Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 12:45 AM

জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউবে কিভাবে বেশি সংখ্যক দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যাবে ভিডিওটি সেই আলোচনা এ কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।


এ জন্য অনেকগুলো কারিগরি কাজের পাশাপাশি কিছু সাধারণ বিষয় রয়েছে। এগুলো মেনে চললে সহজেই একটি ভিডিও অনেকে কাছে পৌৎছোবে। এ টিউটোরিয়ালে সেগুলো তুলে ধরা হলো।

 
প্রথমত সঠিকভাবে ও প্রয়োজনীয় কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। ভিডিও আপলোড শেষে সাধারণত এর সঙ্গে রিলেটেড কী-ওয়ার্ড যুক্ত করা হয়।

পাশাপাশি মূল কীওয়ার্ডের সঙ্গে আরও যে সম্ভাব্য সার্চ হতে পারে সেই রকম কী-ওয়ার্ডও যুক্ত করতে হবে। ধরা যাক, কেউ জাভার অ্যারে নিয়ে ভিডিও করেছে। এখানে কী-ওয়ার্ড হিসেবে ”Java Array” ব্যবহার করা যায়। তবে ভালোভাবে সার্চে আসার জন্য আরও রিলেটেড কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

কী-ওয়ার্ড হিসেবে এখানে আরও ব্যবহার করা যায় Java Array Tutorial, Easy Java Array Video, Java Array Example Video, Java Learning video, Java Array Learning Video ইত্যাদি।

বেশি দর্শক পেতে ভিডিওতে সঠিক টাইটেলের বিকল্প নেই। আপনার ভিডিওর টাইটেল অবশ্যই এমনভাবে হতে হবে যা বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলে যায়। একই সঙ্গে আপনার দর্শক যেটা লিখে সার্চ দিতে পারে, সেটিই শিরোনামে রাখা উচিত।

যেমন- আপনি যদি কোনো সমস্যার সমাধান নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে দর্শক সমস্যাটির যেসব শব্দ লিখে সার্চ করতে পারে সেগুলো টাইটেলে থাকতে হবে। এতে সহজেই আপনার ভিডিও অনেকের সার্চে উঠে আসেবে। একটি সঠিক টাইটেল দর্শক আনার পরিমান কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিভিন্ন সাইটে ভিডিওর লিঙ্ক আপ করা দর্শক টানার আরেকটি ভালো উপায়। বিভিন্ন সাইট থেকে দর্শক আপনার ভিডিও দেখতে আসলে তা ইউটিউব সার্চে উপরের দিকে আসার সম্ভবনা থাকে।

তাই আপনার ভিডিওকে অন্য সাইটে যুক্ত করে রাখতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তা স্প্যামিং না হয়।

আপনার ব্লগে ভিডিও এম্বেড করে দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেল/ভিডিওয়ের লিঙ্ক যুক্ত করে দিতে পারেন। এতে সার্চে আপনার চ্যানেলের ভিডিও উপরের দিকে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

ভিডিওর শেষে অন্যভিডিওগুলোর লিঙ্ক যুক্ত করুন। এ সহজ ব্যপারটা অনেকেই এড়িয়ে গিয়ে হারাচ্ছেন প্রচুর দর্শক। একটি ভিডিও শেষ হলে সঙ্গে অন্য ভিডিওর লিঙ্ক জুড়ে দিলে দর্শকের পরিমান বেড়ে যাবে অনেক।

দর্শক একটি ভিডিও শেষ করে সাধারনত সাজেশন থেকে পরের ভিডিওতে যায়। একটি ভিডিও শেষে আপনার অন্য ভিডিও জুড়ে দিলে দর্শকের সেইদিকে যাওয়ার পরিমান বেড়ে যাবে অনেকাংশে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ভিডিওগুলো যাতে একই ধরনের হয়, ভিন্ন ধরনের ভিডিও দিতে থাকলে আগ্রহ হারাবে ভিজিটির।

ছোট্ট এই উপায়গুলো বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার দর্শক টানার পরিমান।

অদ্ভুতুড়ে 11:17 PM

 

তরুণদের কাছে আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো শব্দগুলো খুবই পরিচিত, জানি। কিন্তু এই শব্দ দুটির সঠিক মানে অনেকেরই অজানা। হয়তো জানার তেমন ইচ্ছাও অনুভব করেননি। এই দুটো শব্দ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পেলে আপনি হয়তো আজ রাতেই বসে যাবেন নেটে! বলি, বসার আগে একটু ভাবুন। আপনি তো বাংলাদেশে, আর কাজ করছেন নানা দেশের। এই টাকা তো দেশে আনতে হবে। চলুন, ঘরে বসে ইউরোপ বা আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিগুলোয় কীভাবে চাকরি করবেন এবং সেই চাকরি থেকে প্রাপ্ত অর্থ বা বেতন কীভাবে দেশে আনবেন, সে সম্পর্কেও জানি....

আউটসোর্সিং
দেশে বসে দেশের বাইরের কাজ করে টাকা আনাটাই আউটসোর্সিং। তাছাড়া দেশের অসংখ্য মানুষ বিদেশ থেকে যে অর্থ পাঠান, যা আমরা বৈদেশিক রেমিট্যান্স হিসেবে জানি, সেটাও কিন্তু আউটসোর্সিং। তবে তরুণদের কাছে আউটসোর্সিং হিসেবে প্রথমটাই বেশি আলোচিত। এই আউটসোর্সিং অনলাইননির্ভর হলেই খোলস পাল্টে নেয়। তখন হয়ে যায় অনলাইন আউটসোর্সিং।
কাজের ধরন
আপনার বাসায় কম্পিউটার আছে এবং কম্পিউটারের সঙ্গে অনলাইন কানেকশন থাকাটাই মানে বিশ্ব আপনার হাতের মুঠোয়। সেই সঙ্গে আপনি যদি হন একজন মার্কেটিং এক্সপার্ট; বিবিএ-এমবিএ শেষ করে মার্কেটিংয়ের চ্যালেঞ্জিং পেশাটা যদি আপনি বেছে নিতে চান, তবে তো কথাই নেই। জানেন তো, বাংলাদেশের মার্কেট খুব ছোট। কোম্পানিগুলো বেতন দেয় মাঝারিমানের। তাই আপনার চোখ থাকে আমেরিকার কোনো বড় কোম্পানিতে। সেটাই আপনার জন্য ভালো সিদ্ধান্ত। অনলাইনেই তো থাকেন। একটু খোঁজাখুঁজি করে আমেরিকান বড় ডেভেলপার কোম্পানি বের করুন। তাদের কাছে আপনার সিভি পাঠান। কীভাবে আপনি তাদের কোম্পানির মার্কেটিং করবেন তার ওপর চমৎকার কিছু আইডিয়া দিন। যেহেতু সশরীরে সেখানে যেতে পারছেন না, তাই আপনার সব আইডিয়া হবে অনলাইনকেন্দ্রিক। আর আমেরিকার মানুষ দিনের শুরুতেই তাদের মেইল চেক করে। মানে তারা অনলাইনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যখন আপনার সিভি ওরা পাবে, আপনাকে নিয়ে ভাবতে বসবে। হয়তো স্কাইপ বা অন্য কোনো মাধ্যমে আপনার সঙ্গে ওরা কথাও বলতে পারে। এভাবেই কাজ আসতে পারে আপনার কাছে। আপনি জেনে হয়তো অবাক হবেন, আমাদের দেশের অনেকেই আমেরিকার বড় বড় কোম্পানিতে জব করছেন। ওসব কোম্পানির মার্কেটিং করছেন। সেখানে তারা সাপ্তাহিক বেতন নিচ্ছেন ৫০০ থেকে আড়াই হাজার ডলার পর্যন্ত। এবার মাসিক বেতনের কথা ভাবুন!
এ ছাড়া অনলাইনে আরও অনেক কাজ করতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে এখন বেশি কাজ হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন এবং অনলাইন মার্কেটিংয়ে। কাজের আছে আরও নানা ধরন। আপনি ভালো করে খুঁজলে ঠিক যে কাজ জানেন, সেটিই পাবেন।
অনলাইন মার্কেট প্লেস
আউটসোর্সিং কাজ পেতে শুরুতে একটু কষ্ট হয়। অনলাইনে খুঁজে কোনো কোম্পানি পাচ্ছেন না, বা যাদের পেলেন তাদের এই মুহূর্তে কোনো এমপ্লয়ি দরকার নেই। আবার অনেক কোম্পানি আছে, যাদের লোক দরকার কিন্তু লোক খুঁজে পাচ্ছে না। এ সমস্যার সমাধান করা হয় অনলাইন মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে। এখানে শ্রম কেনাবেচা হয়। এমনই একটি অনলাইন মার্কেট প্লেস হচ্ছে ওডেস্ক। এখানে যাদের জব দরকার, তারা জব খোঁজেন এবং যাদের এমপ্লয়ি দরকার হয় তারা এমপ্লয়ি খোঁজেন। এ জন্য ওডেস্ক একটা ফি কেটে নেয়। নিয়মটা এমন_ যার এমপ্লয়ি দরকার, সে তার কাজের বিবরণ দিয়ে এখানে লেখা পোস্ট করবে। সঙ্গে এও জানাবে, এই কাজের জন্য সে কত টাকা দিতে রাজি। আপনি যদি সে কাজটা করতে চান, তবে অ্যাপ্লাই করবেন। এতে আপনার ডিমান্ডটাও তুলে ধরতে পারেন। এভাবে দু'জনে একটা চুক্তিতে আসতে পারেন।
আউটসোর্সিং যেখানে
আউটসোর্সিং কাজ খুঁজতে ঢুঁ মারতে পারেন বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে। এখানে কিছু মার্কেট প্লেস তুলে ধরা হলো।
ওডেস্ক [upwork.com] : এই মার্কেট প্লেসের ইউজার ইন্টারফেস ভালো। সহজেই আপনি বিভিন্ন অপশন খুঁজে পাবেন। এখানে বাংলাদেশি অনেক ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। আমাদের দেশে ওডেস্কের কান্ট্রি অফিসও আছে। বর্তমান কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান। প্রয়োজনে ফোন করে তার সহায়তা নিতে পারেন।
ইল্যান্স [elance.com] : একটু অ্যাডভান্স লেভেল পারসনদের জন্য এ সাইট। পেমেন্টও বেশি পাওয়া যায়। বর্তমানে ওডেস্ক ও ইল্যান্স একই মালিকানাধীন কোম্পানি। দেশে ইল্যান্সেরও অফিস রয়েছে।
গুরু [guru.com] : এখানে প্রফেশনাল টাইপ জব বেশি। আপনি যদি প্রফেশনাল জব খোঁজেন, তাহলেও এখানে দেখতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সার [freelancer.com] : বাংলাদেশের টপ লেভেলের কয়েকজন ফ্রিল্যান্সার এই মার্কেট প্লেসের মাধ্যমেই আর্নিং লাইফ শুরু করেছিলেন।
ফাইভআরআর [fiverr.com] : এখানের সব কাজের প্রাইস পাঁচ ডলার। কাজের ধরনও আলাদা। ধরুন, আপনি যে ধরনের কাজ জানেন, সেটা লিখে এখানে পোস্ট দেবেন। যার দরকার, সে আপনাকে নক করে সেই কাজটা নির্দিষ্ট পেমেন্ট দিয়ে নেবে। মনে করুন আপনি চমৎকার সিভি বানাতে পারেন। সেটা লিখে এখানে পোস্ট দিলেন। এখন আপনি অনেক রিসার্চ করে সুন্দর একটা সিভি বানিয়ে রাখলেন। যে চাইবে তার নাম এবং তথ্য সম্পাদনা করে তাকে সিভি দিলেন। এভাবে একই সিভি কয়েক হাজারবার সেল করতে পারবেন।
খুঁজলে আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নির্দিষ্ট আরও কিছু মার্কেট প্লেসও পাবেন। সুতরাং চেষ্টা করে দেখুন।
বিদেশের টাকা দেশে
একটা সময় টাকা দেশে আনা কষ্টকর হলেও এখন পরিস্থিতি তেমন নয়। যেমন ওডেস্কের টাকা আপনি সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংকে নিয়ে আসতে পারবেন। এ ছাড়া পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড নামে একটা সার্ভিস আছে। সেই মাস্টারকার্ড বিনামূল্যে পেতে পারেন। আর ওডেস্ক থেকে আপনার টাকা মাস্টারকার্ডে আনবেন এবং মাস্টারকার্ডে থাকা টাকা আপনি বাংলাদেশের এটিএম বুথ থেকে উত্তোলন করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং ধারণা
ফ্রিল্যান্সিং মানেই স্বাধীন পেশা। আপনার যখন ইচ্ছা কাজ করবেন। ইচ্ছা না হলে করবেন না। ধরুন, ওডেস্কে একটা কাজ করার পর আপনি চিন্তা করলেন এই মাসে আর কাজ করবেন না। এতে আপনাকে কেউ কিছু বলার অধিকার রাখে না। কিন্তু যদি মাস হিসেবে কাজ করেন, তবে সেটা আপনাকে অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রতিদিনই করতে হবে। আপনি ইচ্ছা করলে আউটসোর্সিং কাজটা ফ্রিল্যান্সিংভাবেও করতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 11:44 PM

ফেসবুক (Facebook)-এ সবসময় ফ্রেন্ড লিস্টের বন্ধুর মেসেজই পেয়ে থাকেন। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, অপরিচিত কেউ আপনাকে মেসেজ (Message) করলে পাচ্ছেন কিনা? সব সময় তা পান না। কারণ ফেসবুক মেসেজ ফিল্টারিং করে।

ফেসবুকের মেসেজিং সিস্টেমে একটি ইনবক্স লুকিয়ে রয়েছে। যার খবর সম্ভবত অধিকাংশ ব্যবহারকারীই জানেন না। এই ইনবক্সে ওয়েব থেকে প্রবেশ করা যায়। আবার ফেসবুক মেসেঞ্জার অ্যাপটি স্মার্টফোন বা ট্যাবের জন্যে তৈরি করা হয়েছে, তাতেও ইনবক্সটি খুঁজে পাওয়া যাবে। এটা ফেসবুকের ফিল্টারিং সিস্টেম যেখানে স্পাম ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ জমা থাকে। এই ইনবক্সে প্রবেশের সহজ উপায়টি হলো এই লিঙ্ক-

http://facebook.com/messages/other

তবে ডেস্কটপ থেকে এখানে যেতে হবে। মেসেঞ্জার অ্যাপের এই লুকানো ইনবক্সটি চারটি মেনুর নিচে চাপা পড়ে আছে। এটি পেতে সেটিংস-এ ট্যাপ করুন, এরপর পিপলে যান এবং মেসেজ রিকোয়েস্টে গিয়ে ট্যাপ করুন 'সি ফিল্টারড রিকোয়েস্ট'-এ।

এখানে সেই মেসেজগুলো আসবে যেগুলো নাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে ফিল্টার করেছে ফেসবুক। এ ছাড়া যে সকল মানুষের সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ নেই, তাদের মেসেজ পাবেন এখানে। ব্যবহারকারীরা এমন মেসেজও পেয়েছেন যেগুলো ২০০৮ সালে এসেছিল। মেসেঞ্জারে যে সব মেসেজ স্পাম হিসাবে আসবে তা বন্ধের ব্যবস্থা করেছে ফেসবুক। এগুলোকে স্পাম মেসেজ হিসাবে এই ইনবক্সে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সূত্র: গার্ডিয়ান।

অদ্ভুতুড়ে 10:38 PM



ফ্রিল্যান্সারদের চ্যালেঞ্জসমূহ

ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কাজ করতে গেলে অপার সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি-ও হতে হয়। যেমনঃ-

কাজ করার সুনির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, ক্লায়েন্ট যখন চাইবেন তখনই তাকে কাজের অগ্রগতি দেখাতে হবে। এটি আপনার প্রাত্যহিক ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।
যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং করছেন তাদের মাসিক আয় যথেষ্ট পরিমাণে ওঠানামা করতে পারে।
সব ক্লায়েন্টের প্রতিশ্রুতি এক রকম থাকে না, কাজ শেষ হয়ে গেলেও কেউ কেউ সম্পূর্ণ পে-মেন্ট প্রতিশ্রুত সময়ের চেয়ে দেরিতে দেন।
বাংলাদেশে এই পেশাটি এখনও সামাজিকভাবে তেমন একটা স্বীকৃতি পায়নি। তবে দ্রুতই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী বদলে যাচ্ছে।


কিছু ব্যতিক্রমী মার্কেটপ্লেস

Odesk.com, Elance.com, Freelancer.com- এই প্রচলিত সাইটগুলো ছাড়াও ব্যতিক্রমি কিছু ফ্রিল্যান্সিং করার সাইট আছে। সংক্ষেপে সেগুলোর একটি বর্ণনা এখানে দেওয়া হল।

99designs.com : গ্রাফিক ডিজাইন নির্ভর এই সাইটটিতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজের পুরস্কার প্রদান করা হয়। আর এ সাইটের পুরস্কারের টাকার পরিমাণ অন্য যেকোনো সাইটের তুলনায় বেশ ভাল। এখানে ক্লায়েন্ট তার চাহিদা অনুযায়ী কাজের বিবরণ দিবেন, কাজটি পাওয়ার জন্য আপনাকে কোন দরখাস্ত করতে হবে না। তার বর্ননা করা চাহিদা অনুযায়ী আপনি ডিজাইন করবেন এবং তা প্রতিযোগিতার পেইজে আপলোড করবেন। আপনার ডিজাইনটি সংশ্লিষ্ট ক্লায়েন্ট দেখবেন। আপনার মত আরও অনেক ডিজাইনার তাঁর নিজের ডিজাইন আপলোড করবেন ক্লায়েন্টের কাছে। ক্লায়েন্ট এর যে ডিজাইন পছন্দ হবে তিনি সেটিই বেছে নেবেন এবং সবশেষে পারফেক্ট ডিজাইনারকে পুরস্কার বা প্রজেক্টের টাকা প্রদান করবেন।

themeforest.net: থিমফরেস্ট গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কাজের একটি জনপ্রিয় সাইট । গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এখানে তাঁদের ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রি করতে পারেন এবং ডেভেলপার হলে ডিজাইনের পাশাপাশি এইচটিএমএল এবং সিএসএস কোডিংও বিক্রি করা যায়। থিমফরেস্টে থিম বিক্রি হয়, আর গ্রাফিক্স বিক্রি করার জন্য গ্রাফিকরিভার, কোড বিক্রি করার জন্য কোডক্যানিয়ন, স্টক ফটোগ্রাফি বিক্রি করার জন্য ফটোডিউন এবং থ্রিডি অ্যানিমেশন বিক্রির জন্য থ্রিডিওশান বেশ জনপ্রিয় মার্কেটপেস।

এরকম ব্যতিক্রমী কিন্তু জনপ্রিয় আরও দুটি মার্কেটপ্লেস হল designcrowd.com এবং fiverr.com
বিবেচ্য বিষয়

ফ্রিল্যান্সিং প্রজেক্টগুলোর একটি বড় অংশ আসে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে, তাদের সাথে আমাদের সময়ের পার্থক্য ৫ থেকে ১২ ঘন্টা। সহজ প্রজেক্টগুলো পোস্ট হবার প্রায় সাথে সাথেই বিডিং শুরু হয়ে যায়। তাই আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরুতে রাতের বেলা বিড করতে হবে।

কাজটি জেনুইন কিনা বুঝতে সবার আগে যিনি প্রজেক্টটি পোস্ট করেছেন তার অ্যাকাউন্টটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। তার সম্পর্কে অন্যদের ফিডব্যাকগুলো দেখে নিন। তিনি পেমেন্ট ভেরিফাইড কিনা সেটা দেখুন। বিড করার পর প্রজেক্ট পেয়ে গেলে তাকে প্রশ্ন করুন যে তিনি কিভাবে পে-মেন্ট দিতে চান, কবে দিতে পারবেন।

ভালো ক্লায়েন্ট ধরে রাখার চেষ্টা করুন। সব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে আপনি একই ব্যবহার পাবেন না, যার ব্যবহার ভালো তাকে ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। ভবিষ্যতে তার হাত ধরেই আপনি ভালো প্রজেক্ট পেতে পারেন।

আপনি যেই মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন সেখানে Escrow সার্ভিস থাকলে সেটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন। Escrow হল মার্কেটপ্লেসে টাকা জমা রাখার একটি সার্ভিস যা কাজের শেষে আপনার পারিশ্রমিক পাওয়া নিশ্চিত করে। কোনো একটি প্রজেক্টের বিষয়ে কথা বলার সময় আপনি ক্লায়েন্টকে অনুরোধ করতে পারেন পারিশ্রমিকের পুরো টাকাটি Escrow তে জমা রাখতে। Escrow তে একবার টাকা রাখার পর তা ক্লায়েন্ট ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে তিনি Escrow থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা Discharge করে দিবেন। যদি আপনার ক্লায়েন্ট টাকা না দেন, তাহলে এই Escrow সার্ভিসের মাধ্যমে আপনার পাওনা টাকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী করতে পারবেন।

কোনো কোনো প্রজেক্টের জন্য Employer ইন্টারভিউ এর ব্যবস্থা রাখেন। যেসব প্রজেক্টের জন্য ইন্টারভিউ শুরু হয়ে গেছে সেগুলোতে বিড না করাই ভালো, কারণ ইন্টারভিউ যেহেতু শুরু হয়ে গেছে, সুতরাং সেগুলো থেকে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

কাজের চাপ সামাল দিতে শিখুন। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় সব সময় কাজের চাপ সমান থাকে না। যখন চাপ অনেক বেশি থাকে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রন করাটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে একটি ভালো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। সময়ানুবর্তীতা বজায় রাখুন।

আধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নতির দিকে চোখ রাখুন। সব সময় আপনার কাজের মান উন্নয়ন করতে চেষ্টা করুন। এটি আপনার ভাল প্রোফাইল ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

সহসাই কোনো প্রজেক্টের প্রস্তাব গ্রহণ না করে একটু ভেবে দেখুন কাজটি আপনি ১০০ ভাগ সম্পূর্ণ করতে পারবেন কিনা।

কোনো কোনো মার্কেটপ্লেসে বিডিং করার সময় একটি Cover letter দিতে হয়। এক্ষেত্রে Cover letter টি প্রাসঙ্গিক, হতে হবে। সব কয়টি Cover letter এ একই ধরনের Template ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন আপনার সব কয়টি Cover letter নিজে থেকে বানাতে, এতে আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ পাবে।

আপনার কাজের জায়গাটি সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কাজের মাঝে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না। আপনার প্রাত্যহিক কাজগুলো মনে রাখতে একটি ছোটো নোটবুক সাথে রাখতে পারেন।

ক্লায়েন্টের সাথে যেকোন ধরনের যোগাযোগ অথবা অডিও/ভিডিও ইন্টারভিউ এর সময় পেশাদারী পোশাক এবং ব্যবহার বজায় রাখুন।

আপনার কাজ ক্লায়েন্টের পছন্দ হয়েছে কি-না তা জিজ্ঞেস করতে ভুলবেন না। ক্লায়েন্টের feedback থেকে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

অদ্ভুতুড়ে 1:45 AM

ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে অবশ্যই ডলারকে টাকায় রুপান্তর করার মাধ্যম বা ট্রান্সফারের মাধ্যমটিও জানা থাকা জরুরি! তাহলে এই পর্বে এটাই হোক আজকের আলোচ্য বিষয়! 





টাকা তুলবেন কিভাবে

Bank-to-Bank Wire Transfer: কিছু কিছু মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। তবে সব মার্কেটপ্লেস থেকে এটি করা যায় না, সেক্ষেত্রে অনলাইনে টাকা লেনদেনের বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে আপনার অর্থটি ডলার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। টাকা পাবার পর সেটি আপনি Skrill (প্রাক্তন Moneybookers) বা এ ধরনের কোনো মানি সার্ভিসের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। 


এক্ষেত্রে আপনাকে মার্কেটপ্লেস ভেদে ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। এরপর Skrill থেকে সেই টাকাটি আপনি আপনার দেশের কোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। এই ধাপে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে আরেকটি ট্রান্সফার ফি কেটে নিতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার খেয়াল রাখতে হবে যে ব্যাংকটির যেনো অবশ্যই একটি SWIFT Code থাকে। নতুবা আপনার টাকা Skrill থেকে ট্রান্সফার হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি প্রথম ট্রান্স্যাকশনের ক্ষেত্রে প্রায় এক মাস লাগে। পরবর্তী Transaction গুলো সাত দিনের মধ্যেই হয়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর SWIFT Code পেতে নিচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ
http://www.theswiftcodes.com/bangladesh/

পেওনিয়ার কার্ড (Payoneer MasterCard): নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে আপনি আপনার মার্কেটপ্লেস থেকে যেকোনো সময়ে অর্থ উত্তোলন করার জন্য একটি কার্ড পেতে পারেন। এটি এক রকম ডেবিট কার্ডের মত। এই কার্ড দিয়ে আপনি পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে ATM এর মাধ্যমে যেকোন সময়ে আপনার মার্কেটপ্লেসে জমানো টাকা তুলতে পারবেন। এই কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটাও করতে পারবেন। এমনকি এর মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত আপনার কোন আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব তাদের মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থেকে আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবেন।
পেয়নিয়রের ফ্রি মাস্টার কার্ড পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুণ, এবং একাউন্ট খুলে জিতে নিন ২৫ডলারঃ

www.payoneer.com/


ক্লায়েন্ট এর নিকট থেকে সরাসরি ট্রান্সফারঃ যখন কেউ একজন আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট হয়ে যাবেন, তখন তার কাছ থেকে প্রজেক্ট পেতে আপনার আর মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে না। তিনি সরাসরি আপনার সাথে ই-মেইল বা অন্য কোনো উপায়ে যোগাযোগ করে প্রজেক্ট দিবেন এবং প্রজেক্টের পে-মেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করবেন।

অদ্ভুতুড়ে 1:01 AM

আউটসোর্সিং (Outsourcing) হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোনো প্রকল্পের অংশ বিশেষ অথবা সমগ্র প্রকল্প। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) হচ্ছে যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা। গতানুগতিক অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। কোম্পানিগুলো সাধারণত আউটসোর্সিং করে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পর্যাপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন - Web Development, Software Development, Writing & Content, Design, Multimedia & Architecture, SEO/SEM/SMM, Data Entry ইত্যাদি) আউটসোর্সিং করা হয়। যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ। 


 

 
কিভাবে শুরু করবেন

একজন ক্লায়েন্ট আপনাকে তখনই কাজ দেবেন, যখন তিনি আপনার প্রোফাইল দেখে সন্তুষ্ট হবেন, এবং আপনি যেই অ্যামাউন্ট বিড করবেন তা তার মনঃপুত হবে। সুতরাং সবার প্রথমেই আপনাকে এমন একটি সুন্দর ও গোছানো প্রোফাইল বানাতে হবে যা দেখে যেকোন ব্যক্তি আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহী হবেন। একই সাথে আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস ঘুরে দেখুন, সেগুলোর চাহিদা সম্পর্কে জানুন এবং আপনার প্রোফাইল সেই অনুযায়ী গড়ে তুলুন।


একটি ভালো প্রোফাইল বানাতে হলে আপনাকে যা করতে হবেঃ
নিজেকে কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ করে তুলুন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পাবেন সার্চ ইঞ্জিন (যেমন Google, Bing, Yahoo ইত্যাদি) এবং বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল থেকে। এছাড়া দেশে প্রচুর ট্রেনিং সেন্টার আছে, সেগুলো থেকে কিছু বেসিক ট্রেনিং নিতে পারেন। তবে শুধু ট্রেনিং সেন্টারগুলোর উপর নির্ভর করলেই হবে না, এগিয়ে যেতে গেলে আপনাকে নিজে থেকেই কাজ সম্পর্কিত অনেক কিছু শিখতে হবে।আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কিছু কাজ তৈরী করুন। যেমন, আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনিং এ দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে কিছু ওয়েব পেইজ বানান, সেগুলো আপনার মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলে দেখান। আবার আপনি যদি লেখালেখি বা ফটোগ্রাফীর কাজে পারদর্শী হন তাহলে সেগুলোর কিছু নমুনা আপনার প্রোফাইলে রাখুন।

♠ ODesk.com, Freelancer.com, elance.com ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে দক্ষতা পরিমাপের পরীক্ষা দেওয়া যায়। এগুলো দেওয়া জরুরী। যার যত বেশি পরীক্ষা দেওয়া থাকে তার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যায়।

♠ আপনার প্রোফাইল এবং দক্ষতাগুলো শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ছাড়াও অন্যান্য জায়গা – যেমন বন্ধুমহল, সামাজিক যোগাযোগের সাইট, ব্লগিং সাইট অথবা ফোরামগুলোতে শেয়ার করুন।


ক্লায়েন্ট পাবেন কিভাবে

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ফ্রিল্যান্সারগণ সবচেয়ে বেশি কাজ পান অন্য কারো রেফারেন্সের মাধ্যমে। আপনার যদি পরিচিত এমন কেউ না থাকেন যিনি আপনাকে রেফার করতে পারেন, তাহলে সুন্দর প্রোফাইল বানিয়ে, সঠিক টাকা বিড/ আওয়ারলী রেট নির্ধারণ করে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন। প্রথম কাজ পাওয়াটা অনেক ক্ষেত্রেই ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল। আপনি ৩ দিনেও কাজ পেতে পারেন, আবার ৩ মাস-ও লেগে যাতে পারে। এটি আপনার ধৈর্যের একটি বড় পরীক্ষা।

একবার কাজ পেয়ে গেলে, সেই কাজটি মন দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করুন। এতে ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে আপনাকে ভালো ফিডব্যাক দেবেন। পরবর্তীতে আপনি এই ক্লায়েন্টের কাছ থেকেই নতুন কাজ পেতে পারেন।


কি কাজ করবেন
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন কাজ পেতে পারেন। সহজ কাজগুলোর মধ্যে আছে Search Engine Optimization, Article writing, Data Entry ইত্যাদি। স্বভাবতই কাজগুলো যেহেতু সহজ, সেহেতু এগুলোতে বিডিং হয় সবচেয়ে বেশি এবং এগুলো সহসা পাওয়াও দুষ্কর। এগুলোর চাইতে একটু কঠিন কাজ হল Web Development, Product Development, Software Development, Graphics Designing ইত্যাদি। কঠিন কাজগুলোতে সহজ কাজের চাইতে পে-মেন্ট বেশি থাকে।

আপনি কোন্ কাজটি করবেন সেটি নির্ভর করে আপনি কোন্ কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং মার্কেটপ্লেসে তার চাহিদা কেমন। সবসময় এই দুটো বিষয়ের ওপর ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করুন।

আপনার কাজটি কতটা জটিল, এটি সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে রেট নির্ধারিত হয়। ফিক্সড পেমেন্টের কাজগুলো ৩০ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ বা তারও বেশি ডলারের হয়।


কিভাবে বিড করবেন

♦ প্রধানত দুই প্রকারে বিডিং করা হয়ঃ

♠ Project Fee: কোনো একটি প্রজেক্ট যখন মার্কেটপ্লেসে দেওয়া হয়, তখন আপনি পুরো প্রজেক্টটি সম্পন্ন    করতে কত পারিশ্রমিক নিবেন তা নিয়ে বিডিং করতে পারেন। 

♠ Hourly Rate: এই পদ্ধতিতে আপনি কোনো একটি প্রজেক্টের জন্য কাজ করতে প্রতি ঘন্টায় কত পারিশ্রমিক নেবেন, তা নিয়ে বিড করতে পারেন।

অদ্ভুতুড়ে 11:13 PM

সাধারণত জারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন তারা সকলেই জানে বা শুনেছে যে অনলাইনে টাকা/ডলার আয় করা যায়। কিন্তু অনেকেই জানে না যে কি ভাবে তা করা হয়। কেউ যদি ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী হয়, তাহলে অবশ্যই তাকে ফ্রিল্যান্সিং সম্প্রকে ধারণা থাকতে হবে। 



একজন ফ্রিলেন্সার হতে হোলে যা যা জানা বা করা দরকার।

১।নিজস্ব একটি oDesk/freelancer/Elance/fiverr প্রোফাইল থাকতে হবে।
২।নিজেকে কাজের উপযুক্ত করে গোড়তে হবে।
৩।ইংরেজিতে খুব ভাল না হলেও অন্তত লেখা ও অন্নের বাচন বুঝার ক্ষমতা থাকতে হবে।
৪।প্রফাইল সাজানো গুছানো রাখা।
৫।তারাহুরা বা যেমন খুশি তেমন ভাবে জব অ্যাপ্লাই না করা।
৬।সময় সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে।
৭।আপনাকে আপনার বাছাই করা ক্যাটাগরিতে oDesk কিছু Test/Exam এর ব্যাবস্থা রেখেছে।সে গুলোতে আংশগ্রহন নিশ্চিত করুন।
৮।প্রোফাইল এ কোন মিথ্যা/ভুল তথ্য না দেওয়া।

আসলে সফলতা অনেক কঠিন জিনিস তা আমরা সবাই জানি। তবে উপরের আঁটটি ধাপ যদি ১০০ ভাগ কোন  ব্যাক্তি চেস্ট করে সফল সে হবেই। এত সময় আমি কেবল প্রাথমিক কিছু ধাপ আপনাদের জানিয়ে রাখলাম।

যে ভাবে আপনার প্রফাইল তৈরি করবেন
আমি যে ওয়েবসাইটের প্রফাইল নিয়ে আপনাদের সাথে আলচনা করছি সেই ওয়েবসাইটের নাম "oDesk" ।
[[আমি আপনাদের একটি সাইট এর সাথে পরিচয়য় করিয়ে দিবো, বাকী গুলো আপনারা নিজে নিজে পরিচয় হয়ে নিবেন]]


১। আপনার ব্রাউজার এ টাইপ করুন (WWW.odesk.com) কিছুক্ষণ পর আপনার ডেস্কটপে একটা পেইজ আসবে।

এখন আপনি ইউজার/ব্যাবহারকারী/সদস্য হতে চাইলে sign up লেখায় ক্লিক করুন।

এবার নতুন আর একটি পেইজ আসবে ২টি অপশন শহ।
এবার লক্ষ্য করুন এখানে ২টি অপশন আছে।

১।Need freelancer (ক্লাইন্ট অপশন) যদি কেউ ফ্রিল্যান্সার চায়।
২।Need Job ( ফ্রিল্যান্সারঅপশন ) যারা কাজ করতে চায়।

যেহেতু আমরা কাজ করতে চাই, তাই আমরা ২নং টা বা লাল দাগ দেয়া I Need a Job অপশনটাই বেছে নিয়ে ক্লিক করব।

এবার নতুন আর একটি পেইজ অপেন/খুলবে/আসবে।সেখানে আপনার নাম/ইমেইল আইডি/পাসওয়ার্ড সহ বিভিন্ন তথ্য আসবে যে গুলো আপনাকে পুরন করতে হবে।

পেইজটিতে একটি অপশন আছে যেখানে বলা আছে,How did you hear about odesk? এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা অনজায়ীউত্তর দিতে পারেন। যেমনঃ

আমি এখানে উত্তর হিসেবে নিয়েছি Friend (কালো কালি) দাগ সম্বলিত।পেইজটির সম্পূর্ণ তথ্য পুরন করে সবুজ রং এর বাটন এ  ক্লিক করুন।

এবার একটা পেইজ আসবে যেখানে আপনার প্রোফাইল অনুমতি পাওয়ার জন্য লাল বৃত্ত সম্বলিত লিংক এ ক্লিক করুন।

এবার আপনার ইমেইল এ একটি বার্তা যাবে অডেস্ক থেকে ঐ লিংক এ ক্লিক করলে আপনাকে আরও একটি পেইজ আসবে।

এবার আপনার username/eMAIL দিন। অর্থাৎ যে username বা eMAIL আপনি sign up করেছেন সেটা বসাবেন।
তারপর আপনার অডেস্ক password এর ঘরে password দিন।
এবার sign in বাটনে ক্লিক করুন।


আসলে কোন কিছুই জটিল বা কঠিন না। আপনার ইচ্ছা আর প্রচেষ্টাই যথেস্ট। ভাবছেন শুধু প্রোফাইল তৈরি করলেই কি আর কাজ/টাকা/ডলার আসবে? আমিও বলব না শুধু প্রোফাইল তৈরি করলেই কাজ/টাকা/ডলার আসবে না।

ভয় পাবার বা সাহস হারানোর কোনই কারন নেই, আমি আছি প্রতিদিন আপনাদের পাশে।আপ নার প্রোফাইল সাজানো থেকে কাজের জন্য দরখস্ত তৈরি করা পর্যন্ত আপনাদের সাথেই আছি।

আশা করব আগ্রহী বন্ধুরা আমার এই পোষ্ট পরবেন,বুঝবেন এবং তার যথাযথ প্রয়োগ করবেন।
এবং পরবর্তী টিউটোরিয়াল এর অপেক্ষায় থাকুন আমি আবার আসছি ভালো কিছু নিয়ে।

অদ্ভুতুড়ে 11:09 PM

আসুন টিউটোরিয়ালের সাহায্যে দেখে ফেলি কিভাবে ফেসবুক টাইমলাইনের কভার ডিজাইন প্রজেক্ট তৈরি করা যায়।



একটি বিজনেস ফ্যানপেজের জন্য ফেসবুক টাইমলাইন কভার ডিজাইন প্রজেক্ট তৈরী করতে কিভাবে ফটোশপকে ব্যবহার করা যায় তার উপর একটি টিউটোরিয়াল নিম্নে দেয়া হলো।


আশা করি টিউটোরিয়াল্টি ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ।

অদ্ভুতুড়ে 11:07 PM

সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার প্রক্রিয়াটি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা খুব একটা জটিল নয় বরং বেশ মজার বলতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সামনে রাস্তা আছে দুটি। একটি হল ম্যানুয়াল সেটআপ, আর অপরটি হল সিপ্যানেল থেকে সরাসরি ইন্সটল। যেভাবেই সেটআপ করা হোক না কেন, কাজ মূলত একটাই। তবে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে ম্যানুয়ালি সেটআপ দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে সরাসরি সিপ্যানেল থেকে ইন্সটল করতে সময় যেমন কম লাগে, তেমনি এটি একটি নির্ভেজাল পদ্ধতি। 


আমরা এই টিউটোরিয়ালে ব্যাবহার করেছি একটি প্র্যাকটিস ডোমেইন (practice.shadnanmahmud.com). আমাদের ইচ্ছা যে এই ডোমেইন এই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিব। এখন অটোমেটিক সেটআপ দেওয়ার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে এই ডোমেইন (আসলে সাবডোমেইন) এর কন্ট্রোল প্যানেলে। যারা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইড করে তারা এখন এর সাথে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বিভিন্ন APPS INSTALLER ও জুড়ে দ্যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইউজ করা INSTALLER হচ্ছে SOFTACULOUS. আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি চেক করে দেখেন, আপনার কন্ট্রোল প্যানেল এও আপনি এই ধরনের INSTALLER পাবেন। INSTALLER এর অনেক অপশন গুলার মধ্যে থেকে WordPress এ ক্লিক করেন। 


ক্লিক করা মাত্রই আপনি ওই ইন্সটলার এর হোমপেজে চলে যাবেন। সেখানে আপনাকে ইন্সটল এর অপশন দেখাবে – 
 
ওয়ার্ডপ্রেস-এর সেটআপ পদ্ধতি জেনে নিন      সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার প্রক্রিয়াটি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা খুব একটা জটিল নয় বরং বেশ মজার বলতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সামনে রাস্তা আছে দুটি। একটি হল ম্যানুয়াল সেটআপ, আর অপরটি হল সিপ্যানেল থেকে সরাসরি ইন্সটল। যেভাবেই সেটআপ করা হোক না কেন, কাজ মূলত একটাই। তবে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে ম্যানুয়ালি সেটআপ দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে সরাসরি সিপ্যানেল থেকে ইন্সটল করতে সময় যেমন কম লাগে, তেমনি এটি একটি নির্ভেজাল পদ্ধতি।  আমরা এই টিউটোরিয়ালে ব্যাবহার করেছি একটি প্র্যাকটিস ডোমেইন (practice.shadnanmahmud.com). আমাদের ইচ্ছা যে এই ডোমেইন এই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিব। এখন অটোমেটিক সেটআপ দেওয়ার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে এই ডোমেইন (আসলে সাবডোমেইন) এর কন্ট্রোল প্যানেলে। যারা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইড করে তারা এখন এর সাথে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বিভিন্ন APPS INSTALLER ও জুড়ে দ্যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইউজ করা INSTALLER হচ্ছে SOFTACULOUS. আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি চেক করে দেখেন, আপনার কন্ট্রোল প্যানেল এও আপনি এই ধরনের INSTALLER পাবেন। INSTALLER এর অনেক অপশন গুলার মধ্যে থেকে WordPress এ ক্লিক করেন।    ক্লিক করা মাত্রই আপনি ওই ইন্সটলার এর হোমপেজে চলে যাবেন। সেখানে আপনাকে ইন্সটল এর অপশন দেখাবে –    ইন্সটল এ ক্লিক করার পর আপনার কাছে খালি ঘর পুরনের জন্য একটা নতুন পেজ আসবে। সেই পেজে অপশন গুলো পাবেন সাধারণত এমন –    প্রত্যেকটা ঘর পূরণ করা লাগবে না, তবে যেগুলো ইম্পরট্যান্ট সেগুলা হল ডাটাবেস এর ঘর, ব্লগের নাম, ব্লগের ডেসক্রিপশন, আপনার ইউজার নেম আর সবশেষে পাসওয়ার্ড। ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা আপনি যতবার আপনার ওয়েবসাইটে কোন কিছু এডিট করতে চাইবেন তত বার আপনাকে এই পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম ইউজ করতেই হবে। এগুলো ছাড়াও দুইটা অপশন সাধারনত আসে – একটা টেবিল প্রিফিক্স আর আরেকটা মাল্টিসাইট, এই দুইটা ঘরে হাত দেয়ার কোন দরকার নাই। থাক এই দুইটা ঘর নিজের মত। তো এরপর যেখানে মেইল অ্যাড্রেস চায় সেখানে নিজের মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে দেন। এরপর ইন্সটল নামের যে বাটনটা আছে তাতে দেন গুতা। ব্যাস কাহিনী খতম।   এখন আপনার যেই ওয়েবসাইট সেইটা রিলোড দিলেই দেখবেন খুবই চমৎকার ভাবে সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে গেছে। ওয়ার্ডপ্রেস-এ কোন এডিট বা অন্য কিছু করার জন্য আপনাকে এখন যেতে হবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে। ড্যাশবোর্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় ‘www.mukhles.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘www.mukhles.com/wp-admin’ অথবা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম যদি হয় ‘practice.shadnanmahmud.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘practice.shadnanmahmud.com/wp-admin'; এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি নিচের মত একটা পেজ পাবেন।    সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড। এই ড্যাশবোর্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।


ইন্সটল এ ক্লিক করার পর আপনার কাছে খালি ঘর পুরনের জন্য একটা নতুন পেজ আসবে। সেই পেজে অপশন গুলো পাবেন সাধারণত এমন – 
 
ওয়ার্ডপ্রেস-এর সেটআপ পদ্ধতি জেনে নিন      সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার প্রক্রিয়াটি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা খুব একটা জটিল নয় বরং বেশ মজার বলতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সামনে রাস্তা আছে দুটি। একটি হল ম্যানুয়াল সেটআপ, আর অপরটি হল সিপ্যানেল থেকে সরাসরি ইন্সটল। যেভাবেই সেটআপ করা হোক না কেন, কাজ মূলত একটাই। তবে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে ম্যানুয়ালি সেটআপ দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে সরাসরি সিপ্যানেল থেকে ইন্সটল করতে সময় যেমন কম লাগে, তেমনি এটি একটি নির্ভেজাল পদ্ধতি।  আমরা এই টিউটোরিয়ালে ব্যাবহার করেছি একটি প্র্যাকটিস ডোমেইন (practice.shadnanmahmud.com). আমাদের ইচ্ছা যে এই ডোমেইন এই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিব। এখন অটোমেটিক সেটআপ দেওয়ার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে এই ডোমেইন (আসলে সাবডোমেইন) এর কন্ট্রোল প্যানেলে। যারা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইড করে তারা এখন এর সাথে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বিভিন্ন APPS INSTALLER ও জুড়ে দ্যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইউজ করা INSTALLER হচ্ছে SOFTACULOUS. আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি চেক করে দেখেন, আপনার কন্ট্রোল প্যানেল এও আপনি এই ধরনের INSTALLER পাবেন। INSTALLER এর অনেক অপশন গুলার মধ্যে থেকে WordPress এ ক্লিক করেন।    ক্লিক করা মাত্রই আপনি ওই ইন্সটলার এর হোমপেজে চলে যাবেন। সেখানে আপনাকে ইন্সটল এর অপশন দেখাবে –    ইন্সটল এ ক্লিক করার পর আপনার কাছে খালি ঘর পুরনের জন্য একটা নতুন পেজ আসবে। সেই পেজে অপশন গুলো পাবেন সাধারণত এমন –    প্রত্যেকটা ঘর পূরণ করা লাগবে না, তবে যেগুলো ইম্পরট্যান্ট সেগুলা হল ডাটাবেস এর ঘর, ব্লগের নাম, ব্লগের ডেসক্রিপশন, আপনার ইউজার নেম আর সবশেষে পাসওয়ার্ড। ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা আপনি যতবার আপনার ওয়েবসাইটে কোন কিছু এডিট করতে চাইবেন তত বার আপনাকে এই পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম ইউজ করতেই হবে। এগুলো ছাড়াও দুইটা অপশন সাধারনত আসে – একটা টেবিল প্রিফিক্স আর আরেকটা মাল্টিসাইট, এই দুইটা ঘরে হাত দেয়ার কোন দরকার নাই। থাক এই দুইটা ঘর নিজের মত। তো এরপর যেখানে মেইল অ্যাড্রেস চায় সেখানে নিজের মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে দেন। এরপর ইন্সটল নামের যে বাটনটা আছে তাতে দেন গুতা। ব্যাস কাহিনী খতম।   এখন আপনার যেই ওয়েবসাইট সেইটা রিলোড দিলেই দেখবেন খুবই চমৎকার ভাবে সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে গেছে। ওয়ার্ডপ্রেস-এ কোন এডিট বা অন্য কিছু করার জন্য আপনাকে এখন যেতে হবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে। ড্যাশবোর্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় ‘www.mukhles.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘www.mukhles.com/wp-admin’ অথবা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম যদি হয় ‘practice.shadnanmahmud.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘practice.shadnanmahmud.com/wp-admin'; এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি নিচের মত একটা পেজ পাবেন।    সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড। এই ড্যাশবোর্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।


প্রত্যেকটা ঘর পূরণ করা লাগবে না, তবে যেগুলো ইম্পরট্যান্ট সেগুলা হল ডাটাবেস এর ঘর, ব্লগের নাম, ব্লগের ডেসক্রিপশন, আপনার ইউজার নেম আর সবশেষে পাসওয়ার্ড। ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা আপনি যতবার আপনার ওয়েবসাইটে কোন কিছু এডিট করতে চাইবেন তত বার আপনাকে এই পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম ইউজ করতেই হবে। এগুলো ছাড়াও দুইটা অপশন সাধারনত আসে – একটা টেবিল প্রিফিক্স আর আরেকটা মাল্টিসাইট, এই দুইটা ঘরে হাত দেয়ার কোন দরকার নাই। থাক এই দুইটা ঘর নিজের মত।

তো এরপর যেখানে মেইল অ্যাড্রেস চায় সেখানে নিজের মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে দেন। এরপর ইন্সটল নামের যে বাটনটা আছে তাতে দেন গুতা। ব্যাস কাহিনী খতম।


এখন আপনার যেই ওয়েবসাইট সেইটা রিলোড দিলেই দেখবেন খুবই চমৎকার ভাবে সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে গেছে। ওয়ার্ডপ্রেস-এ কোন এডিট বা অন্য কিছু করার জন্য আপনাকে এখন যেতে হবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে। ড্যাশবোর্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় ‘www.mukhles.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘www.mukhles.com/wp-admin’ অথবা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম যদি হয় ‘practice.shadnanmahmud.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘practice.shadnanmahmud.com/wp-admin'; এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি নিচের মত একটা পেজ পাবেন। 
 
ওয়ার্ডপ্রেস-এর সেটআপ পদ্ধতি জেনে নিন      সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার প্রক্রিয়াটি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা খুব একটা জটিল নয় বরং বেশ মজার বলতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সামনে রাস্তা আছে দুটি। একটি হল ম্যানুয়াল সেটআপ, আর অপরটি হল সিপ্যানেল থেকে সরাসরি ইন্সটল। যেভাবেই সেটআপ করা হোক না কেন, কাজ মূলত একটাই। তবে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে ম্যানুয়ালি সেটআপ দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে সরাসরি সিপ্যানেল থেকে ইন্সটল করতে সময় যেমন কম লাগে, তেমনি এটি একটি নির্ভেজাল পদ্ধতি।  আমরা এই টিউটোরিয়ালে ব্যাবহার করেছি একটি প্র্যাকটিস ডোমেইন (practice.shadnanmahmud.com). আমাদের ইচ্ছা যে এই ডোমেইন এই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিব। এখন অটোমেটিক সেটআপ দেওয়ার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে এই ডোমেইন (আসলে সাবডোমেইন) এর কন্ট্রোল প্যানেলে। যারা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইড করে তারা এখন এর সাথে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বিভিন্ন APPS INSTALLER ও জুড়ে দ্যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইউজ করা INSTALLER হচ্ছে SOFTACULOUS. আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি চেক করে দেখেন, আপনার কন্ট্রোল প্যানেল এও আপনি এই ধরনের INSTALLER পাবেন। INSTALLER এর অনেক অপশন গুলার মধ্যে থেকে WordPress এ ক্লিক করেন।    ক্লিক করা মাত্রই আপনি ওই ইন্সটলার এর হোমপেজে চলে যাবেন। সেখানে আপনাকে ইন্সটল এর অপশন দেখাবে –    ইন্সটল এ ক্লিক করার পর আপনার কাছে খালি ঘর পুরনের জন্য একটা নতুন পেজ আসবে। সেই পেজে অপশন গুলো পাবেন সাধারণত এমন –    প্রত্যেকটা ঘর পূরণ করা লাগবে না, তবে যেগুলো ইম্পরট্যান্ট সেগুলা হল ডাটাবেস এর ঘর, ব্লগের নাম, ব্লগের ডেসক্রিপশন, আপনার ইউজার নেম আর সবশেষে পাসওয়ার্ড। ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা আপনি যতবার আপনার ওয়েবসাইটে কোন কিছু এডিট করতে চাইবেন তত বার আপনাকে এই পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম ইউজ করতেই হবে। এগুলো ছাড়াও দুইটা অপশন সাধারনত আসে – একটা টেবিল প্রিফিক্স আর আরেকটা মাল্টিসাইট, এই দুইটা ঘরে হাত দেয়ার কোন দরকার নাই। থাক এই দুইটা ঘর নিজের মত। তো এরপর যেখানে মেইল অ্যাড্রেস চায় সেখানে নিজের মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে দেন। এরপর ইন্সটল নামের যে বাটনটা আছে তাতে দেন গুতা। ব্যাস কাহিনী খতম।   এখন আপনার যেই ওয়েবসাইট সেইটা রিলোড দিলেই দেখবেন খুবই চমৎকার ভাবে সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে গেছে। ওয়ার্ডপ্রেস-এ কোন এডিট বা অন্য কিছু করার জন্য আপনাকে এখন যেতে হবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে। ড্যাশবোর্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় ‘www.mukhles.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘www.mukhles.com/wp-admin’ অথবা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম যদি হয় ‘practice.shadnanmahmud.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘practice.shadnanmahmud.com/wp-admin'; এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি নিচের মত একটা পেজ পাবেন।    সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড। এই ড্যাশবোর্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।


সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড। এই ড্যাশবোর্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। 
 
ওয়ার্ডপ্রেস-এর সেটআপ পদ্ধতি জেনে নিন      সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইটে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করার প্রক্রিয়াটি আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা খুব একটা জটিল নয় বরং বেশ মজার বলতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সামনে রাস্তা আছে দুটি। একটি হল ম্যানুয়াল সেটআপ, আর অপরটি হল সিপ্যানেল থেকে সরাসরি ইন্সটল। যেভাবেই সেটআপ করা হোক না কেন, কাজ মূলত একটাই। তবে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে ম্যানুয়ালি সেটআপ দেওয়ার ক্ষেত্রে। অন্যদিকে সরাসরি সিপ্যানেল থেকে ইন্সটল করতে সময় যেমন কম লাগে, তেমনি এটি একটি নির্ভেজাল পদ্ধতি।  আমরা এই টিউটোরিয়ালে ব্যাবহার করেছি একটি প্র্যাকটিস ডোমেইন (practice.shadnanmahmud.com). আমাদের ইচ্ছা যে এই ডোমেইন এই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিব। এখন অটোমেটিক সেটআপ দেওয়ার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে এই ডোমেইন (আসলে সাবডোমেইন) এর কন্ট্রোল প্যানেলে। যারা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইড করে তারা এখন এর সাথে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য বিভিন্ন APPS INSTALLER ও জুড়ে দ্যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইউজ করা INSTALLER হচ্ছে SOFTACULOUS. আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি চেক করে দেখেন, আপনার কন্ট্রোল প্যানেল এও আপনি এই ধরনের INSTALLER পাবেন। INSTALLER এর অনেক অপশন গুলার মধ্যে থেকে WordPress এ ক্লিক করেন।    ক্লিক করা মাত্রই আপনি ওই ইন্সটলার এর হোমপেজে চলে যাবেন। সেখানে আপনাকে ইন্সটল এর অপশন দেখাবে –    ইন্সটল এ ক্লিক করার পর আপনার কাছে খালি ঘর পুরনের জন্য একটা নতুন পেজ আসবে। সেই পেজে অপশন গুলো পাবেন সাধারণত এমন –    প্রত্যেকটা ঘর পূরণ করা লাগবে না, তবে যেগুলো ইম্পরট্যান্ট সেগুলা হল ডাটাবেস এর ঘর, ব্লগের নাম, ব্লগের ডেসক্রিপশন, আপনার ইউজার নেম আর সবশেষে পাসওয়ার্ড। ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা আপনি যতবার আপনার ওয়েবসাইটে কোন কিছু এডিট করতে চাইবেন তত বার আপনাকে এই পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম ইউজ করতেই হবে। এগুলো ছাড়াও দুইটা অপশন সাধারনত আসে – একটা টেবিল প্রিফিক্স আর আরেকটা মাল্টিসাইট, এই দুইটা ঘরে হাত দেয়ার কোন দরকার নাই। থাক এই দুইটা ঘর নিজের মত। তো এরপর যেখানে মেইল অ্যাড্রেস চায় সেখানে নিজের মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে দেন। এরপর ইন্সটল নামের যে বাটনটা আছে তাতে দেন গুতা। ব্যাস কাহিনী খতম।   এখন আপনার যেই ওয়েবসাইট সেইটা রিলোড দিলেই দেখবেন খুবই চমৎকার ভাবে সেখানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হয়ে গেছে। ওয়ার্ডপ্রেস-এ কোন এডিট বা অন্য কিছু করার জন্য আপনাকে এখন যেতে হবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে। ড্যাশবোর্ড-এ লগ ইন করতে আপনার ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস এর পর লিখুন /wp-admin. মানে আপনার ওয়েবসাইট যদি হয় ‘www.mukhles.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘www.mukhles.com/wp-admin’ অথবা, আপনার ওয়েবসাইটের নাম যদি হয় ‘practice.shadnanmahmud.com’ তাহলে আপনার লিখতে হবে ‘practice.shadnanmahmud.com/wp-admin'; এই অ্যাড্রেস এ গেলে আপনি নিচের মত একটা পেজ পাবেন।    সেখানে ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড। এই ড্যাশবোর্ড থেকেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।

অদ্ভুতুড়ে 10:59 PM

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন।

 
 
তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন। 
ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager
ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।

এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ

নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন।
ডাউনলোডঃ IDM Pacher.exe

এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন।
এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজার (IDM) ইন্সটল করে সারাজীবন নিশ্চিন্ত থাকুন     ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।  ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।  এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ   নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন। ডাউনলোডঃIDM Pacher.exe  এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন। এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল। IDM Patch   এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।   এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না। IDM Pop UP আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন। প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।  এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। Download Manager for Android সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager  তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন। তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। সবাইকে ধন্যবাদ।



এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ

যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।

এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজার (IDM) ইন্সটল করে সারাজীবন নিশ্চিন্ত থাকুন     ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার বা IDM নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। কম্পিউটার ব্যবহার করে কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হাই স্পীডে যে কোন ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আইডিএম এর জুড়ি নেই। আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM) এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে তা রেজিশট্রেশন করবেন। সেই সাথে দেখাব আপডেট করার পর কিভাবে সেই রেজিস্ট্রেশন অক্ষুন্ন রাখবেন। তাহলে শুরু করা যাক। প্রথমে নিচের লিংক থেকে IDM এর সর্বশেষ ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।  ডাউনলোড লিংকঃ Internet Download Manager ডাউনলোড করে যথা নিয়মে ইনস্টল করে নিন। এটা খুব সহজ কাজ তাই দেখালাম না।  এবার রেজিষ্ট্রেশন করার পালাঃ   নিচের লিংক থেকে IDM Pacher.exe নামের Zip ফাইলটি নামিয়ে নিন। ডাউনলোডঃIDM Pacher.exe  এর পর আনজিপ করে ওপেন করুন। যদি এন্টিভাইরাস সমস্যা করে তাহলে এন্টিভাইরাস সাময়িকের জন্য ডিসেবল করে Register ফাইলটি ওপেন করুন। এবার নিচের ছবির মত করে First Name এবং Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেল। IDM Patch   এবার আপডেট নিয়ে কথাঃ যখন IDM এর নতুন ভার্সন আসবে তখন আপডেট করার জন্য পপআপ দেখাবে। আপডেট দিতে ভয় পাবেন না। আপডেট দিয়ে পিসি রিস্টার্ট চাইলে রিস্টার্ট দিবেন।   এর পর নিচের ছবির মত পপআপ দেখাবে এবং আপনাকে বলবে যে ফেক সিরিয়াল কি দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ভয় পাবেন না। IDM Pop UP আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন। প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।  এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। Download Manager for Android সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager  তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন। তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। সবাইকে ধন্যবাদ।


আবার IDM Pacher.exe ফাইলটি ওপেন করুন। আগের মত করে First Name, Last Name দিয়ে Patch File এ ক্লিক করবেন।
প্রতিবারে আপডেট দিয়ে এই কাজটি করতে হবে।

এন্ড্রয়েডের জন্য ডাউনলোড ম্যানাজারঃ
এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ভালমানের ডাউনলোড ম্যানাজার হচ্ছে Download Manager. গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। 
Download Manager for Android
সরাসরি ডাউনলোডঃ Android Download Manager

তাহলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজারের সর্বশেষ ভার্সন।
তো সবাই ভাল থাকুন। পর্বর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব।
সবাইকে ধন্যবাদ।

অদ্ভুতুড়ে 10:51 PM

আজ আমি আপনাদেরকে ফেসবুক (Facebook) ফটো, স্ট্যাটাস, ভিডিও আটো লাইকার এর ট্রিক দিব। এখান থেকে আপনি খুব সহজেই লাইক নিতে পারবেন । এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করা সহজ এবং দ্রুত লোড হয় এবং এটাহালকা ডিজাইন এবং ক্রস ব্রাউজার সাপোর্ট । নীচে টিউটোরিয়াল দিলাম। 

সুবিধা সমূহঃ

• Likes On Unlimited Status Without Any Time delay.
• Only Access Token Needed.
• This Works On Exchange Like Rule.
• 100% Free Of Scam And Spam.
• Will Not Post Anything From Your Account To Any Wall.
• Responsive Template For Every Platform.
• Quick To Load And Easy To Use.
• Simple And Stylish Template.
• Best Hosting Company.
• Your Access Token Will Be Secure.

পুরো টিউটোরিয়ালটি step বাই step দেওয়া হলো :

◘ প্রথমে, আপনার প্রোফাইল এ ফলো অন করুন । আর এর জন্য আপনাকে ১৮ বছর হইতে হবে । ফলো অন না করলেও চলবে । তারপর Privacy Public করুন ।

◘ তারপর আপনার ব্রাউজার এর ইউআরএল বক্স এ গিয়ে লিখুন http://morelike.ml এবং এন্টার প্রেস করুন ।

◘ এবার CLICK HERE এ ক্লিক করুন । এফবি অ্যাপটিকে ফুল পারমিশন দিতে হবে। তারপর টোকেন টি সংগ্রহ করুন । পেজটিরলিংকটি ব্রাউজারের পেজ ইনফো/অড্রেস বার থেকে কপি করুন ।লিংকটি দেখতে কিছুটা এইরকম হবে https://www.facebook.com/connect/login_success.html#access_token=CAAAA6.... লাল অংশটুকু হল এক্সেস টোকেন। এক্সেসটোকেন দেখতে কিছুটা এমন CAAAAPJmB8ZBwBAMZCbdEdiGicQWZAtilSavTy1mUFxmMEZBA1EK009edktYYGBsWyKA gdLV9tyJgx । মনে রাখবেন accsses_token=এর পরথেকে &expires_in=0 এর আগে পর্যন্তকপি করতে হবে. ইনডেক্স পেজ এর বক্স এ টোকেন Paste করুন । এবার Submit Your Access Token এ ক্লিক করুন । নিচের চিত্র দেখলে বুজতে পারবেন ।

◘ এবার নতুন পেজ ওপেন হলে সেখানে আপনার ছবি একটা বক্স আসবে সেটাতে আপনার সর্বশেষ পোস্ট দেখতে পারবেন । এবার শুধু আপনাকে LIKE MY THIS ID STATUS তে ক্লিক করেন ।

◘ এবার আপনার কাঙ্ক্ষিত স্ট্যাটাস, ফটো, ভিডিও এর পেজটি রিলোড দিন আর দেখুন কত গুলো লাইক পেয়েছেন।

[বি : দ্র :যদি এক পেজ বার বার আসে তাহলে রিলোড দিন এবার ট্রাই করুন।]

অদ্ভুতুড়ে 10:36 PM

"সোশ্যাল কীট" ( SocialKit ) অবিকল ফেসবুকের মত দেখতে একটি সোশ্যাল সাইট বানানোর পিএইচপি স্ক্রিপ্ট। যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বানিয়ে নিতে পারেন ফ্রি তে ফেসবুকের মত একটি সোশ্যাল সাইট! নিচের ছবিতে আমি আমার বানানো সোশ্যাল সাইটটির একটি ছবি দিলাম, দেখুনতো ফেসবুকের সাথে কতটুকু অমিল খুঁজে পান।

ডেমো দেখতে এখানে ক্লিক করুন @ http://follow.demo.socialkit.net । কি অবাক হচ্ছেন? এই পিএইচপি প্রিমিয়াম  স্ক্রিপটির মূল্য প্রায় ১৪,০০০ টাকা। থিমফরেস্টের কোডকেনোন থেকে যে কেউ কিনতে পারেন। তবে এখান থেকে ফ্রি ডাউনলোড করাতে পারেন।

ফ্রিতে ফেসবুকের মত নিজের নামে বানিয়ে নিন একটি সোশ্যাল সাইট, SocialKit!

"সোশ্যাল কীট" (SocialKit) বা অবিকল দেখতে ফেসবুকের এই সোশ্যাল সাইট-টিতে যে যে ফিচার থাকছেঃ

১। চ্যাট করার সুবিধা।
২। ব্যবহারকারীদের নিজ নিজ টাইমলাইন।
৩। থিম সেটাপ।
৪। অ্যাডভান্স এডমিন প্যানেল।
৫। লাইক এবং শেয়ার করার শুবিধা।
৬। ১০০% রেস্পন্সিভ।
৭। নোটিফেকেসন সিস্টেম।
৮। পেজ, গ্রুপ  বানানোর শুবিধা।
৯। নিউজ ফিড।
১০। এবং ফেসবুকের আরও অন্নান্য সকল শুভিদা।

তাহলে আর সময় নস্ট কেন? যদি নিজের হোস্টিং-ডোমেইন থেকে থাকে তবে এখনই ডাউনলোড করে আপলোড করে দিন। ... এবং বানিয়ে ফেলুন আপনার স্বপ্নের একটি সোশ্যাল সাইট! একদিন ভাগ্যে থাকলে আপনিও হয়ে যেতে পারেন জুকার্বার্গ! 


ডাউনলোড লিংকঃ ১ (socialkit-social-networking-platform-v1.2.2.rar - 1.3 MB)



  ডাউনলোড লিংকঃ ২ (socialkit-social-networking-platform-v1.2.2.rar - 1.3 MB)


কাজের সুবিধার জন্য নিম্নে একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল দিলাম, আশা করি কাজে আসবে।

Powered by Blogger.