অদ্ভুতুড়ে 10:31 AM
বিষয়টি নারীদের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিরিশ না পেরোতেই স্তনের অটুট অবস্থা নষ্ট হয়ে যায়। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নানা মতামত তুলে ধরেন। আবার যারা তাদের স্তনযুগলকে ঠিক আগের মতোই পরিপুষ্ট এবং অটুট রেখেছেন, তাদেরও কিছু মতামত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রচলিত ধারণার অধিকাংশই ভুল। এখানে জেনে নিন এমনই ৫টি ভুল ধারণা ও বাস্তবতার কথা।
১. এ কথাটি সত্য যে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীর স্তন তার পূর্বের অবস্থা হারাবে। এর টিস্যু এবং লিগামেন্টগুলো দুর্বল হতে থাকবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বক্ষ আগের মতো অটুট থাকবে না।
২. বহুল প্রচলিত একটি ধারণা যা আসলে ভুল। নিয়মিত ব্রেসিয়ার পড়লে স্তন ঠিকঠাক থাকে। অনেকেই তা বিশ্বাস করেন। বিশেষজ্ঞ মিলস বলেন, মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে স্বাভাবিকভাবেই স্তন নিচের দিকে যাবে। কিন্তু ব্রেসিয়ার ব্যবহারে আপনি স্তনকে কেবল ওপরের দিকে ধরে রাখতে পারেন এবং নিজের পছন্দমতো লুক দিতে পারেন। কিন্তু এর দ্বারা বক্ষের অটুট অবস্থা ধরে রাখা যায় না। বরং গত বছর ফ্রান্সের এক দল গবেষক জানান, ব্রেসিয়ার স্তনের টিস্যুগুলোকে দুর্বল করে দেয়। ফলে তা আরো দ্রুত তার পরিপুষ্টতা হারায়।
৩. সঠিক পদ্ধতিতে বিশেষ ব্যায়াম করলে স্তনযুগল উন্নত থাকে- এ কথা বহুল প্রচলিত। কিন্তু তা মোটেই সত্য নয়। যেহেতু স্তন গঠিত হয় ফ্যাট দিয়ে, পেশি দিয়ে নয়। কাজেই ব্যায়াম করে একে উন্নত করা যায় না। ক্লিনিক্যাল অ্যাসিসটেন্ট ড. অ্যানি টেইলর বলেন, তবে পিঠ ও ঘাড়ের ব্যায়াম বুকের পেশিকে উন্নত করতে পারে। এতে করে নারীদের স্তনের ওপর হয়তো কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
৪. আরেকটি বাজে ধারণা অনেকেই করেন। তা হলো, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে স্তন তার সৌন্দর্য ও উন্নত অবস্থা হারায়। ২০০৮ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, স্তনের অটুট অবস্থা নষ্ট হওয়ার পেছনে বুকের দুধ খাওয়ানো কোনো ভূমিকা রাখে না। গর্ভাবস্থাকালীন স্তন কিছুটা স্ফীত হয় যা পরবর্তীতে স্তনের চেহারা নষ্ট করতে পারে। কিন্তু তা বুকের দুধ পান করানোর জন্য নয়।
৫. ধূমপানসহ বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে স্তনের পরিপুষ্টতা নষ্ট হতে পারে। মূলত দেহের কোলাজেন নষ্ট করে এমন যেকোনো কিছুই স্তনের সৌন্দর্য ও উন্নতভাব কমিয়ে দেয়। তা ছাড়া সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিও এর কারণ হয়ে দেখা দেয়। সূত্র : ফক্স নিউজ

Post a Comment

'; (function() { var dsq = document.createElement('script'); dsq.type = 'text/javascript'; dsq.async = true; dsq.src = '//' + disqus_shortname + '.disqus.com/embed.js'; (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(dsq); })();
Powered by Blogger.