Showing posts with label টেক ফিকশান. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:04 AM

ইন্টারনেট, ইমেইলের দিন শেষ। এবার আসছে ব্রেন মেইল। কোনও আইডি, পাসওয়ার্ড কিচ্ছু লাগবে না। কাউকে কোনও বার্তা দিতে হলে, জাস্ট ভাবুন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে সেই খবর। অবাক হওয়ার কিছু নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বাস্তব রূপ নিলে, আপনার মাথায় কী চলছে, তা বুঝে নেবেন অন্য কেউ। বিজ্ঞানী পরিভাষায় যাকে বলে মস্তিষ্ক থেকে মস্তিষ্কে সংযোগস্থাপন।



 বার্সেলোনার স্টারল্যাবের সিইও তথা ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশন প্রজেক্টের শীর্ষ কর্তা জুলিয়ো রুফিনির দাবি, এই প্রথম তিনি দুই ব্যক্তির ওপর তাঁর গবেষণার সফল প্রয়োগ করেছেন। কেরলের এক ব্যক্তির মস্তিষ্ক নাকি কম্পিউটারের মাধ্যমে যোজন দূরের এক ব্যক্তির মগজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। ব্রেনের সঙ্গে কম্পিউটার যুক্ত করে ওই ব্যক্তিকে কল্পনা করতে বলা হয়, যে তিনি তাঁর হাত অথবা পা নাড়াচ্ছেন। যখন তিনি পা নাড়ানোর কথা ভাবছেন, তখন সেটাকে শূন্য হিসেবে লিখে নেয় কম্পিউটার। আর যখন হাত নাড়ার কথা ভাবেন তখন সেটাকে ১ হিসেবে লিখে নেয়। এভাবে বারবার করার মাধ্যমে সেই বার্তা পাঠানো হয় ফ্রান্সে বসে থাকা এক ব্যক্তির ওপর। ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশনে রিসিভারের কাজ করেছেন তিনি। একটি রোবটের মাধ্যমে ফ্রান্সে থাকা সেই রিসিভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। সেই রোবট রিসিভারের মস্তিষ্কে খুব সামান্য পরিমাণে ইলেকট্রিকের শক দেয়। যিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন তিনি যদি হাত নাড়ার কথা ভাবেন, তাহলে রোবটের মাধ্যমে রিসিভার দেখে, তাঁর মাথায় আলো জ্বলে উঠছে। চোখ বন্ধ থাকলেও তাঁর এই অনুভূতি হয়। আর যখন কেরলের ব্যক্তি পা নাড়ানোর কথা ভাবেন, তখন ফ্রান্সের রিসিভারের মাথায় কোনও আলো জ্বলার অনুভূতি হবে না।

এই গোটা প্রক্রিয়া শুনতে সহজ মনে হলেও, আদপে তা নয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন তাঁর মাথায় অন্য কোনও চিন্তা এসে গেলে এই গোটা প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এজন্য ওই ব্যক্তির ওপর এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করার আগে, তাঁকে রীতিমতো ভাবনা স্থির রাখার অনুশীলন চালাতে হয়েছে।

এর আগেও এধরনের সংযোগ স্থাপনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিশেষজ্ঞ দাবি করেছিলেন, একটি মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে একটি ইঁদুরের লেজের মধ্যে তাঁরা সংযোগস্থাপন করেছেন। ব্যক্তিটি যেরকম ভাববেন, তার ভিত্তিতেই ইঁদুরের লেজটিতে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাবে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়েও ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশনের ওপর গবেষণা হচ্ছে। তবে সাফল্য এখনও আসেনি। রুফিনির দাবিকে মানতে চায়নি অনেকেই। কেউ কেউ তাঁর এই দাবিকে নতুন একটি স্টান্ট হিসেবে কটাক্ষ করেছেন। যদিও নিজের লক্ষ্যে অবিচল রুফিনি। তিনি তাঁর এরপর ভাবনা, বিচারবুদ্ধি, সংবেদনশীলতার মতো বিষয়গুলিও দুই মস্তিষ্কের মধ্যে আদানপ্রদানের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সে যাই হোক, মস্তিষ্কের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগ স্থাপন সত্যিই সম্ভব হলে অসত্‍‌ উদ্দেশ্যে মগজ ধোলাই বাস্তব রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

অদ্ভুতুড়ে 1:59 AM

ইন্টারনেট, ইমেইলের দিন শেষ। এবার আসছে ব্রেন মেইল। কোনও আইডি, পাসওয়ার্ড কিচ্ছু লাগবে না। কাউকে কোনও বার্তা দিতে হলে, জাস্ট ভাবুন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে সেই খবর। অবাক হওয়ার কিছু নেই। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বাস্তব রূপ নিলে, আপনার মাথায় কী চলছে, তা বুঝে নেবেন অন্য কেউ। বিজ্ঞানী পরিভাষায় যাকে বলে মস্তিষ্ক থেকে মস্তিষ্কে সংযোগস্থাপন।

আসছে ব্রেইন মেইল, বদলে যাবে যোগাযোগের সংজ্ঞা, ব্রেইনের মাধ্যমে এবার ইমেইল করা যাবে, brain to brain mail.
 বার্সেলোনার স্টারল্যাবের সিইও তথা ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশন প্রজেক্টের শীর্ষ কর্তা জুলিয়ো রুফিনির দাবি, এই প্রথম তিনি দুই ব্যক্তির ওপর তাঁর গবেষণার সফল প্রয়োগ করেছেন। কেরলের এক ব্যক্তির মস্তিষ্ক নাকি কম্পিউটারের মাধ্যমে যোজন দূরের এক ব্যক্তির মগজের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। ব্রেনের সঙ্গে কম্পিউটার যুক্ত করে ওই ব্যক্তিকে কল্পনা করতে বলা হয়, যে তিনি তাঁর হাত অথবা পা নাড়াচ্ছেন। যখন তিনি পা নাড়ানোর কথা ভাবছেন, তখন সেটাকে শূন্য হিসেবে লিখে নেয় কম্পিউটার। আর যখন হাত নাড়ার কথা ভাবেন তখন সেটাকে ১ হিসেবে লিখে নেয়। এভাবে বারবার করার মাধ্যমে সেই বার্তা পাঠানো হয় ফ্রান্সে বসে থাকা এক ব্যক্তির ওপর। ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশনে রিসিভারের কাজ করেছেন তিনি। একটি রোবটের মাধ্যমে ফ্রান্সে থাকা সেই রিসিভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। সেই রোবট রিসিভারের মস্তিষ্কে খুব সামান্য পরিমাণে ইলেকট্রিকের শক দেয়। যিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন তিনি যদি হাত নাড়ার কথা ভাবেন, তাহলে রোবটের মাধ্যমে রিসিভার দেখে, তাঁর মাথায় আলো জ্বলে উঠছে। চোখ বন্ধ থাকলেও তাঁর এই অনুভূতি হয়। আর যখন কেরলের ব্যক্তি পা নাড়ানোর কথা ভাবেন, তখন ফ্রান্সের রিসিভারের মাথায় কোনও আলো জ্বলার অনুভূতি হবে না।
এই গোটা প্রক্রিয়া শুনতে সহজ মনে হলেও, আদপে তা নয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন তাঁর মাথায় অন্য কোনও চিন্তা এসে গেলে এই গোটা প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এজন্য ওই ব্যক্তির ওপর এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করার আগে, তাঁকে রীতিমতো ভাবনা স্থির রাখার অনুশীলন চালাতে হয়েছে।
এর আগেও এধরনের সংযোগ স্থাপনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিশেষজ্ঞ দাবি করেছিলেন, একটি মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে একটি ইঁদুরের লেজের মধ্যে তাঁরা সংযোগস্থাপন করেছেন। ব্যক্তিটি যেরকম ভাববেন, তার ভিত্তিতেই ইঁদুরের লেজটিতে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাবে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়েও ব্রেন টু ব্রেন কমিউনিকেশনের ওপর গবেষণা হচ্ছে। তবে সাফল্য এখনও আসেনি। রুফিনির দাবিকে মানতে চায়নি অনেকেই। কেউ কেউ তাঁর এই দাবিকে নতুন একটি স্টান্ট হিসেবে কটাক্ষ করেছেন। যদিও নিজের লক্ষ্যে অবিচল রুফিনি। তিনি তাঁর এরপর ভাবনা, বিচারবুদ্ধি, সংবেদনশীলতার মতো বিষয়গুলিও দুই মস্তিষ্কের মধ্যে আদানপ্রদানের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
সে যাই হোক, মস্তিষ্কের সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগ স্থাপন সত্যিই সম্ভব হলে অসত্‍‌ উদ্দেশ্যে মগজ ধোলাই বাস্তব রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

অদ্ভুতুড়ে 1:31 AM

 

প্রজুক্তির এই স্মার্ট জগতে প্রতিযোগিতা এখন শুধুই স্মার্টনেস এর। আস্তে আস্তে সব কিছুই স্মার্ট টেখনলজিতে পরিণত হয়ে যাবে। স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ আরোকত কি। এবার স্মার্ট টেখনলজিতে  পরিণত হচ্ছে হাতের রিংও। এই স্মার্টরিং স্মার্টওয়াচ এর চেয়ে একটু বেশী স্মার্ট। ধারনা করা হচ্ছে এই রিং স্মার্টওয়াচ এর চয়ে অধিক আকর্ষণীও।


 
  কি ফিচার আছে এই স্মার্ট রিং এ ?
এই স্মার্ট রিং সব সময় আপনার সকল আপডেট দিয়ে থাকবে। যেমন ই-মাইল, আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর আপডেট , আপনার মোবাইল ফোনের কল এলার্ট বা এই মুহূর্তে  কাকে কল কোরতে হবে ইত্যাদি সকল বিষয় গুলো মনে করিয়ে দিবে। স্মার্ট রিং টির অন্যতম একটি আকর্ষণীয় ফিচার GPS, এই GPS বলে দিবে আপনার বর্তমান আবস্থান। ফলে আপনার সবসময় মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না, বিনিময় হাতের স্মার্টরিং এর দিকে তাকালেই হবে। এটার আরো কিছু চমৎকার ফিচার হচ্ছে এটি ওয়াটার প্রুভ এবং কোন ফোনকল, ম্যাসেজ বা নোটিফিকেশন এলে বাইব্রেট করে সংকেত দিবে। 


বেশ কিছু কোম্পানি এই স্মার্টরিং বাজারে আনছে। তার মধ্যে MOTO , APPLE এমন কি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক TWITTER এই স্মার্ট রিং টি প্রাথমিক ভাবে বাজারে রিলিজ করেছে।

 

অদ্ভুতুড়ে 5:54 AM

সাবধান হন এখনি। আপনিও হতে পারেন সিম ক্লোনের শিকার।

►আমাদের এখনই সাবধান হওয়ার সময়। আপনিও হতে পারেন সিম ক্লোনের শিকার। হাঁ ভয়ানক এই পরিস্থিতির শিকার যেন আমাদের কারও হতে না হয়, তাই আমাদের জানা দরকার কি ভাবে সিম ক্লোনিং হয়। আর আমাদের উচিৎ সতর্ক থাকা ভয়ানক এই পরিস্থিতি থেকে।

► ১- সিম ক্লোন কি?
একটি সিম যেটি আপনি ব্যবহার করছেন সেই সিম টি যদি অন্য কেউ ব্যবহার করে কিংবা এক নাম্বার যদি দেখেন এক সাথে দুইজন ব্যবহার করে কিংবা হঠাৎ করে যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স কোন কারন ছাড়া কমে যাচ্ছে তবে আপনি সিম ক্লোনের শিকার।


► ২- কিভাবে শিকার হবেন সিম ক্লোনের
আপনি যদি অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে মিসড কল পান এবং সেটাতে যদি কল ব্যাক করেন তবে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকারে পরিনত হতে পারেন। দুষ্কৃতকারীরা বিশেষ একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার টি ক্লোনিং করে। অর্থাৎ আপনি যখন মিসড কল নাম্বারে কল ব্যাক করবেন তখন একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার টি ক্লোন হতে পারে। সিম ক্লোনিং হলে আপনার সিমে রাখা ডাটা ক্লোন নাম্বারে চলে যাবে। এবং আপনার প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হবে।


► ৩- যে সমস্যায় আপনি পড়তে পারেন সিম ক্লোনিং হয়ে গেলে?

সাধারনত জঙ্গি কিংবা দুষ্কৃতিকারীরা আপনার নাম্বার টি ব্যবহার করে আপনার জীবন বিপন্ন করতে পারে। অর্থাৎ ওই নাম্বার দিয়ে কেউ কাউকে মৃত্যুর হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গি কানেকশন করলে আপাত দায়ভার আপনার উপর বর্তাবে। কাজেই আপনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধৃত হবেন। পরবর্তীতে আরও নানাবিধ সমস্যায় পড়তে পারেন।
 

► লক্ষ্য করুন———–
* ভারতে সম্প্রতি এক লাখ সিম ও রিম কার্ড ক্লোনিং হয়েছে। সেখানকার গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে ওই ক্লোনিং সিম বা রিমের মাধ্যমে অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
* বাংলাদেশে এখনও সিম ক্লোনিং হয়েছে বলে ৬ টি মোবাইল অপারেটরের হাতে এমন কোন তথ্য নেই। তবে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে যে কোন সময় এমন অনাকাংখিত ঘটনা ঘটতে পারে।
 

► সতর্ক হবেন যেভাবে-
* অপরিচিত নাম্বার থেকে মিসড কল এলে আপনি কল ব্যাক করার পূর্বে ভালো করে চিহ্নিত করবার চেষ্টা করুন যে এটি কার নাম্বার। অথবা কল ব্যাক করা বন্ধ করুন।
* মনে রাখবেন সিম ক্লোনিং হতে হলে মিসড কল আসবে। ডাইরেক্ট রিং হলে সেটি রিসিভ করলে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকার হবেন না। মিসড কল এলেই সতর্ক হন।
* যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের ব্যালান্স অকারণে কমে যাচ্ছে সাথে সাথে কল সেন্টারে ফোন করে জানান। * আপনার সেল ফোন টি এখনি বন্ধ করে অন্য একটি নাম্বার থেকে আপনার নাম্বারে ফোন দিন। দেখুন রিং হয় কিনা। রিং হলে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকার।
 

► পোস্টটি অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন এবং সপরিবারে নিরাপদ থাকুন

অদ্ভুতুড়ে 9:40 AM
আমরা জানি সময় কারও জন্য থেমে থাকে না। অতীত বর্তমান হয়ে সময় চলেছে ভবিষ্যতের দিকে যেন একমুখী প্রবাহ। নিউটন তার বিখ্যাত গ্রন্থ প্রিন্সিপিয়াতে গতিসুত্রের প্রেক্ষাপটে সময় সম্পর্কে একটা কথা লিখলেন, “Absolute, true and mathematical time of itself and from its own nature, flows equally with relation to everything external.” [চরম প্রকৃত এক গানিতিক সময় তার অন্তর্নিহিত ধর্মানুযায়ী বাহ্যিক অন্য সব কিছুর প্রস্তাব মুক্ত হয়ে সমমানে বয়ে চলে]। যদিও তখনকার যুগে প্রায় সকলেই এই সূত্র মেনে নিয়েছিলেন কিন্তু কথাটা যে সব সময় সত্য তা কিন্তু না।  আমরা যেমন সময়ের জন্য থামতে পারি তেমনি সময়ও আমাদের জন্য থামতে পারে অর্থাৎ আপেক্ষিক।
 কিন্তু ঘটনাটা ঘটবে একটি বিশেষ শর্ত-এ, বা বলতে গেলে একটি বিশেষ নির্দেশ তন্ত্রে। নির্দেশতন্ত্র হল এমন একটা স্থান বা জায়গা যেখান থেকে আমরা কোনো বস্তুর অবস্থা, অবস্থান, প্রকৃতি ইত্যাদি পরিমাপ করতে পারি। এককথায় সেই পরিমাপক স্থানকেই পদার্থবিদ্যার ভাষায় নির্দেশেতন্ত্র বলে। যেমন একটি ট্রেন চলছে, ট্রেনের ভেতর একটা ছেলে বল নিয়ে লোফালুফি করছে। ট্রেন চলতে শুরু করল। ট্রেনটি একসময় ধরা যাক a cm/s¬ সমবেগ নিয়ে যেতে শুরু করল। এখন যে যাত্রী ট্রেনের ভেতর ছিল সে দেখবে যে বলটি গতি সরলরৈখিক। কিন্তু ট্রেনের বাইরের দর্শকের সাপেক্ষে বলটির গতি কিরূপ হতে পারে। হিসেব করলে দেখা যাবে গতিপথটি হবে উপবৃত্তাকার বা অর্ধবৃত্তাকার বা অধিবৃত্তাকার। নিচের চিত্রটি দেখুন -




সুতরাং এই উপরোক্ত পরীক্ষা থেকে দেখা গেল যে ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ স্থান বা নির্দেশতন্ত্র থেকে পরিমাপক বিষয় ভিন্ন ভিন্ন মান যুক্ত হয়।

আমরা সাধারণ জীবনে কোনো গতিশীল বস্তুকে পরিমাপ করি সাধারণ পদার্থবিদ্যার নিয়ম অনুসারে। এর একটা পরীক্ষার সাহায্যে বলি। রাম ও শ্যাম দুই বন্ধু রাস্তায় হেঁটে চলেছে। রাম নিজে ৬ কিমি/ঘঃ সমবেগে ও শ্যাম নিজে ৪ কিমি/ঘঃ সমবেগে পরস্পরের দিকে হেঁটে চলেছে। তাহলে রাম শ্যামকে কি ৪ কিমি/ঘঃ বেগে চলতে দেখবে? মোটেই না। রাম দেখবে যে শ্যাম (৬ + ৪) =  ১০ কিমি/ঘঃ বেগে যাচ্ছে ও শ্যামও রামকে ১০ কিমি/ঘঃ বেগে যেতে দেখবে। আবার রাম আর শ্যাম উভয়ই একই দিকে চলতে শুরু করলে রামের সাপেক্ষে শ্যামের ও শ্যামের সাপেক্ষে রামের বেগ হবে (৬ – ৪) = ২ কিমি/ঘঃ। এ

ই ধরনের ঘটনা আমরা সাধারণ জীবনে পর্যবেক্ষণ করে থাকি।

কিন্তু আলোর ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা অন্যরকম। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ম্যাক্সওয়েল তরঙ্গতত্ত্ব আবিষ্কার করেন যা পরবর্তীকালে নানা পরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণিত হয়। কিছুকাল পরে বিজ্ঞানী হার্তজ আলোর বেগের মান নির্ণয় করলেন যার মান ৩ x ১০৮ মি/সেঃ। কিন্তু এর থেকে আমাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই বেগ কার সাপেক্ষে? ১৮৮৭ সালে মাইকেলসন ও মর্লি নামে দুই বিজ্ঞানী পরস্পর দুটি সমকোণি আলোকরশ্মির গতিবেগের তুলনা করেন। তাছাড়া তারা সূর্যের চারিদিকে সারা বছরে পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থানে সূর্য থেকে আসা আলোর বেগ নির্ণয় করে দেখেন তাতে আলোর গতিবেগের কোনো পার্থক্য নেই। এই পরীক্ষা থেকে ১৮৯৩ সালে জর্জ ফিটজেরাল্ড ও হেন্ড্রিক লরেন্জ ধারনা দেন যে কোনো বস্তুপিণ্ড ইথার নামক মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে চলার সময় তাদের ক্ষেত্রে তাদের সময় ও দৈর্ঘ্য সংকুচিত হয়ে তাদের সাপেক্ষে আলোর বেগ একই রাখে। আসলে আমরা যেমন জানি শব্দতরঙ্গ জড়মাধ্যমে চলাচল করে তেমনি তখন বিজ্ঞানীরা মনে করতেন আলো তথা সকল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গই ইথার নামক মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে চলাচল করে। এর পরবর্তীকালে এলেন মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন, যিনি তার স্পেশাল থিওরী অফ রিলেটিভিটির দ্বারা সারা পৃথিবীর মানুষকে হেলিয়ে দিলেন। ১৯০৫ সালে তিনি তার গবেষণাপত্রে দেখালেন যে ইথার নামক কোনো মাধ্যম নেই এবং সকল বস্তুর [তা গতিশীল হোক বা স্থির] সাপেক্ষে আলোর বেগের মান হবে অভিন্ন। এই বেগ পর্যবেক্ষকের গতি নিরপেক্ষ ও গতির দিক নিরপেক্ষ।

আইনস্টাইনের স্পেশাল থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি [আমি যাকে বলি টাইম মেশিনের থিওরী] বোঝার জন্য নির্দেশতন্ত্রের জ্ঞান থাকা জরুরী। আইনস্টাইনের জেনেরাল থিওরী অফ রিলেটিভিটি বলে আলো ভর যুক্ত বস্তুর প্রভাবে বেঁকে যায়। কিন্তু আমি তো টাইম মেশিনের সম্বন্ধে লিখতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ করে এসকল জিনিস নিয়ে আলোচনা করলাম কি জন্যে। করলাম এই জন্যে যে স্পেশাল থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি এর মূল তত্ত্বই হল টাইম মেশিনের গল্প।

কিন্তু এসব বলার আগে বলে নেওয়া দরকার সময় পরিভ্রমনের সাধারণত ২ টি দিক আছে। একটি হল অতীত এবং অন্যটি ভবিষ্যত। অতীতে ভ্রমণ করার কয়েকটি সুবিধা, যেমন আপনি অতীতে গিয়ে আপনার অসম্পূর্ণ কাজ গুলি করে আসতে পারবেন অনেকটা এরকম ধরুন মাধ্যমিকে আপনার রেজাল্ট ভালো হয়নি কিন্তু যেহেতু আপনার অতীতের সেই প্রশ্নগুলির উত্তর জানা আছে তাই আপনি অনায়াসেই সেগুলি অতীতে গিয়ে সমাধান করতে পারবেন। তাছাড়া আপনার জন্মের আগে যেসকল ঘটনা ঘটে গেছে তার প্রত্যক্ষ দর্শন করতে পারবেন। যেমন বলা যায় আইনস্টাইনের দেখা সাক্ষাৎ করে আসলেন। এসব শুনতে খুবই ভালো লাগে, কিন্তু একথা নিশ্চয়ই শুনেছেন যে যেখানে সুবিধা সেখানে অসুবিধা থাকবেই। কিন্তু আপনি কি কখনও এটা ভেবে দেখেছেন যে যদি কেউ অতীতে গিয়ে আপনাকে বা আপনার জন্মানোর আগেই আপনার পিতা মাতাকে মেরে ফেলে, তাহলে আপনার বর্তমান অস্তিত্বের কী হবে? এই সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায় না, তাই এগুলো কে বিজ্ঞানের ভাষায় প্যারাডক্স বলে (যা বাংলায় বলা হয় হেঁয়ালি)। আসলে প্যারাডক্স গুলো ভাবতে

খুব মজার। সব থেকে জনপ্রিয় প্যারাডক্স হল গ্রান্ডফাদার প্যারাডক্স। এক্ষেত্রে এক বদমাশ লোক টাইম মেশিনে করে অতীতে পাড়ি দিয়ে তার ঠাকুরদাকে হত্যা করে এল। এর ফলে পরিণামে তার কি হবে? হয়তো সে মারা যেতে পারে। কিন্তু সে যদি মারা যায় তবে টাইম মেশিনে করে সে অতীতে করে পাড়ি দিল কীভাবে? সত্যিই এসকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার কিংবা সম্ভবই না [অন্তত আমার সেটা মনে হয়]। তাই আমার মনে হয় অতীতে সময় পরিভ্রমণ করাও সম্ভব না (অন্তত এই তত্ত্ব অনুসারে)। বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞানের এক শাখা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে আমরা জানতে পেরেছি যে অতীতে ভ্রমণ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে একটা বিশেষাকৃতি নল অতীতে যাবার টাইম মেশিনের কাজ করছে যাকে ওয়ার্মহোল [বাংলায় কীটগহ্বর বলা হয়] বলা হয়। এই ওয়ার্মহোল গুলির অবস্থান অতিক্ষুদ্র স্কেলে অণু-পরমাণুর চেয়ে ছোট আরও ক্ষুদ্রতর স্কেলে যাকে বলে কোয়ান্টাম ফোম। এখানেই ওয়ার্মহোল প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হয় আবার মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু এরা সত্যিই দুটি আলাদা জায়গা তথা সময়ের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে। এভাবে আমরা অতীতে ভ্রমণ করতে পারব যদি আমরা তত পরিমাণে ছোটো হতে হবে অথবা কোনো একটি ওয়ার্মহোল বানিয়ে তাকে টাইম মেশিন হিসাবে ব্যবহার করতে হবে। যদিও কোনোদিন তা হয় তাহলে বর্তমানের এনার্জি অতীতে যাবার অনুমতি পাবে এবং অতীতে গিয়ে বিশাল পরিমাণ এনার্জির সার্জের সৃষ্টি করবে। ফলে ওয়ার্মহোল সৃষ্টি হবার প্রায় সাথে সাথেই ওয়ার্মহোলটি ধ্বংস হয়ে যাবে। ফলে আগের মতোই মানুষের পক্ষে অতীতে ভ্রমণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।

কিন্তু এখানেই অনেকে থেমে যান। এই পর্যন্ত বলার পর অনেকেই ভাবেন যে টাইম ট্র্যাভেল কখনই সম্ভব না। কিন্তু আমি শুরুতেই বলে দিয়েছি যে টাইম ট্র্যাভেলের দুটি দিক রয়েছে। একটি অতীত এবং অন্যটি ভবিষ্যৎ। অনেকে ভাবতে পারেন যে এটা কীরকম কথা হল? আমি যখন নিজে বর্তমানে রয়েছি আর আমার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কেবল আমার কাজের ওপর। তাহলে আমি কেমন করে ভবিষ্যতে যেতে পারব? ভবিষ্যতে গিয়ে কি আমি আমার বয়স্ক রূপটি দেখতে পারব? তাছাড়া আমার মন তো সর্বদা পরিবর্তনশীল। যেকোনো মুহূর্তে আমার মন বদলে যেতে পারে তাহলে তো আমার ভবিষ্যতও মুহূর্তে মুহূর্তে পরিবর্তন হবার কথা। কিন্তু আমি এখানে ভবিষ্যত বলতে বোঝাচ্ছি তা কোনো ক্ষণস্থায়ী ভবিষ্যত নয়, একেবারে পাকাপোক্ত ভবিষ্যত। এই ভবিষ্যতে আপনি কেবল একাই থাকবেন, আপনার কোনো দ্বৈত প্রতিরূপ থাকবে না কেননা আপনিই ভবিষ্যতে যাচ্ছেন তাহলে তার মানে আপনি আপনার বর্তমান সময় থেকেই ভবিষ্যতে যাচ্ছেন। একটু সহজ করে বলি, ধরুন ২০১১ সালে আপনি একটা রকেটে চেপে কাছাকাছি একটা নিউট্রন স্টারে গেলেন। যেহেতু নিউট্রন স্টারের ভর খুব বেশি তাই এর নির্দেশতন্ত্রের সময়ও খুব স্লো। ধরুন এর পৃষ্ঠের ওপর দাঁড়িয়ে একটা খুব শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছেন, তাহলে আপনি কি দেখবেন? টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যাবে যে পৃথিবীতে সকল কাজকর্ম খুব দ্রুত হচ্ছে বা সবই ফাস্ট ফরওয়ার্ডের মতো ছুটছে। কারণ নিউট্রন স্টারের সময় স্লো হওয়ায় আপনার সাপেক্ষে বাইরের তথা পৃথিবীর নির্দেশতন্ত্রের সময় ফাস্ট। ধরাযাক, এভাবে চলতে চলতে ১০ মিনিট সময় পার হয়ে পৃথিবীর সাপেক্ষে ৫ বছর পার করলেন। এরপর রকেটে চেপে পৃথিবীতে গেলেন। এভাবে আপনি ভবিষ্যতে ৫ বছর অতিক্রম করলেন। এবার আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি পৃথিবীতে গিয়ে কি আপনার প্রতিরূপ দেখতে পারবেন? অবশ্যই না। তাই ভবিষ্যতে আপনার দ্বৈত প্রতিরূপ থাকবে না।

             এখন, ভবিষ্যতে ভ্রমণ করার অর্থ বলতে খুবই শর্টকাটে বর্তমান থেকে নিজের নির্দেশতন্ত্রের সাপেক্ষে বাইরের নির্দেশতন্ত্রের সময় কে ফাস্ট করে দেওয়া। সুতরাং বলতে গেলে নিজের সময়কে স্লো করা [বাইরের নির্দেশতন্ত্র এর সাপেক্ষে]। আচ্ছা কেউ যদি প্রশ্ন করে যে নিজের সময় স্লো হলে বাইরের জগৎ আমার সাপেক্ষে কী হবে? উত্তর বলতে গেলে ভাবতে হবে গোড়া থেকে। নিজের সময় স্লো মানে বাইরের সময় ফাস্ট আর বাইরের সময় ফাস্ট হলে আমি দেখব বাইরের সব কিছুই আমার সাপেক্ষে ফাস্ট ফরওয়ার্ডের মতো ছুটছে। তেমনি তাদের মনে হবে যেন আমি কচ্ছপের মতো চলছি। এটাই হল ভবিষ্যতে যাবার অন্যতম রাস্তা, একটা শর্টকাট, রহস্যে ভরা মজাদার ভ্রমণ এক সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যতের দিকে।

এত সুন্দর রাস্তার ব্যাপারে তো বললাম, কিন্তু এমন রাস্তা বানাবো কীভাবে? উত্তর যানা আছে আপনাদের কারোর? যদি যানা থাকে তবে খুব ভালো আর যদি না যানা থাকে তবে আমার পক্ষে যতটা সম্ভব আমি জানিয়ে দিচ্ছি। নিম্নোক্ত একটি ছোট্ট পরীক্ষার সাহায্যে যদি প্রমাণ করতে পারি যে সময় আপেক্ষিক, তাহলেই টাইম মেশিনের সূত্র আমরা সহজেই বার করে নিতে পারব।

ধরাযাক,

একটা কাল্পনিক ট্রেনের যার ছাদের নিচের দিকে একটি পূর্ণ প্রতিফলক আটকানো আছে, যার মেঝেতে একটি ছেলে অমল দাঁড়িয়ে আছে হাতে একটা টর্চলাইট নিয়ে। এখন ট্রেনটি ট্রেনের বাইরের নির্দেশতন্ত্র সাপেক্ষে স্থির অবস্থায় আছে। অমল টর্চটি মেঝের ওপর প্রদত্ত চিত্রের ন্যা

য় রাখল ফলে আলোটির প্রতিফলন হল নিম্নদিকে। এক্ষেত্রে ভেতরের এবং বাইরের নির্দেশতন্ত্র সাপেক্ষে আলোর গতিপথ হবে সরলরৈখিক যা AB পথ বরাবর (চিত্র – ১)। এখন ধরলাম ট্রেনটি কোনো এক সময় ২.৪ x ১০৮ মি/সে  সমবেগ নিয়ে চলতে শুরু করল। এখন যেহেতু ট্রেনটি ঐ বেগে গতিশীল তাই অমল ও তার টর্চ লাইটও ওই একই বেগে গতিশীল [এখানে প্রতি ধাপে মনে রাখতে হবে যে একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বেগ সর্বদা ধ্রুবক] । তাদের সাপেক্ষে  অর্থাৎ সমবেগে চলমান নির্দেশতন্ত্র সাপেক্ষে টর্চ নির্গত আলোর গতিপথ তখনও হবে সরলরৈখিক। কিন্তু বাইরের নির্দেশতন্ত্র সাপেক্ষে এই গতিপথ হবে Zigzag আকৃতির (চিত্র – ২)।




                 ধরি, আলো ২ নং চিত্রের মতো AB থেকে BC পথে গেল এবং যেতে মোট ১০ সেকেন্ড সময় লাগল। অতএব ট্রেনটি একই সময়ে AD দূরত্ব অতিক্রম করে। এখন শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ ৩ x ১০৮ মি/সে। সুতরাং AB+BC পথে আলো কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব ৩ x ১০৮x ১০ মি = ৩ x ১০৯ মি। একইভাবে ১০ সেকেন্ডে ট্রেন কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব AD+DC = ২.৪ x ১০৯ মি। যেহেতু ত্রিভু

জ ABD ও ত্রিভুজ BCD সর্বসম হওয়ায় AB = BC = ১.৫ x ১০৯ মি এবং AD = DC = ১.২ x ১০৯ মি। [পাঠকের পড়ার সুবিধার জন্য আলো কর্তৃক অতিক্রান্ত সময়ের মান এরকম নেওয়া হল]

এখন, পিথাগোরাসের উপপাদ্যের সাহায্যে ত্রিভুজ ABD থেকে পাই,




অর্থাৎ বাইরের নির্দেশ নির্দেশতন্ত্রের সাপেক্ষে আলোর যেখানে প্রতিফলন ঘটে আবার ট্রেনের সেই আগের বিন্দুতে ফিরে আসতে সময় লাগছিল ১০ সেকেন্ড সেখানে ভেতরের নির্দেশতন্ত্রের সাপেক্ষে সেই একই বিন্দুতে আসতে সময় লাগে ৬ সেকেন্ড। অতএব সময় আপেক্ষিক। যেহেতু ট্রেনের ভেতরের নির্দেশতন্ত্রের সময় বাইরের থেকে স্লো তাই ভেতরে অবস্থানকারী কোনো ব্যক্তি বাইরের দুনিয়ার অনেকটা সময় কিন্তু ভেতরের নির্দেশতন্ত্রের সাপেক্ষে কম সময় কাটিয়ে ভবিষ্যতে ভ্রমণ করতে পারবে। অতএব এই ভাবে চিন্তা করলে ভবিষ্যতে ভ্রমণ করা সম্ভব। থিয়োরিটিকালি এই থিয়োরির সাহায্যে আমরা অদূর ভবিষ্যতে যেতে পারব আর সেজন্য আমাদের শুধু অত্যন্ত বেগ লাভ করতে হবে বা We have to go REALLY VERY VERY VERY FAST!!! আর এজন্য যে যন্ত্র তৈরি করতে হবে তাকে ত্বরান্বিত করার জন্য প্রচুর পরিমাণ শক্তি দিতে হবে। এবং বলতে গেলে বর্তমান প্রযুক্তিতে এত গতিবেগযুক্ত মানুষকে বহন করার মতো যন্ত্রও তৈরি করা যাচ্ছে না [অবশ্য লার্জ হেড্রন কোলাইডার এখনও পর্যন্ত পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী কনা ত্বরক যা প্রোটনকে আলোর বেগের ৯৯.৯

৯৯৯১% বেগে ত্বরান্বিত করে]।

এখন, উপরোক্ত তত্ত্ব থেকে এটা তো বার করে নিলাম যে সময় আপেক্ষিক কিন্তু বেগ বাড়লে সময় ধীর বা স্লো কতটা হবে তারও যদি একটা সূত্র বার করতে পারি তাহলে সেটাই হবে টাইম মেশিনের সূত্র। চলুনতো চেষ্টা করে দেখা যাক।

এক্ষেত্রে আবার উপরোক্ত চিত্রের সাহায্য নিতে হবে।

ধরি, ২ নং চিত্রে ত্রিভুজ ABD এর angle ABD এর সাপেক্ষে ভূমি BD এবং অতিভুজ AB এবং লম্ব AD




সুতরাং, এই যে সূত্রটি প্রতিষ্ঠিত হল সেটা সময় ও বস্তুর বেগের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করছে। আর এটাই হল স্যার আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরী অফ রিলেটিভিটি যা প্রকৃতপক্ষে একটা

টাইম মেশিনের সূত্র।

এখন ধরাযাক, কোনো একটি পরম স্থির স্থানের নিরিখে কোনো বস্তুর ভর m0 এবং v বেগে গতিশীল ওই একই বস্তুর ভর mv.

তবে ভর-সময় সূত্র হয়, কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশতন্ত্রের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর আপাত ভর এবং বস্তুটির ঐ নির্দেশতন্ত্রে প্রবহমান সময়ের গুণফল সর্বদা ধ্রুবক।




এখন, লরেন্জ ট্র্যান্সফরমেশন অনুসারে,




এখানে, γ (গামা) হল লরেঞ্জ ফ্যাক্টর, যেকোনো গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এর মান সর্বদা ১ এর বেশি হয়।

ব্যবহারঃ এই থিওরী অফ রিলেটিভিটির সবচেয়ে উপযোগী ও ব্যবহার্য দিক হল Mass Effect থিওরী। এটিকে বর্তমান যুগে GPS বা Global Positioning System এ ব্যবহার করা হয়। GPS হল এমন একটা Device যা কোনো বস্তুর অবস্থান জানতে সাহায্য করে। যেহেতু পৃথিবীর ভর আছে তাই এর ভর সময়কে স্লো করে দেয় যার ফলে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরের আকাশে থাকা কোনো বস্তুর সময় পৃষ্ঠের সময়ের চাইতে তাড়াতাড়ি বয়ে চলে। তাই GPS এ যদি এই থিওরী ব্যবহার না করা হত তাহলে পৃথিবী পৃষ্ঠে থাকা কোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিদিন গড়ে ৭ কিমিঃ ত্রুটি হত। এই তত্ত্ব থেকে পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শক্তি (E) এবং ভরের (m) ভেতর সম্পর্ক স্থাপন করা। এই সম্পর্কটি একটি বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় ইকুয়েশন যা হল E=mc2 ; যেখানে m হল বস্তুর ভর, c হল আলোর বেগ এবং E হল m ভরের তুল্য শক্তি।

অদ্ভুতুড়ে 9:34 AM
কুরআন এ আছে : মানুষ কি ভেবেছে আমি তার অস্থিসমুহ একত্র করতে পারব না? অবশ্যই আমি সক্ষম এমনকি তার আঙ্গুলের আগাকেও পূণরায় সৃষ্টি করতে। আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগের লোকেরা ফিঙ্গার প্রিন্ট সম্পর্কে খুব কম এ জানত। তবে কেন আল্লাহ কোরআন এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর তুলনা দিয়েছেন? আসুন একটু দেখি।

১৮৭৫সালে জেন জিন্সেন নামক এক ইংলিশ বিজ্ঞানি আবিস্কার করেন যে আঙ্গুলের ছাপ একটি অসাধারন বিষয়। এর রেখার ধরন একটি আরেকটির চেয়ে ভিন্ন এবং সম্পূর্ণ আলাদা। এবং আপনি যা কিছু ছোঁবেন তাতেই আপনার আঙ্গুলের ছাপ বসে যাবে, এটা সবার ই জানা কথা তবে ১৪০০বছর আগের লোকেরা এ ব্যাপারে খুব কম এ জানতেন।

এই আঙ্গুলের আগার রেখার গঠন এবং গড়ন মাতৃগর্ভের প্রথম তিন মাসে হয়। এর অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে, একটি হল মানুষের সকল  চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এই আঙ্গুলের ছাপে এনকোডেড রয়েছে। সুতরাং আমাদের পুনরুত্থান এর সময় আল্লাহ আমাদের শরীর পুরাপুরি ফিরিয়ে দিবেন এবং আমাদের বিচার করবেন, আর শুধু আঙ্গুলির মাথার ছাপ দিয়েই আমাদের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব। আঙ্গুলের আগা কে এক কথায় ডাটা ব্যাংক বলা জেতে পারে। নিশ্চয় ডিএনএ একটি অতি মূল্যবান আবিষ্কার।

ডিএনএ আবিকার হবার পর এই ধারনা বদলে গেছে যে কোষ তার অবস্থিত এলিমেন্ট নিয়ে একটি সাধারন সৃষ্টি নয়। আরও গভির গবেষণায় এর জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। মানুষের একটি ডিএনএ কোটি কোটি কোড সম্বলিত হয়, আমাদের চুলের রঙ থেকে শুরু করে নখ পর্যন্ত সকল তথ্য এই কোড এ থাকে. আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ এর কোড ছাপালে লক্ষ পৃষ্ঠার হাজার কপি বই হবে। আর আঙ্গুলের আগার একটি ডিএনএ দিয়ে যে কারো সকল তথ্য জানা সম্ভব।



এ কথা তাহলে খুবই স্পষ্ট যে আল্লাহর কাছে আমাদের পুনরুত্থান কোন ব্যাপার এ না। কোরআন এ সকল বিজ্ঞানের সমাধান আছে যা আমরা জানি না।

অদ্ভুতুড়ে 9:42 AM
জীবন রক্ষার কাজে অক্সিজেন এর পরই পানির দরকার। পানি দেহের গঠন এবং অভ্যন্তরীণ কাজ যেমন- খাদ্য গলধঃকরন,পরিপাক ও শোষণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। খাদ্য ছাড়া আমরা কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারি, কিন্তু পানি ছাড়া কয়েক দিনও বাঁচতে পারি না। তাই সচেতন হয়ে আমরা বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণ করি। কিন্তু যারা পানি সংরক্ষণে কিংবা ঘরের বাইরে বহনের জন্য প্লাস্টিক এর বোতল ব্যবহার করেন তারা একটু ভেবে দেখুন বোতলটিও কি আপনার পানির মত জীবাণু মুক্ত কিনা।



সাধারণত বাজারে যেসব প্লাস্টিকের বোতল পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ডিস্পজেবল বোতল। প্রেক্টিকেল গ্যাসটোএনটারলজি জার্নালে ২০০৭ সালে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। ঐ গবেষণায় দেখা যায় এই সব ডিস্পজেবল বোতলগুলো প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে সেগুলোর প্লাস্টিকের আস্তর নষ্ট হয়ে যায়। এর গায়ে সূক্ষ ফাটল ধরে এবং ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। প্রতিদিন বোতলগুলো ভালভাবে পরিস্কার করা না হলে ব্যাকটেরিয়া থেকেই যায় এবং সেগুলো আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে পারে। এছাড়া ডিস্পজেবল বোতল একবারই ব্যবহারযোগ্য। অনেক বোতলের গায়ে এই তথ্য দেয়া থাকে। এমনকি যেসব বোতল পুনরায় ব্যবহারযোগ্য তার গায়েও ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হতে পারে।

২০০২ সালে কানাডিয়ান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ এ ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরির গবেষকদের একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। এই গবেষণায় তারা ভালভাবে ধোয়া হয় নি এমন ৭৬ টি বোতল নেয় এবং অধিকাংশতেই তারা ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পায়। সেই ব্যাকটেরিয়ার পরিমানও আমাদের সাস্থের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। তবে এই সব জীবাণু শিক্ষার্থীদের হাত থেকেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়। জীবাণুর উৎস যাই হোক এই সব জীবাণু বোতলের গায়ে বংশ বিস্তার করে এটা নিশ্চিত।



ক্যালগরি ইউনিভার্সিটির ভূবিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক ক্যাথি রায়ান তার এক গবেষণায় বলেছেন যে তাপমাত্রায় জীবাণু বংশবিস্তার করে পানির বোতলে তার সমপরিমান তাপমাত্রা থাকে। ফলে পানির বোতলে সহজেই ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। আর এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ডায়রিয়া, বমি, পেটে ব্যাথাসহ আরও মারাত্মক কিছু ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা তাই দ্বিতীয় বার বোতল না ব্যবহার করার এবং যদি করতে হয় তবে ভাল করে ধুয়ে তা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তাই সকলের উচিত কাঁচের বা স্টেইনলেস স্টিল এর বোতল ব্যবহার করা। যদি প্লাস্টিকের বোতল ব্যাবহার করেন তবে তা ১২০ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে প্রতিদিন ধুয়ে তারপর ব্যবহার করুন।

অদ্ভুতুড়ে 10:27 AM
ব্রাজিলে পাওয়া গিয়েছে ডাইনোসর যুগের পাখিদের জীবাশ্ম!

গবেষকরা দাবি করছেন তারা ১০০ মিলিয়ন বছর পুরোনো ডাইনোসর যুগের পাখি আবিষ্কার করেছেন। এই জীবাশ্মটি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন দক্ষিণ ব্রাজিলের ক্রুযেইরো ডি ওসেস্টার একটি লেক সাদৃশ্য মরুভুমি থেকে। গবেষকরা মনে করছেন এখানে আরো জীবাশ্ম থাকতে পারে।


নতুন এই প্রাপ্ত ফসিলটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা। এই পাখি সাদৃশ্য ফসিলের নাম টেরোসরাস। এই ধরনের ডাইনোসর যুগের প্রানীগুলো আকাশে উড়তে পারতো। জীবাশ্ম পাওয়ার এই স্থানটিতে প্রচুর পরিমাণ হাড় দেখা যাচ্ছে যা নির্দেশ করছে যে এখানে আরো অনেক প্রাণীর ফসিল রয়েছে। 



গবেষকরা এখানে প্রথমে একটি প্রাণীর হাড় নিয়ে গবেষণা শুরু করেন তারা বুঝতে পারেন এটি টেরোসরাস গোত্রের একটি পাখির ফসিল। তারপর তারা দেখতে পান যে, এখানে আরো এই গোত্রের প্রাণীদের হাড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এই থেকে সিদ্ধান্তে আসেন যে, 



এখানে টেরোসরাস গোত্রের আরো প্রাণীর ফসিল রয়েছে। জীবাশ্মবিদদের ভাষায় কোন একটি লোকেশনে একসাথে অনেক ফসিলের হাড় ছড়িয়ে থাকলে তাকে বলা হয় “বোন বেড” বা হাড়ের বিছানা। এই Bone Bed এর বিস্তৃতি প্রায় ২১৫ বর্গফুট ছড়িয়ে আছে।



এই গবেষণার প্রধান গবেষক হলেন রিও ডি জেনিরোর ফেডারেল ইউনিভার্সিটির ডঃ অ্যালেক্সান্ডার কেল্লার। তিনি বলেন, তাদের প্রথমে প্রাপ্ত টেরোসরাসটি একেবারেই অল্প বয়সের মনে করা হচ্ছে এবং সে এই বয়সে ঊড়ার চেষ্টা করছিলো। 



এই গোত্রের প্রানীগুলোর মাথা তাদের দেহের স্বাভাবিকের ওজনের সাথে অসামঞ্জস্যভাবে বড় হয়ে থাকে। এছাড়া তাদের প্রাপ্ত এই লোকেশনে ধারণা করা হচ্ছে যে, এখানে একটি টেরোসরাসের কলোনি ছিল। গবেষকরা মনে করছেন, টেরোসরাস প্রাণীদের এই আবিষ্কার ডাইনোসর যুগকে আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। এছাড়া এই গবেষণার ফলে সেই সময়কার পরিবেশ সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 12:28 AM
ভাইরাস হলো একটি ডিএনএ সমৃদ্ধ প্রোটিনের আবরণ। মজার বিষয়টি হলো ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো রোগের ক্ষেত্রে ভাইরাস কোন বাহক নয়। এটি মানবদেহ কিংবা প্রানীর দেহে প্রবেশ করে তার প্রতিলিপি তৈরি করে। এই প্রতিলিপি তৈরির সময় মানবদেহ কিংবা প্রাণীর নিজস্ব কোষের গঠন ভেঙ্গে ফেলে।

আজ আমরা পাঠকদের জন্য তুলে ধরবো পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ভাইরাসগুলোর কথা। তাহলে চলুন জেনে নিই সেই ভাইরাসগুলো সম্পর্কে।

১. মারবুর্গ ভাইরাস


পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদজ্জনক ভাইরাসের নাম বলতে গেলে প্রথমেই আসে মারবুর্গ ভাইরাসের নাম। জার্মানির লান নদীর নিকটবর্তী শহরের নামে নামকরণ করা হয়েছে এই ভাইরাসের। হেমোরেজিক জ্বর করার ক্ষেত্রে এই ভাইরাসটি বেশ মারাত্মক। এই ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত জ্বরের ক্ষেত্রে প্রায় ৯০ শতাংশ মৃত্যুর আশংকা থাকে।

২. এবোলা ভাইরাস


এবোলা ভাইরাসের নামটি এসেছে আফ্রিকার বুন্ডিবিগিয়ো দেশের একটি স্থান থেকে। আসলে এখানেই প্রথম এই ভাইরাসটি সনাক্ত করা হয় বলে এটিকে এই জায়গার নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়। বর্তমানে গিনি, সিয়েরালিওন এবং লাইবেরিয়াসহ আফ্রিকার অনেক দেশেই এই ভাইরাসটি মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই নিয়ে সতর্ক বার্তা জারি করা হয়েছে।

৩. বার্ড ফ্লু


চীনের হাঁস-মুরগীর খামারে এই ভাইরাসটি প্রথম দেখ দেয়। বলা হয়ে থাকে উত্তরমেরুতে থাকা পরিযায়ী পাখিদের মাধ্যমে এই ভাইরাসটি চীনের দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে চীনের হাঁস মুরগীর সংস্পর্শে থাকা মানুষ এটি দ্বারা আক্রান্ত হয়। এশিয়াতে এই ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি কেননা এই অঞ্চলের মানুষগুলো হাঁস মুরগীর সংস্পর্শে বেশি থাকে।

৪. লাসা ভাইরাস


নাইজেরিয়ার এক সেবিকা প্রথম এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ইদুর জাতীয় প্রাণীর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা পশ্চিম আফ্রিকার প্রায় ১৫ শতাংশ ইদুরেই এই ভাইরাসটি রয়েছে। এটি একবার সংক্রমিত হতে শুরু করলে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

৫. মাচুপো ভাইরাস


বলিভিয়ার হেমোরেজিক জ্বরের ক্ষেত্রে দায়ী হলো মাচুপো ভাইরাস। এটি বলিভিয়ায় ‘ব্লাক টাইপুস’ হিসেবেও বেশি পরিচিত। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাত্রাতিরিক্ত জ্বর হয় এবং সঙ্গে শুরু হয় মারাত্মক রক্তপাত। সংক্রামক এই ভাইরাসটি মানুষ থেকে মানুষের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটাতে পারে, ফলে এটি মহামারীতে রূপ নিতে পারে।

৬. কিয়াসানু ফরেস্ট ভাইরাস বা কেএফডি


১৯৫৫ সালে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলবর্তী বনভূমিতে প্রথম কিয়াসানু ফরেস্ট ভাইরাস বা কেএফডি ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। ধারণা করা হয় ইঁদুর, পাখি এবং বন্য শুকর কেএফডি ভাইরাস বহন করে থাকতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ইদুররা বাঁশের ফুল খেতে শুরু করে। এটি ভারতের একটি অঞ্চলের মানুষের প্রিয় খাবার। ফলে তাদের ঘরে হামলা করে ঝাঁকে ঝাঁকে ইঁদুর।

৭. ডেঙ্গু


ডেঙ্গু সারাবিশ্বে পরিচিত একটি মারাত্মক ভাইরাস। মশা বাহিত এই ভাইরাসে প্রতি বছর পর্যটনের জন্য বিখ্যাত থাইল্যান্ড এবং ভারতের মতো দেশে প্রায় ৫০ থেকে ১০০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হন। তবে পর্যটকদের চেয়ে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এই ভাইরাস বড় হুমকি। আমাদের দেশেও গ্রীষ্মকালীন সময়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের প্রকটতা দেখা যায়।

অদ্ভুতুড়ে 4:48 AM 1

বিজ্ঞানীরা ফেলে দেওয়া সিগারেটের ফিল্টার দিয়ে অনেক বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইলেক্ট্রিক চার্জ সঞ্চয় করতে সক্ষম সুপার ক্যাপাসিটার (Super capacitor) তৈরি করতে চলেছে । এই সুপার ক্যাপাসিটার এর কাজ ব্যাটারির মত হলেও এর ক্ষমতা হবে অনেক বেশি । গবেষকরা ইতি মধ্যে সকল গবেষণা শেষ করেছেন এবং এই সুপার ক্যাপাসিটার তৈরির পক্রিয়া চলছে ।



প্রতি বছর প্রায় ৫.৬ ট্রিলিয়ন সিগারেটের ফিলটার ছুড়ে ফেলা হয় আবর্জনা হিসেবে যা পরিবেশ দূষিত করছে এবং এর ওজন প্রায় ৭,৬৬,৫৭১ মেট্রিক টন । বিজ্ঞানীরা এই আবর্জনা থেকে ভালো কিছু করার কথা ভাবছে বেশ আগে থেকেই । বিজ্ঞানীরা এই আবর্জনা থেকে এমন এক উপাদান আবিষ্কার করেছেন যা দিয়ে সুপার ক্যাপাসিটার (Super capacitor) এর বৈদ্যুতিক তার তৈরি হবে এবং অনেক বেশি পরিমানে এনার্জি সঞ্চয় করা যাবে ।

সুপার ক্যাপাসিটার-এ চার্জ কেমিক্যাল রিএয়াকশন এর বদলে ইলেকট্রিক চার্জ এর মাধ্যমে চার্জ সঞ্চয় করে রাখে যেমন ব্যাটারিতে চার্জ থাকে । এর ফলে চার্জ  সঞ্চয় এবং নির্গমন অনেক দ্রুত হয় । বিজ্ঞানীরা সব সময়ই ভালো মানের সুপার ক্যাপাসিটার তৈরির চেষ্টা করে চলেছে । এর জন্য তারা কার্বন কে বেছে নিয়েছে কারন কার্বন এর খরচ কম, এর স্থায়িত্ব অনেক বেশি এবং তাপ ও তড়িৎ সঞ্চালন শক্তি অধিক ।

বিজ্ঞানীরা গবেষণায় পেয়েছেন সিগারেটের ফিল্টার থেকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কার্বন তৈরি করা যাবে । যা দিয়ে প্রকৃতি কে বাচিয়ে সমাজের ইলেক্ট্রিক শক্তি চাহিদা পুরন করা যাবে ।

সিগারেটের ফিল্টারে কৃত্রিম সেলুলোজ সির্কাম্লদ্বারা জারিত তন্তু থাকে । গবেষকরা ফিল্টারের বিষাক্ত এবং অজীবাণুবিয়োজ্য তন্তু কে পাইরলিসিস (pyrolysis) নামে পরিচিত ওয়ান স্টেপ বার্নিং পদ্ধতিতে কার্বনে রুপান্তর করেছেন এবং বাজারে পাওয়া যাওয়া যেকোনো কার্বনের সাথে এই কার্বনের ইলেকট্রন ধরে রাখার ক্ষমতা পরিক্ষা করেছেন যেখানে দেখা গেছে এই নুতন আবিষ্কৃত কার্বন অনেক বেশি ইলেকট্রন ধরে রাখতে পারে এবং অনেক দ্রুত তা নির্গমন করতে পারে ।

অদ্ভুতুড়ে 10:18 PM
একটি গাছে কত ধরণের ফল ধরতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে আপনি স্বাভাবিক ভাবে হয়তো বলবেন একটি গাছে তো এক ধরণের ফলই ধরবে । আপনার কথা কিন্তু ভুল নয় । আর যদি আপনাকে এমন এক গাছের কথা বলি যে গাছে একটি নয়, পাঁচটি নয় প্রায় ৪০ ধরণের ফল ধরে তাহলে আপনি কি বিশ্বাস করবেন ? তবে এই অসাধ্যকেই সাধন করেছেন সেরাক্রুজ ইউনিভার্সিটির স্যাম ভ্যান অ্যাকেন । তিনি এ গাছের নাম দিয়েছেন ৪০ ফলের গাছ (Tree of 40 fruits) ।

গাছে কলম করার ব্যাপারটা কম বেশি আমরা সবাই জানি । ভ্যান অ্যাকেন কলম করার মাধ্যমে ফল গাছটি গড়ে তুলেছেন । বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ এর জন্য তিনি ব্যবহার করেন । Stone fruit বা পাথুরে ফল জাতীও ফলগুলো গাছের কলম করার কাজে ব্যাবহার করেছেন । পাথুরে ফল এর অর্থ হচ্ছে এমন ফল যার অভ্যন্তরে একটি শক্ত বীজ রয়েছে । কাগজী বাদাম, বরই, এপ্রিকট, চেরী, পীচ জাতীয় ফলের সন্ধান পাওয়া যায় এ গাছে । সারা বছর এ গাছ দেখতে  যেকোনো সাধারন গাছের মতনই । তবে বসন্তকালে এর ভিন্নরূপ খুঁজে পাওয়া যায় । ফুলের প্রস্ফুটনে গাছটি লালচে , গোলাপি আর সাদা রঙের সংমিশ্রণে এক অপূর্ব রূপ ধারণ করে । জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে এর ফল পাওয়া যায় ।
Tree of 40 fruits
Tree of 40 fruits

ভ্যান অ্যাকেন বলেন, গাছে বিভিন্ন প্রজাতির কলম একটি নির্দিষ্ট ক্রমে করার মাধ্যমে আমরা গাছে কখন ফুল ফুটবে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি । তার এ সংকর করা গাছগুলি উদ্যানপালন বিদ্যার মাধ্যমে এমনভাবে তিনি নকশা করেছেন যাতে গাছটি বছরের বিভিন্ন সময়ে ফল উৎপাদন করতে পারবে । ফলে এখন আর আপনার ৪০টি আলাদা আলাদা গাছ লাগানোর প্রয়োজন পড়ছে না । একটি গাছই আপনার চাহিদা মিটাতে সহায়তা করবে ।

গাছটির কলমের জন্য যেসব গাছ ভ্যান অ্যাকেন ব্যবহার করেন তার মূল উৎস ছিল নিউইয়র্ক স্টেট এগ্রিকালচারাল এক্সপেরিমেন্ট স্টেশনের একটি বাগান । এই বাগানটি নষ্ট করা হবে এমন খবর পেয়ে ভ্যান অ্যাকেন বাগানটির ইজারা বা লীজ নেন। বাগানে প্রায় ২৫০ প্রজাতির গাছ ছিল । তিনি এই গাছগুলির কখন ফুল ফোটে এ তথ্য বের করেন । এর ভিত্তিতে তিনি একটি গাছের মূল গঠনে আরও কয়েকটি গাছের কলম স্থাপন করেন । তার এ গাছের বয়স দুই বছর হলে তিনি গাছের শাখাতে আরও কিছু গাছের কলম স্থাপন করেন । এভাবে করতে করতে তিনি বর্তমানে এ ধরণের ১৬টি গাছ উৎপন্ন করেছেন । তবে একেকটি গাছ উৎপন্ন করতে প্রায় ৫ বছরের মতো সময়ের প্রয়োজন হয় । এ ১৬টি গাছ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গা যেমনঃ সান্টা ফে, নিউ মেক্সিকো, শর্ট হিলস, নিউ জার্সি, লুইসভিল, ক্যান্টাকি এবং পাউন্ড রিজ, নিউ ইয়র্ক এ খুঁজে পাওয়া যাবে ।

অদ্ভুতুড়ে 11:58 AM

আমরা বিজ্ঞানের এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে যে বিষয়গুলো এক দশক আগেও  বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হিসেবে শোনা যেতো এখন সেগুলোই খুব সহজে আমাদের সামনে চলে আসছে । বিষয় টা এমন যে আজ এক কল্পলেখক কল্পনার জগতটাকে যেভাবে সাজাচ্ছে তার পর পরই কোন এক খ্যাপাটে বিজ্ঞানী তা সত্য বানিয়ে ফেলছেন ।


নাসার বিজ্ঞানীরা একটি ছোট্ট ঘোষণা, ‘ আমাদের পরিচিত রুপালি চাঁদ হবে সবুজ বর্ণের ’! আসুন আসল খবরটি কি তাই বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
রুপালি চাঁদ হবে সবুজ বর্ণের
Arabidopsis

Arabidopsis হলো একটি ছোট আকারের ফুল গাছ। এটি অনেকটা সরিষা বা বাঁধাকপি জাতের উদ্ভিদ এর মতো । প্রসঙ্গত এই জাতের উদ্ভিদ অন্য কোন গ্রহে পরীক্ষামূলক উদ্ভিদ কলোনী স্থাপনের কাজে খুবি কার্যকর । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই উদ্ভিদের অভ্যন্তরীন গঠন উদ্ভিদের অঙ্গসংস্থান বিদ্যা পাঠে আদর্শ মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়; বিশেষ করে প্রথম উদ্ভিদ হিসেবে এর পূর্ণ জীন সিকোয়েন্স আবিষ্কারের পর থেকে ।

রুপালি চাঁদ হবে সবুজ বর্ণের
Arabidopsis

নাসা তাই এই উদ্ভিদটিকেই নির্বাচন করেছে চাঁদের বুকে তৈরী হতে যাওয়া প্রথম বাগানের প্রথম উদ্ভিদ হিসেবে। তারা আগামী বছর থেকে নাসা এই কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে; এমনকি মঙ্গলেও তাঁরা ২০২১ সাল থেকে এই উদ্ভিদের চাষ শুরু করবেন ।

অদ্ভুতুড়ে 11:29 AM
এক নজরে দেখে নেই কোন কোন ফাইল হোস্টিং সাইটে সর্বোচ্চ কতটুকু ডাটা আপলোড করা যাবে, খবর, কী কেন কীভাবে, টিপস এন্ড ট্রিকস, টেক ফিকশান।

আসুন এক নজরে দেখে নেই ফ্রি অ্যাকাউন্ট এ কত জিবি পর্যন্ত ডাটা আপলোড করা যায়।

আমারা সবাই কমবেশি কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাই এর ব্যবহারের ফলে আমরা কমবেশি প্রয়োজনীয় নানা ডাটা এতে সংরক্ষণ করে রাখি। অনেক সময় এমন হয় যে ভাইরাসের কারণে বা অন্য যেকোন অপ্রীতিকর কারণে আমাদের হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করতে পারে বা আমারা যারা ল্যাপটপ ব্যবহার করি আমাদের আবার ল্যাপটপ হারিয়েও যেতে পারে। এ অবস্থায় আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হারিয়ে যায় যা পড়ে অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে। তাই আজকে আমি আপনাদের জন্য এমন কিছু ফ্রি ডাটা হোস্টিং সাইট নিয়ে এলাম যেখানে আপনারা বিনামূল্যে ডাটা আপলোড করতে পারবেন অবশ্য সেখানে ডাটা আপলোডের ব্যাপারে কিছু নিয়ম কানুন আছে যেমন ফ্রি অ্যাকাউন্টে ডাটা আপলোডে একটি লিমিটেশন থাকবে যেমন ১গিবা, ২গিবা, ৫গিবা, ১০ গিবা ইত্যাদি। শুধু এইসব সাইটে ডাটা আপলোডের জন্য একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।


নিম্নে কোন ওয়েবসাইটে সর্বোচ্চ কতটুকু ডাটা আপলোড করা যাবে তা দেখানো হল:-


Website's NameFree Hostage
http://www.megashares.com10GB
http://www.yourfilelink.com5GB
http://www.gettyfile.ru4.7GB
http://www.filedropper.com5GB
http://www.depositfiles.com2GB
http://www.2shared.com 2GB
http://www.shareua.com2GB
http://www.uploadbox.com2GB
http://www.flyupload.com2GB
http://www.rapidshare.ru 1.5GB
http://www.getfile.biz1GB
http://www.filesave.me 1GB

আশা করি পোস্টটি পড়ে উপকৃত হবেন।

অদ্ভুতুড়ে 9:34 AM
সিলিকন চিপের বদলে প্লাস্টিক!
সিলিকন চিপের বদলে প্লাস্টিক!
কম দামি কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য যন্ত্র তৈরি করতে গবেষকেরা নতুন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে সিলিকন চিপের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ব্যবহার করবেন তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা দাবি করেছেন, নমনীয় প্লাস্টিক চিপ তৈরির দ্বারপ্রান্তে তাঁরা। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে পিটিআই।
আইওয়া ও নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা নমনীয় প্লাস্টিক চিপ তৈরিতে প্রধান বাধাগুলো দূর করার জন্য নতুন একটি পদ্ধতি তৈরি করেছেন।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা চৌম্বকশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নমনীয় প্লাস্টিক চিপ তৈরিতে কাজ করছেন। এই চিপ যথেষ্ট শক্তি-সাশ্রয়ী হবে এবং কম খরচের স্টোরেজ যন্ত্র তৈরি করা যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 9:27 AM
galaxy-s5
নিরাপত্তা ত্রুটিতে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫
নিরাপত্তা ত্রুটিতে গ্যালাক্সি এস৫।  স্যামাসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৫ স্মার্টফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর হ্যাক করার কৌশল বের করে ফেলেছেন জার্মান প্রযুক্তিবিদেরা। খবর বিবিসি অনলাইনের।
বাজারে আসার মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ে এস৫ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে পাশ কাটানোর পথ খুঁজে বের করার দাবি করেছেন বার্লিনভিত্তিক সিকিউরিটি রিসার্চ ল্যাব।
সম্প্রতি গ্যালাক্সি এস৫ হ্যাক করার একটি ভিডিও পোস্টও করেছেন তাঁরা। গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা এর আগে আইফোন ৫এসের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও একই পদ্ধতিতে পাশ কাটাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
প্রযুক্তিবিদেরা দাবি করেছে, এস৫এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তিতে বোকা বানাতে তারা ভুয়া একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করেন। এ প্রসঙ্গে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।

অদ্ভুতুড়ে 9:18 AM
mohakasha-nijer-nam
এবার সুজুগ পাবেন মহাকাশে নিজের নাম পাঠানোর
নাসার গবেষকেরা সারা বিশ্বের সবাইকেই তাদের নাম মহাকাশে পাঠানোর সুযোগ করে দিচ্ছেন। এই নামগুলো একটি বিশেষ মাইক্রোচিপে সংরক্ষণ করে সেটি বিশেষ নভোযানে করে ২০১৬ সালে মহাকাশে পাঠানো হবে। নামসহ গবেষকদের এবারের মিশন পরিচালিত হচ্ছে বেনু নামের একটি গ্রহাণুতে। এটি মনুষ্যবিহীন রোবোটিক্স মিশন।মহাকাশে যাওয়ার কথা ভাবছেন? অঢেল অর্থ-সম্পত্তি না থাকলে সম্ভব নয়, তবে আপনার নাম কিন্তু মহাকাশে পৌঁছাতে পারেন খুব সহজেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসা আপনার নাম মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। স্পেস ডটকমের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক হাজার ৭৬০ ফুট প্রশস্ত গ্রহাণুটিতে দুই বছর রোবোটিক্স মিশন চলবে। এ সময় গ্রহাণুর পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আবার পৃথিবীতে ফেরত আসবে একটি ক্যাপসুল। গবেষকেরা এই মিশনটির নাম দিয়েছেন ‘অরিজিনস-স্পেকট্রাল ইন্টারপ্রিটেশন রিসোর্স আইডেন্টিফিকেশন সিকিউরিটি রিগোলিথ এক্সপ্লোরার’ (অসিরিস-রেক্স)।
প্রকল্পটির প্রধান কর্মকর্তা অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের  গবেষক ডান্তে লরেটা জানিয়েছেন, ‘আমরা অসিরিস-রেক্স মিশনটি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে পেরে রোমাঞ্চিত। মহাকাশে নিজের নাম পাঠানো এবং এই মিশনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করার অপূর্ব সুযোগ এটি।’
যাঁরা বেনুতে নিজের বার্তা পৌঁছে দিতে চান, তাঁরা এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে নাম পাঠানোর সুযোগ পাবেন। নাম পাঠানোর জন্য যেতে হবে এই লিংকটিতে http://www.planetary.org/get-involved/messages/bennu/

অদ্ভুতুড়ে 8:28 AM
সিআইএ টুইটার ও ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলল
সিআইএ টুইটার ও ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলল
টুইটার ও ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। সিআইএ-এর সোশ্যাল মিডিয়াতে অংশগ্রহণ ইতিমধ্যেই অনলাইন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে টুইটারে অ্যাকাউন্ট খোলার ৯ ঘণ্টার মধ্যেই সিআইএ-এর ফলোয়ারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৮ হাজার ছাড়িয়েছে।
‘এটা আমাদের প্রথম টুইট কিনা তা আমরা স্বীকারও করছি না, অস্বীকারও করছি না।’ গোয়েন্দা সংস্থাটির এই মজাদার প্রথম টুইটটি ২ লাখ  বারেরও বেশি রি-টুইট করা হয়েছে। প্রথম টুইট করার ৭ ঘণ্টা পর সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে দ্বিতীয় টুইটটি করা হয় সিআইএ-এর পক্ষ থেকে।
ফেসবুকেও ইতিমধ্যে সিআইএ-এর অফিসিয়াল পেজে লাইকের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

অদ্ভুতুড়ে 12:37 AM

প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ৫ অধিগ্রহণ
প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ৫ অধিগ্রহণ
প্রযুক্তি আমাদের জগৎটাকেই পাল্টে দিচ্ছে। উদ্ভাবন এবং উন্নয়ন জীবনে এনেছে স্বাচ্ছন্দ্য। প্রতিনিয়ত নতুন পণ্য ও সেবা আসছে আমাদের দুয়ারে। আর এসবের পেছনে রয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা, সবাইকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখতে প্রযুক্তি বিশ্বের বড় খেলুড়েরা একের পর এক প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে যাচ্ছে। এর কিছু কিছু বেশ সাড়াও ফেলেছে। ওয়েবভিত্তিক প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস পাল্টে দেওয়া আলোচিত পাঁচটি অধিগ্রহণ নিয়ে এ আয়োজন।


ফেসবুকের হোয়াটসঅ্যাপ ক্রয়

ফেসবুকের হোয়াটসঅ্যাপ ক্রয়
চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি মুঠোফোনে বার্তা আদান-প্রদান করার সেবা ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ কিনে নেয় ফেসবুক। প্রযুক্তি বিশ্বে সাড়া ফেলে দেওয়া এ অধিগ্রহণের পেছনে ফেসবুকের খরচ এক হাজার ৯০০ কোটি ডলার, যা ওয়েবভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অধিগ্রহণ! আপাতদৃষ্টিতে এটাকে স্রেফ পাগলামি বলে মনে হতে পারে, তবে বিশেষজ্ঞরা কিন্তু মার্ক জাকারবার্গ ও তার দলের দূরদর্শিতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে চার কোটি। অনেকে মনে করছেন, এ অধিগ্রহণের মাধ্যমে ‘মহাপ্রাচীর’ ভেদ করে চীনের বিশাল বাজার দখলে আনতে পারবে ফেসবুক। অধিগ্রহণের পরও হোয়াটসঅ্যাপ স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মতো সেবা দিয়ে যাবে।
মটোরোলা মবিলিটি কিনেছিল গুগল

মটোরোলা মবিলিটি কিনেছিল গুগল
২০১১ সালে টানা পাঁচ বছর লোকসানের মুখ দেখা প্রতিষ্ঠান মটোরোলা মবিলিটি কিনে নেয় গুগল। নেপথ্যের কারণ অ্যান্ড্রয়েডের ভিত শক্তিশালী করা। সে সময়ের সবচেয়ে বড় এ অধিগ্রহণের জন্য গুগলের খরচ হয়েছে এক হাজার ২৫০ কোটি ডলার, বিনিময়ে গুগল প্রায় ১৭ হাজার পেটেন্টের দখল পেয়েছিল। এদিকে চলতি বছরে গুগলের কাছ থেকে চীনা কম্পিউটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লেনোভো ২৯১ কোটি ডলারে মটোরোলা মবিলিটি কিনে নেয়।
মাইক্রোসফটের স্কাইপ অধিগ্রহণ

মাইক্রোসফটের স্কাইপ অধিগ্রহণ

তৃতীয় বৃহত্তম অধিগ্রহণ হয় ২০১১ সালে, যখন ৮৫৬ কোটি ডলারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও ফোন করার সেবা স্কাইপ কিনে নেয় মাইক্রোসফট করপোরেশন। স্কাইপ কিন্তু স্বাধীনভাবে তাদের সেবা চালিয়ে যেতে পারেনি, বরং মাইক্রোসফটের একটি শাখা হিসেবে সেবা দিতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটা নিয়ে দ্বিতীয়বার স্কাইপ বিক্রি হলো। এর আগে ২০০৫ সালে ৩১০ কোটি ডলারে ইবে স্কাইপ কিনে নিয়েছিল। স্কাইপের দখল পেতে গুগল এবং ফেসবুকও কম চেষ্টা করেনি।

লেনোভো কেনে IBMএর পার্সোনাল কম্পিউটার বিভাগ
লেনোভো কেনে আইবিএমের পার্সোনাল কম্পিউটার বিভাগ
সবচেয়ে বড় পার্সোনাল কম্পিউটার প্রস্তুতকারীর তকমা তো লেগেছেই, প্রযুক্তি জগৎ দখল নিতে উঠেপড়ে লেগেছে লেনোভো। ২০০৪ সালে আইবিএম করপোরেশনের পার্সোনাল কম্পিউটার শাখা অধিগ্রহণ করে ১২৫ কোটি ডলারে। সম্প্রতি চীনা এই প্রতিষ্ঠানটি আইবিএম করপোরেশনের সার্ভার বিভাগ কিনে নেয় ২৩০ কোটি ডলারে।

ফেসবুকের ইনস্টাগ্রাম অধিগ্রহণ

ফেসবুকের ইনস্টাগ্রাম অধিগ্রহণ
বহুল আলোচিত অধিগ্রহণের মাঝে এটিও একটি। ২০১০ সালে চালু হওয়া ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার সামাজিক নেটওয়ার্ক ইনস্টাগ্রাম দুই বছরের মাঝেই পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলে। এ দৃঢ় প্রবৃদ্ধির হার হয়তো ফেসবুক পরিচালনা পর্ষদের দৃষ্টি কেড়েছিল। ২০১২ সালে ১০০ কোটি ডলারে ইনস্টাগ্রাম কিনে নেয় ফেসবুক। এ অধিগ্রহণের পর ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়তে থাকে।


Powered by Blogger.