যুই মনে হয় হার মেনেছে আমান্ডার কাছে। কারন সে বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে এবং এখন এক সন্তানের মা।

আমান্ডার স্বামী স্টিভেন উচ্চতায় ছয় ফুট এক ইঞ্চি।আমান্ডা স্টিভেনের প্রথম পরিচয় হয় ২০০৭ সালের দিকে। তারা একটি ট্যাক্সি ডিপোতে একসাথে কাজ করত। তখন তারা কখনো ভাবেনি তাদের এই একসাথে কাজ করা থেকে ভালবাসার জন্ম হবে। আমান্ডা সবসবময় ছেলেদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখত। কারন সে মনে করত, এত কম উচ্চতা নিয়ে একজন ভাল মনের মানুষ খুঁজে বের করা সত্যিই কঠিন। এরপরেও দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব হয় এবং দীর্ঘ দুই বছর পর তারা এক অপরের সাথে ঘুড়তে যায়। আমান্ডার ভাষ্যমতে ‘কিছু লোক আমাদের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। কিন্তু সেগুলো আমরা এড়িয়ে চলেছি।’

২০১২ সালের দিকে আমান্ডা ও স্টিভেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি ছেলে আছে । তার নাম এইডেন।সন্তান জন্ম দেয়ার সময় আমান্ডার সমস্যা হওয়ার কথা থাকলেও স্বাভাবিকভাবেই এইডেনের জন্ম হয়। তার উচ্চতাও তার মায়ের থেকে বেশী। যেহেতু আমান্ডা আর কোন সন্তান জন্ম দিতে পারবেনা তাই এইডেনের জন্য একটি ভাই বা বোন দত্তক নেয়ার কথা ভাবছে এই দম্পতি।

অদ্ভুতুড়ে 10:08 AM


টেলিভিশনের পর্দায় আমরা অনেকেই অ্যাডভেঞ্চার ধর্মী ড্রামা সিরিজ ‘মোগলী’ দেখেছি। সেরকমই বাস্তবের এক মোগলী রয়েছেন। তার নাম “তিপ্পি ডিগ্রি (Tippi Degre)”। ছোট বেলা থেকেই তার সখ্যতা রয়েছে বনের বাঘ থেকে শুরু করে হাতি, কুমির, সাপ সব প্রাণীর সাথে। তাইতো তাকে বলা হয় আধুনিক যুগের মোগলী নামে। আসুন জেনে নিই তার সম্পর্কে।

জন্ম:
তার বাবা-মা ফ্রান্সের নাগরিক হলেও তার জন্মটা হয় আফ্রিকা মহাদেশের নামিবিয়াতে। তার বাবা-মা দুজনই ছিলেন ফটোগ্রাফার। তাদের ছবি তোলার বিষয় ছিল জীববৈচিত্র্য। নামিবিয়াতে বসবাসকালীন সময়ে তাদের ঘরে জন্ম নয় একটি মেয়ে সন্তান। যার নাম রাখা হয় “তিপ্পি ডিগ্রি (Tippi Degre)”।   

পশুপাখির সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠার গল্প:
একটি ছবিতে দেখা যায় তিনি ঘুরে ঘুরে ফিডার খাচ্ছেন আর তার চারপাশে হাতির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে। অথচ তার মধ্যে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই। কিংবা হাতিগুলো তাকে কোনো আঘাত করছে না। আফ্রিকান শিশুদের সাথেই বেড়ে ওঠেন তিনি। তাদের সাথে বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়ান ছোটবেলা থেকেই। তারাই তাকে গড়ে তোলেন তাদের মতো করে। বন্য প্রাণীদের সাথে ছোট্ট এক শিশুর সখ্যতা খুব তাড়াতাড়িই তাকে সারা বিশ্বে পরিচিত করে তোলে। বনের এমন কোনো জাতের প্রাণী নেই যার সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠেনি ছোট্ট এই শিশুটির। জ্যান্ত বাঘের সাথে খেলা করছেন, কিংবা হাতি তার শুড়ের সাথে পেচিয়ে তাকে নিয়ে ছুটে চলেছেন, জলজ্যান্ত সাপ গলায় পেচিয়ে রেখেছেন।
পশুপাখির সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠার কারণ:
তারা যে এলাকাটিতে থাকতেন সেখানে মানুষ জনের খুব একটা বসবাস ছিল না। তার খেলার সাথী তেমন কেউ ছিল না। তাই ছোট্ট শিশুটি বনের পশুপাখিকে খেলার সাথী ভেবে তাদের কাছে ছুটে যান। স্বভাবত হিংস্র হিসেবে পরিচিত হলেও পশুপাখিও অবুঝ শিশুটির দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন।

বর্তমান অবস্থা:
উপরে যে ঘটনার বর্ণনা করা হয়েছে তা ১৯৯২-১৯৯৩ সালের। বর্তমানে “তিপ্পি ডিগ্রি (Tippi Degre)” একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী। তবে ছোট্টবেলার মতো প্রাণীদের সাথে তার এখনো সখ্যতা রয়েছে। প্রাণীদের নিয়ে তিনি কয়েকটি বই লিখেছেন।  



অদ্ভুতুড়ে 11:09 AM

মাছের হাট, পাটের হাট, গরুর হাটের কথা আমরা সবাই জানি। তাই বলে প্রেমের হাট! শুনতে অবাক লাগলেও ভিয়েতনামের আদিবাসী অধ্যুষিত পর্যটন এলাকা সাপায় বিশেষ কোনো শনিবার রাতে বসে এমনই হাট। ব্যতিক্রমী সেই হাটে গিয়ে পর্যটকরা যেমন খুঁজে নিতে পারেন মনের মানুষ, তেমনি স্থানীয়রাও বেঁছে নিতে পারেন জীবনসঙ্গীকে।

ভিয়েতনামের পাহাড়ি এলাকায় ছোট্ট একটি গ্রাম সাপা। গ্রামটি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই গ্রামের অন্যতম আকর্ষণ প্রেমবাজার বা লাভ মার্কেট। এই বাজারে গিয়ে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন অনেকে। খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের জীবনসঙ্গী।

এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, হমং আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত এই প্রেমের হাট। তাদের রীতি অনুযায়ি বিশেষ কোনো শনিবারের রাতে সাপায় বসে এই প্রেমের হাট। এটি হ্যামং আদিবাসী সংস্কৃতির একটি অংশ। এখানে গিয়েই অনেক হমং আদিবাসী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এটি তাদের কাছে স্বর্গীয় এক স্থান।

বেহালাবাদক হমং আদিবাসী জিয়াং এ ভ্যাংয়ের বয়স এখন ৫০ বছর। ৩০ বছর আগে প্রথমবারের মতো তিনি প্রেমবাজারে যান। সেখান থেকে পছন্দ করা সেই নারীর সঙ্গে সুখেই কাটাচ্ছেন দাম্পত্য জীবন। তিনি বলেন, ‘আমি সেখানে গিয়েছিলাম সুন্দরী কোনো মেয়ের খোঁজে। প্রথমেই নজরে আসে একজন। তাকে দেখে আমি বেহালা বাজাতে থাকি। তাকে বলি, যদি আমার বাজনা ও আমাকে পছন্দ হয়, তাহলে সে আমার জীবনসঙ্গিনী হতে পারে। সেই থেকে শুরু।’ জিয়াং এ ভ্যাং বলেন, ‘আমি খুবই সৌভাগ্যবান যে তাকে পেয়েছিলাম। আমি মনে করি, সে-ও সৌভাগ্যবতী। কারণ, সে আমাকে পেয়েছে। আমরা খুব সুখেই আছি।’

গত কয়েক বছরে সাপায় পর্যটকদের আগমন বেড়েছে। এএফপিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৩ সালে সেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র তিন লাখ ৬০ হাজার। ২০১৩ সালে তা বেড়ে ১২ লাখে দাঁড়ায়। প্রেমবাজারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে ভাং থি জো বলেন, ‘এটি আমার কাছে খুবই বিশেষ। আমি একজন ভালো স্বামী খুঁজে পেয়েছি এখান থেকেই।’ তবে ভাংয়ের অভিযোগ, ‘সাপার তরুণ সম্প্রদায় বা পর্যটকেরা প্রেমবাজারে যান সাময়িক আনন্দের জন্য। তারা সেখানে ছেলে বা মেয়ে বন্ধুর খোঁজে যান। কিন্তু হমং আদিবাসী প্রথা অনুসারে আমি চাই আমার ছেলেমেয়েরা সেখানে যাক স্বামী বা স্ত্রী খুঁজতে।’

লি থি মাই বলেন, ‘আগে যখন কাউকে পছন্দ করে কোনো ছেলে বাঁশি বাজাত, তখন মেয়েটি ঘর থেকে বেরিয়ে আসত। কিন্তু এখন সবার হাতে হাতে মুঠোফোন। আগের মতো সেই চ্যালেঞ্জ আর নেই। আমি চাই আবার ২০ বছর আগের নিয়মে সব হোক।’ লি থি দোর মতে প্রেমবাজার এখন একটি তামাশায় পরিণত হয়েছে। যখন তাদের বয়স কম ছিল, তখন এই ভালোবাসার বাজার ছিল কেবলই স্থানীয় ব্যক্তিদের জন্য। কিন্তু এটি এখন একধরনের বাজারে পরিণত হয়েছে। সবাই এখানে টাকার জন্য আসে। মনিহারি দ্রব্যের মতো ভালবাসা বেচাকেনা চলে।’ কানাডার ক্যাপিলানো বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন পরিদর্শক ক্রিস কার্নোভ্যাল জানান, পর্যটনকেন্দ্রের কারণে সাপার আদিবাসীদের সংস্কৃতি বদলে যাচ্ছে।

অদ্ভুতুড়ে 2:27 AM

দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় স্মার্টওয়াচ এবং অন্যান্য পরিধাণযোগ্য প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীনের সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা অটুট রাখতে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের সামরিক বাহিনীর সংবাদপত্র ‘দ্য পিপলস লিবারেশন আর্মি ডেইলি (পিএলএ ডেইলি)’।

 

 Image result for স্মার্টওয়াচImage result for স্মার্টওয়াচ

 

পিএলএর বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, এক সেনা জন্মদিনে উপহার হিসেবে পাওয়া স্মার্টওয়াচ দিয়ে দায়িত্বপালনরত অবস্থায় সহকর্মীদের ছবি তোলার চেষ্টা করার পর সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা এই বিষয়ে বিশেজ্ঞদের পরামর্শ নেন।

এরপরেই ইন্টারনেট অ্যাকসেস, ব্যবহারকারীর অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে এবং ভয়েস কলিং ফিচার আছে এমন পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্য ব্যবImage result for স্মার্টওয়াচ
হারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে পিএলএ।

চীনের বাজারে উপহার হিসেবে স্মার্টওয়াচ বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।


Powered by Blogger.