Showing posts with label এসইও. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 3:17 AM
BLACK iz IT inistitute এর স্কলারশিপের আওতায় ফ্রিল্যান্সিং, এসইও এবং  ওয়েব-ডিজাইন কোর্সে ভর্তি চলছে। আগামী ১/মে/২০১৫ থেকে কোর্স তিনটির নতুন ব্যাচ নেওয়া হচ্ছে। কোর্স ফি এবং কোর্সের সম্পর্কে বিস্তারিত নীচে দেয়া হল।

কোর্স গুলোর ক্লাস শুরু হবে আগামী ১/মে/২০১৫ তারিখ থেকে। আগামী ২৮/এপ্রিল/২০১৫ থেকে ভর্তি নেওয়া হবে।


কোর্স ফি :

    ক্রিয়েটিভ ওয়েব ডিজাইন, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
    এডভান্স এসইও, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
   ফ্রিল্যান্সিং, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
    তবে যেকোনো দুইটি কোর্সের ফি ৫,০০০ টাকা।



কোর্সের সম্পর্কে বিস্তারিত :

  ওয়েব ডিজাইনিং কোর্সটিতে যা থাকবেঃ

• সাদা পেজ থেকে এইচ.টি.এম.এল কোডের মাধ্যমে সাইট তৈরি।
• সি.এস.এস. ডিজাইন এবং এডিট করা।
• জাভা, জে-কুয়ারি, বা জে-এসএস এর ব্যবহার।
• ড্রিম-ওয়াভারের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন।
• টেম্পলেট/থিম এডিটিং এবং ওয়েব ডিজাইনিং।
• ড্রপ-ডাউন মেনু এবং স্লাইড তৈরি করা।
• বিভিন্ন প্রকার সিএমএস সেটাআপ/ইন্সটল।
• ডোমেইন প্যানেল পরিচিতি।
• সি-প্যানেল এবং ওয়েব-হোস্ট ম্যানেজার কন্ট্রল।
• ওয়ার্ড-প্রেস, থিম সেট-আপ।
• ওয়ার্ড-প্রেস কাস্টমাইজেশন।
• পিকচার/ছবি ইডিটিং করা।
• ভিবিন্ন ভাষায় ওয়েব ডিজাইন করা।
• ডাইনামিক ওয়েব ডিজাইন।
• রেস্পন্সিভ সাইট ডিজাইন।
• স্টেটেস্টিক ওয়েব ডিজাইনিং।



  অ্যাডভান্স এসইও কোর্সটিতে যা থাকবেঃ


• এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেসন) কি, এসইও কতপ্রকার ও কি কি।
• কী ওয়ার্ড রিসার্চ, কিভাবে বের করবেন ফোকাস কী-ওয়ার্ড।
• অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সকল খুঁটিনাটি বিষয়।
• মেটা ট্যাগ এক্সপেরিমেন্ট, টাইটেল।
• কন্টেন্ট রাইটিং মেথর্ড, কী-ওয়ার্ড রিসার্চ, সাইট ম্যাপ।
• সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী সাইট মেকিং
• ওয়েবসাইটের লিংক স্ট্রাকচার।
• অফ পেজ এর বিভিন্ন কলাকৌশল।
• সকল প্রয়োজনীয় টুলস (গুগল এনালাইটিক্স, ওয়েবমাস্টার) এর ব্যবহার।
• ফোরাম ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং।
• আর.এস.এস সাবমিশন, প্রেস রিলিজ সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন।
• লিংক হুইল, গেস্ট ব্লগিং, আর্টিকেল মার্কেটিং।
• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক।পীরামিড লিংক (সদ্য আবিষ্কৃত এসইও টেকনিক!)।
• ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার ওয়েবসাইট এর সকল এসইও প্লাগিন এর ব্যবহার।
• বিভিন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।
• এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ।
• সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের URL রেজিট্রেশন করা।
• গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্ধতি ।
• ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা এসইও টিপস।
• অ্যালেক্সা টুলবার, লিংক, র‍্যাংক সহ ইত্যাদি বিষয়।
• Odesk, freelancer, Elance-এর উপর বিশেষ ক্লাশ।
• অ্যাডভান্স এসইও রিলেটেড অন্নান্য কিছু বিষয়।



  ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটিতে যা থাকবেঃ

১. অনলাইন মার্কেট প্লেস পরিচিতি ।
২. মার্কেট প্লেস অ্যানালাইজ ।
৩. কাজ করার ক্ষেত্র ।
৪. মানি ট্রান্সফার পদ্ধতি ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট ।
৫. কিভাবে কাজ পাবেন ? অথবা পাওয়ার পদ্ধতি ।
৬. কি ভাবে কাজ শুরু করবেন ?
৭. ক্লাইন্ট এক্সপেকটেশন এবং স্যাটিসফ্যাকসন ।
৯. বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান ।
১০. আরও অনেক ...




আমাদের ঠিকানাঃ


    ব্লাক-আইজ আইটি ইন্সটিটিঊট ঠিকানাঃ ১নং বিল্ডিং , লেকসার্কাস (২য় তলা ম্যাবস কোচিং   সেন্টার)     কলাবাগান,বাস স্টান্ড, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৭ - বাংলাদেশ
    ফোন: ০১৯১১৭৭২৩৯৮,০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৭১৭৬৯৫৬৩১, ০১৯১৮৭৫৬২২২, ০১৬৭১৫০২৩৯৬
    মেইল করুন @: institute@black-iz.com, info@black-iz.com ওয়েব ঠিকানা: inst.black-iz.com

আর আমাদের কোর্স সম্পর্কে আপনাদের আরো জানাবার জন্য এবং ভর্তি রেজিস্ট্রেশন এপ্লাইএর জন্য নিচের লিঙ্ক টিতে ক্লিক করুনঃ  

 

Registration

Information (institute)

অদ্ভুতুড়ে 8:30 PM

দেশের অন্যতম বৃহৎ আইটি ফার্ম BLACK iz IT তে ইন্টার্ন এর সুযোগ এবং পাশাপাশি BLACK iz Institute এ দেওয়া হচ্ছে দেশের সর্ব বৃহৎ স্কলারশিপ। BLACK iz IT এর এই ইন্টার্নশিপের আওতা ভুক্তরা BLACK iz Institute এর লক্ষ টাকা মূল্যের কোর্স সম্পুর্ন ফ্রীতে করার সুযোগ পাবেন।

ছয় মাস ব্যাপি চলবে দেশের সর্ব বৃহৎ এই ইন্টার্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। এতে অংশগ্রহন করতে প্রত্যেক্যে BLACK iz IT এর অফিসে অবস্থান করতে হবে সপ্তাহে ৫ দিন, ৫ ঘন্টা। সকল ইন্টার্নদের জন্য সপ্তাহে দুদিন শুক্রুবার এবং শনিবার ছুটি থাকবে। ( আলোচ্য এই অফারটি শুধুমাত্র আমাদের প্রধান শাখা, কলাবাগান ক্যাম্পাসের জন্য প্রযোজ্য। শান্তিনগর কিংবা বনানী শাখার জন্য প্রযোয্য নয়! )

  উক্ত ৫ ঘন্টার ১.৫ ঘন্টা BLACK iz Institute কর্তিক ট্রেনিং প্রদান করা হবে এবং বাকি ৩.৫ ঘন্টা BLACK iz IT এ ইন্টার্ন হিসাবে কাজ করতে হবে। উক্ত ছয় মাসে ইন্টার্নিতে অংশগ্রহন করা প্রত্যেকে BLACK iz Institute দশটি কোর্স সম্পুর্ন ফ্রিতে করার সুযোগ পাবে। সফল ভাবে ছয় মাসের ইন্টার্নি শেষ করলে BLACK iz Institute কর্তিক দশটি কোর্সের উপর সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ইন্টার্নে যারা ভাল করবেন তাদের BLACK iz IT তে চাকুরিতে জয়েন করার সুযোগ দেওয়া হবে। . প্রত্যেক অ্যাপ্লিক্যান্টকে অবশ্যই ফেসবুক, অনলাইন, কম্পিউটার এবং টাইপিং সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। বাংলায় (অভ্র) টাইপিং স্পিড ভাল এবং BLACK iz IT Institute এর ছাত্রদের অগ্রধিকার দেওয়া হবে। নির্দিস্ট আসনে ৬ মাসের জন্য সম্পুর্ন ফ্রীতে ১০ টি কোর্সে স্কলারশিপ দেওয়া হবে এবং এই বিশেষ স্কলারশিপের আওতায় ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যক স্টুডেন্ট BLACK iz IT Institute এর অধীনে নির্দিস্ট ১০টি কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রিতে করতে পারবে। .

 
জয়েন করতে সরাসরি অফিসে থেকে নির্দিস্ট ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে এবং ফিলাপ করে জমা দিতে হবে। ফর্ম সংগ্রহের সময় BLACK iz IT Institute এর পুরাতন ছাত্রদের ক্ষেত্রে কোন প্রকার রেজিঃ ফি অথবা কোর্স ফি প্রয়োজন হবে না। ফর্ম সংগ্রহের সময় প্রত্যেককে তার ভোটার আইডি কার্ডের ফটো কপি, বায়ো ডাটা, সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে। ফর্ম সংগ্রহের পর পরিক্ষার তারিখ জানানো হবে। .

বিশেষ দ্রস্টব্যঃ

• নির্দিস্ট তিনটি পরিক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা হবে। • ছয় মাসের মধ্যে ইন্টার্নি থেকে বের হতে পারবেনা। • সপ্তাহে ৫ দিন, ৫ ঘন্টা সময় অফিসে অবস্থান করতে হবে। • বাংলায় (অভ্র) টাইপিং স্পিড ভাল হলে অগ্রধিকার দেওয়া হবে। • BLACK iz IT Institute এর ছাত্রদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। • কর্তিপক্ষ চাইলে যে কেউকে ছয় মাসের পুর্বে অপসারন করতে পারবে। • দশটি কোর্সের ছয়টি কোর্স আবশ্যক থাকবে যা সকলকেই করতে হবে। • মোট ১৬ কোর্সের মধ্যে যেকোন ১০ কোর্স সম্পুর্ন ফ্রীতে করতে পারবে। • চাকুরিতে নেওয়ার ক্ষেত্রে BLACK iz IT এর সিদ্ধান্তই মূল বলে গন্য হবে। • প্রতিদিনের ১.৫ ঘন্টা ট্রেনিং ক্লাসে সবাইকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। • দশটি কোর্সের চারটি কোর্স ঐচ্ছিক থাকবে যা স্টুডেন্ট নিজে বেছে নিতে পারবে। • ১.৫ ঘন্টা ট্রেনিং ক্লাস হবে এবং ৩.৫ ঘন্টা BLACK iz IT এর কাজ করে দিতে হবে। • পুরাতন ছাত্রদের ক্ষেত্রে কোন প্রকার রেজিঃ ফিঃ অথবা কোর্স ফিঃ প্রয়োজন হবে না। • ছয় মাস পুর্ন হলে অথবা তার পুর্বেই BLACK iz IT-তে চাকুরিতে জয়েন করার সুযোগ থাকবে। • সফল ভাবে ছয় মাসের ইন্টার্নি শেষ করলে সবাইকে দশটি কোর্সের উপর সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। • অফিস চলা কালিন সময় ( দৈনিক ৩.৫ ঘন্টা ) আইটি বিষয়ক যেকোন কাজ করতে বাধিত থাকতে হবে।

. আরও বিস্তারিত তথ্যের সরাসরি অফিসে ভিজিটে এসে কথা বলতে পারেনঃ BLACK iz IT Institute ধানমন্ডি, কলাবাগান বাস স্টান্ড, ১নং বিল্ডিং ৩য় তলা, (ম্যাবস কোচিং সেন্টার বিল্ডিং এর তৃতীয় তলা), ঢাকা ১২০৫ 

 


ছয় মাস ব্যাপি সম্পুর্ন ফ্রিতে BLACK iz Institute এ ১০টি কোর্সে অংশগ্রহনের সুযোগ!

 

BLACK iz IT Institute the most famous and populer IT Institute from Bangladesh. BLACK iz IT Institute's all course and offer will be available here. 

এছাড়াও যে কোন তথ্যের জন্য আমাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারেনঃ ০১৯১৮৭৫৬২২২, ০১৯১১৭৭২৩৯৮, ০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৬৭১৫০২৩৯৬ | ওয়েব ঠিকানা: inst.black-iz.com

অদ্ভুতুড়ে 2:53 AM

আমরা অনেক সময় বিভিন্ন সাইটে গিয়ে পোষ্ট বা কমেন্টস করি ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য। কিন্তু সব সাইট থেকেই কি আপনি ভালো ব্যাকলিংক পান? না কেননা যেসকল সাইটের কমেন্ট বা পোষ্ট করার অপশনে Nofollow লিংক এট্রিবিউট করা থাকে সেখান থেকে ব্যাকলিংক পাওয়া সম্ভব নয়। আবার যদি ও অনেক সার্চ ইন্জিন এখন নোফলো লিংক গুলোকে ব্যাকলিংক হিসাবে ধরে তারপরও সেগুলোর তেমন কোন মূল্য নেই। তাই আমাদের ব্যাকলিংক ভালো ও কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ব্যাকলিংক তৈরী করার জন্য ডুফলো সাইট খুজতে হয়। আজ আমি এই টিউনের মাধ্যমে আপনাদর জানাবো কিভাবে আপনি বুঝবেন যে এই সাইট টি থেকে আপনি ডুফলো লিংক পাবেন না কি নোফলো লিংক পাবেন। তো চলুন দেখি আসি কি ভাবে এই কাজটি করবেন! 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-১০


☼ ডাউনলোড করুন একটি এসইও টুলস

এই কাজটি করার জন্য আপনার ফায়ার ফক্স ব্রাউজার থাকতে হবে। এবং আপনার ব্রাউজারে একটি এডঅন ইন্সটল থাকতে হবে। এই টুলসের নাম হলো search status। এই টুলস ওয়েবমাস্টারদেরক কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। এটিতে অনেক অপশন যোগ করা আছে যা আপনার এসইওয়ের গবেষণা করার জন্য অনেক কাজে লাগবে। তো চলুন একটু দেখে আসি কি কি আছে এই টুলস এ।
 
♦ আপনি এর মাধ্যমে পেজরেংক, আলেক্সা রেংক মোজো রেংক ও এদের সমন্বয়ে Complete Rank দেখতে পারেন।
♦ সাইটের ব্যাকলিংক চেক করতে পারবেন।
♦ সাইটের কয়টি পেজ সার্চ ইন্জিন ইনডেক্স করেছে সেটা জানতে পারবেন।
♦ ওয়েব পেজের মধ্যকার কী-ওয়ার্ড ডেসটিনি দেখতে পারবেন।
♦ দেখতে পারবেন সাইটের XML ও Robots.txt ফাইল গুলো।
♦ ঐ সাইটের ডোমেইন এর Whois চেক করতে পারবেন।
♦ ওয়েব পেজের মেটা ট্যাক দেখতে পারবেন।
♦ সাইট টি নোফলো বা ডু ফলো লিংক গুলোকে হাইলাইট করতে পারবেন।
♦ ওয়েব পেজের Link Report যেমন কয়টি Internal Link আছে, কয়টি External Link আছে, কয়টি Nofollow link এবং follow External লিংক আছে তা জানা যাবে।

মোট কথা একটি ওয়েবপেজের SEO এন্যালাইজ করার জন্য এই টুলস এর জুড়ি নাই। আপনি এই টুলসটি ফায়ারফক্স এ ইনেস্টল করার জন্য চলে যেতে পারেন নিচের লিংকে।
লিঙ্কঃ search status free download

ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন আপানর ব্রাউজারে,এরপর একবার ফায়ারফক্স রিস্টার্ট দিন। ইন্সটল শেষে হয়ে গেলে দেখবেন যে আপনার ব্রাউজারের নিচের দিকে ডান সাইডে টুলসটির অপশন এসেছে।

এবার মনে করুন আপনি একটি ব্লগে কমেন্ট করতে চাচ্ছেন। তাহলে সেই সাইটের প্রবেশ করুন। মনে করি আমরা http://www.makeuseof.com/tag/20-photoshop-tips-tricks-that-you-should-know-about-part-one/ এই লিংকে গিয়ে কমেন্টস করবো। এখন এই পেজে গিয়ে নিচে স্ক্রলিং করে কমেন্টস এর স্থানে আসি। এবার টুলসটির লোগো চিন্হিত অংশে মাউসের রাইট বাটন দিয়ে ক্লিক করি। এখান থেকে Highlight Nofollow link এ ক্লিক করি। এবার দেখুন যে যারা যারা কমেন্টস করেছে তাদের দেয়া নাম ও ওয়েব সাইট গুলোকে হাইলাইট করেছে। তার মানে হলো যে ঐ ব্লগটির কমেন্টেস এর লিংক গুলো Nofollow লিংক। এভাবে আপনি খুব সহজেই অন্য সব ব্লগ বা ওয়েব সাইটে লিংক সাবমিট করার আগে চেক করে নিতে পারেন যে আপনি যেখানে লিংকটি দিবেন সেটা ডুফলো হবে না কি নোফলো ব্যাকলিংক হবে! এখন আপনি শিখলেন যে কিভাবে Nofollow ও Dofollow লিংক বা সাইট চিনবেন। তাই চেষ্টা করুন খুজে খুজে Dofollow সাইটগুলোতে গিয়ে ব্যাকলিংক বাড়াতে।

☼ আর যদি আপনি সার্চ করে খুজতে চান Dofollow লিংক এর ওয়েব সাইট তাহলে চলে যান নিচের লিংকগুলোতেঃ

    w3ec.com/dofollow/
    http://www.inlineseo.com/dofollowdiver/
    Atniz.com/dofollow-search-engine/
    Commenthunt.com

অদ্ভুতুড়ে 12:09 AM

আজ আমি আপানদেরকে জানাবো কিভাবে সার্চের মাধ্যেমেই পাবেন .edu ও .gov সাইট থেকে অসংখ্য ব্যাকলিংক। আমারা অনেকে বিভিন্ন .edu ও .gov সাইটের লিস্ট খুজি । কিংবা তোড়-জোর করি .edu ও .gov সাইটের লিংকের জন্য যেখানে গিয়ে আপনি কমেন্ট বা পোষ্ট করে ব্যাকলিংক পাবেন। কিন্তু সার্চ ইন্জিন থাকতে আপনি কেন এত কষ্ট করতে যাবেন। সার্চ কারার কমান্ডের মাধ্যমেই আপনি খুজে পাবেন আপনার কাংখিত .edu ও .gov ব্যাকলিংক এর সাইট যেখানে আপনি আপানর সাইটের জন্য ব্যাকলিংক বাড়াতে পারেন। খুব স হজেই কিছু সার্চ কমান্ডের মাধ্যমে কাজ গুলো করতে পারেন। তো চলুন দেখে আসি কিভাবে খুজবেন আপনার ব্যাকলিংক-এর সাইট। 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৯

ফোরামের রেজিস্টেশনের মাধ্যমে .edu ও .gov ব্যাকলিংক

আপনি ফোরামের মাধ্যমে আপনার ব্যাকলিংক বাড়াতে পারেন।বিশেষ করে phpBB2 তে যেসকল সাইট থাকে সেখানে যদি কেবল মাত্র রেজিষ্টেশন করে আপনার সাইটের লিংক টি দিয়ে দেন তাহোলেই আপনি একটি ব্যাকলিংক পাবেন।আপনারা হয়তো জানেন সাধারণত .edu ও .gov সাইটের ফোরাম সবার জন্য উন্মক্ত থাকে না।কিন্তু অনেক সাইটে কিন্তু উন্মক্ত থাকে মেম্বার হওয়ার জন্য।আর আপনাকে ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য ঐ সকল সাইটের মেম্বার হতে হবে।যেমন এই সাইটটি দেখুন।এটি একটি phpBB2 ফোরাম সাইটের মেম্বার লিস্ট।অর্থ্যাৎ এই ফোরামে কে কে মেম্বার আছে তাদের লিস্ট দেয়া আছে।আপনার লক্ষ করলে দেখতে পাবেন যে ঐসকল মেম্বার লিস্টে মেম্বারদের বেশ কিছু তথ্য দেয়া আছে যেমন Username, Email, Location, Joined, Posts ও Website। তার মানে মেম্বার লিস্টে আপনি ওয়েবসাইটের ও লিংক প্রকাশ করতে পারবেন। ফলে ওখান থেকে আপনি ১টি ব্যাকলিংক পাবেন।


কিভাবে এই ধরনের ওয়েব সাইট খুজবেন

Google.com এ যান এবং সার্চ বক্সে লিখুন  inurl:.edu inurl:/phpBB2/memberlist.php এবং সার্চ করুন। দেখবেন আপানর সামনে ১২,৫০০ টি .edu সাইটের মেম্বার লিস্ট চলে এসেছে। এবার আপনি ঐ সবগুলো সাইটে যান আর রেজিষ্টেশন করুন। রেজিষ্টশন করার সময় Registration Information এর সকল তথ্য আপনাকে পূরণ করতে হবে। আর অবশ্যই আপনি Profile Information এ গিয়ে Website: বক্সে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে রেজিস্টার করবেন। তবেই আপনি ব্যাকলিংক পাবেন। তা ছাড়া আপনাকে অন্য কোন কিছু পূরণ করার দরকার নেই।

রেজিস্টার হয়ে গেলে আপনি দেখতে পাবেন যে আপনি আপনার সাইটের লিংক সহ মেম্বার লিস্টে চলে এসেছেন। আশা করা যায় ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই আপনি ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন। .gov সাইটের জন্য সার্চ বক্সে কমান্ড লিখুন inurl:.gov inurl:/phpBB2/memberlist.php এবং একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।


ওয়ার্ডপ্রেস সাইট গুলোতে কমেন্টের মাধ্যমে

ইন্টারনেটে .edu ও .gov সাইট গুলোর ব্লগের জন্য তারা ওয়ার্ডপ্রেসকে বেছে নেয়।ফলে সেখানে কমেন্ট করারও অনেক সুযোগ থাকে।তাই আপনি যদি .edu ও .gov সাইট থেকে ব্যাকলিংক পেতে চান তাহলে খুজে বের করতে হবে ঐসকল সাইট যেখানে গিয়ে আপনি কমেন্ট করতে পারেন।আর খুজে বের করার জন্য গুগল এ গিয়ে সার্চ দিন inurl:.edu inurl:blog "powered by wordpress" লিখে দেখবেন তাহলে হাজার হাজার ওয়েবসাইট আপনার সামনে হাজির হয়ে গেছে। এবার খালি আপনি সেই সকল সাইটে যান আর কমেন্টস করুন।যদি তারা আপনার কমেন্টসটি এপ্রুভ করে তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ঐ সাইট থেকে ব্যাকলিংক পাবেন। .gov সাইটের জন্য সার্চ বক্সে কমান্ড লিখুন inurl:.gov inurl:blog "powered by wordpress" এবং একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

তবে অনেক সাইট আছে যেখানে কমেন্ট ক্লজ করা থাকে ফলে কমেন্ট করা যায় না। আবার অনেক সাইট আছে যেখানে কমেন্টস করতে গেলে আপনাকে রেজিস্টেশন করা লাগবে। আপনি ইচ্ছা করলেই এই সকল সাইট গুলোকে বাদ দিতে পারেন এইসব কমান্ডগুলোর মাধ্যমে - site:.edu inurl:blog "leave a comment" -"comments closed" -"you must be logged in" -"comments are closed"

আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন কী-ওয়ার্ডকে টার্গেট করে ব্যাকলিংক পেতে চান তাহলে আপনার কমান্ডে সেই কী-ওয়ার্ডটি যোগ করে সার্চ করুন।যেমন আপনি চাইছেন Sports নিয়ে পেজ বা সাইটে আপনার ব্যাকলিংক দিতে। তাহলে আপনি এভাবে কমান্ডটি দিতে পারেন "Sports" site:.edu inurl:blog "leave a comment" -"comments closed" -"you must be logged in" -"comments are closed" । আপনি পছন্দ মত করে Sports-এর জায়গায় অন্য কোন কী-ওয়ার্ড ও ব্যবহার করতে পারেন।

.gov সাইটের জন্য সার্চ বক্সে কমান্ড লিখুন "আপনার পছন্দের কী-ওয়ার্ড" site:.gov inurl:blog "leave a comment" -"comments closed" -"you must be logged in" -"comments are closed"


গেস্ট বুক সাইটগুলোতে কমেন্টের মাধ্যমে

অনেক সাইট আছে যেখানে তারা গেস্টবুকের ব্যবস্থা রেখেছে। গেস্টবুক এমন একটি মাধ্যম যেখানে আপনাকে কোন কিছু কমেন্ট করতে বা লিখতে রেজিষ্টেশন করতে হয় না। তাই তুলনা মূলক ভাবে কাজটি সহজ। আর আপনি সার্চের মাধ্যমে অনেক গেস্টবুক খুজে পাবেন। এর জন্য যা করতে হবে তা হলো

◘ গুগলে গিয়ে সার্চ কমান্ড লিখুন site:.edu Inurl:guestbook বা
inurl:guestBook.aspx site:.edu

◘ এবার যেসকল পেজ এসছে সেগুলোতে গিয়ে আপনার নাম ও ওয়েব সাইটের লিংক দিয়ে সাবমিট করুন।ব্যস হয়ে গেল।আপনি খুব সহজেই ঐ সাইট থেকে ব্যাকলিংক পাবেন।

◘ আর .gov সাইটের জন্য site:.gov Inurl:guestbook বা
inurl:guestBook.aspx site:.gov


ডিসকাশন সাইটের মাধ্যমে

আপনি যেসকল সাইটে ডিসকাশন অপশন আছে সেসকল সাইট থেকে ও ব্যাকলিংক গুজে পেতে পারেন। বিভিন্ন .ed ও .gov সাইট গুলো ডিসকাশনের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই আপনি ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য ওখানে গিয়ে Reply করতে পারেন। আর Reply করার সময় আপনি আপানার ওয়েবসাইটের লিংকটিও দিয়ে দিতে পারেন। যদি ও ওখানে এনকোর টেক্স দেয়ার সুযোগ নেই। তারপরও আপনি শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের লিংকটি দিলেও ব্যাকলিংক পাবেন। আর এর জন্য আপনি গুগল এ গিয়ে সার্চ দিন  "From" "date" "time" "Remote Name" "last changed" site:edu । এবার যেসকল সাইট আসবে সেখানে গিয়ে Reply তে ক্লিক করুন এবং কমেন্ট করুন আপনার সাইটের লিংক দিয়ে।

এই হলো আমার সবচেয়ে পছন্দের ও কার্যকারী টিপস । আশা করি আপনাদের সবার ও অনেক কাজে আসবে/বিশেষ করে যারা নতুন ফ্রীল্যান্সিং করতে চান ব্যাকলিংক এর উপর তারা সবচেয়ে ভালো ফল পাবেন বলে আসা রাখি।

আমি মনে করি যে সাইটের লিস্টের কোন দরকার নেই। আপনি যদি সাইট খোজার কোশল জানেন তাহলে আপনার সাইটের জন্য আনলিমিটেড ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। ধন্যবাদ!

অদ্ভুতুড়ে 3:04 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। গত পর্বে আমি বলেছিলাম ব্যাকলিংক কি? কেন? এর প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি। আজ আমি আলোচনা করবো অন পেজ অপটিমাইজেশনের(On-Page Optimization) মাধ্যমে কিভাবে ফোরাম সাইট গুলো থেকে ব্যাকলিংক পাওয়া যায় সে বিষয় নিয়ে। 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৮


ফোরাম সাইট কেমন উপযোগী ব্যাকলিংকের জন্য

আপনার সাইটের ব্যাকলিংক এর জন্য ফোরমান সাই খুবই উপযোগী। এক কথায় বলতে গেলে Do-follow ব্যাকলিংক এর জন্য ফোরাম সাইট গুলো অসাধারণ। আর আপনি আপনার সাইটের ব্যাকলিংক পেতে পারেন পোষ্টের মাধ্যমে ,সিগন্যাচার ও কমেন্ট এর মাধ্যমে। যারা টুকিটাকি ফোরাম সাইটে ঘোরাঘুরি করেন তারা এই বিষয়ে বেশ ভালোই জানবেন আশা করি।

আর ব্যাকলিংক এর জন্য যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো Do-follow ব্যাকলিংক। যেটা ফোরাম সাইটের সবসময় বিল্ড আপ অবস্থায় থাকে।আর এখানেই বড় সুবিধা। কেননা নো ফলো লিংক ব্যাকলিংকের জন্য কোন মূল্য নেই।


এবার দেখে নেই কিভাবে ফোরামের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করবেন।

রেজিষ্ট্রেশনঃ

আপনি যে ফোরামে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করবেন সেটাতে রেজিষ্ট্যেশন করুন। উদাহারণ হিসাবে আমি আপনাদেরকে http://forums.webconfs.com/ ব্যবহার করে দেখাবো।

☼ প্রথমে ফোরামে প্রবেশ করে Register এ ক্লিক করুন।

☼ এবার আপনি ফোরাম এর রুলস এ সম্মতি প্রদান করে Register এ ক্লিক করুন।

☼ এবার আপনার সামনে যাবতীয় তথ্য দিয়ে তা সম্পূর্ণ করুন। এবার ইমেইল ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে আপনার যাবতীয় কার্য সম্পাদন করুন।


প্রোফাইল সেটিং করুন

রেজিষ্ট্যেশন শেষ হয়ে গেলে এর পর আপনার কাজ হবে আপনার প্রোফাইল সেটিং করতে হবে। সবসময় মনে রাখবেন যে আপনি কখনো স্প্যামিং এর জন্য ফোরামকে ব্যবহার করবেন না।সবসময় কমেন্ট বা পোস্ট করুন বিষয় ভিত্তি অনুসারে। চেষ্টা করুন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে, সেটা যাই হোক না কেন। প্রোফাইলে গিয়ে দেখবেন যে Home Page URL এর অপশন আছে। ওখানে আপনি আপনার সাইটের লিংক ব্যবহার করুন। তাছাড়া অন্য বিষয় গুলো না দিলেও চলবে।


সিগ্যনেচার সেটিং করুন

ব্যাকলিংক এর জন্য এটাই আপনার সবচেয়ে বড় কাজ । এর জন্য আপনি আপনার কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Edit Signature এ যান। এবার ওখান থেকে আপনি আপনার সাইটের জন্য একটি কী-ওয়ার্ড বাছাই করুন। যেমন আমি আমার সাইটের জন্য কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেছি SEO Tutorial । আপনি এখানে কখনোই শুধুমাত্র সাইটের লিংক ব্যবহার করবেন না। কেননা আপনি যদি আমার মত কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেন তাহলে সেটা ব্যাকলিংক এর এনকোর টেক্স হিসাবে ব্যবহারিত হবে। এই এনকোর টেক্স ব্যাকলিংক ও সার্চ ইন্জিনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবার আপনি এই লেখাটিকে সিলেক্ট করে আপনি ইমেজে দেখানো অংশে ক্লিক করে হাইপারলিংক এ আপনার সাইটের লিংক যোগ করুন। এবার Save Change এ ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।

☼ এবার যখনই আপনি ঐ ফোরামে কোন পোষ্ট বা কমেন্ট করবেন তখন সেখানেই আপানর সাইটের লিংক দেখতে পাবেন।

☼ আপনি ফোরামের রুলস অনুযায়ী এক বা একাধিক লিংক ব্যবহার করতে পারেন।

☼ পোষ্ট ও কমেন্ট করুন


ব্যাকলিংক পাবার জন্য আপনাকে ফোরাম গুলোতে কমেন্ট ও পোষ্ট করতে হবে। প্রথম দিকে কমেন্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। কমেন্ট করার ব্যাপারে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন।

☼ কমেন্ট এ অপ্রাসঙ্গিক কোন কিছু লিখবেন না। কেননা ফোরামসমূহের এডমিন সবসময় তৎপর থাকে স্প্যামিং এর ব্যপারে।

☼ ভালো কমেন্ট করার জন্য আপনি আগে পোস্টটি পড়ে নিতে পারেন। এতে করে আপনার কমেন্ট করতে খুব সুবিধা হবে।

☼ কমেন্ট কোন প্রকার লিংক দেয়ার চেষ্টা করবেন না।

☼ সময় বাচানোর জন্য আপনি Thanks For Your Great Post বা Very Good  information ,Thanks Author ইত্যাদি ধরনের ম্যাসেজ দিতে পারবেন।

☼ পোষ্ট করার সময় সবচেয়ে ভালো হয় কোন বিষয়ে হেল্প চেয়ে পোস্ট করা। এতে যেমন সময় বাচবে এবং আপনি ও অনেক কিছু জানতে পারবেন।


কিছু হাই পেজ রেংক ফোরাম সাইট

নিচে আমি আপনাদেরকে কিছু হাই (PR1-PR7) পেজ রেংক ফোরামের তালিকা দিলাম। আপনার আপাতত চেষ্টা করতে থাকুন এর ফোরাম গুলো দিয়ে কিভাবে ব্যাকলিংক এর জন্য ফোরমান সাইটকে সেট আপ করতে হয়।

V7nForum

☼ Blogger Forum

Submit express Forum

Harmony Central forum

Joomla Forum

Search engine watch Forum
 
Blogger Talk forum

Site Point Forum

Warrior forum

☼ Blogger Forum

Business Forum

Capital Forum

Deviantart

☼ DD Forum

Domain Name Forum

File Sharing Forum

Free Advertising Forum

Geek Village Forum

HTML Forum

MyGame Builder Forum

PhpBB Forum

Search Engine Forum

Search Engine Roundtable

SEO Forum Australia

SEO Forum

Siteowners Forum

Webhosting Forum

Directory junction Forum


আগামী পর্বে যা থাকছে।

আগামী পর্বে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনি গুগলে সার্চের মাধ্যমে হাজার হাজার বিষয় ভিত্তিক ফোরাম খুজে পাবেন। থাকবে .gov .edu সাইটের ফোরাম খওজার জন্য অনন্য কিছু সার্চ কমান্ড। যা দিয়ে আপনি আপানর মনের মত পেজ বা সাইট খুজে সেখানে আপনার ব্যাকলিংক বসাতে পারেন। সব শেষে একটা কথাই বলবো, ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন! ধন্যবাদ! :)

অদ্ভুতুড়ে 1:39 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। আজ আমি আপনাদের কাছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন(Search engine Optimization) - এর অফ পেজ অপটিমাইজেশনের(Off-Page Optimization) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় "ব্যাকলিংক" নিয়ে আলোচনা করবো। জানবো ব্যাকলিংক কাকে বলে? কেন ব্যাকলিংক এর প্রয়োজন হয়? ও কিভাবে পাবেন আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক? 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৭

ব্যাকলিংক কি

ব্যাকলিংক এর মানে হলো একটি সাইট থেকে আপনার সাইটের জন্য লিংক পাওয়া।মনে করুন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে এবং সেই সাইটের লিংকটি আপনি অন্য একটি সাইটে রাখলেন।তাহলে আপনি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক পাবেন সেই সাইট থেকে যেখানে আপনি আপনার সাইটের লিংক দিয়েছিলেন।

আপনার সাইট যদি A হয় এবং আপনি যে সাইটে আপনার সাইটের লিংকটি দিবেন সেটি যদি B হয় তাহলে ব্যাকলিং হিসাবে বলতে গেলে আপনি B সাইট থেকে একটি ব্যাকলিংক পেলেন। এভাবে আপনি আপনার সাইটের লিংক যতগুলো সাইটে দিবেন আপনি ততো ব্যাকলিংক পাবেন। আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন এ এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ধরা হয়। অর্থ্যাৎ আমরা এক কথায় বলতে পারি যে'অন্য সাইট থেকে আমরা আমাদের নিজেদের সাইটে যে ইনকামিং লিংক পাই তাকে ব্যাকলিংক বলে।"


কেন এই ব্যাকলিংক?

ব্যাকলিংক এর কথা মনে পড়লেই আমার মনে পড়ে আমাদের দেশের বড় বড় নেতাদের কথা, কি অবাক হচ্ছেন আমার কথা শুনে? আমি ব্যাকলিংক এর প্রয়োজনীয়তার কথা বললেই সবাকেই এই নেতাদের সাথে তুলনা করতে বলি! কিভাবে?

লোকবল সবচেয়ে বড় বল। মনে করুন আপনার অনেক টাকা পয়সা আছে কিন্তু কাজ করার জন্য কোন লোকেই আপনি পেলেন না তাহলে কি টাকা পয়সার কোন মুল্য আছে? না নেই। সেভাবেই একজন প্রভাবশালী নেতাও কিন্তু একা কোন মূল্য নেই। দেখবেন যে, সে সবসময় চায় তার অনেক অনেক সাঙ্গ-পাঙ্গ(লোকবল) থাকুক। কেননা লোকবল যত বেশি হবে তার ক্ষমতার প্রভাবও ততো বেশি হবে। ফলে সে সব জায়গায় সে তার প্রভাব আরো বেশি করে খাটাতে পারবে। কিংবা যখন সে কোন কাজ করতে যাবে তখন যদি তার পক্ষেই সবাই ভোট বা সম্মতি দেয় তাহলে তার কাজ ও গ্রহনযোগ্যতাও অনেকাংশে বাড়বে। অতএবে সে বনে যাবে একজন পাওয়ার "ফুল ম্যান"।

সার্চ ইন্জিন এর কাছে ব্যাকলিংকও তেমনি। একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বড়ানোর কোন বিকল্পই হয় না। এক একটি ব্যাকলিংক আপনার জন্য ভোট স্বরূপ। এর জন্য সার্চ ইন্জিন সবসময় খুজে বেড়ায় কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি। কেননা আপনিও হয়তো কখনো চাইবেন না একজন অযোগ্য প্রার্থীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসাতে। এর জন্য সার্চ ইন্জিন ও তাদের প্রথম পেজটির জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে। আর গুগল এই গুরুত্বকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্যই ব্যাবস্থা রেখেছে Page Rank এর। পেজ র‍্যাংক এর মাধ্যেম গুগল প্রকাশ করে যে ওয়েবসাইটটির গুরুত্ব বা র‍্যাংক কতটুকু। অতএব, এ থেকে প্রমাণিত হয় যে আপনার পেজ র‍্যাংক বাড়ানোর জন্য ও সবচেয়ে দরকার ব্যাকলিংক বাড়ানো।

আবার মনে করুন একজন মানুষের পিছনে ১০০ লোক আছে। এর মধ্যে ৬০ জনই হল অন্ধ, বোবা, খোড়া ইত্যাদি। তাহলে কি হলো? তার কি ১০০ জন মানুষের কাজ ঐ লোক গুলো দিয়ে করা সম্ভব? কখনোই না। কারণ ১০০ জন লোক থাকলে ও তাদের জোর ও ক্ষমতা ২০ পরিপূরণ মানুষের সমান। তাছাড়া কোন কম্পানীও কিন্তু এমন অযোগ্য প্রার্থী কোন বড় পদে নিয়োগ দেয় না।

সার্চ ইন্জিনও তার ব্যাতিক্রম নয়। আপনার হয়তো ১০০ টি ব্যাকলিংক আছে। কিন্তু আপনি যে পেজ থেকে ব্যাকলিংক পেয়েছেন সেগুলো যদি সার্চ ইন্জিনের কাছে কোন গুরুত্ব নাই থাকে তাহলে সেই ১০০টি ব্যাকলিং দিয়ে কোন লাভ নেই।

তাই যেন তেন বা মূল্যহীন ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না। সময় দিন এমন ব্যাকলিংক পেতে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিত সুফল পাবেন। যদিও একটু বেশি সময় বা কষ্ট হয়, তারপরও আপনি চেষ্টা করে যাবেন।

আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারলেন যে ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবসময় চেষ্টা করুন অন পেজ অপটিমাইজেশনের সাথে সাথে ব্যাকলিংকও সমান ভাবে বাড়ানোর। প্রতেহ্য রুটিনের সাথে ২০-৩০ মিনিট বা তারও বেশি সময় দিন শুধুমাত্র ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য। সময় ভাগ করে কাজ করুন অনপেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) ও অফপেজ অপটিমাইজেশন(Off-Page Optimization) নিয়ে। সাফল্য আপনার হাতে আসবেই আসবে।


কিভাবে পাবেন ব্যাকলিংক

ইন্টারনেট এ পাওয়া যায় না এমন কিছুই নেই শুধুমাত্র হাত দিয়ে স্পর্শ করা ছাড়া।তাই আপনি আপনার ব্যাকলিংক ও খুজে পাবেন ইন্টারনেটেই।আসুন দেখে নেই কিভাবে কিভাবে আপনি ব্যাকলিংক পাবেন আপনার ওয়েব সাইটের জন্য

    ☼ আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

    ☼ ব্লগিং এর মাধ্যমে।

    ☼ অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার মাধ্যমে।

    ☼ ফোরাম পোষ্টের মাধ্যমে।

    ☼ ফোরামে কমেন্ট করার মাধ্যমে।

    ☼ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে।

    ☼ ডাইরেক্টরিতে ওয়েব সাইট সাবমিট এর মাধ্যমে।

    ☼ লিংক এক্সচেন্জ এর মাধ্যমে।

    ☼ ওয়েব সাইটে এড দেয়ার মাধ্যমে।

    ☼ ব্যাকলিংক কেনার মাধ্যমে। (পেড ব্যাকলিংক) ইত্যাদি।


আগামী পর্বে যা থাকছে

আগামী পর্বে এসকল মাধ্যম থেকে কিভাবে সঠিক ও ভালো পেজ র‍্যাংক সমৃদ্ধ ব্যাকলিংক পাবেন তার একটি একটি করে বর্নণা দেয়া হবে। সেই সাথে থাকবে কিভাবে গুগলের এর মাধ্যমেই আপনি .org .edu ও .gov ওয়েব সাইট থেকে ব্যাকলিংক পাবেন সেই টিপস। ততোক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন! :)

অদ্ভুতুড়ে 12:57 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। আজ থাকছে SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল - এর অন-পেজ অপটিমাইজেশনের(On-Page Optimization) h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার, পেজ বা ফাইলের নামকরন ও XML Sitemaps তৈরী করণ নিয়ে। 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৬

সাইটে <H1> থেকে  <H6> ট্যাগ ব্যবহার করুন

আপনার সাইটের পেজ গুলোতে কোন শিরোনাম ব্যবহার করলে তা অবশ্যই h1,h2,h3,h4,h5,h6 ট্যাগ গুলোর মধ্যে ব্যবহার করুন। কারণ সার্চ ইন্জিন গুলো আপনার ওয়েব সাইটের Bold <b> ,Italic <it> Underine <u> এই ট্যাগ গুলো তাদের এললগারিদমের মধ্যে পড়ে না। তাই সার্চ ইন্জিন <H1> থেকে  <H6> ট্যাগ গুলোকে এড করার চেষ্টা করে। কোন সার্চ ইন্জিন যখন কোন পেজ ক্রাউলিং করে তখন সে যদি <H1> থেকে  <H6> এর মধ্যে কোন ট্যাগ খুজে পায় তাহলে সে সেটিকে ঐ কন্টেট বা পেজ এর হেডলাইন বা শিরোনাম হিসাবে গ্রহণ করে। তাই অন-পেজ অপটিমাইজেশনে এই ট্যাগ গুলো ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিনের জন্য আপনার সাইট অনেক অংশেই তৈরী হয়ে যাবে। আসুন দেখে আসি কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ

☼ কোন লেখা শুরু করার প্রথমেই <H1> ট্যাগ ব্যবহার করুন শিরোনাম হিসাবে। 

এই ট্যাগের মধ্যে আপনি আপনার কাংখিত কী-ওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।

যথা সম্ভব ৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন। 

একই কী-ওয়ার্ড বার বার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। না হলে সার্চ ইন্জিন  গুলো এটিকে স্প্যামিং হিসাবে ধরে নিবে। 

লেখার মাঝখানে মাঝখানে <h2> বা অন্য গুলো  উপ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার সাইটটি অনেকটা ন্যাচারেল মনে হবে। আর প্রতিটি সার্চ ইন্জিনই সাইটের নমনীয়তা বা ন্যাচারেল ভাবটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে।


পেজ বা ফাইলের নামকরন করুন কী-ওয়ার্ড দিয়ে

এটি ও অন -পেজ অপটিমাইজেশনের(On-Page Optimization) জন্য আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।আমরা অনেকে যখন কোন পেজ তৈরি করি তখন তার একটি নাম দেয়ার প্রয়োজন হয়। যেমন সেটি হতে পারে yourdomin.com/nedf48718?p=5000  বা yourdomain.com/how-to-get-a-free-seo-tips.html। আচ্ছা বলুনতো কোনটি আপনার কাছে সবচেয়ে সহজবোধ্য মনে হচ্ছে? ঠিক তাই ২য় টি আপনার কাছে  সহজবোধ্য মনে হওয়ারই কথা। কারণ আপনি ঐ লিংক দেখলেই বুঝতে পারবেন যে ঐ পেজের মধ্যে কি আছে। তাই আপনার মত সার্চ ইন্জিনদের কাছেও ২য় লিংকটিই সহজবোধ্য মনে হবে। তাই আপনি যখন কোন পেজ বা ফাইলের নামকরণ করবেন তখন অবশ্যই সেটা অর্থপূর্ণ বা কী-ওয়ার্ড সমৃদ্ধ নাম ব্যবহার করবেন। 

আসুন দেখে নেই এর কিছু টিপস

☼ সাইটের পেজের নামে আপনার টার্গেটকৃত কী-ওয়ার্ডটি রাখুন। ধরুন আপনি "free seo tips for my new website" এই ধরনের কী-ওয়ার্ডকে টার্গেট করে পেজটি বানালেন, তাহলে আপনি আপনার পেজের নাম রাখতে পারেন "how-can-get-free-seo-tips-for-my new website.html । 

☼ পেজের নাম দেয়ার সময় হাইফেন ( - ) ব্যবহার করুন।_, !, (), @,$  এই ধরনের অক্ষর ব্যবহার করবেন না। কারন সার্চ ইন্জিন এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।

☼ ফাইল বা পেজের নাম দেয়ার সময় a,in,of,to, এমন অক্ষর গুলো ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলোকে সার্চ ইন্জিন "Skipping Word" বলে। 

☼ ওয়েব পেজের এক্সটেইনশন .html ,.htm .php রাখা ভালো।


XML Sitemaps তৈরী করণ

আমরা যারা টুকিটাকি SEO নিয়ে কাজ করি তারা সবাই জানি একটি ওয়েব সাইটের জন্য XML Sitemaps কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আর যারা জানেন না তাদের জন্য বলি সার্চ ইন্জিন সব ফাইল গুলোকে সমভাবে ক্রাউলিং করতে পারে না। XML ফরমেট এর ফাইল গুলোকে সার্চ বোট অনেক সহজ ভাবে  ক্রাউলিং করতে পারে। তাই  XML Sitemaps হলো এমন একটি ফাইল যেখানে আপনার সাইটের সব লিংক  গুলো একসাথে একটির পর একটি সাজানো অবস্থায় থাকে। আর যখন সার্চ বোট গুলো এই ফাইলের মধ্যে প্রবেশ করে তখন সে সব গুলো লিংকেই ইনডেক্স করার চেষ্টা করে।

তাই XML Sitemaps হল আপনার সব পেজ গুলোকে দ্রুত ইনডেক্স করানোর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়। তাই আপনি আপনার সাইটের SEO  জন্য একটি XML Sitemaps তৈরী করা অবশ্যই প্রয়োজন। XML Sitemaps তৈরী হয়ে গেলে আপনি সেটা আপনার সাইটে আপলোড করবেন এবং তা বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের ওয়েবমাষ্টার টুলস এ এড করিয়ে নিবেন।


আগামী পর্বে যা থাকছে

আগামী পর্বে আমি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন(Search engine Optimization) - এর অফ-পেজ অপটিমাইজেশন(Off-Page Optimization) - এর একটি বিষয় ব্যাকলিংক নিয়ে
পোষ্ট করবো।

অদ্ভুতুড়ে 3:22 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। আজ থাকছে SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল - এর অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) নিয়ে। যেখানে থাকবে কিভাবে অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) করা হয়? অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) কি? এর প্রয়োজীয়তা এবং বিভিন্ন টিপস ইত্যাদি।



অন পেজ অপটিমাইজেশন কি?

সাধারন ভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(Search engine Optimization) কে আমরা ২ ভাগে ভাগ করতে পারিঃ

    ☼ অন পেজ অপটিমাইজেশন (On-Page Optimization)।
    ☼ অফ পেজ আপটইমাইজেশন (Off-Page Optimization)।

অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) কথাটি দেখলেই বোঝা যায় যে ওয়েব পেজের মধ্যে যে সকল অপটিমাইজেশন করা হয় তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) বলা হয়। আমরা একটু গভীর ভাবে বিষয়টিকে চিন্তা করার চেষ্টা করি।

প্রথমে অমাদের ভাবতে হবে আমরা ওয়েব পেজে কি কি কাজ করে থাকি। সাধারন ভাবে আপনার উত্তর হতে পারে লেখা লেখি করি, ছবি বসাই, গান আপলোড করি ফ্লাশ মিডিয়া বসাই ইত্যাদি। প্রায় ৭০% নতুন ওয়েব ডিজাইনাররা এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(Search engine Optimization) এর ক্ষেত্রে এসব বিষয় গুলো প্রধানত প্রধান্য পায় না। এসকল বিষয়কে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করাই হল অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization)। ওয়েব পেজে বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা, কনটেন্ট লেখায় কলাকৌশল, লিংকের ব্যবহার ইত্যাদি করে অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) করা হয়।


অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) এর বিষয়বস্তুঃ

বেশ কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) করা হয়। যেসব বিষয় গুলো সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে আপনার অন-পেজ অপটিমাইজেশন(On-Page Optimization) করতে সুবিধা হয়। আসুন দেখে নিই অন-পেজ অপটিমাইজেশনে(On-Page Optimization) কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকেঃ

    ☼ মেটা ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ Description ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ ALT ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ পেজ - ফাইলের নামকরন
    ☼ কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো
    ☼ XML Sitemaps তৈরী করণ ইত্যাদি।

এসকল বিষয় গুলোকে যদি আপনি আয়ত্তে আনতে পারেন তাহলে ফলাফল আপনার হাতের মুঠোয়। আসুন এবার এসব বিষয় নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করি।

মেটা ট্যাগ

মেটা ট্যাগ হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো আপনার ওয়েব সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে।এসকল ট্যাগের মধ্যকার লেখা গুলো ব্রাউজারে প্রকাশ পায় না (টাইটেল ট্যাগ বাদে)। কিন্তু এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েব সাইটের লেখক , ওয়েব সাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। তবে সকল ট্যাগ গুলো SEO(Search engine Optimization) তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা টাইটেলে, কী ওয়ার্ড, Description ট্যাগ গুলো। এই ৩টি ট্যাগ SEO(Search engine Optimization) জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ মূলত আমরা এই তিনটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।


মেটা ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

এতোক্ষণ ধরে মেটাট্যাগ নিয়ে আমি যে বকবকানি করলাম হয়তো মনে আসতে পারে মেটা ট্যাগের প্রয়োজনীয়তা সমন্ধে। আসুন জেনে নেই কি জন্য মেটা ট্যাগ গুলো এতটা গুরুত্বপূর্ণ SEO(Search engine Optimization) এর জন্য।

মেটা ট্যাগ ২টি কারণের জন্য SEO(Search engine Optimization) তে গুরুত্বর্পর্ণ বিষয় হয়।
 
• মেটা ট্যাগ SERPs (Search Engine Result Page) সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের পেজে সাইটের তথ্য সরবারাহ করতে সাহায্যে করে।
• মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটকে SEO(Search engine Optimization) তে ভাল স্থানে রাখার পাশাপাশি সাইটের অন্যান্য অংশ বিভিন্ন ভিজিটরদের কাছে প্রকাশ পায়।


টাইটেল মেটা ট্যাগের ব্যবহার

 
টাইটেল মেটা ট্যাগ মানে বোঝাই যাচ্ছে এটা ব্যবহারিত হয় আপনার ওয়েব সাইটের শিরোনাম বা টাইটেল দেবার জন্য। এসইও তে টাইটেল মেটা ট্যাগ বিশেষ কোন কাজে আসে না। তবে একটি সুন্দর টাইটেল আপনার সাইটে অধিক ভিজিট (CRT) বাড়তে পারে।

আপনার পছন্দের কী- ওয়ার্ডের দ্বারা টাইটেল ট্যাগ লেখার সময় কিছু কিছু বিষয় মাথায় রেখে কাজ করলে এইসও তে সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি হবে। যেমনঃ-

◘ টাইটেলকে ৬৫ অক্ষরের মধ্যে রাখুন। 
◘ যথাসম্ভব ছোট করে টাইটেল দিন, আবার বেশি ছোট করতে গিয়ে অদ্ভুত করে ফেলার দরকার নেই।টাইটেল আপনার দেয়া টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন। 
◘ এ ধরণের চিহ্ন যেমন- ( @, #,!,%,^,() ....) ইত্যাদি ব্যবহার করা   থেকে বিরত থাকুন। 
◘ টাইটেল ট্যাগটিকে এমন ভাবে লিখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার টাইটেল পড়ে সাইটে প্রবেশ করতে আগ্রহী হয়।

যেমন : আপনার সাইটি যদি Hindi Movie কী- ওয়ার্ড দিয়ে বানানো হয় তাহলে ভিজিটররা হিন্দি মুভি সম্পর্কে জানার জন্য ভিজিট করবে। সেখানে যদি আপনি টাইটেলর সাথে কেবল মাত্র Download কথাটি মিলিয়ে Download Hindi Movie করে দেন তাহলে আপনার সাইট যদি ২-৫ নম্বরের মধ্যেও থাকে তবে আপনি অন্যদের তুলনায় বেশি ভিজিটর পেতে পারেন।


কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার

 
কী-ওয়ার্ড ট্যাগ হল আপনার সাইটে যেসকল কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেন তার একটা সূচিপত্র হিসাবে কাজ করে থাকে।আমি এর আসে কী-ওয়ার্ড ট্যাগ নিয়ে একটি পর্ব করেছি।তাই রসম্পর্কে আমি বিস্তারিত বলছিনা। এর জন্য আপনারা আমার এই টিউন ও এই টিউনটি দেখতে পারেন। তাহলেই আপনারা কী-ওয়ার্ড নিয়ে সকল কিছু বুঝতে পারবেন।


Description ট্যাগের ব্যবহার

 
Description ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় আপনার সাইটের বা ওয়েব পেজের একটা ছোট Description বা বর্ণনা দেবার জন্য।আমরা যেমন একটা বিশদ বিষয়ের অনেক সময় সংক্ষেপে প্রকাশ করি তেমনি Description ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা আমাদের ওয়েব পেজের একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হয়। এটি SERPs পেজে সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রকাশ করে।

কিছু টিপস এর মাধ্যমে আপনি সুন্দর একটা Description আপনার সাইটের জন্য লিখতে পারবেন যেমন: 

◘ আপনার Description টি ২৫০ অক্ষরের মধ্যে রাখুন।কেননা প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ২৫০ অক্ষরের বেশী তাদের SERPs পেজে প্রকাশ করে না। 
◘ এই ট্যাগে বানান যেন ভুল যায় না সেদিকে খেয়াল রাখুন।
◘ ট্যাগটিতে আপনার পছন্দের কী-ওয়ার্ড লিখুন। তবে খেয়াল রাখবেন কোন কী-ওয়ার্ড বা বিষয় যেমন ৩ বারের বেশি ব্যবহার না করা হয়। 

তাছাড়া টাইটেলে যেসকল টিপস দেয়া আছে তা আপনি Description ট্যাগে ব্যবহার করতে পারেন। আসলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সকল কথাই এক।


আগামী অংশে আমি অন পেজ অপটিমাইজেশনের(On-Page Optimization) যে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো তা হলঃ

    ☼ ALT ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার
    ☼ পেজ - ফাইলের নামকরন
    ☼ কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো
    ☼ XML Sitemaps তৈরী করণ ইত্যাদি।

অদ্ভুতুড়ে 1:50 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। আজ থাকছে SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল এর ২য় পর্বের কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ,  ২য় ও শেষ অংশ। আর একটা যারা এখন পর্যন্ত জানেন না SEO(Search engine Optimization) কি? তারা আমার আগের পোষ্টগুলো দেখতে পারেন।

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৪

গত পর্বের রিভিউ

যার আমার ১ম পর্বের প্রথম অংশটা মিস করেছেন তাদের জন্য এই রিভিউ করা। যেখান থেকে আপনারা আমার গত পর্বের টিউন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা নিতে পারবেন। দেখা যাক গত পর্বে কি কি ছিল।

    • কী-ওয়ার্ড কি
    • কী-ওয়ার্ড কি জন্য ব্যবহার করবেন।
    • কী-ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয়তা কি
    • কী-ওয়ার্ড বাছায়ের প্রয়োজনীয়তা ও বাছাই করণ প্রক্রিয়া।

আর সম্পূর্ণ পোষ্টটি দেখতে হলে নিচের লিঙ্কটিতে যেতে পারেন।
 ○ SEO(Search engine
Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৩


কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড

কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি। এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ

    • মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
    • সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে < meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” /> এই ট্যাগটি "মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ" নামে পরিচিত। এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন। এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে <head> ও </head> ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।

ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা। আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি। তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত। এতে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন। যেমন:

    • আপনর সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
    • আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
    • মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন, যেমন প্রথমে যদি লিখুন Download hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে hindi movie download বা আর একটু পরিবর্তন করে download hindi movie online করে নিতে পারেন।
    • কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে।
    • প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা স্পেস(, ) ব্যবহার করুন।

 তারপর আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন। যে সকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:

    • description- Meta Tag
    • Titel - Meta Tag
    • author- Meta Tag


সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমে

আমরা অনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিন গুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে। অনেক আবার এ ও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না, ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না। মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়। যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন। আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে। যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিন গুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়। এবার আসল কথায় আসি,

আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড। তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন। এটাই আপনার প্রথম কাজ। তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো....

    • প্রথমে আপনি আপানর বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন। এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ড গুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।
    • আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।
    • আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।
    • আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন। এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে               অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
    • শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না। একই ধরণের কী-ওয়ার্ড গুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

◘ গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলোর দিকে বেশি নজর দেয়, যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশি! কিভাবে? আসুন দেখে নিই-

মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন "download indian movie" লিখে। এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা "Cached" এ ক্লিক করুন। তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।

তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।

আজকের এই পোষ্টটি কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন! ধন্যবাদ।  :) 

আগামী পর্বে যা থাকছেঃ
    • অন-পেজ অপটিমাইজেশন (On-page Optimization)।

 ○ অন-পেজ অপটিমাইজেশন (On-page Optimization) SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) - এর জন্য খুব খুব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অদ্ভুতুড়ে 3:24 AM

শুরু করছি SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Search engine Optimization) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল"। প্রথমেই জানিয়ে রাখি ধারাবাহিক এই পোষ্টে মোট ১০টি পর্ব বা বিষয় থাকছে এবং প্রতিটি পর্ব ২টি অংশে বিভক্ত থাকবে। এই পোষ্ট গুলো সহজভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে নতুন ও পুরানো সকল ওয়েবমাষ্টাররা উপকৃত হয়। তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়াল এর প্রথম পর্বের কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ - এর ১ম অংশ। যারা এখন পর্যন্ত জানেন না SEO(Search engine Optimization) কি তারা এই পোষ্টটি দেখতে পারেন। 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-৩


কী-ওয়ার্ড কি

কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়। মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে। ১ম টি হচ্ছে, যে সকল শব্দসমষ্টিকে নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে কী-ওয়ার্ড বলে আর ২য় টি হচ্ছে, যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO(Search engine Optimization) করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড বলে। তবে আমার মত ২য় টাই SEO(Search engine Optimization) এর জন্য যথার্থ। কেননা SEO(Search engine Optimization) এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দগুলোকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।

একটা উদাহারণ দেয়া যাক। যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে। সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক। আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে। আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড। যেমন আপনি "bangladesh newspaper" লিখে সার্চ করলেন। এখানে "bangladesh newspaper" হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড। এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে । এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে। এই ফলাফলের তালিকাই যে সকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে। তাহলে বোঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।


কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ

আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন। আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না। আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি। যেমন Download Software, Download Movie, Song,Music, Tips ইত্যাদি। এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ। এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে। ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা। কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা। ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররাও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ। চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।


কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ প্রক্রিয়া

প্রথমেই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণের সময় আপনাকে যে জিনিসটাকে মাথায় আনতে হবে তাহল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য। এখানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে আপনি যে বিষয় নিয়েই ওয়েব সাইট লিখেন না কেন আপনার সেই বিষয়টা যেন বারবার পাল্টাতে না হয়। যেমন আপনি প্রথমে ভাবলেন যে সফটওয়্যার নিয়ে একটা সাইট করবো। কিছুদূর যাওয়ার পর মনে হলো যে আপনি এই সাইট থেকে তেমন সুবিধা করতে পারবেন না। তাই সেটাকে পরিবর্তন করতে চান। এতে করে কি হলো? আপনার সময় ও শ্রমের গুড়ে বালি। তাই আগে থেকেই ভাবুন যে কি নিয়ে আপনি শুরু করতে যাচ্ছেন। এতে আপনার লস হবে না লাভ হবে। আগ পাছ ভেবেই তারপর শুরু করুন।

আমরা যেহেতু প্রথমেই ভালো ভালো হাই কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে পারছি না তাই আমাদের কে এমন কিছু ককী-ওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে যে যার কম্পিটেশন লেভেল কম কিন্তু সেই কী-ওয়ার্ডএ বেশ ভালো ভিজিটর আসে। আর এই কী-ওয়ার্ড খোজার জন্য আপনাকে যেতে হবে এই সাইটে - গুগল এ্যাডওয়ার্ড টুলস থেকে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ডটির সার্চ ভলিয়ম সম্পর্কে নাড়ি-নক্ষত্র জানতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি প্রতি মাসে কয়বার সার্চ করা হয়। লোকাল ভাবে কয়জন সার্চ করে সারা বিশ্বে কয়বার সার্চ করা হয়, এই কী-ওয়ার্ডটির Advertiser Competition কেমন, গত মাসের কতবার সার্চ করা হয়েছে, Global Monthly Search Volume কত ইত্যাদি ইত্যাদি।

মনে করুন আপনি একটা গান ডাউনলোড করার সাইট বানাতে চান। সেক্ষেত্রে আপনার কী-ওয়ার্ডটি সম্ভবত হবার কথা Download song। যদি নির্দিষ্ট কোন দেশের মুভি যেমন হিন্দি মুভির সময় কী-ওয়ার্ডটি হবে Download Hindi song. এই কী-ওয়ার্ডটি অনেক বেশি হাই কম্পিটেশনাল। কিন্তু আমাদেরকে আরো কম কম্পিটেশনের কী-ওয়ার্ড খুজতে হবে। আর এই জন্য আমরা সাহায্য নিতে পারি এই সাইটে। প্রথমে আপনি সাইটে প্রবেশ করে আপনার বাছাইয়ের জন্য কী-ওয়ার্ডটি "Find keywords" টাইপ করুন। এর পর Search বাটনে ক্লিক করুন। এর পর আপনার সামনে বেশ কিছু ফলাফল আসবে। এখন এই ফলাফলে আপনি আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ডটির নানা ধরনের ফলাফল দেখতে পারবেন। যেমন মাসে কয়বার সার্চ করা হয়। লোকাল ভাবে কয়জন সার্চ করে সারা বিশ্বে কয়বার সার্চ করা হয়, এই কী-ওয়ার্ডটির Advertiser Competition কেমন, গত মাসের কতবার সার্চ করা হয়েছে, Global Monthly Search Volume কত ইত্যাদি।

তাছাড়া আপনার কী-ওয়ার্ডটির সাথে মিল রেখে আরো অনেক কী-ওয়ার্ড তারা আপনার সামনে নিয়ে আসবে। এখান থেকেই আমাদেরকে সঠিক কী-ওয়ার্ডটি বাছাই করতে হবে। আমাদের এই ফলাফলে দেখতে হবে যে, যে কী-ওয়ার্ডটির Competition রেট কম কিন্তু Global Monthly Searches বা Local Monthly Searches তুলনামূলক ভাবে বেশী। যেমন আমরা "Download Of Hindi song" কী-ওয়ার্ডটির দিকে নজর দিতে পারি। দেখুন এই কী-ওয়ার্ডটিতে Competition লেভেল বেশ কম কিন্তু Global Monthly Search Volume প্রায় ৯৯০০। এর অর্থ হল এই কী-ওয়ার্ডটি বিশ্ব ব্যাপি ৯৯০০ বার সার্চ করা হয়েছে।

আবার download hindi songa কী-ওয়ার্ডটিতে নেই কোন Competition লেভেল। কিন্তু Global Monthly Search Volume ৪৮০। আবার download hindi remix কী-ওয়ার্ডটিতে Competition লেভেল মোটামুটি ভাবে ভালো। এর Global Monthly Search Volume ২২২০০। তো আপনি নিজেই ভাবুন যদি এসব কী-ওয়ার্ড আপনি ভালো করে এসইও করেন তাহলে কেমন ফল আসতে পারে। কিন্তু Download Hindi song কী-ওয়ার্ডটিতে প্রথম পেজে থাকতে হলে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। যা নতুনদের পক্ষে সবসময় সম্ভব হয়না। এভাবে আপনি আপনার মুল কী-ওয়ার্ডটি থেকে অন্যান্য কী-ওয়ার্ড বাছাই করে তার উপর ভিত্তি করে সাইট বানালে আমার মনে হয় অনেক ভালো ফলাফল পেতে পারবেন। এই জন্য প্রথমে বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ না করে ছোট কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ শুরু করুন। দেখবেন বড় কী-ওয়ার্ড এর পিছনে খেটে আপনি ২ মাসে যা করতে পারছেন না তা আপনি ছোট কী-ওয়ার্ডে খাটিয়ে ১৫ দিনেই করতে পারবেন। এ জন্যই তো বলে "বড় যদি হতে চাও ছোট হও আগে"।

আজকের এই পোষ্টটি কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন! ধন্যবাদ।

আগামী পর্বে যা থাকছেঃ
    • কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের পদ্ধতি।
    • সঠিক কী-ওয়ার্ডের ব্যবহার।
    • কী-ওয়ার্ড নিয়ে কিছু টিপস ছাড়াও আরো অনেক কিছু।

অদ্ভুতুড়ে 11:53 PM

 
SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-২

শুরু করছি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট "SEO টিউটোরিয়াল"। প্রথমেই জানিয়ে রাখি ধারাবাহিক এই পোষ্টে মোট ১০ পর্ব বা বিষয় থাকবে। এই পোষ্ট গুলো এমন ভাবে সাজানো হবে যাতে করে নতুন ও পুরানো সকল ওয়েবমাষ্টাররা উপকৃত হয়।   

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-২


কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয় নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে কি কিছু কিছু মৌলিক বিষয় আছে যাদের গুরুত্ব খুব বেশী। আজ আমি আপনাদেরকে জানাবো SEO কার গুরুত্ব কেমন। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ওয়েবমাষ্টারদের মধ্যে এ নিয়ে বেশ মতবিরোধ আছে। কেউ বলে ব্যাক লিংকের প্রয়োজন বেশি আবার অনেকে বলে কী-ওয়ার্ড হল কাজের জিনিস। এরকম হাজারো মতের মধ্যে সবচেয়ে প্রমাণিত ও গ্রহনযোগ্য মত দিয়েছে। তারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনকে ১০০% এ ভাগ করে বের করেছে সার্চ ইন্জিনে অ্যালগারিদমে কোন বিষয় গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসুন দেখে আসি নিচের ছবিটি।



উপরের ছবি থেকে বোঝা যাচ্ছে যে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে তারা ৭ টি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে। সেগুলো হলঃ

    • ডোমেইন নেম বা ডোমেইন সংক্রান্ত তথ্য
    • লিংক পপুলারিটি বা সাইটের ব্যাকলিংক।
    • ব্যাক লিংকের আনকের টেক্সট।
    • সাইটে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার।
    • রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা।
    • ওয়েব সাইটের ভিজির বা ট্রাফিকের পরিমান।
    • সামাজিক ওয়েব সাইটে জনপ্রিয়তা।


নিচে এ সব নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা

◘ ডোমেইন নেম বা ডোমেইন সংক্রান্ত তথ্য। 23.87%

এখানে দেখা যাচ্ছে যে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের ১০০% এর মধ্যে ২৩.৮৭% ই হলো ডোমেন নেইম এর তথ্য।তাহলে চিন্তা করুন ডোমেনের নামকরণ বা এর সঠিক তথ্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তাই এসইও করার সময় প্রথমেই আপনাকে নজর দিতে হবে আপনার ডোমেইনের নামের দিকে।লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি যে বিষয় নিয়ে এসইও করতে যাচ্ছেন সে বিষয় এর সাথে আপনার ডোমেইন নামের মিল থাকে।আপনার সাইট যদি হয় গান ডাউনলোডের আর নাম যদি হয় surtarongo.com (সুর তরংগ)তা হলে আর এসইও করার দরকার নেই।


◘ লিংক পপুলারিটি বা সাইটের ব্যাকলিংক। ২২.৩৩%

বরাবরই বলা হয় যে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যাক লিংক "বিল্ডিং ফাউন্ডেশনের" মত কাজ করে।যার প্রমান মিললো এখানে।এখানে এসইও এর ১০০% মধ্যে ব্যাক লিংক বা লিংক পপুলারিটি দখল করে আছে ২২.৩৩% স্থান। 

তাই এসইও করার সময় এই ব্যাকলিংকে ফেলে দেওয়ার কোন কারণই নেই।কথাটা মাথায় রাখুন এসইও করার সময়।


◘ ব্যাক লিংকের আনকের টেক্সট।২০.২৬%
 
আমরা যখন সাইটে কোন লিংক দিই তখন লিংকটি একটা টেক্সটের মধ্যে রাখি। যেমন একটা সফটওয়্যার ডাউনলোডের লিংক দিলে তা হতে পারে Download Softwer বা click heare to Download ইত্যাদি। এখানে আপনি যে লিংকটা দিলেন তার আনকোর টেক্স হল এই Download Softwer বা click heare to Download। ব্যাক লিংকের সাথে আনকোর টেক্সটের একটা মিল রয়েছে। যেমন আপনি যখন কোথাও আপনার লিংক দিবেন তখন আপনার লিংকের সাথেই আনকোর টেক্সটটি দেয়ে দিতে পারেন। এসকল নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করবো।


◘ সাইটে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার।১৫.০৪%

১০০% এসইওর মধ্যে ১৫.০৪% স্থান কিন্তু কম নয়। তাই বলা যায় সাইটের ব্যবহারিত কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে বেশ ভূমিকা পালন করে। তাই ভালো ফল পেতে হলে সঠিক কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহার আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।


◘ রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা।৬.৯১%

এই বিষয়টাকে আমরা অনেক গুরুত্ব সহকারে দেখিনা।কিন্তু এসইও তে এর ও অনেক গুরুত্ববহন করে থাকে। এখানে দেখা যাচ্ছে ৬.৯১% এই ওয়েব সাইটের রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা দখলে। তাই যতদূর সম্ভব আপনারা চেষ্টা করবেন ভালো ভালো সব ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ডোমেন বা হোস্টিং করার। যেমন ভালো ভালো সাইটের মধ্যে godaddy.com সাইটটি বেশ ভালো।  অনান্য ১১.৫৯%।

বাদ বাকি অন্য সব মিলে আছে ১১.৫৯%। এর মধ্যে আছে ,ওয়েব সাইটের ভিজির বা ট্রাফিকের পরিমান,সামাজিক ওয়েব সাইটে জনপ্রিয়তা। তবে এসব বিষয় গুলোর সাথে আমি অমত বা কিছুটা দ্বিধার মধ্যে আছি। তাই এসব নিয়ে আপনাদেরকেও বিভ্রান্তির মধ্যে রাখতে চাইনা।  গুগল বেশ কিছুদিন আগে ঘোষণা দেয় যে এখন থেকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে সব কিছুর পাশাপশি সাইটের লোড স্প্রীড ও এর একটা অংশ হিসাবে ধরা হবে। আপনারা অনেকে বলতে পারেন এখানে তো পেজ রেংক নিয়ে কোন কথা পেলাম না। পেজ রেংকের কথা অবশ্যই এর মধ্যে আছে যা তারা ব্যাকলিংক ও আনকোর টেক্সটের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছে। কেননা পেজরেংক তো এই দুইয়ের সমন্বয়।

অদ্ভুতুড়ে 12:55 AM

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-১

SEO(সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন) কী? 

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলে।এর পূর্ণাংগ অর্থ হল SEO(Search engine Optimization)। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেন। আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নেই। 

SEO(Search engine Optimization) টিউটোরিয়ালস পর্ব-১

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইন্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইন্জিন। আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন "Bangladeshi newspaper links"। এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

এখন আমি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলো।গুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছে। উপরের দুটো ভাবনাই ঠিক।তবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করা। আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়। অর্থাৎ সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিনে সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে। আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।


কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো। এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো। একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই। আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে- 

◘ এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
◘ আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
◘ সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
◘ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
◘ তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।


সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা

এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার। আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ। কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই। তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়। যার জন্য তারা সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে। আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন। আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট। অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।

তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই।যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে। তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে? কেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন গুগল এ্যাডসেন্স এর আয়ের প্রধান কৌশল তা আমার এই টিউন থেকে আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারেন।


সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে

আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:

○ ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
○ কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
○ ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
○ পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
○ ওয়েব সাইট সাবমিট করা
○ সার্চ ইন্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
○ মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
○ অন পেজ অপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি। 

উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী।

অদ্ভুতুড়ে 9:45 PM
প্রতিযোগিতামূলক এই সময়ে ওয়েবের ভালো ট্রাফিক পাওয়া একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু যদি ভালো ও পরিকল্পনামাফিক কিছু কাজ করা যায়, তবে ট্রাফিক পাওয়া কোনো বিষয় নয়। আপনার অনলাইন বিজনেস কে ছড়িয়ে দিতে সঠিক ট্রাফিকটুল ব্যবহার করতে হবে। আর সেই সঠিক ট্রাফিক টুলটি কি হতে পারে তা নিয়ে অনেকেরই দ্বিধাদ্বন্দ থাকে। এই পোস্টটিতে তেমনই কিছু ট্রাফিক টুলের কথা বর্ণনা করা হয়েছে, যেগুলো টপ অ্যাফিলিয়েটস এবং ব্লগাররা ব্যবহার করেন।
 

১. আর্টিকেল মার্কেটিং: 
বর্তমানে যেকোনো ব্লগ বা নিদ্দিষ্ট একটি ওয়েব পেজে মানসম্পন্ন ট্রাফিক আনার সহজ তরিকা হলো আর্টিকেল মার্কেটিং। অনেকেই বলেন, ওয়েব মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আর্টিকেল মার্কেটিংয়ের দীর্ঘমেয়াদী কোনো প্রভাব নেই। কিন্তু বিশিষ্ঠ ব্লগার ও ওয়েব মার্কেটিংয়ের সাথে জড়িতদের মন্তব্য ঠিক এর উল্টোটা। গুগল ওয়েব স্প্যাম বিভাগের হেড ম্যাটকাট, সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তার মতে, গুগল সার্চে এখন থেকে কনটেন্ট কোয়ালিটি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আর্টিকেল মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রাধান্য বিষয়। আর্টিকেলের মানের উপরেই নির্ভর করবে, পাঠক আপনার লেখায় কতোটা সন্তুষ্ঠ ও আকর্ষিত হয়েছেন। আপনার লেখনির মাধ্যমে তাকে আপনার ব্লগে আসার মানসিকতা তৈরি করতে পারলেই আপনি ট্রাফিক পাবেন।
আর ভালো আর্টিকেল তৈরির জন্য আপনাকে যা করতে হবে-
► প্রথমে ৭০০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ শব্দের একটি ভালো মানের আর্টিকেল লিখুন।
► আটিকেলটিতে প্রাইমারি কিওয়ার্ডকে ৩ বার ও বাকিগুলো রিলেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন।
► এখন একই বিষয়ে একটি অরিজিনাল আর্টিকেল লিখুন, যেটি ব্যবহাকারী ক্লায়েন্টভেদে ভিন্ন হতে পারে।
► আপনার কননেন্টটি বিভিন্ন সাইটে না দিয়ে শুধুমাত্র আপনার ব্লগে পাবলিশ করুন। এখন আপনার অরিজিনাল কনটেন্টকে রিরাইট করে আর্টিকেল সাবমিশন টুল ব্যবহার করে সাবমিট করতে পারেন। আমি নিশ্চিত এই প্রক্রিয়াটি আপনার অনলাইন মার্কেটিংকে অনেকাংশে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


২. সোশ্যাল মিডিয়া
অনলাইন মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়াকে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। গুগলের সর্বশেষ পান্ডা সিস্টেমে আপডেটের সময় জানানো হয়েছে, নতুন এই সিস্টেমে একটি ওয়েবসাইটের মান নির্ধারণে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো প্রধান ভ’মিকা পালন করবে। এর কারণ হলো, তথ্য শেয়ারিংয়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগ সাইট বেশি ব্যবহৃত হয়।

এখানে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ সাইটের নাম দেওয়া হলো-
  • Facebook.com
  • Digg.com
  • Twitter.com
  • Stumbleupon.com
  • Propella.com
  • Youtube.com
  • Twitter.com
সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি সোসায়াল বুকমার্কিং অফপেজ এস.ই.ও-র ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূ মিকা পালন করে। সোসায়াল বুকমার্কিং সাইটে কিভাবে বুকমার্কিং করবেন তা জানতে এই পোষ্ট টি পড়ে নিতে পারেন।
 

৩. ব্লগ কমেন্ট : 
অনলাইন মার্কেটিং বা সাইটে ট্রাফিক বাড়াতে আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ব্লগিং কমেন্টিং। এটি শুধু মাত্র ট্রাফিক ই নয় কোন সাইটের জন্য ব্যাকলিংক পেতেও খুবি কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। তবে কোনো ব্লগে কমেন্ট বা মন্তব্য করার জন্য অবশ্যই সেটি যেনো ঐ ব্লগের কনটেন্টের সঙ্গে মিল থাকে অর্থাৎ রিলেভেন্ট হওয়া বাঞ্ছনীয় বিশেষ করে গুগলের রিসেন্ট আপডেটের পর থেকে এটি খুবি শক্ত ভাবে নজরদারি করছে গুগল। নইলে স্প্যাম হওয়ার সম্ভবনা থাকে। বর্তমানে টপ ব্লগারদেও চিন্তার বিষয় হলো স্প্যাম কমেন্ট। কমেন্ট করার ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে টপলেভেল ও জনপ্রিয় ব্লগগুলোতে রেজিস্ট্রেশন করা প্রয়োজন। ভালোমানের ব্লগে সংশ্লিষ্ঠ ১টি কমেন্ট থেকে ৫০ থেকে ১০০ ভিজিটর পাওয়া সম্ভব আর পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য ব্যাকলিংক ত রয়েছে ই । আপনি সার্চ ইঞ্জিন কে কাজে লাগিয়েই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট রিলেটেড ব্লগ কমেন্টিং সাইট খুঁজে পেতে পারে।
নিচের টার্ম গুলো ইউজ করুন রিলেভেন্ট সাইট খুঁজে পেতে…

keyword “powered by wordpress”

keyword “leave a reply”

keyword “leave a comment”

keyword “mail (will not be published)”

keyword “notify me of follow up comments”

“top commenters”

keyword “enable commentluv”

keyword “This site uses KeywordLuv”

keyword “powered by blogengine.net”

KEYWORDS “powered by wordpress” site:.edu

KEYWORDS “leave a comment” site:.edu

KEYWORDS “reply to post” site:.edu

“If you have a TypeKey or TypePad account” keyword

site:.com inurl:blog “post a comment” -”comments closed” -”you must be logged in” “Keyword”

site:.org inurl:blog “post a comment” -”comments closed” -”you must be logged in” “Keyword”

site:.net inurl:blog “post a comment” -”comments closed” -”you must be logged in” “Keyword”
প্রথমে গুগলে সার্চে যান, তারপর উপর থেকে আপনার পছন্দ মত যেকোন একটা টার্ম নিয়ে গুগলে সার্চ করুন। এখানে keyword এর স্থানে আপনার সাইট রিলেটেড কিওয়ার্ড বসান। ব্যাস এখন যেই রেজাল্ট গুলো আসলো সবি রিলেটেড ব্লগ কমেন্টিং সাইট। নিচের ইমেইজটা দেখুন আশা করি ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
 গুগলিং করে রিলেভেন্ট ব্লগ কমেন্টিং সাইট খুঁজে বের করা
 গুগলিং করে রিলেভেন্ট ব্লগ কমেন্টিং সাইট খুঁজে বের করা

৪. ফোরাম পোস্টিং : 
ট্রাফিক এবং ব্যাকলিংক বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরেকটি জনপ্রিয় ও কার্যকর পদ্ধতি হলো ফোরাম মার্কেটিং। ফোরাম এমনই একটা প্লাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা কোনো সমস্যার কথা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ঠদের কাছ থেকে সমাধান পেয়ে থাকেন। এখানে একজন ব্লগার সংশ্লিষ্ঠ সমাধানের সাথে নিজের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ব্যবহারকারীদেও অবহিত করতে পারবেন এবং তার ব্লগে আনতে পারবেন। এখানে সবচেয়ে বেশি কার্যকর একটি বিষয় হলো সিগনেচার ব্যবহার করা, যেখানে আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া পোস্টিং, কমেন্টিং পাশাপাশা প্রোফাইল লিংকিং এর সুবিধা ত আছে ই। কিভাবে ফোরাম পোস্টিং করবেন তার সঠিক গাইড লাইন পাওয়ার জন্য কিভাবে করবেন ফোরাম পোস্টিংশিরোনামের পোস্টটি পড়ে নিতে পারেন যেটি ট্রাফিক পাওয়াসহ সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগকে এগিয়ে নিয়ে আসবে। আপনি সার্চ ইঞ্জিন কে কাজে লাগিয়েই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট রিলেটেড ফোরাম খুঁজে পেতে পারে।
নিচের টার্ম গুলো ইউজ করুন রিলেভেন্ট ফোরাম খুঁজে পেতে…

KEYWORDS “powered by phpbb” inurl:/forum
KEYWORDS “powered by vbulletin” inurl:/forum
KEYWORDS “powered by smf” site: /forum
KEYWORDS “powered by phpbb” inurl:/community
KEYWORDS “powered by vbulletin” inurl:/community
KEYWORDS “powered by smf” inurl:/community
“powered by vbulletin” site:.edu
“powered by phpbb” site:.edu
“powered by smf” site:.edu
গুগলিং করে রিলেভেন্ট ফোরাম সাইট খুঁজে বের করা
গুগলিং করে রিলেভেন্ট ফোরাম সাইট খুঁজে বের করা
গুগলে সার্চে গিয়ে উপর থেকে আপনার পছন্দ মত যেকোন একটা টার্ম নিয়ে গুগলে সার্চ করুন। এখানে keyword এর স্থানে আপনার সাইট রিলেটেড কিওয়ার্ড বসান। ব্যাস এখন যেই রেজাল্ট গুলো আসলো সবি রিলেটেড ফোরাম সাইট। উপরের ইমেইজটা দেখুন আশা করি ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
আপনি যদি নতুন কোনো ব্লগ শুরু করেন সেক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে উপরের টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এখানে প্রতিটি টুল সম্পর্কে বেসিক ধারণা দেওয়া হয়েছে। আগামীতে প্রতিটি টুল নিয়ে লেখার ইচ্ছা নিয়ে শেষ করছি। টুলগুলোর সঠিক ব্যবহার করতে পারলে সাফল্য আসবেই। আপনার ব্লগ বা ওয়েবে ট্রাফিক বাড়বে।

অদ্ভুতুড়ে 10:09 AM
SEO (Serach Engine Optimization)


SEO তে কাজ করতে প্রথমে আমাদেরযেকাজগুলো করতেহবেঃ


১)    সার্চইঞ্জিনব্যাবহারকারিদের চিহ্নিত করতেহবে।
২)    জানতেহবে, কেনমানুষসার্চইঞ্জিনব্যাবহার করে।
৩)    উচ্চরেঙ্কিং এরকি-ওয়ার্ড নির্ণয় করতেহবে।
৪)    সার্চইঞ্জিনসমূহেরমধ্যেসম্পর্ক নির্ণয়করতেহবে

ইন্টারনেট হচ্ছে(ভালএবংমন্দ) তথ্যেরভাণ্ডার। একজনব্যাবহারকারি প্রায়সবকিছুই মুহূর্তের মধ্যেসংগ্রহকরতেপারেইন্টারনেট। আপনিযেএখনবইটিপড়ছেন, এটিওসম্ভবতইন্টারনেট থেকেসংগ্রহকরেছেন। আপনিযখনইন্টারনেট থেকেকোনতথ্যখুজতেযান, অথবাকিছুকিনতেযান, সেটিঅবশ্যইকোননাকোনওয়েবসাইটে আছে।ধরুন, আপনিসেরকমএকটিসাইটেরমালিক।আপনিএকটিপণ্যবিক্রয়করেনএইসাইটেরমাধ্যমে। কেউইজানেনাযে, এইসাইটটিআছে।তাহলে, কেআপনারপণ্য/ সেবাসম্পর্কে জানবে।কেবাআপনারথেকেপণ্যবাসেবাগ্রহনকরবে?

আপনার সাইটেভিজিটরআনারসবচেয়েগ্রহণযোগ্য উপায়হচ্ছেসার্চইঞ্জিন। সার্চইঞ্জিনহচ্ছেএকটিওয়েবএপ্লিকেশন সফটওয়্যার , যেটিব্যাবহারকারির চাহিদাঅনুযায়ী তথ্যসমুহ তাকেখুজেএনেদেয়।একটিবিষয়েহাজারহাজারসাইটআছে।সার্চইঞ্জিনতাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপস্থাপন করে।প্রথমেই ভাবুন, সার্চইঞ্জিননাথাকলেকিহতো? আপনিকিভাবেআপনারসাইটেগ্রাহককে নিয়েআসতেন? উত্তরটি হচ্ছে।আপনিঅন্যসাইটেআপনারএকটিলিংক(বিজ্ঞাপন) স্থাপনকরতেন।সেইলিংকক্লিককরেভিজিটরআপনারসাইটেআসতো।সার্চইঞ্জিন(Google, Yahoo! , Bing) শুধুমাত্র আপনারএবংআপনারগ্রাহকে মাঝখানের এইমধ্যস্ততাকারীকে মাঝখানথেকেবাদদিয়েসরাসরিগ্রাহককে আপনারকাছেনিয়েআসছে

এখানে আমরাদেখব, কিভাবেঅনেকইন্টারনেট ব্যাবহারকারির মাঝথেকেআপনারকাঙ্ক্ষিত গ্রাহককে বেছেনিয়েআসতেহবে।ব্যাবহারকারির প্রকারভেদ এবংবিভিন্ন ইঞ্জিনএরসাথেকাজকরারকৌশল

ব্যাবহারকারি চিহ্নিতকরার পদ্ধতিঃ  
আপনিকিজানেন, কেসার্চইঞ্জিনব্যাবহার করে? হ্যাঁ, প্রায়সবাইসার্চইঞ্জিন(Google, Yahoo! , Bing) ব্যাবহার করে।অধিকাংশ সাইটেরঅধিকাংশ ভিজিটরআসেসার্চইঞ্জিনথেকে।কিছুকিছুনামসবারকাছেএতবেশীজনপ্রিয় হয়েগেছেযে, সেগুলোর জন্যআরকেউইসার্চকরেনা।যেমন, Facebook এরকমজনপ্রিয় সাইটছাড়াঅন্যোন্য সাইটএরনামপ্রায়কেউইমুখস্থকরেরাখেনা।সার্চইঞ্জিনসার্চকরেখুজেবেরকরে।এমনকিপৃথিবীর বড়বড়ব্র্যান্ডগুলোও তাদেরএকটিবড়অংশভিজিটরপায়সার্চইঞ্জিনথেকে


আজ এ পযর্ন্ত, যদি আপনাদের কাছে আমার লিখাটি গ্রহনযোগ্য হয় তবে আরো লিখবো…….

সবার প্রতি শুভকামনা ।
Powered by Blogger.