Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

অদ্ভুতুড়ে 6:47 AM

এসি এর বাজার গরম হয়ে উঠে মূলত এই গরমেই। আর তাই গরমের এই বাদভাঙ্গা তীব্র দাবদাহ হতে মুক্তি পেতে এসি এর বিকল্প নেই।  এসি কেবল ক্রয় করলেইতো হবে না খেয়াল রাখতে হবে আরো অনেক কিছু। তেমনি এসি ক্রয় করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক যা একজন ক্রেতার জানার একান্তই প্রয়োজন। সর্বপ্রথম নিজ বাড়ীর ধরণ থেকে আরম্ভ করে সেটিং পর্যন্ত আরো অনেক কিছুই খেয়াল রাখতে হয় একজন ক্রেতার।

নিম্নে এই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উল্লেখসহ ব্যাখ্যা করা হলোঃ-



১. উইন্ডো এসিঃ-


নিজ ঘরে একটি সুন্দর জানালা থাকলে বসাতে পারেন একটি উইন্ডো এসি।  উইন্ডো এসি-এর মূলত কাজ হচ্ছে ভেতরের গরম হাওয়া বাইরে বের করে দেয়া। ঠিক অন্যদিকে বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়া ঘরের ভেতরে নিয়ে আসতে সাহায্য করা। তবে যদি একটা মাত্র ঘরের জন্য এসি চান তাহলে উইন্ডো এয়ার কন্ডিশনার সঠিক অপশন। টাকা পয়সার সাশ্রয় হবে। আবার ঘরের কুলিং সিস্টেমও অক্ষুণ্ণ থাকবে।


২. পোর্টেবল এসি:-


যদি পোর্টেবল এসি কেনার প্রতি আগ্রহী হোন তাহলে অবশ্যই অ্যাডজাস্টেবল হোসটি দেখে কেনা উচিত। কারণ এক্ষেত্রে ডুয়েল হোসের এসির চেয়ে সিঙ্গেল হোসের এসি ঘর ঠাণ্ডা রাখে বেশি। যদি  বসার ঘর বাড়ির অন্যান্য ঘরের চেয়ে বড়ো হয় এক্ষেত্রে ঘরের আয়তন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বড়ো হয়ে থাকে এসব ক্ষেত্রে স্প্লিট এসি বা ডাক্টলেস এসি ব্যবহার করাটাই বেশী শ্রেয়।
৩. আধুনিক এসিকে প্রাধান্য দেয়াঃ-

বর্তামানে চিরাচরিত এয়ার কন্ডিশনারকে পেছনে ফেলে বাজারে আসছে অনেক স্মার্ট অপশন সম্বলিত সব অত্যাধুনিক এসি। এর ফলে পাওয়া যাবে অনেক অত্যাধুনিক সব অপশন। ফলে নানা ভালো ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা যাবে এসির নানা অপশন। তবে এক্ষেত্রে কেবল ওয়াইফাই কানেকশনটি থাকতে হবে। অপশনটি অপারেট করার জয় কেবল নিজ স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ ইন্সটল করে নিতে হবে। সেই অ্যাপ চালু থাকলে আপনার এসি আপনা থেকেই বুঝে যাবে কখন আপনি ঘরে আছেন, কখনই বা নেই। সেই মতোই হবে ঘর ঠাণ্ডা রাখার ব্যবস্থা।

৪. এসির দরদাম সম্পর্কে পূর্বধারণা থাকাঃ-
নিজ পছন্দের এসির দরদাম সম্পর্কে পূর্বধারনা থাকলে অনেক সুবিধা হয়ে থাকে। পূর্বধারনার ফলে বাজেটের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হওয়ার অনেকাংশ কমে যায়। অন্যদিকে এসি ক্রয় করার পূর্বেই অনেক ভালো করে নিজের ঘরের আয়তন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। ঘরের আয়তন অনুযায়ি এসির সেটাপ করলে ঘর অনেকাংশ  ঠান্ডা থাকে।

৫. কেমন বাজেট হওয়া উচিত-

নিজ পছন্দের ব্র্যান্ডের এসি ক্রয় করলে অনেকাংশ লাভবান হওয়া যায়। কোন ব্র্যান্ডের এসি কিনছেন, তার উপরে অনেকটাই নির্ভর করছে এসির দাম। দেড় টনের উইন্ডো এসি ক্রয়ের জন্য সর্বনিম্ন বাজেট হওয়া উচিত ৩৫ হাজার টাকার মতো৷ অন্যদিকে এক টনের উইন্ডো এসির জন্য ২৫ হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে। অন্যদিক স্প্লিট এসির দাম তুলনামূলক ভাবে অন্যান্যগুলোর চেয়ে একটু বেশি। ঘর যদি সত্যিই বড়ো হয় তাহলে অন্তত: দেড় টনের এয়ার কন্ডিশনার না কিনলে তেমন লাভ হবে না। দেড় টনের স্প্লিট এসির জন্য বাজেট রাখুন ৪৫ হাজার টাকা।তবে ৩৫ হাজারেও দেড় টনের এসি পাবেন। ১ টন পোর্টেবল এয়ার কন্ডিশনারের দাম পড়বে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকার মতো। ওয়াইফাই এনাবেলড এসির দাম স্বাভাবিক ভাবেই একটু বেশি। এক টনের ওয়াইফাই এনাবেলড এসির দাম পড়ে যাবে চল্লিশ হাজার টাকার কিছু বেশি।

৬. ছোট ঘরের জন্য কেমন এসি প্রয়োজনঃ-

মিনি কুলার ছোট ঘরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য যথেষ্ট বলা চলে। এক্ষেত্রে বাজেট রাখুন তিন হাজার টাকার মতো। অন্যদিকে যেই এয়ার কন্ডিশনার বা এয়ার কুলারই ক্রয় করুন না কেন, অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন যে এয়ার কুলারটি সক্ষমতা কেমন বিদ্যুতের সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে।

উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো যেকোন সময় এসি ক্রয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখলে আশা করা যায় নিজ পছন্দের এসিটি পেয়ে যাবেন।
লেখাটি ভালো লাগলে এবং Air Conditioner সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন!

অদ্ভুতুড়ে 5:09 AM
নাম শুনে মনে হবে জার্মানির ম্যাগডেবার্গ জলসেতুটি  পানি দিয়ে তৈরি। আসলে কিন্তু তা নয়। সেতুটি তৈরি হয়েছে স্টিল আর কংক্রিট দিয়ে। এটি তৈরিতে ২৪ হাজার মেট্রিক টন স্টিল আর ৬৮ হাজার ঘনমিটার কংক্রিট লেগেছে। তবে সেতুটি মোটরগাড়ি, ট্রেন বা অন্য কোনো স্থলযান চলাচলের জন্য  তৈরি করা হয়নি। বরং এই সেতু দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ, স্টিমার, লঞ্চ এসব জলযান চলাচল করে। এটি ২০০৩ সালের অক্টোবর মাসে চালু করা হয়।

পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির সীমান্তে এলবা নদীর ওপরে তৈরি করা হয়েছে সেতুটি। শহরের নাম ম্যাগডেবার্গ। শহরটি বার্লিনের  খুব কাছে। অ্যামিউজিং প্ল্যানেট ডটকমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৯১৮ মিটার দীর্ঘ ও ৩৪ মিটার প্রশস্ত এই সেতুর পানির গভীরতা ৪.২৫ মিটার। তাই এর ওপর দিয়ে সহজেই এসব জলযান চলাচল করতে পারে।১৯১৯ সালে প্রথম এই সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারপর সেতুটির গুরুত্ব বুঝতে পেরে জার্মান সরকার ১৯৩৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু করে।

কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অনেক দিন  কেউই আর সেতুটি নিয়ে কিছু ভাবেনি। পরবর্তী সময় দুই জার্মানি একত্র হওয়ার পর ১৯৯৭ সালে ফের এর কাজ শুরু হয়।

কাজ শেষ হতে সময় লাগে ছয় বছর। প্রায় পঞ্চাশ কোটি  ইউরো দিয়ে তৈরি সেতুটি বার্লিনের দুটি বিখ্যাত খাল এলবা-হাভেল ও মিটারল্যান্ড নামের দুটি ক্যানালকে যুক্ত করেছে। বলা যায়, পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানিকে যুক্ত করেছে।

বাণিজ্যিক এই  জাহাজগুলো রাইন নদীতে, বার্লিন বন্দরে সহজে পৌঁছাতে পারে। এতে প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ কম পাড়ি দিতে হয়।

তবে বাণিজ্যিক গুরুত্বের পাশাপাশি পর্যটকদের নজর কেড়েছে আজব এই ওয়াটার ব্রিজ। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শক এই সেতু দেখতে এখানে ভিড় জমায়

অদ্ভুতুড়ে 9:18 PM

ফায়ার সার্ভিস ব্যর্থ। তাদের উদ্ধার কার্যক্রমে সফলতা বলতে কিছুই নেই। কোটি টাকায় কেনা ওয়াসার অত্যাধুনিক ক্যামেরার কার্যক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ জনগনের মধ্যে। ২৩ ঘণ্টা পর জিহাদকে উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করছিলেন। উদ্ধারের সরঞ্জাম সরিয়ে নেয়া হচ্ছিল। জিহাদকে না পেয়ে পুরো দেশের মানুষ বেদনাগ্রস্ত।

জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ
জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ

ঠিক সেই সময় এক দল যুবক এগিয়ে আসলো তাদের কথা এভাবে একটি নিষ্পাপ বাচ্চাকে পাইপের ভেতর ফেলে রেখে আসা যায় না। যেখানে একের পর এক সব প্রশিক্ষিত বাহিনীর সদস্যরা ব্যর্থ, সেখান থেকেই তারা দেখালেন আশার আলো। মৃত হোক আর জীবিত হোক শিশুটিকে এভাবে পাইপের ভেতর রেখে চলে যাওয়া যাবে না। মাত্র এক ঘণ্টার অভিযানে মিথ্যা প্রমাণ করলেন নানা 'বিশেষজ্ঞ' তথ্য। ২২ ঘণ্টার হতাশা কাটিয়ে ৩০০ ফুটের গভীর পাইপ থেকে শুধু জিহাদের নিথর দেহখানি নয়, গোটা জাতিকেই যেন মিথ্যার এক গভীর অন্ধকার গহ্বর থেকে বের করলেন।

জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ

গতকাল সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দিয়েছেন সেই যুবকরা। তারা কেউ প্রশিক্ষিত নন। জিহাদকে উদ্ধারের ইচ্ছাশক্তিই তাদের সফল করেছে। আর তারা যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন দণ্ডায়মান তিনটি রডের টুকরো। রডগুলোর ওপরের অংশে আর মাঝ বরাবর বৃত্তাকারে রড দিয়ে ঝালাই করা ছিল।

নিচের অংশে প্রত্যেকটির মাথায় বর্শার মতো পাত লাগানো ছিল ঝালাই করে। অনেকটা খাঁচার মতো। খাঁচায় জিহাদ ঢুকে গেলে নিচ থেকে আটকে যাবে। আর বেরোতে পারবে না। এরপর তাকে টেনে তোলা হবে। এতে প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে পুরনো একটি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ছোট্ট টর্চলাইট। জিহাদ যে পাইপে পড়ে গিয়েছিল, তার পাশেই ছোট্ট একটি ওয়ার্কশপে বসে এ যন্ত্রটি তৈরি করেন তারা। এর নাম দেওয়া হয়েছে 'কামড়ি'। কেউ কেউ বলছেন খাঁচা। আর সেই কামড়িতেই সফলতা মেলে। এই কামড়ি দিয়েই জিহাদকে তুলে আনা হয় গভীর নলকূপের পাইপ থেকে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর প্রশিক্ষিত বাহিনীকে পরাস্ত করে জিহাদকে তুলে আনা সেই যুবক কারা? উত্তরটাও সোজাসাপ্টা।

 
 

সেই যুবকেরা বিশেষ কেউ নন। কেউ ছাত্র, কেউ আবার ক্ষুদ্র দোকানি। তাদের মধ্যে মিরপুর মনিপুরের বাসিন্দা সুজন দাস রাহুল পড়েন রাজধানীর রমনার আইইবিতে। সফলতার আরেক সৈনিক শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুন বেসরকারি একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ছাত্র। তাদের সঙ্গে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মুরাদ, আনোয়ার হোসেন আর ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকানি আবদুল মজিদ। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা গাড়ি ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন সফল উদ্ধার অভিযানের সমন্বয় করেন। এ ক'জনই এ সফলতার মহানায়ক। রহমত উল্লাহ, আশরাফ উদ্দিন মুকুল আর মনির হোসেনের মতো আরও কয়েক যুবক নানা প্রযুক্তি নিয়ে চেষ্টা করেছিলেন জিহাদকে উদ্ধারে।

রাজধানীর মেরাদিয়ার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মুন সমকালকে বলেন, শুক্রবার রাতেই তিনি বন্ধু রাহুলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানেই তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় ফারুক হোসেনসহ অন্য যুবকদের। তারা ভাবতে থাকেন কীভাবে শিশুটিকে উদ্ধার করা যায়। সেই ভাবনা অনুযায়ী লোহার রড দিয়ে তারা যন্ত্রটি তৈরি করেন। শুক্রবার রাতেই ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কার্যক্রমের এক ফাঁকে তারা যন্ত্রটি ফেলেছিলেন। ব্যর্থ হয়ে আবারও যন্ত্রের উন্নয়নমূলক কাজ করেন। এবার এর সঙ্গে জুড়ে দেন একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও টর্চলাইট। দণ্ডায়মান রডের নিচে যুক্ত করেন বর্শার ফলার মতো লোহার ছোট দণ্ড। গতকাল দুপুরে সেটি নিয়েই তারা সফলতা পান।


জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ
 

শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুনের দাবি, নিরন্তর চেষ্টাতেই তারা সফল হন। কামড়ি যন্ত্রটি প্রায় ২৩৫ থেকে ২৪০ ফুট ভেতরে যাওয়ার পরে তা কোনোকিছুর সঙ্গে আটকে গেছে বলে টের পান। ধীরে ধীরে টেনে ১০০ মিটারের মধ্যে যখন কামড়ি আসে তখন ক্যামেরায় বোঝা যায় শিশুটি সেখানে আটকে আছে।

সুজন দাস রাহুল বলেন, তখন আমাদের হাত-পাও শক্ত হয়ে আসছিল। একে-অপরের মুখের দিকে তাকাচ্ছিলাম। বারবারই অচেনা জিহাদের মুখটি চোখের সামনে ভেসে আসছিল। এর পরই আমরা বর্শার ফলায় 'ভারী বস্তুটি' আটকে দিই। ধীরে ধীরে টেনে তুলি তা। তখন নিশ্চিত হলেও আরও প্রায় ২০-২৫ মিনিট পর টেনে তুলেই চিৎকার দিই। জিহাদকে নিয়ে যাই হাসপাতালে।

জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ
জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ


উদ্ধারকারী অন্য সদস্য মুরাদ আর আনোয়ার হোসেন জানান, যত্ন করেই আমরা রশিটা টান দিই। চেষ্টা করি জিহাদকে জীবিত উদ্ধার করতে। কিন্তু ওর নিথর দেহটা পাওয়া গেল। এর পরই উদ্ধারকারী দলের এ দুই সদস্য জনতার ভিড়ের মধ্যে চোখ মুছেন। ততক্ষণে উদ্ধারকারী রাহুল, ফারুক আর আবদুল্লাহ ফায়ার কর্মীদের সহায়তায় জিহাদকে নিয়ে হাসপাতালের পথে রওনা দেন।

উদ্ধারকর্মী আবদুল মজিদ সাভারের রানাপ্লাজা ধসের সময়ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। তার দাবি, ফায়ার সার্ভিস শনিবার ভোর থেকে তাদের কাজ গুটিয়ে নেয়। তবে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তাদের শুরুতে কাজ করতে দিলে হয়তো জিহাদকে জীবিত পাওয়া যেত। তার ভাষ্য, তারা শুক্রবার থেকেই কামড়ি যন্ত্রটি পাইপে ফেলার চেষ্টা করছিলেন। তবে ফায়ার আর ওয়াসার বড় কর্তা ও প্রকৌশলীরা থাকায় সে সুযোগ পাননি। রাতে যদি ভেতরের সরু পাইপটি কেটে ফেলা না হতো তাহলে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।

সফলতা অর্জন: স্বেচ্ছাসেবক উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়ক ফারুক হোসেন জানান, তারা কামড়ি যন্ত্রের রডগুলো সংগ্রহ করেন খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার এলাকা থেকে। এরপর সেখান থেকেই ঝালাই কাজটি সারেন। কামড়ি যন্ত্রের দণ্ডায়মান রডের বর্শার পাতই সফলতার মূল সূত্র। সেটি কাজ করে কীভাবে, জানতে চাইলে ফারুক জানান, তারা ১৮ ইঞ্চি ব্যসের পাইপে ১৪ ইঞ্চি ব্যসের যন্ত্রটি নামান। যন্ত্রের তিনটি রডের নিচে পৃথকভাবে লাগানো বর্শার মধ্যে দুটো বর্শা নড়াচড়া করার জন্য ও একটি বর্শা টেনে আনার কাজের উপযোগী করে বানানো হয়। 

আরও কিছু সংবাদঃ 

শিশু জিহাদকে যেভাবে উদ্ধার করা হলো, এতে প্রজুক্তির ব্যবহার যেভাবে হলো। কারা ছিল সেই সাহসী তরুন দল সহ ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল তথ্যের জন্য দেখে নিতে পারেন প্রযুক্তি.কম এর অন্যান্য প্রতিবেদন এবং সংবাদগুলো।

১) জিহাদ উদ্ধার অভিযানের সাহসী সেই পাঁচ তরুণ @ www.projuktee.com/2014/12/news12.html
 

২) সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ - সকল কাজের মূলেই হচ্ছে ইচ্ছা শক্তি!  @ http://www.projuktee.com/2014/12/zihad.html


৩) ফারুকের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সফল যন্ত্রের নকশা - জিহাদ উদ্ধার!  @ http://www.projuktee.com/2014/12/bd-tech.html


৪) বিদেশী প্রযুক্তিতে লাভ হয়নি, অবশেষে দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ধার! @ http://www.projuktee.com/2014/12/projuktee-tech.html

 

শিশু জিহাদকে যেভাবে উদ্ধার করা হলো তার কিছু ভিডিও চিত্র নিম্নে দেওয়া হলঃ



প্রযুক্তি.কম অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ। শুধুমাত্র প্রযুক্তি পেতে, প্রযুক্তির সংবাদ জানতে ২৪ ঘন্টা www.projuktee.com সাথেই থাকুন। সকল সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদনের একমাত্র কপিরাইট শুধুমাত্র www.projuktee.com। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) যেকোন সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদন কপি, নকল করা সম্পুর্ন নিষেধ। ধন্যবাদ প্রযুক্তি.কম এর সাথে থাকার জন্য। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ।

শিশু জিহাদের মৃত্যুতে আমরা প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) পরিবার শোকাহত এবং পাশাপাশি অভিনন্দন জানাই সেই সাহসী পাঁচ তরুণকে। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) এর তাদের কৃতত্ত কোনদিনও ভুলবেনা।

প্রযুক্তি.কম অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ। শুধুমাত্র প্রযুক্তি পেতে, প্রযুক্তির সংবাদ জানতে ২৪ ঘন্টা www.projuktee.com সাথেই থাকুন। সকল সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদনের একমাত্র কপিরাইট শুধুমাত্র www.projuktee.com। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) যেকোন সংবাদ, লেখা, প্রতিবেদন কপি, নকল করা সম্পুর্ন নিষেধ। ধন্যবাদ প্রযুক্তি.কম এর সাথে থাকার জন্য। প্রযুক্তি.কম (www.projuktee.com) অন্তরে বাজে প্রযুক্তির ছন্দ।

 

অদ্ভুতুড়ে 4:11 AM
জ্বালানির কম ব্যবহার ও পরিবেশগত সর্বোচ্চ মান রক্ষা করে কারখানা গড়ে তুললে পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) লিড সনদ। উচ্চ মান রক্ষা করে এ পর্যন্ত পৃথিবীর তিনটি পোশাক কারখানা লিড সনদের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্যাদা 'প্লাটিনাম' পেয়েছে। এর একটি কারখানা বাংলাদেশে, যেটি আবার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বসেরা। কারখানাটির নাম ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও লিমিটেড।
বাংলাদেশের অ্যাবা গ্রুপের এ কারখানা ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) অবস্থিত।
কারখানার ভবন একতলা। স্টিল কাঠামোর ভবনটি এমন উপকরণে তৈরি যেখানে তাপ শোষণ না করে বিকিরণ করে দেয়। ফলে কারখানার ভেতরে অপেক্ষাকৃত শীতল থাকে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার করে কারখানার ভেতরে উপযোগী তাপমাত্রা বজায় রাখা যায়। কারখানাটির ভবন এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে ধসে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই, আবার আগুন লাগলে শ্রমিকরা দৌড়ে বাইরে চলে যেতে পারবেন। এতে জীবনের ক্ষতির আশঙ্কা খুব কম।
সকালে কাজ শুরুর আগে শ্রমিকদের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে শোনানো হয়। পোশাক কারখানায় আলোর ব্যবহার যেকোনো কারখানার চেয়ে বেশি। দিনের বেলাও সারি সারি জ্বলতে থাকা টিউব লাইটের মধ্যে কাজ করেন শ্রমিকরা। কিন্তু ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিওতে দিনের বেলা শ্রমিকের মাথার ওপর কোনো বাতি জ্বলে না। দিনের আলো ব্যবহার করেই তাঁরা কাজ করেন। তবে সুই-সুতার সেলাইয়ে একটু বেশি আলো দরকার। এ জন্য সেলাই মেশিনের সঙ্গে আছে একটি ছোট বাতি, যেটি শুধু মেশিনের সুইয়ের ওপর আলো ফেলে। শুধু প্রয়োজন যেখানে, সেখানেই হচ্ছে আলোর ব্যবহার।

অদ্ভুতুড়ে 8:43 PM

যেন নিদারুণ যন্ত্রণায় ছটফট করছে সুন্দরবন। তেলবাহী ট্যাঙ্কার ডুবির পর  বনের প্রায় ৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা এখন এ তেলে ছয়লাব। বর্তমানে তেল অপসারণ কাজ শুরু হলেও পুরোপুরি হবে কিনা তার শঙ্কা কাটছে না। এখনো বনের ভিতরের খালগুলোয় চাকচাক তেল ভাসতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া জোয়াতের সময় তেল সুন্দরবনের ভিতরে ঢুকে গাছের গায়ে লেগে আছে। আবার চাক ধরে মৌচাকের মত হয়ে রয়েছে কোথাও কোথাও। 

 

সুন্দরবন যন্ত্রণায় যেন ছটফট করছে  facebook এর কিছু মানুষ। facebook এর এখন অন্যতম মুখ্য বিষয়ই হচ্ছে সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত এই ফার্নেস ওয়েল ।  সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত ফার্নেস ওয়েল এখন facebook এ! সুন্দরবনে বিষাক্ত ফার্নেস ওয়েল নিয়ে কিছু লিখা facebook ওয়াল থেকে সংগ্রহ করে নিম্নে দেওয়া হলঃ

 

বনের গভীরে যেতে যেতে চোখে পড়ে সেই ট্যাঙ্কারের তেলে চুবে বিষাক্ত সাপের গায়ে জালা ওঠার দৃশ্য। প্রচন্ড জালায় তেলে লেপ্টা সাপটির (স্থানীয়রা বিষাক্ত সাপ হিসাবে জানালেও নাম জানাতে পারেননি) একটি গাছের নিচু ডালে ঝুলে শরীল চুলকানোর দৃশ্য।

 

ছড়িয়ে পড়া ফার্নেস ওয়েলের দাম ৪০ টাকা লিটার নির্ধারণ করেছে সরকার। অভাবের তাড়নায় সুন্দরবনের গরীব জনগণ তাতেই খুশী। অবশ্য তাদের উপায়ও ছিলনা। নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহকারী এই গরীব মানুষগুলো জীবিকা হারিয়ে নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছিল। এই নতুন উপার্জনের পথ তাদের পেটে ভাত দিয়েছে সত্য। সরকারও তাতে মুখ রক্ষার কিছুটা রাস্তা খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু বিষাক্ত ফার্নেস ওয়েল এই মানুষগুলোর শরীরে যে রোগ সৃষ্টি করবে- চর্মরোগ, এমনকি ক্যান্সারের মতো রোগ যখন বছর পরে তাদের শরীরে ছড়িয়ে পড়বে, তার খবর কি রাখবে কোনো সরকার, কোনো মিডিয়া, কোনো সংস্থা? ক্ষতিপুরণ বাজেটে কি এদের ক্ষতির হিসাব থাকবে? সবাই জীব বৈচিত্রের ক্ষতি নিয়ে সোচ্চার কিন্তু এই শিশুটির ভবিষ্যৎ আমরা কি ভাবছি?

অদ্ভুতুড়ে 5:24 AM

HP Sprout PC- এর আগমনে বিদায় নিতে যাচ্ছে কী বোর্ড, মাউস আসুন জেনে নেই।

HP Sprout PC-এর আগমনে
HP Sprout PC
ডেস্কটপ পিসি মানেই কী বোর্ড, মাউস থাকবেই আর এ দু'টি মূল্যবান ইনপুট ডিভাইস ছাড়া পিসি অপারেট করা ভাবাই যায় কিন্তু খুব শীগ্রই HP Sprout PC এই দু'টি ডিভাইস বাদ দিতে চলেছে। এই HP Sprout PC টি নিয়ে আসছে ২০ ইঞ্চি প্রজেক্টেড টাচপ্যাড যাকে HP একটি নিজস্ব নাম দিয়েছে ট্যাচ ম্যাট, যা আরো সংকীর্ণ করতে যাচ্ছে অ্যানালগ ও ডিজিটাল জগতের মাঝের ব্যবধানকে। এতে আরো থাকছে হাই-রেজুলেশন ক্যামেরা সাথে থ্রীডি-স্ক্যানার যার সাহায্যে যেকোন কিছু আপলোড করা যাবে শুধুমাত্র ঐ ম্যাটের উপর রেখেই।
HP Sprout PC-এর আগমনে
HP Sprout PC


এই ব্যতিক্রমধর্মী পিসি তে যে Configuration রয়েছে তা হলো এতে modern Core i7 CPU, 8GB of RAM, a 23-inch touchscreen, Windows 8.1  অপারেটিং সিস্টেম. ২০ ইঞ্চি টাচপ্যাড( supports 20-point multitouch)যা সুযোগ করে দিবে একাধিক ব্যাক্তিকে একসাথে ব্যাবহার করার। এছাড়াও রয়েছে  ১টি Intel Real Sense 3D camera, ১টি 14.6-megapixel camera, ১টি HP DLP projector আরও আছে LED desk lamp ইতি মধ্যেই HP-এর মননিত ব্যবহারকারীরা  এই নতুন ভার্সন সম্পর্কে বেশ ইতিবাচক মন্তব্য পেয়েছেন। ইতিমধ্যেই Swiss Army knife-এর সাথে তুলনা করা হয়েছে  HP Sprout PC-এই পিসিকে।
প্রচলিত কীবোর্ড মাউস নির্ভর পিসিকে ছেড়ে HP-এর Sprout ভার্সনটি চালাতে বেশী না মাত্র $১৯০০ ডলার খরচ করতে হবে।

আশা করি HP Sprout PC-এর আগমনের খবরটি শুনে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 1:18 AM

 

যত দিন যাচ্ছে তত বেশী ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে পাসওয়ার্ড এর ব্যবহার। ক্রমাগত সাইবার হামলার মুখে পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার ঝুঁকি বাড়ছে দিন দিন। তাই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা পাসওয়ার্ডের বিকল্প পথ নিয়ে ভাবছে।


এরই ধারাবাহিকতায় টুইটার নিয়ে এলো তাদের প্রথম পাসওয়ার্ডের বিকল্প ব্যবস্থা। পাসওয়ার্ড ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে বিভিন্ন অ্যাপ। এ জন্য শীর্ষ মাইক্রোব্লগিং সাইটটি ডিজিটস নামে নতুন সেবা চালু করেছে।
এ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকেরা অ্যাপ আইডি ও পাসওয়ার্ড ছাড়া ব্যবহার করতে পারবেন। আইডির পরিবর্তে একটি মাত্র বার্তার মাধ্যমে অ্যাপে প্রবেশ করতে পারবেন গ্রাহকেরা। কেউ যখন কোনো অ্যাপে প্রবেশ করতে যাবেন, তখন তার মোবাইল ডিভাইসে একটি শনাক্তকরণ কোড আসবে। এ কোড ব্যবহার করে গ্রাহক সংশ্লিষ্ট অ্যাপটিতে প্রবেশ করতে পারবেন।
মোবাইল ডিভাইস বিক্রি বাড়লেও সবার ই-মেইল অ্যাকাউন্ট থাকে না। ফলে তারা প্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন না। বিশ্বের ২১৬টি দেশে ২৮টি ভাষায় এরই মধ্যে ডিজিটস সেবাটি চালু হয়েছে। এ সেবা Android, iOS সহ বেশ কিছু অপারেটিং সিস্টেমে সরবরাহ করা হচ্ছে। ম্যাকডোনাল্ডস, ওয়ান ফুটবল, রেজি, ফিটস্টর এরই মধ্যে তাদের প্লাটফর্মে ডিজিটস সেবাটি চালু করতে যাচ্ছে।

অদ্ভুতুড়ে 10:01 AM

আমার জীবনে ঘটে যাওয়া প্রথম সত্যিকার ভৌতিক ঘটনা।

ভৌতিক ঘটনা
ভূত





আজ আমি আপনাদের আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ভৌতিক ঘটনার মধ্যে একটি ঘটনা বলতে যাচ্ছি। আশা করি ভালো লাগবে।

যাই হোক এখন শুরু করা যাক, ২০১১ সালের কথা আমার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে আমি আমার ফুফাতো ভাইয়ের মেঝো ছেলের আকীকার দাওয়াত পাই। দাওয়াতটিতে যাওটা অকেটা বাধ্যতামূলক ছিল

আর তাই নানা ঝামেলা থাকা সত্ত্বেও যেতে হয় সেই দাওয়াতে। বাড়ির অনুষ্ঠানে যা হয় গরু ছাগল এনে একাকার যেহেতু অনুষ্ঠানটি আকিকার।

আমি ঢাকা হতে যেতে প্রায় বিকাল হয়ে যাই আর এই কারণেই হয়তো শরীর একটু কাহিল ছিল। বাড়িতে যেতে যেতেই বিকাল হয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে। নানা

ফরমালিটিস পালন করতে করতে রাত হয়ে যায় আর ভোর রাতের দিকে বাবুর্চি, কসাই আসবে বলে আগে আগেই রাতে ঘুমিয়ে পরি আর একটু পরেই ঘটে যায় আমার জীবনের প্রথম ভৌতিক ঘটনা ।

ঘুমাতে ঘুমাতে হঠাৎ অনুভব করলাম কে যেন আমার পা টানছে আর আমাকে ডাকছে।  ঘুমন্ত অবস্থায় টের পাচ্ছিলাম যে আমাকে ডাকছে সে আর কেউ না আমার ফুফাতো ভাই-ই হবে আর যখন আমি আমার দুই চোখ খুললাম আমার অনুমানটি আর ভুল হলো না দেখি আমার ভাই সে আমাকে ইশারা দিয়ে বললো "আয় সময় হয়ে গিয়েছে আমি বাহিরে আছি তুই আয়"। আমি আর অপেক্ষা না করে মোবাইলে সময়টা দেখি তখন সময় হবে আনুমানিক রাত ৩.৩০টা, ঘুম থেকে উঠে বাহিরে যাবো এমন সময় আমার ফুফু বলে উঠলো "কিরে কোথায় যাস" আমি বললাম "ভাইয়া ডাকছে বাহিরে যাব" আমার এই কথা শুনে ফুফু একটু যেন অভাক দৃষ্টিতেই তাকালো আমি কিছু বলার আগেই দেখি অন্য রুম হতে আমার আরেক ফুফাতো ভাই বের হয়ে আসলো এবং আমাকে বললো আয় বাহিরে বের হই। আমি তখনও জানি না ব্যাপারটা কি, আমি যখনি বাহিরে বের হয়েছি তখনই টের পেলাম বাহিরটা একদম অন্ধকার এবং চারপাশ একদম নিশ্চুপ আমি ঠিক তখনিই ভাইকে বললাম ভাইয়া এখন কয়টা বাজে আর উনি তার মোবাইলে আমাকে সময় দেখালো সময় দেখে আমি নিজেকে মোটেও বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না যে, একটু আগে আমি মোবাইলে কি দেখলাম আর এখন কি দেখছি এখন বাজে রাত ১.০০ কিন্তু আমার একদম স্পষ্ট মনে আছে আমি মোবাইলে দেখেছিলাম তখন ছিলো রাত ২.৩০। এই সমীকরণ আমি কিছুতেই মেলাতে পারছিলাম না।

আপনারা হয়তো মনে করবেন আমার ঘটনাটি এখানেই শেষ মোটেও না আমার মাথা আরও ঘুরিয়ে গেলো যখন আমার বড় ফুফুতো ভাইকে বললাম ভাইয়া "শিপন ভাই কোথায় উনে আমাকে না ডাকলো ডেকে কোথায় গেলো" আমার বড় ভাই শুনে বললো কিরে তুর কি হয়েছে তোকে না রাতে শিপন বললো ও রাতে একটু বাজারে যাবে আসতে আসতে রাত হবে আমার ঠিক তখনি মনে  পরলো আমি যখন ঘুমাতে যাই শিপন ভাই-এর সাথে কথা হয় যে উনি রাতে বাড়িতে থাকবে না গ্রামে কার জানি একটি বিচার হবে তাকে সেখানে থাকতে হবে। এতেও আমার মন কেমন যেন করছিলো তাই আমি সাথে সাথে শিপন ভাইকে ফোন দেই এবং বলি উনি কোনো সময় বাসায় এসেছিল কিনা আর উত্তরে শুনি উনি আসেননি তাহলে ঐ লোকটি কে ছিল যে আমাকে ডেকেছিল না সেটা একান্তই আমার মনের ভুল ছিল ও আরেকটি কথা যে কক্ষে আমি ঘুমিয়েছিলাম সেটি ছিল আমার ফুফার কক্ষ যে ২০০৯ সালে পরলোক গমন করেন আর ওনি খুবই খুবই আল্লহভীরু ছিলেন এবং এমন কোন রাত যেত না যে উনি তাহাজ্জদের নামায পড়তেন না। আর ঘটনাটি যখন জানাজানি হয় তখন বাড়ির মুরিব্বিরা বলছিলেন যে এটি যা ছিল ভালোই ছিল  কারন সেটি হয়তো চাচ্ছিলো আমাকে জাগিয়ে নামায পড়ানোর জন্য যেহেতু আমি প্রতিদিনই কমবেশি চেষ্টা করি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পোড়তে।

আমি আজও যখন ঘুমাতে যাই আমার সেই আনুভূতিটার কথা মনে পড়ে আর প্রচন্ড ভয় লাগে। আসলে এসব ঘটনা হলো এমন ধরনের ঘটনা যে প্রত্যক্ষ করেনি সে কখনিই বলতে পারবে না যে সেটা কতটা লোমহর্ষক। আজকের মতো আমার ঘটনাকে এখানেই ইতি টানছি বলার মতো আরও অনেক ঘটনা আছে যদি জানতে চান তাহলে পোস্টির নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিবেন, ধন্যবাদ।

আশা করি পোস্ট পড়ে কিছুটা হলেও ভয় লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 5:48 AM

 

 

 সহজে ধ্বংস হয় না এবং দেহটি নমনীয় এমন এক রোবট তৈরি করল একদল গবেষক। ধংশাপ্ত ভবনের নিচের সংকীর্ণ পথ দিয়ে অনায়াসে ঢুকে পড়তে পারবে এ রোবট এবং খুবই বৈরী পরিবেশে উদ্ধার কাজসহ নানা তৎপরতায় সহায়তা করতে পারবে বলে জানিয়েছে ঐ গবেষক দলটি।

আগুনে পোড়ে না, হিমাংকের নিচের হাড় জমানো ঠাণ্ডায় জমে যায় না বা গাড়ি চাপা দেয়ার পরও ধংশ হয়ে যায়না এ রকম রোবটটি তৈরি করেছেন হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক দল। আর ঐ দলটিকে লীড দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মাইকেল টোলি।

পরীক্ষামূলক ভাবে যে রোবটটি তৈরি করা হয়েছে তা লম্বায় মাত্র ৬৫ মিলিমিটার। মাইনাস -৯ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের হাড় জমানো ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে প্রবল তুষার ঝড়ের মধ্যেও এটি অনায়াসে হেঁটে গেছে। আগুনের শিখার ধকল সহ্য করেছে ২০ সেকেন্ড এবং পানি ও অ্যাসিড এ রোবটের কোনো ক্ষতি করতে পারে নি। গাড়ি চাপা দিয়েও এ রোবটকে ধ্বংস করা যায় নি। রোবটের দেহ নিয়েই কেবল এমন চরম পরীক্ষা চালান হয়েছে। রোবটটি পরিচালনার জন্য যে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তা আলগা ভাবে লাগান থাকায় এ সব পরীক্ষায় তা ব্যবহার করা যায় নি। অবশ্য প্রধান গবেষক মাইকেল টোলি বলেন, এ রোবটের নমনীয় দেহের ভেতর বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থা বসিয়ে দেয়ার কাজটি করা যাবে অনায়াসেই। দেহটি সব ধকল সহ্য করতে পারে কিনা প্রথমে সেটা যাচাই করাই একান্ত প্রয়োজন ছিল।

এ গবেষণার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের নমনীয় রোবট তৈরির পথ সুগম হলো বলে মনে করছেন টোলি ও তার সহ-গবেষকরা।

অদ্ভুতুড়ে 5:29 AM

বিশ্বের দামী সার্চ এঞ্জিন YAHOO! ebar বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে। মেক্সিকান আদালত ইয়াহুকে ২৭০ কোটি ডলারের এ জরিমানা করেছে। CNN সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এ শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চুক্তির শর্ত ভঙ্গের দায়ে এ জরিমানার তোপে পড়েছে। এরই মধ্যে ৪৯তম সিভিল কোর্ট মেক্সিকোর ফেডারেল দায়রা জজ এ রায় ঘোষণা করেছে।
ইয়েলো পেজে তথ্যের ব্যবহারিক চুক্তি না মানায় এবং মুনাফার হিসাবে গড়মিল থাকায় এত বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানা গুণতে হবে ইয়াহুকে। তবে স্বনাখ্যাত এসব প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের জরিমানার ফলে ভোক্তা স্বার্থের দিকটি আরও সুনিশ্চিত হবে। এমনটাই বলেছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।


অদ্ভুতুড়ে 6:16 AM

আসুন খুব সহজেই বাড়িয়ে নেই আমাদের পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের ডাটা ট্রান্সফার রেট।

পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইস।
পেনড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট হবে rocket-er মতো।

 

পেনড্রাইভ বা USB ড্রাইভ হচ্ছে এমন একটি Device বা পণ্য  যা বর্তমানে ডিজিটাল সময়ে খুব দরকারি বলেই বিবেচিত হয়ে থাকে। পেনড্রাইভ বা USB ড্রাইভ হলো এমন এক ধরণের Device যা আপনাদের সাথে থাকলে যেকোন Computer হতে আপনি আপনার পছন্দনীয় ডাটা নিতে পারবেন এবং এটি নিয়ে যেখানে সেখানে চলাফেরাও করতে পারবেন। কিন্তু সমস্যাটি তখনিই দাড়ায় যখন আপনি পিসি হতে কোন ডাটা পেনড্রাইভে কপি করলেন অথচ তা কপি হতে প্রায় ঘণ্টার পর ঘন্টা লেগে যাচ্ছে তাই আজ আমরা দেখবো কিভাবে আপনি আপনার পেনড্রাইভ বা USB ড্রাইভটির ডাটা ট্রান্সফার রেট বাড়িয়ে নিতে পারেন তাও আবার বিস্তারিতভাবে।

 পেনড্রাইভের ক্ষেত্রে ডাটা ট্রান্সফার রেট কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে যা একটু খেয়াল করলেই খুব সহজেই পেনড্রাইভের বা USB ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট বাড়ানো সম্ভব। চলুন জেনে নেই---

১.NTFS File সিস্টেম :-

                       
                       
NTFS File সিস্টেম
  
আমরা সাধারণভাবেই আমাদের পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে FAT32 সিস্টেম Choose করে থাকি। কিন্তু FAT32 হতে NTFS হচ্ছে উন্নত ফাইল সিস্টেম যার ডাটা ট্রান্সফার রেট অনেক বেশী। তাই পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের ক্ষেত্রে ভালো ডাটা ট্রান্সফার রেট পেতে অবশ্যই  অবশ্যই সিস্টেম Configuration-এ গিয়ে NTFS করে দিতে হবে।

২.Format :-

                               
Format
                          

আমরা সাধারণত নানা কারণে পেনড্রাইভকে  Format করে থাকি তাই এক্ষেত্রে পেনড্রাইভ Format করার ক্ষেত্রে অবশ্যই  NTFS সিলেক্ট করে Format করতে হবে। অন্যদিকে আমরা সাধারণত পেনড্রাইভকে Format করার ক্ষেত্রে  Quick Format অপশনটি নির্বাচন করে থাকি। এতে পেনড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট কমে যাওয়ার আশংকা থাকে । তাই ভালো ডাটা ট্রান্সফার পেতে চাইলে  Quick Format অপশন্টির উপর টিক চিহ্নটি তুলে দিতে হবে আর তাহলেই পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের প্রকৃত Speed পাওয়া যাবে আশা করা যায়।

৩. পেনড্রাইভ ডিস্ক ত্রুটি দেখাঃ-     


                             
পেনড্রাইভ ডিস্ক ত্রুটি দেখাঃ


 অনেক দিন ধরে পেনড্রাইভ কিংবা USB ড্রাইভ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এতে নানা সমস্যা বা Error দেখা দিতে পারে আর তাই নিয়মিত আপনার ডিভাইসকে দেখে নেয়া উচিত কোন Error আছে কিনা। আর এটি দেখতে আপনাকে আপনার পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের  Propertise-এর Tools ট্যাগ সিলেক্ট করে Error-Checking option-কে ব্যবহার করে আপনার ড্রাইভে কোন Error আছে কিনা তা দেখা যাবে।

৪.ডিভাইস Policy ব্যভারঃ-

          
ডিভাইস Policy ব্যভারঃ-


আপনি ডিভাইস পলিসি ব্যবহার করে পেনড্রাইভ কিংবা USB ডিভাইসের সম্পূর্ণ সুবিধা ব্যবহার করা সম্ভব। এতে পেনড্রাইভের বেটার পারফর্মেন্স পাওয়া সম্ভব। নিম্নে কিভাবে ডিভাইস পলিসি থেকে বেটার পারফর্মেন্স ব্যবস্থা চালু করতে হবে তা দেখানো হলোঃ-

প্রথমেই পেনড্রাইভের প্রোপার্টিজ চালু করতে হবে এরপর এখান হতে 'Hardware' ট্যাবে ক্লিক করে উক্ত ডিভাইসের নাম পাওয়া যাবে। এরপর পেনড্রাইভ কিংবা USB ডিভাইসের নাম সিলেক্ট করতে হবে। ডিভাইস সিলেক্ট করলেই ড্রাইভের প্রোপারটিজ দেখাবে। এবার প্রোপারটিজ অংশে ক্লিক করলেই নতুন একটি উইন্ডো  Open হবে।


                         
ডিভাইস Policy ব্যভারঃ-



বি দ্রঃ- 'Better Performance' ব্যবহার করলে একটি জিনিস খেয়াল রাখতে যে। পেনড্রাইভ বা USB ডিভাইসের ব্যবহারের শেষে প্রতিবারে জেন  'Safety remove your usb option' ব্যবহার করে ডিভাইসকে PC হতে remove করা হয়। আর অপ্রয়োজনে পেনড্রাইভ কিংবা USB ডিভাইস PC-এর সাথে সংযুক্ত রাখবেন না। 


আশা করি পেনড্রাইভ বা USB ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেটের সম্পর্কিত  পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছেন। 


পেনড্রাইভ বা US ডিভাইসের ডাটা ট্রান্সফার রেট


 







অদ্ভুতুড়ে 11:11 AM

মোবাইলে আর দরকার হবে না কোন প্রকার সিমের।




এমন এক ধরণের সিম কার্ড উদ্ভাবন করলো অ্যাপল  যেটি ব্যবহার করে একই সংকে একাধিক অপারেটরে সুইচ করা যাবে। এতে আগের মতো নিজের পছন্দের সিম কার্ড ব্যবহারে জন্য সিম কার্ড বার বার মোবাইলে ভরতে হবে না।

ক্যালিফোর্নিয়ায় আইপ্যাড এয়ার-২, আইপ্যাড মিনি-৩ এবং রেটিনা ৫কে ডিসপ্লে সমৃদ্ধ আইম্যাকের আনুষ্ঠানিক অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক এ কথা জানিয়েছেন গত বৃহস্পতিবার।

আইপ্যাডে এয়ার-২ এর WiFi+ Cellular এনাবলড ভার্সনে এই ' সফট সিম' ইনস্টল করাই থাকবে এমনটাই বলেছেন এপেলের প্রধান নির্বাহী  । তিনি আরও জানান যে, এটি এখন যুক্তরাজ্যে EE , T-Mobile-এর যুক্তরাষ্ট্রের AT&Sprint অপারেটর সুইচ করা যাবে।

অ্যাপেলের এর আগের সেটগুলোতে সিমের পাশাপাশি অপারেটর সিম ব্যবহার করতে হতো আর এখন কেবল শুধু অ্যাপেলের সিমটিই ব্যবহার করলে হবে, পরে এটি আইফোনেও ইনস্টল করে দেয়া হবে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অ্যাপল এই সুবিধা চালু করায় এখন এক নতুন প্রতিযোগিতা আরম্ব হবে অ্যাপেলের সাথে প্রতিযোগিতা করা কোম্পানীগুলো।

সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে অ্যাপল ছাড়া অন্য কোনো ডিভাইসে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।


আশা করি পোস্টটি পড়ি ভালো লেগেছে।




অদ্ভুতুড়ে 2:12 AM

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণ সমাজের সবার দৃষ্টিগোচর বিষয় হচ্ছে  ফ্রিল্যান্সিং। এ বিষয়টি আমাদের দেশে যদিও নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে  ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে  সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে।

 আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতির মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।

ফ্রিল্যান্সিং কি?
       ফ্রিল্যান্সিং হল নিজে নিজে চাকুরী করা এবং খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য কোন  নিয়োগকর্তার সাথে নিয়োগ চুক্তিতে না যাওয়া। যারা এভাবে কাজ করে তাদেরকে  ফ্রিলান্সার বলে। এখানে যেরকম রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ বাছাই করার স্বাধীনতা। আয়ের দিক থেকেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে অভাবনীয় সম্ভাবনা।

ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন? 

      একজন মানুষ বিভিন্ন কারণে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারে। কেউ হয়তো  ফ্রিল্যান্সিং কে তার প্রধান আয়ের মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে। আবার কারও কাছে এটা শুধু পকেট মানি আয়ের জন্যে।যেমন:-

        গতানুগতিক চাকরি:- ফ্রিল্যান্সিং পেশাতে আশার এইটা বড় কারন হতে পারে। চাকরির ক্ষেত্রে  স্বাধীনতা না ও   থাকতে পারে, ফ্রিল্যান্সিং এর নিজের স্বাধীনতা আছে। যেটা অন্য কোন পেশাতে নাই। ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন যে কোন  জায়াগা থেকে, ঘরের বাহিরে বসেও ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন।

       আয়ের জন্য:- যেকোনো ফ্রিল্যান্সারের ফ্রিল্যান্সিং করার মূল কারণের একটি টাকা আয়। আপনি যে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেই কাজের জন্যেই যদি আপনি টাকা আয় করতে পারেন।

       উপযুক্ত কাজ না পাওয়ায়:- আপনার  যোগ্যতা থাকা সত্বেও আপনে ভালো মানের কাজ পাচ্ছেন না। কিন্ত ফ্রিল্যান্সিং এর আপনার যোগ্যতা অনুসারে অবশ্যই কাজ করতে পারবেন। ভালো মানের কাজ জানা থাকলে অবশ্যই ভালো কিছু করা সম্ভব। ফ্রিল্যান্সিং পেশাটা অনেক সম্মান-জনক পেশা।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে জনপ্রিয় কাজ:-
        ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন , গেম ডেভেলপমেন্ট, প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফি , ডাটা এন্ট্রি, মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি- এর যেকোন এক বা একাধিক ক্ষেত্রে আপনি সফলভাবে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করে নিতে পারেন।

কোথায় ফ্রিল্যান্সিং করবেন?
        ফ্রিল্যান্সিং করার অনেক জায়গা আছে, আপনে ভালো কাজ জানলে সহজেই মাকের্টপ্লেস থেকে কাজ নামিয়ে কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করার অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।তার মধ্যে খুব ভালো মানের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে আপনে কাজ করলে প্রতারনা করার সম্ভবনা নাই।যেমন ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি।

 আজকে আমরা তুলে ধরেছি ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কোথায় কাজ করা যায়। ধারাবাহিক ভাবে পোষ্ট করা হবে। কি ভাবে ভালো  করা যাবে ফ্রিল্যান্সিং এ টু জেট নিয়ে আসছি আমরা । সব সময় আমাদের পাশে থাকুন। আর লেখাটা ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না।

অদ্ভুতুড়ে 11:53 PM

চোখ সম্পর্কে হোন আরও যত্নবান।

 

 দৃষ্টিশক্তি মানবদেহের এক অমূল্য সম্পদ। তাই এই সম্পদকে রক্ষা করা আমাদের একান্ত প্রয়োজন তাই আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কিছু জীবনাচরণ পদ্ধতি বেশ কাজে আসতে পারে। চোখের সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের খাবারের পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও প্রভাব ফেলে এমনটাই  জানিয়েছেন গবেষকগণ। তাই আসুন চোখের সুস্থাস্থ্যের জন্য ৫টি উপায় জানি।

১- চোখের জন্য ভিটামিন সি তেমনটাই জরুরি যেমনটা ভিটামিন এ জরুরি। এছাড়াও জিংক, ওমেগা থ্রি চর্বি খুবই উপকারী। রঙিন শাকসবজি, পাতাযুক্তসবজি যেমন- বাধাকপি, পালংশাক টক ফলযুক্ত খাবার অর্থাৎ কমলা মালটা ইত্যাদি পাওয়া যাবে ভিটামিন সিতে।
অন্যদিকে ভিটামিন ওমেগা থ্রি পাওয়া যাবে তেলযুক্ত মাছে আর নিয়মিত এসব খাবার চোখের কর্নিয়ার সমস্যা ও ছানি রোধে অন্যতম ভূমিকা পালন করে।

২-অন্যদিকে ধূমপান হার্ট ফুসফুসের পাশাপাশি মারাত্তকভাবে চোখের স্নায়ু ও ম্যাকুলার ক্ষতি করে, তাই ধূমপানকে না বলুন।

৩- দিনের বেলায় চোখে সানগ্লাস পরে বাহিরে বের হওয়া উচিত কারণ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্নি চোখেরক্ষতি করে।

৪- খেলাধূলা বা কারখানার কাছে জরিত ধাকলে শিল্ড বা গগলস ব্যবহার করা উচিত।

৫- দীর্ঘসময় কম্পিউটারে বসা থাক
লে মাঝে মাঝে বিরতি নেয়া উচিত। কম্পিউটারের মনিটর হতে নিজের চোখকে একটু দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

উপরিক্ত পয়েন্টগুলো আপনার চোখের যত্ন নিতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়।

 

অদ্ভুতুড়ে 5:50 AM

 

প্রযুক্তিকে পুঁজি করে এখন লেনদেনেও পরিবর্তন এসেছে। কাগজের টাকার বদলে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড এসেছে। এমনকি অনলাইনের মাধ্যমেও এখন লেনদেন হচ্ছে। দেশেও নতুন ধরনের এ লেনদেন পরিমাণ বৃদ্ধির পাচ্ছে এবং জনপ্রিয়তা বাড়ছে। শুরুর দিকের অস্বস্তি কাটিয়ে এখন সাচ্ছন্দেই অনলাইন লেনদেন হচ্ছে।

 কাগজের টাকা বহনের ক্ষেত্রে চোর-ডাকাতের ভয় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় অনেককে। সেদিক থেকে অনলাইন কিছুটা সুবিধাজনক হলেও সেখানেও রয়েছে ডাকাতের ভয়। একটু অসাবধান হলেই হ্যাকার নামের এসব ডাকাতরা এক নিমিষেই ফতুর করে ছাড়বে। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এ মাধ্যমে সামান্য কিছু ভুলের জন্য হয়ে যেতে পারে অনেক বড় ক্ষতি। তাই সাবধানতার কোনো বিকল্প নেই। এ কারণে অনলাইনে ক্রেডিট কিংবা ডেবিট কার্ড নম্বর ব্যবহার করে লেনদেনসহ অনলাইন ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা বাধ্যতামূলক। কিছু বিষয় মনে রাখলে অনলাইনে নিরাপদে লেনদেন করা যায়, অর্থ চুরির আশংকা এড়ানো যায়।

অনলাইনে লেনদেনে সচেতন ও সতর্ক থাকার উপায়গুলো নিয়ে এ প্রতিবেদন।

এন্টিভাইরাস ব্যবহার
ভাইরাসের মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হ্যাকারদের সবচেয়ে জনপ্রিয় কৌশল। ইন্টারনেটের বিশাল জগতে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন ভাইরাস। তাই সর্বশেষ আপডেটযুক্ত এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত।
এন্টিভাইরাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেনতেনটি ইন্সটল করবেন না। বাজারে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নাম দিয়ে বেশ কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো আসলে হ্যাকারদের তৈরি। এগুলো ইন্সটল করলে তথ্য নিরাপদে রাখার চেয়ে চুরি হওয়ার ভয় থাকে। তাই ভালো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।

জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে তুলনামূলক কোনটি ভালো তা এভি-কম্প্যারেটিভ ওয়েবসাইট থেকে দেখে নেওয়া যাবে।

সফটওয়্যারের স্বয়ংক্রিয় আপডেট
কম্পিউটারের প্রতিটি সফটওয়্যারের স্বয়ক্রিয় আপডেট অপশনটি অন করে রাখা উচিত। প্রতিটি সফটওয়্যার বিশেষ করে ব্রাউজারগুলোর সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করা উচিত।
software_techshohor

কেননা সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো আগের সংস্করণের বিভিন্ন ক্রুটি (বাগ) দূর করে ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করে নতুন সংস্করণ আনে। যা আগের সংস্করণ থেকে বেশি নিরাপদ হয়ে থাকে। এ কারণে সর্বশেষ আপডেট ব্যবহার করা উচিত।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার

অনলাইনে লেনদেন নিরাপদে রাখার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তা। সহজ-সরল শব্দ ব্যবহার করে গোপন নম্বর দেওয়া উচিত নয়। পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় নম্বর, শব্দ এবং সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা ভালো।
যেমন:Kas^^**000sfd987

এ ছাড়া নিয়মিত বিরতিতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করলে তক্কে তক্কে থাকা হ্যাকাররা একাউন্টের নাগাল পাবে না।

ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশন
অনলাইনে কোনো কিছু কেনার প্রয়োজন হলে ক্যান অন ডেলিভারি অপশন থাকলে সেটি ব্যবহার করা উচিত। এর অর্থ পন্য হাতে পাওয়ার পর টাকা প্রদান। এতে লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। অর্থ ও পণ্য হারানোর ভয় থাকে না।

অনেক ভুয়া ওয়েবেসাইট রয়েছে যেগুলো টাকা আগে নিলেও পণ্য আর বাসায় পৌঁছায় না। তাই ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশনটি সবচেয়ে বেশি নিরপাদ।

স্প্যাম ই-মেইল

হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডসহ অন্যান্য অনলাইন লেনদেন মাধ্যমের তথ্য চুরি করার জন্য অনেক কৌশল অবলম্বন করে থাকে। এর মধ্যে উলেখ্যযোগ্য হল স্প্যামিং।
ব্যবহারকারীদের ই-মেইলে নানা লোভনীয় অফারের কথা জানিয়ে মেইল পাঠানো হয়। যখন ব্যবহারকারী হ্যাকারের লোভনীয়

অফারের লোভে মেইলটিতে ক্লিক করে সেই অনুযায়ী কাজ করবে তখনই ব্যবহাকারীর মেইলের এমনকি কম্পিউটারের সব তথ্য চলে যাবে হ্যাকারের কাছে।তাই ই-মেইলে আসা লোভনীয় অফারসমৃদ্ধ মেইলগুলো সর্ম্পকে সচেতন থাকা উচিত।

ওয়েবসাইটের সার্টিফিকেটওয়েবসাইটের সার্টিফিকেট পরীক্ষা করুণ। নামকরা সাইটগুলো তাদের সাইটের জন্য একধরনের ওয়েব সার্টিফিকেট ব্যবহার করে। এটির অর্থ হচ্ছে ওই সাইটটি পরীক্ষিত।

সাধারনত ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারের পাশে সাইটটির ফেভআইকন (সাধারনত সাইটের লোগোর ছবি) থাকে। সেখানে ক্লিক করলে দেখা যাবে ওয়েবসাইটটি সার্টিফাইড কি-না।

কোনো কোনো ওয়েবসাইট আছে (বিশেষ করে ব্যাংকিং এবং অনলাইন কেনাকাটার নামকরা সাইটগুলো) আপনার ব্যক্তিগত ও গোপনীয় স্পর্শকাতর তথ্য নেওয়ার সময় (যেমন: জন্মতারিখ, বাসার ঠিকানা অথবা কার্ডের নম্বার) এনক্রিপ্টেড কানেকশন ব্যবহার করে। এরকম সাইটে ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে বা স্ট্যাটাসবারে একটা তালার চিহ্ন দেখা যাবে।

ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্যবহার করা
অনলাইনে লেনদেন করার জন্য সাইবার ক্যাফে কিংবা অন্য কোনো বন্ধুর কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত নয়। সাইবার ক্যাফেতে থাকা কম্পিউটারগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে।

ফলে বেশিরভাগ মানুষ এরকম অরক্ষিত কম্পিউটার থেকে অনলাইন কেনাকাটা করতে গিয়ে কার্ডের বা ব্যাংকের সব তথ্য অজান্তেই দিয়ে দেন হ্যাকারদেরকে।

পিশিং
অনেকসময় হ্যাকাররা মূল ওয়েবসাইটের মতো করে নকল একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে রাখে যাকে পিশিং বলা হয়। উদাহারণ হিসাবে মনে করুণ আপনি পেপ্যালের ওয়েবসাইট ঢুকবেন, কিন্তু অ্যাড্রেসবারে টাইপ করতে গিয়ে লেখার পর সেটির ওয়েবঠিকানা এসেছে। সঙ্গে রয়েছে পেপ্যালের লোগো।
এটিকে সঠিক মনে করে স্বাভাবিকভাবে ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড লিখে ঢুকে পরলেন। আসলে এতে যে ঘটনা ঘটলো তাতে এ পদ্ধতিতে হ্যাকাররা আপনার ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড পেয়ে গেল।

তাই আসল পেপালে ঢোকার সময় কিংবা ব্যাংকিং বা অনলাইন শপিং সাইটে ঢোকার পর আরেকবার মিলিয়ে দেখুন ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস ঠিক আছে কি-না। নিশ্চিত হয়ে লগইন করুণ এবং নিরাপদে লেনদেন সারুন।

পপ আপ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না
বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় মাঝে মাঝে বিভিন্ন পপ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। এ বিজ্ঞাপনগুলোতে ক্লিক করলে হয়ে যেতে পারে অনেক বড় সর্বনাশ। তাই এগুলোতে ক্লিক করার আগে একটু সাবধান থাকবে হবে। মজিলা ফায়ারফক্সে ad blocker এড অন্স ব্যবহার করলে এ সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যাবে।

মোবাইলে সব সময় লগ ইন রাখবেন না
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে অনলাইন কেনাকাটা করেন তাহলে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। মোবাইল অবশ্যই লক স্ক্রিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। যদি কোনো কারণে আপনার মোবাইলে চুরি হয় তাহলে পুরো ব্যাংক ব্যালেন্স চোরের হাতে দিয়ে দিলেন।

নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার
অর্থনৈতিক যে কোনো কাজ যেমন ব্যাংকিং বা কেনাকাটার জন্য প্রাইভেট ওয়াই-ফাই বা ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করুন। ফ্রি ওয়াই-ফাই নেট ব্যবহার করলে এ ধরণের আর্থিক লেনদেন না করাই ভাল।

ওয়েবসাইট নিরাপদ কিনা যাচাই করুণ
URL দেখেই সাইটটি বিশ্বস্ত কিনা তা জানা যায়। যদি সেখানে “https” থাকে তাহলে চোখ বন্ধ করে ধরে নিন এটা নিরাপদ সাইট। অন্যদিকে শুধু “http” থাকলে এই সাইট নিরাপদ কিনা তা URL দেখে বোঝা যাবে না।

লোকেশন ট্রেস এবং প্রাইভেসি সেটিংস ঠিক রাখুন
স্মার্টফোনের এই যুগে এখন অনেক অ্যাপস রয়েছে যেগুলো অটোমেটিক GPS লোকেশন ট্যাক করে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা প্রকাশ্যে শেয়ার করে দেয়। ধরুণ আপনার পুরো পরিবার বাইরে বেড়াতে গিয়েছেন। এখন সেই স্থান সবাইকে জানানো নিশ্চয়ই ভাল কথা না। তাই প্রাইভেসি সেটিংস ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

নিরাপদ ব্রাউজার ব্যবহার
অনলাইনে নিরাপদ থাকতে শক্তিশালী ব্রাউজের বিকল্প নেই। অনেকে এখনও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে থাকে। অথচ এ ব্রাউজারে প্রচুর সিকিউরিটি হোল রয়েছে। তাই মজিলা বা গুগল ক্রোম ব্রাউজারের সাথে ভালো এড অনও ব্যবহার করুন

অদ্ভুতুড়ে 12:47 PM

ফ্রিতে পিসি হতে মোবাইলে এস এম এস পাঠান খুব সহজেই


মোবাইলে টাকা শেষ রিচার্জও করার উপায় নেই আছে শুধু ইন্টারনেট এখন উপায়, জি উপায় একটি আছে সেটি হলো আমি এমন একটি  সফটওয়্যার নামাতে বলবো যা একবার পিসিতে ইন্সটল করে ৫বার ফ্রিতে যেকোন মোবাইলে এস এম এস পাঠানো যাবে। ৫বার পাঠানোর পর আবার আনইন্সটল করে পূনারায় আবার ইন্সটল করে আবার ৫টি নাম্বারে পাঠানো যাবে এবাবে যতবার খুশী ব্যবহার করা যাবে সফটওয়্যারটিকে।

তবে এই সফটয়ারটি ৩২বিটের তাই এটি ৩২ বিট পিসিতে চলবে।

সফটওয়্যারটির ডাউনলোড করার লিংকটি নিম্নে দেয়া হলোঃ-


আশা করি পোস্টটী পরে ভালো লেগেছে।

অদ্ভুতুড়ে 5:21 AM

 

    হয়তোবা "ফোবিয়া" শব্দটি শুনে আপনার বিভিন্ন রকম ভয়ের অনুভূতি হতে পারে। হতে পারে তা ভূত-প্রেত অথবা কোন কীটপতঙ্গ। কিন্তু এটা হতে পারে কম্পিউটার এমনকি মোবাইল ফোনও!! কিন্তু ভয় জিনিসটা মানুষ ভেদে ছড়িয়ে আছে সর্বত্র।

প্রযুক্তির ব্যবহার সর্বত্র ছড়িয়ে যাওয়ায় পর ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমাণে টেক ফোবিয়ার সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু মেনটাল হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ম্যানুয়ালে এই ফোবিয়াগুলোর নাম তালিকাবদ্ধ করা হয়নি। অর্থাৎ এগুলো এখনও আনঅফিসিয়াল। অফিসিয়াল ক্লিনিক্যাল টার্ম না থাকা সত্ত্বেও টেক ফোবিয়া বিদ্যমান। পাঁচ টি টেক ফোবিয়ার নাম যেগুলোর সাথে আমরা সাধারণরা পরিচিত নোই।

 ১। টেকনোফোবিয়া (Technophobia)
       মূলত প্রযুক্তি সম্পর্কিত সকল প্রকার ফোবিয়া এর অন্তর্গত। প্রচুর মানুষ রয়েছেন যাদের প্রযুক্তি নিয়ে বিশেষ ভীতি কাজ করে। এই টার্ম ডিফাইন করা হয়েছে এভাবে: "the abnormal fear or anxiety about the effects of technology." যেসকল মানুষ অথবা গোত্র আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি পণ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন অথবা অস্বস্তি বোধ করেন তাদেরকে টেকনোফোবস (technophobes) বলা হয়।

২। নমোফোবিয়া (Nomophobia)
       মোবাইল ডিভাইসের সংস্পর্শে না থাকা জনিত যে ভয় সেটার নাম "নমোফোবিয়া"। যারা সেলফোন আসক্ত সম্ভবত তাদের সকলেই এই ফোবিয়াতে আক্রান্ত। নোমো বা Nomo শব্দটি No Mobile এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এই ফোবিয়াটি সর্বপ্রথম নামকরণ করা হয় ২০০৮ সালে। এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যাক্তি যখন অন্য কাউকে মোবাইল অপারেট করতে দেখে তখন নিজের মোবাইল অপারেট করতে না পারার অস্বস্ততিতে ভুগেন। এবং আক্রান্ত ব্যাক্তির নিকট কোনো মোবাইল ডিভাইস না থাকলে সেটা প্যানিকে রুপান্তরিত হয়। এছাড়াও ফোন কল ধরতে না পারা, ব্যাটারি লাইফ শেষ হয়ে যাওয়া এমনকি ফোন হারানোর ভয়ও এই ফোবিয়ার অন্তর্গত।

৩। সাইবারফোবিয়া (Cyberphobia)
      বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, কিছু মানুষ আছেন যারা কম্পিউটার ফোবিয়া রয়েছে এবং তারা কম্পিউটারে কাজ করার সময় অথবা কাজ করতে হবে জেনে ভয় পান। এই ফোবিয়াকে বলা হয় সাইবারফোবিয়া। কম্পিউটার সম্পর্কিত যে কোন কিছু করতে যেয়ে অথবা করার পূর্বে ভয় পাওয়া এই ফোবিয়ার অন্তর্গত। আক্রান্ত ব্যাক্তি এসময় উদ্বিগ্ন অথবা আতংকিত হয়ে পড়েন। এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যাক্তির মনে হতে পারে কম্পিউটারের প্রাণ রয়েছে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা ব্যবহারকারীর উপর লক্ষ রাখছে।

৪। টেলিফোনোফোবিয়া (Telephonophobia)
        এটা নমোফোবিয়ার মত ডিভাইস সংক্রান্ত ফোবিয়া নয়। এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যাক্তি ফোন রিসিভ করে উত্তর দেয়া নিয়ে আতংকিত থাকেন। পাবলিক স্পিকিং করতে ভয় পেলে তাকে বলা হয় "glossophobia"। অনেকটা একই রকম ফোবিয়া এই Telephonophobia. ফোনে যখন রিং বেজে উঠে তখন আক্রান্ত ব্যাক্তি ভয় পান এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে hypervantilation অথবা panic attacks এর সম্মুখীন হন। এই ফোবিয়াকে অন্যভাবে বলতে গেলে বলা যায় "social anxiety disorder"। সমালোচিত হওয়া অথবা অন্যের কাছে বোকা বনে যাওয়ার যে ভয় সেটার সাথে যথেষ্ট মিল রয়েছে টেলিফোনোফোবিয়ার।

৫। সেলফিফোবিয়া (Selfiephobia)
        সেলফি জনপ্রিয় হয়ে উঠার সাথে সাথে এই সংক্রান্ত ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। "সেলফিফোবিয়া" টার্মটি ইন্টারনেটে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত। নিজের ছবি তোলার ভয়টাই সেলফিফোবিয়া। এই ফোবিয়ার মূল কারণ, নিজেকে ফটোজেনিক মনে না করা এবং এটা চিন্তা করা যে "মানুষ মনে করবে আমি attention seek করছি" বিশ্বাস করুন আর নাই করুন প্রযুক্তি সম্পর্কিত সকল ফোবিয়ার মধ্যে এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষ সবচেয়ে বেশি।

অদ্ভুতুড়ে 11:27 AM
জন্মভূমির ঈদ - বাংলাদেশের ঈদ (Eid in Bangladesh)
ক্যাপশন যুক্ত করুন
সূর্য বিলায় আলো আমায়, আঁধার ঘোচে তাতে
স্নিগ্ধ-কোমল চাঁদের আলোয় মনটা নাচে রাতে।
ঝিকমিকানো জোনাকজ্বলা, ঝিনিক ঝিনিক ঝিঁঝিঁ
ঘুম এনে দেয়, স্বপ্নে আমি ঝুমদেয়াতে ভিজি।
ভোরটি হলে পাখির গানে দোরটি খুলে দাঁড়াই-
সবুজ মাঠের হাতছানিতে হাত দু’খানা বাড়াই।
মনটা তখন যায় হারিয়ে মানতে নারাজ মানা
পাখির মতো মনের তখন যায় গজিয়ে ডানা।
মাঠ পেরিয়ে নীলচে পাহাড়, মেঘ ছুঁয়েছে চূড়ো
ঠিক মনে হয় পাহাড় তো নয় আদ্যিকালের বুড়ো।
ডাক শোনা যায় নীল সাগরের, ঢেউরা ওঠে ফুলে
নোনতা পানির গন্ধ ভাসে হাওয়ায় দুলে দুলে।
এই তো আমার দেশরে আহা! মায়ায় মায়ায় মাখা
শীতল মাটির প্রাণের ছোঁয়া ছায়ায় ছায়ায় আঁকা।
ভাইবোনেরা মিলেমিশেই এই মাটিতে থাকি-
রাতটি এলে ঘুমিয়ে চোখে স্বপ্ন ধরে রাখি।
হাসিখুশির, স্বপ্ন দেখার প্রিয় স্বদেশভূমি-
বছর শেষে ঈদের খুশির বার্তা আনো তুমি।
সেই খুশিতে সবাই মাতি হারাই মনে-মনে
প্রজাপতির দুলদুলুনি ফুলের বনে বনে।
সবাই এদিন এক হয়ে যাই, কেউ থাকি না দু’টি!
লক্ষ গোলাপ সবাই তখন একটি বোঁটায় ফুটি।


অদ্ভুতুড়ে 11:25 AM

ঈদের খুশি - ঈদের রাতের কবিতা! (Eid's Poem)


ঈদের খুশি - ঈদের রাতের কবিতা! (Eid's Poem)

ঈদের খুশি - ঈদের রাতের কবিতা! (Eid's Poem)

রাত থম্ থম্ রাতের শেষে সকাল যখন হবে
মনের মাঝে ঈদের খুশি জমাট বেঁধে রবে।
ঈদের খুশি ঈদের খুশি বাঁকা চাঁদের হাসি
ফিরনি কাবাব পায়েস সেমাই দেব রাশি রাশি।
ঈদের খুশি সকাল বিকাল ঈদের খুশি রাতে
নতুন জামা নতুন কাপড় পরবো সবাই প্রাতে।
ঈদের খুশি বাড়ি বাড়ি ঈদের খুশি মাঠে
ঈদের খুশি শহর গঞ্জে ঈদের খুশি হাটে।
ঈদের খুশি ছেলে বুড়োর ঈদের খুশি নানার
ঈদের খুশি গরিব দুঃখীর দুঃখ কথা জানার।
ঈদের খুশি উদার আকাশ ঈদের খুশি দানের
ঈদের খুশি  দু’হাত ভরে উচ্ছল যত প্রাণের।

 
উৎস: কিশোর কন্ঠ ও প্রজন্ম ফোরাম

অদ্ভুতুড়ে 11:39 AM

ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট ! গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়।

আজকের দিনের শেষ মুহূর্তে ঢাকার প্রতিটি গরু ছাগলের হাটে কোরবানীর পশু কেনা বেচা জমজমাট হয়ে উঠেছে। তবে ভারতীয় গরুর আমদানি বেশি থাকায় দেশীয় গরুর খামারিরা পড়েছেন বিপাকে। বরাবরের মতো এ বছরও হাটগুলোতে পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের বিপরীতমুখী বক্তব্য রয়েছে।

ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট !


প্রতিবারের মত এবারও দেশের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ঢাকার গাবতলিতে বসেছে। গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়। তবে শুধু গরুর হাঁটের দিক থেকে যে গাবতলিতে পৃথিবীর ঐতিহাসিক বড় হাঁট তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। দেশের ছোট বড় সব হাঁটে এই সপ্তাহে প্রায় কয়েক কোটি গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ আমদানি হয়েছে।

ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট ! গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়।
ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট ! গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়।
ভারতীয় গরুর আমদানি বেশি থাকায় দেশীয় গরুর খামারিরা পড়েছেন বিপাকে।
ভারতীয় গরুর আমদানি বেশি থাকায় দেশীয় গরুর খামারিরা পড়েছেন বিপাকে।
 বরাবরের মতো এ বছরও হাটগুলোতে পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের বিপরীতমুখী বক্তব্য রয়েছে।
বরাবরের মতো এ বছরও হাটগুলোতে পশুর দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের বিপরীতমুখী বক্তব্য রয়েছে।
প্রতিবারের মত এবারও দেশের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ঢাকার গাবতলিতে বসেছে।
প্রতিবারের মত এবারও দেশের সবচেয়ে বড় পশুর হাট ঢাকার গাবতলিতে বসেছে।
 দেশের ছোট বড় সব হাঁটে এই সপ্তাহে প্রায় কয়েক কোটি গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ আমদানি হয়েছে।
দেশের ছোট বড় সব হাঁটে এই সপ্তাহে প্রায় কয়েক কোটি গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ আমদানি হয়েছে।
ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট ! গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়।
ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট, ঘরে বসেই ঘুরে আসুন হাঁট ! গাবতলির এই ঐতিহাসিক বিরাট গরু ছাগলের হাট এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ হাটও বলা হয়।
Powered by Blogger.