Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:12 AM

বিভিন্ন কারণে পেট ব্যথা হতে পারে। পেট ব্যথা একবার শুরু হলে তা আর সহজে থামতে চায় না। যন্ত্রণাদায়ক এই পেট ব্যথার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হুটহাট ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকেই। এইভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া একদমই উচিত নয়। যেকোন ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হয়তো আপনার একটি ভুল ওষুধ সেবন হতে পারে বড় কোন রোগের কারণ। পেট ব্যথা ঘরোয়া কিছু উপায়ে ভাল করা সম্ভব। 

১। অরুচি, হজম সংক্রান্ত পেট ব্যথা
আধা চা চামচ সাধারণ লবণ এবং বিট লবণের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চিমটি আদা গুঁড়ো, গোল মরিচ গুঁড়ো, হিং ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন।
২। গ্যাসের কারণে পেট ব্যথা
অ্যান্টিপাসমোডিক এবং অ্যান্টিফ্লাটিউলেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ হিং। এটি গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হিং মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। এরসাথে আপনি এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি পেট ব্যথা কমিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এক কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ হিং মিশিয়ে নিন। এই পানির মধ্যে একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে পেটের উপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এটিও পেটের ব্যথা কমিয়ে দিবে।
৩। ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি জনিত ব্যথা
এক কাপ ডালিমের রস দিনে দুইবার পান করুন। এটি পেট ব্যথা দূর করে এবং ডায়ারিয়া বন্ধ করে দেয়। এছাড়া এক গ্লাস বাটার মিল্কের সাথে জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৪। গ্যাসে জ্বালাপোড়া এবং গ্যাস সংক্রান্ত পেট ব্যথা
এক গ্লাস পানিতে ২০ টি কালো কিসমিস সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি পেট জ্বালাপোড়া কমিয়ে গ্যাস কমাতে সাহায্য করে থাকে।
৫। মাসিকজনিত পেটব্যথা
একটি আদা কুচি করে এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। জ্বাল হয়ে আসলে এতে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার পান করুন মাসিকের সময়। এছাড়া রান্নায় এবং সালাদে আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। আদা মাসিকজনিত পেট ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে।

অদ্ভুতুড়ে 7:05 AM

ঝলমলে সিল্কি চুল সব নারীর পছন্দ। কিছু মানুষ জন্মগত ভাবে এমন চুলের অধিকারী হয়ে থাকেন। আবার কিছু মানুষের চুল রুক্ষ, শুষ্ক প্রাণহীন হয়। অনেক সময় চুলের নানা ট্রিটমেন্ট, প্রোডাক্ট ব্যবহার করার ফলে চুল রুক্ষ প্রাণহীন হয়ে পড়ে। রুক্ষ, প্রাণহীন চুলকে ঝলমলে প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে ঘরের তৈরি শ্যাম্পু। কেমিক্যালমুক্ত এই শ্যাম্পু গুলো আপনি তৈরি করে নিতে পারেন ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই। 


১। শসা এবং লেবুর শ্যাম্পু
প্রথমে শসা খোসা ছড়িয়ে নিন। তারপর একটি শসা এবং একটি লেবু কুচি করে কেটে নিন। ব্লেন্ডারে শসা, লেবু দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এটি একটি বোতলে ভরে ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল শসা-লেবুর শ্যম্পু। চুল ভিজিয়ে নিয়ে তারপর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। আঙ্গুল দিয়ে তালুতে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। শসাতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং নানা পুষ্টিগুণ চুলে ভিতর থেকে পুষ্টি যুগিয়ে থাকে। এমনকি চুলের পিএইচ ব্যালেন্স ধরে রাখতে সাহায্য করে শসা। লেবু মাথা তালুর তেল, ময়লা পরিষ্কার করে থাকে।

২। নারকেল দুধ শ্যাম্পু
এক কাপ নারকেল দুধ, ছয় টেবিল চামচ বাদাম তেল, এক কাপ নারকেল তেল সোপ এবং ২০ ফোঁটা এ্যাসেন্সিয়াল তেল। একটি বোতলে নারকেল দুধ, বাদাম তেল এবং নারকেল তেল সোপ মিশিয়ে নিন। এবার এটি কয়েক মিনিট ঝাঁকিয়ে নিন। আপনি চাইলে এতে এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। এই শ্যাম্পুটি চুল পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন। এই শ্যাম্পুটি ফ্রিজ ছাড়া এক মাস সংরক্ষণ করতে পারবেন।

৩। নারকেল তেল এবং এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল
১/২ বিশুদ্ধ বেবি শ্যাম্পু, ১/৮ কাপ ডিসটিলেটেড ওয়াটার, ১/৪ কাপ গোলাপ জল, ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং ৫ ফোঁটা লেমন এ্যাসেন্সিয়াল ওয়েল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি চুলে ব্যবহার করুন। কেমিক্যাল মুক্ত এই শ্যম্পুটি চুল পরিষ্কার করে চুলকে করে তুলে সিল্কি ঝলমলে স্বাস্থ্যোজ্বল।

অদ্ভুতুড়ে 12:20 AM

 

মানুষের জীবনে কত রকমের শখই থাকে। মধ্যবিত্ত জীবনে রোজ টাকার টানাটানি, দৈনন্দিন হাত খরচ সামলানোই যেখানে দায় সেখানে আবার শখ পূরণের বাড়তি খরচ? নাহ! হয়ে ওঠে না নিজের ছোট ছোট আনন্দগুলোকে উপভোগ করা। কিন্তু একটু যদি হিসেব করি, এইসব টানাপোড়েনের মাঝেও কিন্তু নিজের কিছু শখ পূরণ করে ফেলা সম্ভব। কম খরচে পূরণ করা যায় এমন শখগুলো হল-

ভ্রমণ
আপনি হয়ত ভাবছেন, এ কেমন আজগুবি কথা! ভ্রমণ তো অনেক খরচের ব্যাপার! কিন্তু তা নয়। আপনি আসলে যত গরিব, ভ্রমণের সুযোগ আপনার তত বেশী। শুধু যেখানে যেতে চান তার যাবতীয় খোঁজখবর নেবেন। খুঁটিনাটি জানতে জানতে জেনে যাবেন সস্তা পথটিও। যে কোন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখবেন। তাহলেই অনেক পথ খুলে যাবে সস্তায় বেড়ানোর।
খেলা
এমন অনেক খেলা আছে যা খেলতে তেমন খরচ নেই। যেমন, ব্যাডমিন্টন। শীতের সময় মাঠে মাঠে খেলার জন্য আয়োজন করাই থাকে। আপনার শুধু প্রয়োজন একটি ব্যাট আর কর্ক। এছাড়া ফুটবল খেলা, বাস্কেট বল খেলা, দাবা এমন আরও অনেক খেলা আছে যা হয়ত আছে আপনার শখের লিস্টে। তেমন কিছুই খরচ নেই, শুধু লাগবে আপনার সময় আর স্বদিচ্ছা।
মডেলিং
অনেকের সখ থাকে মডেল হওয়ার। পারিপার্শ্বিক কারণে হয়ে ওঠে না। পেশা হিসেবে হয়ত কঠিন কিন্তু শখ হিসেবে সহজ। এখন ফেসবুকের কল্যানে রোজ নতুন ব্যবসা গড়ে উঠছে অনলাইনে। পণ্যকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে তাদের প্রয়োজন হয় মডেলের। খোঁজ রাখতে পারেন এসবের। আপনার শখও পূরণ হল আবার তাদেরও কাজ হল।
স্মার্ট হওয়া
হুম, স্মার্ট হিসেবে বন্ধুমহলে স্বীকৃতি পাওয়ার শখ কিন্তু থাকতেই পারে আমাদের। নিজেকে বোঝার চেষ্টা করুন, নিজের গুনগুলোকে তুলে ধরুন। ইন্টারনেটে প্রচুর সাইট পাবেন যেখানে ব্যাক্তিত্বের দ্যুতি বাড়ানো, নিজেকে আত্ববিশ্বাসের সাথে তুলে ধরা, স্মার্ট হওয়া সম্পর্কিত অনেক আর্টিক্যাল পাবেন। এগুলো আপনাকে উৎসাহিত করবে এবং নিয়মিত নিজের সাথে বোঝাপড়া আসলেই আপনাকে স্মার্ট করে তুলবে।
নাচ
নাচ শেখার আগ্রহ আছে আপনার? খুব যে খরচের বিষয় তা কিন্তু নয়। একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন কোথায় শেখায়! আমাদের এখানে খুব সস্তায় ৪ বছরের নাচের সার্টিফিকেট কোর্স করতে পারবেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমী, বাংলাদেশ ফাইন আর্টস একাডেমি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান থেকে।
সাঁতার
খুবই সহজ। এক্ষেত্রেও খরচ বেশী নয়। সাঁতার শেখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামে যোগাযোগ করতে পারেন। মেয়েদের জন্য আছে, মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স। মোহাম্মদপুর, মিরপুরসহ অনেক জায়গাতেই সাঁতার শেখানো হয়। খরচও অনেক কম।
কার্ড ট্রিক্স
কার্ড খেলার নানান ট্রিক্স নখদর্পনে আনতে চান? কিছুই না, আপনার প্রয়োজন শুধু এক বক্স কার্ড আর ইন্টারনেট।
ছবি আঁকা
একটা ভাল পেন্সিল কিনুন। আঁকতে থাকুন যখন যা দেখছেন, সামনে যে কাগজই থাকুক, তাতেই আঁকুন। ছবি আকায় দক্ষ হতে পারেন আপনি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই। শুধু অনুশীলন প্রয়োজন।
লেখালেখি
ভেবেছিলেন বড় হয়ে লেখক হবেন, তা আর হল না! কী হয়েছে তাতে? ছোট ছোট কবিতা, অনুগল্প লিখে ফেলুন না ফেসবুকের স্ট্যাটাসেই। ব্লগে লিখুন ভ্রমণ কাহিনী, আপনার মতামত অথবা গল্প-কবিতা। সিরিজ আকারে ইন্টারনেটে প্রকাশ করতে পারেন আপনার উপন্যাস। কোন বাঁধা নেই। খরচাও নেই।
ক্যালিওগ্রাফি
ইন্টারনেটে ক্যালিওগ্রাফিগুলো দেখুন। বারবার দেখুন। বিপুল সম্ভার থেকে শিক্ষা নিন। আর কী লাগবে? ব্যাস, একটা কলম।
বাগান করা
ফ্লাট বাড়ির স্বল্প জায়গায় বাগান করার কোন সুযোগ নেই? কয়েকদিন আগেই কিন্তু খবর বেড়িয়েছিল এক সি এন জি চালক তাঁর সি এন জি তে কিভাবে গাছ লাগিয়ে নিজের বাগান করার সখ মিটাচ্ছেন তাঁর ব্যাপারে। আপনিও এরকম অভাবনীয় কিছু করতে পারেন। আর ঘরের পরিবেশে ভাল থাকে এমন গাছও পাওয়া যায়।
ভাষা শেখা
কয়েকটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে চান? ভাষা শিক্ষা ইন্সটিটিউট আছে, আছে এমন আরও প্রতিষ্ঠান। আর সস্তার সুপ্রিয় বন্ধু ইন্টারনেট তো আছেই!

অদ্ভুতুড়ে 11:24 PM

 

ফেসিয়াল আপনার ত্বকের ক্ষতি করছে নাকি উপকার করছে তা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। কেউ বলেন ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে, আবার কেউ বলেন তারা কোন পরিবর্তনই দেখতে পাননা। আবার অনেকেই বলেন ফেসিয়াল করার পর তাদের ত্বকের সমস্যা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক নারীই রিল্যাক্স করার জন্য ফেসিয়াল করে থাকেন। যদিও ফেসিয়াল হওয়া উচিৎ ত্বকের যত্নের জন্য, শুধুমাত্র রিল্যাক্স করার জন্য নয়। আসলে ত্বকের যত্নের জন্য যে কাজগুলো করা প্রয়োজন সেগুলো যদি আপনি না করেন তাহলে ফেসিয়াল ত্বকের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এমন কিছু টিপস জেনে নিই চলুন যা করলে ফেসিয়ালের ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়।


১। ওয়াক্সিং এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার ২৪ ঘন্টা পূর্বে ওয়াক্সিং করবেন না। ওয়াক্সিং করলে ত্বকের এক্সফলিয়েট হয়, এতে ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পরে এবং র‍্যাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর পরপরই ফেসিয়াল করলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয় বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।

২। স্ক্রাব করবেন না
ফেসিয়ালের পূর্বে মুখে স্পঞ্জ বা স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে ত্বক জ্বলতে পারে।

৩। সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলুন
ফেসিয়াল করার পূর্বে সূর্যরশ্মি থেকে দূরে থাকুন। সূর্যের আলোর কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয় তা ঠিক করতে পারে ফেসিয়াল। কিন্তু সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসার পরে ত্বকের কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন। সূর্যের আলোয় ত্বক পুড়ে যায় ফলে ব্রণ দূর করার উপাদানের সাথে এর প্রতিক্রিয়া হয়।

৪। ঔষধ দূরে রাখুন
যারা বোটক্স জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করছেন তারা ফেসিয়াল করার ৪৮ ঘন্টা আগে এর ব্যবহার বন্ধ রাখুন। সম্প্রতি ইনজেকশন দেয়া হয়েছে এমন ত্বকে ম্যাসেজ করলে সেই স্থানের রাসায়নিক চেহারার অন্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে।

৫। হাত দূরে রাখুন
মুখে ব্রণ বা কোন দাগ থাকলে তা খুঁটবেন না। এর ফলে ত্বক উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং ফেসিয়াল করলে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৬। এক্সটেনশন বাদ দিন
আপনি যদি চোখে আলগা পাপড়ি লাগান তাহলে তা লোশন বা ষ্টীমের সংস্পর্শে না আনাই ভালো। ফেসিয়াল করার অন্তত ৪৮ ঘন্টা আগে এগুলো ব্যবহার বন্ধ রাখুন।      

৭। এক্সফলিয়েশন বাদ দিন
ফেসিয়ালের পূর্বে এক্সফলিয়েশন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এক্সফলিয়েটে রেটিনল ও গ্লাইকোলিক এসিড থাকে যা ত্বকের বাইরের স্তরকে সংবেদনশীল করে তোলে।
ফেসিয়াল আপনার ত্বকের জন্য উপকারি হতে পারে যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলেন।

অদ্ভুতুড়ে 6:30 AM

দই একটি জনপ্রিয় দুগ্ধজাত খাবার যা গাজন প্রক্রিয়ায় উৎপাদন করা হয়। দুধের মধ্যে জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া দিয়ে তৈরি করা হয় দই। প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ দই খেয়ে আসছে। এটি হতে পারে খাবারে অংশ বা স্ন্যাক অথবা ডেসার্ট। দইয়ে উপকারি ব্যাকটেরিয়া থাকে তাই এটি প্রোবায়টিক হিসেবে কাজ করে। দুধের স্বাস্থ্য উপকারিতাকেও ছাড়িয়ে যায় দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা। দই সাধারণত সাদা ও ঘন তরল তবে কিছু কমার্শিয়াল ব্র্যান্ডের দইয়ে কৃত্রিম রঙ দেয়া হয়। 

  

দইয়ে উদ্ভিজ প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। দইয়ে প্রোবায়োটিক থাকে। প্রোবায়োটিক হচ্ছে “বন্ধু ব্যাকটেরিয়া” যা আমাদের পরিপাকতন্ত্রে থাকে। এই প্রোবায়টিকের কিছু প্রজাতি ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং পরিপাকনালীকে স্বাস্থ্যবান রাখে।
দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সত্যি অতুলনীয়। তাই স্বাস্থ্যবান মানুষ নিয়মিত দই খাওয়ার চেষ্টা করে। চলুন জেনে নেয়া যাক দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে।

১। এসিডিটি দূর করতে পারে
দই এর ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে এসিড জমতে বাঁধা দেয়। ফলে বাড়তি এসিড দূর হয়। এতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রোবায়োটিক থাকে বলে এক বাটি দই খেলে মিনিটের মধ্যে এসিডিটির সমস্যা দূর হয়।

২। ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে
যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে দই এর পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য ১ টেবিল চামচ দই, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চা চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং অর্ধেক চামচ চিনি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের উপর এই পেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। দই এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ভালো হতে সাহায্য করে।

৩। সান বার্ন থেকে মুক্তি দিতে পারে
সান বার্ন থেকে মুক্তি পেতে দই এর প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ১ টেবিল চামচ টমেটোর পেস্টের সাথে ১ টেবিল চামচ দই ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে রোদে পোড়া ত্বকের উপরে লাগান। দইয়ের ল্যাক্টিক এসিড ও শিতলীকারক উপাদান, লেবুর ব্লিচিং উপাদান এবং টমেটোর পুষ্টি উপাদান রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

৪। খুশকি দূর করতে পারে
দইয়ে ছত্রাক নাশক উপাদান আছে তাই এটি খুশকি দূর করতে পারে। এর জন্য দই ভালো করে নেড়ে ঘন করে নিন এবং মাথার তালুতে লাগান। ১ ঘন্টা এভাবে রেখে দিয়ে তারপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারে নিস্তেজ চুল সতেজ হবে এবং চুল পড়া কমাবে।

৫। ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়
ইমিউন কম্প্রোমাইজড রোগীদের ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়। কম বয়সী ও বয়স্ক উভয়েরই অ্যালার্জির উপসর্গগুলো কমে দই খেলে। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় যে প্রোটিন বৃদ্ধি পায় তার মাত্রাকে কমতে সাহায্য করে দই।

প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক দই অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় উপাদানের চেয়ে ভালো যদি এটি চিনি মুক্ত থাকে। নিয়মিত দই খেলে রক্তচাপ কম থাকে, অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়, ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে।      

অদ্ভুতুড়ে 6:25 AM

হিট স্ট্রোকের অপর নামই সান স্ট্রোক। এটি এমন একটি মারাত্মক অবস্থা যখন শরীর আর ঘামের মাধ্যমে ঠান্ডা হতে পারেনা।ফলে শরীর অতিমাত্রায় গরম হয়ে যায়। যারা গরম ও আদ্র জলবায়ুতে বসবাস করে তাদের হিট স্ট্রোক হতে দেখা যায় বেশি। রোদের মধ্যে পরিশ্রমের কাজ করলে ও ডিহাইড্রেশনে ভুগলে হিট স্ট্রোক হয়। 



হিট স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে হঠাৎ করেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। আরো যে লক্ষণগুলো দেখা যায় তা হল- ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা, ঘাম কমে যাওয়া, পেশীর সংকোচন, পালস রেট দ্রুত হওয়া, বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া, ত্বকে লালভাব দেখা যাওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, বিভ্রান্তি এমনকি চেতনা হারানো। কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়। সেই পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।


১। সূর্যের প্রখর তাপ এড়িয়ে চলুন
দিনের যে সময়টাতে সূর্যের তাপ অনেক বেশি থাকে (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত) সেই সময়ে বাহির না হওয়া ভালো। যদি সম্ভব হয় তাহলে বাহিরের  কাজগুলো দিনের ঠান্ডা সময়ে করুন যেমন- খুব ভোরে বা সূর্যাস্তের পর। যদি এই সময়ের মধ্যেই বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, মাথায় ক্যাপ বা স্কার্ফ পড়ুন এবং ছায়ার মধ্যে থাকুন এবং অবশ্যই পানির বোতল রাখুন সাথে।

২। নতুন আবহাওয়া সহ্য করতে অভ্যস্ত হোন
গ্রীষ্মের গরমে কাজ করতে পারার জন্য শরীরকে তৈরি করুন। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে। গরমে অনেকক্ষণ থাকার পর এসি রুমে প্রবেশের পূর্বে কিছুক্ষণ ছায়াতে থাকুন। এতে করে আপনার শরীর তাপমাত্রার পরিবর্তন সহ্য করতে পারবে। একইভাবে এসি রুম থেকে বাহির হয়ে কিছুক্ষণ ছায়ায় থাকার পর রোদে যান।

৩। সতর্কতার সাথে ব্যায়াম করুন
সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম জরুরী। তবে গরমের সময় শ্রমসাধ্য ব্যায়ামগুলো দিনের বেলায় করলে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং হিট স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই শ্রমসাধ্য ব্যায়ামগুলো দিনের ঠান্ডা সময়ে করুন, আউটডোর স্পোর্টসগুলো পিক আওয়ারে খেলবেন না, ব্যায়ামের পূর্বে ও পরে পর্যাপ্ত তরল পান করুন।

৪। পেঁয়াজ খান
কাঁচা পেঁয়াজ সান স্ট্রোক এড়াতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে কিন্তু পেঁয়াজ শরীরকে শীতল করতে পারে এটা কি জানেন? বিশেষ করে লাল পেঁয়াজ যাতে কোয়ারসেটিন নামক রাসায়নিক উপাদান আছে, er অ্যান্টিহিস্টামিন প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস করা হয়। হিস্টামিন যন্ত্রণাদায়ক হিট র‍্যাশের কারণ। তাই নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে গরমের এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও গরমের সময়ে বিভিন্ন ধরণের ইনফেকশন থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে পেঁয়াজ। তাই গরমে নিয়মিত পেঁয়াজ খান।

গরমের সময়ে যে কারোরই হিট স্ট্রোক হতে পারে। তবে বয়স্কদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যদি ঠিকমত চিকিৎসা করা না হয় তাহলে এটি প্রাণনাশক হতে পারে এবং মস্তিষ্ক ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। তাই হিট স্ট্রোক হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।

অদ্ভুতুড়ে 6:16 AM

 

ত্বকের যত্নে আমরা অনেক কিছুই করে থাকি। নানা ফেসপ্যাক, ক্রিম কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু মুখের ত্বকের সাথে সাথে আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশও রোদে পুড়ে যাচ্ছে। বরং মুখের চেয়ে এই অংশগুলো বেশি পুড়ে থাকে। এমন একটি অঙ্গ হল আমাদের পা। যা আমরা সবাই অবহেলা করে থাকি। এই গরমে ত্বকের পাশাপাশি হাত পায়েরও প্রয়োজন পড়ে বাড়তি যত্নের। ঘরোয়া কিছু উপায়ে করে ফেলুন হাত এবং পায়ের যত্ন।



১। লেবু এবং লবণ
দুই টেবিল চামচ লবণের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক এক্সফলিয়েট করে থাকে। লবণ প্রাকৃতিক স্কার্ব হিসেবে কাজ করে রোদে পোড়া ভাব দূর করে থাকে।

২। চন্দনের গুঁড়ো এবং টমেটো
এক টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ো, এক চা চামচ টমেটোর রস, এক চা চামচ শসার রস, এবং এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক ব্যবহারে পায়ের কালো দাগ দূর করে দিবে।

৩। আলু
একটি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এই রস পায়ে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আলু নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। আলুর রসে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে যা রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে।

৪। দুধ এবং কমলার খোসা গুঁড়ো
কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিন। এর সাথে দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। কিছুটা পাতলা পেস্ট তৈরি করুন। এইবার পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধের ল্যাটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের পিগমেনশন রোদে পোড়াভাব দূর করে দিয়ে থাকে।

৫। বেসন এবং হলুদের পেস্ট
সমপরিমাণ হলুদ এবং বেসন তার সাথে টকদই এবং লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি পায়ে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

অদ্ভুতুড়ে 12:45 AM

জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউবে কিভাবে বেশি সংখ্যক দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যাবে ভিডিওটি সেই আলোচনা এ কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।


এ জন্য অনেকগুলো কারিগরি কাজের পাশাপাশি কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে। এগুলো মেনে চললে সহজেই একটি ভিডিও অনেকে কাছে পৌৎছোবে। এ টিউটোরিয়ালে সেগুলো তুলে ধরা হলো।

 
প্রথমত সঠিকভাবে ও প্রয়োজনীয় কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। ভিডিও আপলোড শেষে সাধারণত এর সঙ্গে রিলেটেড কী-ওয়ার্ড যুক্ত করা হয়।

পাশাপাশি মূল কীওয়ার্ডের সঙ্গে আরও যে সম্ভাব্য সার্চ হতে পারে সেই রকম কী-ওয়ার্ডও যুক্ত করতে হবে। ধরা যাক, কেউ জাভার অ্যারে নিয়ে ভিডিও করেছে। এখানে কী-ওয়ার্ড হিসেবে ”Java Array” ব্যবহার করা যায়। তবে ভালোভাবে সার্চে আসার জন্য আরও রিলেটেড কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

কী-ওয়ার্ড হিসেবে এখানে আরও ব্যবহার করা যায় Java Array Tutorial, Easy Java Array Video, Java Array Example Video, Java Learning video, Java Array Learning Video ইত্যাদি।

বেশি দর্শক পেতে ভিডিওতে সঠিক টাইটেলের বিকল্প নেই। আপনার ভিডিওর টাইটেল অবশ্যই এমনভাবে হতে হবে যা বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলে যায়। একই সঙ্গে আপনার দর্শক যেটা লিখে সার্চ দিতে পারে, সেটিই শিরোনামে রাখা উচিত।

যেমন- আপনি যদি কোনো সমস্যার সমাধান নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে দর্শক সমস্যাটির যেসব শব্দ লিখে সার্চ করতে পারে সেগুলো টাইটেলে থাকতে হবে। এতে সহজেই আপনার ভিডিও অনেকের সার্চে উঠে আসেবে। একটি সঠিক টাইটেল দর্শক আনার পরিমান কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিভিন্ন সাইটে ভিডিওর লিঙ্ক আপ করা দর্শক টানার আরেকটি ভালো উপায়। বিভিন্ন সাইট থেকে দর্শক আপনার ভিডিও দেখতে আসলে তা ইউটিউব সার্চে উপরের দিকে আসার সম্ভবনা থাকে।

তাই আপনার ভিডিওকে অন্য সাইটে যুক্ত করে রাখতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তা স্প্যামিং না হয়।

আপনার ব্লগে ভিডিও এম্বেড করে দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেল/ভিডিওয়ের লিঙ্ক যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে সার্চে আপনার চ্যানেলের ভিডিও উপরের দিকে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

ভিডিওর শেষে অন্যভিডিওগুলোর লিঙ্ক যুক্ত করুন। এ সহজ ব্যপারটা অনেকেই এড়িয়ে গিয়ে হারাচ্ছেন প্রচুর দর্শক। একটি ভিডিও শেষ হলে সঙ্গে অন্য ভিডিওর লিঙ্ক জুড়ে দিলে দর্শকের পরিমান বেড়ে যাবে অনেক।

দর্শক একটি ভিডিও শেষ করে সাধারনত সাজেশন থেকে পরের ভিডিওতে যায়। একটি ভিডিও শেষে আপনার অন্য ভিডিও জুড়ে দিলে দর্শকের সেইদিকে যাওয়ার পরিমান বেড়ে যাবে অনেকাংশে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ভিডিওগুলো যাতে একই ধরনের হয়, ভিন্ন ধরনের ভিডিও দিতে থাকলে আগ্রহ হারাবে ভিজিটির।

ছোট্ট এই উপায়গুলো বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার দর্শক টানার পরিমান।

অদ্ভুতুড়ে 11:17 PM

 

তরুণদের কাছে আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো শব্দগুলো খুবই পরিচিত, জানি। কিন্তু এই শব্দ দুটির সঠিক মানে অনেকেরই অজানা। হয়তো জানার তেমন ইচ্ছাও অনুভব করেননি। এই দুটো শব্দ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পেলে আপনি হয়তো আজ রাতেই বসে যাবেন নেটে! বলি, বসার আগে একটু ভাবুন। আপনি তো বাংলাদেশে, আর কাজ করছেন নানা দেশের। এই টাকা তো দেশে আনতে হবে। চলুন, ঘরে বসে ইউরোপ বা আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোয় কীভাবে চাকরি করবেন এবং সেই চাকরি থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা বেতন কীভাবে দেশে আনবেন, সে সম্পর্কেও জানি....

আউটসোর্সিং
দেশে বসে দেশের বাইরের কাজ করে টাকা আনাটাই আউটসোর্সিং। তাছাড়া দেশের অসংখ্য মানুষ বিদেশ থেকে যে অর্থ পাঠান, যা আমরা বৈদেশিক রেমিট্যান্স হিসেবে জানি, সেটাও কিন্তু আউটসোর্সিং। তবে তরুণদের কাছে আউটসোর্সিং হিসেবে প্রথমটাই বেশি আলোচিত। এই আউটসোর্সিং অনলাইননির্ভর হলেই খোলস পাল্টে নেয়। তখন হয়ে যায় অনলাইন আউটসোর্সিং।
কাজের ধরন
আপনার বাসায় কম্পিউটার আছে এবং কম্পিউটারের সঙ্গে অনলাইন কানেকশন থাকাটাই মানে বিশ্ব আপনার হাতের মুঠোয়। সেই সঙ্গে আপনি যদি হন একজন মার্কেটিং এক্সপার্ট; বিবিএ-এমবিএ শেষ করে মার্কেটিংয়ের চ্যালেঞ্জিং পেশাটা যদি আপনি বেছে নিতে চান, তবে তো কথাই নেই। জানেন তো, বাংলাদেশের মার্কেট খুব ছোট। কোম্পানিগুলো বেতন দেয় মাঝারিমানের। তাই আপনার চোখ থাকে আমেরিকার কোনো বড় কোম্পানিতে। সেটাই আপনার জন্য ভালো সিদ্ধান্ত। অনলাইনেই তো থাকেন। একটু খোঁজাখুঁজি করে আমেরিকান বড় ডেভেলপার কোম্পানি বের করুন। তাদের কাছে আপনার সিভি পাঠান। কীভাবে আপনি তাদের কোম্পানির মার্কেটিং করবেন তার ওপর চমৎকার কিছু আইডিয়া দিন। যেহেতু সশরীরে সেখানে যেতে পারছেন না, তাই আপনার সব আইডিয়া হবে অনলাইনকেন্দ্রিক। আর আমেরিকার মানুষ দিনের শুরুতেই তাদের মেইল চেক করে। মানে তারা অনলাইনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যখন আপনার সিভি ওরা পাবে, আপনাকে নিয়ে ভাবতে বসবে। হয়তো স্কাইপ বা অন্য কোনো মাধ্যমে আপনার সঙ্গে ওরা কথাও বলতে পারে। এভাবেই কাজ আসতে পারে আপনার কাছে। আপনি জেনে হয়তো অবাক হবেন, আমাদের দেশের অনেকেই আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিতে জব করছেন। ওসব কোম্পানির মার্কেটিং করছেন। সেখানে তারা সাপ্তাহিক বেতন নিচ্ছেন ৫০০ থেকে আড়াই হাজার ডলার পর্যন্ত। এবার মাসিক বেতনের কথা ভাবুন!
এ ছাড়া অনলাইনে আরও অনেক কাজ করতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে এখন বেশি কাজ হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন এবং অনলাইন মার্কেটিংয়ে। কাজের আছে আরও নানা ধরন। আপনি ভালো করে খুঁজলে ঠিক যে কাজ জানেন, সেটিই পাবেন।
অনলাইন মার্কেট প্লেস
আউটসোর্সিং কাজ পেতে শুরুতে একটু কষ্ট হয়। অনলাইনে খুঁজে কোনো কোম্পানি পাচ্ছেন না, বা যাদের পেলেন তাদের এই মুহূর্তে কোনো এমপ্লয়ি দরকার নেই। আবার অনেক কোম্পানি আছে, যাদের লোক দরকার কিন্তু লোক খুঁজে পাচ্ছে না। এ সমস্যার সমাধান করা হয় অনলাইন মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে। এখানে শ্রম কেনাবেচা হয়। এমনই একটি অনলাইন মার্কেট প্লেস হচ্ছে ওডেস্ক। এখানে যাদের জব দরকার, তারা জব খোঁজেন এবং যাদের এমপ্লয়ি দরকার হয় তারা এমপ্লয়ি খোঁজেন। এ জন্য ওডেস্ক একটা ফি কেটে নেয়। নিয়মটা এমন_ যার এমপ্লয়ি দরকার, সে তার কাজের বিবরণ দিয়ে এখানে লেখা পোস্ট করবে। সঙ্গে এও জানাবে, এই কাজের জন্য সে কত টাকা দিতে রাজি। আপনি যদি সে কাজটা করতে চান, তবে অ্যাপ্লাই করবেন। এতে আপনার ডিমান্ডটাও তুলে ধরতে পারেন। এভাবে দু'জনে একটা চুক্তিতে আসতে পারেন।
আউটসোর্সিং যেখানে
আউটসোর্সিং কাজ খুঁজতে ঢুঁ মারতে পারেন বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে। এখানে কিছু মার্কেট প্লেস তুলে ধরা হলো।
ওডেস্ক [upwork.com] : এই মার্কেট প্লেসের ইউজার ইন্টারফেস ভালো। সহজেই আপনি বিভিন্ন অপশন খুঁজে পাবেন। এখানে বাংলাদেশি অনেক ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। আমাদের দেশে ওডেস্কের কান্ট্রি অফিসও আছে। বর্তমান কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান। প্রয়োজনে ফোন করে তার সহায়তা নিতে পারেন।
ইল্যান্স [elance.com] : একটু অ্যাডভান্স লেভেল পারসনদের জন্য এ সাইট। পেমেন্টও বেশি পাওয়া যায়। বর্তমানে ওডেস্ক ও ইল্যান্স একই মালিকানাধীন কোম্পানি। দেশে ইল্যান্সেরও অফিস রয়েছে।
গুরু [guru.com] : এখানে প্রফেশনাল টাইপ জব বেশি। আপনি যদি প্রফেশনাল জব খোঁজেন, তাহলেও এখানে দেখতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সার [freelancer.com] : বাংলাদেশের টপ লেভেলের কয়েকজন ফ্রিল্যান্সার এই মার্কেট প্লেসের মাধ্যমেই আর্নিং লাইফ শুরু করেছিলেন।
ফাইভআরআর [fiverr.com] : এখানের সব কাজের প্রাইস পাঁচ ডলার। কাজের ধরনও আলাদা। ধরুন, আপনি যে ধরনের কাজ জানেন, সেটা লিখে এখানে পোস্ট দেবেন। যার দরকার, সে আপনাকে নক করে সেই কাজটা নির্দিষ্ট পেমেন্ট দিয়ে নেবে। মনে করুন আপনি চমৎকার সিভি বানাতে পারেন। সেটা লিখে এখানে পোস্ট দিলেন। এখন আপনি অনেক রিসার্চ করে সুন্দর একটা সিভি বানিয়ে রাখলেন। যে চাইবে তার নাম এবং তথ্য সম্পাদনা করে তাকে সিভি দিলেন। এভাবে একই সিভি কয়েক হাজারবার সেল করতে পারবেন।
খুঁজলে আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নির্দিষ্ট আরও কিছু মার্কেট প্লেসও পাবেন। সুতরাং চেষ্টা করে দেখুন।
বিদেশের টাকা দেশে
একটা সময় টাকা দেশে আনা কষ্টকর হলেও এখন পরিস্থিতি তেমন নয়। যেমন ওডেস্কের টাকা আপনি সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংকে নিয়ে আসতে পারবেন। এ ছাড়া পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড নামে একটা সার্ভিস আছে। সেই মাস্টারকার্ড বিনামূল্যে পেতে পারেন। আর ওডেস্ক থেকে আপনার টাকা মাস্টারকার্ডে আনবেন এবং মাস্টারকার্ডে থাকা টাকা আপনি বাংলাদেশের এটিএম বুথ থেকে উত্তোলন করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং ধারণা
ফ্রিল্যান্সিং মানেই স্বাধীন পেশা। আপনার যখন ইচ্ছা কাজ করবেন। ইচ্ছা না হলে করবেন না। ধরুন, ওডেস্কে একটা কাজ করার পর আপনি চিন্তা করলেন এই মাসে আর কাজ করবেন না। এতে আপনাকে কেউ কিছু বলার অধিকার রাখে না। কিন্তু যদি মাস হিসেবে কাজ করেন, তবে সেটা আপনাকে অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রতিদিনই করতে হবে। আপনি ইচ্ছা করলে আউটসোর্সিং কাজটা ফ্রিল্যান্সিংভাবেও করতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 11:44 PM

ফেসবুক (Facebook)-এ সবসময় ফ্রেন্ড লিস্টের বন্ধুর মেসেজই পেয়ে থাকেন। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, অপরিচিত কেউ আপনাকে মেসেজ (Message) করলে পাচ্ছেন কিনা? সব সময় তা পান না। কারণ ফেসবুক মেসেজ ফিল্টারিং করে।

ফেসবুকের মেসেজিং সিস্টেমে একটি ইনবক্স লুকিয়ে রয়েছে। যার খবর সম্ভবত অধিকাংশ ব্যবহারকারীই জানেন না। এই ইনবক্সে ওয়েব থেকে প্রবেশ করা যায়। আবার ফেসবুক মেসেঞ্জার অ্যাপটি স্মার্টফোন বা ট্যাবের জন্যে তৈরি করা হয়েছে, তাতেও ইনবক্সটি খুঁজে পাওয়া যাবে। এটা ফেসবুকের ফিল্টারিং সিস্টেম যেখানে স্পাম ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ জমা থাকে। এই ইনবক্সে প্রবেশের সহজ উপায়টি হলো এই লিঙ্ক-

http://facebook.com/messages/other

তবে ডেস্কটপ থেকে এখানে যেতে হবে। মেসেঞ্জার অ্যাপের এই লুকানো ইনবক্সটি চারটি মেনুর নিচে চাপা পড়ে আছে। এটি পেতে সেটিংস-এ ট্যাপ করুন, এরপর পিপলে যান এবং মেসেজ রিকোয়েস্টে গিয়ে ট্যাপ করুন 'সি ফিল্টারড রিকোয়েস্ট'-এ।

এখানে সেই মেসেজগুলো আসবে যেগুলো নাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে ফিল্টার করেছে ফেসবুক। এ ছাড়া যে সকল মানুষের সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ নেই, তাদের মেসেজ পাবেন এখানে। ব্যবহারকারীরা এমন মেসেজও পেয়েছেন যেগুলো ২০০৮ সালে এসেছিল। মেসেঞ্জারে যে সব মেসেজ স্পাম হিসাবে আসবে তা বন্ধের ব্যবস্থা করেছে ফেসবুক। এগুলোকে স্পাম মেসেজ হিসাবে এই ইনবক্সে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সূত্র: গার্ডিয়ান।

অদ্ভুতুড়ে 10:42 PM

মানুষের চোখকে তার আত্মার প্রতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা বাইরের জগতের জন্য এক প্রকার জানালা হিসেবে কাজ করে। চোখ শুধুমাত্র যে সৌন্দর্যের প্রতীক তাই নয়, এটা একইসঙ্গে স্বাস্থগত বিষয়ও ইঙ্গিত করে। আমাদের চোখের স্বাস্থ্য কেমন সেটা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আমাদের জীবন যাপনের রীতিনীতির ব্যপক ভূমিকা রয়েছে। 




আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্পিউটার। আর অনেক মানুষ আছেন যাদেরেকে নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে হয় যাদের এটা থেকে বিরত থাকার কোন সুযোগ নেই। এজন্য চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চোখের যতœ নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি লম্বা সময় ধরে একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার জন্য এ যত নেয়া বাঞ্চনীয়। 
 
সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখে টান-টান অনুভূতি হওয়াটা সাধারণ একটা ব্যপার যেটা অস্বস্তিদায়ক। এটা অনেক কারণে হতে পারে যেমন, মনিটরের পর্দার খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করা, মনিটরের উজ্জলতা, অস্পষ্ট অক্ষর, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার অসামঞ্জস্য অথবা দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে একভাবে চেয়ে থাকা। কম্পিউটার এখন বলতে গেলে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
 
কাজেই আমাদের নজর দেয়া উচিত কিভাবে আমরা চোখের যতœ নিতে পারি। যেন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখের পেশীতে কোন প্রকার টান-টান বা অস্বস্তিকর অনুভূতি সৃষ্টি না হয়।

বিরতি নিন: অপলক দৃষ্টিতে স্ক্রিনের দিকে চাকিয়ে থাকলে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। চোখের অস্বস্তি অনুভূতি এড়াতে এই পরামর্শটা সবথেকে বেশি দেয়া হয়ে থাকে।

তালুর পরশ: দু হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের উপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটা আপনার ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে। দুই তিন বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আরাম বোধ করেন।

আইলেভেল সামঞ্জস্যতা: টেলিভিশন হোক আর কম্পিউটার হোক স্ক্রিনের সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতার বিষয়টি চোখের স্বাস্থের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি টিপস।

২০-২০-২০: এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।

কনট্রাস্ট বজায় রাখা: কম্পিউটারে কাজ করার সময় হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গাড় রঙের অক্ষর বাছাই করুন।

তীব্র আলো পরিহার করুন: যথাযথ আলোর মধ্যে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। চোখে অস্বস্তিকর অনুভূতি এড়ানোর জন্য কম্পিউটারটি এমন স্থানে স্থাপন করুন যেখান থেকে টিউবলাইট অথবা জানার আলোর তীব্র প্রতিফলন ঘটে না।

উজ্জলতা কমিয়ে কাজ করুন: কম্পিউটারের উজ্জলতা একটি সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা। উজ্জলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভূত হয়।
বেছে নিন সবুজ: আমাদের চোখে শীথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সবথেকে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাকে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। আপনার কর্মস্থল যদি চার দেয়ালে ঘেরা হয় সেক্ষেত্রে স্ক্রিনে সবুজ রংয়ের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন।

বারবার পলক ফেলুন: কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা একটা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে এবং শুস্কতা সৃষ্টি হয় না; যা কিনা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে। কম্পিউটার
 গ্লাস ব্যবহার করুন: কম্পিউটারে যারা কাজ করে থাকেন তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এ গ্লাস। এটা চোখে অতিরিক্ত উজ্জল আলো, প্রতিফলন পড়া থেকে রক্ষা করবে আর আপনার চোখকে রাখবে শীথিল।

অদ্ভুতুড়ে 10:59 PM

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন।

 
 
তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন। 
ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager
ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।

এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ

নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন।
ডাউনলোডঃ IDM Pacher.exe

এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন।
এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজার (IDM) ইন্সটল করে সারাজীবন নিশ্চিন্ত থাকুন     ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।  ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।  এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ   নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন। ডাউনলোডঃIDM Pacher.exe  এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন। এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল। IDM Patch   এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।   এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না। IDM Pop UP আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন। প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।  এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। Download Manager for Android সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager  তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন। তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। সবাইকে ধন্যবাদ।



এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ

যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।

এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজার (IDM) ইন্সটল করে সারাজীবন নিশ্চিন্ত থাকুন     ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।  ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।  এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ   নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন। ডাউনলোডঃIDM Pacher.exe  এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন। এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল। IDM Patch   এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।   এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না। IDM Pop UP আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন। প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।  এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। Download Manager for Android সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager  তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন। তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। সবাইকে ধন্যবাদ।


আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন।
প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।

এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ
এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। 
Download Manager for Android
সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager

তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন।
তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব।
সবাইকে ধন্যবাদ।

অদ্ভুতুড়ে 10:22 PM

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং খুবই জনপ্রিয় একটি শব্দ। যারা অনলাইনে আয় করতে চান তাদের জন্য সব থেকে ভাল পদ্মতি হল ফ্রিলেন্সিং। আপনি যদি খুব ভাল আর্টিকেল লিখতে পারেন(অবশ্যই ইংরেজিতে), যদি খুব ভাল ডিজাইন করতে পারেন, অথবা প্রোগ্রামিং এ পারদর্শী হয়ে থেকে থাকেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং মাধ্যমে আপনিও অনলাইনে আয় করতে পারবেন। অনলাইনে আয়ের জন্য অনেক ধরনের পদ্মতি আছে, তবে নিরাপদ, সঠিক এবং সুনিশ্চিত অর্থ প্রাপ্তির জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। 


 
ফ্রিল্যান্সিং  এর কাজের জন্য অনেকগুলো ওয়েব সাইট রয়েছে। তবে এর মধ্যে সব থেকে ভাল সাইটগুলো হলঃ odesk.com. vworker.com, freelancer.com । এই সাইট গুলোর সবগুলোই আপনাকে অর্থ প্রাপ্তির ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করে থাকে। তাই কাজ ঠিক মত করে দিতে পারলে , টাকা পেতে আপনার কোনই সমস্যা হবে না। তবে যেকোন সাইটে কাজ শুরু করার পুর্বে সেই সাইটের নিয়ম-কানুন, বাংলাদেশে অর্থ প্রাপ্তির পদ্মতি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে তার পরে কাজ শুরু করলে ভাল হয়। odesk.com. vworker.com, freelancer.com এই তিনটি ওয়েব সাইট বাংলাদেশে পেমেন্ট প্রদান করে থাকে। ব্যাংক ট্রান্সফার, মানিবুকার্স, পে-ওনিয়ারের মাধ্যমে আপনি টাকা দেশে আনতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং  এর সব থেকে বড় সুবিধা হল- আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন এবং সেটাও আপনার পছন্দীয় সময়ে। আহা… ভাবতেই ভাল লাগে…। কেউ আপনার উপরে জোর করে কিছু চাপিয়ে দিতে পারবে না। অর্থ্যাৎ আপনিই আপনার ইচ্ছা মত সব কিছু সাজিয়ে গুছিয়ে করার পুর্ন স্বাধীনতা পাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে।


সময়ই হল ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে গুরুত্বপুর্ন মুলধনঃ  

একজন্ ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনার কাছে সব থেকে বড় এবং গুরুত্বপুর্ন মূলধন হল “সময়”। ফ্রি-ল্যান্সারদের সব সময় মনে রাখতে হবে, “আপনি আপনার সময় ক্লায়েন্ট  এর জন্য ব্যয় করছেন, অতএব ক্লায়েন্টকে অবশ্যই এর জন্য সঠিক এবং উপযুক্ত মুল্য প্রদান করতে হবে”।
এখানে বলে রাখা ভাল – কাজ পাওয়ার আগে অনেক ক্লায়েন্ট ডেমো দেখতে চান, সেক্ষেত্রে আপনার পুর্ববর্তী কাজের লিঙ্কগুলো তাকে দেখান এবং বলুন যে আপনি এ ধরনের কাজ আগেও করেছেন। অর্থ প্রাপ্তি সুনিশ্চিত হবার পুর্বে কক্ষোনই আপনার কাজ ক্লায়েন্টকে পাঠাবেন না। এতে আপনার আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।


নতুন কিছু শিখুন এবং কাজে পরিধিকে বাড়ানঃ 

 ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনাকে মনে রাখতে হবে - ” You are an one man army!”. অর্থ্যাৎ আপনাকে সবকিছু সুন্দরভাবে সামলাতে (ম্যানেজ করতে) হবে। প্রজেক্টে বিড করা থেকে শুরু করে, কাজ শেষ করা অবধি সবা কিছু আপনাকেই করতে হবে। এর পরে যখন পেমেন্ট হাতে পাবেন- তখন তার পুরোটার আপনি নিজেই পাবেন। 

ফ্রিলেন্সারদের কে সব সময় নতুন নতুন সমস্যার সম্মুক্ষীন হতে হয়। এটা অবশ্য খারাপ না… কারন আপনি সমস্যার সম্মুক্ষীন না হলে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন না। ছোট্ট একটি টিপস বলছি – যারা ওয়েব ডিজাইনের কাজ ভাল জানেন তারা প্রথমে যে কোন একটি সাইটে গিয়ে প্রজেক্ট এ বিড করুন। আপনি যদি কিছু মানসম্মত ডিজাইন ক্লায়েন্টকে দেখাতে পারেন তাহলে কাজ পেতে আপনার বেশী দিন লাগবে না। কয়েকটি কাজ করার পর যখন কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন হবে তখন অন্যান্য সাইটে গিয়ে ঢুঁ  দিয়ে জেনে আসুন “আপনার কাজের মার্কেট ভ্যালু” কেমন। যদি অন্যান্য সাইটে কাজের মার্কেট ভ্যালু বেশী হয় তাহলে আপনি যে কোন সময় নতুন সাইটে চলে যেতে পারবেন। আর সাথে থাকবে আপনার পুর্বরতী কাজে অভিজ্ঞতা। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি নতুন কাজ পেয়ে যাবেন।


কাজের কোয়ালিটি(মানের) দিকে লক্ষ্য রাখুনঃ

শুধু টাকার কথা ভেবে যদি কাজের মানের কথা ভুলে যান তাহলে জেনে রাখুন ফ্রি-ল্যান্সিং এ আপনি খুব বেশী সুবিধা করতে পারবেন না !! হ্যা এটা সত্য যে আমাদের সবারই মুল লক্ষ্য হল টাকা উপার্জন করা, তবে তা হতে হবে ক্ল্যায়েন্ট কে ভাল মানের কাজ প্রদান করার মাধ্যমে। আপনি যদি ভাল মানের কাজ ক্লায়েন্টকে প্রদান করতে পারেন তাহলে সে খুশি মনে আপনাকে পে করবে। অনেক সময় ক্লায়েন্টকে খুশি করতে পারলে বোনাস পাবার সম্ভাবনাও থাকে। 

এছাড়াও ক্লায়েন্ট খুশি হলে আপনাকে বিড করে সময় নষ্ট করতে হবে না। কারন, আপনি একজন ফিক্সড ক্লায়েন্টকে ম্যানেজ করতে পারলে উনি আপনাকে নিয়মিতভাবে কাজ দিতে থাকবেন। আর কাজ করে দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার পেমেন্ট।আর কিছু গুরুত্বপুর্ন বিষয় অবশ্যই মনে রাখা দরকার। আর তা হল – 

♦ আপনাকে যে কাজটি করে দেওয়ার জন্য বলা হবে, সেটি ডেলেভারী দেওয়ার সময় যেন “ত্রুটি মুক্ত” (Bug Free) হয়।
♦ কাজ শেষ হয়ে গেলে-ক্লায়েন্টকে ফিডব্যাক ও রেটিংস দেওয়ার জন্য অনুরোধ করুন। এগুলো আপনাকে পরবর্তী কাজ পেতে সাহায্য করবে।
♦ হুট করে পেমেন্ট রেট না বাড়িয়ে, আপনার কাজের অভিজ্ঞতা এবং রেটিংস এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আস্তে-ধীরে বাড়ান।
♦ যে সাইটে কাজ করছেন সেখানে নিয়মিত আপনার প্রোফাইলে আপডেট করুন।
♦ নতুন টেকনোলজির সাথে পরিচিত হোন এবং নিজেক আপডেট রাখুন। এতে নতুন কাজ পেতে সুবিধা হবে।


কাজ বুঝে বিড করুনঃ

আপনি নিজেই আপনার নিজের বিচারক, অর্থ্যাৎ আপনি নিজে খুব ভাল করে জানেন যে – আপনি কোন কাজটি করতে পারবেন, আর কোনটি পারবেন না। অহেতুক পারবেন না , এমন কাজে বিড করে সময় নষ্ট না করাটাই শ্রেয়। কাজ শুরু করার পুর্বেই ক্লায়েন্ট এর সাথে ভাল মত কথা বলে কাজের ধরন সম্পর্কে বুঝে নিন। এতে করে কাজে ভুল হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। কাজ শুরুর পুর্বে আপনি নিজে নির্ধারন করে নিবেন- কাজটি শেষ করতে কত সময় লাগবে। আপনার কাছে যদি মনে হয় কাজটি শেষ করতে ১০ঘন্টা/২দিন লাগবে- তবে চেষ্টা করবেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যেন কাজটি শেষ হয়ে যায়। এর ফলে ক্লায়েন্টকে আপনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজটি ডেলীভারী দিতে পারবেন।


ভাল ক্লায়েন্ট যোগাড় করুন এবং তাদের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখুনঃ

ইন্টারনেটে “ফেক” লোকের কোন অভাব নেই! এজন্য কাউকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না! তাই আমি মনে করি ভাল একজন ক্লায়েন্ট পাওয়া অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার। এজন্য একটি কাজ পাওয়ার পরে চেস্টা করুন আপনার ক্লায়েন্ট, "ফিক্সড একজন ক্লায়েন্ট" বানানোর জন্য। কক্ষোনই ক্লায়েন্টের কাছে মিথ্যা কথা বলবেন না, কিংবা মিথ্যা বলার চেস্টাও করবেন না। আপনার সমস্যাগুলো তার কাছে সুন্দর করে উপস্থাপন  করুন, এবং তাকে বুঝিয়ে বলুন। কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখুন। এতে করে তার কাছে আপনার গ্রহনযোগ্যতা আরও বাড়বে। ক্লায়েন্টকে আপনার ম্যাসেঞ্জারে যেমন – Yahoo, GTalk, Skype এ রাখুন, যাতে তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন। এভাবে যদি আপনি ৩/৪ জন "ফিক্সড ক্লায়েন্ট" ম্যানেজ করে ফেলতে পারেন তাহলে আপনাকে কক্ষোনই কাজের জন্য বিড করতে হবে না। তারাই নিয়মিত ভাবে আপনাকে কাজ দিবে। এটাই হল ফ্রিল্যেন্সিং এর সব থেকে বড় সিক্রেট।

অদ্ভুতুড়ে 12:32 AM
Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন

Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা আধুনিক বিশ্বের একটি চৌকস চাকুরী ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা এবং ক্ষেত্র একেবারেই নতুন বলা চলে। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে এ পেশার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কর্মক্ষমতার যথার্থ ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও 'মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা' বিভাগের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য অর্জন অনেকাংশেই নির্ভর করে সেই প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর। 

 

 

Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন

ইতিহাস


"মানব সম্পদ" ধারণাটি যথেষ্টই আধুনিক, গত শতাব্দির প্রথম দিকেও কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের "সম্পদ" হিসেবে দেখা হত না। তারা ছিলেন শুধুই শ্রমিক, উচ্চ পদস্থ কর্তাদের আদেশ পালন করা ছিল তাদের প্রথম ও প্রধান কাজ। ধীরে ধীরে কোম্পানিগুলো দেশে-বিদেশে বিস্তার লাভ করার পর উপলব্ধি করল যে এই বিস্তৃতি ধরে রাখার কান্ডারী হল তাদের কর্মীগণ। একটি প্রতিষ্ঠানের লোকবলই তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এই উপলব্ধি থেকেই "মানব সম্পদ উন্নয়ন" ধারণার প্রবর্তন। কোম্পানিগুলো তাদের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা করার জন্য "Personnel Administration" নামক শাখা খুললো, যা পরবর্তীতে "Human Resource Department (HRD)" নামে পরিচিতি পেল। আধুনিক বিশ্বের কোম্পানিগুলোতে কর্মীগণ তাদের উচ্চ-পদস্থদের সাথে নতুন নতুন আইডিয়া সহজেই শেয়ার করতে পারেন এবং কোম্পানিও এই সৃজনশীল মানুষদের বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করে থাকে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির হাত ধরে HRD এর যাত্রা শুরু হয় ১৫/২০ বছর আগে। বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি নাগরিক এই কোম্পানিগুলোর HRD Head হিসেবে কর্মরত আছেন। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সাথে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও দ্রুত মানব সম্পদ উন্নয়ন শাখা চালু করছে, এতে আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে।
কাজের ধরণ

প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কর্মপরিধি যাই হোক না কেন মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরতদের কাজের ধরণ প্রায় একই রকম। যে কোন প্রতিষ্ঠানেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই বিভাগের কর্মকর্তারা। স্ব- স্ব প্রতিষ্ঠানের লোকবল ও তাদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে যথাযথ তথ্য উপস্থাপন করাই একজন মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মীর মূল কাজ। যার ফলে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরতরা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি সম্মানেরও পাত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকেন। তাই বাংলাদেশের তরুণদের কাছে এই ক্ষেত্রটিতে কাজ করার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মী নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন, প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, কর্মীদের কার্যপরিধি নির্ধারন থেকে শুরু করে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ সুবিধা যা তারা প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়ে থাকেন যেমন – বাৎসরিক ছুটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, অবসর ভাতা, বেতন, বোনাস প্রভৃতির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করে থাকেন এই বিভাগের কর্মকর্তারা। কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন এবং তাদের কাজের প্রেরণা সৃষ্টির জন্য দক্ষ কর্মীদের পুরস্কার প্রদানের পাশাপাশি যারা কর্মক্ষেত্রে অবহেলা করে তাদের সঠিক পরামর্শ প্রদানও এই বিভাগের কাজ। 


Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন
যোগ্যতা

এই পেশায় যারা প্রবেশ করতে চান তাদের কিছু প্রাথমিক যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক। শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক পাশ হতে হবে। ব্যবসায় শিক্ষা ও এইচআরএম বিষয়ে ডিগ্রিধারী ব্যক্তিরা প্রাধান্য পেলেও অন্য বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ ব্যক্তিরা এ পেশায় আসতে পারেন। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি নেতৃত্বগুণ, ধৈর্য্য, সদালাপ, সমস্যা সমাধানে পারদর্শিতা এবং দেশের শ্রম আইন সম্পর্কে ধারণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

একজন হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অফিসারের ভাল যোগাযোগ দক্ষতা এবং অন্যের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বোঝার ক্ষমতা থাকা আবশ্যক। কর্মজীবনে একজন হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অফিসারের সবার নিকট গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসী হতে হয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও সেই আনুযায়ী মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা করতে হয় এই বিভাগের কর্মীদের। 


Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন প্রারম্ভিক বেতন কাঠামো

প্রতিষ্ঠানভেদে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের এন্ট্রি লেভেল অফিসার হিসেবে আপনার বেতন হতে পারে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা, এর সাথে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকতে পারে। পরবর্তী পদোন্নতি নির্ভর করবে আপনার কাজের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর। 


Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন
কী ধরনের প্রতিষ্ঠানে কাজ করা যায়

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা পেশায় আসার আগে যেসব প্রতিষ্ঠানে এই বিভাগ রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখা উচিত। সাধারণত বড় বড় দেশী এবং বহুজাতিক কোম্পানি গুলোতে এ বিভাগের পরিপূর্ণ কার্যক্ষেত্র রয়েছে। বিশেষ করে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, ব্যাংক, মিডিয়া হাউজ, ওষুধ কোম্পানী, প্রকাশনা সংস্থা, এনজিও, টেলিকমিউনিকেশন এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানে এ বিভাগটির সুবিস্তৃত কার্যক্ষেত্র রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন পর্যন্ত মানব সম্পদ উন্নয়ন নামে কোনো বিভাগ না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে 'ট্রেইনিং'/ 'স্ট্যাটিসটিক্‌স'/ 'প্ল্যানিং' ইত্যাদি বিভাগগুলোতে মূলত মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কিত কাজগুলোই করা হচ্ছে। এই বিভাগগুলোর নীতিমালা তৈরী করে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, এবং সরকার কর্তৃক তা অনুমোদিত হয়।  


Human Resource Management (HRM) বা মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্যারিয়ার গঠন
পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ, এমবিএ কোর্সের মধ্যে এইচআরএম বিষয়টি পড়ানো হয়ে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে PGDHRM (Post Graduate Diploma in Human Resource Management) ডিগ্রি নেওয়া যায়। বর্তমানে বিভিন্ন চাকুরিদাতা এই ডিগ্রিকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখেন। যেসব প্রতিষ্ঠান এই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে কয়েকটি হল:

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, সোবহানবাগ, মিরপুর, ঢাকা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ফার্মগেট, ঢাকা
ইনস্টিটিউট অব পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট, ফার্মগেট, ঢাকা এবং
বিয়াম ফাউন্ডেশন, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা

এই প্রশিক্ষণগুলো ছয় থেকে নয় মাস ব্যপী হয়। এগুলোতে ভর্তি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক পাশ।

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় পেশা, এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়াও তুলনামূলক সহজ। তবে যেকোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করার আগে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া অত্যাবশ্যক। আপনার সঠিক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত একটি উন্নত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক চাকরির দরজা খুলে দিতে পারবে।





অদ্ভুতুড়ে 1:53 AM
মানুষের চোখকে তার আত্মার প্রতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা বাইরের জগতের জন্য এক প্রকার জানালা হিসেবে কাজ করে। চোখ শুধুমাত্র যে সৌন্দর্যের প্রতীক তাই নয়, এটা একইসঙ্গে স্বাস্থগত বিষয়ও ইঙ্গিত করে। আমাদের চোখের স্বাস্থ্য কেমন সেটা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আমাদের জীবন যাপনের রীতিনীতির ব্যপক ভূমিকা রয়েছে।

আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্পিউটার। আর অনেক মানুষ আছেন যাদেরেকে নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে হয় যাদের এটা থেকে বিরত থাকার কোন সুযোগ নেই। এজন্য চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চোখের যতœ নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি লম্বা সময় ধরে একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার জন্য এ যত নেয়া বাঞ্চনীয়।
সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখে টান-টান অনুভূতি হওয়াটা সাধারণ একটা ব্যপার যেটা অস্বস্তিদায়ক। এটা অনেক কারণে হতে পারে যেমন, মনিটরের পর্দার খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করা, মনিটরের উজ্জলতা, অস্পষ্ট অক্ষর, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার অসামঞ্জস্য অথবা দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে একভাবে চেয়ে থাকা। কম্পিউটার এখন বলতে গেলে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কাজেই আমাদের নজর দেয়া উচিত কিভাবে আমরা চোখের যতœ নিতে পারি। যেন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখের পেশীতে কোন প্রকার টান-টান বা অস্বস্তিকর অনুভূতি সৃষ্টি না হয়।

বিরতি নিন: অপলক দৃষ্টিতে স্ক্রিনের দিকে চাকিয়ে থাকলে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। চোখের অস্বস্তি অনুভূতি এড়াতে এই পরামর্শটা সবথেকে বেশি দেয়া হয়ে থাকে।

তালুর পরশ: দু হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের উপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটা আপনার ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে। দুই তিন বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আরাম বোধ করেন।

আইলেভেল সামঞ্জস্যতা: টেলিভিশন হোক আর কম্পিউটার হোক স্ক্রিনের সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতার বিষয়টি চোখের স্বাস্থের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি টিপস।

২০-২০-২০: এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।

কনট্রাস্ট বজায় রাখা: কম্পিউটারে কাজ করার সময় হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গাড় রঙের অক্ষর বাছাই করুন।

তীব্র আলো পরিহার করুন: যথাযথ আলোর মধ্যে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। চোখে অস্বস্তিকর অনুভূতি এড়ানোর জন্য কম্পিউটারটি এমন স্থানে স্থাপন করুন যেখান থেকে টিউবলাইট অথবা জানার আলোর তীব্র প্রতিফলন ঘটে না।

উজ্জলতা কমিয়ে কাজ করুন: কম্পিউটারের উজ্জলতা একটি সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা। উজ্জলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভূত হয়।
বেছে নিন সবুজ: আমাদের চোখে শীথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সবথেকে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাকে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। আপনার কর্মস্থল যদি চার দেয়ালে ঘেরা হয় সেক্ষেত্রে স্ক্রিনে সবুজ রংয়ের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন।

বারবার পলক ফেলুন: কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা একটা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে এবং শুস্কতা সৃষ্টি হয় না; যা কিনা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে। কম্পিউটার
 গ্লাস ব্যবহার করুন: কম্পিউটারে যারা কাজ করে থাকেন তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এ গ্লাস। এটা চোখে অতিরিক্ত উজ্জল আলো, প্রতিফলন পড়া থেকে রক্ষা করবে আর আপনার চোখকে রাখবে শীথিল।

অদ্ভুতুড়ে 7:38 AM

আমরা সবাই জানি যে ফেসবুকে প্রাইভেসি দেওয়া প্রোফাইল পিকচার গুলো তে ক্লিক করা যায়না অ্যান্ড সেগুলো ডাউনলোড করা যায় না । কিন্তু কখনও কখনও আমাদের প্রয়োজন হয় ছবিটা একটু বড় করে দেখার জন্য ।

তো  একটু নড়েচড়ে বসুন  , আর দেখুন খেল ।
প্রথমেই যার ছবি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার ফেসবুক প্রোফাইল এ যান । এরপর তার ইউসার নেম বা ফেসবুক প্রোফাইল আইডি কোড টা কালেক্ট করুন  । ইউসার নেম বা আইডি কোড না বুঝলে  এই লেখাটা  পড়ুন
মাত্র ৫ সেকেন্ড এ জেনে নিন যে কারও ফেসবুক প্রোফাইল আইডির কোড
তারপরও সংক্ষেপে  বলছি www.facebook.com/এখানে  .... এখানে এর জায়গায় আমরা অনেকেই ইচ্ছামত নেম ইউস করি যেমন নিচের ছবিটা দেখুন

ছবিতে facebook.com/  এর পর wasi.sarkar লেখা আছে । wasi.sarkar  হচ্ছে আমার ইউসার নেম । তো যার ছবি ডাউনলোড করবেন প্রথমে তার ইউসারনেম কালেক্ট করুন ।
এরপর নিচের লিংক টা দেখুন

https://graph.facebook.com/এখানে/picture?width=999

লিংক টা কপি করে ব্রাউসার এর এড্রেস বার এ গিয়ে এখানে এর বদলে যার ছবি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার  ইউসার নেম টা বসিয়ে দিয়ে এনটার চাপুন আর যাদু দেখুন ।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ । এবার তো ছবিটা টার অরিজিনাল সাইজ এ এসে গেল । এবার রাইট  ক্লিক করে সেভ করে ফেলুন ।
তবে যদি ইউসার নেম দিয়ে কাজ না হয় তবে প্রোফাইল এর আইডি কোডটা বসিয়ে দিলেই হবে
আইডি কোড কি বোঝার জন্য এই লেখাটা দেখতে পারেন ।
মাত্র ৫ সেকেন্ড এ জেনে নিন যে কারও ফেসবুক প্রোফাইল আইডির কোড

এই লেখাটা যারা প্রাইভেসি দেওয়া ফেসবুক প্রোফাইল ফটো ডাউনলোড করতে চায়
এবং যারা ফেসবুকে বাক্তিগত ছবি প্রাইভেসি দিয়ে রেখে নিশ্চিন্তে থাকে তাদের জন্য লেখা ।
ইচ্ছে করলেই যে কেউ আপনার ছবি ডাউনলোড করতে পারে । তাই নিজের বাক্তিগত কিছু শেয়ার করার আগে ভেবে দেখা উচিত আপনি সবার সাথেই সেটা শেয়ার করতে চাচ্ছেন কিনা ।
কেননা  পৃথিবীতে মায়ের কোল ছাড়া মানুষের জন্য আর কোন স্থানই নিরাপদ না ।

আর কোনও সমসসা হলে এখানে প্রশ্ন করতে পারেন অথবা ফেসবুকেও জিগ্যেস করতে পারেন
ফেসবুকে আমি 

অদ্ভুতুড়ে 8:39 AM

 আসছে ICC Cricket world-cup 2015 এর Fixture এবং Theme Song দেখেনিন। আপনাদের মোবাইল বা কম্পিউটারে পিডিএফ ডাউনলড করে সংগ্রহ করে রাখুন বিশ্বকাপের সময় সূচি। এবং বিশ্বকাপের সময় অনলানে খেলা সরাসরি সম্প্রচার দেখুন আমাদের ওয়েব সাইট থেকে। 

 

বিশ্বকাপ গ্রুপ

 

বিশ্বকাপ সময় সূচি 


 

 

PDF File

# pdf file link1

# pdf file link2

# pdf file link3

 

Online এ ICC Cricket WordCup 2015 এর Match সরাসরি সম্প্রচার দেখুন এই ওয়েব সাইট থেকে TV.BLACK-iz.com 

 

 

বিশ্বকাপ থিমসং 

 

অদ্ভুতুড়ে 11:48 PM

বাজার এ এখন নানা রকমের ক্লোন আর মাস্টারকপি ফোন দিয়ে ভরে গেছে। কোনটা আসল আর কোনটা নকল বোঝাই যায় নাহ। এদের প্রতারনার শিকার হয়েছেন এরকম অনেকই আছে। আপনাকে যাতে আর ধরা খেতে না হয়  সে জন্যই আসলে এই পোষ্টটি করা।

আপনি কি জানেন, আপনার মোবাইলফোনটি আসল না নকল(ক্লোন)??? জেনে নিন খুব সহজেই!

কীভাবে বুঝবেন যে আপনার ফোনটা আসল?

♦ প্রথমে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। 

♦ তারপর আপনার ফোনের IMEI নাম্বার দিন নিচের ছবির মতো। (আপনার ফোনের  IMEI নাম্বার পাবেন *#06# প্রেস করে)।


♦ তারপর CHECK এ ক্লিক করুন।

♦ অরিজিনাল ব্র্যান্ডের ফোন হলে আপনার ফোনের সকল তথ্য চলে আসবে। (নিচের ছবির মতো)। 


♦ আপনার ফোন কি অরিজিনাল? নাকি ক্লোন/ মাস্টারকপি!! খুব সহজে আপনি দেখে নিন।

♦ Read More এ ক্লিক করলে আরও বিস্তারিত পাবেন। 

♦ নন-ব্র্যান্ডের বা চায়না ফোনের বা ক্লোন বা মাস্টার কপির  IMEI দিলে কিছু আসবে না। 

♦ আপনার মোবাইলফোনটি আসল না নকল(ক্লোন)??? খুব সহজে আপনি দেখে নিন।

বিঃদ্রঃ - এভাবে আপনি আপনার ফোনটি আসল নাকি নকল অথবা মাস্টারকপি তা সহজেই ধরতে পারবেন। আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
Powered by Blogger.