![]() |
| Brain Port |
অন্য ভাবে বলি , আপনারা অনেকেই স্কাইপে তে ভিডিও চ্যাট করেছেন । নিশ্চয় ওয়েবক্যামটা দেখেছেন । ক্যামেরাটি কম্পিউটারে লাগানো থাকে, তারপর সে ক্যামেরার সামনে আপনি যখন আপনার দর্শন দিবেন তখন আপনার ওয়েবক্যামের পেছনে সংযুক্ত লম্বা তারটা দিয়ে আপনার বাস্তব চিত্র কম্পিউটার এর সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটে যাবে । ইলেকট্রিক সিগন্যালে বাইনারি কোড হিসেবে রুপান্তর হয় এই কাজটি হয়ে থাকে ।
আপনি চোখ দিয়ে কোন কিছু দেখেন তা চোখের পেছনে থাকা অপটিক্যাল নার্ভ আপনার মস্তিষ্কে বহন করে নিয়ে যায় । আমরা আমদের সামনে চলমান বা স্থির সব দৃশ্য দেখতে পাই ।
ইউনিভার্সিটি অব উইস্কন্সিন মেডিসিনে বসে আছেন research in sensory substitution বিষয়ের smith kettlewell. তার সামনে চেয়ারে বসা একজন জন্মান্ধ । তার কাছের হাতের চেয়ারে একটি ক্যামেরা যার তার গিয়ে লেগেছে লোকটির জিহ্বায় বসানো সেন্সরে । এবার লোকটির সামনে পিং পং বল নিয়ে যাওয়া হলে লোকটি আশ্চর্যজনকভাবে পিনপং বলের নিখুঁত একটি ইমেজ দেখতে পান । আমি আপনাদের আগেই বলছি কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সাহায্য ছাড়াই মাথার ভেতরেই কোন কিছুর স্পর্শ ছবি বা গন্ধ ইত্যাদি ক্রিয়েট করা যায় । তাই লোকটির ক্যামেরার সামনে যখন পিনপং বল নিয়ে যাওয়া হয় তার ক্যামেরার ছবি বৈদ্যুতিক সংকেত হিসেবে জিহ্বায় লাগানো স্টিমুলেটরে যায় এবং সেখানে সেটি জৈবিক সিগনালে পরিণত হয় । শেষে লোকটির মস্তিষ্ক একটি ইমেজ সৃষ্টি করে যা বাস্তবের মতো না হলেও কম্পিউটারের এনিমেশনের চেয়ে খারাপ না । এভাবে আপনি স্টিমুলেটর দিয়ে ব্রেইনকে দিতে পারবেন স্বাদের, গন্ধের, স্পর্শের অনুভুতি । আর পুরো সিস্টেমটির নাম ব্রেইন পোর্ট । এবার আশা করি পরিষ্কার হল কেমনে জিহ্বা দিয়া দেখা যায় ।

Post a Comment