গুগলের ইমেইল সেবা ‘জিমেইল’ বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়। গুগলের সকল সেবা ব্যবহারের জন্য একটি জিমেইল একাউন্টই যথেষ্ট। এজন্য একে ‘গুগল একাউন্ট’ও বলা হয়ে থাকে। সম্প্রতি অ্যাপলের আইক্লাউড হ্যাক হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটির ব্যক্তিগত ছবি ফাঁসহয়ে গেছে। ঐ ঘটনার পর এখন সবাই নতুন করে তাদের নিজ নিজ অনলাইন সেবার নিরাপত্তা বৃদ্ধির উপায় খুঁজছেন। এই পোস্টে জিমেইল একাউন্টের নিরাপত্তামূলক ফিচার ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ চালুর উপায় আলোচনা করা হবে। চলুন শুরু করি।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট সেগুলোর ব্যবহারকারীদের ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ছাড়া দ্বিতীয় একটি উপায়ে পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। এটি ব্যবহার করলে প্রতিবার নতুন ডিভাইস/ব্রাউজারে আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবায় (উদাহরণস্বরূপ জিমেইলে) সাইন ইন করার সময় ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ইনপুট করার পরেও সেখানে আরেকটি পিন কোড দিতে হবে। এই কোডটি মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে আসে। এগুলোকে সিক্যুরিটি কোডও বলা হয়, যা প্রতিবারই সার্ভার থেকে পাঠানো হয়।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন একটিভ থাকা যেকোন একাউন্ট হ্যাক করতে চাইলে কমপক্ষে তিনটি বিষয় দখলে থাকতে হবে। সেগুলো হচ্ছে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং যে মোবাইল নাম্বারে সেবাটি রেজিস্ট্রেশন করা আছে/ সিক্যুরিটি কোড। ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও একই সময়ে আপনার মোবাইল ফোনটি হ্যাকারের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই জিমেইলে সাইন-ইন করার সময় সিস্টেম যখন মোবাইলে এসএমএসে আসা পিন চাইবে তখন সেটি তাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব হবেনা। আর এই যাত্রা আপনার একাউন্টটিও হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
Post a Comment