Showing posts with label কম্পিউটিং. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 10:42 PM

মানুষের চোখকে তার আত্মার প্রতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা বাইরের জগতের জন্য এক প্রকার জানালা হিসেবে কাজ করে। চোখ শুধুমাত্র যে সৌন্দর্যের প্রতীক তাই নয়, এটা একইসঙ্গে স্বাস্থগত বিষয়ও ইঙ্গিত করে। আমাদের চোখের স্বাস্থ্য কেমন সেটা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আমাদের জীবন যাপনের রীতিনীতির ব্যপক ভূমিকা রয়েছে। 




আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্পিউটার। আর অনেক মানুষ আছেন যাদেরেকে নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে হয় যাদের এটা থেকে বিরত থাকার কোন সুযোগ নেই। এজন্য চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চোখের যতœ নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি লম্বা সময় ধরে একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার জন্য এ যত নেয়া বাঞ্চনীয়। 
 
সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখে টান-টান অনুভূতি হওয়াটা সাধারণ একটা ব্যপার যেটা অস্বস্তিদায়ক। এটা অনেক কারণে হতে পারে যেমন, মনিটরের পর্দার খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করা, মনিটরের উজ্জলতা, অস্পষ্ট অক্ষর, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার অসামঞ্জস্য অথবা দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে একভাবে চেয়ে থাকা। কম্পিউটার এখন বলতে গেলে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
 
কাজেই আমাদের নজর দেয়া উচিত কিভাবে আমরা চোখের যতœ নিতে পারি। যেন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখের পেশীতে কোন প্রকার টান-টান বা অস্বস্তিকর অনুভূতি সৃষ্টি না হয়।

বিরতি নিন: অপলক দৃষ্টিতে স্ক্রিনের দিকে চাকিয়ে থাকলে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। চোখের অস্বস্তি অনুভূতি এড়াতে এই পরামর্শটা সবথেকে বেশি দেয়া হয়ে থাকে।

তালুর পরশ: দু হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের উপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটা আপনার ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে। দুই তিন বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আরাম বোধ করেন।

আইলেভেল সামঞ্জস্যতা: টেলিভিশন হোক আর কম্পিউটার হোক স্ক্রিনের সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতার বিষয়টি চোখের স্বাস্থের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি টিপস।

২০-২০-২০: এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।

কনট্রাস্ট বজায় রাখা: কম্পিউটারে কাজ করার সময় হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গাড় রঙের অক্ষর বাছাই করুন।

তীব্র আলো পরিহার করুন: যথাযথ আলোর মধ্যে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। চোখে অস্বস্তিকর অনুভূতি এড়ানোর জন্য কম্পিউটারটি এমন স্থানে স্থাপন করুন যেখান থেকে টিউবলাইট অথবা জানার আলোর তীব্র প্রতিফলন ঘটে না।

উজ্জলতা কমিয়ে কাজ করুন: কম্পিউটারের উজ্জলতা একটি সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা। উজ্জলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভূত হয়।
বেছে নিন সবুজ: আমাদের চোখে শীথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সবথেকে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাকে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। আপনার কর্মস্থল যদি চার দেয়ালে ঘেরা হয় সেক্ষেত্রে স্ক্রিনে সবুজ রংয়ের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন।

বারবার পলক ফেলুন: কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা একটা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে এবং শুস্কতা সৃষ্টি হয় না; যা কিনা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে। কম্পিউটার
 গ্লাস ব্যবহার করুন: কম্পিউটারে যারা কাজ করে থাকেন তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এ গ্লাস। এটা চোখে অতিরিক্ত উজ্জল আলো, প্রতিফলন পড়া থেকে রক্ষা করবে আর আপনার চোখকে রাখবে শীথিল।

অদ্ভুতুড়ে 1:18 PM

ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে যোগ হচ্ছে আরো ৬ গুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি (New bandwidth will be added to Internet)

New bandwidth will added to Internet
New bandwidth will added to Internet

প্রযুক্তির ছাড়া যেন বর্তমান জীবনের এক মুহূর্তও চলে না আর মূলে রয়েছে ইন্টারনেট কারণ ইন্টারনেট নেই তো প্রযুক্তির উৎকর্ষতাও নেই, পৃথিবীর যত দেশ আজ উন্নতির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে তাদের প্রত্যেকের রয়েছে হাই স্পিড ইন্টারনেট যার ফলে তারা এক মুহূর্তে যেমন পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের তথ্য সংগ্রহ করতে পাচ্ছে ঠিক তেমনি নিজ তথ্যও পৌছে দিতে পাচ্ছে এক মুহূর্তেই। (New bandwidth will  be added to Internet)


বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডইউথ কাপাসিটি সাড়ে ৬ গুণ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। গতকাল ২০১৫-১৬ সালের হয়ে যাওয়া বাজেটের প্রস্তাব পেশ করার সময় তিনি এ ঘোষণা দেন। (New bandwidth will added to Internet)
New bandwidth will added to Internet
New bandwidth will added to Internet


তিনি তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন যে, দেশের সব জেলায় ইতিমধ্যেই ১০০৬ টি ইউনিয়নের প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন করা হচ্ছে এমনকি শিগগিরই আমাদের ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ২০০ গিগা বাইট পার সেকেন্ড (জিবিপিএস) থেকে ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএসে উন্নীত করা হবে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল যুক্তের মাধ্যমে। (New bandwidth will be added to Internet)

এছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের স্লট নির্ধারণ করা হবে ২০১৬ সালের মধ্যে ও তিনি আরো আশা ব্যক্ত করেন যে, ২০১৭ সালের মধ্যে দেশে সাড়ে ৮ হাজার পোস্ট-ই-সেন্টার চালুর কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

অন্যদিকে তিনি বাজেটে ৩ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য মূলত এর আওতায় উদ্যাগ নেয়া হয়েছে ১২টি জেলায় আইটি ভিলেজ স্থাপনের আর এমনটাই জানিয়েছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। (New bandwidth will be added to Internet) 

আশা করি পোস্টটি পড়ে ভালোই লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 4:52 AM 1
কম্পিউটারের মত প্রযুক্তিপন্য যারা ব্যাবহার করে থাকেন তারা হ্যাং নামক যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাটির সাথে কম বেশি জড়িত । কম্পিউটার যখন তার কাজের ফলাফল ঠিকমত প্রকাশ করে না বা তার কাজের ফলাফল অনেক সময় নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করে তখন কম্পিউটারের এই অবস্থা কে হ্যাং বলে অথবা অনেক ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে সকল কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে । কম্পিউটার হ্যাং হবার পিছনেও অনেক কারণ রয়েছে। আর সে কারণগুলোই এখন আলোচনা করবো।

কম্পিউটার হ্যাং হবার কিছু কারণঃ-

কম্পিউটার র‌্যামের পরিমাণ কম হলেঃ- আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা সম্পন্ন করে থাকে কম্পিউটার র‌্যাম । আর এই র‌্যামের পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে অনেক উপসর্গ দেখা দেয় যেমন কম্পিউটার অনেক ধীর গতির হয়ে যায়, একাধিক কাজ করতে গেলে সমস্যা দেখা দেয় অথবা মাঝে কম্পিউটারে হ্যাং ধরে।


কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং করতে পারে কারন কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে থাকে কম্পিউটারের প্রসেসর।


কম্পিউটার এর হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরো ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর।


কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ- হ্যা আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।


অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ- এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।


অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলেঃ- কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে যাওয়াকে বুঝায়। অনেক সময় সি ড্রাইভের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নষ্ট হবার কারনেও এমনটি ঘটতে পারে। ফলে কম্পিউটারের সমস্যা হতে পারে।


কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ- সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়।


উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ- আপনার কম্পিউটার র‌্যাম যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। কেননা তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়।


অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ- হ্যা এটার কারণে সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার র‍্যাম এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটার র‌্যাম এর কার্যক্ষমতার তুলনায় কাজ অনেক বেশি জমা পড়বে ।


বড় বড় গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ- কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণ কম র‌্যাম ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।

অদ্ভুতুড়ে 5:31 AM

সংক্ষেপে জেনে নেই BIOS Settings-কে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে কিভাবে আনতে হবে।

BIOS Settings
BIOS Settings
আমাদের মাঝে এখন কমবেশি সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করি হোক ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কিন্তু মাঝে মাঝে আমাদের এই কম্পিউটার ক্র্যাশ করে বা হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের কারণে BIOS-এর Settings পরিবর্তন হয়ে  যেতে পারে। তবে এতে নার্ভাস না হয়ে একটু জানা থাকলেই BIOS Settings পরিবর্তন হয়ে গেলেও এটিকে পূর্বের ডিফল্ট অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। নিম্নে তা কিভাবে করা যায় তা দেখানো হলোঃ-
Bios restore
Bios restore

==> BIOS-কে মেন্যু থেকে Restore করতে হবে।
 ধাপঃ-১

এ পদ্ধতি অন্যান্যগুলোর চেয়ে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি তাই নিম্নে তা আলোচনা করা হলো। 

প্রথমে কম্পিউটারের Power button-এ চেপে পিসি চালু করে যখন স্ক্রিনে উইন্ডোজের লোগো আসবে ঠিক ঐ সময়টাই কীবোর্ডের Del, F1 অথবা F2 button কে ধারাবাহিকভাবে ক্লিক করতে  হবে এরপর দেখা যাবে BIOS-এর মেন্যুটি চলে এসেছে। তবে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ভেদে Del, F1 অথবা F2 গুলো পার্থক্য হয়ে থাকে। তবে পিসি ওপেন করলেই উইন্ডোজের logo আসার সময় সাধারণত স্ক্রিনের নিজের দিকে button-গুলো প্রদর্শিত হয়ে থাকে।

ধাপঃ-২

এরপর BIOS Settings এ প্রবেশ করার পর Exit menu-তে ক্লিক করতে হবে।

ধাপঃ-৩

Exit menu-তে গিয়ে কীবোর্ডের Arrow button-এর সাহায্যে Load Setup Defoult-কে সিলেক্ট করতে হবে।
Load setup
Load setup
ছবিতে যে Bios-টি দেখানো হয়েছে সেটা অবশ্য কোম্পানীভেদে বিভিন্ন হতে পারে তবে একটু খেয়াল করলে এগুলো খুব সহজেই করতে পারা যাবে।

ধাপঃ-৪

এবার Enter button-এ ক্লিক করে Confirm করতে হবে। এক্ষেত্রে স্ক্রিনে Yes এর জন্য Y এবং NO এর জন্য N যেকোন একটি অপশন নির্বাচন করার জন্য একটি উইন্ডো আসবে। এতে YES এরজন্য Y button-কে সিলেক্ট করে উপরে EXIT & SAVE CHANGES+ENTER এ ক্লিক করে বের হয়ে আসতে হবে।

আশা করি ভবিষ্যতে BIOS Settings-কে ফ্যাক্টরি ডিফল্টে আনতে আর ঝামেলায় পড়তে হবে না।

অদ্ভুতুড়ে 1:18 AM

কম্পিউটারের সিকিউরিটি(security) মজবুত করে নিজেকে রক্ষা করুণ! ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া স্যান্টা ক্রুজ এর ইনফরমেশন টেকনোলজি সাপোর্ট সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাদের ক্যাম্পাসের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতি মিনিটে প্রায় ১ হাজার বারের মত আক্রমণ করা হয়। কিন্তু কম্পিউটারের সিকিউরিটির(security) ব্যাপারে তারা বেশ সচেতন এবং জ্ঞানসম্পন্ন বলে তারা আক্রমণগুলো প্রতিরোধ করতে পারে। তাই যে কোন ধরণের কম্পিউটার সিকিউরিটি(security) বিষয়ক আক্রমণগুলো থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কম্পিউটার সিকিউরিটি(security) বিষয়ে জানা আবশ্যক। 


কম্পিউটার সিকিউরিটি(security) কি?
কম্পিউটার সিকিউরিটি হল কম্পিউটারের সিস্টেম এবং যে ডাটাগুলো স্টোর করা থাকে ও ব্যবহার করা হয় সেসব ডাটার নিরাপত্তা।

কম্পিউটার সিকিউরিটি(security) কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
*১০% সিকিউরিটি(security) টেকনিক্যাল নির্ভর।
*৯০% সিকিউরিটি(security) নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর। এর অর্থ কিভাবে কম্পিউটারের নিরাপত্তা(security) নিশ্চিত করতে হয় তা কম্পিউটার ব্যবহারকারী জানে কিনা। 

হ্যাক হওয়া কম্পিউটার দ্বারা কি কি হতে পারে?
• পাসওয়ার্ড চুরি।
• স্প্যাম এবং ফিশিং লিঙ্ক প্রেরণ।
• ইমেইল অ্যাড্রেস এবং পাসওয়ার্ড তৈরি ও বিক্রি।
• ব্যাপক আকারে ট্র্যাফিক বাড়িয়ে সিস্টেমের ক্ষতি সাধন।
• জ্ঞান, সিনেমা, সফটওয়্যার এগুলোর বেআইনি বিতরণ।
• শিশু পর্ণগ্রাফি বিতরণ।
• অন্য সিস্টেমের ক্ষতি সাধন।
• ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস। 

এই ধরণের কম্পিউটার সিকিউরিটি(security) নিয়ে হুমকির মুখে না পড়তে হলে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। যেমন- 

শক্তিশালী এবং সহজে অনুধাবন করা যায়না এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং পাসওয়ার্ডসমূহ গোপন রাখতে হবে।
অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলো ট্রাস্টেড কোম্পানির কিনা এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আপডেট কিনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টিস্পাইওয়্যার সফটওয়্যারগুলো সময়মত আপডেট এবং সিস্টেম স্ক্যান করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
অপরিচিত কোন লিঙ্কে প্রবেশ, অজানা মেইলে আসা অ্যাটাচমেন্ট খোলা, অপরিচিত কোন ফাইল ডাউনলোড করা ইত্যাদি থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।
কোথাও প্রেরিত তথ্য বা পাসওয়ার্ড যে মাধ্যম দ্বারা কারো কাছে পাঠানো হচ্ছে সে মাধ্যমটি হ্যাকারদের হাত থেকে নিরাপদ কিনা সেটি বিবেচনায় রাখতে হবে।

অদ্ভুতুড়ে 2:55 AM

আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাদের চোখে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব তবে সেই উপায় গুলো আমাদের জানতে হবে। চলুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায় যার সাহায্যে আমরা আমাদের চোখকে সুস্থ রাখতে পারবো। 

কম্পিউটারের জন্যে নষ্ট হয়ে জেতে পারে আপনার মহামূল্যবান চোখটি     আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাদের চোখে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব তবে সেই উপায় গুলো আমাদের জানতে হবে। চলুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায় যার সাহায্যে আমরা আমাদের চোখকে সুস্থ রাখতে পারবো।  • প্রথমেই আপনার মনিটরের মান সম্পর্কে আপনার নিশ্চিত হতে হবে। ভালো মানের মনিটর আপনার চোখকে কম ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে। এছাড়াও, সিআরটি মনিটর চোখের উপর বেশি প্রেশার ফেলে, তাই চেষ্টা করুন এলইডি মনিটর ব্যবহার করতে।   • সব সময় চেষ্টা করবেন যেন কম্পিউটারের মনিটরটি চোখের আই লেভেল থেকে চার-আট ইঞ্চি নিচে এবং আঠারো-চব্বিশ ইঞ্চি দূরে থাকে।   • একজন অ্যাডভান্স লেভেলের কম্পিউটার ব্যবহারকারীর, যার হয়ত দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কম্পিউটারের সামনে - তার অবশ্যই প্রথমে কোন চোখ বিশেষজ্ঞের সাথে কনসাল্ট করা উচিৎ। এতে করে চোখে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে সেটির প্রতিরোধ সহ কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য বাড়তি সতর্কতা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও, যাদের বয়স চল্লিশ বা এর বেশি তাদের উচিৎ কম্পিউটারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা গ্লাস ব্যবহার করা।   • একটানা কম্পিউটার ব্যবাহার করা শুধু চোখের জন্যই নয় বরং কোমরের জন্যেও ক্ষতিকর। তবে, এভারেজে চোখের জন্যেই তা বেশি ক্ষতিকর। তাই, একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করার পর কিছুক্ষনের জন্য হলেও চোখ কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সরিয়ে রাখতে পারেন। ভালো হয় যদি আপনি আপনার বারান্দার বা জানালা দিয়ে সবুজ গাছগাছালি দেখতে পারেন। সবুজ রঙ চোখের জন্য ভালো। এছাড়াও, ২০-২০-২০ অনুশীলনটিও কাজে আসে। এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।   • কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনোযোগের কারণে আমাদের চোখের পলক কম পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে চোখের পানি কমে যায় এবং এর কারণে ড্রাই আই সমস্যা দেখা দেয়। ড্রাই আই সমস্যায় চোখে কাটা কাটা অনুভব হয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন।   • কম্পিউটার একটানা ব্যবহারে চোখ ছাড়াও কোমর, ঘাড়, কাঁধ - শরীরের এমন বেশ কিছু অংশে ব্যাথা হতে পারে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর ব্যায়াম করা ভালো।   • মনিটরের ব্রাইটনেসের আলো এবং রুমের আলোর সাথে খুব বেশি পার্থক্য না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।   • মনিটরে খুব বেশি ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। কেননা, ছোট ফন্ট পড়ার সময় আমাদের চোখে বেশি প্রেসার পড়ে ফলে চোখ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।   • কাজের মধ্যে বিরতি দিন। এতে শুধু চোখই নয় বরং আপনার মস্তিষ্কও কিছুটা বিশ্রাম পাবে।   বিঃদ্রঃ - আশা করি আপনারা এই সহজ উপায় গুলো মনে রাখবেন এবং এগুলো ফলো করে নিজের চোখকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবেন।


• প্রথমেই আপনার মনিটরের মান সম্পর্কে আপনার নিশ্চিত হতে হবে। ভালো মানের মনিটর আপনার চোখকে কম ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে। এছাড়াও, সিআরটি মনিটর চোখের উপর বেশি প্রেশার ফেলে, তাই চেষ্টা করুন এলইডি মনিটর ব্যবহার করতে। 
কম্পিউটারের জন্যে নষ্ট হয়ে জেতে পারে আপনার মহামূল্যবান চোখটি     আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাদের চোখে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব তবে সেই উপায় গুলো আমাদের জানতে হবে। চলুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায় যার সাহায্যে আমরা আমাদের চোখকে সুস্থ রাখতে পারবো।  • প্রথমেই আপনার মনিটরের মান সম্পর্কে আপনার নিশ্চিত হতে হবে। ভালো মানের মনিটর আপনার চোখকে কম ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে। এছাড়াও, সিআরটি মনিটর চোখের উপর বেশি প্রেশার ফেলে, তাই চেষ্টা করুন এলইডি মনিটর ব্যবহার করতে।   • সব সময় চেষ্টা করবেন যেন কম্পিউটারের মনিটরটি চোখের আই লেভেল থেকে চার-আট ইঞ্চি নিচে এবং আঠারো-চব্বিশ ইঞ্চি দূরে থাকে।   • একজন অ্যাডভান্স লেভেলের কম্পিউটার ব্যবহারকারীর, যার হয়ত দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কম্পিউটারের সামনে - তার অবশ্যই প্রথমে কোন চোখ বিশেষজ্ঞের সাথে কনসাল্ট করা উচিৎ। এতে করে চোখে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে সেটির প্রতিরোধ সহ কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য বাড়তি সতর্কতা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও, যাদের বয়স চল্লিশ বা এর বেশি তাদের উচিৎ কম্পিউটারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা গ্লাস ব্যবহার করা।   • একটানা কম্পিউটার ব্যবাহার করা শুধু চোখের জন্যই নয় বরং কোমরের জন্যেও ক্ষতিকর। তবে, এভারেজে চোখের জন্যেই তা বেশি ক্ষতিকর। তাই, একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করার পর কিছুক্ষনের জন্য হলেও চোখ কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সরিয়ে রাখতে পারেন। ভালো হয় যদি আপনি আপনার বারান্দার বা জানালা দিয়ে সবুজ গাছগাছালি দেখতে পারেন। সবুজ রঙ চোখের জন্য ভালো। এছাড়াও, ২০-২০-২০ অনুশীলনটিও কাজে আসে। এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।   • কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনোযোগের কারণে আমাদের চোখের পলক কম পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে চোখের পানি কমে যায় এবং এর কারণে ড্রাই আই সমস্যা দেখা দেয়। ড্রাই আই সমস্যায় চোখে কাটা কাটা অনুভব হয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন।   • কম্পিউটার একটানা ব্যবহারে চোখ ছাড়াও কোমর, ঘাড়, কাঁধ - শরীরের এমন বেশ কিছু অংশে ব্যাথা হতে পারে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর ব্যায়াম করা ভালো।   • মনিটরের ব্রাইটনেসের আলো এবং রুমের আলোর সাথে খুব বেশি পার্থক্য না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।   • মনিটরে খুব বেশি ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। কেননা, ছোট ফন্ট পড়ার সময় আমাদের চোখে বেশি প্রেসার পড়ে ফলে চোখ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।   • কাজের মধ্যে বিরতি দিন। এতে শুধু চোখই নয় বরং আপনার মস্তিষ্কও কিছুটা বিশ্রাম পাবে।   বিঃদ্রঃ - আশা করি আপনারা এই সহজ উপায় গুলো মনে রাখবেন এবং এগুলো ফলো করে নিজের চোখকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবেন।


• সব সময় চেষ্টা করবেন যেন কম্পিউটারের মনিটরটি চোখের আই লেভেল থেকে চার-আট ইঞ্চি নিচে এবং আঠারো-চব্বিশ ইঞ্চি দূরে থাকে। 

• একজন অ্যাডভান্স লেভেলের কম্পিউটার ব্যবহারকারীর, যার হয়ত দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কম্পিউটারের সামনে - তার অবশ্যই প্রথমে কোন চোখ বিশেষজ্ঞের সাথে কনসাল্ট করা উচিৎ। এতে করে চোখে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে সেটির প্রতিরোধ সহ কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য বাড়তি সতর্কতা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও, যাদের বয়স চল্লিশ বা এর বেশি তাদের উচিৎ কম্পিউটারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা গ্লাস ব্যবহার করা। 
কম্পিউটারের জন্যে নষ্ট হয়ে জেতে পারে আপনার মহামূল্যবান চোখটি     আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাদের চোখে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব তবে সেই উপায় গুলো আমাদের জানতে হবে। চলুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায় যার সাহায্যে আমরা আমাদের চোখকে সুস্থ রাখতে পারবো।  • প্রথমেই আপনার মনিটরের মান সম্পর্কে আপনার নিশ্চিত হতে হবে। ভালো মানের মনিটর আপনার চোখকে কম ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে। এছাড়াও, সিআরটি মনিটর চোখের উপর বেশি প্রেশার ফেলে, তাই চেষ্টা করুন এলইডি মনিটর ব্যবহার করতে।   • সব সময় চেষ্টা করবেন যেন কম্পিউটারের মনিটরটি চোখের আই লেভেল থেকে চার-আট ইঞ্চি নিচে এবং আঠারো-চব্বিশ ইঞ্চি দূরে থাকে।   • একজন অ্যাডভান্স লেভেলের কম্পিউটার ব্যবহারকারীর, যার হয়ত দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কম্পিউটারের সামনে - তার অবশ্যই প্রথমে কোন চোখ বিশেষজ্ঞের সাথে কনসাল্ট করা উচিৎ। এতে করে চোখে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে সেটির প্রতিরোধ সহ কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য বাড়তি সতর্কতা নিশ্চিত হবে। এছাড়াও, যাদের বয়স চল্লিশ বা এর বেশি তাদের উচিৎ কম্পিউটারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা গ্লাস ব্যবহার করা।   • একটানা কম্পিউটার ব্যবাহার করা শুধু চোখের জন্যই নয় বরং কোমরের জন্যেও ক্ষতিকর। তবে, এভারেজে চোখের জন্যেই তা বেশি ক্ষতিকর। তাই, একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করার পর কিছুক্ষনের জন্য হলেও চোখ কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সরিয়ে রাখতে পারেন। ভালো হয় যদি আপনি আপনার বারান্দার বা জানালা দিয়ে সবুজ গাছগাছালি দেখতে পারেন। সবুজ রঙ চোখের জন্য ভালো। এছাড়াও, ২০-২০-২০ অনুশীলনটিও কাজে আসে। এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য।   • কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনোযোগের কারণে আমাদের চোখের পলক কম পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে চোখের পানি কমে যায় এবং এর কারণে ড্রাই আই সমস্যা দেখা দেয়। ড্রাই আই সমস্যায় চোখে কাটা কাটা অনুভব হয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন।   • কম্পিউটার একটানা ব্যবহারে চোখ ছাড়াও কোমর, ঘাড়, কাঁধ - শরীরের এমন বেশ কিছু অংশে ব্যাথা হতে পারে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর ব্যায়াম করা ভালো।   • মনিটরের ব্রাইটনেসের আলো এবং রুমের আলোর সাথে খুব বেশি পার্থক্য না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।   • মনিটরে খুব বেশি ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। কেননা, ছোট ফন্ট পড়ার সময় আমাদের চোখে বেশি প্রেসার পড়ে ফলে চোখ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়।   • কাজের মধ্যে বিরতি দিন। এতে শুধু চোখই নয় বরং আপনার মস্তিষ্কও কিছুটা বিশ্রাম পাবে।   বিঃদ্রঃ - আশা করি আপনারা এই সহজ উপায় গুলো মনে রাখবেন এবং এগুলো ফলো করে নিজের চোখকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবেন।


• একটানা কম্পিউটার ব্যবাহার করা শুধু চোখের জন্যই নয় বরং কোমরের জন্যেও ক্ষতিকর। তবে, এভারেজে চোখের জন্যেই তা বেশি ক্ষতিকর। তাই, একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করার পর কিছুক্ষনের জন্য হলেও চোখ কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সরিয়ে রাখতে পারেন। ভালো হয় যদি আপনি আপনার বারান্দার বা জানালা দিয়ে সবুজ গাছগাছালি দেখতে পারেন। সবুজ রঙ চোখের জন্য ভালো। এছাড়াও, ২০-২০-২০ অনুশীলনটিও কাজে আসে। এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য। 

• কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনোযোগের কারণে আমাদের চোখের পলক কম পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে চোখের পানি কমে যায় এবং এর কারণে ড্রাই আই সমস্যা দেখা দেয়। ড্রাই আই সমস্যায় চোখে কাটা কাটা অনুভব হয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় ঘন ঘন চোখের পলক ফেলুন। 

• কম্পিউটার একটানা ব্যবহারে চোখ ছাড়াও কোমর, ঘাড়, কাঁধ - শরীরের এমন বেশ কিছু অংশে ব্যাথা হতে পারে। তাই একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর পর ব্যায়াম করা ভালো। 

• মনিটরের ব্রাইটনেসের আলো এবং রুমের আলোর সাথে খুব বেশি পার্থক্য না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। 

• মনিটরে খুব বেশি ছোট ফন্ট ব্যবহার করবেন না। কেননা, ছোট ফন্ট পড়ার সময় আমাদের চোখে বেশি প্রেসার পড়ে ফলে চোখ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 

• কাজের মধ্যে বিরতি দিন। এতে শুধু চোখই নয় বরং আপনার মস্তিষ্কও কিছুটা বিশ্রাম পাবে। 

বিঃদ্রঃ - আশা করি আপনারা এই সহজ উপায় গুলো মনে রাখবেন এবং এগুলো ফলো করে নিজের চোখকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:07 AM

আজ আপনাদেরকে জানাবো অসাধারণ কিছু ফিচার যুক্ত একটি ফ্রি ভিডিও কনভার্টার Freemake Video Converter। আপনি যদি মুভিপ্রেমী হন অর্থাৎ মুভি দেখতে ও সংগ্রহ করতে ভালবাসেন তবে আপনার জন্য অসাধারন এই কনভার্টারটি সবসময়ের জন্য প্রয়োজন। 

Freemake Video Converter অসাধারণ একটি ভিডিও কনভার্টার    আজ আপনাদেরকে জানাবো অসাধারণ কিছু ফিচার যুক্ত একটি ফ্রি ভিডিও কনভার্টার Freemake Video Converter। আপনি যদি মুভিপ্রেমী হন অর্থাৎ মুভি দেখতে ও সংগ্রহ করতে ভালবাসেন তবে আপনার জন্য অসাধারন এই কনভার্টারটি সবসময়ের জন্য প্রয়োজন।  এবার আসুন একনজরে জেনে নেই কি কি সুবিধা দিতে পারবে আপনাকে এই কনভার্টারটিঃ   ১. যে কোন বড় সাইজের ভিডিও ফাইল কনভার্ট করে একবারে কমিয়ে ফেলতে পারবেন।  ২. যে কোন ভিডিও ফাইল থেকে অডিও ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন।  ৩. প্রায় ২০০ এর অধিক ফাইল ফরমেট গ্রহন করার তথা ইনপুট নেয়ার ক্যাপাসিটি রয়েছ।  ৪. যে কোন অনলাইন ভিডিওকে সরাসরি mp3 তে কনভার্ট করে ডাউনলোড করা সম্ভব।  ৫. আবার শক্তিশালী ফাইল ফরমেট যেমনঃ AVI, MP4, MKV, FLV, 3GP, MP3, HTML5 ইত্যাদিতে সহজেই কনভার্ট করতে পারবেন।    ৬. সকল ধরণের মোবাইল, ট্যাব ডিভাইস যেমনঃ iPod, iPhone, iPad, PSP, Android এ কনভার্ট করার চমৎকার উপায় রয়েছে।  ৭. খুব দ্রুত কনভার্ট করার জন্য রয়েছে CUDA এবং DXVA প্রযুক্তির ব্যবহার যা খুব কম পরিমানে CPU ব্যবহার করবে।  ৮. ব্লু-রে ফরমেটে কনভার্ট এবং ডিভিডি বার্ন করতে পারবেন।  ৯. ভিডিওর সাথে সাবটাইটেল যুক্ত করতে পারবেন।  ১০. অনেক গুলো ছবি একত্রিত করেে স্লাইডশো ভিডিও করতে পারবেন এবং সেই সাথে অডিও যুক্ত করতে পারবে।  ১১. ভিডিওকে কাট করতে পারবেন অর্থাৎ মুভি থেকে গান বা যে কোন অংশ আলাদা করতে পারবেন। সেই সাথে ভিডিওকে রোটেট (ঘুরানো) পারবেন।  Freemake Video Converter ব্যবহার করতে হলে আপনার পিসিতে .Net Framework একটিভ থাকতে হবে। Windows XP / Vista / Windows7 / XP64 / Vista64 / Windows7 64 / Windows8 / Windows8 64 ব্যবহারকারীরা নিচের লিংক থেকে .Net Framework ডাউনলোড করে নিন। .Net Framework  তাহলে আর দেরী কেন দ্রুত ডাউনলোড করে নিন। দ্রুত ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে। সরাসরি ডাউনলোড লিংকঃ Freemake Video Converter


এবার আসুন একনজরে জেনে নেই কি কি সুবিধা দিতে পারবে আপনাকে এই কনভার্টারটিঃ 

১. যে কোন বড় সাইজের ভিডিও ফাইল কনভার্ট করে একবারে কমিয়ে ফেলতে পারবেন।
২. যে কোন ভিডিও ফাইল থেকে অডিও ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন।
৩. প্রায় ২০০ এর অধিক ফাইল ফরমেট গ্রহন করার তথা ইনপুট নেয়ার ক্যাপাসিটি রয়েছ।
৪. যে কোন অনলাইন ভিডিওকে সরাসরি mp3 তে কনভার্ট করে ডাউনলোড করা সম্ভব।
৫. আবার শক্তিশালী ফাইল ফরমেট যেমনঃ AVI, MP4, MKV, FLV, 3GP, MP3, HTML5 ইত্যাদিতে সহজেই কনভার্ট করতে পারবেন।
Freemake Video Converter অসাধারণ একটি ভিডিও কনভার্টার    আজ আপনাদেরকে জানাবো অসাধারণ কিছু ফিচার যুক্ত একটি ফ্রি ভিডিও কনভার্টার Freemake Video Converter। আপনি যদি মুভিপ্রেমী হন অর্থাৎ মুভি দেখতে ও সংগ্রহ করতে ভালবাসেন তবে আপনার জন্য অসাধারন এই কনভার্টারটি সবসময়ের জন্য প্রয়োজন।  এবার আসুন একনজরে জেনে নেই কি কি সুবিধা দিতে পারবে আপনাকে এই কনভার্টারটিঃ   ১. যে কোন বড় সাইজের ভিডিও ফাইল কনভার্ট করে একবারে কমিয়ে ফেলতে পারবেন।  ২. যে কোন ভিডিও ফাইল থেকে অডিও ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন।  ৩. প্রায় ২০০ এর অধিক ফাইল ফরমেট গ্রহন করার তথা ইনপুট নেয়ার ক্যাপাসিটি রয়েছ।  ৪. যে কোন অনলাইন ভিডিওকে সরাসরি mp3 তে কনভার্ট করে ডাউনলোড করা সম্ভব।  ৫. আবার শক্তিশালী ফাইল ফরমেট যেমনঃ AVI, MP4, MKV, FLV, 3GP, MP3, HTML5 ইত্যাদিতে সহজেই কনভার্ট করতে পারবেন।    ৬. সকল ধরণের মোবাইল, ট্যাব ডিভাইস যেমনঃ iPod, iPhone, iPad, PSP, Android এ কনভার্ট করার চমৎকার উপায় রয়েছে।  ৭. খুব দ্রুত কনভার্ট করার জন্য রয়েছে CUDA এবং DXVA প্রযুক্তির ব্যবহার যা খুব কম পরিমানে CPU ব্যবহার করবে।  ৮. ব্লু-রে ফরমেটে কনভার্ট এবং ডিভিডি বার্ন করতে পারবেন।  ৯. ভিডিওর সাথে সাবটাইটেল যুক্ত করতে পারবেন।  ১০. অনেক গুলো ছবি একত্রিত করেে স্লাইডশো ভিডিও করতে পারবেন এবং সেই সাথে অডিও যুক্ত করতে পারবে।  ১১. ভিডিওকে কাট করতে পারবেন অর্থাৎ মুভি থেকে গান বা যে কোন অংশ আলাদা করতে পারবেন। সেই সাথে ভিডিওকে রোটেট (ঘুরানো) পারবেন।  Freemake Video Converter ব্যবহার করতে হলে আপনার পিসিতে .Net Framework একটিভ থাকতে হবে। Windows XP / Vista / Windows7 / XP64 / Vista64 / Windows7 64 / Windows8 / Windows8 64 ব্যবহারকারীরা নিচের লিংক থেকে .Net Framework ডাউনলোড করে নিন। .Net Framework  তাহলে আর দেরী কেন দ্রুত ডাউনলোড করে নিন। দ্রুত ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে। সরাসরি ডাউনলোড লিংকঃ Freemake Video Converter


৬. সকল ধরণের মোবাইল, ট্যাব ডিভাইস যেমনঃ iPod, iPhone, iPad, PSP, Android এ কনভার্ট করার চমৎকার উপায় রয়েছে।
৭. খুব দ্রুত কনভার্ট করার জন্য রয়েছে CUDA এবং DXVA প্রযুক্তির ব্যবহার যা খুব কম পরিমানে CPU ব্যবহার করবে।
৮. ব্লু-রে ফরমেটে কনভার্ট এবং ডিভিডি বার্ন করতে পারবেন।
৯. ভিডিওর সাথে সাবটাইটেল যুক্ত করতে পারবেন।
১০. অনেক গুলো ছবি একত্রিত করেে স্লাইডশো ভিডিও করতে পারবেন এবং সেই সাথে অডিও যুক্ত করতে পারবে।
১১. ভিডিওকে কাট করতে পারবেন অর্থাৎ মুভি থেকে গান বা যে কোন অংশ আলাদা করতে পারবেন। সেই সাথে ভিডিওকে রোটেট (ঘুরানো) পারবেন।

Freemake Video Converter ব্যবহার করতে হলে আপনার পিসিতে .Net Framework একটিভ থাকতে হবে।
Windows XP / Vista / Windows7 / XP64 / Vista64 / Windows7 64 / Windows8 / Windows8 64 ব্যবহারকারীরা নিচের লিংক থেকে .Net Framework ডাউনলোড করে নিন।

তাহলে আর দেরী কেন দ্রুত ডাউনলোড করে নিন। দ্রুত ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে।
সরাসরি ডাউনলোড লিংকঃ Freemake Video Converter 

অদ্ভুতুড়ে 5:01 AM

ডিভিডি রম এ সিডি রিড করতে পারছেন্না?? পেনড্রাইভের মাধ্যমে উইন্ডোজ ইনস্টল করে নিন!!USB পেনড্রাইভটি বুটেবল করে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা খুবই সহজ একটা প্রক্রিয়া । আপনার পিসি বা ল্যাপটপের ডিভিডি রম না থাকলে বা কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বুটেবল পেনড্রাইভ একটি ভালো সমাধান। কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট অথবা তার চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটা পেনড্রাইভ হতে হবে।


এটি করতে কম্পিউটার এর স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুণ। তারপর সার্চ বক্স এ cmd লিখলে যে প্রোগ্রামটি আসবে, তাতে রাইট বাটন ক্লিক করে Run as administrator ওপেন করুন। ইউজার অ্যাকাউন্ট কন্ট্রোল ডায়ালগ বক্স এলে ok/yes চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পট উইন্ডো চালু হলে তাতে diskpart লিখে এন্টার চাপুন। ডিস্কপার্ট অবস্থায় এলে list disk লিখে এন্টার চাপলে আপনার সিস্টেমে যেসব ড্রাইভ সংযুক্ত আছে, তার লিস্ট ও পাশেই সাইজ দেখাবে। এখানে একটা বিষয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত আপনার হার্ডডিস্ক হবে Disk 0, যার সাইজ গিগাবাইটে দেওয়া আছে। নিচেই পাবেন আপনার পেনড্রাইভ Disk 1 অথবা Disk 2 এ রকম, যার সাইজ মেগাবাইট আকারে পাবেন।

এখান থেকে আপনার পেনড্রাইভটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। Disk 1 আপনার পেনড্রাইভ হলে select disk 1 অথবা Disk 2 হলে select disk 2 লিখে এন্টার চাপুন। এরপর clean লিখে এন্টার চাপতে হবে। তারপর create partition primary লিখে এন্টার চাপলে পার্টিশন তৈরি হবে। এবার ড্রাইভটি ফরমেট করতে হবে। লিখুন format fs=ntfs quick এবং এন্টার চাপুন। ফরমেট হতে সামান্য একটু সময় নেবে। এটাই শেষ ধাপ। active লিখে এন্টার চাপুন। তারপর exit লিখে বের হয়ে আসুন। বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরি হয়ে গেল।

এখন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ভিডিডি (Windows Vista, 7, 8 অথবা 8.1) থেকে সব ফাইল কপি করে পেনড্রাইভে পেস্ট করে দিন। ইমেজ ফাইল বা ISO ফাইল থাকলে সেটাকে উইনরার, উইনজিপ অথবা সেভেন-জিপ—যেকোনো একটা দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে পেনড্রাইভে কপি করতে হবে। যে কম্পিউটারে ওএস ইনস্টল করতে হবে, তাতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে মেশিন চালু করে বুট মেন্যু থেকে পেনড্রাইভ বা রিম্যুভেবল ডিস্ক নির্বাচন করে দিন। উইন্ডোজ ইনস্টলেশন শুরু হয়ে যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 3:29 AM

 
সাধারণত আমাদের কম্পিউটার ব্যাবহার করার সময় নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সব কিছুর যেমন সমস্যা আছে তেমনি সমাধানও আছে। তাই আমি কিছু সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে আপনাদের জন্য একটা পোস্ট লিখেছি।   ১. সমস্যাঃ প্রায় সময় দেখাযায় যে কম্পিউটারেই সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেয়। যখন কোন গান প্লে করা হয় তখন এই বার্তাটি দেখা দিতে পারে "There may not be a sound device installed on your computer"। সমাধানঃ যদি আপনার সাউন্ড সিস্টেমটি বিল্টইন হয়, তবে আপনাকে আবার নতুন করে সাউন্ড কার্ডটি ইন্সটল করতে হবে। আর যদি এক্সটারনাল হয়, তাহলে সাউন্ড সিস্টেমটি খুলে ভালো করে মুছে ঠিকভাবে সংযোগটি লাগান। দেখবেন আপনার সাউন্ড সিস্টেম ঠিক হয়ে যাবে।  ২. সমস্যাঃ যখন আপনার কম্পিউটারে "Microsoft Office"  সেটআপ দেয়ার পরে বুঝতে পারেন কোন Menu বাদ পড়েছে, তখন আপনি কি করবেন? সমাধানঃ আপনি যেই অফিসটি সেটআপ দিয়েছেন তাতে সমস্যা আছে, তাই আপনি একটি ভালমানের অফিস সংগ্রহ করে পুনরায় সেটআপ দিন। ফলে আপনার সমস্যার সমাধান হবে।  ৩. সমস্যাঃ অনেকেই পুরনো মডেলের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যা উল্যেখ যোগ্য একটু সমস্যা হোলো কম্পিউটার চালু করার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। সমাধানঃ এমন সমস্যার ক্ষেত্রে বেশির ভাগই পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা হয়ে থাকে, তাই পাওয়ার সাপ্লাই পাল্টাতে হবে। তাছাড়াও মাদারবোর্ড, প্রসেসর ও র‍্যাম পাল্টে ফেলুন, এতে করে আপনারই ভালো। তানাহলে এই সমস্যাগুলো ক্যান্সারে রুপান্তরিত হতে পারে।  ৪. সমস্যাঃ মাঝে মাজে কম্পিউটারে একই সাথে অনেকগুলো ওয়ার্ডের ফাইল অন করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। সমাধানঃ এই ধরনের সমস্যা স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটারের গতি কম থাকলে ঘটে থাকে। তাই কম্পিউটারের র‍্যামটি বাড়িয়ে ফেলুন, তাছাড়াও হার্ডডিস্কের যেসব ফাইল আপনার প্রয়োজন নেই সেগুলোকে মুছে ফেলুন।  ৫. সমস্যাঃ বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যাবহার করার সময় অনেকেই একটা সমস্যায় ভুগে থাকতে পারেন। যা ব্রাউজার ওপেন করার সময়  “windows cannot find c:program filesjavajre6.exe” লেখাটি দেখায়। সমাধানঃ এই ক্ষেত্রে যে ব্যাপারটি ঘটে থাকে তা হোলো ব্রাউজার ইন্সটলেশন লোকেশনে প্রবলেম থাকে। তাই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহলো ব্রাউজারটি আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল দিন। তাহলেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
কম্পিউটারের কিছু সাধারণ সমস্যার অসাধারণ সমাধান !!!

সাধারণত আমাদের কম্পিউটার ব্যাবহার করার সময় নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সব কিছুর যেমন সমস্যা আছে তেমনি সমাধানও আছে। তাই আমি কিছু সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে আপনাদের জন্য একটা পোস্ট লিখেছি।



১. সমস্যাঃ
প্রায় সময় দেখাযায় যে কম্পিউটারেই সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেয়। যখন কোন গান প্লে করা হয় তখন এই বার্তাটি দেখা দিতে পারে "There may not be a sound device installed on your computer"।
সমাধানঃ
যদি আপনার সাউন্ড সিস্টেমটি বিল্টইন হয়, তবে আপনাকে আবার নতুন করে সাউন্ড কার্ডটি ইন্সটল করতে হবে। আর যদি এক্সটারনাল হয়, তাহলে সাউন্ড সিস্টেমটি খুলে ভালো করে মুছে ঠিকভাবে সংযোগটি লাগান। দেখবেন আপনার সাউন্ড সিস্টেম ঠিক হয়ে যাবে।

২. সমস্যাঃ
যখন আপনার কম্পিউটারে "Microsoft Office"  সেটআপ দেয়ার পরে বুঝতে পারেন কোন Menu বাদ পড়েছে, তখন আপনি কি করবেন?
সমাধানঃ
আপনি যেই অফিসটি সেটআপ দিয়েছেন তাতে সমস্যা আছে, তাই আপনি একটি ভালমানের অফিস সংগ্রহ করে পুনরায় সেটআপ দিন। ফলে আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

সাধারণত আমাদের কম্পিউটার ব্যাবহার করার সময় নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সব কিছুর যেমন সমস্যা আছে তেমনি সমাধানও আছে। তাই আমি কিছু সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে আপনাদের জন্য একটা পোস্ট লিখেছি।   ১. সমস্যাঃ প্রায় সময় দেখাযায় যে কম্পিউটারেই সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেয়। যখন কোন গান প্লে করা হয় তখন এই বার্তাটি দেখা দিতে পারে "There may not be a sound device installed on your computer"। সমাধানঃ যদি আপনার সাউন্ড সিস্টেমটি বিল্টইন হয়, তবে আপনাকে আবার নতুন করে সাউন্ড কার্ডটি ইন্সটল করতে হবে। আর যদি এক্সটারনাল হয়, তাহলে সাউন্ড সিস্টেমটি খুলে ভালো করে মুছে ঠিকভাবে সংযোগটি লাগান। দেখবেন আপনার সাউন্ড সিস্টেম ঠিক হয়ে যাবে।  ২. সমস্যাঃ যখন আপনার কম্পিউটারে "Microsoft Office"  সেটআপ দেয়ার পরে বুঝতে পারেন কোন Menu বাদ পড়েছে, তখন আপনি কি করবেন? সমাধানঃ আপনি যেই অফিসটি সেটআপ দিয়েছেন তাতে সমস্যা আছে, তাই আপনি একটি ভালমানের অফিস সংগ্রহ করে পুনরায় সেটআপ দিন। ফলে আপনার সমস্যার সমাধান হবে।  ৩. সমস্যাঃ অনেকেই পুরনো মডেলের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যা উল্যেখ যোগ্য একটু সমস্যা হোলো কম্পিউটার চালু করার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। সমাধানঃ এমন সমস্যার ক্ষেত্রে বেশির ভাগই পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা হয়ে থাকে, তাই পাওয়ার সাপ্লাই পাল্টাতে হবে। তাছাড়াও মাদারবোর্ড, প্রসেসর ও র‍্যাম পাল্টে ফেলুন, এতে করে আপনারই ভালো। তানাহলে এই সমস্যাগুলো ক্যান্সারে রুপান্তরিত হতে পারে।  ৪. সমস্যাঃ মাঝে মাজে কম্পিউটারে একই সাথে অনেকগুলো ওয়ার্ডের ফাইল অন করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়। সমাধানঃ এই ধরনের সমস্যা স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটারের গতি কম থাকলে ঘটে থাকে। তাই কম্পিউটারের র‍্যামটি বাড়িয়ে ফেলুন, তাছাড়াও হার্ডডিস্কের যেসব ফাইল আপনার প্রয়োজন নেই সেগুলোকে মুছে ফেলুন।  ৫. সমস্যাঃ বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যাবহার করার সময় অনেকেই একটা সমস্যায় ভুগে থাকতে পারেন। যা ব্রাউজার ওপেন করার সময়  “windows cannot find c:program filesjavajre6.exe” লেখাটি দেখায়। সমাধানঃ এই ক্ষেত্রে যে ব্যাপারটি ঘটে থাকে তা হোলো ব্রাউজার ইন্সটলেশন লোকেশনে প্রবলেম থাকে। তাই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহলো ব্রাউজারটি আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল দিন। তাহলেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
কম্পিউটারের কিছু সাধারণ সমস্যার অসাধারণ সমাধান !!! 


৩. সমস্যাঃ
অনেকেই পুরনো মডেলের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যা উল্যেখ যোগ্য একটু সমস্যা হোলো কম্পিউটার চালু করার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর আবার বন্ধ হয়ে যায়।
সমাধানঃ
এমন সমস্যার ক্ষেত্রে বেশির ভাগই পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা হয়ে থাকে, তাই পাওয়ার সাপ্লাই পাল্টাতে হবে। তাছাড়াও মাদারবোর্ড, প্রসেসর ও র‍্যাম পাল্টে ফেলুন, এতে করে আপনারই ভালো। তানাহলে এই সমস্যাগুলো ক্যান্সারে রুপান্তরিত হতে পারে।


 

৪. সমস্যাঃ
মাঝে মাজে কম্পিউটারে একই সাথে অনেকগুলো ওয়ার্ডের ফাইল অন করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়।
সমাধানঃ
এই ধরনের সমস্যা স্বাভাবিকভাবে কম্পিউটারের গতি কম থাকলে ঘটে থাকে। তাই কম্পিউটারের র‍্যামটি বাড়িয়ে ফেলুন, তাছাড়াও হার্ডডিস্কের যেসব ফাইল আপনার প্রয়োজন নেই সেগুলোকে মুছে ফেলুন।

৫. সমস্যাঃ
বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যাবহার করার সময় অনেকেই একটা সমস্যায় ভুগে থাকতে পারেন। যা ব্রাউজার ওপেন করার সময়  “windows cannot find c:program filesjavajre6.exe” লেখাটি দেখায়।
সমাধানঃ
এই ক্ষেত্রে যে ব্যাপারটি ঘটে থাকে তা হোলো ব্রাউজার ইন্সটলেশন লোকেশনে প্রবলেম থাকে। তাই আপনাকে যেটা করতে হবে তাহলো ব্রাউজারটি আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল দিন। তাহলেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

অদ্ভুতুড়ে 12:17 PM
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতির কম্পিউটার !!
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতির কম্পিউটার !! 

সময়ের সবচেয়ে যত দ্রুত আর শক্তিশালী শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার তৈরি হল চীনে, এবং আর নাম তিয়ানহে দুই ।  টেকনলজি দুনিয়ায় সুপার কম্পিউটার এটাই প্রথম নয়। অনেক আগে থেকেই সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকরা চেষ্টা করছেন শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার তৈরির। আর সেই ধারাবাহিকতায়ই চিনে তৈরি হয়েছে তিয়ানহে ২ জা বর্তমান সময়ের সব চেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার ।
চীনের জনপ্রিয়  বিশ্ববিদ্যালয় সান ইয়াত সেনে অবস্থিত এই সুপার কম্পিউটার তৈরিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন করেছেন প্রায় এক হাজার তিনস বা তার অধিক বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়ার । তিয়ানহে ২ এর সকল কার্যক্রম শেষ করে জনসম্মুখে নিয়ে আসার কথা ছিল ২০১৫ সালে কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে ২০১৩ এর জুনেই একে জনসম্মুখে আনা হয়।
প্রায় ৩১ লক্ষ্য ২০ হাজার কোর সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এই সুপার কম্পিউটার !! এর র‍্যাম কত জিবি হতে পারে, কোন ধারণা করতে পারেন ? ১০,২৪০০০ গিগাবাইট হচ্ছে এই সুপারকম্পিউটারের র‍্যাম ! ভাবা যায় ! সাধারনত সবার পিসিতে র‍্যাম থেকে ৪ থেকে ৮ জিবি পর্যন্ত ! কোথায় ৮ জিবি আর কোথায় ১০,২৪০০০ জিবি !
এই সুপার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স । চীনের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব ডিফেন্স টেকনোলজি কর্তৃক ডেভেলপকৃত কাইলিন লিনাক্সে চলে তিয়ানহে-২। প্রথমে FreeBSD এর উপর বেইজ করে ডেভেলপ করা হলেও ২০১৩ সালে ক্যানোনিকাল এর সাথে চুক্তির মাধ্যমে বর্তমানে উবুন্টু বেইজ করে তৈরি করা হচ্ছে কাইলিন লিনাক্স। তিয়ানহে ২ প্রায় ৩৩.৮৬ পেটাফ্লপ স্পিডে কাজ করতে সক্ষম। যা কিনা এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী “টাইটান” এর স্পিডের চেয়ে অনেক অনেক বেশি !

Tag: Fastest Computer around the world. 

অদ্ভুতুড়ে 4:04 AM

 

মাঝে মাঝে কম্পিউটার এর Hide File বা Folder Delete করা যায় না। মেমোরি, পেনড্রাইভ বা কম্পিউটার এ ভাইরাসে আক্রান্ত করে এবং এমন কিছু ফোল্ডার তৈরি হয়েছে যা ডিলেট করা সম্ভাব হয় না। আমি আজ একটা সফটওয়্যার এর বিবরন দিবো যার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটার, মেমোরি কার্ড বা পেনড্রাইভ এর হিডেন ফাইল গুলো খুব সহজেই ডিলেট করতে পারবেন। ভয় পাবেন্না তেমন বড় কোন সফটওয়্যার না, মাত্র 1.2 MB । সফটওয়্যার টির নাম Unlocker ।


যেভাবে যা করবেন
প্রথমে সফটওয়্যার টি আপনার কম্পিউটার এ Download করে ইনস্টল করুন।
Download Link
এবার যে file বা folder টি ডিলেট করবেন সেটার উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Unlocker এ ক্লিক করুন।
এবার No Action এ ক্লিক করে Delete সিলেক্ট করুন এবং ওকে ক্লিক করুন।
এবার কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন দেখুন আপনার ফাওল বা ফোল্ডার টি delete হয়ে গেছে। ( ডিলিট করার পদ্ধতি টা আপনার ফাইল বা ফোল্ডার এর উপর ভিত্তি করে একটু ভিন্ন ও হতে পারে।)

অদ্ভুতুড়ে 4:47 AM

 বর্তমান যুগে কম্পিউটারের স্বল্প দৈর্ঘ্য RAM দুঃসহকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথমত কম্পিউটার ধির গতি সম্পন্ন হয়, তাছাড়া ভালো মানের গেমসও খেলা যায়না বা সফটওয়্যারতো চলেই না...
আজকের এই দিনে কম্পিউটার আছে কিন্তু RAM কম এরকম মানুষের অভাব নেই। তবে কম্পিউটার আছে কিন্তি Pen-drive নাই এরকম মানুষের অভাব।


আমি আজকে আপনাদের একটা ট্রিক্স দিবো। আশা করি আপনাদের সকলের মনের দুঃখ দূর হবে।

    প্রথমেই Pen-drive টি আপনার PC তে লাগান
    তারপর Pen-drive টি Formate দিয়ে নিন
    তারপর My Computer থেকে Pen-drive Properties দেখুন
    উপরে Rady Boost লেখা থাকবে সেখানটায় ক্লিক করুন
    Unsuccessful হলে Test Again এ ক্লিক করুন

কজতো শেষ এখন ঝড়ের গতিতে চলবে আপনার PC।
Windows XP,7&8 এ শতভাগ কাজ করবে তবে vista তে একটু সমস্যা হতে পারে ।

অদ্ভুতুড়ে 9:02 PM
জানতে চান আপনার ইউএসবি বা পেনড্রাইভকে উইন্ডোজ সেটআপের জন্য কীভাবে বুটেবল বানাবেন, খুব সহজেই তা জেনে নিন।

আসুন খুব সহজেই জেনে নেই কীভাবে পেনড্রাইভ বা ইউএসবি দিয়ে পিসি সেটআপ করা যায়।

আমরা অনেকেই নেটবুক ব্যবহার করি নেট ব্যবহার করার জন্য । এই মিনিনেটবুকগুলোর মধ্যে সাধারণত ডিভিডি ড্রাইভ থাকে না এর ফলে অনেক সময় আমাদের উইন্ডোজ সেটআপ দেয়ার প্রয়োজন হলে যেতে হয় মেকানিকের কাছে যেতে হয় এর ফলে অযথাই গুনতে হয় পকেটের টাকা। কিন্তু আমরা যদি চাই এই সমস্যার সমাধান খুব সহজেই দিতে পার জানতি চান কীভাবে। তাহলে পড়ুন আমার এই আর্টিকেলটি।
আমরা আমাদের ইউএসবি অর্থাৎ পেন্ড্রাইভকে বুট করে আমাদের নেটবুকে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারি খুব সহজেই তবে আপনি ভাবছেন যে এটি করতে খুব কঠিন হবে, না তেমনটি নয়। নিম্নে কয়েকটি চিত্রের পাশাপাশি ব্যাখ্যা দিয়ে আপনাকে দেখানো হলো আশা করি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন।
প্রথমেই আপনি আপনার পেনড্রাইভটি আপানর নেটবুকের ইউএসবি পোর্টে সংযুক্ত করুন। তবে মনে রাখবেন পেনড্রাইভটি যেন অবশ্যই ৪ জিবি বা এর বেশী হয় এর যে কম যেন না হয় এবং এটি যেন সম্পূর্ণ খালি থাকে। UltraISO -নামে একটি সফটওয়্যার নামাতে হবে। আপনি এই সফটওয়ারটি UltraISO নামটির উপর ক্লিক করলেই ডাউনলোড করতে পারবেন।
আপনি অবশ্য আগেই পেইনড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজের পুরো ফাইল নেটবুকে কপি করে রাখবেন। এরপর উইন্ডোজের এই ফাইলটির উপর ডান বাটন ক্লিক করে add to ISO সিলেক্ট করে উক্ত ফাইলটিকে ISO করে নিবেন। এরপর UltraISO-এর যে shortcut টি ডেস্কটপে থাকবে তার উপর মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে 'Run as administration' সিলেক্ট করতবেন।

এরপর File অপশনে ক্লিক করে open সিলেক্ট করতে হবে। open সিলেক্ট করে সে ড্রাইভে উইন্ডোজের ISO

ফাইলটি আছে সেই ফাইলটিকে সিলেক্ট করে দিবেন।

ফাইলটি সিলেক্ট করার পর Bootable অপশনটি সিলেক্ট করে Write Disk Image অপশনটি সিলেক্ট করবেন।

উক্ত অপশনটি সিলেক্ট করার পর একটি উইন্ডো আসবে যেখানে ডিস্ক ড্রাইভে আপনার পেনড্রাইভকে দেখবেন এবং Write Method -এ USB-HDD+ থাকবে যদি USB-HDD+ অপশনটি ডিফল্ট অবস্থায় না থাকে তাহলে তা সিলেক্ট করে দিতে হবে সর্বশেষ আপনাকে উইন্ডোটির একদম শেষে Write অপশনটি সিলেক্ট করে দিতে হবে। সিলেক্ট করলে দেখবেন উইন্ডোজ ফাইলটি আপনার পেনড্রাইভে কপি হচ্ছে আর তা হতে প্রায় ১০ মিনিট বা এর কম বেশী লাগতে পারে কিন্তু এতে বিচলিত না হয়ে সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন।

সম্পূর্ণ কপি হয়ে গেলে দেখবেন আপনার পেনড্রাইভটির ইমেজ এবং নাম দুটোই পরিবর্তন হয়ে গেছে। এরপর নেটবুকের বায়সে গিয়ে উইন্ডোজ সেটআপের জন্য USB সিলেক্ট করে রিস্টার্ট দিলেই দেখবেন সেটআপ শুরু হয়ে গেছে।

আশা করি পোস্টটি পড়ে অনেক উপকৃত হবেন।

অদ্ভুতুড়ে 3:41 AM
চলতি বছর পিসি বিক্রি হ্রাস পাবে ৩.৭ শতাংশ

চলতি বছর মানে ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী পার্সোনাল কম্পিউটার অর্থাৎ পিসি বিক্রি  ছয় শতাংশ হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশনের জানায়, চলতি বছর পার্সোনাল কম্পিউটার বিক্রি আগের বছরের তুলনায় হ্রাস পাবে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। কম্পিউটার বাজারে মন্দাভাব থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার চাঙ্গা হতে শুরু করেছে । মূলত ট্যাবলেট বিক্রি হ্রাস পাওয়ার ফলেই বিশ্বব্যাপী পিসি বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানায় আইডিসি।

বছর তিনেক আগে অর্থাৎ, ২০১১ সালে বিশ্বব্যাপী মোট কম্পিউটার বিক্রি হয় ৩৬ কোটি ১৫ লাখ ইউনিট । ২০১২ সালে এসে এর পরিমাণ কমে দাড়ায় ৩৫ কোটি ২০ লাখে । প্রতি বছরই পিসির বিক্রি ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী মোট কম্পিউটার বিক্রি হয় ৩১ কোটি ৫১ লাখ ইউনিট। আর চলতি বছর আইডিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিসি বিক্রি হবে মোট ৩০ কোটি ৩৫ লাখ ইউনিট। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কম্পিউটার বিক্রি আরো বিপুল সংখ্যায় হ্রাস পাওয়ার কথা। কিন্তু আইডিসি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, পিসি বাজার কমতে থাকলেও এখনি তা সর্বনিম্ন অবস্থানে যাচ্ছে না। আরো কয়েক বছর সংশ্লিষ্ট বাজার ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে।

আইডিসির তথ্যমতে, ২০১৮ সাল নাগাদ দুনিয়া ব্যাপী পিসি বিক্রির পরিমাণ ২৯ কোটি ১০ লাখে নেমে আসবে। প্রতিবেদনে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, এ সময়ে ডেস্কটপ পিসি বিক্রি উদীয়মান ও উন্নত— এ দু ধরনের বাজারেই হ্রাস পাবে। আর পোর্টেবল পিসি বিক্রি এ সময়ে উন্নত বাজারগুলোয় হ্রাস পেলেও উদীয়মান বাজারগুলোয় বৃদ্ধি পাবে।

বেশকিছু খাতে পিসির ব্যবহার আরো দীর্ঘদিন থাকবে। উত্পাদন খাত থেকে শুরু করে প্রযুক্তি খাতেও পিসির ব্যবহার আরো বেশকিছু বছর লক্ষ করা যাবে বলে আইডিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট বাজারের অবস্থার উন্নয়নে পিসি ও সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট আনছে তাদের নতুন সংস্করণ অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ৯। ধারণা করা হচ্ছে, উন্নত এ অপারেটিং সিস্টেমের কারণেও বিশ্বব্যাপী পিসি বিক্রির পরিমাণ কমে আসবে।

অদ্ভুতুড়ে 4:31 AM

স্মার্টলাইফ মানেই স্মার্ট অনুষঙ্গ। আর সেই অনুষঙ্গ যদি হয় একটি স্মার্টফোন তবে ভার্চুয়াল জগতও আপনাকে দিতে পারে দারুন সব উপহার। স্মার্টফোনের হোয়াটসঅ্যাপ, স্বাইপি, ভাইবার, কিক মেসেঞ্জার, কাকাও টক, লাইন, নিম্বাজ, ব্ল্যাকবেরি মেসেঞ্জার আরো কত কী? এসবই কাজ করবে জাদুর কাঠির মতো। আপনার হাতের মুঠোয় এনে দেবে সবই।

 


এটা কি শুধু স্মার্টফোনেই সম্ভব, প্রশ্ন জাগতে পারে আপনার মনে। আহা সাধের ডেক্সটপে যদি থাকতো, তবে কতই না ভাল হতো? আপনার এই প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিতেই ভাইবার নিয়ে এলো ডেক্সটপ অ্যাপ ভার্সন। কিন্তু বাকি অ্যাপগুলোর কী উপায়? হ্যা সেখানেও আছে ব্যবস্থা। একটুখানি বুদ্ধি খাটাতে পারলে এইসব অ্যানড্রয়েড সংস্করণ আপনার উইন্ডোস ডেক্সটপেও চালাতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে ব্লুস্ট্যাকস নামের একটি এমুলেটরের সাহায্য নিতে হবে। যার মাধ্যমে আপনার উইন্ডোসে বিভিন্ন অ্যানড্রয়েট অ্যাপ্লিকেশনে সহজেই কাজ করবে।


প্রথমেই ব্লুস্ট্যাকস উইন্ডোস ডাউনলোড করে আপনার উইন্ডোস ডেক্সটপে ইনস্টল করে নিন। অ্যাপের প্লেয়ারের স্ক্রিনের উপরের বাঁদিকের কোণে একটি সার্চ আইকন আছে। সেখানে টাইপ করুন আপনার পছন্দের মেসেঞ্জারের নাম। সেই মেসেঞ্জারের আইকন ক্লিক করলেই ব্লুস্ট্যাকস থেকে আপনাকে বলা হবে একটি গুগল এ্যাকাউন্ট তৈরি করতে বা আগে থেকেই এ্যাকাউন্ট থাকলে তা দিয়ে লগ ইন করুন। তারপর ব্লুস্ট্যাকস এর সাথে আপনার গুগল এ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করতে হবে যাতে আপনার কম্পিউটার সহজেই অ্যাপটি ডাউনলোড করা যায়। এই ধাপটি পেরোতে পারলেই সব অ্যাপ পেয়ে যাবেন আপনার ডেক্সটপে। তখন হয়তো সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়টাও ঘটাতে পারবেন দারুনভাবে।

অদ্ভুতুড়ে 3:49 AM

সাধারণত আমরা জানি যে কম্পিউটার উদ্ভাবনের কাজ শুরু হয় ১৯৩০ দশকের প্রথমাংশে। যদিও ষেসময়কার কম্পিউটার বর্তমান কম্পিউটার গুলর মত ছিল না এবং ব্যবহারও করা হত অন্য প্রয়োজনে। কিছু মেধাবী বিজ্ঞানী এবং গনিতবিদের চিন্তা-ভাবনা, পরিশ্রম, পরীক্ষার সফলতা আজকের এই কম্পিউটার। কম্পিউটার ইতিহাসের পাতায় তাদের নাম আজীবন সরনাক্ষরে লিখা থাকবে।



George Boole
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।
আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় George Boole কে।যদিও তার ১৮৬৪ সালের  মৃত্যুর পর তার কাজটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।কিন্তু তিনি যে ধারনা দিয়ে গেছেন তা বর্তমান কম্পিউটারের সাথে স্বাদৃস্য আছে।Boolean বীজগনিতের জনক হচ্ছেন George Boole যা Digital কম্পিউটারের মূল মন্ত্র।
তিনি ১৮১৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন। সে কিশোর বয়স থেকেই শিক্ষকতা শুরু করেন।এমনকি তিনি নিজস্ব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন বিশ বছর বয়সে। তিনি ৩৪ বছর বয়সে সদেশ তেগ করে আয়ারল্যান্ড চলে যান এবং Queen’s কলেজে প্রথমেই গনিত বিষয়ের প্রফেসর হিসেবের নিযুক্ত হন এবং তিনি আয়ারল্যান্ডেই মৃত্যু বরণ করেন। সে তার বীজগনিতে দর্শন থেকে লজিককেই প্রাধান্য দেন। তার সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে সে লজিকের বিভিন্ন পর্যায়গুলোকে প্রকাশ করার জন্য বীজগনিতকে ব্যবহার করেন। উনিশ শতকের মাঝামাঝি লজিক ও গনিতের মধ্যে সর্ম্পককে বিশ্লেষন করে অনেক গুলো প্রবন্ধ রচনা করেন। পরে কম্পিউটার নিয়ে গবেষনায় তার পরবর্তি বিজ্ঞানীরা এই প্রবন্ধ গুলোর সাহায্য নেন। এখনও বড় বড় সার্চ ইন্জিন গুলো তার বীজগনিতের বেশ কিছু Boolean শব্দ ব্যবহার করে থাকেন।

Konrad Zuse
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় কনস্ট্রাকশন ইন্জিনিয়ার ছিলেন Konrad Zuse। ইনি ১৯১০ সালে বার্লিনে জন্মগ্রহন করেন। তাকে আনঅফিশিয়ালী মর্ডান কম্পিউটারের আবিস্কারক বলা হয়। কনস্ট্রাকশনের সবচেয়ে কঠিন কাজ হল বড় বড় ক্যালকুলেশনের স্লাইড রুল বা মেশিনকে জোড়া লাগানোর সময় বা বদলানোর সময়ের ক্যালকুলেশন ও তাকে মনে রাখা। তিনি এমন একটা উপায় আবিস্কার করতে চেয়েছিলেন যাতে এই বড় ক্যালকুলেশন গুলো সহজেই করা যায় এবং তা ওই প্রসেসর সংরক্ষন করা যায়। ১৯৩৬ সালে ইনি প্রথম বাইনারী কম্পিউটার তৈরী করেন যার নাম দেন Z1। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে এটি ধংস্ব হয়ে যায়। Konrad Zuse তার পর বাইনারী কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে থাকেন এবং ১৯৪০ সাল পর্যন্ত Z2, Z3, Z4 নামক আরো তিনটি কম্পিউটার তৈরী করেন।যা কম্পিউতার উদ্ভাবনের জন্য খুবি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

John Von Neumann
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।

১৯০৩ সালে হাঙ্গেরীতে জন্মগ্রহন করেন John Von Neumann। তিনি ছিলেন বিস্ময়কর রকম মেধাবী একজন বিজ্ঞানী ও গনিতবিদ। বর্তমান কম্পিউটারের ভিত্তি তিনিই গড়েছেন। John Von এর আগে অধিকাংশ গনিতবিদরা কম্পিউটারকে গানিতিক ধারনা থেকে লব্ধ ডাটা বা উপাত্ত বের করার কাজে লাগাতো। কিন্তু তিনি কম্পিউটারের প্রসেসিং ক্ষমতাকে গনিতের সমাধানের কাজে ব্যবহার করতে চাইলেন । তিনি তার মেধাকে EDVAC কম্পিউটার তৈরীতে প্রয়োগ করলেন এবং তৈরী করলেন যা পুরো প্রগ্রামকে ধারন করতে পারত। পরে তিনি IBM কোম্পানীতে যোগ দেন এবং তার দায়িত্ব ছিল কম্পিউটারের নতুন নতুন ধারনাকে খুজে বের করা ও তা নিয়ে গবেষনা করে বাস্তবে রুপ দেয়া। পরবর্তীতে সে IBM কোম্পানীর একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিতে পরিনত হন।

Alan Turing
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।
কম্পিউটার আবিস্কারে যে মানুষ গুলো ইতিহাসের শাক্ষি।।।

১৯১২ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন Alan Turing। Alan ক্যামব্রীজ ইউনিভার্সিটিতে গনিত নিয়ে পড়াশুনা করেন। তিনি John Von Neumann এর প্রকাশিত ধারনা দ্বারা বিশেষ ভাবে প্রভাবিত ছিলেন। Alan দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় German secret code কে crack ও decode করে আলোচনায় আসেন। অনেকের ধারনা Alan ই প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার এর ডিজাইন করেন। Alan ACE (Automatic Computing Engine) ডিজাইন করেন যদিও এটি বাস্তবে রুপ পায়নি। পরে ১৯৫০ সালের দিকে ইনি John Von Neumann এর ধারনাকে বাস্তবে রুপ দেন তার “Turing Test” প্রযেক্টে যা কিনা ইতিহাসে কম্পিউটারের Intelligence এর প্রথম Test হিসাবে বিবেচিত হয়।


কম্পিউটার ইতিহাস যতই আলোচনা হচ্ছে ততই এর আবিস্কারক নিয়ে বির্তক বাড়ছে। বিভিন্ন বিজ্ঞানী বিভিন্ন সময় এক সাথে কাজ করে একটি Theory দাড় করিয়ে তাকে মডেল হিসাবে প্রকাশ করেছে তাই একক ভাবে কাউকে কম্পিউটারের আবিস্কারকের কৃতিত্ব দেয়া এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। কেউ বিশ্বাস করে EDVAC কম্পিউটারের সাথে বর্তমান কম্পিউটারের কোন সম্পর্ক নেই আবার কেউ মনে করে EDVAC কম্পিউটারই হচ্ছে বর্তমান কম্পিউটারের grandfather। তবে সাধারন ভাবে আমরা বলতে পারি যে এক জেনারেশন বিজ্ঞানী থেকে আর এক জেনারেশন বিজ্ঞানীরা কম্পিউটারের ধারনাকে বহন করেছে এবং বিভিন্ন পরিক্ষা নিরীক্ষা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে কম্পিউটার আজকের এই পর্যায়ে এসেছে। আর এর পিছনে কম্পিউটারের জনক যেই হোক না কেন এই সমস্ত বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের কিছু না কিছু অবদান আছে।

অদ্ভুতুড়ে 3:21 AM


আমরা জানি, F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে বারোটা বাটন আছে সেগুলোকে ফাংশন কি বলে। এখন আসুন জেনে নেয় এই কী গুলোর কাজ কি।


F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে।
F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।
F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।
F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।
F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

Powered by Blogger.