Showing posts with label জানা অজানা।. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 3:25 AM

খুব শিগগিরই মানুষ হবে হাইব্রিড (Human introduce himself as hybrid).

Human introduce himself as hybrid
Human introduce himself as hybrid

সম্প্রতি গুগলের প্রকৌশল পরিচালক রে কুর্জওয়েল জানিয়েছেন যে, নিকটবর্তী ভবিষ্যতে মানুষের মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে তা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁর মতানুযায়ী, মানুষ তাঁর মস্তিষ্ক সরাসরি ক্লাউডের সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারবে পরবর্তী ১৫ বছরের মধ্যেই। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে তথ্য ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করার নামই হচ্ছে ক্লাউড। (Human introduce himself as hybrid)


সম্প্রতিকালে হয়ে যাওয়া নিউইয়র্কের এক্সপোনেনশিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশনের এক সম্মেলনে তিনি ক্লাউড প্রযুক্তির সাথে মানুষের মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেন। তাঁর মতে মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে ক্লাউড প্রযুক্তির সংযোগ ঘটবে এমনকি চিন্তাভাবনার বিষয়টি হবে একদিকে যেমন জীববিদ্যাগত ঠিক অন্যদিকে যান্ত্রিকও। (Human introduce himself as hybrid)
সিএনএন তাঁদের এক প্রতিবেদনে কুর্জওয়েলের এই ভবিষ্যদ্বাণীটি নিয়ে একটি শিরোনাম করেছে আর শিরোনামটি ছিলো ‘২০৩০ সালে আমাদের চিন্তাভাবনা বায়োলজিক্যাল ও নন বায়োলজিক্যাল এর হাইব্রিড হয়ে যাবে।’

তাঁর মত অনুযায়ী, খুব শিগগিরই ক্লাউড প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষ নিজেকে যুক্ত করে তাদের সকল সীমাবদ্ধতার অবসান ঘঠাতে পারবে। কুর্জওয়েল আরো বলেন যে. প্রতিটি কারিগরি উন্নতিরই একদিকে যেমন ইতিবাচক দিক রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে নেতিবাচক দিকও।মূলত এজন্যই প্রযুক্তি ইতিবাচক ভবিষ্যত নির্ভর করে মানুষের উপরই অর্থাৎ প্রযুক্তি সেদিকেই অগ্রসর হবে যেদিকে মানুষ প্রযুক্তিকে যেদিকে নিয়ে যাবে। (Human introduce himself as hybrid)

অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে ব্যক্তিগত মতামত দেন ইসরায়েলের এক অধ্যাপক। তাঁর মতে, "মানুষ আর মানুষ থাকবে না, হয়ে যাবে যন্ত্রমানব।" আর এর মূল কারণ হচ্ছে ধীরে ধীরে মানুষ হিসেবে তার নিজের ওপর অসন্তুষ্টি এমনকি ধর্মবিশ্বাস লোপ পাওয়ায় আগামী ২০০ বছরের মধ্যেই মানবজাতির মধ্যে  বিশাল পরিবর্তন আসতে পারে। আর এমনটাই বলেছেন ইসরায়েলের জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক যুবাল নোয়া হারারি।

হারারি মনে করেন যে, মানুষ নিজেকে আপগ্রেড করে নিজেকে সাইবর্গ বা যন্ত্রমানবে রূপান্তর করতে সক্ষম হবে আগামী ২০০ বছরের মধ্যেই। মানুষ তার নিজ শরীরে যন্ত্র বসিয়ে নিজেকে সাইবর্গ হিসেবে গড়ে তোলার মূল লক্ষ্যই থাকবে দীর্ঘ আয়ু পাওয়ার আশা।

অধ্যাপক হারিরি আরো মনে করেন যে, বিশ্বের ধনী ব্যক্তিরা নিজেকে হাইব্রিডে রূপান্তর করার মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিজেকে দীর্ঘায়ুসম্পন্ন মানবজাতিতে পরিণত করা।। মানুষ হিসেবে অসন্তুষ্টিই তাদের নিজেদেরকে আপগ্রেড করতে উদ্বুদ্ধ করবে এবং যেহেতু সাইবর্গ প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য হবে সেহেতু মানুষ  এই প্রযুক্তিটি নিজের উপর প্রয়োগ করবে খুব সহজেই। (Human introduce himself as hybrid).

হারারি অবশ্য সতর্ক করে বলেন যে, কেবল ধনীরাই এই সাইবর্গ প্রযুক্তির বিনিয়োগের সুফল ভোগ করবে আর এর মূল কারণ হচ্ছে সামর্থ্যগত কারণের ফলেই কেবল এ ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের পেছনে খরচ করার ক্ষমতা একমাত্র ধনীদেরই থাকবে। ফলে সমাজে বাড়তে থাকবে ধনী আর গরিবের বৈষম্য।এখন দেখার বিষয় দীর্ঘায়ু হওয়ার আশায় নিজেকে হাব্রিড করার বিপড়িত রিয়েকশন হয় কিনা।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে। (Human introduce himself as hybrid)

অদ্ভুতুড়ে 9:10 PM

সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ করতে। তার প্রমাণ দেশবাসী আরেকবার দেখলো শনিবার শাহজাহানপুরের শিশু জিহাদ উদ্ধারের ঘটনায়। সরকারের পোষা বিভিন্ন বাহিনী যখন পরাস্থ সাধারণ মানুষেরা তখন বিজয়ী।  যেমনটি হয়েছিল একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়। সাধারণ জনতা যখন অস্ত্র হাতে তুলে নিল তখনই দেখা দিয়েছিল রক্তরাঙ্গা বিজয়।

সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!
সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!

কিন্তু তারপরও ক্ষমতাসীনরা সাধারণ মানুষকে মূল্যায়ন না করে নিজেদের ক্ষমতার জোর দেখিয়েছে বার বার। আর সাধারণ মানুষকে ঠেলে রেখেছে অনেক দূরে। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের কুখ্যাত রানা প্লাজা ধ্বসে ভবনের নীচে আটকা পড়ে হাজার হাজার মানুষ। আর ওই ঘটনায় নিহত হয় শত শত মানুষ।

সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!
সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!

আটকে পড়া হাজার হাজার মানুষ উদ্ধারে এগিয়ে আসে উদ্ধারকারী বিভিন্ন বাহিনীসহ দেশের সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষ তাদের জীবন বাজি রেখে অসাধারণ কাজ করে দেখিয়ে দিয়েছেন। ওই ঘটনায় সরকারি বাহিনী প্রতি অভিযোগ উঠে সাধারণ মানুষ তাদের জীবন বাজি রেখে ভেতর থেকে আহতদেরকে উদ্ধার করলেও সুরঙ্গের গেটে দাড়িয়ে থেকে উদ্ধারের কৃতত্ব নিয়েছে সরকারী বাহিনী। তারপরও সাধারণ মানুষ বিনা স্বার্থে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন।

সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!
সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!

যেমনটি শাহজানপুরে সাধারণ মানুষ সুযোগ পেয়ে অসাধারণ কাজটি করে দেখিয়েছে। শনিবার বেলা তিনটার দিকে শিশু জিহাদকে উদ্ধার করা হয়। এর ঠিক পাঁচ মিনিট আগে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা করে। শিশু জিহাদকে উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন কে এম নিয়াজ মোর্শেদ মৃত ঘোষণা করেন।




আরও কিছু সংবাদঃ 

শিশু জিহাদকে যেভাবে উদ্ধার করা হলো, এতে প্রজুক্তির ব্যবহার যেভাবে হলো। কারা ছিল সেই সাহসী তরুন দল সহ ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল তথ্যের জন্য দেখে নিতে পারেন প্রযুক্তি.কম এর অন্যান্য প্রতিবেদন এবং সংবাদগুলো।

১) জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ @ www.projuktee.com/2014/12/news12.html
 

২) সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!  @ http://www.projuktee.com/2014/12/zihad.html


৩) ফারুকের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সফল যন্ত্রের নকশা - জিহাদ উদ্ধার!  @ http://www.projuktee.com/2014/12/bd-tech.html


৪) বিদেশী প্রযুক্তিতে লাভ হয়নি, অবশেষে দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ধার! @ http://www.projuktee.com/2014/12/projuktee-tech.html

 

শিশু জিহাদকে যেভাবে উদ্ধার করা হলো তার কিছু ভিডিও চিত্র নিম্নে দেওয়া হলঃ



প্রযুক্তি.কম অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ। শুধুমাত্র প্রযুক্তি পেতে, প্রযুক্তির সংবাদ জানতে ২৪ ঘন্টা www.projuktee.com সাথেই থাকুন। সকল সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদনের একমাত্র কপিরাইট শুধুমাত্র www.projuktee.com। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) যেকোন সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদন কপি, নকল করা সম্পুর্ন নিষেধ। ধন্যবাদ প্রযুক্তি.কম এর সাথে থাকার জন্য। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ।

শিশু জিহাদের মৃত্যুতে আমরা প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) পরিবার শোকাহত এবং পাশাপাশি অভিনন্দন জানাই সেই সাহসী পাঁচ তরুণকে। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) এর তাদের কৃতত্ত কোনদিনও ভুলবেনা।

প্রযুক্তি.কম অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ। শুধুমাত্র প্রযুক্তি পেতে, প্রযুক্তির সংবাদ জানতে ২৪ ঘন্টা www.projuktee.com সাথেই থাকুন। সকল সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদনের একমাত্র কপিরাইট শুধুমাত্র www.projuktee.com। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) যেকোন সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদন কপি, নকল করা সম্পুর্ন নিষেধ। ধন্যবাদ প্রযুক্তি.কম এর সাথে থাকার জন্য। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ।

অদ্ভুতুড়ে 2:37 AM

প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পানে কমবে ১০ বছর বয়স।


Water Mystery
Water Mystery

ব্রিটিশ  নারী Warren smith পর্যাপ্ত পানি পান করে চেহারের বয়সের ছাপ কমিয়ে এনে এক চমৎকার এক দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পান করে ৪২ বছরের এক ব্রিটিশ এই নারী তার চেহারার বয়সের ছাপ কমিয়ে ফেলেছেন প্রায় ১০ বছর।

Warren smith কিছুদিন আগে স্নায়ু ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞের কাছে জান ফলে ঐ বিশেষজ্ঞ তাকে প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন আর এটি প্রকাশিত হয় 'দ্য মেইল অনলাইন' -এ।


প্রতি দিন ৩ লিটার পানি পানের ফল তিনি পেয়ে চান চার সপ্তাহের পরই অর্থাৎ প্রায় ১ মাসের মধ্যেই Warren smith-এর চেহারা প্রায় ১০ বছর কমে যায়।


এ ঘটনা বর্ণনায় Warren smith বলেন আগে তিনি সকালে উঠেই ১ কাপ চা পান করে দিনের যাত্রা শুরু করতেন এরপর দুপুরের খাবারের সময় ১ গ্লাস পানি পান এবং রাতে খাবারের সময় ১ গ্লাস পানি পান করতেন, সব মিলিয়ে তিনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় ১ লিটার পানি পান করা হতো তার।


পরবর্তী বিশেষজ্ঞদের কাছ হতে এই পরামর্শ পাওয়ার পর তিনি প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পান করা শুরু করেন। এমনকি তিনি একটি আর্টিকেল পড়ে দেখেন যে, যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন নারী বিশেষজ্ঞদের উল্লেখিত পরিমাণের কম পানি পান করে। আর এই আর্টিকেলটি খেয়াল করতে পেরে বিশেষজ্ঞের দেয়া পরামর্শ অনুসারে পানি পান করা শুরু করে দেন আর এর ফল পেয়ে যান ৪ সম্পাহের মাঝেই।


মেইল অনলাইন'কে তিনি বলেন, " আমার বয়স ৪২ হওয়া সত্ত্বেও আমাকে দেখাতো ৫২ বছরের বৃদ্ধার মত। আমার চোখের নিচে এবং চারপাশেও অনেক কালো দাগ ছিল যা এখন আর নেই"।

Warren smith বলেন পানিসল্পতার কারণেই নাকি তাকে এমনটা দেখাত তিনি আরো বলেন যে, আমাদের দেহের প্রতিটির অঙ্গের কাজের জন্য দরকার পানি। এই অঙ্গের টিস্যুগুলো নিস্তেজ হয়ে যায় যখন দেহের পানির পরিমাণ কমে যায় আর একইভাবে এর বিপরীত প্রভাব পরে যখন দেহে পর্যাপ্ত পানি উপস্থিত থাকে। তিনি আরো বলেন যে, টানা ২৮ দিন প্রতিদিন ৩ লিটার করে পানি পান করার পর তার চেহারার এ বিস্ময়কর পরিবর্তন এসেছে।

আশা করি পোস্ট পড়ে উপকৃত হবেন।

অদ্ভুতুড়ে 4:15 AM

রহস্যে (Mystery) ঘেরা ৫ টি ছবি।

Mystery
Mystery


Mystery বা রহস্য যাকে ঘিরে বরাবরই মানুষের মনে কৌতহলের শেষ নেই। এমনই অনেক কিছুই আছে যার কখনই কোন ব্যাখ্যা হয় না আর তাই আজ আমি এমন ১০ ছবি নিয়ে এলাম যার ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারে নি। নিম্নে এগুলো দেয়া হলোঃ-

১. Babushka-এক রহস্যময়ই নারী

Babushka
Babushka
 ১৯৬৩ John F. Kennedy-এর assassination এর সময় এক ভিডিও recorder-এ record কৃত এক ভিডিও-তে এই রহস্যময়ই মহিলাকে দেখা যায়, যেখানে তার উপস্থিতি John F. Kennedy-এর উপর গুলি চলার জায়গাতেই ছিল। ভিডিও তে তার উপস্থিতি পুলিশদের আশার আলো দেখালেও পরবর্তীতে পুলিশ অনেক চেষ্টার পরেও ঐ রহস্যময়ই মহিলার আর সন্ধান পায় নি।

২. Hessdalen Lights: এলিয়েন না প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট আলোকবার্তা।

 Hessdalen Lights
Hessdalen Lights

Hessdalen Lights-নিয়ে আছে অনেক রহস্য এই আলোটি দেখা যায় Norway-তে। এই আলোটি সবচেয়ে বেশী দেখা যায় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত এ সময় বিশ্বজুড়ে মানুষ এই আলোটি দেখতে এখানে এসে জমা হতো যা প্রতি সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ বার দেখা যেত। তৎকালিন বিজ্ঞানীদের কাছে এর কোন জবাব ছিল না অন্যদিকে  hypothesize-দের কাছে এটি একটি এলিয়েন এয়ারক্রাপ্ট দ্বারা সৃষ্ট একটি আলোকবার্তা বলে ধারণা করা হয়েছিল।

৩. The Mystery Of The Hook Island Sea Monster

Sea Monster
Sea Monster

বর্তমানে এই ছবিটি এখন তোলা হয়েছে বললে হয়তো অনেকে বলবে এটি সম্পূর্ণ Photoshop দিয়ে বানানো হয়েছে কিন্তু এই ছবিটি তোলা হয় ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে তখন থেকে এটি সবচেয়ে বেশী Circulated হয়েছে এবং তখন কিন্তু কোন Photoshop-ও ছিল না। এক দম্পতি এই Island-এ ছুটি কাটাতে গিয়ে একদিন হঠাৎ এক অদ্ভুত আওয়াজের সাথে এই প্রাণিটিকে দেখে পরে তারা এর কয়েকটি ছবি তুলে রাখে। এটি প্রায় ৭৫-৮০ ফিট লম্বা বলেও তারা জানায়। এরপর অনেক চেষ্টা করার পরও এর আর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

৪.  The Solway Firth Spaceman Mystery

Spaceman Mystery
Spaceman Mystery

Jim Templeton যখন তার স্ত্রী ও কন্যার ছবি তুলছেন তখনো হয়তো বা তিনি জানতেন না এই ছবি তাকে কতটা আলোচনায় এনে দিবে। ছবিগুলো তুলার পর যখন তা হাতে পায় তখন দেখে একটি ছবিতে তার কন্যার পেছনে এক স্পেস্ম্যান দাঁড়িয়ে আছে যা ঐ ছবিটি তুলার সময় ছিল না। পরবর্তীতে পুলেশের কাছে এই ছবিটি নিয়ে গেলে এতে কোন লাভ হয় না কিন্তু পরে এই খবরটি নিউজ পেপারে প্রকাশ পেলে বিশ্বজুড়ে তা আলোড়ন সৃস্টি করে।

৫.The S.S. Watertown Phantom Faces

 Faces
Faces
১৯২৪ সালে New York-এর S.S. Watertown-এ একটি কার্গো টেঙ্কে James Courtney and Michael Meehan নামের দুজন ক্লিনার সেখানে পরিষ্কারের কাজ পায় কাজের সময় অতিরিক্ত গ্যাসে তাদের মৃত্যু ঘটে পরবর্তীতে সমুদ্রের পাশে তাদের দুজনের লাশ দাফন করা হয়। ঠিক এরপর থেকে অনেকদিন যাবত  এই সমুদ্রের পানিতে এই দুজনের মুখমণ্ডলের একটি প্রতিচ্ছবি দেখা যেত পরবর্তীতে Captain Keith Tracy-এই প্রতিচ্ছবির একটি ফটো তুলে রাখে যা পরবর্তীতে চারপাশে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

 আশা করি এই পোস্টটি পড়ে ভালোই লেগেছে।


অদ্ভুতুড়ে 5:21 AM

যে কাজগুলোর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা (brain efficiency)।

Brain efficiency
Brain efficiency
মস্তিষ্ক হতে আসা কমান্ড অনুযায়ী আমরা কাজ করে থাকি আর তাই মস্তিষ্ক যতটা সুস্থ থাকে আমাদের কাজের accuracy ও ততটা ভালো থাকে। সাধারণত জড় বস্তুদের সাথে আমাদের পার্থক্যের মূলে আছে এই মস্তিষ্ক। যার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা যতটা ভালো তাঁর কাজের accuracy খুব বেশী ভালো হয়ে থাকে কিন্তু দুশ্চিন্তার খবর হচ্ছে দিন দিন মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা হ্রাসের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের অনেক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মানুষ দিন দিন হারিয়ে ফেলছে তার স্মৃতিশক্তি এর ফলে  হ্রাস পাচ্ছে তার চিন্তা করার ক্ষমতা এবং এর পাশাপাশি হারাচ্ছে চলার ক্ষমতাও আর মানুষের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা  হ্রাসের পেছনে যে কারণগুলো জড়িত সেগুলো নিম্নে দেয়া হলো।

১. না ঘুমানোর অভ্যাসঃ-
আমাদের মাঝে অনেকে কাজের চাপে বা ইচ্ছে করেই রাতে কম ঘুমিয়ে থাকেন এর ফলে মস্তিস্কে  মারাত্মক খারাপ প্রভাব পড়ে থাকে এমন কি মস্তিষ্কের সেল ড্যামেজ হতে পারে এই বাজে অভ্যাসটির জন্য। ফলে মস্তিষ্ক হারায় স্বাভাবিক কর্মদক্ষতা। তাই প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো খুব জরুরি।

২. নাশতা খেতে অনীহা করাঃ-
অনেকে সকালে তাড়াহুড়া করে নাস্তা অল্প খেয়েই অফিসের জন্য বাসা বের হয়ে যায় ফলে পেট খালি থাকে আর দেহে সুগারের পরিমাণ কমে যায় আর এই কারণে পর্যাপ্ত পুষ্টি মস্তিস্কে পৌছাতে পারে না। পুষ্টিহীনতার কারনে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না ফলে কর্মক্ষমতা কমে যায় তাই সবার উচিত সকালে উঠে নাস্তা করা।

৩. পেটভরে না খাওয়াঃ-
সারাদিন না খেয়ে ঘরে এসেই অনেকে পেট ভরে খেয়ে ফেলেন মস্তিষ্কের জন্য  মারাত্মক ক্ষতিকর। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে দেহের সুগারের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে যা মস্তিষ্কের শিরা-উপশিরা শক্ত করে ফেলে এতে মানুষ তার মস্তিষ্কের সাধারণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

৪. অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার খাওয়াঃ-
মাত্রা অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার মস্তিষ্কে প্রোটিন ও পুষ্টির শোষণ ক্ষমতা একেবারেই কমিয়ে দেয় ফলে  মস্তিষ্কের নিউরন ও কোষ বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এতে মস্তিষ্কের আর  উন্নতি হয় না ও দক্ষতাও আর বাড়ে না তাই যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু চিনি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত।

৫. ধূমপান ও মদ্যপানঃ-
মস্তিষ্কের শিরা- উপশিরা সংকুচিত করতে ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান মূখ্য ভূমিকা পালন করে যা মস্তিস্কে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি, রক্ত, অক্সিজেন ইত্যাদি পৌছাতে পারে না ফলে মস্তিষ্ক  মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

৬. কথা কম বলাঃ-
মস্তিষ্ক ক্ষতির আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে কম কথা বলা। কম কথার বলার কারণে মানুষের মস্তিষ্কের বিকশিত হয় না।

৭. অলস বসে না থাকাঃ-
অনেকে কাজ না থাকলেও ঘরে অলস বসে থাকে ফলে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করে না তাই অলস ঘরে বসে না থেকে বাহিরে বের হওয়া ভালো এমনকি নিয়মিত খেলাধুলা করেও ভালো এতে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে।

৮. বেশি বেশি চিন্তা না করাঃ-
অহেতুক চিন্তা মানুষের মস্তিস্কে  মারাত্মক প্রভাব ফেলে এতে না বিপদ হতে পারে ব্রেইন স্ট্রোকের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই অহেতুক চিন্তা না করাই ভালো।

৯. খেলাধুলা/ ব্যায়াম না করাঃ-
খেলাধুলা বা ব্যায়াম না করলে মানুষের দেহ যেমন অচল হয়ে পরে তেমনি অচল হয়ে পরে মানুষের মস্তিষ্কও ফলে এতে দেখা দিতে পারে  মারাত্মক ক্ষতিকারক সব উপসর্গ তাই নিয়মিত খেলাধুলা বা ব্যায়াম করা একান্তই জরুরি।

১০. বাতাস দূষণঃ-
অনেকে কাজের কারণে বা অন্য কোন কারণে দূষিত পরিবেশে থাকতে হয় ফলে এই প্রকার বাতাস মানুষের মস্তিস্কে অক্সিজেন পৌছাতে বাঁধা দেয় এতে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

যতটুকু সম্ভব উপরের পয়েন্টগুলোকে সব সময় মনে রেখে মেনে চললে মস্তিষ্ক আর কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখিন হবে না ফলে কাজের accuracy বাড়বে বহুগুণ।

আশা করি পোস্টটি পড়ে মস্তিষ্কের  কার্যক্ষমতা (brain efficiency) বিষয়ে আরো যত্নবান হবেন।

অদ্ভুতুড়ে 5:22 AM

মাত্র ৫ ডলারের বিনিময়য়ে পাওয়া যাবে LCD Monitor আবার Touchscreen.

LCD Touchscreen Monitor
LCD Touchscreen Monitor
 মানবজীবনে এক নতুন মাত্রা যোগ করছে একের পর এক অত্যাধনিক Touchscreen সম্পন্ন মোবাইল ডিভাইসগুলো আর এর সাথে নতুন আরেকটু যোগ করতে সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন এর গবেষকরা তৈরি করেছে এমন একটি সেন্সর এর ফলে LCD Monitor-কে Touchscreen-এ পরিণত করতে পারে খুবই সহজে। তবে মনে হতে পারে এতে লাভ কি ইতিমধ্যে বাজারে Touchscreen Monitor পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু লাভ হচ্ছে এই Touchscreen LCD Monitor-এর দাম মাত্র ৫ ডলার জি হ্যা অবাগ হলেও এটিই সত্যি।

UTouch নামকরণ করা হয়েছে এই নতুন তৈরিকৃত সেন্সরটির। যখন LCD Monitor-টির Screen-এ Touch করা হবে তখন সেন্সরটি Electro Mgnatic Interface(EMI)একটি সংবেদন তৈরি করে যা হাতের স্পর্শের সাথে কাজ করে। শুনতে কিছুটা অভাগ লাগলেও এর গ্রহণযোগ্যও আছে। ঘরেতে প্রবাহিত বিদ্যুৎ এর আলাদা আলাদা Electro Magnatic স্বাক্ষর থাকে এরফলে UTouch-এ প্লাগ করার ফলে Electro Magnetic স্বাক্ষরগুলো শনাক্ত করতে পারে ফলে এর বাহির হতে যা নির্দেশ দেয়া হবে তাই ইনপুট নিবে।

মোবাইল ডিভাইসগুলোর মতোই LCD Monitor-টির উপরেও হালকা ছুঁয়ে এই সেন্সরটিকে কাজ করানো যাবে। সফটওয়্যার উপযোগী অনেক গেসচার্স বানানো যাবে এই সেন্সরটির মাধ্যমে। এছাড়াও একাধিক গেসচার্স ব্যবহার করা যাবে এই LCD-তে। এখন পর্যন্ত প্রত্যাশানুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে এই Monitor-টি। এই ডিভাইস্টি গড়ে ৯৬.৪ ভাগ ইনপুট নিতে পাচ্ছে ফলে  বলা হচ্ছে এই ক্ষুদ্র সেন্সরটি সফটওয়্যারসহ ব্যবহার করে একটি সাধারণ LCD Monitor-কে রূপান্তর করা যাবে Touchscreen-এ। আর এতে support করবে অসংখ্য গেসচার্স । এখন  পর্যন্ত এটি বাজারজাত করা হয়নি তবে গবেষকরা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, বাণিজ্যিকভাবে এই সেন্সরটি বাজারজাত করা হলে এর দাম ৫ ডলারের চেয়ে বেশী হবে না।

তাই এখন থেকে Touchscreen LCD Monitor-এর স্বপ্ন সবাই দেখতে পারবে বলে আশা করি।

অদ্ভুতুড়ে 1:27 AM

৮টি খাবার (healthy food) যা কমাবে শরীরের ওজন।

healthy food
healthy food
আমাদের মাঝে অনেকেরই ধারণা যে খাবার মানেই শরীরের ওজন বৃদ্ধি। যা একবারেই সঠিক নয়। কিছু খাবারে যেমন শরীরের ওজন বাড়ে ঠিক একইভাবে কিছু খাবারে কমবে শরীরের ওজন। এমনকি ফলমূল বা শাকসবজির পাশাপাশি রয়েছে এমন কিছু খাবার যা শরীরের ওজন কমাতে সক্ষম এবং দেহকে রাখবে সুস্থ ও সতেজ। নিম্নে ওজন কমাতে সহায়ক এরুপ ৮টি খাবার নাম নিম্নে দেয়া হল।

১.ডিমঃ- ডিম হচ্ছে প্রোটিন জাতীয় খাবার যা শরীরের পেশী বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ও ভালো কোলেসটোরল বাড়ায়। অন্যদিকে পেশী বৃদ্ধির পাশাপাশি দেহের অর্ধেক চর্বি  পুড়ে যায় এমনকি যদি সকালে নাস্তায় একটি ডিম খাওয়া যায় তাহলে সারাদিন আর ক্ষুধাও লাগবে না।

২. গ্রীন টিঃ- মানবদেহের ওজন কমাতে গ্রীন টি একটি দারুন খাবার। দিনে দু কাপ গ্রীন টি পান করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

৩.ওটসঃ- ওটস স্বল্প ক্যালরির এটি খেতে অনেক সুস্বাদু এবং এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা মানবদেহে মেটা বলিজম বাড়ায় ও কোলেসটোরল নিয়ন্ত্রণ করে।

৪. আপেলঃ- আপেলে আছে অনেক অ্যান্টইঅক্সিডেন্ট এবং পেক্টিন, যা চর্বিকে ধ্বংস করতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

৫. টমেটোঃ- টমেটো হচ্ছে এমনধরণের খাবার যা শরীরের দ্রুত ওজন কমাতে ও ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৬. মধুঃ- চর্বি ক্ষয় করার পেছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে এই মধু। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে হালকা গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে অনেক উপাকার পাওয়া যায়।

৭. রসুনঃ- এতে রয়েছে Allicin যার অ্যানটি ব্যাকটেরিয়াল গুনাবলী খারাপ কোলেস্টোরেল কমায় ও ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।

৮. কাঁচা মরিচঃ- কাঁচা মরিচে রয়েছে Capsaicin যা দ্রুত চর্বি পোড়াতে সহায়ক।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 5:59 AM

বর্তমানে সময়ের স্পেস ভ্রমন অনেক ব্যায়বহুল। তারউপর স্পেসে বৃহৎ প্রকল্প গুলোও অনেকব বেশী ব্যয়বহুল। বর্তমানে সবচে ব্যায়বহুল প্রকল্প হল নাসার চাদে মানুষ বসবাস। এছারাও আর অনেক ব্যায়বহুল প্রকল্প চলছে। এই সব প্রকল্প গুলোও ব্যয় শুনলে অবাক হওয়া ছাড়া উপায় নাই। চলুন তাহলে দেখা যাক এ যাবত কালের সবচে ব্যায়বহুল ১০ টি স্পেস প্রকল্প সাথে প্রকল্প গুলো সংক্ষিপ্ত বিবরণী।



১০# Curiosity Mars Rover, estimated cost: $2.5 billion:
নাম শুনেই বঝা যায় যে এটি মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধানী কাজে ব্যবহার্য রোবট। এটি ২০১২ সালের ৬ আগস্ট মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করে। এর প্রধান কাজ মঙ্গল গ্রহের আবহয়া বিশ্লেষণ এবং এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে পৃথিবীতে তথ্য প্রেরন। এই পুরো প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার।
 


 ৯# Cassini–Huygens, estimated cost: $3.26 billion: 
এটি মুলত শনি গ্রহ অনুসন্ধানের কারনে গৃহীত একটি প্রকল্প। এই প্রকল্পের ব্যয় ৩.২৬ বিলিয়ন ডলার। ১৯৯৭ সালে এটি পৃথিবী থেকে প্রেরন করা হয় এবং শনির পৃষ্টে পৌঁছায় ২০০৪ সালে। এটি সুধু শনি গ্রহ না বরং শনির চাঁদ টাইটান সম্পরকেও আমাদের তথ্য দিয়ে থাকে।





  ৮# Mir space station, estimated cost: $4.2 billion:
 এটি একটি স্পেস স্টেশন। এই প্রকল্পটি সুরু হয় ১৯৮৬ সালে এবং চলে ২০০১ সাল পর্যন্ত। ২০০১ সালে এটি বিধ্বস্ত হয়ে প্যাসিফিক মহাসাগরে পতিত হয়। এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় হয় প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলার।





৭# GLONASS, estimated cost: $4.7 billion:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সাথে তাল মিলিয়ে রাশিয়াও স্পেসে তাদের অবস্থান শক্ত করতে এই প্রকল্পটি হাতে নেয়। ২০০১ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত এই প্রকল্পে ব্যয় হয় প্রায় ৪.৭ বিলিয়ন ডলার। এবং ২০১২ থেকে ২০২০ পর্যন্ত এর আনুমানিক ব্যয় ধরা হয় ১০ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯৫ সালে।


৬# Galileo satellite navigation system, estimated cost: $6.3 billion:
এটি ইউরোপের জিপিএস সিস্টেম এর জন্য ব্যাবহার করা হয় । এই প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৬।৩ বিলিয়ন ডলার। এটি প্রায় ৩০ টি স্যাটেলাইট এর সাথে যুক্ত। সম্পূর্ণ ভাবে এর নির্মাণ শেষ হবে ২০১৯ সালে।







৫# James Webb Space Telescope, estimated cost: $8.8 billion:
নাসা, ইউরোপ স্পেস এজেন্সি এবং কানাডা স্পেস এজেন্সি এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্প। এটি মহাকাশকে আরও সুক্ষ ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। ১৯৯৬ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত এর ব্যয় ৮.৮ বিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি শেষ হবে ২০১৮ সালে।





৪# Global Positioning System, estimated cost: $12 billion:
গ্লোবাল পজিসিনিং সিস্টেম কে আর উন্নত করতে এই প্রকল্প। এটি প্রায় ২৪ টি স্যাটেলাইট নিয়ে গঠিত। এর সুবিধা সকল জনগনের জন্য উন্মুক্ত, আমরা মুলত এই সিস্টেম ব্যাবহার করেই গুগল ম্যাপ ব্যাবহার করি।




৩# Project Apollo Space Program, $25.4 billion:
এটি একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প। কমবেশি আমরা সবাই এই প্রকল্প সম্পর্কে জানি। এর ব্যয় হয় প্রায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার।


২# International Space Station, estimated cost: $160 billion:
আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন এযাবৎ কালের সবচে ব্যয় বহুল স্টেশন। এ পর্যন্ত এর ব্যয় হয় ১৬০ বিলিয়ন ডলার।


১# NASA Space Shuttle Program, total cost approximately $196 billion:
বিস্মের যেকোনো প্রকল্পের মধ্যে সবচে ব্যয় বহুল প্রকল্প  NASA Space। ১৯৭২ সাল থেকে এপর্যন্ত এর ব্যয় ১৯৬ বিলিয়ন ডলার।

অদ্ভুতুড়ে 1:39 AM

খাবার আসবে প্লেটে তাও উড়ে উড়ে আসুন জেনে নেই।

উড়ন্ত প্লেট
উড়ন্ত প্লেট
রেস্তোরায় টেবিলে খাবার পরিবেশন করা হবে উড়ন্ত প্লেটে আর এতে প্রয়োজন হবে না কোন ওয়েটারের। এর ফলে আপনার অর্ডার দেয়া খাওয়া শূন্যে ভাসতে ভাসতে আসবে আপনার টেবিলে। হয়তো শুনতে অবাস্তব মনে হলেও সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের একটি রেস্তোঁরায় এমনটাই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে গ্রাহকদের আকর্ষণ করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে তারা, অভিনব এই রেস্তোঁরার কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানিয়েছে বলে শুনা গেছে। একটি বিশেষ প্লেট এই রেস্তোঁরায় আসা গ্রাহকদের কাছে  তাদের খাবার নিয়ে আসবে তাতে থাকবে গ্রাহকদের অর্ডার দেয়া খাবার। এই প্লেটটি অন্যান্য গ্রাহকদের মাথার উপর দিয়ে উড়ে আসতে আসতে নেমে আসবে নিদিষ্ট টেবিলের পাশে। গ্রাহক উড়ন্ত প্লেট থেকে খাবার তুলে নেয়ার  সাথে সাথেই প্লেটটি  সেখান থেকে অটোমেটিক উড়ে চলে যাবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,  স্বয়ংক্রিয় রোবোটিক ওয়েটার নাম দিয়েছে এই উড়ন্ত প্লেটগুলোকে। বিশ্বে প্রথম এই ধরণের টেকনোলজি এনেছেন বলে তারা এমনটাই দাবি করেছেন।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 3:54 AM

চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত কিছু ঔষধি গাছের পরিচিতি আসুন জেনে নেই।

চিকিৎসা সেবায় গাছ
চিকিৎসা সেবায় গাছ
সেই মানব সভ্যতার আদিকাল হতে এখন পর্যন্ত মানুষের অসুক বিসুকে নানা ঔষধি গাছের পাতা, শেকড় ও রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই দেশ গ্রামে প্রায় সবাই তাদের বাড়ির আঙিনায় নানা স্বাস্থ্যকর ফুল, গাছ আর লতা-পাতা লাগিয়ে থাকে। জেনে অভাগ হবেন যে, মাথা হতে পা পর্যন্ত সব অসুখের জন্যই কোনো না কোন  ঔষধি গাছ রয়েছে। আসুন সেগুলো কি কি তা জানিঃ-

১.মৌরি যা হজম ক্ষমতা বাড়াতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেঃ-

মৌরি যে হজম ক্ষমতা বাড়ায় তা হয়তো অনেকেরই জানা। পৃথিবীতে অনেক দেশেই মৌরি চাষ খুবই জনপ্রিয় এদের মধ্যে জার্মানি অন্যতম। সে দেশে সাধারণত খাবারের পর মৌরি দিয়ে বানানো চা খেয়ে থাকে। এতে শুধু বয়স্করাই নয়  ছোট্ট শিশুদেরও মৌরি চা পান করানো হয় হজমের জন্য।

২.মাইগ্রেনে ল্যাভান্ডার

মাথাব্যথায় বেশ উপকারি হচ্ছে মিষ্টি রঙের ল্যাভেন্ডার ফুল আর এর মাঝে মাইগ্রেনের জটিল মাথা ব্যথায় এটি খুবই উপকারি।  ল্যাভেন্ডার নাকের সামনে কিছুক্ষণ ধরে রাখলে ফুলের উগ্র গন্ধ মাইগ্রনের সময় খুব উপকারে আসে।

৩.কোমর ও হাড়ের ব্যথায় গোলমরিচঃ-

অনেক সময়  রাতে ঘুমানোর  বিছানার তোশক বা অন্য কোনো কারণে  ঘুম উঠে শরীর ব্যথা অনুভূত হতে পারে এ সময় যদি গোল মরিচের সাহায্য নেয়া যায় তাহলে কিন্তু মন্দ হয় না কারণ গোলমরিচের ঝাঁঝ ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৪.দারুচিনিঃ-

দারুচিনি শরীরের কোলেস্ট্রল কমাতে সাহায্য করে এবং এতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা শরীরের কোষগুলোকে সজীব রাখতে সাহায্য করে থাকে।

৫.রসূনের অসাধারণ গুণঃ-

পাশ্চাত্যের নানা দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রসুনের ব্যবহার অনেক বেশী যেমনটা আমাদের দেশেও এর ব্যবহার অনেক বেশী। রসুন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কোলেস্ট্রল কমাতেও সাহায্য করে। এমনকি উচ্চরক্তচাপ কমানো ও এন্টি-ব্যাক্টেরিয়া হিসেবে  রসুনকে ব্যবহার করা যায়।

৬.মাথাব্যথা কমাতে পুদিনার ব্যবহারঃ-

ডা. জেসিকা ম্যান্টেল বলেন, ভয়, উত্তেজনা কিংবা মানসিক চাপের কারণে মানুষের মাথাব্যথা হয়ে থাকে আর অনেকে এর কাছ হতে রক্ষা পেতে ট্যাবলেট দিকে হাত বাড়ায় কিন্তু ট্যাবলেটের দিকে হাত না বাড়িয়ে যদি পুদিনা পাতার চায়ের দিতে হাত বাড়ানো যায় তাহলে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে বলে  জানান তিনি।

৭.লবঙ্গঃ-
লবঙ্গ
লবঙ্গ

খাওয়ার রুচি ও খিদে বাড়ানোর জন্য ফুলের মতো সুন্দর এই লবঙ্গকে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও লবঙ্গ শরীরে উদ্দিপক হিসেবে এবং দাঁতের ব্যথা সারাতে কার্যকর হিসেবে কাজ করে অন্যদিকে লবঙ্গ তেলে রয়েছে জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা যা এন্টিবায়োটিক ওষুধের কাজ করে।

অনেক সময় আমরা এই ঔষধি গাছগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের জটিল রোগ হতে খুব সহজেই রক্ষা পেতে পারি।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 2:46 AM

সংক্ষেপে জেনে নেই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের বেশ কিছু অসাধারণ সেবা সম্পর্কে।

 জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল
 জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল
আমরা যারা ইন্টারনেটের সাথে জড়িত তাদের পাশাপাশি যারা নই তাদের সহ সবার কাছেই গুগল নামটি অতি পরিচিত, কিন্তু আমরা অনেকেই গুগলের নানা সেবা সম্পর্কে জানি না। তাই আজকে আমি  আপনাদেরকে বিশ্বের অতি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের নানাবিধ সেবা সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছি।

গুগলের সার্ভিস
গুগলের সার্ভিস

১. কোনো নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের নানা আগ্রহের বিষয়বস্তু সম্পর্কে যদি আপনি জানতে চান তাহলে আপনি গুগলের ট্রেন্ডস ব্যবহার করতে পারেন এবং এর সাহায্যে খুব সহজেই জানতে পারবেন মানুষের নানা  বিষয়বস্তু সম্পর্কে।

২. কোন নির্দিষ্ট সময় পরে রিমাইন্ডার পেতে চাইলে আপনি খুব  সহজেই ব্যবহার করতে পারেন এই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে। এর জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে গুগল টাইমারকে।

৩. নানা দেশের নানা ভাষার কঠিন শব্দগুলোর অনুবাদের জন্য আপনি খুব  সহজেই গুগলের ট্রান্সলেটর ম্যানুয়াল ব্যবহার করতে পারেন।

৪. আপনার কি কোন কাজের জন্য রিমাইন্ডার বা নোট রাখতে চান তাহলে এর জন্য ব্যবহার করুন গুগলের গুগল কিপ নামের একটি অ্যাপ যেটি ডেস্কটপ বা স্মার্টফোন উভয়টিতেই ব্যবহার করা যাবে।

৫. যারা আর্ট ভালোবাসেন তাদের জন্য রয়েছে গুগলের "গুগল আর্ট প্রজেক্ট" যা বিশ্বের প্রায় সব বড় বড় জাদুঘরের বিখ্যাত ছবিগুলোর হাই রেজুলেশন ভার্সন আপনার কাছে এনে দেবে।

৬. ব্রাউজারে Google.com/sky টাইপের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন টেলিস্কপ থেকে পাওয়া মহাকাশের ছবিগুলোর সন্ধান।

৭.  Google/fonts-কে ব্যবহার করে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের মতো ফন্ট।

৮. আপনার প্রয়োজন মতো বিশ্বের প্রায় ৮০ টিরো বেশি ভাষায় টাইপ করতে ব্যবহার করতে পারেন গুগলের গুগল  ইনপুট টুলসকে।

৯. বিশ্বের নামকরা ইন্ডাস্ট্রিগুলোর সম্পর্কে জানতে চাইলে তাহলে ব্যবহার করতে পারেন গুগলের  "থিংক ইন্সাইটস" এবং জেনে নিন কোনো একটি বিখ্যাত ইন্ড্রাস্ট্রির সম্পর্কে।

১০. যারা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহর, শিকাগো, ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটন ডিসির নির্দিষ্ট কিছু জায়গার বাসিন্দা রয়েছেন তারা খুব সহজেই গুগল এক্সপ্রেস নামে একটি সার্ভিসের মাধ্যমে বাড়িতেই পেতে পারেন খাবার, বই, ইলেক্ট্রনিক্স ও অন্যান্য সামগ্রী।

১১. বিশ্বের প্রায় ৫.২ মিলিয়ন বই হতে ১৫০০ সাল থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে নানা শব্দের ব্যবহার সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগল এনগ্রামসকে।

১২. নানা ধরনের জার্নাল ও গবেষণাপত্র বের করতে ব্যবহার করতে পারেন গুগলের স্কলারকে।

১৩.এছাড়াও ফ্রী ব্লগিং-এর জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগলের "blogger.com"-কে।

আপাতত এতটুকুই মনে হয় যথেষ্ট আগামি আরো জানাবো বলে এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 2:56 AM

নিশাচরদের জন্য দুঃসংবাদ।

Nocturnal-এর জন্য দুঃসংবাদ
নিশাচরদের জন্য সতর্কবার্তা
যারা পেশাগত বা অন্যকোন কারণে রাতের বেলায় ব্যস্ত বা জাগ্রত থাকেন আর পুরো সকাল ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন তাদের জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ নিয়ে এনেছেন এক দুঃসংবাদ। এরুপ অভ্যাসে পরিণত ব্যক্তিদের শরীরের বিভিন্ন সজীব উপাদানের রাসায়নিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার গতি ধীর হয়ে পড়ে এমনকি শরীরের ক্যালরি কম খরচ হয় বলে ধীরে ধীরে মোটা হয়ে পড়তে পারে আর এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

এর উপর ভিত্তি করে এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয় প্রেসিডিংস অব ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সস সাময়িকে। এতে দেখা যায় যে, গবেষকরা ১৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পান যে, রাতে কাজ শুরুর সাথে সাথে এদের শরীরে ক্যালরি পোড়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। নিম্মে রাত্রি জাগরণ আর দিনের বেলায় ঘুমানোর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য খারাপ দিক দেখানো হলোঃ-

১. অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়ে যাবার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

২.মস্তিস্কের রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪ গুন।

৩. খিদেও বেড়ে যায় অনেক।

৪. দুর্ঘটনার ঝুকিও বেড়ে যায়।

৫. মুখমন্ডলে নমনীয়তার অভাব দেখা দেয়।

৬. হঠাৎ ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

৭. মস্তিস্কের টিস্যু ক্ষয় হয়ে যেতে পারে।

৮. অল্পতেই আবেগপ্রবণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৯. মনোযোগ কমে যাওয়া এবং ভুলে যাওয়ার হার বেড়ে যেতে পারে।

১০. মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

১১. ধীরে ধীরে শুক্রাণু কমে যেতে পারে।

১২. হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে যেতে পারে।

১৩. ডায়াবেটিকসের ঝুকিও বেড়ে যেতে পারে।


১৪. কয়েকপ্রকার ক্যান্সারের সম্মুখীনের শিকার হতে পারে। যেমনঃ- মলাশয় 
      স্তন ক্যান্সারে

এছাড়াও রাত্রি জাগরণে অভ্যাস্থ যারা তারা একটি সময় Insomnia-তে ভুগতে থাকে যা উপরে উল্লেখ্যিত যেকোন দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে এমনকি এক জরিপে দেখা যায় যে যারা ১০ থেকে ১৪ বছর  ধরে দিনে ৬ ঘনটারও কম সময় ঘুমিয়েছে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়। তাই রাতে না ঘুমানোর অভ্যাসটা এড়িয়ে চলাটাই শ্রেয়।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 5:16 AM

আসুন বিশ্বে সবচেয়ে খুদে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ-এর সম্পর্কে জানি।

এক বিস্ময়কর বালকের গল্প
এক বিস্ময়কর বালকের গল্প


বিশ্বের এক বিস্ময়কর বালকের নাম আয়ান কোরেশী যার বয়স মাত্র ৬ বছর যিনি গত বছর উত্তীর্ণ হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয় (IT)-এর গুরুত্বপূর্ণ এক পরীক্ষা
যার নাম মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড প্রফেশনাল। এর ফলে তাঁকে ধরা হচ্ছে বর্তমানের সবচেয়ে খুদে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ এবং বর্তমানে সে একজন আইটি পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে এমনটাই খবর জানিয়ছে বিবিসি। 

এক বিস্ময়কর বালকের গল্প
আয়ান কোরেশী

জুক্ত্রাজ্যের কভেন্ট্রি শহরের বাসিন্দা আয়ান সে তাঁর নিজ বাসাতেই স্থাপন করছেন কম্পিউটার যোগাযোগব্যবস্থা বা নেটওয়ার্ক। আয়ান কোরেশির বাবাও একজন আইটি পরামর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আয়ান জানায় যে, মাইক্রোসফটের নেয়া পরিক্ষাটি কঠিন হলেও তাঁর কাজে বেশ মজার লেগেছে এবং তুলনামূলক সহজও লেগেছে।
তিনি আরও জানান যে, তাঁর স্বপ্ন যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির আদলে একটি টেক-হবে, যার নাম হবে ই-ভ্যালি।

বিবিসিকে বিখ্যাত প্রযুক্তি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের এই বিশেষ পরীক্ষা সম্পর্কে তাঁর বাবা বলেন, পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী, কম্পিউটারভিত্তিক ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ এবং হটস্পট ও দৃশ্যকল্পভিত্তিক প্রশ্ন ছিল। তিনি তার নিজের ছেলের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন যে, পাঁচ বছরের একটি ছেলেকে প্রশ্নের ভাষা বুঝিয়ে দেওয়াটা ছিল সবচেয়ে কঠিন ব্যপার কিন্তু আয়ান তা খুব দ্রুত বুঝে নিতে পেরেছে এবং তাঁর স্মৃতিশক্তি বেশ ভালো।যারা আইটি বিশেষজ্ঞ হতে চান তারা সাধারণত মাইক্রোসফট সারটিফায়েড পরীক্ষাটিতে অংশ নেন।

আয়ানের তাঁর বাবার কাছ হতে কম্পিউটার সম্পর্কে বেসিক ধারণা নেয়া শুরু হয় তিন বছর বয়স থেকেই, তখন থেকেই সে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ ও মাদারবোর্ড কি জিনিস তা বুঝতে শেখে।

আয়ানের বাবা আসিম বলেন "আমি তাঁকে যাই বলতাম, পরের দিন ও সব ঠিকঠাক বলে দিতে পারত। এ বয়সে এতটা কম্পিউটার নিয়ে ঘাটাঘাটির ফলে নেতিবাচক প্রভাব পরতে পারে তবে আয়ানের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ উলটো সে সবকিছু আত্মস্থ করার সুযোগ পাচ্ছে।

কভেন্ট্রিতে তাঁর নিজ বাসাতে রয়েছে আয়ানের নিজেসব ল্যাব। আপাতত বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম ও প্রোগ্রাম ইন্সটল করার কাজ শিখতে দিনে দুই ঘন্টা সময় দিচ্ছে আয়ান।

আয়ান কোরেশীর মায়ের নাম মামুনা। তাঁরা স্বপরিবারে পাকিস্তান হতে ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। আয়ান কোরেশী একদিন পৃথিবীতে প্রযুক্তির জগতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন বলে আশা করছেন তাঁর পিতামাতা, তাঁর মা মামুনা আরও বলেন ছেলেকে নিয়ে তারা বেশ সুখী এবং গর্বিত।

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।

Powered by Blogger.